অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৭ জন অতিথি অনলাইন

সীমায় রুদ্ধ

সীমায় রুদ্ধ, সীমায় রুদ্ধ - ভুবন আকাশ তল
সীমায় রুদ্ধ মানুষগুলোর নয়ন জাত শীতল জল
সীমায় রুদ্ধ সময় জুড়ে অন্তরীক্ষের নিকোষ আঁধারটাও
সীমায় রুদ্ধ সময় ঘিরে ঘটনার সব বিশদ ঘনঘটাও।

সীমায় রুদ্ধ জীবন বলেই জীবন ভীষণ কষ্ট দেয়
সীমায় রুদ্ধ মন বলেই সে মন কষ্টও চুষে নেয়...
সীমায় রুদ্ধ কর্মকান্ড , সীমায় হায় হুতাশ
সীমায় রুদ্ধ স্বল্প এ ঘরে সীমায় রুদ্ধ বাতাস

সীমায় রুদ্ধ স্বপ্ন সকল , সীমার পর আর নেই
সীমায় রুদ্ধ সুখ খুঁজে তাই দু:খও হারা্য় খেই
সীমায় বদ্ধ মানব প্রাণী সুখ দু:খে মিলেমিশে
সীমায় রুদ্ধ জীবন কাটায় কেঁদে এবং হেসে.........

১/১০/২০১০

হয়তোবা ......

কথা না বলতে বলতে
হয়েছি বাকরুদ্ধ এই আমি;
বন্ধ হয়েছিলো মনের জানালা খানি।

সময় গড়িয়ে ইচ্ছেগুলো হয়েছিলো ফিঁকে মলিন।
কেনো যেন মনে হল...
আছে কথা বহু বাকী;
আছে বহু ইচ্ছে পূরণ।

প্রজাপতি ও বন্ধু আমার..!
একটু শুনে যাবে কি ...
নেবে কি ভর করে
রঙিন ডানায় তোমার..;
মলিন ইচ্ছে গুলো এই আমার।
করে দিতে স্বপ্নময় চির রঙিন....
হতে চাই বাধঁন হারা সৌন্দর্যে বিলীন.....।

জীবন থেকে নেয়া (টুকটাক)

অনেকদিন আগে এই নামে একটিা সিরিজ লিখতাম। মাঝখানে নানা কারনে লেখা হয়ে ওঠেনি, বহুদিন পর আবার জীবন থেকে নেয়া সিরিজটি লিখছি। শেষ কবে লিখেছিলাম তার সঠিক তারিখটি যদিও মনে নেই তবে একবছরতো হবেই। এ পর্বের নাম দিলাম

টুকটাক

এই আমি - এই আমরা

ছোট তিনটি ঘটনা বলি।
১-আমার এক প্রবাসি বন্ধু , যার প্রবাস জীবনের ছবি দেখে আমি হিংসায় জ্বলি আর ভাবি আহা , কি সুখেই না থাকে মানুষ বিদেশে ! -দেশে আসার পর আমায় বলে দোস্ত বিদেশে থাকি , টাকা ও কম কামাই না কিন্তু মাঝে মাঝে কেমন যেন লাগে । যন্ত্র হয়ে গেছি রে ! আমি তখন বিজ্ঞের মত একটা ভাব করতাম আর টেনে টেনে বলতাম - তোরে যাইতে কইছে কে ? এখানে ই চেষ্টা করতি । আর নিজের চেহারায় একটা বুদ্ধিমানের আভা ফুটিয়ে বলতাম - আমরা ভালো ই আছি।
২-দোকানে গিয়ে body spray খুঁজছিলাম , salesman আমাকে কিছু নমুনা দেখাল সাথে বুঝাতে চেষ্টা করল কোন্টার কি ঘ্রাণ। কোনটা lemon, কোনটা cool,আরো আছে নানা ধরনের ।আমি অনেক চুলচেরা বিশ্লেষণ করে পছন্দসই body spray কিনে বাসায় আসলাম।

শুকনো পাতায় শূন্যতা

এর আগে কখনো রাতে বাইরোডে যাতায়াত করিনি।

রাতের ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছি, যেতে হচ্ছে। পরপর পেরিয়ে যাচ্ছি একটি একটি করে শহর, শহরতলী বা গ্রাম। স্নায়ুর চাপে কোনকিছুই ঠিকঠাক চিনতে পারছি না, নইলে এই যাত্রা উপভোগ করা যেত। রাত বাড়ছে কিন্তু গাড়ি চলাচল কমেনি। রাস্তার দুধারে দোকানপাট বেশীর ভাগই খোলা, এমন কি মধ্যরাতেও দোকানির ঝাঁপ তোলা দেখে অবাক লাগল। এরা কি সারা বছর এভাবে রাত্তিরেও বেচাকেনা করে নাকি রোজার রাত বলে এমন বুঝতে পারলাম না।

