‘ক্রিসেন্ট টাউন’- টরন্টোর বাংলাপাড়া
ইংরেজী ‘ক্রিসেন্ট’ শব্দটা উচ্চারিত হলেই প্রথম যে প্রতিমূর্তিটা চোখের সামনে ভেসে উঠে সেটি হচ্ছে ‘চাঁদ’। চান সুরুয নিয়ে গবেষনার ‘এস্ট্রনোমি’ থেকে তাই জানা যায়। আর প্রতীক বা চিত্রকলা তথা ‘আর্ট এন্ড সিম্বোলোজিম’ এ ক্রিসেন্ট হচ্ছে - আকৃতি। একটা বৃত্তকে দুটো ভাগ করে এক ভাগ সরিয়ে নিলে যে আকারটা ধারন করে সেটা হচ্ছে ‘ক্রিসেন্ট। বলা হয় ‘এস্ট্রোনোমি’ আসলে এখান থেকেই ক্রিসেন্ট শব্দটা ধার নিয়েছে।
আমরা বন্ধু ব্লগ সংকলন :ম্যুরাল
আমরা বন্ধু ব্লগের ব্লগারদের আগ্রহ, অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এই ব্লগের প্রথম সংকলন 'ম্যুরাল' এসেছে এবারের একুশে বইমেলায়। এই ব্লগেরই কয়েকজন মানুষের অক্লান্ত চেষ্টা, অফুরন্ত আবেগ-ভালোবাসা এবং ব্লগারদের ভালোবাসা, উৎসাহে 'ম্যুরাল' আলোর মুখ দেখলো। আমরা বন্ধু ব্লগের ব্লগারদের মুক্তগদ্য, গল্প ও মুক্তিযুক্ত বিষয়ক লেখা থেকে বাছাইকৃত লেখা নিয়ে 'এ বি প্রকাশনীর বই -ম্যুরাল' এর মোড়ক উন্মোচন হলো ১৬ ফ্রেব্রুয়ারী লিটল ম্যাগ চত্বরে। এখনো যারা 'ম্যুরাল' সংগ্রহ করেননি তারা বইটি সংগ্রহ করতে পারবেন একুশে বইমেলার লিটল ম্যাগ চত্বরে 'গল্পপত্র' ও 'কবিতা সংক্রান্তি' স্টল থেকে। বইটির মূল্য ২০০ টাকা।

শরীরে নতুন অফিস খুলেছি
অন্যান্য অঙ্গ প্রতঙ্গের সাথে যোগাযোগের জন্য
শরীরে নতুন অফিস খুলেছি
থাকছে একটা বার্তা বিভাগ আর জরুরী অবতরণ কেন্দ্র
প্রতিদিনের সকল স্পর্শ গুলোকে চুলচেরা বিচারে
রেখে দিচ্ছি নির্দিষ্ট দেরাজে
ফোনলাইন লাগেনি এখনও
ইন্টারনেটও আসবে শীঘ্রই - একটা স্বয়ংসম্পূর্ণ স্যাটেলাইট
আর ক'জন নতুন কর্মীও যোগ দেবে সহসা
যাদের রয়েছে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং নতুন গ্রাহকযন্ত্র
শব্দ তরঙ্গ থেকে অচিরেই পৃথক করে দেবে
প্রয়োজনীয় ভালোবাসাবাসি
বিভিন্ন মৃত শরীরে শাখা খুলবো বছর ঘুরলেই
একদম টাটকা বাণিজ্য - কবরে কবরে
চারদিকের শাখা প্রশাখায় পৌঁছে যাবে
আকাঙ্খিত সেবা - কেবল চটকদার বিজ্ঞাপনের জন্য
একজন বিনিয়োগ পার্টনার আবশ্যক
বন্ধুত্ব - যখন তখন
বন্ধুত্ব জিনিসটা একেবারেই হিসাব ছাড়া। কে, কখন, কিভাবে, কোন পরিস্থিতিতে নিছক পরিচিত থেকে প্রিয় বন্ধু হয়ে উঠবে তা আগে থেকে জানা অসম্ভব। আবার সময়ের সাথে সাথে একই বন্ধু বা বন্ধুতার ধরণ ও পালটে যায়। কিছু বন্ধু থাকে আত্মার খুব কাছে। যে কোন দুঃসময়ে এদের কথা সামার প্রথমে মনে আসে। কিছু বন্ধুত্ব অবস্থান ভিত্তিক - একসাথে ঘোরাঘুরি, আড্ডাবাজি টাইপ। আবার কিছু বন্ধুত্ব প্রয়োজনের তাগিদে। কিন্তু বন্ধুত্ব যেমনই হোক, নানা জীবন অভিজ্ঞতার সাথে তা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পালটে যায়।
সদ্য নারী মহলে ভীষণ জনপ্রিয় এক ব্যাচেলরকে স্বামী বানানো - এক বান্ধবীকে প্রশ্ন করলাম -
আচ্ছা তুমি কী ভাইয়াকে, অন্য ভাবী/ বান্ধবীদের সাথে গল্প করলে বকা দাও?
