কতটুকুন আলো বুনে এনেছি রোদেলা সকাল
প্রিয় ঘাস!
পায়ের নীচে পিষ্ঠ হওয়া শেষে
তোমার মাথা তুলে দাঁড়াবার ঔদ্ধত্য ভঙ্গি,
কিংবা আবার সবুজ হয়ে ওঠার পালা,
তোমার মুখর হওয়া শিশিরকণা,
প্রতিবাদী হয়ে ছাপিয়ে ওঠার মহড়া;
আমাকে কুঞ্চিত করে!
আমি কুঞ্চিত হই সকালের সূর্যোদয়ে,
আঁধার রুখে যে প্রলয়োল্লাস করে।
কুঞ্চিত হই শহরতলীর শিউলী ফুলের কাছে,
গেঁয়ো দস্যি বালকের ঘুড়ি বাকাট্টা দিয়ে-
মাঞ্জামারা সুতার কাছে।
বালিকার বুনে রাখা নকশীকাঁথার কারুকার্যের,
রুমালের ভাঁজের কাছে।
আমাকে তৃষ্ণার্ত করে রাখা কবিতার কাছে,
নীলরঙে মোড়া বিক্ষুব্ধ প্রতীক্ষার খামের কাছে.
হলুদ ফুলে ভরা সর্ষেক্ষেতের মানচিত্রের
বা মায়ের যাদুর বাক্সে ভরে রাখা পিঠাপুলির কাছে
আমি কুঞ্চিত হই, হয়ে থাকি।
কুঞ্চিত হতে চাইনা প্রতিবাদী মুখরতায়।
০৬/১০/২০১০: রাত
মাসিক শিশুবার্তা
এমনিতেই একদিন দেরী হয়ে গেছে, আরও একদিন দেরী করলে রাসেল আশরাফ আর জয়িতা আমারে ভেজে খেয়ে ফেলবে। তাই তড়িঘড়ি করে অফিস থেকেই এই ছবি ব্লগের সূত্রপাত। আসলে বেশ একটা ঘটনাবহুল মাস গেলো--ঈদ, ভয়াবহ টাইফুনের নির্দয় হামলা, দেশ-বিদেশ থেকে আত্মীয় পরিজনদের বেড়াতে আসা, কর্মক্ষেত্রে নিদারুণ ব্যস্ততায় খাবি খাওয়া, চন্দ্র মাস উপলক্ষে চন্দ্রোৎসব, আয়লা-এষার আজগুবি ভঙ্গীতে হামাগুড়ি শেখা আরও কত্তো কী! ইচ্ছা ছিল সবিস্তারে একটা জমজমাট ব্লগ লিখবো, কিন্তু কপালের নাম গোপাল। তাই আহা উঁহু বাদ্দিয়ে যা পারি তাই লিখে আপনাদের পাতে তুলে দেই। সময়াভাবে অন্যদের সব ব্লগ পড়তে পারি না, অথচ নিজে হাবিজাবি লিখে পাতা ভরিয়ে ফেলি-- ক্ষমা-ঘেন্না করে দিয়েন গো 
বোকা মেয়ের ডায়রী.....
ব্লগিং জিনিসটা আমার জন্যে খুব একটা নতুন না। আগেও টুকটাক করছি.।
তারপরেও দেখি সব এলোমেলো লাগে,কিছুই বুঝি না।
( আমার মনে হয় কম্পিউটার নামক বস্তুটাই বুঝ না আমি। বেকুব-সেকুব বালিকা,বোঝেনই তো........ 
কেউ কি আমাকে একটু সাহায্য করতে পারেন?
নিজের পোস্ট এ কমেন্ট করার পর দেখি আমি লগ ইন-ই করি নাই। কমেন্টগুলি “অতিথি কমেন্ট” হিসাবে চলে আসছে। সব কমেন্ট ডাবল ডাবল হয়ে গেছে।এখন কি করি? এগুলি ডিলিট করবো কিভাবে??? 
আমাকে কেউ ব্লগিং বস্তুুটা একটু সহজ করে বুঝায় দিতে পারেন?বড় যন্ত্রণায় আছি..... 
