ইউজার লগইন
ব্লগ
খুচরা পোস্ট ২
এক.
ট্রয়ের রাজপুত্র প্যারিস স্পার্টার রাজা মেনেলাউসের বাসায় আতিথ্য নেয়। মেনেলাউস অতিথিকে রাজকীয় আদর আপ্যায়ন করেন। কিন্তু এক রাতে তার স্ত্রী হেলেন প্যারিসের সাথে পালিয়ে যায়, যদিও দেবরাজ জিউস কন্যা অনিন্দ্য সুন্দরী হেলেন স্বয়ংবর অনুস্ঠানের মাধ্যমে নিজের পছন্দে মেনেলাউসকে বিয়ে করেছিলো। এইভাবেই শুরু গ্রিস আর ট্রয়ের ভিতর যুগ ব্যাপী মহাযুদ্ধের।
আসলে মানুষের চেয়ে দেবতারাই ছিল দায়ী এই রক্তক্ষয়ী অধ্যায়ের। ঘটনার শুরু যখন ঝগড়ার দেবী দেবতাদের কোনো এক অনুষ্ঠানে দাওয়াত না পেয়ে ক্যাচাল লাগানোর জন্য দেব দেবীর আসরে একটা সোনার আপেল আড়াল থেকে ছুড়ে মারে। সেখানে লেখা ছিল সেরা সুন্দরীর জন্য। তারপর শুরু হয় ঝামেলা। কোনো দেবতাই কোন দেবী সবচেয়ে সুন্দরী এই কথা বলার সাহস পায় নাই অন্য দেবীদের ভয়ে। তখন দেবরাজ জিউস দেবীদের পাঠান ট্রয়ের রাজপুত্র প্যারিসের কাছে।
নিজের সুরতহাল নিজের পঠনের তলে
মনোযোগহীনতা আমার সব ব্যর্থতার পেছনে ঘাপটি মেরে থাকে। কোন কাজেই আমি পূর্ণ মনঃসংযোগ করতে পারি না সেই পনেরো বছর বয়স থেকে। গত একমাসের উপর বাসায় আছি। নিজেকে খুব কাছ থেকে অবলোকন করার এমন দীর্ঘ সুযোগ কর্মজীবনে প্রবেশের পর থেকে আর পাইনি। প্রতি দশ মিনিট ও নয়, বরঞ্চ প্রতি মিনিটে আমার চিন্তার বিষয় পরিবর্তিত হচ্ছে। ধীরে ধীরে মানুষের প্রতি আস্থা কমেছে।একমাত্র ভালোবাসার মানুষ ছাড়া আর কারও কাছে নিজেকে উন্মুক্ত করি না, আবেগের প্রবাহ অনেকটাই স্তিমিত।সংযুক্তদের প্রতি প্রত্যাশার কোটা শূন্য; ফলাফল - মানসিকভাবে দুঃখভারাক্রান্ত হবার সম্ভাবনা কম। সময়, বয়স, পেশা, ক্ষমতার উপযুক্ত ব্যবহার, সামাজিক অবস্থান, পরিচয়, অর্থ মানুষকে কিভাবে পরিবর্তন করতে পারে তা নিজেকে দিয়ে খুব ভালোভাবে বুঝতে পারছি।
২০৩৬ - এ ব্লগ স্টোরি (১৫)
সুপ্রাচীন জায়গাটায় অর্বাচীনের মত শুয়ে আছি। ইন্টারভ্যু নামক আপদখানি কখন কার উপরে নাজিল হবে বলা মুশকিল। গতকাল প্রচন্ড চেস্ট-পেন নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হবার পরে যন্ত্রণার শুরু। হসপিটালের একটা কমার্শিয়ালের লাইভ টেলিকাস্ট হচ্ছে। আমাকে একজন সুন্দরী ডাক্তার কাম উপস্থাপিকা জিজ্ঞেস করলো, পেইনটা কোথায় হচ্ছে? বুকের একটা অংশ দেখালে, তিনি ধমকে উঠলেন, কই আপনার মুখে তো এক্সপ্রেশন নাই! বুকে ব্যাথা হলে মুখ একটু কুচকে বলতে হবে না, নইলে দর্শক কিভাবে বুঝবে আপনি রিয়েল প্যাশেন্ট?
