অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

বিব্রত দৌড়ের বিবৃতি (১৯৯৪-১৯৯৯)

৯৪ এ ইরান থেকে ফেরার পর দৌড়াদুড়িতে খানিক বিশ্রাম মিলল । লোকমুখে শোনা , বিশ্রাম পেলে মৃদুহাস্য বদনমন্ডলে ছড়িয়ে পড়ে , কিন্তু ইরানের মুক্ত প্রান্তর ছেড়ে আসা ঢাকার কংক্রিট আমার মত ১০ বছরের বালককে অষ্টপ্রহর নিরুদ্ধনিঃশ্বাস করে তুলল।

আসল ইডিয়টের সন্ধানে...

মুন্না ভাই এমবিবিএস কিংবা লাগে রাহো মুন্না ভাইয়ের মতো জনপ্রিয় ব্যঙ্গাত্মক হাসির সিনেমা নির্মাণের মধ্য দিয়ে রাজকুমার হিরানী উপমহাদেশীয় ছবির জগতে উল্লেখযোগ্য চিত্র পরিচালক হিসাবে আগেই নজর কেড়েছিলেন। থ্রি ইডিয়ট্স নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছিলো ছবির মহরত অনুষ্ঠানের ঘোষণা থেকেই। ভারতের অভিনয় জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র আমির খানের উপস্থিতি এসব আলোচনার প্রধান হয়ে উঠেছিলো। তার শেষদিককার একটি ছবি তারে জমিন পার আসলে দ

একটি উত্তরাধুনিক ছোট গল্প

১.
উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট জানার জন্য ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব চষে বেড়াই। টানা কয়েক ঘন্টার চেষ্টার পর ঠিকুজি মিলে। অবশ্য ভাগ্যের সহায়তাও ছিলো তাতে! দৈবচয়ন পদ্ধতিতে ডাটাবেজ চেক করতে করতে কয়েক লক্ষ এন্ট্রির মধ্যে এক সময় মিলে যায়। আশানুরূপ রেজাল্টই। জিপিএ-৫।

২.

ছবি ব্লগ :: বৃষ্টি

এবারের সামারটা একটু অন্যরকম মনে হল। অন্যবারের চেয়ে বৃষ্টির পরিমান তুলনা মূলক ভাবে বেশী। প্রায়ই হালকা পাতলা বৃষ্টি হয় আর মাঝে মধ্যে তুফান ( আমার কাছে নিতান্তই জোরে বাতাস বই কিছু না )। বৃষ্টির সাথে মনে হয় আমার একটু আলাদা যোগসুত্র আছে। এখানে বৃষ্টি শুরু হলে দেশের বৃষ্টিকে মিস করা শুরু করি আর মনটা একটু নস্টালজিক হয়ে যায়। মনে পরে দেশে বৃষ্টি শুরু হলে আমাকে আর ঘরে আটকে রাখা যেত না। ছোট বেলায় বাসার পাশের

ফটোব্লগ টিউটোরিয়াল

পোষ্টে ইমেজ/ ছবি যুক্ত করা।

পোষ্ট লেখার সময় পাতার নিচের দিকে খেয়াল করুন Image uploads লিংকটি দেখা যাচ্ছে। সেখানে ক্লিক করলে নিন্মরূপ ভিউ এক্সপান্ড হবে।
01
এখন আপনি Brows বোতামে চেপে আপনার পছন্দ মত ইমেজটি সিলেক্ট করে আপলোড বোতাম চাপুন। ছবিটি আপলোড হয়ে যেগে নিচের ভিউ আসবে।

ছোটগল্প :যুবকের মাতার ঘরে আগুন লেগেছিলো !


(অন্যরকম এক ভালোবাসাহীনতার গল্প)


এক

কাওছার নামের আধুনিক সংস্করণ কায়সার, এবং অতঃপর শ্রুতি মাধুর্যতা বৃদ্ধি
করণ কিম্বা আরো খানিকটা স্মার্ট আকার ধারণ করার 'নিমিত্তে' কায়সার নামটি
'কায়েস'-এ পরিণত হয়ে গেলে, এ নামের সত্ত্বাধিকারী যুবকটি যখন তার ২৪ বছর

আজ তবে প্রেম করা যাক

চলো, আজ তবে খানিকটা সময় প্রেম করা যাক
এই অমৃত-ঝরা ফাল্গুনের পথে
হাতটি বাড়াও, চলো আজ ফিরে যাই বহু বহু দূরে
গেরস্থালির খুনসুটি আজ থাক

বহুদিন ভোরের সূর্য দেখি না, দেখি না প্রেমাস্পদ চাঁদ
অভিমানে হেঁটে গেছে গন্ধমুখর হাসনাহেনার রাত সুগোপনে
ভুলে গেছি ওষ্ঠের স্বাদ

জীবন ফুরালো কখন? খেয়ালও করি নি মরে গেছে যৌবন-তুফান।

এমন চিঠি পেতে কার না ভালো লাগে ?

বন্ধু, বন্ধুতা, সিদ্ধান্তহীনতা, অমিমাংশিত সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয় নিয়ে
কোনো এক বালিকাকে লেখা জনৈক বালকের চিঠির চুম্বকাংশ...

ke ba shone katha kar?

Kamon achen shabai? porichito hote elam, banglata parchi na, monta aku paku korche, eyi andho ke ki ektu hat dhore hat te shahajjo korben? eyi je shunchen, acken kew?

