অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৯ জন অতিথি অনলাইন

খেলা দেখুন বিশ্বকাপে, ঝড় তুলুন চায়ের কাপে! ৫

নিউজিল্যান্ড বনাম স্লোভাকিয়া

ক্লিপ্টোম্যানিয়াকের ঘাম

সুলেমান বৈসা বৈসা মজাটা দেখতাছে। লোকটা বেশ অনেক্ষন হৈছে ঢুকছে দোকানে, কিন্তু উল্টাপাল্টা করছে বলতে গেলে খুবই কম, তাই ধরাটা সহজ হবেনা। কিন্তু সুলেমানের এত বছরের সুনামের কাছেই লোকটা ধরা খাইয়া যাবে নিশ্চিৎ।
নয়তো লোকটা মনে হয় পাকা খেলোয়াড়ই ছিলো...
আজকে ইঁন্দুর-বিলাই খেলাটা ভালোই জমবে বুঝা যায়, ভাবে সুলেমান।

বিশ্বকাপ শর্টনোট (৩)

জাপানের বিশ্বকাপে খেলার ইতিহাস খুব সংক্ষিপ্ত, ১৯৯৮ সাল থেকে বারো বছর হলো মাত্র। এরমধ্যে এবারের দলটির মতো এত বাজে দল আগে কখনও চোখে পড়েনি। তারওপর দল ঘোষিত হবার পর চারটা প্রস্তুতি ম্যাচের সবগুলোতেই হেরে বসে আছে -- এই দল নিয়ে লোকের তেমন আশা ছিলোনা। একেই মনে হয় "লীলাখেলা" বলে। "যতোই হোক, পাঁচটার বেশী তো খাবেনা!" -- এরকম একটা সান্ত্বণা দিয়ে দেখতে বসেছিলাম খেলা। আমার মতে জাপানের জয়টা এই বিশ্বকাপের প্রথম

আষাঢ় মাসে আসেন আষাঢ়ে গপ্পো করি।

আষাঢ় মাস আরম্ভ হলো আজ, যদিও বৃষ্টির দেখা নাই। বৃষ্টি আসুক আর নাই আসুক আজ বর্ষা Puzzled