কুসংস্কার লইয়া ভাবনা চিন্তা-১
আম্রা সবাই মোটামুটি বড় হইয়া উঠছি নানা রকম কুসংস্কাররে আশ-পাশে সঙ্গী কৈরা। ফলো করছি কিনা সেইটা মূল কথা না, মূল কথাটা হইলো আমাদের বাইড়া উঠনের একখান অইন্যতম অনুষঙ্গ আছিলো কুসংস্কার। ছোটকালে সেগুলারে লইয়া ভাবনা চিন্তা করতাম না, ময়-মুরুব্বিতে কইছে বইলা মাইনা নিতাম। এই বয়সে আইসা হাতে পায়ে কাজকাম কম থাক্লে এগ্লা নিয়া চিন্তা ভাবনা করনের চেষ্টা চালাই। সেইখান থিকাই আসলে এই লেখাটা আইছে। লেখার উদ্দেশ্য কুসংস্কার গুলারে সুসংস্কারে রূপান্তর বা অইরাম কিছু না, জাস্ট নিজের মনের ভিত্রের ভাবনা গুলারে শেয়ার করন।
কুসংস্কারঃ- ঘরের ভিতরে স্যান্ডেল বা জুতা উলটাইয়া থাক্লে ঝগড়া হয়।
আবার বিশেষ ঘোষনা
ভাই ও বোনেরা
আজ অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।
আপনারা সবাই সব জানেন ও বুঝেন। জিমেইল মামা কিছুক্ষন আগে একটা মেইল দিয়ে জানিয়েছে তার খুব মন খারাপ তার কাছে এই পর্যন্ত কোন মেইল আসে নাই। কেও কথা রাখে নি কেও না......
রুনা আপা ধন্যবাদ দিয়ে আর কোন খবর নাই। লীনাদির এখনো সময় হয়নি।টূটুল ভাই রাতে বাসায় দিনে অফিসে এমনকি মানুষের বাড়ি গিয়ে দাওয়াত খেতে গিয়ে ঘুমায় কাটায়তেছে।কামাল ভাইয়ের জন্য খেলার মাঠ রেডি কিন্তু তিনি খেলতে নামতেছে না।
নজরুল ভাই রান্ধাকামেলের রান্ধা বাদে বান্দরবন ঘুরে বেরাচ্ছে। মুক্ত আজ বন্দী কিন্তু কার জালে তা জানা হয়নি আজও।জেবীন শুকনার অভাবে লিখতে পারছে না।এদিকে মীরে কোন হাতাপাতা নাই। বৃত্ত ভাইজান মাথা বেল কইরা কই কই যেন ঘুরে বেরাচ্ছে.........
আমার দিনকাল
সোমবার
সোমবার মধ্যরাতে ছোট ভাইয়ের (রেজা য়ারিফ) স্ত্রীর একটি পুত্র সন্তান হল। অনেকদিন থেকেই বেশ শারীরিক জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। তাছাড়া বাচ্চাটা পৃথিবীতে আসার পূর্ণ মেয়াদ হয়নি। তবু বাধ্য হয়ে অপারেশন করতে হল। প্রথমে বাচ্চাটাকে রাখা হল ইনকিউবিটরে। অক্সিজেন সাপোর্ট দিয়ে। ফুসফুসের কার্যক্ষমতা পুরো না হবার কারনে শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল পিচ্চি বাবুটার। একদিন অপেক্ষার পর ছোট বাচ্চাটাকে ভেল্টিলেটরের সাপোর্ট দিতে হল। মা এক জায়গায়, আর বাচ্চাটা এক জায়গায় ! সোমবার থেকে মা আর ছেলেটা হাসপাতালে। গতকাল ডাক্তার বললেন, অবস্থা আগের চেয়ে ভাল। আশা করছেন, আগামী ৫/৭ দিনের মধ্যে মা আর সন্তানকে ছেড়ে দিতে পারবেন। গতকালই বিলের খবর নিতে যেয়ে আমি হার্টবিট মিস করে ফেলেছি। ভুল শুনেছি মনে করে আবার জেনে নিশ্চিত হলাম যে, ৫ দিনে বিল এসেছে ২ লাখ ৭০ হাজারের কিছু কম বেশি...
