অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ২১ জন অতিথি অনলাইন

ব্লগর ব্লগর

১.
কাল অফিস থেকে বাসায় ফিরছিলাম ১২টার পরে। গাড়ি চালাতে গিয়ে দেখি এক হাতের দূরের কিছু দেখি না। কালকের মতো কুয়াসা আমি কখনো ঢাকায় দেখি নি। মনে হচ্ছিল মেঘের মধ্য দিয়ে গাড়ি চালাচ্ছি। হাত বাড়ালেই ধরা যাচ্ছিল সব কিছু।
বাসায় গিয়ে বউকে বললাম, মেঘের মধ্য দিয়ে তোমার কাছে আসলাম। চলো মেঘের মধ্য দিয়ে ঘুরে আসি।
বউ অবাক হয়ে বললো-‌তোমার চোখেও এসব পরে?
কাল এমনই কুয়াসা ছিল চোখে না পড়ার কোনো উপায়ই ছিল না। তবে ওই দুই লাইনেই দেখলাম বউ খুশী।

২.
কাল সারাদিন রাতের ওই দু'তিনটি কথাবার্তাই ছিল ভাল কিছু। এ ছাড়া কাল সারাদিন ভাল কিছুই ঘটলো না। অথচ আগের রাতে ঘুমাতে গিয়েছিলাম সিরিজ জয়ের রেশ নিয়ে। কিন্তু সকালে উঠেই সব ভাললাগা চলে গেল টিভি খুলতেই। একাত্তর ঠিভিতে দেকলাম লাইভ গণপিটুনি। তবে ভাগ্য ভাল যে, পুলিশ উদ্ধার করায় বেঁচে গেল দুজনেই। বাঁচতে পারল না বিশ্বজিৎ দাস।
আমাদের ক্রাইম রিপোর্টার বিকেলে রিপোর্টটা লিখে দিল। সেটি অনেকটা নতুন করে লিখলাম আবার। ফেসবুকে রাসেলের লেখা স্টাটাস থেকে একটা লাইন নিয়ে লেখাটা শুরু করেছিলাম। দুই প্রত্যক্ষদর্শীর মুখ থেকে পুরোটা শুনলাম।

ইকোনমিস্ট-আমার দেশের অপপ্রচারণা : ষড়যন্ত্রের নতুন ফ্রন্ট (প্রসঙ্গ: ICT হ্যাকিং)

বাংলাদেশের চলমান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল শুরু থেকেই নানা ধরণের শত্রুর মোকাবেলা করে কাজ করছে। দেশে এবং বিদেশে, মিডিয়ায় অথবা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে বিরামহীনভাবে চলছে অপপ্রচারণা, ট্রাইবুনালের ইমেজ ধ্বংস করার চেষ্টা, ট্রাইবুনালের কাজকে ব্যাহত করার অপচেষ্টা। আমরা দেখেছি বহির্বিশ্বে টবি ক্যাডম্যানের মতো লোকেরা কীভাবে ট্রাইবুনাল সম্পর্কে মিথ্যাচার করে বেড়িয়েছে, দেখেছি আলি আলগামদির মতো মিডিয়াবাজেরা সৌদি আরব সহ বিভিন্ন দেশের পত্র-পত্রিকায় বাংলাদেশ এবং ট্রাইবুনাল সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা ছড়িয়েছে, এমনকী বাংলাদেশ সরকারকে নানা ভাবে প্রচ্ছন্ন হুমকি দেয়ার নিদর্শনও মিলেছে। ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংস গণহত্যাগুলোর একটির খলনায়কদের বিচারের আওতায় আনার এই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রক্রিয়াটিকে ক্ষতিগ্রস্থ করার পৃথিবীর প্রতিটি অঞ্চলে অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে। সুদূর তুরস্কের একটি রাজনৈতিক দল সাদেত পার্টির উদ্যোগে ইস্তাম্বুলে গোলাম আযম সহ এসব অপরাধের দায়ে আটক ব্যক্তির মুক্তির দায়ে সমাবেশ হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় সর্বশেষ সংযোজন লন্ডন থেকে প্রকাশিত পত্রিকা দি ইকোনমিস্ট, এবং তাদের ল্যাজ ধরে ধরে বাংলাদেশের

উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ

১৯৪৭-এ বিতর্কিত দ্বিজাতি তত্ত্বের আলোকে দেশ ভাগ, ’৫২-এর স্বাধীনতার আন্দোলন, ’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণ অভ্যুত্থান, ‘৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা লাভ, '৯০-এ স্বৈরাচার পতন--এত রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ, আজ কোথায়, কোন অবস্থায় আছে ! কেমন আছে আমার দেশ, দেশের মানুষ, আমার মাতৃভূমি, আমার প্রিয় জন্মভূমি, আমার স্বাধীনতা? এ বিজয়ের মাসে পরাজিত রাজাকার আর তাদের বংশধররা কার বা কাদের সহযোগিতায় ’৭১-এর মানবতাবিরোধী, কুখ্যাত রাজাকারদের মুক্তির জন্য আন্দোলন করে, দেশ ব্যাপী হরতাল করে ? কোথা থেকে তারা এত সাহস পায়? পৃথিবীর কোন দেশ ধর্মীয় জাতি সত্ত্বার কারণে বিভাজিত হয়নি, শুধু ভারত ছাড়া; কোন দেশে স্বাধীনতার যুদ্ধে পরাজিতরা মাথা তোলে কোনদিন দাঁড়াতে পারেনি; শুধু বাংলাদেশ ছাড়া।

এইসব দিনরাত্রি (একটি হাজিরা পোষ্ট)

আজকের সকালটা শুরু হল একটু অন্যরকমভাবে। ছুটির দিনে সাধারণত সকালে একটু দেরী করে ঘুম ভাঙ্গে কিন্তু আজকে অন্যদিনের মতই সকাল সকালই ঘুম থেকে উঠতে হল। প্রতিদিন সকালে একটা তাড়া থাকে অফিসে যাবার জন্যে তবে আজকের তাড়াহুড়াটা অফিসে যাবার জন্যে নয়, আমার মেয়ে রিয়াসা’র নতুন স্কুলে যাওয়ার জন্য। আজ তার স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা ছিল। সে খুব খুশি, গত পনের দিন ধরে শুধু প্রশ্ন করে যাচ্ছিল কবে সে স্কুলে যাবে। স্কুলে গিয়ে দেখি পরীক্ষার জন্যে অপেক্ষমান বাচ্চা ও অভিভাবকদের সংখ্যাটা নিতান্ত নগন্য না । ভাবতে অবাক লাগে মাত্র চার বছরের একটা বাচ্চাকে ভর্তির জন্যে পরীক্ষা দিতে হয়, এই বয়সে আমরা লেখাপড়ার কথা চিন্তাও করি নাই!

একজন গ্ল্যাডিয়েটর

একজন গ্ল্যাডিয়েটর

বিরক্তিকর অথচ অবশ্য প্রয়োজনীয় অ্যালার্মটা বাজতে শুরু করেছে - অনাকাঙ্খিত শব্দ তরঙ্গ চিরে দিচ্ছে ঘরের নিস্তব্ধ আবহ - মানুষটার সুপ্ত স্নায়ুতে সাড়া পড়তে থাকে - মস্তিস্ক শরীরকে জানান দেয় - এবার জাগতে হবে - ধীরে ধীরে মানুষটা চোখ মেলে - এ যেন প্রাণান্ত আয়াস - শরীরের প্রতিটি কণিকা যেন অতিরিক্ত পাঁচটি মিনিট সুখনিদ্রার জন্য আকুল হয়ে থাকে - কিন্তু না - সেটা সম্ভব নয় - যদিও ঘর এখনো অন্ধকার - জানালার শার্সিতে লালচে আভাস দিনের আগমনী বার্তা ঘোষণা করছে.

পাশে শুয়ে থাকা সঙ্গিনীর ঘুম এখনো ভাঙ্গেনি - ঘুমে অচেতন প্রাণপ্রিয় শিশুপুত্র ও - মানুষটা এক মুহূর্ত যেন থমকে যায় - কি এক নির্মোঘ মোহে তাকিয়ে রয় ভালবাসার মানুষগুলোর দিকে - বুক চিরে বেরোয় অকারণ দীর্ঘ নি:শ্বাস - অত:পর গা ঝাড়া দিয়ে আলস্য কাটায় - স্নায়ু এখন তার পূর্ণ সজাগ এবং প্রস্তুত - প্রস্তুত লড়াইমুখর একটি নতুন দিনের জন্য - রাতে বিছানায় ঘুমিয়েছিল একজন বাবা - একজন স্বামী - জেগে উঠেছে একজন লড়াকু যোদ্ধা - একজন গ্ল্যাডিয়েটর.