- অবশ্যই
এটা শুধু ছেলে- মেয়ে বন্ধুত্বের ক্ষেত্রেই নয়, সেইম সেক্স বন্ধুত্বের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
প্রমিত বাংলা ব্যকরণ আর ভাষিক আগ্রাসন বিষয়ে কয়েক প্যারাগ্রাফ
উচ্চারণকে চিহ্নে ধারণ করতে চাওয়া কিংবা শব্দের ভেতরে অনেকগুলো আলাদা উচ্চারণকে শনাক্ত করে সেসব আলাদা আলাদা উচ্চারণকে চিহ্নে ধারণ করা ভাষাবিকৃতি কিংবা ভাষার বিচ্যুতি রোধে অনেক বেশী কার্যকর হয়ে উঠেছিলো, ছাপাখানার আবিস্কার সেসব চিহ্নকে এক ধরণের স্থিরতা এনে দিয়েছে। বর্তমানের কম্পিউটার যুগে সেসব চিহ্নে নানা ধরণের শৈল্পিকতা এবং বাক্যের গুরুত্ব অনুযায়ী বিভিন্ন ফর্মায় সেসব সংবদ্ধ উচ্চারণচিহ্নকে সাজানোর সুবিধাটুকু এসেছে। কিন্তু যখন কোনো উচ্চারণের কোনো চিহ্নই ছিলো না তখন ভাষা কিভাবে প্রবাহিত হয়েছে ভবিষ্যতে?
কাব্য কহন
২৯ জানুয়ারী,২০১২ , সকাল ১০:০০ বাংলােদশ মেিডকেল কলেজ হাসপাতাল এর ৪র্থ তলার ওটি’র সামনে অস্থির পায়চারী, ব্লাড দেবার জন্য েডানার এবং স্বজনদের অপেক্ষা, কিছুক্ষণ পরই আমার ভাবীর কোলে দেখলাম আমাদের ছোট্ট বাবুটাকে। নিজেকে কেমন যেন বোকা বোকা লাগছিল ……… সামনের ছোট্ট শিশুটি আমাদের!!
বিক্ষিপ্ত চিন্তাভাবনা...
