অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৮ জন অতিথি অনলাইন

গল্প: মতির শরীরটা খারাপ

"বুয়া! তোমার আক্কেলটা কেমন? বাড়ি ভর্তি কাজ জমে গেছে আর আসছো দুপুর ১২ টার সময়"। বেগম সাহেব হাত নেড়ে বলে। তারপর শুনিয়ে বলতে থাকে, "বেশী বাড়া বাড়ি করলে আসার দরকার নাই। ভাত ছিটাইলে কাকের অভাব হয় না"

দরজায় ঢোকার সময় মাথা নিচু করে থাকে মতির মা। কাল থেকে মতির শরীর খারাপ। জ্বর জ্বর ভাব। সারারাত আম্মা আম্মা করে কেঁদেছে। বলেছে, "তুমি কামে যাইওনা। আইজ থাকো"।

ব্যবসা

download.jpg

সমাজে বেশীর ভাগ বন্ধুত্বই হয় সমান অবস্থানের মানুষের মাঝে, ভিন্নতাও আছে। তেমনি দুই বন্ধু কথোপকথন।

এক ফকির আর একজন ফকিরকে বলছে: আমি কাইলকা শেরাটনে রাইতের খাওন (ডিনার) খাইলাম।

দ্বিতীয় ফকির: এইডা ক্যামনে সম্ভাব?

ছোটগল্প: জেল

১.

অন্য রকম রাতের পৃথিবী

যথারীতি গত শুক্রবারও (৩ সেপ্টেম্বর) ছিল আমার রাতের ডিউটি। মোটামুটি দিনের বেশিরভাগ সময় ঘুমিয়ে কাটিয়েছি। বাসায় কেউ নেই। বৌ আর বাচ্চাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছি। এবার একটু আগেই চলে গেছে ওরা। ছেলেটার স্কুল বন্ধ। কী করবে ঢাকায় থেকে? তারপরও ছোটটার টিকা খাওয়ানোর জন্য ৩০ তারিখ পর্যন্ত রয়ে গেল ঢাকায়। ৩১ তারিখ সকালের দিকে চলে গেল ওরা।

এই বসবাস!

কবিতাটি খুব ছোট। কিন্তু পঞ্চাশ শব্দের নীচে কোন কিছু পোস্ট এখানে দেওয়া যায় না মনে হয়। তাই এই সব কথা লিখলাম। ছোট কোনোকিছু পোস্ট দেবার অন্য কোনো উপায় আছে কি? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।আপনাদের সাড়া পেলে ভালো লাগবে। পড়ে যা মনে হয় তাই লিখবেন আশা করি।

এই বসবাস, এক নক্ষত্র আকাশ;
মৃত্যুবোধ যেন নক্ষত্রের ভালোবাসা।
তুমি এক আশ্চর্য আঁধার শুধু
আমি তার গভীর কুয়াশা!

আমি যদি হতাম

১.
ঈদ সংখ্যা সাপ্তাহিক-এ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী আত্মজীবনী লিখেছেন। সেখানে এক জায়গায় বলেছেন, ‘কে না জানে এই বাংলাদেশে সুস্থ থাকাই এখন সবচেয়ে বড় সাফল্য’।

দিন যায়, কথা থাকে

I become ugly when I don’t love
And I become ugly when I don’t write
--Nizar Kabbani

সে একটা গল্প বলতে চেয়েছিলো (দুই)

কি ভাই, আরেক কাপ চা খাওয়াইবেন না!

ইচ্ছাঘুড়ি'র শুভ জন্মদিন

একসময় সবার জন্মদিনে তার দেয়া শুভেচ্ছাগুলো হতো অনন্য, কারন সে যে শুভেচ্ছা জানাতো গান গেয়ে! একেতো সেই সুদূর থেকে দেশের বন্ধুটাকে ফোন দিতো সেই আনন্দের সঙ্গে সাথের গাওয়া গানটা থাকতো বোনাস! তবে গানওলা গানই তো গাইবে এ আর নতুন কি? 8)

তুমি কে?

সেই যে তুমি
মাঝে মাঝেই দেখা পাই তোমার
যতক্ষণ থাকো সমস্ত জুড়েই থাকো
মগজের আনাচে কানাচে তখন কেবলই তোমার অস্তিত্ব
যখনই আসো
আমাকে আষ্ট্রেপৃষ্টে জড়িয়ে রাখো দিনরাত
কতোরাত নির্ঘুম কেটেছে তোমাকে পেয়ে
কত ভোর হয়েছে দুপুর........

একবার এলেই,
সহজে যেতে চাওনা তুমি আমাকে ছেড়ে

বলতো তুমি কে
তুমি কি সেই স্মৃতিময় ... ... ... ন?

