ইউজার লগইন
ব্লগ
পহেলা বৈশাখ'১৪১৮
কাল অনেক কষ্ট করে বাসায় আসতে হয়েছে।ভাইয়াকে বলেছি আমার জন্য চারটার টিকিট দিতে উনি তা না করে সাড়ে চারটার টিকিট দিয়েছে।অবশ্য এই সমস্যা উনার নতুন না।বরাবরই উনি একই কাজ করেন ঈদ বা অন্য কোন ছুটির সময় এটা করবেই। অবশ্য সাড়ে চারটার টিকিট পাওয়াতে আমার লাভই হয়ছে।অফিসের কাজ গুলো গুছায় আসতে পেরেছি।যথারীতি আজ এবং আগামীকাল কে ওভারটাইম করবে তা ঠিক করার জন্য সালিশ মিটিং করা লাগছে। আর ছুটিছাটা আসলে লোকজনেরও অসুখ মনে হয় বেড়ে যায়, সাথে ডিপোম্যানেজার গুলার কান্নাকাটি আর মোসলেম স্যারের দৌড়ঝাপ।এই সিপ্রোসিন কেন নাই, কুমিল্লা ডিপো নীল করে বসে আসে, সিলেটে আজ জিম্যাক্স পাঠানোই লাগবে। ময়মনসিং থেকে দেলোয়ার ভাই গাড়ি পাঠাচ্ছে তাকে বি-৫০ ফোর্ট পাঠানোই লাগবে। এই লোকটা সারাজীবন বি-৫০ ফোর্টের জন্য কান্নাকাটি করে গেলো। ময়মনসিংহের লোকজনের কি আসলেই ভিটামিনের অভাব??
শুভ নববর্ষ এবং -----------কৈশোরের প্রথম অপরাধ
শুভ নববর্ষ।
এখন আমার এমন সময় নববর্ষ মানে হিসেব করা। গত বছর কি কি করেছি । কিসে সফল হলাম বা কিসে ব্যর্থ। খুব আঁতেলএর মত হয়ে গেল কথাটা । নব বর্ষ এলেই ব্যাস্ততা বেড়ে যায় । কী ভাবে সাজাব বরনোৎসবকে? গতবারে কি ছিল, এবারে কি হবে, কোনটা নতুন আংগীকে আসবে, আর কোনটা গতানুগতিক হলেই চলবে। তবে যাই করি, যাই হোক সেটাতেই সবাই মেতে উঠে । যেন সবাই মনে রাখে আজ শুধু হাসবার, সাজবার, আনন্দ করবার। দূরে যাক বেদনা,ভয়, উৎকন্ঠা।
রং এর বৈশাখ
বৈশাখ বলতেই স্মুতির ভেলায় চড়ে মন ছুটে যায় ব্রম্মপুত্র নদীর পাড়ের হাতিরদিয়া বাজারের বৈশাখের মেলায়। শুকনো নদী, দুই পাড়ে গাছপালায় ঘেরা শান্ত স্নিগ্ধ গ্রাম। একপারে নদীর কোল ঘেঁষে বিশাল এক বাজার। সারাটা চৈত্র মাস টান টান উত্তেজনায় কাটতো আমাদের দিন । কবে আসবে পহেলা বৈশাখ! চৈত্র সংক্রান্তিতে সারাদিন- রাত জুড়ে সে কি আনন্দ!