জয় বাংলা বাংলার জয়......।।

আজ শুক্রবার... জুম্মার দিন... সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমান আজকের এই দিনে নামাজ পরে থাকেন... শুনেছি শুক্রবারে নামাজের নাকি অনেক ফজিলত... আল্লাহ গুনাহ মাফ করেন, দোয়া কবুল করেন...

আমি আল্লাহর গোনাহগার বান্দা... নামাজ পরিনা বললেই চলে... কিন্তু এর জন্য খারাপ ও লাগে... আমি জানি আমি শাস্তি পাব... কিন্তু নামাজ না পরে, রোজা না রেখে এই পাপ আমি নিজের সাথে করেছি... অন্য কারো ক্ষতি তোঁ হয়নি এতে... আমি আল্লাহর কাছে গোনাহগার অন্য কারো কাছে নয়... আল্লাহ চাইলেই আমাদের মাফ করে দিতে পারেন...

কিন্তু আমি যদি আজকে খুন করি, ধর্ষণ করি, নির্বিচারে আগুন লাগিয়ে মানুষ পুড়ি তাহলে এই পাপ আমি করলাম সবার সাথে... অন্য মানুষের এতে ক্ষতি হল... সুতরাং এই গোনাহ এর মাফ নেই যতক্ষণ না আমি তাদের কাছে মাফ না চাচ্ছি যাদের ক্ষতি আমি করেছি... মাফ পাওয়া হয়তবা সম্ভব যদি আমি ৮-১০ জন এর সাথে এই পাপ করে থাকি...

চারটি লিরিক

........................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................

ব্লগর ব্লগর

১।

আমার স্পষ্ট মনে আছে আমি যখন ছোট তখন আমাদের গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম একবার। পাঁচ-ছয় বছর বয়সের স্মৃতি যতটা পরিষ্কার হওয়ার কথা তার থেকেও ভাল করে ওই বাড়িটির কথা আমার মনে আছে। বিশাল উঠান, শানবাঁধানো সিঁড়ি, আধাপাকা বড়সড় বাড়ি। সেটা ঘিরে আরো কিছু ঘর, বাসার সীমানার বাইরে সারি সারি সুপুরি গাছ। ডান দিকে একটা খেলারমাঠ, তার পাশে এক বিশাল বটগাছ। বাম দিকে প্রমত্তা যমুনা। বগুড়া জেলার একটি গ্রাম, নাম খাবুলিয়া।

ওই বাসাতে বেশীদিন থাকার ব্যাপারে আমার ঘোরতর আপত্তি ছিল, কারন, টিভি দেখা যেত না, ইলেক্ট্রিসিটি ছিল না বলে। টিভি না দেখে তো থাকা অসম্ভব। কতদিন পর ওখান থেকে বাড়িতে ফিরেছিলাম তা মনে নেই, কিন্তু এটা মনে আছে যে ওই জায়গায় আমি আর কখনই যেতে চাইতাম না।

এই বয়সে এসে আমার খুব ইচ্ছে করে আর মাত্র একটি বারের জন্য ওই জায়গাটাতে যাব। ছোট বেলায় কোন টান না থাকার পরও গ্রামটি আবছা আবছা আমার চোখে কেন ভাসে তা আমার দেখা খুব দরকার ছিল। কিন্তু বাড়িটা আর আমাদের নেই। রাক্ষুসী যমুনা শুধু বাড়িটা নয়, পুরো গ্রাম এবং এর আশেপাশের সবকিছু খেয়ে ফেলেছে। তাও অনেক দিন আগে।

২।

আমি বেচে আছি আমার সময়ে!

কাহিনী সেই একি। একটা বিরতির পর পোষ্ট লেখতে বসলাম। পোষ্ট লেখার হুজুগ ছিলো প্রতিদিনই কিন্তু মাতি নাই। কারন এই সব দিন লিপি দেখিতে দেখিতে একি কথা পড়িতে পড়িতে পাঠককুলকে আর কত বিরক্ত করিবো। তাই অতো পোষ্ট দেয়াকে উত্তম কিছু বলে মনে হলো না। ভাবলাম একটা গল্প লিখি কিন্তু গল্প কবিতায় অনেক খাটনি। এই দুধ চা খাওয়া মাথায় এতো কিছু কুলায় না। আর গারমেন্টসে হত্যা এতো এতো মরন দেখে কিছুটা ধার্মিক মাওলানায় রুপান্তরিত হয়েছে। ইদানিং রাস্তা পার হতে সিড়ি ভেঙ্গে নামতে সব কিছুতেই খালি এই ভয়ে থাকি। যদি এই মুহূর্তে চলে যাই তবে বাবা মার কি হইবে?

