ইউজার লগইন
ব্লগ
ওর আর কাছে যেতে চাই না আমি
আমি হসপিটাল খুবই অপছন্দ করি, ভয় না তবে কি একটা অস্বস্থি কাজ করে তাই পারতপক্ষে যাওয়া হয় না আমার। বোন-ভাইয়েদের বাচ্চা হলো, আমি ওদের দেখেছি বাসায় আসার পর। সৃষ্টিকর্তার অসীম করুনায় হাতে গোনা দু’একবার ছাড়া আমাকে যেতেই হয়নি হসপিটালে। সেই আমিই যখন ভর্তি হলাম ছোট্ট একটা অপারেশনের জন্যে খুবই বিরক্তিকর অবস্থায় পড়লাম। ব্যাথাবেদনার একটুও স্মৃতি নাই আমার ঐ বিষয়টায়, তবে অম্লান হয়ে আছে যে মূহুর্তটা থাকবে সারাজীবনই। পোষ্ট অপারেটিভে সাধারনত বাইরের কাউকে ঢুকতে দেয়া হয় না, তবে ভাইয়ার বন্ধুস্থানীয়রা ছিলো বিধায় আম্মা-আব্বা গেলেন আমায় দেখতে, গলার স্বরে বুঝতে পারলাম উনাদের উপস্থিতি তবে চোখ মেলে দেখতেই পারছিলাম না সিডেটিভের ঘোরে। প্রথম চোখটা মেলে দেখলাম ওর মুখটা, অবাক হয়েছিলাম এখানে কি করে এলো “ও”!
রিপোষ্ট "সামন্ততান্ত্রিকতা "
আমাদের সামন্ততান্ত্রিক মানসিকতা বদলাচ্ছে ধীরে ধীরে কিন্তু এখনও কারো কারো দাসমালিকসু্লভ আচরণে আশ্চর্য হই। আমরা হয়তো সভ্যতা কিংবা সুশীলতার গরিমায় অস্বীকার করতে পারি কিংবা স্বয়ং মার্ক্সও ভ্রান্ত হতে পারেন, বাস্তবতা হলো আমাদের ভুখন্ডেই দাস ব্যবসা প্রচলিত ছিলো। অচ্ছুতেরা বাজার থেকে বৌ কিনে নিজের যৌনযন্ত্রনা নিরসন করতেন একদা।
আমাদের সামন্ততান্ত্রিকতার প্রকোপ স্বাধীনতাপরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে কমেছে, সমাজ থেকে একেবারে উচ্ছেদ হয়ে গেছে এমনটা বলা যাবে না। পুরোনো দিনের বাংলা ছবিতে যেমন দেখা যায় বাস্তবতা ছিলো অনেকটা সে রকমই, সেই সময়ে অষ্টাদশ শতাব্দীর বাংলা দেশের একটা ছবি এঁকেছিলেন সুনীল, সেখানেও একই রকম দৃশ্যের চিত্রায়ন দেখে বলা যায় এই সামন্ততান্ত্রিক প্রথাটা তখনও ছিলো।
এই দুপুরটা তোমাকে দিতে পারি
নির্মাণ শ্রমিকদের করা শব্দের আড়ালে নীরবতার দুপুর যখন সতীত্ব হারায়, তখন মনে পড়ে এমন কত না দুপুর সব তুচ্ছ করে তুমি আমার কাছে এসেছো, আমি নির্দ্বিধায় তোমার হয়েছি। কেমন মন কেমন করা দুপুর আসে ফিরে ফিরে এইসব নির্বিষ বেকারত্বের দিনগুলোতে, আমার কারো সাথে অভিসারে যাওয়া হয় না। লুকানো বরফের আড়াল থেকে তোমার ছুরিধার উষ্ণতা এসে আমাকে ছারখার করার ডংকা বেজে উঠে না, ইসাবেলা। আমি যখন তোমাকে দুপুর দিতে চাই তুমি তখন ভোরের কম্বল আদরে ঘুমন্ত। আমার এখানে গ্লাসে গ্লাসে ব্লাডি মেরির ঝলকে এখন আর তোমার উচ্ছ্বল ছায়া উকিঁ দেয় না, বড় বন্ধুবিহীন, ন্যাড়া এই শেষ বসন্তের দিনগুলো। আলাদা করে তামাকের ব্র্যান্ড খুজেঁ আমাদের সাপ্তাহিক পার্টির আয়োজন ও কবেই চৌপাট!
