অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১ জন সদস্য ও ২৪ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

‘বৈকুণ্ঠের উইল’-‘র শতবছর পূর্তির আগে একটি পাঠপ্রতিক্রিয়া

আর মাত্র দু’বছর পরেই ‘বৈকুন্ঠের উইল’ শতবর্ষী হবে। বলা বাহুল্য, এটা শরৎচন্দ্রের লেখা উপন্যাস। প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৯১৬ সালে। একটি উপন্যাস, একটি লেখা, শতবছর ধরে টিকে আছে, একটি জাতির সাহিত্যের, ভাষার ইতিহাসে। বইটি এখনও প্রকাশকরা প্রকাশ করে, ক্রেতারা কিনে, পাঠকরা পড়ে, এবং ধারণা করা যায়, আরও অনেক অনেক দিন ধরে, নতুন নতুন পাঠকরা পড়তে থাকবে। উপন্যাসটি। উপন্যাসের চরিত্রগুলি নিয়ে ভাববে, যেমন এ মুহূর্তে আমি ভাবছি। উপন্যাসের চরিত্ররা বেঁচে আছে, বেঁচে থাকবে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে। একজন লেখক এবং তাঁর উপন্যাসের স্বার্থকতা বিচার্যের আর কি অন্যকোন সূচকের দরকার পড়ে?

ব্রেইনলেস, কাট-পেষ্ট হিন্দি সিনেমা দেখা!

রোজা রমজানের দিন যদিও সিনেমা টিনেমা নিয়ে লেখা ঠিক না, তাও লেখতে বসলাম। কারন এই অলস দুপুরে আর তেমন কিছু করার নেই। বসে বসে বই পড়া ছাড়া, রোজা রেখে দিনে বই পড়ায় কনসেন্ট্রেশন পাই না। তাই হয় টিভি নয়তো নেট এইটুকুই ভরসা, আম্মু ফোনে জিগেষ করে কোরআন পড়ি কিনা, বলি পড়বো কিন্তু পড়া আর হয় না। আসলে কেমন জানি দূরের দূরের লাগে এইসব সিরিয়াস ইবাদত বন্দেগী। আমার আম্মু অবশ্য আমাকে ছোটবেলা থেকেই ব্যাপক চেষ্টা করছে, হুজুর বানানোর। হলাম আর কই?

কি লিখবো!

ভাবছিলাম একটা গল্প লিখবো
পারলামনা।
ভাবছিলাম একটা কবিতা লিখি
তাও হলোনা।
কি নিয়ে লিখবো? কি'ই বা লিখবো?
এ তো আষাঢ় মাস চলছে
তবে কি এবার একটা আষাঢ়ে গল্প লিখবো?
লিখবো কি একটা আষাঢ়ে কবিতা তবে?
মধ্যবিত্তের আষাঢ়ে চাহিদার গল্প লিখবো?
লিখবো তাদের আষাঢ়ে স্বপ্নের কবিতা?
কিভাবে লিখবো? কি'ই বা লিখবো?
ভাবতে গেলেই ভাবনাগুলো
কেমন যেনো এলোমেলো হয়ে যায়
মধ্যবিত্তের জীবনের মতই
বড্ড এলোমেলো বড্ড আষাঢ়ে।

বুনোহাঁসের গান এবং অন্যান্য কথকতা

ব্লগে এলেই আমার মাঝে মাঝে শান্ত ভাই এর মতন হয়ে যেতে মন চায়। কি সুন্দর যখন যা ইচ্ছে করে এলোমেলো, গুছিয়ে লিখে ফেলে চমত্‍কার। নিমিষে।
হিংসা লাগে একেকটা দিন, একটু একটু।

আমি পারি না, সাধারনত। একটা দুটা লাইন মাথায় বেশি ঘুরাঘুরি করলে হয়তো হঠাত্‍ একটা কিছু লেখা হয়ে যায়, এলোমেলো। কিন্তু মন খুলে টানা একটা কিছু লেখা আর আমার হয়ে উঠে না।