বিদ্যালয় সখা

বিদ্যালয় সখা, সেরা সময়ের সহচর

ষান্মাসিকে বা ফুটবলের ম্যাচে অন্যদের প্রতিদ্বন্দ্বী করে
সামান্য এগিয়ে গেলেও অসামান্য সুখ
আঙুলে আঙুলে ভাব বা মুহুর্তে কাটাকাটি

একদিন আন্ত:স্কুলে এই কালো পীচে
দলবদ্ধভাবে বিজয় মুকুট নিতে শিকারী হয়েছি
যেন বিদ্যালয় সারাজীবনের, তার স্বার্থে লড়ে যাওয়া
স্কুল কি আর আমাদের মনে রাখে?

শুনেছি সবাই ভাল আছে, সাফল্যে নেতা, পতনে কেউ কবি
যোগভাগ নিয়ে আমারও চলে যায়, কম বেশী
অর্থ কড়ি ঘরে, ব্যস্ততা নিয়েছি চিনে
বাস্তব খেলায় খেলা মুছে গেছে কবে, মাঠ গেছে দখলে

হতে পারে ভাব বা রোমন্থন
নৌকার মতো স্মৃতির গুনটানা কিংবা
যে নামই তাকে ডাকি
কৈশোরের রোদেলা দিনগুলো আমাদের
শ্রেষ্ঠ সময়, চাইলেই তাদের ভোলা যায় না

সবাই কোথায়? বাইরে, দেশে ব্যবসায়, কাজে, কেরানীত্বে
অথচ কী জ্বলজ্বলে স্মৃতি, যেন আগে ভাগে স্কুলে পৌছে
সতীর্থদের জন্য অপেক্ষা করছি

---------------

গল্প লেখার গল্প

সে এক বহুকাল আগের কথা। আমি তখন মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে ক্লাস টেনে পড়ি। ক্লাসমেট, বেঞ্চমেট এবং ফুটবল টিমমেট হিমেল আমার খুবই কাছের বন্ধু। পড়াশোনায় আমি ছিলাম বরাবরই ফাঁকিবাজ আর ও হাড়মাস কালা করা ধরনের সিরিয়াস। কিন্তু মজার বিষয় হলো প্রায় প্রতিবারেই আমার রেজাল্ট ওর চেয়ে ভালো হতো। আমরা ক্লাস এইট থেকেই এক গ্রুপে। খেয়াল করে দেখতাম প্রতিটা পরীক্ষার আগেই ওর চোখেমুখে ভয়াবহ রকমের ভীতি খেলা করতো। রাতদিন জেগে সব মুখস্থ করে এসেও পরীক্ষার হলে গিয়ে টেনশনে সব ভুলে বসতো। আমার পরীক্ষা-ভীতি বলতে গেলে ছিলই না। বরংচ রীতিমতো নিয়ম করে পরীক্ষার দুই দিন আগে থেকেই পড়ালেখা সব বন্ধ করে দিয়ে সেবা-হুমায়ুন-শীর্ষেন্দুতে ডুবে থাকতাম। ঠিক পরীক্ষার দিন সকালে নোটগুলোতে আরেকবার দায়সারা গোছের চোখ বুলিয়ে হেসেখেলে পরীক্ষার হলে ঢুকতাম। হিমেলকে দেখতাম পরীক্ষা শুরুর মিনিট খানেক আগ পর্যন্ত রিভিশন দিতে দিতে গলা শুকিয়ে ফেলতে। ক্লাসের ফার

আর কতদিন আর কতকাল ...

আর কতদিন আর কতকাল ... ...
অবুঝ রইবো মোরা, বুঝবো না হাল!
যতকাল রইবে ঐ বুড়ির জল কালো
যতকাল মুখে রব- ঐ আগুন জ্বালো,
ততকাল কালো জলে মুখ কালো করে
অথবা দৌড়ে পলায়ন আগুনের ডরে-
অবুঝ রইবো মোরা, হব চীর ভীত
মাথা উঁচু খানিকটা তবুও মেরুদন্ড আনিত।
ও উঁচু মাথার বল কিইবা কর্মকাজ?
মেরুর ঐ দন্ড নিচু- সে যে বড় লাজ।
মাথা উঁচু ভাবি তবুও মন যে ভ্রান্তি ময়
পা চাটাচাটি কত, মাথা কি উঁচু রয়!
এমন অপমান আর বল কতদিন-কাল
আস্টে পিষ্টে বন্দী - এ কেমন হাল?
জাল যেন ছেঁয়ে আছে প্রতি পদে পদে
নিচের ছায়ায় নিজে ভীত কালো নদে।
তাবেদারী ভাব ধরি, বুঝিনা গো দূর...
চির সত্যি ভুলে বাজাই শুধু মিছে সুর,
সাময়িক বাতাসটা যদি গো গায়ে লাগে
সে বাতাসের পূজোটাই সব চেয়ে আগে,
ওদিকে যে বহুদূর পথ পড়ে আছে...
ভুল ভাবি - এখনও সময় রয়ে গেছে!

