অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

প্রেমের কবিতা

আমি ভালোবেসে শিশির নিরব পলিমাঠে
আয়েশে তোমার চুলে ছুঁয়ে ছুঁয়ে এই শীতঋতু
কাটিয়ে দিয়েছি।
চোখ নেই, নেই বুদ্ধিবৃত্তি
কেবল ঘ্রাণেরা রয়েছে অটুট আর
স্মৃতির কোষেরা ভরে যায়
নির্ঘ্রাণ অথবা নির্বেদ সংলাপে।

কখনোই পাশে থাকি নাই
আমি...আমি যেনো তোমাতেই থাকি।
গুম হয়ে যাক যতো ক্ষমতার লেহ্যপেয়ীরা
আমার ঠিকানা লেখা থাকে
নৈঃশব্দের ঘরে ঘরে, শব্দে
আরো শব্দে...চতুর্মাত্রা মেনে।

ধীরে ধীরে আমার পৃথিবী
আকার পেয়েছে।
আয়তক্ষেত্রের অবয়বে, পাঁচ
ফিট বাই সাত ফিট...
চিরায়ত ইংরেজ নিয়ম মেনে মেনে।

আমি স্থিতু হয়ে পড়ে রয়েছি তোমার বিছানায়
একান্তই অর্থনীতি বুঝে...কেবল শিশির হতে
শিখে গেছি বলে।

শিখে গেছি কিভাবে ঘ্রাণ নিতে হয়,
কিভাবে জড়িয়ে থাকা যায় চুলের সকল বাঁকে
বিলি কেটে কেটে;
কিভাবে কাটিয়ে দেয়া যায়
একটা জীবন...

বাকীটা জীবন।

ইওরোপের কোন এক খানে... (৩)

প্রত্যেকের জীবনই একেকটা আস্ত ভ্রমণ-কাহিনী। কিন্তু সেইটা আমরা হয়তো খেয়াল করি না।

'অপরাজেয় বাংলা'- একটি ছোটখাটো অসামান্য তথ্যচিত্র

2.jpg

'অপরাজেয় বাংলা' তিনজন মুক্তিযোদ্ধার এই ভাস্কর্যটি সম্ভবত বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত ভাস্কর্য। ফার্স্টএইড বাক্স হাতে সেবিকা, সময়ের প্রয়োজনে রাইফেল কাঁধে তুলে নেয়া গ্রীবা উঁচু করে ঋজু ভঙ্গিমায় গ্রামের টগবগে তরুন এবং দু'হাতে রাইফেল ধরা আরেক শহুরে মুক্তিযোদ্ধা।

আমরা বন্ধু

তোমরা আমরা
আমরা তোমরা
সবাই আমরা একসাথে
হেথায় সেথায়
সেথায় যেথায়
স্বপ্ন পাড়ি দেয় রাতে ,
যখন তখন
উড়ন পতন
ঘাসের বুকে শীতল প্রাতে
ফুলের ঘ্রাণের
প্রাণের গানের
সুরে মিলাই হাত হাতে ।

১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১

একাত্তরে এদিনে খুলনায় যৌথ বাহিনীর কাছে পাকিস্তানি বাহিনী আত্নসমর্পণ করে । প্রায় আট হাজার পাকিস্তানী সৈন্যের এই আত্নসমর্পণ অনুষ্ঠানে পতাকা উত্তোলন করেন ৯ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব.) জয়নাল আবেদীন ।[১]

যদিও নিয়াজীর সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী ‘দুর্গ’ যশোরের পতন ঘটে ৭ ডিসেম্বর।ভারতের ৯ম ডিভিশনের প্রথম কলামটি এক রক্তাক্ত যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে যশোর সেনাঞ্চলের দিকে অগ্রসর হয়ে দেখতে পায়, বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ ভর্তি সুরক্ষিত বাঙ্কার সম্পূর্ণ জনশূন্য। ২] আগেরদিনই পাক ৯ ডিভিশন (জেনারেল আনসারি) যশো্র ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেয় । [৩]

তোমার দুয়ার আজি খুলে গেছে সোনার মন্দিরে ...

"আজি বাংলাদেশে হৃদয় হতে
কখন আপনি
তুমি এই অপরূপ রূপে বাহির
হলে জননী
ওগো মা তোমায় দেখে দেখে আখি না ফেরে
তোমার দুয়ার আজি খুলে গেছে সোনার মন্দিরে"

বাংলাদেশের সব বন্ধুদের বিজয়ের শুভেচ্ছা।দেশের বাইরে থাকায় দিনটা কে নিয়ে কিছু করা না হলেও মন থেকে দেশকে অনেক অনুভব করি।মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে খন্ড রাজনীতি বন্ধ হোক বিজয়ের দিনে এই প্রত্যাশা করী।শুভ বিজয়।
গানের লিঙ্ক http://www.youtube.com/watch?v=Ciqsl5GcO54