৭০ এর ঢাকা ---- মধ্যবিত্তের চোখে (আপডেটেড)
আজকাল মনে হয় পুরো দস্তুর প্রবাসী হয়ে গেছি। সারাক্ষন পুরনো স্মৃতি হাতড়ে বেড়াই ঢাকা গেলে। পরিবর্তন কাঁদায়, নতুন জিনিস বিরক্ত লাগে। বাড়ি গেলে এঘর ওঘর ঘুরে ভাইজি’র স্তুপ করা খেলনার মাঝে নিজের শৈশব খুঁজে ফিরি। চিকন পাড়ের সাদা শাড়ি পরা দাদু বসে থাকতেন সারা বেলা জায়নামাজের ওপর, পাবো না জেনেও তার মমতা খুঁজি, আমার নিজের হাতে লাগানো মানিপ্ল্যান্টের চারাটাকে খুঁজে বেড়াই যেটা কখনো আমার পড়ার টেবিলের ওপর কখনোবা শুধুই জানালার ওপর ঝুলতো। কারন আমার দুমাস পর পর ঘরের আসবাবপত্র টানাটানি না করলে কেমন যেনো বন্দী বন্দী লাগতো। কখনো খুঁজে ফিরি মায়ের কাছে বাতিল হয়ে যাওয়া সেই পুরনো দিনের শোকেসটা। পুরো কাঠ আর কাঁচের সম্বনয়ে চার তাকের জিনিসটি যেটি আমার বই রাখার সম্পত্তি ছিল বহুদিন। বই কিনে আমার নাম লিখে তাতে মালিকানার ছাপ লাগিয়ে তারপর পড়ে কাঁচের মধ্যে সাজিয়ে রাখা। দস্যু বনহুর থেকে সাতকাহন, মেমসাহেব থেকে শেষের কবিতা কি
উচ্ছিস্ট
১)
অবশেষে শাড়িটা না কেনারই সিদ্ধান্ত নেয় সোমা।
আসলে ঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া নয়,দামটা জানা মাত্রই বেড়িয়ে আসে দোকান ছেড়ে। পাঁচ হাজারের শাড়ি তার জন্যে নয়,খুব ভালো করেই জানা আছে।
পাশাপাশি হাটার ছলে স্ত্রীর হাতটা নিজের হাতে নেয় সৈকত।
‘বেশী মন খারাপ হলো?’
‘একদম না।’
‘মিথ্যুক! শাড়িটা তোমার পছন্দ হয়েছিল।’
‘তাতে কি? পছন্দ হলেই কেনা লাগবে?’
‘মন খারাপ কোরো না। একদিন এই শাড়িটা তোমাকে শিওর কিনে দেবো।’
হাসে সোমা,‘তুমি বলেছো,তাতেই হবে।লাগবে না আমার অত দামের শাড়ি।’
‘তাই?’
‘শাড়ি দিয়ে কি হবে?আমার তুমি আছো,আর কিছু চাই না।’
‘বাব্বাহ ম্যাডাম!এত রোমান্টিক ডায়লগ কোথেকে শিখলেন?’
‘যাও!খালি ফাজলামি তোমার।আর কখনও যদি কিছু বলেছি.. ..’
‘কি মুশকিল.. ..আমি আবার কি করলাম.. .. ’
অভিনন্দন বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম

হুররেএএএ আমরা জিতছি!!!!!
অভিনন্দন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে
অভিনন্দন তোমাদের
অনেকদিন পর ম্যাচ জেতার উৎসবে সামিল হলাম। ভাল লাগছে অনেক।

আজ বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডের প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ। সকালে টসে জিতে ব্যাট করে স্বাগতিক বাংলাদেশ দল। প্রথম খেলায় জমে উঠে ব্যাট-বলের লড়াই। জেতার জন্য ২১০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামে নিউজিল্যান্ড।
টুকরো ইতিহাস-২: পরের বউ
প্রতি সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। এখানেই গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয, সিদ্ধান্তও হয়। অনেক গোপনীয় বিষয় নিয়ে আলোচনার একটি জায়গাও এই বৈঠক। এরশাদের সময় ছিল মিনি কেবিনেট। অল্প কয়েকজনকে নিয়ে বসতো এরশাদ।
গতকালও ছিল মন্ত্রিসভার বৈঠক। বৈঠক যখন শেষ তখন প্রধানমন্ত্রী দুজন মন্ত্রীর নাম ধরে বললেন, এই দুজন ছাড়া সবাই চলে যান। তারপর আরও তিনজন মন্ত্রীকেও বলা হল থাকতে। আলোচিত দুজন মন্ত্রীকে নিয়ে এরপর বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী। বাকি তিন মন্ত্রী ছিলেন দর্শক। কী আলোচনা?
