অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৬ জন অতিথি অনলাইন

যে দুর্ঘটনা অনেক দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়...

চট্টগ্রাম মীরেরসরাই দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ আক্ষরিক অর্থেই থমকে গেছে। ঘটমান নানা খবরের প্রবাহে কিছুদিন পর হয়তো আমরা এর কথা ভুলে যাবো; শুধু যে পরিবারগুলোর সন্তান নিহত বা আহত হয়েছে তারা বছরের পর বছর এই শোকের ভার বইতে থাকবে। ঘটনার জন্য প্রত্যক্ষভাবে দায়ী চালককে খোঁজা হচ্ছে; হয়তো তার শাস্তিও হবে। কিন্তু এই দুর্ঘটনার কারণে ইতোমধ্যে যেসব প্রশ্ন উঠেছে, সেগুলোর কি কোনো সুরাহা হবে?

মেঘবন্দী (২) ... আয় বৃষ্টি চলে - আমার এলোমেলো বৃষ্টিকথন / আনিকা

আয় বৃষ্টি চলে - আমার এলোমেলো বৃষ্টিকথন
আনিকা

''ছেলেবেলার বৃষ্টি মানেই যখন-তখন...
ছেলেবেলা মানেই অবাক বিশ্ব ভরা,
আয় বৃষ্টি চলে, সেই কিশোরীর কোলে,
গেরস্থালী ফেলে... কিচ্ছুটি না বলে।''

আমার ছোটবেলা......

আমি এখনও মিল খুজি আমার সেই ছোটবেলার সেই বাংলার সাথে এই বাংলার।যখন ছোট ছিলাম তখন আমি অনেক কলপনা প্রবন ছিলাম।একটা জিনিস পড়লে ওইটা নিয়ে অনেক কল্পনা করতাম।যেমন অ-তে অজগর ওই আসছে তেড়ে।কিন্তু তখনও আমার অজগর দেখা হয়নি।তখন কল্পনা করতাম অজগর টা কেমন দেখতে।এই পড়াগুলো পড়তাম আর মুগ্ধ হতাম।কি যে একটা আনন্দ অনূভুতি কাজ করত তা বলে বুঝান যাবেনা।তারপর যখন একটু বড় হলাম তখন পড়লাম....
ঐ দেখা যায় তালগাছ ঐ আমাদের গা
ঐ খানেতে বাস করে কানাবগির ছা.....
আর সেখানে যে ছবিটি দেয়া ছিল তা আপনাদের কি মনে আছে???
আমারও সঠিক মনে নাই,কিন্তু মনে হচ্ছে সেখানে দেয়া ছিল একটি মাঠের ছবি আর তার দূরে একটি তালগাছের ছবি,কল্পনা করে দেখুন আপনার সাথে মিলে কি না??
তখন ছবিগুলো দেখতাম আর চোখ বন্ধ করে কল্পনা করতাম আর আমার গ্রামের সাথে মিলাতা্ম......তখন মনে হত এটা আমার গ্রাম আর এই সবগুলো জায়গায় আমার বিচরন।

একটি সবজি কৌতুক!

আমার নাম মুক্ত, আমি একটি সবজি কৌতুক বলবো।
সবজি কৌতুক মানে, সবজি নিয়েই কৌতুক, অন্য কিছু মনে করার কোন কারণ নাই, কেউ কিছু মনে করলে/ কিছু বেশি বুঝলে সেইটা যার যার বিবেচনা এবং অবশ্যই শামুক- লোচনা! আমার কিছু করার নাই/ বলারও নাই!! কৌতুক আমি নিজে বানাই নাই, কোথাও থেকে নিশ্চয় মারা, কাজেই, এইখান থেকে মারছো, ঐখানে শুনছি বইলা কেউ কো- কো করবেন না!! আগে শুনলে অফ যান, না শুনলে পড়া শুরু করেন...

