অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ২০ জন অতিথি অনলাইন

টানাটানির এই সমাজ সংসারে!

পুরান কথা গুলাই নতুন করে বলতে হয়। ডিসের লাইন কেটে দিছে স্কাই ক্যাবল ট্রেডিং। শেখেরটেকের একমাত্র লাইন যাদের। তাই নেটে বসেই লাইভ খেলা দেখি। তাতে এমবি চলে যায় দেদারছে। কী আর করা মন তো মানে না। আশা ছিলো না জিতলেও ড্র হবে কিন্তু এসে পড়লো লজ্জাজনক পরাজয়। আমার স্কুল বন্ধু আবীর চিটাগাং থাকে। সে আমাকে ফোন করে বলেছিলো বেশী আবেগ্রাক্রান্ত হয়ে স্টেডিয়ামে যাস না কারন লাঞ্চের আগে যদি উইন্ডিজ আউট হয়ে যায় যদি বাংলাদেশ দুই আড়াই সেশন ব্যাট করতে হয় তবে হারবে বাংলাদেশ। আমি তার কথা শুনে বলছিলাম বাংলাদেশ নিয়ে তুই এতো নেগেটিভ কাল যদি জিতেও যায় তাও তুই বাংলাদেশের খারাপটাই খুজবি। আজ যখন ক্লাস শেষে আবীরকে ফোন দিলাম। সাধারণত কারো কথা ফলে গেলে খুব আনন্দ পায় আবীরের মনে আনন্দ নাই। বলতেছে তোদের কে নিয়ে কত ভালো ভালো কথা বলি একটাও ফলে না। অথচ বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে যখন যা বলি তাই লেগে যায়। এতো এতো মানুষের এতো আশা নিমিষেই তলিয়ে গেলো ভাবতেই মন খারাপ। আমি তো অবাক ভুতের মুখে রাম রাম। যাই হোক কী আর করা ৬০ টেষ্টের অর্ধেক ম্যাচই যারা ইনিংস ব্যাবধানে হারে তাদের নিয়ে এতো আশা করাও ঠিক না। যাই হোক খেলা ভালো লাগে। খেলা নিয়ে কথা বল

আমরা স্বপ্নে বাঁচি

প্রতিবার স্বপ্ন দেখায় সাকিব, তামিম, নাসিররা সে আশায় বুক বাঁধি আমরা ১৬ কোটি মানুষ । শুধু হাতে গোনা ২-১টা বলদের জন্য ১৬ কোটির স্বপ্ন ভঙ্গ আর একরাশ হতাশা । সবাই মন থেকে খেলে বা খেলার চেষ্টা করে, শুধু ওই বলদগুলার খেলা দেখলে মনেহয় ওদের চেষ্টা করার ন্যুনতম ইচ্ছাও নাই ।
ওদের এই বলদিয় ভুলের জন্য আর কত স্বপ্ন ভঙ্গ আর কত হতাশা ?
সাবাশ বাংলাদেশ এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়। হয়তো একদিন আসবে যখন বলদ মুক্ত বাংলাদেশ দল হবে, আর আমাদের ও সইতে হবেনা স্বপ্ন ভঙ্গের জ্বালা ।
সেদিন খুব বেশি দূরে নয়। আর যতই স্বপ্ন ভঙ্গ হোক আমরা স্বপ্ন দেখতে ভুলবো না । শেষ পর্যন্ত স্বপ্ন দেখেই যাবো । কারন আমরা যে স্বপ্নে বাঁচি ।