র‍্যাপিং এ মোড়ানো এক বাক্স বিপ্লব

এইতো বেশ!
মধ্যবিত্ত তরুণেরা ঘুরছে ফিরছে।
চা সিগারেট খাচ্ছে। আড্ডাবাজিতে মেতে উঠছে।
মৃদু খুনসুটি, ফোনকল,
হয়তো খানিক রঙীন নেশার আবেশ...
সবকিছুই ঠিকঠাক চলছে।
এরই মাঝে অনেকেই নেতা হয়ে উঠছে।
শরীর-বেশভুষায় নেতৃত্বের কিংবা বৈচিত্রের ছাপ,
শুধু মনটা শেষতক সামন্ত'ই থেকে যাচ্ছে।
বিপ্লব প্রয়োজন।
দেশের স্বার্থেই, তৃণমূল থেকে।
"বিকেলে প্রতিবাদ"
ব্যানার হাতে দাড়াতে হবে নির্দিষ্ট স্থানে,
মিছিল নিয়ে হাঁটতে হবে অতিপরিচিত রাস্তায়,
মেপে রাখা কদমের সংখ্যায়।
বন্ধুগোত্রীয় নেতৃবৃন্দ বা কমরেড সাথে নিয়ে।
রাত শেষে,

সবার হাতে রঙচঙে র‍্যাপিং এ মোড়ানো এক বাক্স বিপ্লব...

শুভমিতার চিঠি-৮

শুভমিতার চিঠি-৮
প্রিয় শুভমিতা,

মুক্তিযুদ্ধ এবং অতপরঃ

ঝিক্-ঝিক্...ঝিক্-ঝিক্...করে ট্রেন চলছে দৃশ্যমান গতিতে, আর আমার জীবন চলছে অদৃশ্যমান গতিতে। যে গতির গতিময়তা কখনো আমি উপলব্ধি করি না--করতে পারি না। ট্রেনের কামড়ায় বসে আধবোজা চোখে অনুপম সেনের ‘কল্পনা’ উপন্যাসের নায়কের নিজের মতামত পড়ছি। লেখকের প্রতিটি কথা সমুদ্রের ঢেউ এর মতো আন্দোলিত করে আমার মনে। জীবনের অনেক মিল রয়েছে স্বকল্প আর আমার ব্যর্থময় জীবনের প্রতিটি ধাপে ধাপে। ছত্রিশ বছরের জীবনে আজো বিয়ে করিনি। নীড়হারা পাখি সব হারিয়ে ক্লান্ত মনে যেমন করে ভাবে, তেমনি ভাবতে ভাবতে হঠাৎ শরীরটা ঝাকুনি দিয়ে উঠলো। ট্রেন থামছে কোন এক অচেনা ষ্টেশনে। জায়গাটির নাম মনে নেই। ট্রেন থামার সাথে সাথেই আরো তিন জন মানুষ একই কামড়ায় উঠল। তিন জনের মধ্যে একজন ৪০/৪৫ বছর বয়স্ক পুরুষ, এক জন ৩০/৩২ বছর বয়স্ক স্ত্রীলোক, আরেক জন ১০/১১ বছরের বালিকা।