২৪/০৯/২০১০

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিবকে দেশে ফেরত

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব (ডিপিএস) মাহবুবুল হক শাকিলকে নিউইয়র্ক থেকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, মাতাল অবস্থায় মধ্যরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মহিলা কর্মকর্তার কক্ষে জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন শাকিল।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদের মন্তব্য জানতে বারবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তবে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী মুখ্য সচিব মো. আবদুল করিম শাকিলের দেশে ফেরার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। খবর নিউইয়র্ক থেকে নিউজ ওয়ার্ল্ডের।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নিউইয়র্ক সিটির গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে শাহনাজ গাজীর কক্ষে মাতাল অবস্থায় প্রবেশের চেষ্টা করেন শাকিল। তবে, তিনি কক্ষে প্রবেশ করেছিলেন কি না, সে বিষয়ে কেউ মুখ খুলছেন না। শাহনাজ গাজী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসে পরিচালক হিসেবে কর্মরত।

বইয়ের ঝাপি

আমি তখন ক্যাডেট কলেজে পড়ি, আর আমরা থাকতাম নাখাল পাড়ায়। সে সময়ে একটা সেল্ফ কেনা হল। সেল্ফের তিনটা তাক। উপরেরটায় স্থান পেলে কাপ-পিরিচ-প্লেট-গ্লাস ইত্যাদি। নীচের তাকে আমার ছোট ভাইয়ের নানা ধরণের খেলনা। আর মাঝের তাকটা আমি দখল করলাম, তখন আমার সংগ্রহে ১০/১৫টা বই। এর বেশির ভাগই পুরস্কার পাওয়া। একটা সময় সেই সেল্ফ পুরোটাই আমার দখলে এলো। কিন্তু তাতেও বই ধরে না। তারপর কিনলাম আরেকটা। একসময় এই সেল্ফও বইয়ে ভরে গেল। গত বছর অটবি থেকে কিনলাম আরেকটা। সেটিও এখন ভর্তি।
এর মধ্যে সবচেয়ে পুরানোটা বয়সের ভারে আক্রান্ত। ঈদের ছুটিতে বসেছিলাম পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানে। বিশেষ করে সামনে পেছনের সারির বইগুলোর দিকেই মনোযোগ দিতে হল, যেগুলো খানিকটা ছিড়ে গিয়েছিল অতি ব্যবহারের কারণে। কিংবা কিনেছিলামই পুরান বই, ফু্টপাত থেকে।

কা্বজাব - ১

যখন আমার বয়েস ৮/৯ তখন কি যেনো একটা গুরু গম্ভীর বই পড়ছিলাম। নামটা আজ যদিও মনে নেই, তবে একটা লাইন মনে আছে। “মানুষের জীবন দুঃখ ও সুখের সমষ্টি, যেখানে সুখের মুহুর্ত খুব কম। আর আমাদের জীবন কাটে সেই সব মুহুর্ত রোমন্থন করে আর সেই সব মুহুর্তের আশায়।” ভয়াবহ ধরনের সত্য কথা। সত্য যে তার প্রমান প্রায়ই পাই যখন মানুষকে দেখি বিভিন্ন বার্ষিকী করতে। কেউ আবার মৃত্যুবার্ষিকীকে টেনে আনবেন না। উদাহারন হতে পারে বিবাহ বার্ষিকী অথবা প্রেমিক-প্রেমিকাদের বর্ষপূর্তি। একটা কাপলের কি আর কোন ভালো ঘটনাই ঘটে না? তবে কেন একটা তারিখের স্মৃতি রোমন্থন করে চলা সারা জীবন? অনেক চিন্তা করেছি উত্তর পাইনি। এমনকি আমার এক্স – গার্লফ্রেন্ডকেও মনে হয় প্রশ্ন করেছিলাম । উত্তর পাইনি।

একটি অপ্রকাশিত আবিষ্কারের কাহিনী

গ্রহ নক্ষত্রের ফেরে আমার বিজ্ঞানী হওয়াটা ঠেকে গেল। নইলে হাফপ্যান্ট থেকে ফুলপ্যান্টে প্রমোশন পাবার আগ পর্যন্ত কেবলমাত্র বিজ্ঞানী হবারই স্বপ্ন দেখতাম।