হারিয়ে পাওয়া

সেদিন সকাল থেকেই খুব ব্যাস্ত আমি । বেলা ১২টার দিকে বড় মেয়েটার স্কুল থেকে ফোন এল। আপনার মেয়ে পায়ে ব্যাথা পেয়েছে, সে সাইকেল চালাতে পারছে না। তাকে কি আমরা রিক্সায় তুলে দেব, নাকি আপনি কোন ব্যাবস্থা নিবেন? -- আমি আসছি, বলেই গাড়ি নিয়ে স্কুলে গেলাম। সেখান থেকে তাকে নিয়ে হাসপাতাল। হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করে রুগীর সবকাজ শেষে বাসায় ফিরলাম। আইস ব্যগ নিয়ে বসেছি পায়ে বরফের শ্যাক দিতে এমন সময় নীচ থেকে চিৎকার । দৌড়ে নিচে যেয়ে দেখি ছোটটার পায়ের চামরা ছিলে রক্তারক্তি কান্ড। তাকে বাগান থেকে নিয়ে এসে পা ধোয়ানো থেকে শুরু করে তার সম্পূর্ন শুশ্রাষা করে, তাকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। এবার আমার ফোন বেজে উঠল। জানের জান জানু জানালো সে এই মুহুর্তে সীমান্ত ট্রেন ধরে রাজশাহী যাবে, আমি যেন তার ব্যাগ গুছুয়ে দেই, সে আসছে। বাচ্চাগুলি যে আহত হয়েছে সে কথা বলারও ফুসরুত পেলাম না। ব্যাগ গুছিয়ে দিলাম । তিনি আসলেন ব্যাগ নিলেন, চলে গেলেন।

পিছুটানের একটি দিন.. (১৬ নভেম্বর ২০১২)

দৃশ্য-১:
সবুজ ঢিলেঢালা পোলো টিশার্ট পড়া একজন "লোক"। সাথে দুই "ভদ্রমহিলা"। তাদের দেখে প্রথম দৃষ্টিতে মনে হবে নির্ঘাৎ ব্যাংক বা কর্পোরেটের সেলস-এ চাকরি করেন। কারণ তাদের চোখ-মুখ পাথরের মতো থমথমে..ব্যতিক্রম শুধু গান শুরু হবার পর। ১৬ নভেম্বর ২০১২-তে আর্মি স্টেডিয়ামের কনসার্টের মঞ্চে যখনই ব্যান্ড তারকারা গাইছেন- তখনই তারা মাথা ঝাকিয়ে ঝাকিয়ে গান গাচ্ছেন। এবং পুরোটা গাচ্ছেন। সবগুলো গান গাইছেন। মনে হলো তাদের এভাবে ব্যান্ডের গাইতে দেখলে তাদের কলিগদের নিশ্চয়ই হার্টে এ্যাটাক হতো!!

দৃশ্য-২:

বোকা মানব এবং মানবীদের গল্প

বাসা থেকে বের হয়ে শাহবাগ মোড়ে এসে ছেলেটা ভাবছিল কোন বাসটা ধরলে ভাল হবে। যাবে গুলশান দুই। একটা Interview আছে তাই মোটামুটি ফিটফাট হয়ে বের হইছে।মানি ব্যাগের অবস্তা তেমনি যেমন একজন সদ্য পাশকরা নব্য চাকরিরত ব্যচেলর এর মাসের শেষে হয়।তাই এই গরমে এই ভীড়ের বাসে উঠলে ভাঙ্গাচুরা চেহারারে যাও একটু মেরামত করসিল তা যে আবার আগের রুপে ফিরে যাবে জেনেও সে নিরুপায়।বাসের অপেক্ষায় সাঁই সাঁই করে ছুটে যাওয়া লাল নীল গাড়ীগুলো দেখছিল সে আর উদাসী থেকে উদাসীতর হচ্ছিল।হঠাৎ নিজের উপর নিয়ন্ত্রন হারাল সে। ধুর কি হবে Interview দিয়ে। আর কয়টা টাকা বেশী হয়ত ৫ টার জায়গায় ১০ টা সিগারেট কিনতে পারা,মাসে দুইবারের জায়গায় ৪ বার আলো আঁধারীতে বসে অমৃত গলাধঃকরন করে নিজের সমস্ত দুঃখ,যন্ত্রনা,অসহায়ত্ত ভোলার বৃথা চেষ্টা।ব্যাস এর বেশী কিছুনা।ধুর!বাদ!