মাঝে মাঝে অনেক চিন্তা হঠাৎ আসে আবার হঠাৎ করেই হারিয়ে যায়। কৌতুহলের অনুভূতি গুলো জাগানোর পর মেমোরি ক্রেস। মনেই পরে না কি নিয়ে ভাবছিলাম যেন... ? আবার যে সব ভাবনা ধীরে ধীরে আসে, আস্তে আস্তে মাথায় জায়গা করে নেয়, সেগুলো বেশির ভাগই অনুর্বর চিন্তা। সে সব মাথায় থাকলেও প্রকাশ করতে সংকোচ হয়। কে না আবার কি ভাবে। অবশ্য এটা আমার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষন।
একুশ এলে
একুশ এলে গর্জে উঠি হটাত্ জাগা সিংহের মত ,
তারপর যে ডুবকি মারি গভীর জলের মত্স্য যত ।
বেড়ার ধারে শেয়াল ডাকে
শ্রী প্রহরী নাকটি ঢাকে
বাচ্চা মেরে পালিয়ে গেলে ঘেউ ঘেউ করি অবিরত ।
ছাল ছড়া লোম পড়া নেড়ি কুত্তা যত ।
ফাগুন এলে আগুন জ্ব্লে কলজে জুড়ে ,
আনত শির হটাত্ করে উঠতে চায় আকাশ ফুঁড়ে ।
কাকেরা সব ময়ুর সাজে
পূচ্ছে ময়ুরপালক গুঁজে
তুচ্ছ করে দু'দিন পড়ে ছুঁড়ে সে সব আস্তাকুঁড়ে ,
বীর শহীদদের আত্মারা সব দূর নীলিমায় গুমরে মরে ।
পাগলের দিনলিপি (দশ)
দূরে একটা পাহাড় ভয়ে কাঁপছিলো
বললাম, "পাহাড়টা আমার।"
দূরে একটা ঘুড়ি উড়ছিলো বিষণ্ন
বললাম, "ঘুড়িটা আমার ছিলো আগে।"
যেদিন আমিও উড়তে শিখেছি আকাশে
তারপর থেকেই ঘুড়ি উড়ানোর চাইতে
ভেসে যেতে ভালো লাগে এদিক-ওদিক
পাহাড় চূড়ায়, ঘুম নদী ঘেষে,
সমুদ্রের রোদেলা ফসফরাস ঢেউ ছুঁয়ে...
ঘুড়িটাও উড়ছিলো একলা, আমি তার পাশাপাশি
উড়ে দেখি পৃথিবীর সব ছোটলোকদের।
তারা পিপড়ার মতো ছোটাছুটি করে
ঘুড়িকে ঘিরেই তাদের ব্যস্ততা, লোভ
আর সুলভে নিজের করে নেয়ার চক্রান্ত।
ঘুড়িটা বিনয়ী চাহনীতে তাকায় আমার পানে
আমি এড়িয়ে যাওয়ার ভান করে তাকে ছেড়ে
চলে যাই সমুখে কোথাও, ঘুড়িরা তখনো
এতোদূর যেতে অনুমতি পায়নি আমাদের।
দূরের পাহাড়টা যেনো কাঁদছিলো
বললাম, "আমিও আগে সুযোগ পেলেই
কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছি হামেশা।"
ঘুড়িটা আবেগহীন যেতে থাকে
তার পিছু নেয় নিয়মের সুতা, মাঞ্জা দেয়া।
বললাম, "ঘুড়িটা আগে সুতোর বাঁধনে
সেদিনের সেই মেয়েটি
২০০১ সালে আমি উত্তরাতে একটা সাইবার ক্যাফে চালাতাম। তখন ঢাকা শহরে সাইবার ক্যাফে ছিল হাতে গোনা কয়েকটি। সেসব সাইবার ক্যাফেতে লোকজন ঘন্টা হিসাবে নেট ব্যবহার করত। প্রথমে আমরা শুরু করেছিলাম- ঘন্টা ৬০ টাকা হিসাবে। তবে যে কাউকেই ৩০ মিনিট কমপক্ষে ব্যবহার করতে হত। বা বলা চলে সর্বনিম্ন ব্যবহারকারীকে ৩০ টাকা দিতে হত। তারপর খুব দ্রুতই ঢাকা শহর ছেয়ে গেছে সাইবার ক্যাফেতে। সর্বশেষ ২০০২ সালে আমি যখন সাইবার ক্যাফে ছেড়ে দেই তখন ঘন্টা প্রতি ব্যবহার কারীকে দিতে হত ১৫ থেকে ২০ টাকা। সে সময়কার একদিনের ঘটনা মনে পড়ল আজ...