-আমি কী করে বলবো? আমি কী ছিলাম নাকি?
যারা ছিলেন তারা যদি ভবিষ্যতে কিছু লেখেন, তাহলেই জানা যাবে।
কেউ কেউ যে লেখেন না তা নয়। একজন সাবেক সচিব লিখে গেছেন এ ধরণের নানা বৈঠকের কাহিনী। সেটা বরং বলি-
৩ এপ্রিল, রোববার, ১৯৭৭
কার্টুনিস্ট আরিফের মা অসুস্থ। কেউ কি এখন বাড়িয়ে দেবেন হাত--
আরিফের মা অসুস্থ। তাঁর কিডনী কাজ করছে না। কিডনী প্রতিস্থাপন করতে হবে। এজন্য ১৬ লক্ষ টাকা দরকার।
যদি কিডনী প্রতিস্থাপন করা না হয় তাহলে সারা জীবন সপ্তাহে দুবার ডায়ালাইসিস করতে হবে। তার খরচ আরও বেশি। অবস্থা ভয়ংকর।
বিলাতের দিনরাত্রি...২
একে তো চরম মন খারাপ করা দিন কাটে, তার উপরে ক্লাস থেকে ফিরে রোজ দরজা খুলে ঘরে ঢুকতে গিয়ে থমকে দাঁড়াই একটু, শুনি মহিলাটি আবার কাঁদছে। কাছে গিয়ে সান্ত্বনা দেবার লোভ সামলাই কোনরকমে। চোরের মত ত্রস্তপায়ে নিজের ঘরে ঢুকে দরজা আটকে বসে থাকি। ল্যাপটপটা কোলের উপরে নিয়ে অন্যমনস্কের মত এই সেই ওয়েব পাতায় ঘুরে বেড়াই। পাশের ঘর থেকে খসখসে বয়স্ক আর তীক্ষ্ণ কিশোরী কন্ঠের চিৎকার ভেসে আসে। মহিলাটি সিলেটি ভাষায় কি বলে যাচ্ছেন, তার পুরোটা বুঝতে পারিনা, আধাআধি যা বুঝি তাতে মনে হয় বারো বছরের মেয়েটির ব্রিটিশ উচ্ছৃংখলতা সিলেটের পাড়াগাঁ থেকে লন্ডন চলে আসা মায়ের সহ্যের বাইরে চলে গেছে। মায়ের কথা না বুঝলেও, মেয়ের মুখের ''শাট আপ, ইউ ব্লাডি হোর'' শুনে আপাদমস্তক চমকে উঠি!
abar shei lekha chai........
je post niye eto chilla-chilli...mono malinno holo............... shei post er karone chomotkar 2a lekha pelam mail a..........apatoto ami chinta mukto......
dekha jacche........
ashole shob kichur piche valo kichu thake........
je jai vaben na keno,amr uddesshota ashol silo.amk ekjon suggest koresilo ekhane muktijuddho bishoyok lekha khujte,jodi valo kichu chai......eai blog er nitimala jana na thakay joto jhamela....... keu jodi na bujhe baparta personally nite chan,tahole r ki bolbo ami........
jai hok........thanx to all...
বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তির ভবিষ্যত নিয়ে কিছু বলতে চাই
তথ্য প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। প্রায় সবক'টি গ্রুপ অব কোম্পানী, এনজিও, সরকারী-বেসরকারী অফিসের এখন ওয়েব সাইট আছে। মানদন্ডের বিচারে না হয় নাই গেলাম সেসকল ওয়েবসাইটের। ঘরে ঘরে এখন ইন্টারনেট। ছেলে মেয়েরা এখন বাহিরে খেলতে না যেয়ে বাসায় বসে সারাদিন চ্যাটিং এবং ওয়েব ব্রাউজিং এ ব্যস্ত। অথচ পাশের দেশ ভারত দিকে তাকালে দেখি চ্যাটিং এ ব্যস্ত না থেকে সেই একই বয়সের ছেলে মেয়েরা চ্যাটিং সফটওয়্যার কিভাবে কাজ করে অথবা কিভাবে এটা ডেভেলপ করা হলো তা জানতে বেশি আগ্রহী।
আমি আমার বউকে ভীষণ ভালোবাসি
রাতের খাবার শেষ করে বারান্দায় বসেছিলাম কয়েকটা 'টু বি অর নট টু বি'র হিসেব মেলাতে, তখুনি অচেনা নাম্বার থেকে একটা ফোন এল। অচেনা নাম্বার থেকে ফোন এলে আশংকিত থাকি একটা বাজে ঘটনার পর থেকে। কিন্তু কন্ঠটি আমার জড়তাকে পাত্তা না দিয়ে বললো, " দোস্ত আমি লাবু। বিয়া করতেছি, তোর আসতে হবে। আগামী ১৭ তারিখ হলুদ। হলুদে তো অবশ্যই আসতে হবে। বিশেষ দরকার আছে।"
লাবু.......লাবু......স্মৃতি হাতড়ে যে মুখটা পেলাম সেটা আমাকে ফোন করার মতো কেউ না। লাবু নামের এক সহপাঠী ছিল স্কুল জীবনে, কিন্তু বন্ধু বলা যায় না তাকে। সেই লাবু কি?
টুকরো-টাকরা ১
১.
তালেবানগো বিরুদ্ধে লড়াই করতে হইবো, এইরম জেহাদি ঘোষণা আমাগো অধিকাংশ প্রগতিশীল বন্ধুগো চেতনায় আসা যাওয়া করে। কিন্তু আমরা জানি না আফঘানিস্তানে তালেবানি শাসন কায়েমের রাজনীতি। আমরা অধিকাংশই জানি না কেমনে মধ্যবিত্ত আফঘানিস্তিয়ান তৈরী কইরা দিছে আমেরিকান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আমরা জানি না বা জানতে চাইনা এই রাজনীতির সাথে বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ রাজনীতির কদ্দূর সম্পর্ক বিরাজমান।
অভ্র ৫.০.৫ পাবলিক বেটা ১। আরো সহজ, আরো সুন্দর, আরো দ্রুত!
অভ্র'র প্রতি আমার ভালবাসা আজীবনের। অভ্র না থাকলে কখনো কম্পিউটার এ বাংলা লিখতে পারতাম না। আমরা বন্ধু সহ নানা ব্লগের সদস্য হয়ে কেটে যাচ্ছিল কাল। এক লাইনও লিখতে পারি নাই কোথায়ও, এমন কি মন্তব্য করতে যেতাম না। অভ্র'র কথা জানলেও বাংলা টাইপের ভয়ে (অভ্রকে তখনো পুরা জানা ছিল না, তার পর 'বিজয় কাগু' ভীতি) ছিলাম ভীত!
এমনি সময় বন্ধু মেজবাহ যায়াদের একটা লেখায় (যতদূর মনে পড়ে নির্মল সেন নিয়ে) বাংলিশ মন্তব্য লিখেছিলাম (হয়ত সইতে না পেরে) এই আমরা বন্ধুতে! রায়হান ভাই কি একটা মন্তব্য করে বসেন। ব্যস, আর যাই কই, মাথায় জিদ চেপে গেল। বাংলা শিখতেই হবে। সারারাত অভ্র নিয়ে কাটিয়ে দিলাম। ইংরেজী টাইপ করলে বাংলা হয় বুঝে গেলাম আর ইংরেজীতো ভাল টাইপ করতে পারি! পরদিন আরো চেষ্টা করলাম। বাহ বেশ তো! বন্ধু মেজবাহকে নিয়ে লিখলাম একটা কবিতা(! কিছু হয় নাই)।
কা্বজাব - ২
শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড এই কথাটার সাথে আমার চরম দ্বিমত আছে। শিক্ষা আমাদের সমাজকে কি দিচ্ছে? কিছু শিক্ষিত দুর্নীতিবাজ আর কিছু শিক্ষিত অমেরুদন্ডী প্রানী এবিং কিছু শিক্ষিত মূর্খ। এই যে শিক্ষিত তাকমা লাগিয়ে কিছু অমানুষ বের হচ্ছে এদের পিছনে সমাজ , পরিবেশ পরিস্থিতি দায়ী অনস্বীকার্য। কিন্তু যাদের মানুষ গড়ার কারিগর বলি তাদের কি কোন দায়বদ্ধতা নেই?