(পাঠক/পাঠিকা,কি বলবেন একে?দায়িত্তজ্ঞানহীন একটা পাগলের উল্টাপাল্টা চিন্তা আর কার্যকলাপ)।

সিদ্ধান্তটা নিয়ে সে খুশী মনে এইবার সে তাকাল আকাশের দিকে।মাথার উপর অবারিত মুক্ত নীল আকাশ।আকাশটা আজ অদ্ভুত নীল।

আমার বন্ধুর প্রেম ।

w

আমার কলেজ লাইফের ছোট্ট একটি ঘটনা বলছি । প্রথম কলেজে উঠার পর খালি গার্ল ফ্রেন্ড নিয়ে চিন্তা করত আমার এক বন্ধু । আমার যদি একটি গার্ল ফ্রেন্ড থাকত ।
এভাবেই দিন যাচ্ছিল একদিন আমার বন্ধু আমাকে বললঃ দোস্ত আমার একটি মেয়ে পছন্দ হয়েছে আমি বললাম কোন সেকশনের ? সে বলল তাতো জানিনা মনে হয় নতুন ভর্তি হয়েছে ।
আয় আমার সাথে । বলেই সে আমাকে বাংলা ডিপার্টমেনট এর সামনে নিয়ে গেল । আমি সেখানে আনুমানিক ২৪ কি ২৫ বয়সী একটি সুন্দরী মেয়েকে দেখতে পেলাম । সে বলল এটিই সেই মেয়েটি । আমি দেখে বললাম বলিস কি এই মেয়ে আবার কবে ভর্তি হয়েছে ? আর বয়সেতো মনে হচ্ছে আমাদের থেকে বেশ বড় । আর বাংলা ডিপার্টমেনট এ কি করে ? মনে হয় কোন টিচারের মেয়ে হবে ।
আমার বন্ধু বলল হতে পারে , কিন্তু মেয়েটি কি সুন্দর নয় ?
আমি বললাম হ্যাঁ দেখতে তো বেশ সুন্দর । কিন্তু মেয়েটি কোন সেকশনে ?
সে বলল এটা তো জানিনা । তিনদিন ধরে কলেজে দেখছি । তুই বল এখন কি করা যায় ।
আমি বললাম দেখ আগে মেয়েটির সাথে কথা বল বন্ধুত্ত করার চেষ্টা কর । এরপর দেখা যাবে কি করা যায় ।

ফিরে দেখা ৭১ - পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ (পর্ব - ১)

পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ

[প্রথমেই বলে নিচ্ছি এই সিরিজটা প্রায় পাঁচ বছর পূর্বে অন্য একটি ব্লগে দিয়েছিলাম, তবে এবার আরো বেশী তথ্য হাতে নিয়ে শুরু করলাম, তাই বেশ কিছু পর্বে খুব বেশি মিল থাকলেও পুরো সিরিজটা হুবুহু মিলবে না। নতুন অনেক তথ্য যোগ করার আশা রাখছি।]

পাকিস্তান শাসনামল (১৯৪৭ - ১৯৭১)

পাকিস্তান মুলত এমন একটি দেশ ছিলো যার দুই খন্ডের মানুষে মানুষে শুধুমাত্র ধর্ম ছাড়া আর কোনই মিল ছিল না। হাজার মাইলের দুরত্ত ছারাও তাদের মধ্যে ছিল অনেক অমিল। সংস্কৃতি, ভাষা, আচার-আচরন এমনকি অর্থনৈতিক ব্যবধান।

পূর্ব পাকিস্তানের জনগনের সাধীনতা আন্দোলনের সুত্রপাত মুলত ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই। পাকিস্থানিরা সেদিন আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে কিতে ছেয়েছিল যা এই অঞ্চলের মানুষ মেনে নেয়নি। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী পৃথিবীতে প্রথম কোন জাতি ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছিল।