টেস্ট পোস্ট
টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পো
মগের মুল্লুকে আমি যখন ছাত্রলীগের ক্যাডার
আমি যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করি, সেই জগৎটাকে আমি বলি মগের মুল্লুক। এখানে নিয়ম-নীতির কোনো বালাই নেই। অনিয়ম-অনৈতিকতার এ রাজ্যে কেউ নীতি দেখাতে গেলে তাকে স্রেফ গাধা বলা হয়। মগের মুল্লুকের শত বৈশিষ্ট্যের একটামাত্র বলি। এই ২০১১ সালে এসেও এখানকার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় নকল করে। বাধা দিতে গেলে শিক্ষকরা লাঞ্ছিত হন। মারও খান।
তো, একদিন পরীক্ষার হলের একটি ঘটনা বলার জন্যই এই পোস্ট।
আমার যাদুমনি (৮)
সেদিন বলছিলাম, কিভাবে হঠাৎ করেই একগাদা ভালো বন্ধু পেয়েছি আমি।
এই শুনে ঋহান আগে ভাগেই জানিয়ে দিয়েছেন যে উনিও নাকি উনার মায়ের মত একসাথে একগাদা বন্ধু পেতে চান। তো আমাদের ঋহান সেদিন সেইসব বন্ধু’র উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ন ভাষন(!) দেয়ার জন্য সবাই’কে ডেকে পাঠালেন পাবলিক লাইব্রেরিতে।
অনেকেই এলো। ঋহানও ঠিক ৫টা বাজার ৫মিনিট আগে উপস্থিত। কিন্তু উপস্থিত হওয়ার সাথে সাথে যেমনে সবাই তারে নিয়া কাড়াকাড়ি আর ডলাডলি শুরু করলো, বেচারা! 
তো সেইসব কাড়া-কাড়ি, ডলা-ডলি, হাসি-ঠাট্টা, খাওতা-খাওই মিলিয়ে বিকেলটা বেশ ভালোই কেটেছিলো। অনেকে আবার ঋহানের ভাষন শুনে খুশি হয়ে ঋহানকে ফুলের মালার পরিবর্তে সুন্দর সুন্দর জামা-কাপড় আর ভালোবাসা উপহার দিয়েছেন। ঋহানও সব মিলিয়ে খুব খুশি। 
ওয়াজ
সেইসব মানুষকে আমার একদম অপছন্দ যারা আট টাকার টিকেট কেটে বাসে উঠে মনে করে বাসটা তাদের বাপ দাদার সম্পত্তি, ফার্মগেট থেকে মতিঝিল যাওয়ার পথে এমন একজন শেয়ার মালিক উঠলেন বাসে, সন্ধ্যায় বাড়ী ফেরার তাড়ায় থাকা উগ্র মানুষ, তাদের যেকোনো ভাবেই সামনে এগিয়ে যাওয়ার লড়াই, সিগন্যাল, জ্যাম আর বিশ্রী গরম, সব মিলিয়ে বাসের সীটে অসস্তিকর বসে থাকা সময়টাতে দেখলাম একজন স্টপেজ ছাড়াই নামতে চাচ্ছেন গাড়ী থেকে, ড্রাইভারের সাথে ঝগড়া করছেন, সবুজ বাতি হলুদ হয়ে লাল হয়ে যাচ্ছে কিন্তু তার হুমকি কমছে না। অবশেষে তিনি নামলেন, আমরাও রওনা দিতে পারলাম।
ইচ্ছে করে একটা বন্দুক নিয়ে বেরিয়ে পড়তে
এই পোস্টটার কোনো ট্যাগ নেই। মনোভাব নামে কোনো ট্যাগ থাকলে, সেটা ব্যবহার করতাম। চলমান বিভিন্ন ঘটনা দেখে আমার এক প্রকার মনোভাব তৈরী হয়েছে। সেটা প্রকাশের জন্য এই পোস্ট।
একটা ব্লগের নাম বল - আমরা বন্ধু ;)
সেই ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি যে, পৃথিবী গোলাকৃতির। ভাবছিলাম ভদ্রলোকের এক কথা। কিসের কি... স্কুলের মাঝামাঝি সময় বুঝলাম পৃথিমি আসলে গুল না... কিঞ্চিৎ চ্যাপ্টা... মানে কম্লালেবুর মত। কান ঠিক থাকার পরও ক্যাম্নে যে ভুল শুনলাম বুঝতর্লাম্না। যাউকগা... তাও ভালো একটা স্মার্ট একটা ভাব আছে। কিন্তু বিপদ হইছে এখন। আমাদের আমলে চাইনিজ পুচকা কম্লা ছিল না... এখন যদি কই যে পৃথিমি কম্লার মত... তাইলে পয়লা জিগাইবো চাইনিজ কম্লা? নাকি সিলেটের কম্লা? নাকি ইনডিয়ার কম্লা? তব্দা খাওয়ার অবস্থা.... 