একদিন এক গোলগাল কমলালেবু মিনি স্কার্ট আর গেঞ্জি পড়ে বিকেলে পাড়া বেড়াইতে আসছে। তাই দেখে পাড়ার তুখোড় স্মার্ট কচি শসা চোখে সানগ্লাস লাগিয়ে চুলটা টেরি করে আঁচড়ে কমলালেবুর সাথে ভাব জমাইতে আসছে। Steve বেশ বেশ। গায়ে পড়া স্বভাবে ভাব জমানো, তারপর ভাব- ভালোবাসা, ভালো লাগা- প্রণয় এবং তারপর আর কি যা হয় Love ...

অহেতুক লিরিকের আনাগোনা

এক.
চৌকাঠ পেরোলে হয়তো পেয়ে যাবো শব্দের খোঁজ
কিন্তু আলসে আমার পা চলে নাই, ডানায় করেছে ভর
ক্লান্তি।

দুই.
শব্দের চে আলোকের গতিবেগ বেশি
কোনোকালে এই জ্ঞান পেয়েছিলো ব্যর্থ বালকেরা
তবু চোখের চে কান বেশি প্রখর হয়েছে দিনে দিনে
শব্দের নিকটে হেরে গেছে আলোর কারসাজি।

তিন.
বিনিদ্রার মন্ত্র পড়ে আমি পড়ে পড়ে ঘুম যাই
যদিওবা স্বপ্ন ছাড়া যেই ঘুম তারে মনে হয় মৃত্যু
অতএব আমি মরে পড়ে থাকি
শূন্যের ক্যান্টিনে...

চার.
শেষ হলে উঠে চলে যাবো
মনস্থির করে গ্যাট মেরে বসে থাকি।
আবার সন্তর্পণে চাই
কোনোদিন শেষ না হোক আমাদের ছেলেখেলা।

পাঁচ.
আমার সোনার ময়না পাখি
তুমি কোনদেশে চলে যাও
পৃথিবীর কোনো দেশে আমার ঘরবাড়ি নাই...

মেঘবন্দী (১) ... বৃষ্টি / মুক্তবয়ান

ব্লগে প্রকাশ হওয়া ইবুকের লেখাগুলি ক্রমান্বয়ে সবার সামনে উপস্থাপনের অনুরোধ ছিলো। আজ থেকে "মেঘবন্দী", আমাদের বৃষ্টি নিয়ে ই বুকের লেখাগুলি ব্লগে প্রকাশ করা শুরু হলো।

বৃষ্টি
মুক্ত বয়ান

ব

কেমন করে তুমি বয়ান করবে সকালের কথা

কেমন করে তুমি বয়ান করবে সকালের কথা
দুরের আকাশে যখন ঠুমরির তালে পাখি ডানা ঝাপটায়
অথবা থৈ থৈ জলের জারজ সন্তানেরা আওয়াজ তোলে নিধুর নৃত্য ধ’রে
কেমন করে তুমি বয়ান করবে শরতের আকাশে মেঘের পালের ভাসমান ভাষা?

কেমন করে পারা যায় অই সব নিরাবতার বয়ান করতে যেখানে আয়নাল হক ও হাল্লাজের আলখেল্লার যুগপৎ বসবাস।
তুমি দেখাতে পারো জলের নিঃশ্বাস থেকে বৃক্ষের আয়ুবর্ধক বৃদ্ধি
বেচে থাকার একমাত্র সুচক জোয়ার ভাটার আঠালো স্বভাব
কীভাবে তুমি বয়ান করতে পারো অঙ্কিত বিন্দুর সীমাবদ্ধতায় আমাদের ইতিহাস রচিত হলো।

বলো নিরুপমা, অনুরোধের আসরে কিভাবে বয়ান করবে ফুটন্ত ফুলের ঘ্রাণ
প্যারিসের বোতলজাত নিঃসঙ্গতা দিয়ে অঙ্গ ঢাকা রমনীয় পুরি
পুড়ে দিলো অক্ষরের ক্ষত;এরপর বাক্যের ঘরে যদি তুমি দেখ সাপ লুডুর খেলায় মত্ত কিছু তরুণ তরু
তাদের হারজিতে যেভাবে তৈরী হয় পরজীবী সেমিকোলন