আজকালকার ভার্চুয়াল দুনিয়ায় এফবি যদি বাসা হয়, এবি আমার কাছে ঘরের মতন মনে হয়।

তবুও আমি পারি না, মনের মতন যখন তখন ইচ্ছে যেমন লিখে যেতে। নিজে না হতে পারি, লেখার মনটা বড় বেশি বাউন্ডুলে হয়ে গেছে। বড্ড বেয়াড়া, কিছুতেই পোষ মানে না। বলতে গেলে, ঘরের ভেতর নিজের কাছেই পর পর অবস্থা!

মাঝে মাঝে মন খারাপ লাগে, আগে কত্ত কিছু লিখে ফেলতাম হঠাত্‍ করেই, আবোল তাবোল। মন ভালো হয়ে যেতো।

নিশি কেটে গেলে

নিশি কেটে গেলে
একজন প্রেমিকের ধ্যান জ্ঞান সবই তার প্রেমিকাকে ঘিরে।প্রেমিকার বিরহে সে হয়
কাতর, এ পৃথিবীর সকল কিছু তার কাছে হয় বর্ণহীন, গন্ধহীন। তেমনি একজন লেখক বা কবির প্রেম তার লেখার সাথে, সে যখন লিখতে পারে, তখন তার সব কিছুই পাওয়া হয়ে যায়।কোন কিছুর অপর্যাপ্ততা তাকে পীড়ন করে না। তাকে কষ্ট দেয় না। কিন্তু সে যদি কোন কারণে লিখতে না পারে, তবে গাড়ী বাড়ি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ তাকে না পারে মানষিক প্রশান্তি দিতে, না পারে হৃদয়ের রক্তক্ষরণ কমাতে।
একজন লেখক দিনের পর দিন লিখতে না পারার কষ্টে, ক্ষত বিক্ষত।দিনকে দিন তার কোমল মনটা বিদ্রোহী হয়ে উঠে, নিয়মতান্ত্রিকতার সকল নিয়ম ভেংগে সে ছুটে যেতে চায়, দিগন্ত অবারিত উন্মুক্ত প্রান্তরে। নিরাপত্তার সকল গণ্ডি ভেংগে মিশে যেতে চায় প্রকৃতির সাথে। কি হবে দেখা যাবে।

সম্মোহিত চুম্বন ১

১.

কথার জালে আটকে যায় ভাবনার প্রস্ফুটন। শূন্য অনুভুতি নিয়ে প্রশ্নের জবাব দেয়া যায় না। শুধু হ্যা অথবা না অথবা হুমম। প্রশ্নকর্তা প্রাণপন চেষ্টা করে যায় জালটাকে ছাড়াতে, কিন্তু যখন দেখে তার ফেলা জালে ভাবনার স্হিতিস্হাপকতায় মাখামাখি চুড়ান্ত, তখন হাল ছেড়ে দেয়। নতুন সময়, নতুন দিন, নতুন খেলা।

কাজে যাওয়া হয় না মাস খানেক, হাতে থাকা ছুটিগুলো খুচরো টাকার মতো খরচ হয়ে যাচ্ছে দিন দিন। অথচ কিছুই নেই আমার কাছে, নিঃস্ব আর নিঃসঙ্গতা ল্যাপ্টাল্যাপ্টি করে লেগে আছে নিরন্তর। পাশের ফ্লাটে আর পার্টি হয় না। কারন সিন্ডি আর ক্রিস্টিনার মা দুটোকে কান ধরে শুধরানোর চেষ্টা করছে। প্রতিদিন সকাল বারান্দায় উঠে দেখি ক্রিস্টিনা মেঝে ঘষছে ব্রাশ দিয়ে আর সিন্ডি দেয়ালে রং লাগাচ্ছে। আমি 'হায়' দিলে মুখ টা ঘুরিয়ে নেয় দু'জনেই। দেখতে ভালোই লাগে দুই কিশোরী মেয়ে গাল ফুলিয়ে দিনভর নিরন্তর কাজ করছে।

পাগলের প্রলাপ

ইদানীং মন খারাপ হয়না আপনার আর ? চুকা তিতা কোনটা ? হায় আল্লা ! কনেরা ভাল আছে ? ভাল থাকছে ? বাল্য বিয়ে সব বন্ধ হয়ে গেছে দেশে ? তাহলে আর লেখা লেখির প্রয়োজন কি ?