ই-বুকঃ মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১, ডিসেম্বরের দিনগুলি / নুরুজ্জামান মানিক

ebook.jpg

বাঙ্গালীর ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। ডিসেম্বর আমাদের রক্তস্নাত বহু প্রতীক্ষিত বিজয়ের মাস। আর ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাঙ্গালীর হাজার বছরের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল দিন। শত সমালোচনা, শত দূর্বলতা, শত নেতিবাচক দিক থাকা স্বত্তেও এটা সূর্যের মতো দেদীপ্যমান যে, লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে এদিনই বাঙ্গালী সর্বপ্রথম যথার্থভাবেই বাংলাদেশের শাসনভার পরিচালনার পর্যায়ে উপণীত হয়েছিলো।

একাত্তরের ডিসেম্বরের সেই দিনগুলো ছিলো অত্যন্ত ঘটনাবহুল ও তাৎপর্যপূর্ন। নুরুজ্জামান মানিক এর লেখা সেইদিনগুলোর ঘটনা এবছর ডিসেম্বর মাসের প্রতিদিন “আমরা বন্ধু” ব্লগে সিরিজ আকারে প্রকাশিত হয়েছে। সেই সিরিজেরই সংকলন এই ই-বুক “মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১, ডিসেম্বরের দিনগুলি”

১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১

এদিন সকালে বিমানাক্রমণ বিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার কিছু আগে মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী জাতিসংঘের প্রতিনিধি জন কেলীর মাধ্যমে ভারতীয় সামরিক কর্তৃপক্ষকে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির সময়সীমা আরও ছ’ঘণ্টার জন্য বাড়িয়ে দিয়ে ভারতের একজন স্টাফ অফিসার পাঠানোর অনুরোধ জানান যাতে অস্ত্র সমর্পণের ব্যবস্থাদি স্থির করা সম্ভব হয়। এই বার্তা পাঠানোর কিছু আগে মেজর জেনারেল নাগরার বাহিনী কাদের সিদ্দিকী বাহিনীকে সঙ্গে করে মিরপুর ব্রীজে হাজির হন এবং সেখান থেকে নাগরা নিয়াজীকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। নিয়াজীর আত্মসমর্পণের ইচ্ছা ব্যক্ত হওয়ার পর সকাল ১০:৪০ মিনিটে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে নাগরার বাহিনী ঢাকা শহরে প্রবেশ করে। পাকিস্তানীদের আত্মসমর্পণের দলিল এবং সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাদি চূড়ান্ত করার জন্য ভারতীয় ইস্টার্ন কমান্ডের চীফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল জ্যেকব মধ্যাহ্নে ঢাকা এসে পৌঁছান। বিকেল চারটার আগেই ব

ইওরোপের কোন এক খানে... (২)

ফ্রান্স নিয়া কিছু প্যাঁচাল পারি। ব্রিটেনের পরে দুনিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্য ছিল ফ্রান্সের, ১৯৬০ পর্যন্ত প্রায় পৃথিবীর ৮% এর বেশী ভূমি তাগো নিয়ন্ত্রণে ছিল। এখনো ফ্রান্স এর মোট এলাকার প্রায় ২০% ইউরোপের বাইরে অবস্থিত - নানা অঞ্চলে সেগুলি ছড়াইয়া আছে।

ফরাসিরা পরিবার ও বন্ধুদের গালে চুমু দিয়া অভিবাদন জানায়, এমনকি পুরুষদের মধ্যেও, তয় এলাকা ভেদে চুমুর সংখ্যা বাড়ে-কমে। ডুরেক্সের সার্ভেতে বছর গড়ে ফরাসিরা সব চেয়ে বেশি মিলিত হয়। আবার ফরাসিরাই দুনিয়াতে মানসিক রোগের ঔষধের বৃহত্তম ভোক্তা, সেইটা তাগো মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ। ফ্রান্সে রাষ্ট্রপতি অনুমতি দিলে মরা মানুষের সাথে বিবাহ করাও সম্ভব!

বাংলাদেশ..

কত্ত ত্যাগের প্রাপ্তি তুমি,
স্বাধীন বাংলাদেশ..
রক্তে ভেজা সবুজ মাঝে,
বিজয় সুরের রেশ..

তোমায় নিয়ে স্বপ্ন কত,
রোজ দেখে যাই অবিরত..
দুঃখ ভোলার লগন শত,
সুখ ভরা দিন অনাগত..

তোমার লাগি প্রাণ বিলালো,
যত্ত বীরের দল..
শহীদ ওঁরা;
ওঁদের দোয়া-ই,
তোমার অসীম বল..

তোমার বুকের বাসিন্দা সব,
হাসবে যেদিন বেশ..
মিলবে সেদিন আসল বিজয়,
প্রিয় বাংলাদেশ..

[সব্বাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা.. Smile ]

আর কাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ উত্থাপন করা যাবে?