বাড়ির কাছে আর্শিনগর

এক
মুকুলের বৌভাতে মাইজদী গিয়ে একটা ভুল ভাঙলো। সৈয়দ ওয়ালিউল্লার লাল সালু থেকে ধারণা ছিল শস্যের চেয়ে টুপি বেশি ওখানে। সেরকম চোখে পড়লনা। সাধারণ দশটা মফস্বল শহরের মতই। তবে যে বৃষ্টি পড়ছিল, লোকজন বাইরে ছিল কম। তত্ত্ব পুরাপুরি যাচাই করা যায় নাই।

দুই
এখনকার হরতাল আমার জন্য ভালো। রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকে। গাড়ি বাস পাওয়া যায়। তাড়াতাড়ি অফিসে যাওয়া যায়। কিন্তু দুইদিন হরতাল থাকলে একদিন অফিসে যাই না। ক্যামেরা নিয়ে বের হই। সেদিন গেলাম বছিলা।
aa

বন্ধুদের ফেসবুক স্ট্যাটাস

পোলাপাইনের ফেইস বুক স্ট্যাটাস দেখে ভাবি। কীসব আজব ধরণের স্ট্যাটাস যে দেয়! গতকাল এবং আজকে আমাদের দুই বন্ধু যেই স্ট্যাটাস দিসে- তা নিয়ে দুই চাইর কথা না বললেই নয়।
গতকাল বন্ধু নওরোজ ইমতিয়াজ স্ট্যাটাস দিলো-
ফারহানা আলম একজন লক্ষী মেয়ে...

তোমার সমীপে

পৃথিবীকে তোমাকে ভালবাসার যোগ্য করে যাবো
এই দিব্যি দিয়েই পৃথিবীতে আসা।

তোমাকে পেতে চাচ্ছিনা, বুঝতে চাচ্ছি
তাই কাছাকাছি যাবার চেষ্টা।

তোমাতে আবর্তীত হচ্ছে যে কুশিলব দিনরাত
তাদের প্রোফাইলটা জানতেই পিছু নেয়া, হিঙসেতে নয় ।

নদীর সংগে তোমাকে মেলাতে চাইনি মোটেও,
বরং নদীর বুকে দেখতে চেয়েছি তোমার প্রতিবিম্ব।

জানো পৃথিবী আজকাল বৃক্ষকে সতিন ভাবে
আর আকাশ ছুই দালানকে ভাবে সই।

মেঘের বিজলীতে নয় আতাশবাজিতেই তার মুগ্ধতা
রঙধনুতেও বিষন্ন নিরবতা।

বিষন্ন চোখে কর্কট মন নিয়ে তোমাকে কি ভালাবাসা যায়?
একটু সবুর করো, ওদের চোখে সূর্যমুখি ফোটাবো
তোমার বন্দনায় জ্বলবে সন্ধা প্রদীপ
তারপরই না হয় ফিরি, এই কয়টা দিন আমায় সয়ে যাও!

আদনানের সাথে ভন্ডামী বিষয়ক কচকচানি

ঘটনাটা পুরো আদনানকে নিয়েই। আদনান মানে সেই ছেলেটা তার সাহিত্য রচনার প্রবল রোগ কিংবা ঝোক আছে, কিন্তু আরও আছে নিজেকে শ্রেষ্ঠ ভাবার প্রবনতা। এরপরেও যদি কেউ তাকে চিনতে না পারেন তাহলে দুঃখিত, হয়তো আপনাদের না বলে অন্য কাউকে তার গল্প বলেছিলাম। যদিও আদনানকে নিয়ে যা বলতে চাইছি তা বুঝার জন্য অতীতের গল্প না জানলেও চলবে। আদনান আদনানই, প্রতি গল্পে সেই একই রকম নিত্য, মানসিকতায় শ্রেষ্ঠ ভাবার ভাবালুতায় আক্রান্ত।