দিনগুলোর তাই নাম ছিল না!

কবীর আসলো অনেক দিন পর। কোন কবীর? চায়ের দোকানদার দেলোয়ারের ভাই কবীর। ছেলে ভালো, চিনতাম আগে ভালো মতোই। এগারো সালের দিকে কিছুদিন উনি বেকার ছিল, তখন দেলোয়ারের চায়ের দোকানে বসতো। বয়সে আমাদের সমানই হবে, বিয়ে করেছে দুটো। যেকোনো চ্যানেলে আমি এখন কি করবো টাইপ মানসিক রোগ বিষয়ক অনুষ্ঠান হলে সে অবধারিত প্রশ্ন করতো, আমার দুই বঊ, এক সাথে দুই রুমের বাসা নিয়ে থাকে আমি এখন কি করবো?

চোর

(১)
চোরের পক্ষে যারা
শিক্ষা পাবে তারা,
সর্বক্ষণ কান দুটি
রাখিস কিন্তু খাঁড়া।

দাঁড়া- একটু দাঁড়া
করবো ছন্নছাড়া,
পাপের অাগুনে তোরা
পড়লি বুঝি মারা।

(২)
চুরির চেয়ে ভিক্ষা ভালো
থাকে যদি জ্ঞানের আলো,
মূর্খের দল করবে চুরি
সুযোগ বুঝে দল ভারী।

হারাম হালাল বুঝো না
সুযোগ তুমি খুঁজো না,
চোরের যদি দশদিন
খাবেই ধরা একদিন।

ঘৃণার ঝুড়ি তোর কাঁধে
এই বুঝি পড়লি ফাঁদে,
কেউ তোর বন্ধু নেই
থু ছিটাবে হামেশাই।

করিস না আর গর্জন
চুরিই তোর অর্জন,
মল-মুত্র দেখ না চেঁখে
দীক্ষা নিস গুরু দেখে।

১৯.০৬.২০১৪

প্রতিবন্ধীত্ব

ধীরে ধীরে আমরা আধুনিক হয়ে উঠছি সম্ভবত, আমাদের ভাবনা বদলাচ্ছে ধীরে ধীরে। বাংলাদেশে একটা সময় পর্যন্ত পরিবারের মানসিক ও শাররীক প্রতিবন্ধী শিশুটা সামাজিক দায় হিসেবে স্থানীয় মসজিদের জিম্মায় চলে যেতো। মসজিদের দাতাদের অনুগ্রহে, দীর্ঘ শাররীক শাস্তির পর কোরান হেফজ করে, অনুগ্রহ এবং করুণা কামনার নানাবিধ কৌশল শিখে সমাজে তার অবস্থান তৈরী হতো। অনেক ক্ষেত্রেই মসজিদের আশেপাশের খাস জমিতে একটা ঘর উঠিয়ে সে বসবাস করতো। মানসিক কিংবা শাররীক প্রতিবন্ধীদের সমাজের উপর চাপিয়ে দিয়ে পরিবারের বোঝা হালকা করার প্রবনতাটা ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে। পরিস্থিতিও অনেকটা বদলে গেছে। অপরাপর রাষ্ট্রের সাথে তাল মেলানোর চাপ থেকে হোক কিংবা বিভিন্ন এনজিও এবং সমাজকর্মীদের অব্যহত লেখালেখি এবং সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের ফলেই হোক শাররীক প্রতিবন্ধী মানুষদের এক ধরনের আত্মমর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে।