যদিও পড়াশোনায় একবিন্দু মন ছিল না কখনোই। সেটার জন্যও আংশিক দায়ী বিজ্ঞানী হবার বাসনা। কারণ পরিচিত যে তিনজন বিজ্ঞানী ছিলেন তাদের কাউকে স্কুলে যেতে দেখিনি বা শুনিনি। একজন আপেল বাগানে গিয়ে গালে হাত দিয়ে বসে থাকতো, আরেকজন চৌবাচ্চায় গোসল করতে গিয়ে পানি উপচে পড়াতে ইউরেকা বলে চেঁচাতে চেঁচাতে রাস্তায় ছুটে যেতো, শেষের জন দুরবীন হাতে দুর আকাশের অগুনতি নক্ষত্রের দিকে তাকিয়ে থাকতো আর কে কার পিছে ঘুরে সেটা আবিষ্কার করতো।

বিড়ম্বনা

আমার এক বন্ধু, নাম মাসুম। না পিআলোর মাসুম মামা না। তার একটা জয়েন্ট ভেনচার সফ্টওয়ার কোম্পানি আছে। অসম্ভব প্রতিভাবান, উদ্দোগী, কাজ পাগল। তার চেয়ে কথা হলো নীতিবান। নীতিবান মানে নীতিবান। জীবনে বেআইনি কাজ করে নাই। বাংলাদেশে এমন লোক মনে হয় হাতে গোনা যাবে। এরকম লোকদের জন্য এই ভ্রস্ট সমাজে বাস করা কঠিন। নানা সমস্যায় পড়তে হয়। বিভিন্ন সরকারী যায়গায় এ নিয়া অনেক দিগদারি হয়। সে কাহিনী আরেক সময় বলব। আজকে অন্য ধরণের একটা কাহিনী বলি। তার মুখেই শুনুন।

.
.

ঢাকা থেকে খুলনা যাচ্ছিলাম
বাস-টা পথে একটা হোটেলে কিছুক্ষনের জন্য থামলে
আমি হোটেলের টয়লেটে ঢুকলাম হাল্কা হতে...

কি মুস্কিল পাশের টয়লেট থেকে বয়স্ক কন্ঠে জিজ্ঞাসাকরে
"কেমন আছো?"
মেজাজ পিলা হয়াগেল... তবুও ভদ্রতা করে কইলাম "জ্বি ভালো"

এ-মা... ফাজিল বুইড়া আবার জিগায়... "কি করছো?"
এইবার মনে হইলো অসুস্হ কোন মানসিক রোগীর পাল্লায় পরছি নিশ্চিত

প্রবাসে ঈদ

এর আগে এক লেখায় আপনাদের জানিয়েছিলাম তাইওয়ানের মতো পাণ্ডববর্জিত দেশে রোজার মাসে কষ্টে বিতিকিচ্ছিরি অবস্থার কথা। তো সমস্ত রোজার মাস যদি হয় ফূটন্ত কড়াই তাহলে খোদ ঈদের দিনটি হলো জ্বলন্ত উনুন। এক হচ্ছে প্রবাসে বাপ-মা, আত্মীয়-স্বজন, পুরানা বন্ধু-বান্ধব কেউ নেই। বাসায় ফোন করলেই মায়ের ফোঁপানো, কান্না সামলে ফ্যাঁসফেঁসে গলায় কী খেয়েছি, কী রেঁধেছি ইত্যাদির ফিরিস্তি চাওয়া। বাবার থমথমে গলায় হাঁটু ফুলে যাবার বয়ান, ভাই-বোনদের অভিযোগ-অনুযোগ ইত্যাদিতে জেরবার করে তোলা। আর দ্বিতীয় হলো নিজেও বানিয়ে বানিয়ে খুব ভালো থাকার-খাবার বর্ণনা ইত্যাদি দিয়ে সবাইকে আপাতত ঠাণ্ডা করে একছুটে সাগর পাড়ে গিয়ে চুপচাপ বসে থাকা। পরেরটাতেই কষ্ট লাগে বেশি, হিমঘরে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হৃদয় গলে ফোঁটায় ফোঁটায় রক্ত ঝরে।

~ কফি হাউজ ~

আমরা বন্ধু ব্লগে আমার প্রথম পোস্টে আমি সবার জন্য কিছু ছবি নিয়ে এসেছি। বন্ধুত্বের সংজ্ঞা সব জায়গায় যে কোন বর্ণের মানুষের কাছে একই।
আমরা বন্ধু, আরো কিছু বন্ধু কিংবা পৃথিবীর সব বন্ধুর গল্প, আকুতি ফুটে উঠেছে মান্না দে'র কফি হাউজ গানের কথায় .................
সেই কফি হাউজের কিছু ছবি।

কফি হাউজ
কলেজ স্ট্রীট, কলকাতা।

1.JPG

2a.JPG

3.JPG

5.JPG

4.JPG

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