আদনান নাম শুনলে যদি গাদুম-গুদুম ললি-পপ টাইপের কোন চেহারা মনে আসে তাহলে তা দুর করে দিন। এই আদনান লম্বা, কৃশ, মাথায় চুল ক্রমহ্রাসমান। সাথে ফর্সা তেকোনা মুখমন্ডল। চেহারায় শান্তির চেয়ে শ্রান্তির ছাপ বেশি, কারন সে সব সময় থাকে উত্তেজিত। সেটা নিজের চারপাশের অন্যায়-অসংলগ্নতার জন্য নাকি অবদমিত কামের বহিঃপ্রকাশ তা অবশ্য বুঝা মুশকিল।

মানুষের কাছে ঋণ, মানুষের জন্য ভালবাসা

মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য; একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারেনা?

ভুপেন হাজারিকার এই গানটা প্রথম শুনেছিলাম কোন একটা বাংলা ছবিতে।কিন্তু গানটা যে কত সত্য তা আমরা অনুভব করি প্রতিনিয়ত। তাই না চাইতেও দেখা যায় আমরা অনেক মানুষকে ভালবাসি এবং তাদের জন্য কিছু করতে অন্তর থেকে সাড়া পাই। আর এভাবেই জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আমরা মানুষেরা একে অপরের ঋণ শোধ করে যাই।কিন্তু মানুষের কাছে যে ঋণ তা কি শেষ হবার? কিছু কিছু মুহুর্তে কিছু কিছু মানুষের কাজ অন্য আরেক মানুষকে আজন্মের জন্য ঋণী করে দেয়।শুধু অন্তর থেকে বয়ে আসা পবিত্র শ্রদ্ধায় এসব মানুষকে প্রতিনিয়ত স্মরন করে যাই আমরা। কারন কোন কিছুতেই যে এ ঋণ শোধ হবার নয়।

নিসর্গের বুক চিরে ছুটে চলেছি

বর্ষার কি এক গূঢ় মন্ত্র আছে―ঘোর লাগা প্রকৃতির পরতে পরতে শিহরণ বুনে রাখে!

হাল আমলের কবি এবং একজন মূর্খ

[আমার এক কবিবন্ধুর লেখা থেকে যে নিজেকে কবি/ লেখক বলে মানতে চান না । নিজেকে একজন পাঠক ছাড়া অন্য কিছু মনে করেন না । যে কারণে লেখকের নামটা দেয়া গেল না ।]

আমার কবি বন্ধু নুরুল ইসলাম ঠাকুর নুরু। রবি ঠাকুরের পর আর এক ঠাকুর- ভিষণ কবি; জীবনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে তার কাব্যিক মহিমা। ডেকে বললেন- ওরে অর্বাচিন! কিছু তো শিখলি নে- যা ছিলি তাই রইলি- মূর্খ।

প্রবাসী বাঙালনামা

ব্লগ না থাকলে এত পদের মানুষ দেখা হতো না। বাংলা ব্লগ মানুষ এবং মানুষের ভন্ডামী প্রকাশের সবচেয়ে সাবলীল মাধ্যম। মানুষের নিজস্ব সীমাবদ্ধতা আছে, ক্ষুদ্রতা আছে কিন্তু হাতে কিবোর্ড আর ব্লগে লেখার এক্সেস থাকলে এরা সবাই মহাপুরুষের খোলস লাগিয়ে কিবোর্ড হাতায়।
লেখা যে অর্থে চরিত্র নির্মাণ, সুতরাং কিবোর্ড হাতে নিয়ে সবাই নিজের সৎ চরিত্র নির্মাণের বিভিন্ন প্রচেষ্টা করতে থাকে, এবং কয়েকদিন পরে এরা আবশ্যিক ভাবেই ধর্মপ্রচারে লিপ্ত হয়, তাদের ব্যক্তিগত ভালো লাগা মন্দ লাগাকে সামষ্টিক ভালো লাগা মন্দ লাগায় পর্যবসিত না করা পর্যন্ত এর বিরাম নেই।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