''একটি বিশেষ ঘোষনা'' বৃষ্টি বিষয়ক ই-পুস্তক
কামাল ভাইয়ের একটা পোস্ট পড়লাম । সাথে সাথে আরো কয়েকজনের পোস্ট... বৃষ্টি নিয়ে। আহা কি ঝুমঝুম বৃষ্টি।
জানালার শিক ধরে বৃষ্টি দেখার দিন এলো আবার।
শহরে টিনের বাড়ি নেই, ঝমঝম শব্দ নেই, তবু বৃষ্টি ভালো লাগে।
অফিস ফেরতা ক্লান্ত শরীর, জল কাদায় নাস্তানাবুদ, তবু বৃষ্টির শান্তি।
প্রেমের দিনে ছাতাটা উড়ে যাবে হাওয়ায়, ভিজবো তুমি আমি- সেই বৃষ্টি।
জলডোবা হয়ে বাড়ি ফেরা, সরিষা তেলে মুড়ি মাখিয়ে স্মৃতির ভেলায় ভেসে যাওয়ার বৃষ্টি এসেছে শহরে।
বৃষ্টি কেবল একলা আসে না, সঙ্গে নিয়ে আসে স্মৃতির ঝাঁপি। মনে পড়ে যায় সেই কতকালের পুরনো সব কথা।
আর মনে হয়, এমন দিনে তারে বলা যায়।
এমন দিনেই তো বলা যায়। বলে ফেলুন তাহলে আপনার বৃষ্টিবিলাসের গল্প। বৃষ্টি নিয়ে আনন্দ বেদনার গল্প।
খুচরা পোস্ট -১

এক
মাথাটা জট বেঁধে আছে। কেমন ঝিম ঝিম করে। গত ২৪ ঘন্টায় চরম ঘুম দিয়েছি এই কারণেই এই অবস্থা। ইচ্ছা করে পরে পরে ঘুমাই। কিন্ত বেশি ঘুমাইলে আবার ঝিমানি ধরে।
বাসা থেকে অফিস দীর্ঘ জার্নি বাই বাসে করে যেতে হয়। ছালু মানে ব্লগার ছায়ার আলো বলছিল সে বাসে উঠেই টানা ঘুম দেয়। ঐদিন দেখলাম রায়হান সাঈদ গাড়িতে বসেই নাক ডেকে ঘুমাইল। ইদানিং আমিও বাসে এই প্র্যাক্টিস করতেছি।
দুই
অনেকদিন পোস্ট দিইনা। চিন্তা করলাম ঘুম ঘুম ভাব নিয়া পোস্ট দিয়ে একটা পোস্ট বাড়াই। আমার পোস্ট কম বলে দাদা ভাই আবার তাচ্ছিল্য করে। দাদাভাইয়ের সাথে একটা চ্যালেঞ্জে যাওয়া যায়। যেমন এক মাসে আমাদের দুইজনের মধ্যে যে কম পোস্ট দিবে সে খাওয়াইবে।
ওরা ঈশ্বর প্রেরিত ত্রাতা
গভীর রাত চারিদিকে ভয়ঙ্কর নিস্তব্ধতা। পাঁচজন বোরখা পরা মহিলা দ্রুত হেঁটে যাচ্ছে শহরের রাস্তা দিয়ে। শহরের এক প্রান্তে ক্যাথেলিক গির্জা। গির্জার সামনে এসে একজন মহিলা খুব আস্তে আস্তে দরজায় আঘাত করলো। তাদের চোখে, মুখে, এমন কি সমস্ত শরীরে ভয়। বার বার এদিক ওদিক তাকাচ্ছে, যেন তাদের পিছনে কোন নেকরে তারা করে আসছে।
এক বিদেশিনী মহিলা দরজা খুলে ভিতরে আসতে ইঙ্গিত করলেন। তার হাতে একটি হারিকেন। এই মৃদু আলোতেই তারা পাঁচজন যেন প্রান খুঁজে পেল। মহিলা বললেন--- কোন ভয় নেই, ঈশ্বর আপনাদের সহায় হবেন। পাঁচ মহিলার একজন রওশনারা ডুকরে উঠলো। বিদেশিনী তাকে পরম মমতায় বুকে জড়িয়ে ধরে বললেন ---আপনার স্বামী, সন্তানেরা ভাল থাকবেন।