শিরোনামহীন

বারান্দার গ্রিলের ফাঁকে, সামনের খোলা জায়গায় সোনালু গাছটায় চড়ুই পাখিদের ঘর। সকালবেলায় জানালায়, বারান্দার গ্রিলে উড়ে এসে বসে, ছুটোছুটি করে অনেক পাখি আর এদের মিষ্টি কিচিরমিচির শব্দে ঘুম ভাঙ্গে প্রায় প্রতিদিন। তবু চোখ বুজে থাকি, খুব কম দিনই এমন হয় যে উঠে বারান্দায় যাই। তাই মিষ্টি সকালের দেখা পাই না খুব একটা। অফিস যেতে হবে বলে ঘুম ঘুম চোখে যখন বের হই বাসা থেকে তখন বাইরে প্রখর রোদ। চোখ মেলে তাকানো যা

যে জলে আগুন জ্বলে

আমার পা জোড়া যেন শীতল হয়ে গেল। কি দারূন অনুভূতি।পায়ের কাছে তীব্র কলকল শব্দ করে জমে যাচ্ছে পাহাড়ি ঠাণ্ডা জল। জলের শরীরে আয়না। আমার দৃষ্টি জলের গভীরে। ঢেউয়ের ভাঁজে ভাঁজে পাথরের দোল খাওয়া দেখি। বড় বড় চোখের বুড়ো পাথর গুলোর গায়ে রোদ জলের ছায়া আর ছোট ছোট নুড়িগুলোর অবুঝ ভাসাভাসি।
মহানন্দার ওপারে আকাশ মাটি ছুঁয়ে সোনা রোদে হাসছে।
আমি ভেসে যাবার ভয়ে উঠে আসি।
রোদে তেতে থাকা, গরম মাটিতে পা পুড়ে যায়, আমি বাস্তবে ফিরে আসি। চোখ বুজলেই মহানন্দার জলে আমার চোখ ভরে যায়। সেদিন তোমার কি ভয়, পারে বসে চিৎকার

- "আর যেওনা। আর যেওনা। ভেসে যাবে যে..."
তুমি সাঁতার জানতে না। পানিকে তোমার তাই ভীষন ভয়। তাই নামোনি আমার সঙ্গে।
আমার ভীষন মন খারাপ হচ্ছিল, তোমার সাথে জলে নামতে পারিনি বলে কিন্তু মহানন্দা দেখে সব ভেসে গেল। নদী আমাকে ভীষন টানে। কি ভীষন আকূল করে টেনে নিয়ে যায়--অদ্ভূত তাইনা!

সে একটা গল্প বলতে চেয়েছিলো...(এক)

দিগন্ত বিস্তৃত নদী। ছোট্ট ঘাট। অন্ধকারে যদিও নদীর কিছুই প্রায় দৃশ্যমান নয়। দূরে কিছু আলোকবর্তীকা দেখা যায়। তারা ভাসে। আলোর সাথে কিছু শব্দও ভেসে আসে। যদিও লঞ্চ ঘাটে কোনো শব্দ নাই। কেবল মাঝে মাঝে জলস্রোত এসে লোহার জেটিতে আছড়ে পড়লে যতোটা শব্দ হয় ততোটুকুনই। তাতে নীরবতা ভাঙে না। বরং নিথর লঞ্চঘাটের রহস্যময় নীরবতা আরো গাঢ় হয়। একজন পুলিশ অবশ্য ঘুমে ঢলে পড়লে তার রাইফেলটা পিছলে গিয়ে খানিকটা শব্দ করে আর তাতে

কঋ দিএ কেনা"

বাংলা বানান শিখবার পর অন্য যেকোনো উৎসাহী বাবার মতো আমিও নিয়মিত সহজ সহজ কিছু প্রচলিত বাংলা শব্দের বানান জিজ্ঞাসা করি ছেলেকে। শব্দ বাছাই করতে গিয়ে যেসব শব্দে যুক্তবর্ণ নেই সেসব শব্দকেই প্রাধান্য দেই বরাবরই। লেখ্য বাংলা ভাষা পৃথিবীর দুরহতম ভাষাগুলোর একটি, এখানে এক রামে রক্ষা নেই দোসর লক্ষণ নয় শুধু সাথে সুগ্রীব, বালী, হনুমাণ, জম্বুবানসহ সকল বানর প্রজাতিই উপস্থিত। অক্ষরগুলো পাশাপাশি সাজালেই হবে না, সে

জাতে উঠা হৈল না আমার - ১

জাতে উঠিবার শখ লৈয়া বিলাত যাত্রা করিয়াছিলাম। মনে মনে দিবা স্বপ্ন দেখিতেছিলাম জাতে উঠিব, পাতে উঠিব। সাধারনে আমাকে দেখিয়া বলিবে দেখ বিলাত ফেরতা ছেলে। স্বপ্ন লৈয়া বিলাত যাত্রাই হৈল শুধু জাতে আর উঠিলাম না।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