তা আষাঢ় মাসে আষাঢ়ে গপ্পো না করলে কি জমে নাকি !!! চলেন সবাই মিলে আষাঢ়ে গপ্পো শুরু করি। আমি শুরু টা করলাম, পরের অংশ যোগ করার দায়িত্ব বাকী সবার। সবার লেখা পর্যায়ক্রমে যোগ করে হবে গপ্পো।

`````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````

আমার মেয়েরা, আমার মায়েরা-২

আপনেরা যে যাই কন, আমি প্রতিমাসে আমার মামণিদের একটা করে ছবি ব্লগ দিয়ে আপ্নাগোরে জ্বালামুই। আমরা বন্ধুর সাথে আমার মেয়েরাও চাঁদের মতো করে বাড়তে থাকুক। হৃষ্টপুষ্ট হোক একঝাঁক হৃদয়বাণ মানুষের আন্তরিক শুভকামনা আর ভালোবাসায়। আমি দিনরাত একজোড়া ছোট্টপরী নিয়ে যে স্বপ্নের মতো দিন কাটিয়ে যাচ্ছি তা ভাগ করে নিচ্ছি প্রিয় বন্ধুদের সাথেও। ছবি দিয়ে আপনাদের জ্বালাতন করলেও বাচ্চাপালার বিষয়ে কোনো টিপস লাগলে আমারে জিগান

অহনার অজানা যাত্রা (ছয়)

এক দেড় সপ্তাহ সাইকেল নিয়ে কোস্তাকুস্তি ধস্তাধ্বস্তি, সাইকেল থেকে পরে হাত পা থ্যাতলানো শেষ করে অহনা সাইকেল মোটামুটি আয়ত্ব করে ফেললো। সাইকেল শিখে ফেলা তাকে এক ধরনের স্বাধীনতা এনে দিলো। বৃষ্টি না থাকলে ঝকঝকে রোদে সে প্রায়ই তার পছন্দমতো ড্রেসআপ করে সানগ্লাস চোখে কখনো কখনো মাথায় ম্যাচিং কিংবা স্পোর্টস টুপি পরে তার সেকেন্ডহ্যান্ড পঙ্খীরাজ নিয়ে এদিকে সেদিকে মনের আনন্দে ঘুরতে লাগলো। সাইকেল হল্যান্ডের প্রধান বাহন। পুরো হল্যান্ডে সাইকেল চালানোর জন্য আলাদা রাস্তা আছে, লাল রঙের কার্পেটিং করা। যেগুলো রিঙ রোড (শহরের প্রধান সড়ক) সেখানে সাইকেল চালকদের জন্য রোডের সাইড থেকে সাইকেল চিহ্ন দিয়ে রাস্তা নির্দিষ্ট করে দেয়া আছে। অনেক বেপোরোয়া না হলে এক্সিডেন্ট হওয়ার সুযোগ খুব কম। আর এক্সিডেন্ট হলেও একশত বারের মধ্যে নিরানব্বই বার সময় দোষী হন গাড়ি চালক। নেদারল্যান্ডসের গঠনই দুর্বলকে রক্ষা করা তাই যে পরিস্থিতিই হোক ন

এক নবজাতকের জন্য নাম আবশ্যক

ছোটবেলায় বাবার কাছে অনেক গল্প শুনেছি। অনেক গল্পের মধ্যে সবচেয়ে বেশী শুনেছি টোনাটুনির গল্প। এক দেশে ছিলো এক টোনা, আর এক টুনি। টোনা বললো "টুনি পিঠা খাব.............."।

খেলা দেখুন বিশ্বকাপে, ঝড় তুলুন চায়ের কাপে! ৪

নেদারল্যান্ড বনাম ডেনমার্ক

প্রকাশিত হল ফুটবল উৎসবে ইপুস্তক : ফুটবলানন্দ

footbalanondo.jpg

লাল মনিরহাটের প্রথম যুদ্ধ

মুক্তিযুদ্ধ বাংলার মানুষের এক অহংকার।আমরা আমাদের অস্তিত্বের সাথে এক রকম মিশিয়ে দিতে চাই মুক্তিযুদ্ধকে-যেন স্মৃতিতে অটুট থাকে তাদের কথা যাদের আত্মত্যাগের কারনে আজ আমরা লাল সবুজের এই পতাকা নিয়ে নির্বিবাদে হেটে চলি, যাদের কারনে বলতে পারি আমার একটা দেশ নাম বাংলাদেশ।সে সব মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা আমার সারা জীবনের যাদের কারণে আমরা এদেশের সবকিছু আমাদের বলতে পারি।আর মুক্তিযুদ্ধ শুধুই একটা যুদ্ধ নয়।এটা এক অন

বিশ্বকাপ শর্টনোট (২)

জাপানীরা জার্মানদের সম্পর্কে একটা টার্ম ব্যবহার করা হয়, "গেরমান-দামাশি", যেটার অর্থ ইংরেজীতে দাঁড়ায় জার্মান-হার্ট বা জার্মান-সোল; বাংলায় বলা যায়, জার্মান-বুকের-পাটা। এই জার্মান-দামাশির যে বৈশিষ্ট্যটায় জাপানীরা মুগ্ধ সেটা হলো, "কোন অবস্থাতেই হাল না ছাড়া।" অবশ্য গতকালের ম্যাচে হাল ছাড়া বা না ছাড়ার কোন পরিস্থিতি হয়নি। তারপরও প্রসঙ্গটা টানি, বিশ্বকাপে সবচাইতে দৃঢ় এ্যাটিচিউড নিয়ে খেলে জার্মানী। সেটার প

ফুটবল ফুটবল দুরন্ত ফুটবল (২)

বিরাশি'র বিশ্বকাপের সময় আমি নিতান্ত'ই বালক আর ছিয়াশি সালে উত্তুঙ্গ কিশোর। বিরাশিতে আমার সুনির্দিষ্ট দলের প্রতি সমর্থন ছিলো না আর ছিয়াশিতে জার্মানি-জার্মানি বইলা আমি গলা কাঁপাই। এই পছন্দের বিষয়টা আমি অকপট কইতে পারি অন্যগো চাইতে আলাদা হওনের চেষ্টা থেইকা হইছিলো। বাঙালিরা তখন আর্জেন্টিনা ব্রাজিল শিবিরে বিভক্ত হইয়া গেছে অলরেডি। মধ্যবিত্ত শহুইরা হিসাবে পপ্যুলার চয়েসের বিরোধী হওনের যেই ভন্ডামির স্বভাব আত

মধ্যবিত্তের ছবি "দহণ"

মধ্যবিত্ত সমাজ যুদ্ধ করে বাস্তবতার সঙ্গে। পৃথিবীর সমস্ত কঠিন বাস্তবতা যেন তাদের ঘিরেই তৈরী হয়। এক অদৃশ্য দেয়াল ঘিরে থাকে তাদের। তারা না পারে হার মানতে না পারে জয়ী হতে। মধ্যবিত্তরা রয়ে যায় হার-জিতের ঠিক মাঝখানটাতে। ভাগ্য যেন তাদের জালের মধ্যেই রেখে দেয়। এমনই বাস্তবতার; বলতে হয় ঢাকার মধ্যবিত্তদের এমনই টানাপড়নের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে শেখ নিয়ামত আলী রচিত এবং পরিচালিত “দহণ” ছবিটিতে।

খেলা দেখুন বিশ্বকাপে, ঝড় তুলুন চায়ের কাপে! ৩

আজ সরাসরি আলোচনায় চলে যাই।

আলজেরিয়া বনাম স্লোভেনিয়া:

বিশ্বকাপ শর্টনোট

বলপায়ে মেসির দ্রুতগতির দৌড়টা খুবই উপভোগ্য। কিন্তু এখানে একটা বড় সমস্যা আছে। বলপায়ে তার দৌড়ের ডিরেকশনটা প্রায়ই মাঠের প্রস্থ বরাবর হয়, যেদিকে ফাঁকা পাওয়া যায় সেদিকে দৌড়ানোর একটা টেন্ডেন্সী তার আছে। সেজন্য সাথে সাথে মার্ক করে দৌড়াতে থাকা ডিফেন্ডারও তাকে চার্জ করেনা, গার্ডে রাখে শুধু, শেষ "মাইর"টা না দিতে দিলেই তো হয়!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