বিশ্বাস
হয়তো একটি মুহূর্তের স্কেচ এসব কিছুই, সে মুহূর্তে সবাই পরবাসী, গৃহের অন্তরালে, পলাতক জীবনযাপনে সবাই কোনো না কোনো পক্ষ বাছাইয়ের লড়াইয়ে বিভ্রান্ত হচ্ছিলেন, প্রতেকের ভেতরেই বিভিন্ন রকমের সংশয় ছিলো, কিন্তু দেয়ালে ঠেকে যাওয়া পিঠ আর সামনে আগুণ, দেয়াল ভেঙে পালিয়ে যাওয়া কিংবা আগুণে ঝাপিয়ে পড়ার এই ভাবনার দ্বৈরথে অনেকেই আগপাশ বিবেচনা না করেই আগুণে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন। আমি সে সময়ের পরের প্রজন্ম, আমার যাবতীয় রসদ আত্মজীবনির পাতা থেকে খুঁজে নেওয়া, এর সাথে ১৪ আনা কল্পনা মিশিয়ে একটি সময়ের ভাবনা লিখছি সে সময় আমার অপরিচিত এবং আমার বেড়ে ওঠা শৈশবের সাথে যে সময়ের কোনো মিলমিশ নেই।
------------------------------------------------------------------------------------------------------
-------------------------------------------------------------------------------------------------------
আর বইমেলা
সেদিন বই মেলায় গেলাম বড় সাধ নিয়ে, আড্ডাবো। সবাই প্রতিদিন কত কত আড্ডায়!!! আর আমি আড্ডাবো তো দূরে থাক ব্লগ বা খোমাখাতায় সে সব আড্ডা নিয়মিত দেখতেও পাই না। কারণ বাসার নেট কানেকশন কাট করা হইসে। আপুর বাসায় আসলে বা ক্যাম্পাসে ল্যাব থেকে একটু আধটু দেখি, বইমেলা কড়চা পড়ি, আফসোস করি।
যাই হোক মেলার কথা বলছিলাম।। আড্ডানির আশা নিয়া আমি আর সুমি আপু গেলাম মেলায়। নিজেরা প্রথমে একটু ঘুরাঘুরি আর কয়েকটা বই কিনে গেলাম লিটলম্যাগ চত্বরে। কিন্তু হায় কারো দেখা নাই। আমাকে কেউ না চিনলেও আমি তো মোটামুটি সবাইকে চিনি। চারদিকে খোঁজ দ্যা সার্চ দিয়ে দেখলাম, কেউ নাই। এরপর একদফা মোবাইলেও খোঁজ দ্যা সার্চ দিয়ে বুঝলাম কারো নম্বরও আমার কাছে নাই। এমনকি ম্যুরালও খুঁজে পেলাম না। তারপর আর কি, সুমি আপু একটু ঝাড়ি দিল কারণ তারও-
অনেক সাধ ছিল মনে,
আড্ডাবে সবার সনে।
শাহরুখ খান এবং প্রথম আলূর জনগনদ্রোহিতা ... (১৮+)
সকাল বেলা মুরগীর ডাকে ঘুম ভেঙ্গে শাহরুখ খানের।
পাশ ফিরেই গৌরির সাজ সজ্জা বহুল ঘুমন্ত মুখখানি দেখে ইচ্ছে হয় একটা চুমু খাওয়ার । বেড চা এর মতো বেড চুমু। কিন্তু পরক্ষনেই মনে হলো অধিকাংশ চুমুতো বেড-এই হয়। একটা মুচকি হাসির রেখা দেখা গেলো তার মুখে। হঠাৎ তার সকালের নতুন কর্তব্যের কথা মনে পড়ে যেতেই তড়িগড়ি করে উঠে যায় বিছানা থেকে।
![images[9].jpg](/sites/default/files/users/anamika/images%5B9%5D.jpg)