মঙ্গলবার
তাকে যত তাড়াই দুরে ----- [মহীনের ঘোড়াগুলি]

মহীনের ঘোড়াগুলি ব্যান্ডের সবগুলো গান আমার কাছে ছিলো না, ক'দিন আগে অনেক খোঁজার পর সবগুলো গান জোগাড় করলাম। পুরনো শোনা গানগুলো আবারো শুনলাম, একেবারে না শোনা গানগুলো বারবার শুনলাম।
আজ নিস্তব্ধ ভরদুপুরে একা একা রুমে বসে পুরনো শোনা গানটা শুনতে শুনতে মনে হলো ঠিক এই মুহুর্তটার জন্যই যেন গানটা তৈরী করা হয়েছে .....
বারবার শুনছি.............
তাকে যত তাড়াই দুরে
তবু সে আসে মেঘলা চোখে ঘুরে ফিরে
তাকে আমি হারাই দুরে দুরে
যদি সে গেয়ে ওঠে অন্য কোন সুরে
আজকাল বা পরশু
যদি সে এসে দাড়ায়
ছায়ার মত আমার ছায়ায়
ছায়ারও ছায়াতে সে অন্যজন
ভরদুপুরে একলা রাতে অন্যমন
সে অবুঝ খেয়ালি
সে ভিষন একাকী
আবেগ সবই তার তো ফাঁকি
এখনো ভাবে সে ফুটবে পলাশ
ডাকবে কোকিল
বিছানায় সে ফিরবে পাশ
গল্প: মাঝে মাঝে মানুষের অক্ষমতা পুষিয়ে দিই নীরবে
১
চার ক্যান ডেডিকেটেডলী ব্রু'ড ব্যরন্স সদ্ব্যবহার করার পরও সেদিন রাতে শরীরটা ম্যাজম্যাজ করছিলো। তাই চুলগুলো একটু টানিয়ে নেবার বাসনায় মহল্লার ছেলেটার ডেরায় গিয়ে উঠলাম। এত রাতে ওর খদ্দের খুব বেশি ছিলো না। সে পাকা হাতে পানি মেখে, নিপুণ কারিগরের মতো আমার চুল টেনে দিল। আরামে চোখ মুদে আসছিলো। আয়নায় দেখছিলাম চোখের কোণে লাল একটা আভা তৈরী হচ্ছে। নিজেকে ডিমওয়ালা মাছের মতো লাগছিলো। যে মাছ গভীর পানিতে থাকে। জেলেদের জালে বন্দী হওয়ার দুশ্চিন্তা যাকে ছুঁতে পারে না। অনাগত দিনের কোনো এক অদৃশ্য সুখের স্বপ্ন আমার নিমিলীত চোখে ঝিলিক দিচ্ছিলো। এই বিন্দাস মনোভাবের উৎপত্তি কোথায় ঠিক ধরতে পারছিলাম না। তবে কি ইলোরা ভাবী?
২
একলা হবার গান
চৈত্র-সঙক্রান্তির রাতটা কাটলো বন্ধুদের সঙ্গে। নতুন নয় ব্যাপারটা, চৈত্রের শেষ রাতটি কবি এবং লেখক বন্ধুদের সঙ্গে কাটানোর একটা অলিখিত নিয়ম আমাদের মধ্যে গড়ে উঠেছে। বিশেষ কোনো কারণ নেই এর পেছনে, একসঙ্গে অনেক বন্ধু মিলিত হবার একটা উপলক্ষ্য মাত্র। ব্যাপারটা অবশ্য এখন আর শুধু বন্ধুদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। অনুজ ও অগ্রজ বন্ধুরাও যোগ দেয় এই আড্ডায় এবং বেশ জমজমাট একটা আড্ডা হয়! বিস্তর হাসিঠাট্টাদুষ্টুমি হয়, হয় তর্ক-বিতর্ক বা গম্ভীর আলোচনাও। অনুজরা তুলনামূলকভাবে অধিকতর প্রাণোচ্ছল, তারাই বেশি করে হুল্লোড় করে, অগ্রজদের বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করে। অগ্রজরা - কী আর করবেন - অনুজদের ভালোবাসার অত্যাচার হাসিমুখে মেনে নেন! এবারও সেরকমই হলো। ওরা একেকজনকে গান গাওয়ার জন্য ফাঁদে ফেলতে লাগলো! তাতে যে সবাই খুব বিপদে পড়ে গেলো তা অবশ্য নয়!