[In 2001, UNESCO declared 21 February as International mother language day]

মিডিয়ার অনিশ্চয়তা আর অস্থিরতা

আমি একবার কোনো প্রতিষ্ঠান ছেড়ে দিলে সে প্রতিষ্ঠানে আর চাকরী করি না। এটা আমার নিজস্ব সিদ্ধান্ত। আমি মনে করি কোনও কিছু বা কাউকে বা কারো সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করার আগে ভাবা দরকার। হুট করে সম্পর্ক গড়া যায়, তবে খুব সহজে সম্পর্ক শেষ করা যায় না বা যাওয়া উচিৎ না। স্কয়ার ছাড়লাম। অ্যারোমেটিক ছাড়লাম। ছাড়লাম এসিআই। এরপর ছাড়লাম প্রথম আলো, ছাড়লাম ল্যাবএইড। বেকার জীবন কাটালাম কিছুদিন। তারপরও সাবেক কোম্পানি প্রধান বলা স্বত্তেও জয়েন করিনি। ওই যে বললাম, দ্বিতীয়বার কোনও কোম্পানিতে ফিরে যাওয়া আমার ইথিক্সে নেই।

আজকাল দেখি লোকজন আজ এই কোম্পানিতে তো কাল অন্য কোম্পানিতে। পরশু আবার আগের কোম্পানিতে। মনে হয়, এক কোম্পানির ভিজিটিং কার্ড ছাপা হওয়ার আগেই আরেক কোম্পানিতে বা অফিসে। অস্থির প্রজন্ম। পেশাদারিত্বের চেয়ে টাকা আর পদের গুরুত্ব এদের কাছে বেশি। ফলে অল্প বয়সে টাকা আর পদের ভারে এরা ন্যুজ হয়ে পড়ে। সব কিছুর একটা শেষ আছে। একটা সময় এই সব নন প্রফেশনালরা টাকা আর পদের সমন্বয় করতে পারেন না। ফলে দেখা দেয় হতাশা আর অস্থিরতা।

রূপকথা

আহা রাজকুমারী, তুমি জানো না -
এইখানে পক্ষীরাজ নাই।
তেপান্তর নাই।
ব্যাঙ্গমা নাই।
ব্যাঙ্গমি নাই।
জঙ্গল নাই।
সরোবর নাই।
কারো কোন প্রাণ ভ্রমরা নাই।
আহা রাজকুমারী -
দুপুর রোদে চুল শুকিয়োনা।
সোনাকাঠি-রুপোকাঠি পাশে রেখে ঘুমিও না।
এইখানে তোমার মুক্তির আশা নাই।

* কি মুশকিল! এত খাটাখাটনি করে দুই চরণ কাব্য প্রসব করলাম অথচ আমরা বন্ধুর নালায়েক সম্পাদক বলে ছাপাবেনা। Sad

১২ই নভেম্বর ১৯৭০--- একটি ছোট্ট ঘটনা

আজ ভয়াল ১২ই নভেম্বর। ১৯৭০সালের এই দিনে ঘটে যায় প্রয়লংকারী ঘূর্ণীঝড়। প্রায় ১০ লক্ষ লোক মারা যায় এই প্রাকৃতিক দূর্যোগে। কি ভয়াবহ সেই সময়। সেই ভয়াবহ সময় যাদের উপর দিয়ে বয়ে গেছে শুধু তারাই জানে কি দুঃসময় ছিল তা।