পাঠপ্রতিক্রিয়া: শাহাদুজ্জামান-‘র ‘কয়েকটি বিহ্বল গল্প’

thumb_IMG_20140625_074742-bhobol golpo.jpgবিহ্বলতা ব্যক্তির একটি মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা। এবং অবশ্যই একটি সামাজিক অনুষঙ্গ। ব্যক্তি মাত্রই তার জীবনযাপনে কখনো না কখনো বিহ্বল হয়ে পড়ে। বিহ্বল তাকে হতে হয়। তবে বিহ্বলতা একটি মনোজাগতিক অবস্থা হলেও এর কার্যকরণ এবং অভিঘাত একরৈখিক নয়। রীতিমত বহুমাত্রিক। অবশ্যম্ভাবীভাবে জটিলও। বিহ্বলতার কার্যকারণ ও অভিঘাতে থাকে ভিন্নতা। এ ভিন্নতাগুলো নির্ধারিত হয় শ্রেণী, ক্ষমতা, পেশা, শিক্ষার রকমফের সহ নানা সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক উপাদান দ্বারা। ঘরে-বাইরের লিঙ্গীয় ক্ষমতাকাঠামোও ব্যক্তির বিহ্বল হয়ে পড়া না পড়ার এক গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক। পাঠক এ-রকম অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হবেন ‘কয়েকটি বিহ্বল গল্প’ পড়ে। মোট চৌদ্দটি গল্

শাখা সরকারী গণগ্রন্থাগার

আমার বাসার সামনে সূচনা কমিউনিটি সেন্টারের পাশেই যে একটা পাবলিক লাইব্রেরীর ব্রাঞ্চ আছে তা আমি জানি মেলাদিন ধরে। যাওয়া হয় না রাজনীতির পরিবেশ ওখানে। নানকের লোকজন ওখানে বসে থাকে, নিজেদের ব্যাবসায়িক দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে তাই ওমুখো আমি হই না সচরাচর, রাস্তা পার হয়ে বাসার দিকে এসে পড়ি। সেই কমিউনিটি সেন্টারে একবার দাওয়াত খেতে গিয়েছিলাম,পুলক জোর করে নিয়ে গিয়ে ছিল। দেখি ছাত্রলীগের ছেলের দল বাপের জন্মের খাওয়া খেয়েই চলছে, থামাথামি নাই। কমিউনিটি সেন্টারটা মাইর খাওয়ার একটা বড় কারন হলো সেটাই। বিয়ে শাদী অনুষ্ঠান যাই হোক ৩০-৪০ জন ছাত্রলীগ যুবলীগের এক দল গিয়ে বাপের ঘরের খানা খেয়ে আসবে বাধ্যতামুলক। এই দুর্মুল্যের বাজারে এক সরকারী কমিউনিটি সেন্টার নিয়ে- কে আর ত্রিশ জনকে মাগনা খাওয়াতে চায়। তাই ঘুরে ফিরে এই সেন্টারটা পড়েই থাকে। ঈদ কিংবা বৈশাখী মেলার আগে পাকিস্তানী লন আর ইন্ডিয়ান থ্রিপিচ বেচে ভাড়া নিয়ে।