রিক্যাপচারিং পাস্ট -৬
ঘোরতর বিতর্ক আছে ডায়েরীর অডিয়েন্স নিয়ে। আমাদের নিপাট প্রচারবিমুখ সংস্কৃতি বলে নয়, বিশ্বে গত দশক পর্যন্ত ডায়েরীর সাথে ব্যক্তিগত শব্দটির অর্থপূর্ণ সংযোগ ছিলো। একান্তও যুক্ত হতো যার সাথে গোপনীয়তার একটা প্রকাশ্য অবস্থান ছিলো। প্রচলিত এই মতকে আমার ভাওতাবাজি মনে হয়। ব্যক্তির উন্মুখ প্রচারণার পরিশীলিত কৌশল ছাড়া ডায়েরীর আর কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে না। ডায়েরীকারকরা নিজের জন্য এত পরিশ্রমী হবেন কেনো, বরঞ্চ কোড-ডিকোডই যথোপযুক্ত হতো; ভাষায়-গঠন ও প্রকরণে অন্যের পাঠ্য-যোগিতা করার কোনো মানে হয় না। যখন ডায়েরী লিখতাম তখন মাথার মধ্যে থাকতো বিশেষ কেউ - নির্মাণ করতাম চেতন-অবচেতনে তার চোখে যেভাবে দেখতে চাই নিজেকে। প্রতিজন ডায়েরী-পরিচালক তার অনির্ণীত অথচ মূল্যবান পাঠকের চোখে নিজের বিনির্মাণ সম্পন্ন করেন। ফলে আমি একসময় ডায়েরী লেখা বাদ দিলাম। সুন্দরবন ভ্রমণের বছর দুয়েক আগে।
আজাইরা দিনপঞ্জী... ১৭
আমি অনেকদিন ধরে একটা কমপ্রেসড অবস্থায় ছিলাম, ট্রানজিশান স্টেজে যেমন কোন অবস্থা বের করা যায়না, সবকিছু ক্রমাগত অস্থির থাকে আর কোন কিছুই সাম্যাবস্থায় পৌঁছোয় না সেইরকমের একটা জায়গায়। তারপরে একদিন কেন জানিনা আম্মার সাথে গলা ফাটিয়ে ঝগড়া করলাম, তারপরে আবার আম্মাকে জড়িয়ে ধরে বাচ্চাকালের মতো শুয়ে ছিলাম একটা রাত। এর দুদিনের মাথায় ভ্যাপসা গরম পড়তে শুরু হওয়া দিনের শেষে গভীর রাতে একটা এলোমেলো বৃষ্টি হলো। বারান্দায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমি হঠাৎ আবিষ্কার করলাম অনেকদিন ধরে আমি নিজেকে বেশ বেচারা ভেবে নিয়ে করুণা করে আসছি, আমি ভেবে নিচ্ছিলাম আমার স্বপ্ন নাই, কিছু করার নাই, কোথাও যাওয়ার নাই। কিন্তু সেই সময়টায়, সেই রাতের বেলায় আমার মনে হচ্ছিলো আমার এক্ষুণি রাস্তায় বেরিয়ে পড়তে হবে। কোন কিছু ভুলবার জন্যে বা মনে করবার জন্যে নয়...
নাম দর্শনের মাজেজা
নাম আছে। আছে আরেকটা শব্দ সেটা হলো ধাম। নাম-ধাম আছে। লোকটার নাম ধাম আছে।
নামটা না হয় বোঝা গেল কিন্তু ধামটা কি?
ধাম হচ্ছে ভিটা বা নামটার আবাস গৃহ।
যেমন এই ধামে আর ইলিয়াস থাকেন না!