কাল উৎসবের আলো মলিন হবে না, সকালে থেকেই ব্যানারে-ফেস্টুনে-শোভাযাত্রামুখরিত ৪০তম বিজয় দিবসের উদযাপনে বিন্দুমাত্র মলিনতা থাকবে না। উৎসবের রং লাল-সবুজ, আর কাপড়ের সাথে সাথে হৃদয়ে লাল-সবুজ নিয়ে উৎসবের আমেজে বয়ে যাওয়া প্রাণে গতকাল সকালের সংবাদপত্রের বিষন্ন গল্পগুলো কোনো আদ্রতা আনবে না। বিভিন্ন মাপের-ছাটের ক্রোরপত্র, বিভিন্ন প্রবীন নবীন বুদ্ধিজীবীদের ভাবনার বুদ্বুদ আর বুদ্ধিজীবীয় আক্ষেপের ভার বহন করবে বাংলা বর্ণমালার ৫০টি অক্ষর।

আজও হেঁটে যাই সবুজের পথ ধরে, লাল সূর্য্যের দিকে।

পূর্বাচলে আজ উদিত যে-সূর্য, প্রতিদিনের হয়েও সে প্রতিদিনের নয়; তার রক্তিমতায় ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আমাদের মনে পড়বে; আকাশ যে-কোমলতায় আজ উদ্ভাসিত, একাত্তরের সম্ভ্রমহারা ১০ লাখ মা-বোন-জায়ার ক্রন্দন ধোয়া সে-উদ্ভাস; ভোরের যে-রাঙা আলোটি আজ স্পর্শ করেছে ভূমি, স্বদেশের সেই পবিত্র ভূমি ভিজে আছে বঙ্গবন্ধুর রক্তে, আর সেই রক্তস্রোতে মিশে আছে জাতীয় ৪ নেতা তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, কামরুজ্জামান ও মনসুর আলীর উষ্ণ শোণিত। দেন দরবার নয়, কারও দয়ার দানে নয়, সাগর-সমান রক্তের দামে বাংলাদেশ অর্জন করেছে স্বাধীনতা, রক্ত-সাগর পেরিয়ে বাঙালি জাতি পৌঁছেছে তার বিজয়ের সোনালি তোরণে।

তবু ওরা বাঁচতে চায়

ক্ষুধা রোগে শোকে যন্ত্রনা বুকে
অনাহারি কেঁদে মরে ধুকে ধুকে ।
দীনতার সাথে লড়ে যায় অসহায় -
তবু ওরা বাঁচতে চায় ।

সারাটা জীবন খেটে মরে তবু
কাটেনা দুঃখদুর্দশা কভু ।
রক্তপিয়াসী তবু খুন শুষে যায় ,
তবু ওরা বাঁচতে চায় ।

সাগরের নির্মম দেও দানা
বেদনার বালুচরে দেয় হানা ,
সব গ্রাস করে অভিশাপ রেখে যায় -
তবু ওরা বাঁচতে চায় ।

হাহাকারময় মনে সংশয় ।
বিধাতারে স্মরে ব্যাথা পরাজয়
সব ভুলে গিয়ে বুক বাঁধে আশায় -
তবু ওরা বাঁচতে চায় ।

আমি হয়তো দেশপ্রেমিক নই!

বছর ঘুরে আবার একটা দিন আসছে । ১৬ ই ডিসেম্বর ।
আমার কাছে এ দিনটা আর দশটা সাধারণ দিনের মতোই। সবাই কেনো জানি এই দিনটাকে বিজয় দিবস বলে। কিন্তু আমি বিজয়ের গন্ধ কোথাও খুঁজে পাইনা।

২৫ শে মার্চের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের পর ২৬ শে মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ২৭ শে মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র হতে জিয়াউর রাহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা । অতঃপর যুদ্ধ এবং ১৬ই ডিসেম্বর আমাদের স্বাধীনতা । আমার কাছে এই হলো স্বাধীনতার ইতিহাস ।
আমি বিজয়ের গুরুত্ব বুঝিনা। বুঝবোই বা কি করে?

১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭১

এদিনে মার্কিন ৭ম নৌবহরকে মোকাবিলা করবার জন্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ভারতীয় নৌবাহিনীর সমর্থনে সোভিয়েত রণতরীর ২০টি জাহাজ ভারত মহাসাগরে অবস্থান গ্রহণ করে। এরপর মার্কিন রণতরী ৭ম নৌবহর যুদ্ধে অংশ নেয়া থেকে নিজেদের গুটিয়ে ফেলে। পাকিস্তানের মনে যুদ্ধে সাহায্য পাবার যেটুকু আশা ছিল সেটাও এর সাথে শেষ হয়ে যায়।এদিকে,দেশের অধিকাংশ রণাঙ্গনে চলছিল মুক্তিকামী জনতার বিজয়োল্ল­াস। অসংখ্য নদীনালা, খালবিলসহ নানা প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে ইতোমধ্যে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী চারদিক থেকে ঘেরাও করে ফেলায় অবরুদ্ধ ঢাকা কার্যত অচল হয়ে পড়ে। ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় ক্রমাগতভাবে ভারতীয় মিগের একের পর এক বোমাবর্ষণ ও স্থল পথে মিত্রবাহিনীর আর্টিলারি আক্রমণে দখলদার বাহিনীতে চরম বিপর্যয় নেমে আসে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