কাল বৈশাখী
আকাশ জুড়ে ধুসর মেঘ ভোর থেকেই। মাঝে মাঝে অভিমান ভেঙ্গে উজ্জ্বল হচ্ছিল আকাশটা। বৈশাখে প্রথমদিনেই সূর্যের সাথে তার দারুন অভিমান। সূর্য হঠাৎ করেই হেসে উঠলো। বাতাসেরা যে সব আসা যাওয়া করছে। আকাশকে ছেড়ে সূর্য বাতাসদের নিয়েই বুঝি বেশি ব্যাস্ত। সূর্যে অবহেলায় আকাশ গুমরে উঠলো। অভিমানে আকাশ হয়ে উঠলো ঘনকালো। বেজে উঠলো রণডংকা । ভয়ে বাতাসেরা শুরু করলো মাতম।
ঝড় যেন প্রচন্ড হুংকার তুলে ডাকছে --সীমাহীন গতিতে নাচ আর ছন্দে তুমি এসো। আমার রক্তের নাচন সব রক্ত চক্ষুকে কটাক্ষ করে আমায় নিয়ে যায় তার কাছে। ঘর থেকে ছুটে বেড় হয়ে এলাম।
আমার চারিদিকের গাছগুলি নেচে উঠলো। ডালিয়া ফুলের গাছগুলি বাতাসের তালে নাচতে না পেরে শুয়ে পড়ল মাটিতে। গাছেদের মাথা আছড়ে আছড়ে ঝড়ের কাছে অবনত আকুতি যেন এক অপূর্ব নৃত্য। গাছের পাতার উড়াউড়ি তার সাথে পাখিদের উড়াউড়ি।
গাছ না হবার গল্প
পয়লা বৈশাখে সারাদিন টোটো কোম্পানীর ম্যানেজারি করার ইচ্ছা থাকলেও শরীরটা এখনো ইংল্যান্ডের টাইম টেবিল ফলো করে চলেছে। ফলে সারা রাত না ঘুমিয়ে ঘুম থেকে উঠলাম বেলা একটায়। সূর্যোদয় দেখার যে ক্ষীণ একটা আশা ছিল মনে সেটা মাঝ আকাশে গিয়ে ঠেকেছে ততক্ষণে। তীব্র এই দাবদাহে বাইরে বের হবার কোন মানে হয় না তাই ঘরেই বসে থেকে বন্ধুদের একে একে ফোন দিলাম। বেশির ভাগকেই পাওয়া গেল না। সব্বাই নিজ নিজ কর্মস্থলে ব্যস্ত। রাসেল দেখলাম সিরাজগঞ্জেই আছে। সে সম্প্রতি বিয়ে করেছে সুতরাং বিগত দিনগুলোর মতো সময়-অসময় না মানার সময় ফুরিয়েছে। ক্ষীণ একটু ঈর্ষার স্রোত যেন বয়ে গেল। বন্ধুতার চেয়েও তীব্র কিছু বন্ধুকে অধিকার করে নিয়েছে। রনিকেও পেলাম সিরাজগঞ্জেই। আজকাল সে অর্থনৈতিকভাবে ভিসন স্বচ্ছল। ইতমধ্যেই আস্ত একটা গাড়ির মালিক নাকি হয়ে গেছে সে। বাড়ি এবং নারীও নিশ্চয় বেশি দূরে নেই, সুখেই আছে ... থাকুক নাহয় সুখে।
দেশে আইলাম
ফ্লাইট ছিল দুপুর সোয়া দুইটাই। বেলা এগারোটায় চারটা কর্নফ্লেক্স মুখে দিয়া এয়ারপোর্টে দৌড় দেওয়ার প্রাক্কালে খিয়াল হইল ব্যাগের ওজন বেশি হইতে পারে। চাচাতরে ঘুম হইতে তুলে কানমলা দিয়া সাথে নিয়া গেলাম। এয়ারপোর্টে লাগেজ মাপতে গিয়া দেখি যা ভাবছিলাম তাই, ওজন মোটামুটি আট কেজি বেশি হয়। কাউন্টারে বসা ভদ্রলোক কেলায়িত দন্তে এবং লোলায়িত নেত্রে জানান দিল দুইশত পাউন্ড অতিরিক্ত দিলে অতিরিক্ত ঐই ওজন পরিবহনে তার কোন সমস্যা নাই। আমি জানান দিলাম আমার সমস্যা আছে। সাইডে গিয়া ব্যাগ খুলতেই চাচাতর বদনে সূর্যোদয়। যাবতীয় চকলেটের সমুদয় প্যাকেট পকেটস্থ করে সে গান ধরল, এক ব্যাগ চকলেট নিয়ে ভাইয়া তুমি কেন একা বয়ে বেড়াও ... আমায় যদি তুমি ভাইয়া ভাব কিছু চকলেট আমায় দাও ...। মনটা ব্যাজার হইলেও মুখটা মলিন হইতে দিলাম না। চকলেটের অর্ধেকটা এয়ারপোর্টে শেষ করে দিয়ে এসছি।