অথবা এই ধামে সাধুরা আসেন না!
আমরা যখন কোন কিছু সৃষ্টি করি তখন তার একটা নাম দেই; মানুষ বা পশু পাখি বা জগতের যা কিছু দৃশ্যে বা অদৃশ্যে মানুষ যা টের পেয়েছে তার একটা নাম আছে। এই নাম ধরে সে তাকে ডাকে।
নাম হচ্ছে পদ। নামপদ বলি আমরা। ক্রিয়া পদও আছে। ক্রিয়া কে করে ? নামের মহাজন ছাড়া আর কে!
নাম ছাড়া যেন কোন কিছুই চলছে না।
ধারাবাহিক
মুক্তগদ্যঃ- বৃষ্টি ও চিঠি বিষয়ক
*
আমি এখন আর কারো কাছে থেকে চিঠি পাই না। সেই অর্থে কারো চিঠির জন্য যে উদগ্র প্রতীক্ষা, সেরকম কেউ আসলে কোনদিনই ছিলোনা। পাতাবাহারের সবুজে ছড়ানো ছিটোনো বিবিধ রঙের মত আনন্দ নিয়ে আসা বর্নিল চিঠি বন্ধ হ'য়ে গিয়েছে এক যুগ আগেই। তবু, বৃষ্টি যখনই নামে; হোক সে মাঝ দুপুরে, হোক ভোর সকালে কিংবা নিওন সন্ধ্যায় নাহয় নিশুতি রাতে। আমার খালি মনে হয় একজন পোস্টম্যান, তার বুড়োটে সাইকেলে চেপে ভিজতে ভিজতে আমার জন্য একটা চিঠি বয়ে আনছে। সারাটা বৃষ্টিক্ষণ আমি অপেক্ষায় থাকি কলবেল বেজে ওঠার...
**
রোদ ঝলমল দুপুরের একটা উদাসী মাদকতা আছে। তার সাথে যদি যোগ দেয় মফস্বলের একাকী রাস্তা আর রাস্তায় এলোমেলো ছড়ানো ছায়ারা... সেই দুপুরের উদাসী মাদকতায় আমি মরতে পারি।
এমনই এক দুপুরে, সাইকেলে টুনটুন ঘণ্টি বাজিয়ে খাকি জামার পোস্টম্যান একটা চিঠি এনেছিলো আমার জন্য।
***
ব্লগর ব্লগর
১.
কাল চট্টগ্রাম যাওয়ার কথা ছিল। শেষ পর্যন্ত তারিখ পিছালো। এখন যাবো ১০ এপ্রিল। অফিসের কাজে। থাকবো তিন দিন।
অনেকদিন পর চট্টগ্রাম যাবো। আমি পাহাড় ও সমুদ্র দুটোই পছন্দ করি। কিন্তু পছন্দের পাহাড় বা সমুদ্র দেখতে খুব বেশি চট্টগ্রাম যাওয়া হয় না। এবার কাজের সূত্রেই যাওয়া। ফলে পতেঙ্গা হলেও সমুদ্র দেখতে পারবো কীনা বুঝতে পারছি না।
২.