ছবি ব্লগ: পদ্মার বুকে
আহমাদ মোস্তফা কামাল ভাইয়ের কথায় ছবির গল্প নিয়া পোস্ট দেয়ার আইডিয়া মাথায় আসল। গত ফেব্রুয়ারিতে আমার প্রাক্তন অফিসের ডাচ মালিক কেইস নেইবার বাংলাদেশে আসলে তাকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার কথা হয়। আমার প্রস্তাবে ঠিক হয় পদ্মায় যাওয়া। এর কয়দিন আগে সাঈদদের সাথে গিয়ে প্রেমে পরে গেছি এযায়গার।

কেইস নেইবার। যার জন্যই এই ভ্রমন।

মানিকগঞ্জের ভিতর দিয়া যাওয়া, পথে পরে একটা ফেরি। নদীর নাম সম্ভবত বংশী।

সকাল বেলা নদীর ঘাটে গায়ের বধুঁ।

চরের উপর দিয়ে হেটে নদীর দিকে যাওয়া।
১২ এপ্রিল সৈয়দপুরের স্থানীয় শোক দিবস।
আগামীকাল ১২ এপ্রিল সৈয়দপুরের স্থানীয় শোক দিবস। স্মাধীনতার ৪০ বছর চলে গেল। প্রতি বছর এই দিনটি স্থানীয় শহীদ দিবস হিসাবে পালিত হয়। সৈয়দপুরে হত্যাযজ্ঞ শুরু হয়েছিল ২৫মার্চের কাল রাত্রি থেকেই। সে এক ভয়াবহ সময়। বিহারী অধ্যুষিত নগরী। একে একে কিছু বুঝবার আগেই মানুষ হারিয়ে ফেলেছে তাদের ধন-সম্পদ, বসতবাট, প্রান ও সভ্রম।
২৫শ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিলের মধ্য মেরে ফেলা হয় ২৯৭ জনকে। যাদের অনেকে জননেতা আবার অনেকে দিনমজুর অনেকে সাধারন খুব সাধারন মধ্যবিত্ত।
.........এরই মাঝে চলো মোরা হারিয়ে যাই!
আজ সেমিস্টারের শেষ ফাইনান্স ক্লাস করলাম। যদি কোন রকমে পাশ করে যেতে পারি তাহলে এইটা হয়তো আমার জীবনের শেষ ফাইনান্স ক্লাস। কারন তো আগেই বলেছি। তার মাঝে আবার শেষের কয়েকটা ক্লাস করে তো কানে ধরছি ভাই, মাফ চাই! এখন আমাকে কেউ ফ্রি ফাইনান্স পড়াবে বললেও আমি আর জীবনেও এই পাগলা কোর্সের কাছে যামুনা। 
তো যাইহোক, আজ মীর এর পোস্টে "69" মেগা সিরিয়াল'টার কথা পড়ার পর থেকে একটা গান মাথার মাঝে ঘুরছে। আগেও শুনেছেন সবাই, তাই আমি গানের লিরিক'টা শেয়ার করলাম।
প্রতিটি রাস্তায় প্রতিটি জানালায়
হাসিমুখ
হাসিমুখে আনন্দধারা
তুমি চেয়ে আছো তাই
আমি পথে হেটে যাই
হেটে হেটে বহুদুর বহুদুর যেতে চাইরোদ উঠে গেছে তোমাদের নগরীতে
আলো এসে থেমে গেছে
তোমাদের জানালায়
আনন্দ হাসি মুখ চেনা চেনা সবখানে
এরই মাঝে চলো মোরা হারিয়ে যাইতুমি চেয়ে আছো তাই
আমি পথে হেটে যাই
হেটে হেটে বহুদুর বহুদুর যেতে চাই ।।হারিয়ে যেতে চাই
তোমাদের রাস্তায় ।।
অনেক অজানা ভিড় স্বচ্ছ নিরবতায়
রোদ উঠে গেছে চেনা এই নগরীতে
নাগরিক জানালা হাসিমুখে একাকার
অণুগল্প: মেয়েটি
১.