সেই সময়ের একটি ছোট্ট ঘটনা। ঢাকা মেডিকেল কলেজের কিছু তরুন ডাক্তার সেচ্ছাসেবী দল হিসাবে সাহায্যের জন্য গিয়েছিল সেই উপকূলিয় আঞ্চলে। সারাদিন নৌকায় করে এক চর থেকে অন্য চরে ঘুরাঘুরি করে তারা ক্লান্ত হয়ে রাতে সন্দ্বীপে আশ্রয় নেয়। রাতের খাওয়া শেষ করে বাইরে এসে দেখে যতদূর চোখ যায় শুধু লাশের সারি। বাতাসে পঁচা গন্ধ। চারদিক নিঝুম শুধু সাগরের গর্জন ছারা কোন শব্দ নেই। সোলায়মান ভাবলেন, লাশ গুলি একটু পরখ করে দেখা যাক। যা ভাবা তাই কাজ। সবাই নয় ৪৫জনের দলের মধ্যে অসীম সাহসী আটজন যুবক একটি মাত্র পাঁচ ব্যাটারীর টর্চলাইট হাতে নিয়ে কাজ শুরু করে দিল। অন্যান্যরা ক্লান্তি, ও অলৌকিক বস্তুর ভীতির কারনে যেতে অস্বিকার করে।

খুঁজে ফেরা

কাকে দেবো ভালোবাসা
কাকে দেবো এই উষ্ণতম চুমু?
ভেসে যায় জলের মত মায়াবি জোছনার রাত
উড়ে যায় হাওয়ায় হাওয়ায় রাত্রি প্রেমের সময়
তবু খুঁজে ফিরি এমন একজন
যাকে দেবো আমার সর্বস্ব বুভুক্ষু চুমু
পাঁজরের সবকটি হাঁড়, ভরা বর্ষা, চোখের জল।
প্রেমহীন এই শহরিক গ্রামে
আজ শ্যাওলা পড়ে দেয়ালে,
কিলবিল করে মাতাল চন্দ্র আলো
এমন এক স্বপ্ন সময়ে কাকে দেবো ভালোবাসা?
আমার নিখাদ ভরাট চুমু?
যদি মনের কাঁটায় পা না দিয়ে
জল না থাকে চোখে
যদি মন না নাচে প্রেমে!

টিভি দেখা না দেখা বাসি হয়ে যাওয়া ঈদের কথা!

এই পোষ্টটা কাল একবার লিখছিলাম। পোষ্ট যখন করবো ক্লিক দিলাম বলতেছে এক্সেস ডিনাইড। লেখাটাও উদাও। ভুলে গেছিলাম যে আমি দেড় ঘন্টা যাবত লিখতেছি ট্যাব খুলে দেখা উচিত ছিলো এখনো লগ ইন কিনা। এই সামান্য ভুলের জন্য কত বড় একটা বিপদে পড়লাম। দুই ঘন্টা যাবত লেখা একটা জিনিস এডিট করা শেষ কিন্তু পোষ্ট দিতে পারলাম না। পিসিতেই এই সব কাজ হয় মোবাইল দিয়ে লিখলে এই সব সমস্যা নাই। লেখা অটোমেটিক ড্রাফটে থাকে। যাই হোক দুঃখের কথা বলে লাভ কি? জীবনজুড়েই আমার এসব বোকামীর দন্ড গা সওয়া হয়ে গেছে। সমস্যা হলো আমি এমএস ওয়ার্ডে লিখি না ডাইরেক্ট ব্লগে লিখি তাই একটু কিছু হলেই লেখা উদাও।