বাসা বদল করেছি। বাবা বিমানে চাকরি করতেন। আমার মনে নেই, শুনেছি আগে পুরানা এয়ারপোর্টে রানওয়ের পাশেই বিমান কর্মকর্তাদের বাসা ছিল। সেখান থেকে চলে যাই সেকেন্ড ক্যাপিটাল খ্যাত শেরে বাংলা নগরে। এখন আগারগাওয়ে যে সরকারি কোয়ার্টারগুলো আছে সেখানে কিছুদিন ছিলাম। এয়ারপোর্ট পাশে ছিল বলে বিমানের লোকজন সেখানেই থাকতো। সেখান থেকে চলে যাই শ্যামলী। কেবল মনে আছে শ্যামলীর বাসাটা অনেক বড় ছিল। সেখান থেকে বাবার পোস্টিং হয় ঠাকুরগাঁও।
বিশ্বের এই প্রথম বাংলাদেশী পানি দিয়ে সিগারেট ধরালেন ।
বিশ্বের এই প্রথম বাংলাদেশী পানি দিয়ে সিগারেট ধরালেন । এটা এই প্রথম আবিস্কার করেন সিরাজগন্জ জেলার মো : সানোয়ার হোসেন ।তিনি দিনে প্রায় দুই প্যাকেট গোল্ড লিফ সিগারেট খায় এবং জ্বালানী হিসেবে ব্যাবহার করে পানি ।তার জন্ম ১-১০-১৯৮৫ সালে । মানুষ হিসেবে সাধারন । তবে তার কার্যকালাপ অসাধারন । সিগারেটের বিস্তারিত জানতে দেখুন
ফ্রী অ্যান্টিভাইরাস ক্লামউইন (ClamWin)
ক্লামউইন একটি ফ্রী ওপেন সোর্স অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম যা মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের উপযোগী করে ডেভেলপ করা হয়েছে। এটি মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৯৮ / সেভেন / ভিস্তা / এক্সপি / ২০০০ / এমই / এবং মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ২০০৩ ও ২০০৮ সার্ভার এ চলবে। এর রয়েছে সহজ এবং সুন্দর ইন্টারফেস যার মাধ্যমে সহজেই এটি পরিচালনা করা যায়। এর আপডেট সমূহ ইন্টারনেট থেকে স্বয়ংকৃতভাবে ডাউনলোড হয়।
নিন্মলিখিত লিঙ্ক হতে বিস্তারিত জানা যাবেঃ
http://www.lognotechnologies.com/forum/viewtopic.php?f=5&t=19
ভার্চুয়াল পরাধীনতার শেকলে বন্দী
কাগজে পেন্সিলে আঁকিবুকি মুছে যাওয়া দুস্কর। একমাত্র ঝড়ো বাতাসে উড়িয়ে না নিলে ভার্চুয়াল পোস্টগুলোর মত 'নাই' হয়ে যেতে পারে না। ভার্চুয়াল মানুষগুলো যেমন মুহূর্তে স্টাটাস পাল্টে দিতে পারে, ওভাররাইট হলেও পেন্সিল দাগের পেছনেরটা অস্পষ্ট থেকে যায়, ডিলিটের মত স্পষ্ট নিষ্ঠুরতা নয়।
এমন একটা ভার্চুয়াল পৃষ্ঠার কয়েক ছত্র রিক্যাপচার আমার মুছে গেলো - মুহূর্তের জন্য শোকাচ্ছন্ন হলাম। যা শব্দপৃষ্ঠে অঙ্কিত হয় অলংকরণের কষ্টকে আড়াল করে, তার জন্য পাঠকের আহাজারি থাকে না, নির্মিত সৌন্দর্যের অবগাহনে তিনি যুক্ত হন। কেবল শ্রমিকের বুকে লেগে থাকা খেদ অপর্যাপ্ত সহানুভূতিতে বিক্ষুব্ধ হয়।
আমার হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তের পুনর্জাগরণ পুনরায় হারিয়ে গেলো। ভার্চুয়াল পরাধীনতার শেকলে বন্দী হলো। ভার্চুয়াল অভ্যস্ততা স্বস্তিকর - তবে শোকাবহ প্রতিঘাতে মৃত শব্দদের বিদেহী সমাধিতে গেঁথেও রইলাম।
HOW DO YOU DECIDE WHOM TO MARRY
1. HOW DO YOU DECIDE WHOM TO MARRY?(written by kids)
-You got to find somebody who likes the same stuff. Like, if you like sports, she should like it that you like sports, and she should keep the chips and dip coming.
-- Alan, age 10
-No person really decides before they grow up who they're going to marry. God decides it all way before, and you get to find out later who you're stuck with.
-- Kristen, age 10
2. WHAT IS THE RIGHT AGE TO GET MARRIED?
Twenty-three is the best age because you know the person FOREVER by then.
-- Camille, age 10
3.HOW CAN A STRANGER TELL IF TWO PEOPLE ARE MARRIED?
You might have to guess, based on whether they seem to be yelling at the same kids.
-- Derrick, age 8