এক্সট্রা ম্যারাইটাল এফেয়ার্স

হিন্দী সিনেমার কাহিনীকারদের জন্য এক্সট্রা ম্যরাইটাল অ্যাফেয়ার এখন সবচেয়ে সহজ লভ্য উপজীব্য বিষয়। গত কয়েক বছর ধরে নানা ছবিতে বেশ তড়িৎকর্মা হিরোদের অভিনয়ে সেই বিবাহ বহির্ভুত প্রেম , মিলন , সঙ্গম বারংবার উঠে এসেছে। এই মুহূর্তে কয়কেটি মুভি যেমন মাস্তি , নো এন্ট্রি, হাই বেবী এগুলোর কথা মনে আসছে। প্রায় ক্ষেত্রে দেখা যাবে কযেকজন হিরো থাকবে। তাদের সুন্দরী স্ত্রীও থাকবে অনেকক্ষেত্রে এবং সেই হিরোগুলোর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্ম হচ্ছে সুন্দরী মিস কিংবা মিজ কিংবা বিধবা যাই হোক মোট কথা পরস্ত্রী পটিয়ে তাদের সাথে আনন্দ ফুর্তি এবং শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন।
অধরের স্বাদ ভুলে গেছি
অধরের স্বাদ ভুলে গেছি,
জেলখানার কয়েদি জানালার ফাঁকে দেখে
একফালি খোলা আকাশ
তোমার ছবি দু'চোখের আয়না থেকে বুকে নামে যেই
কি যে ভয়ংকর গুরু গুরু প্রকাশ!
এই বুঝি মেঘ নামলো -
এটা মুছি, সেটা গুঁজি
তারপর বুঝে যাই
অধরের স্বাদ ভুলে গেছি।
টুনটুনির চঞ্চলতায় ধরেছিলাম তোমার আঙ্গুল,
সে হাতেই খুঁজে এনেছো তুমি
স্থিরতার আশ্চর্য পরিবেশ অনুকূল;
এখনো স্মৃতির কাছে যতবার যাই
আমার কপালে তোমার শেষ চুম্বন
কি করে এই মুখে করি গুঞ্জন
তোমার স্বাদ ভুলে গেছি, ছাই!
শুভ নববর্ষ
স্কুলে পড়তাম সময় বছরের প্রথম দিনে একটা কমন বকা খাইতাম। “বছরের প্রথম দিন একটু বই-খাতার ধারে কাছে গেলি না, সারাটা বছর এই করিস” ইত্যাদি। এই বকাটা অবশ্য ইংরেজি বছরের প্রথম দিনের বকা। আমি পড়া-লেখা করেছি বাংলা মাধ্যমের স্কুলে। তাই ইংরেজি বছরের প্রথম দিনে বই-খাতা, স্কুল, পড়া, টিচার কিছুই তেমন থাকতো না। তারপরও এই বকাটা সব সময় শুনতে হতো।
বছরের প্রথম দিনে যা করা হয় তাই যে আমরা সারা বছর ধরে করি তা তো না। তবে প্রায়ই এমন কথা বলতে শোনা যায়। আজকে সকালে ঘুম থেকে উঠে আমার মনে পড়লো ছোটবেলার বকাটা। তাই ভাবলাম আজকের দিনে এমন কি করা যায় যা আমি সারা বছর করতে চাই। তেমন কিছুই পেলাম না খুঁজে। তারপর মনে হলো “এবি” -তে পোষ্ট দেয়া যায়। এইটাই সবচে ভাল কাজ হবে বছরের প্রতিটা দিন করার জন্য।