অবিশ্লেষ্য জীবনধারা

হৃদয়ের একলা প্রান্তরে স্বপ্নের চিবুক ধরে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছি মহাকালের পথে । হয়তো পৌছুতে পৌছুতে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসবে । নি:স্তব্ধ আকাশের একমাত্র ধ্রুবতারাটি হয়তো আক্ষেপের দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকবে করুনা করবে ।
কথাগুলো ভাবতে ভাবতে অন্যমনস্ক হয়ে পথ চলছিলো শ্রাবণ । হঠাত একটি দামি গাড়ি প্রচন্ড শব্দে থামলো, ঠিক শ্রাবণের পায়ের কাছে। ঘটনার আকস্মিকতায় হুশ ফিরলো শ্রাবণের । তাকিয়ে দেখলো গাড়ীর জানালা দিয়ে ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে আছে দুটি চোখ। আর ঠিক তখনই চোখের ঠিক নীচ থেকে কর্কশ শব্দের আস্ফালন ওই মিয়া দেইখা চলতে পারেন না ? চোখের মাথা খাইছেন নাকি ?
সেদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে শ্রাবণ রাস্তা পারহয়ে মেট্রোতে ঢুকলো , এক্সেলেটর বেয়ে সোজা চারতলায়। গন্তব্য একদম কোনার টেবিল , যেখানে অপেক্ষা করছে ওর প্রানের প্রিয়তমা ।

ভুতুড়ে হাতের ছায়া

জাস্ট একটা হাত, শরীর নেই, মাথা নেই...
হঠাৎ নেমে এলো ব্যস্ত রাস্তার ব্যস্ততা এড়িয়ে...
যেখানে ধাতব প্রজাপতি স্থির হয়ে...
যেখানে ধাতব প্রজাপতি স্থির হয়ে,
স্থির চোখে গিলে ফেলে
কালো ধোঁয়া, শব্দ দুষণ আর মানুষের শরীর;
ঠিক সেখানেই...
আধো অন্ধকার ভেদ করে নেমে এলো
শুধু একটা হাত
শরীর নেই, মাথা নেই, পা নেই
শুধু একটা হাত
প্রজাপতির ডানা ঝাপটানোর মত নেমে এলো,
আর নিমেষের জাদুতে
অদৃশ্য হয়ে গেলো হাতে থাকা মুঠোফোনের শব্দময়তা
বিস্মিত, দুঃখিত এবং ভীত চোখে তাকিয়ে থাকা সঙ্গিনীর
বিবিধ দুঃস্বপ্নের অনুষঙ্গে যোগ হলো
ভুতুড়ে হাতের ছায়া...

ভালো বাসার আকাল পড়েছে

একটা ভালো বাসা খূঁজে হয়রান হয়ে যাচ্ছি গত দু’সপ্তাহ ধরে।এদিক হলে ওদিক হয় না।বাসার লোকেশন পছন্দ হলে বাসা পছন্দ হয় না।বাসা পছন্দ হলে গ্যাস সংযোগ থাকে না।গ্যাস সংযোগ থাকলে ভাড়া আকাশ ছোঁয়া।পানির সমস্যার কথা বিবেচনায় আনাই যায় না।কারণ কোনো বাসাতেই ২৪ ঘন্টা পানি দেয়ার ব্যবস্থা নেই।বেশির ভাগ বাসাতেই দু’বেলা পানি।আর যারা আরও আধুনিক তাদের একবেলা পানি।গত দু’সপ্তাহে ১২ টা বাসা দেখলাম।দুইটা মোটামুটি নেয়ার মতো পছন্দ হয়েছে।কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হলো একটা বাসাও নিতে পারিনি।দখিণের বারান্দা চাইনি।ঘরের দেয়ালে আকাশ রং চাইনি।চাইনি তেমন কোনো চাকচিক্য।তারপরও পাইনি।

দুই বেড রূমের একটা বাসার ভাড়া যখন ১৮ হাজার টাকা বলল,গ্যাস বিল,কারেন্ট বিল ছাড়া-আমার মনে হয়েছে আমার মাথার ভেতরে একটা চক্কর দিয়েছে।কেন যে বাসাটা পছন্দ হলো তা নিয়েই হা হুতাশ করছিলাম কিছুক্ষণ।
আর একটা বাসা-এক বেড,গ্যাস সংযোগ নাই,বারান্দা নাই,পানি একবেলা, ভাড়া ১২হাজার টাকা।এডভ্যান্স ৫০ হাজার টাকা।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