কনিংবেল চাপ দিলাম।
একটি মেয়ে হেঁটে এসে বিল্ডিং-এর কলাপসেবল গেট খুলে দেয়।
সেই প্রথম দেখি।
কি মিষ্টি চেহারা।
সেই বাসাতেই আমরা বাসাটা ভাড়া নেই।
আমাদের পাশের ইউনিটেই থাকে।
ধীরে আমরা বন্ধু হয়ে উঠি।
আমরা ঘুরি। রিক্সা দিয়ে। আইসক্রিম খাই।
সারারাত ফোনে কথা বলি।
এপার-ওপার বরান্দায় দাড়িয়ে কথা বলি।
একদিন বুঝতে পারি আমি তার প্রেমে পড়েছি।
নানান ভাবে তাকে বোঝাই।
সে বোঝে।
কিংবা বোঝে না।
একদিন সাহস করে জড়িয়ে ধরি।
ভাবছিলাম- মেয়েটির হ্নদয়ে ভালোবাসা আছে।
কিংবা ভাবছিলাম, হয়তো একটা চড় খাবো।
জড়িয়ে ধরে বললাম- আমাকে ছেড়ে তুমি যেয়ো না।
বলতে বলতে- ঠোটে চুমু খেয়ে বসলাম।
মেয়েটির চোখ বেয়ে পানি বেরিয়ে আসলো।
আমি কানের কাছে ফিসফিসিয়ে বললাম- আমি তোমাকে ভালোবাসি।
মেয়েটির মাথা আমার কাঁধে ছিল।
ভালোবাসি শব্দটা শুনতেই সে চমকে উঠে।
স্মৃতি থেকে হারিয়ে গিয়েছি নিয়ম মেনেই
আমার প্রিয় সবকিছুর তালিকাই অনেক লম্বা। আমার যে অল্পতে মুগ্ধ হবার সমস্যা আছে, তা আগেও বোধহয় বলেছি। প্রিয় গান-এর তালিকা বানিয়ে ফেলা আসলে সম্ভব নয় কখনোই। কেননা প্রতিনিয়ত নতুন গান যেমন প্রিয়তে যায়, তেমনি পুরোনোরাও জমে থাকে কোনো অচেনা কুঠুরীতে। হারায় না। অনেকদিন পর হয়তো জলের অতল থেকে বুদবুদের মতো উঠে আসে দু’একটা প্রিয় গান।
শুরু হলো "আমার ফাউন্ডেশন"এর অগ্রযাত্রা। চলুন নতুন ইতিহাস গড়ি
সুপ্রিয় সহব্লগারগন।
অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানানো যাচ্ছে যে "আমার ফাউন্ডেশন" চ্যারিটির সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কয়েকজন ব্লগারের অক্লান্ত পরিশ্রমে আমার ফাউন্ডেশন তার সকল প্রকার রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করে এগিয়ে যাবার জন্য প্রস্তুত হয়েছে।
আমার ফাউন্ডেশন প্রথমেই "(সিসিফাস)"এর পোস্টে বর্ণিত জয়নাল ও লালবানু'র স্বপ্নের প্রজেক্ট দিয়ে তার প্রথম কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। সেই সাথে মুরুব্বির পোস্টে বর্ণিত দক্ষ কিন্তু দরিদ্র লোকদের বর্তমান অবস্থার উন্নতির সুজুগ সৃষ্টি করার প্রজেক্টটিও একই সময়ে চালিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে আমার ফাউন্ডেশন। প্রজেক্ট দুটি সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে নিচের লিঙ্ক ফলো করুনঃ
ব্লগার সিসিফাসের পোস্টঃ "জয়নাল ও লালবানু'র স্বপ্নযাত্রায় আমাদের নির্মম নির্লিপ্ততা"