এই বর্ষায় আগামী শীতে

ভাবি এখন ঢাকায়! Smile Smile
এটা কোনো সংবাদ না। সংবাদ হচ্ছে, ভাবিকে নিয়ে আমি এখন স্ট্যাটাস দিই না―এ নিয়ে মানুষের অভিযোগ! তবে কি ভাবির সাথে আমার সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে!?
কত আর দেয়া যায়―স্ট্যাটাস দিতে দিতে তো স্ট্যাটাসের মানই নামিয়ে ফেলেছি! নতুন করে লিখবোই বা কী―আমার ভাবি আমার অহংকার, ভাবি এলে ঢাকা শহর প্রাণচাঞ্চল্যে জেগে ওঠে, চলে গেলে অন্ধকারে ঢেকে যায়, ভাবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাখি ডাকে/ নদী বয় কুলকুল করে/ ফুল ফোটে―সৌরভ ছড়ায়, ভাবির হাতের ছোঁয়ায় শুকনো মরিচটি আমার কাছে অমৃতের স্বাদ নিয়ে আসে... মোটামুটি এসব শোনাতে শোনাতে ফেসবুক বন্ধুদের কান পচিয়ে ফেলেছি! বিরক্তির শেষ সীমা অতিক্রম করতে চাইনি। Big smile
আমার কাছে আমার ভাবি পৃথিবীর সবচেয়ে জ্ঞানী, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ হতে পারেন কিন্তু এটাকেই আদিখ্যেতা ভাববেন এমন মানুষের সংখ্যাও তো খুব একটা কম না! এরা সস্তা আবেগ বলে উড়িয়ে দেবেন।

জীবনযাপন

বিশ্রী একটা সময় যাচ্ছে। নিশ্চিত বুঝতে পারছি সামনে এমন কয়েকটা সিদ্ধান্তে সমর্থন দিতে হবে যা পরবর্তী সম্পূর্ণ সময়েই অনুশোচনার কারণ হবে কিন্তু সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ক্ষেত্রে যেসব বাক্য ব্যবহার করতে হবে সেসব বাক্য ব্যবহারে এক ধরণের অনীহা আছে নিজের ভেতরে। ভালো সিদ্ধান্ত এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে এক ধরণের বৈরিতা আছে, ভালো লাগার সিদ্ধান্তগুলো অনেক সময়ই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত হয় না আর পরিস্থিতি বিবেচনা করে নেওয়া সবচেয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্তগুলোতে হৃদয়ের সমর্থন থাকে না।

বিশ্বকাপের কল্যানে রাত জেগে খেলা দেখার পর যখন পৌঁছালাম ঋকেরবর্ষসমাপনি উৎসবে মনে হয়েছিলো সবগুলো প্রয়োজনীয় বিষয়ই দেখা হবে না, কিন্তুয়ামাদের সুভাষণপ্রীতি সেটুকু আশংকা দূর করে দিয়েছে।

বৃষ্টি ভেজা পুরনো শহরে একদিন

সেই সন্ধ্যে থেকে বৃষ্টি হয়ে যাচ্ছে। ইলেকট্রিসিটি নেই, ঘুটঘুটে অন্ধকার। সাধারণ দিন বাড়িটা সরগরম থাকে, দাদু, নাতি, নাতনী, চাচা, কাকিদের হৈ চৈ এ। আজ অস্বাভাবিক নিরিবিলি। রান্নাঘরটা একদম বাড়ির পিছনের দিকে। তারপাশেই খাবারের ঘর। বৃষ্টি সাথে আছে অন্ধকার, রান্নাই হয়নি ঠিক করে। তাই আজকের রাতের খাবার একদম সাধাসিদে। বাচ্চাদের সবার জন্যে আলুর ভর্তা, ডিমের কোর্মা আর ডাল। বড়দের জন্যে হয়তো কোন একটা মাছ টাছ কিছু ভাজা টাজা হয়েছে। খাওয়া হওয়া মাত্রই সবাইকে ওপরে যার যার ঘরে যেয়ে বিছানায় শুয়ে পড়তে হবে, নীচে নামা, লাফালাফি দৌড়াদৌড়ি সব কঠিনভাবে নিষেধ। বৃষ্টির ছাঁট লম্বা টানা বারান্দার গ্রীল ভেদ করে এসে সিড়ি, বারান্দা, বারান্দার কাছাকাছি কোন কোন ঘরের কিছু অংশ ভিজিয়ে একদম পিচ্ছিল করে দিয়েছে। বাড়িতে ফুট ফরমাশ খাটার ছোট ছেলেটা যে নুরু, বৃষ্টির ছাঁট আটকানোর জন্যে সব ঘরের জানালা বন্ধ করতে যেয়ে দুবার পা পিছলে আলুর দম হ

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