একটা গল্প.....(ভালবাসা দিবসে পোষ্টনোই যুক্তিযুক্ত)।

কথাসঙ্গীর বিহনে
মামুন ম. আজিজ

এমন যে হবে কখনও কি ভাবতে পেরেছে তরুন।
বালিশের পাশ থেকে মোবাইলটা হাতে নিয়ে দেখল রাত তিনটে। দুই ঘন্টা ধরে তীব্র যন্ত্রনা সহ্য করে শুয়ে আছে। এটা দ্বিতীয় প্রচেষ্টা। এর আগে একবার চেষ্টা করে বিফল হয়েছে ঘুমানোর।

১৪ ফেব্রুয়ারি : যে ইতিহাস আমরা ভুলতে বসেছি

১৪ই ফেব্রুয়ারী ১৯৮৩:
কলা ভবন থেকে শিক্ষা ভবন অভিমুখে ছাত্রদের মিছিল... স্লোগানে মিছিলে উত্তাল বিশ্ববিদ্যালয়... সামরিক শাষন মানিনা... মজিদ খানের শিক্ষানীতি বাতিল কর... করতে হবে... হঠাৎ করেই গুলিতে প্রকম্পিত চারিদিক... মিছিলে পুলিশে ট্রাক তুলে দিয়ে শুরু হয় বর্বরতার এক ভয়াল নিদর্শন। স্বৈরশাসক জেনারেল এরশাদের হিংস্র পুলিশ বাহিনির উন্মত্ততায় একে এক লুটিয়ে পরে জাফর, জয়নাল, দিপালী সাহা। আহতদের আহাজারীত হাসপাতাল গুলোতে তৈরী হয় এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের... কলাভবনেও গুলি টিয়ার সেলের আঘাতে ছাত্র-ছাত্রীদের উপর নৃশংস হামলা। গ্রেফতার হাজার হাজার ছাত্র-জনতা। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা.. কারফিউ জারি। ১৫ই ফেব্রুয়ারী সারাদেশে হরতাল। ওইদিন পুলিশের গুলতে জবি ছাত্র আইয়ুব ও কাঞ্চন। বছর দুই পর এই মধ্য ফেব্রুয়ারীতেই হত্যা করা হয় রাউফুন বসুনিয়াকে...

ব্যাঘ্র মামার আস্তানায়ঃ এবার সবিস্তারে

১.

সে রাতটা ঘুটঘুটে রাত হতে পারতো, কালি-গোলা অন্ধকার বলা যেত। কিন্তু নাহ... সে রাত ছিল চাঁদনী রাত, চাঁদটাও বেশ বড়। একদিন পরই পূর্ণিমা। তবু বনের সরু খালটার উপর গাছের ডালপালা এসে এক আধো আলো-ছায়ার আবরণ তৈরি করেছিল। গাছের সে সবুজ তোরণের নিচে আমরা কজনা ভাসছি। ট্রলারের ইঞ্জিন অনেক আগেই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। খালের মাঝে নোংর ফেলেছে মাঝি। নোঙরের দড়ির ঢিলটুকুর সুযোগ নিয়ে ঢেউয়ের তালে নৌকা মাঝে মাঝে তীরের কাছে চলে যাচ্ছে। আর শিউরে উঠছে নৌকার অভিযাত্রীরা। এই কিছুক্ষণ আগেও বনে অনেকরকম নিশাচর পশু-পাখির আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছিল। হঠাৎ সে আওয়াজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

ডাইরী ৪৭

এক.
ফাগুনের মাতাল হাওয়া মন উতলা করে দেয়।
উতলা আমি রঙের সরোবরে ভেসে যাই...
কিন্তু কেরম প্লাস্টিক মানব-মানবীদের স্রোতে
ফিরে আসি তীরে...নাক ঢেকে মাটির ঘেরান নেই,
আহা! আমার প্লাস্টিক গন্ধী ভোর।

দুই.
তেলে আর জলে যেরম মিশেছে এইবেলা
আমিও তেমন রয়েছি...আল্ট্রা ওয়াইড দৃষ্টিতে
তাদের বড়ো দূরের মানবী ঠেকে।

একটি বিবাহনামা . . . ( অল্প বয়সে পাঁকলে যা হয় আরকি !! )

গত ডিসেম্বরের শেষদিকে "অফিসিয়ালি বিবাহ" করার পারমিশন পাইছি , মা আমারে কয় "যা কর গিয়া বিয়া , আমার কোনো আপত্তি নাই"। কানারে কওয়া "যা ছাইড়া দিলাম , দুনিয়া ঘুইরা আয় "। নিজের গতি নিজে করার কোয়ালিটি যে সুপুত্রের নাই , সেইটা মার চেয়ে ভাল আর কে জানে ? একটা হালকা পাতলা খোঁচা মারার চান্স পাইলে দুনিয়ার কেউ ছাড়ে না , মা আর বাদ যাইবো ক্যান ?

পহেলা ফাল্গুনে জ্যৈষ্ঠের স্মৃতিচর্বন

ভয়ানক গরম পড়ছে আজ। জ্যৈষ্ঠের কাঠফাটা দুপুর। ক্লাস শেষে কোনমতে ষ্টেশানগামী শেষ বাসটা ধরে ঝুলে পড়লাম। ষ্টেশানে এসে দেখি ট্রেনে ঠাসাঠাসি ভীড়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুপুর দেড়টার ফিরতি ট্রেনের যাত্রাটা মোটেও সুখকর নয়, বিশেষ করে এই দাবদাহে। কোন বগিতেই সুঁচ ঢোকার জায়গা নেই। বগির পাদানি গুলো পর্যন্ত দুজন করে বসে দখল করে রেখেছে। হ্যান্ডেল ধরে ঝুলে যাবার আশাও মাঠে মারা গেল।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