শেষ চিঠির আগের চিঠি

প্রিয় আকাশী,
অনেক দিন পর তোমায় লিখছি। হয়তো বসে আছো প্রচন্ড ক্ষোভ নিয়ে। হয়তো দিচ্ছো গাল হারামজাদা শুয়োর বলে। হয়তো বা বসে আছো তীব্র আকাঙ্খা নিয়ে, বুকভরা ভালোবাসা নিয়ে আমার এই পত্রের প্রতিক্ষায়।
এখন আমি অনেক বড় হয়েছি। নিজের স্বিদ্ধান্ত নিজেই নিতে পারি । কক্ষনওই কার্টুনের মত লাফাই না। এখন ঘুরতে যেতেও ইচ্ছা করে না। ভুলেও তাকাই না পরস্ত্রী বা পরপ্রেমিকার পানে।
এখন আমি স্থীর , কোন পাগলামী নেই আচরনে। শুধু একটা অভ্যাস এখনও ধরে রেখেছি। নির্ঘুম রাত জাগি আগের মত। কিন্তু কথা বলতে বলতে রাত পার হয় না। আগে সাথী ছিলো মোবাইল ফোন, আর এখন একাকিত্ব।
আচ্ছা তুমি কি আগের মতই বানর হও?
দুইপাশে ঝুটি বাধো পুতুলের মত?
নাকি শীতে ঠোট ফেটে গেছে ?
তোমার মনে আছে যখন তুমি আমার সাথে বসে কথা বলতে, তখন আমি অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখতাম তোমার স্নিগ্ধ ঠোটের পানে। আর তুমি বলতে কি দেখ অমন করে?
আমি বলতাম তোমায় দেখি।
তুমি বলতে আমার কি রূপ জালাইছে নতুন করে ?
আমি বলতাম তোমায় তো আমার প্রতিদিনই নতুন লাগে ।
বলতে ঢং বাদ দাও।

ইন দ্য টাইম অব দ্য বাটারফ্লাইস

চার বোনের কথা বলি।
প্যাটরিয়া, দিদি, মিনার্ভা ও মারিয়া তেরেসা। ওদের বলা হয় মিরাবল সিসটার্স। জন্ম যথাক্রমে ১৯২৪, ১৯২৫, ১৯২৬ ও ১৯৩৫ সালে, ডমিনিক রিপাবলিকের সিরাস অঞ্চলে। বাবা এনরিক মিরাবল ও মা মারিয়া মেরসিডস রিয়েস।
মিনার্ভা ও মারিয়া বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত গিয়েছিলেন উচ্চশিক্ষার্থে।
ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রে তখন রাফায়েল ট্রুজিলার স্বৈরশাসন। মিরাবল বোনরা স্বৈরশাসক ট্রজিলোর বিরুদ্ধে নানা ধরনের আন্দোলনে সক্রিয় ছিল। বিশেষ করে মিনার্ভা ছিল বেশি সক্রিয়। ফলে কারাগারেও যেতে হয়েছিল মিরাবল বোনদের। ১৯৬০ সালের ২৫ নভেম্বর এই মিরাবল বোনদের বহনকারী মোটরগাড়ির দুর্ঘটনা ঘটে। বলা যায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাদের হত্যা করা হয়। বলাই বাহুল্য ট্রজিলা ছিলেন এই ঘটনার হোতা। তার নির্দেশেই হত্যাকান্ড ঘটনো হয়।
নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড ট্রজিলোবিরোধী আন্দোলনকে উস্কে দেয়। এর এক বছরের মধ্যে ট্রজিলাও আততায়ীর গুলিতে নিহত হয়েছিল।

রাধা যাবে অভিসারে

pbaaab245_radha_krishna_forest.jpg

সাঁজ নিয়েছি নীল ময়ূরের
ঘন নীল শাড়ি
কোমড়ে পড়েছি রূপালি বিছা
নাকে নাকছাপি।

মন মেতেছে কালো ভ্রমরে
সিঁদ কাটে দিনদুপুরে
চাঁদ তুমি দূরে পালাও
কেউ যদি দেখে ফেলে প্রানবন্ধুরে!

ঝেপে আস তাড়াতাড়ি যমকালো রাত্রী
সয় না আমার কোন দেরী
ঢেকে দাও ব্রজভূমি তোমার চাদরে
দেখা হবে মনের মানুষে গোপনে।

ঘরের প্রদীপ ঘরে রইল
টিমটিমে তাঁর আলো
মন পড়ে রয় চাঁদের পানে
বরন ঘন কালো।

স্বীয়ভালে থাকে যে জনা
চাঁদের আলো দেখেও দেখে না
তাঁর সনে দিলাম আড়ি
মনের মানুষই হয় রাধেঃস্বামী।

ছাড়তে পারি প্রাসাদের ছায়া
মন-মানুষের বড় মায়া
বাঁশরীর সুর মনকাড়া
জাদু করেছে সেই রাখালরাজা।

রাধা যাবে আজ অভিসারে
মিষ্টি চাঁদের সুবাসে
বহু দিনের ঘাসফুলের সাধ
শোভা দিবে নৃপতাজ।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