ইউজার লগইন

আরাফাত শান্ত'এর ব্লগ

ডুবে আছি বিষাদে!

বাসায় অনেকদিন ধরেই আমি একা একা থাকি। সেই যে মামী গিয়েছে ঈদের সময় আর আসে নাই।অফিস থেকে বাসায় ফিরি, সন্ধ্যা গড়িয়ে সকাল আসে, কারোর মুখ দেখি না। কারন মামা থাকে অফিসের নানান ট্যুরে অথবা শ্বশুরবাড়িতে। বুয়ার মুড ভালো থাকলে আসে নয়তো নাই, তাই বাইরে বাইরে খেতে হয়্ কিংবা আলসেমীতে খাই না, এভাবেই যাচ্ছে দিন। আবার সেই চিলেকোঠার এক রুমের জীবনের স্বাদ পাচ্ছি। সেই ব্লগ লেখার জীবনের, যখন রাতে ব্লগ লেখা ছাড়া বাসায় আমার করার কিছু থাকতো না। খালি মনে হতো এই দিন গুলো নিয়ে কিছু কথা লেখা থাক। না লেখা থাকা দিনগুলোর আসলে ফেসবুক মেমোরী ছাড়া আর কিছুই স্পেসিফিক মনে আসে না। যা মনে আসে সবই ভাসাভাসা আর অনুমান নির্ভর। যেমন ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসের শুরুর সপ্তাহে আমি কি করেছি মাথাতেই আসে না। যখন ব্লগে আসি তখন মনে হয়, ও আচ্ছা এই এই করে বেড়াচ্ছিলাম। এই এই ভাবছিলাম তখন দিনগুলোতে। তখন ভালো লাগে। আমার হাতে লেখা ডায়রী আছে, সেখানে

তানবীরা আপু, জন্মদিনের শুভেচ্ছা নিন!

শিরোনামটা কি দিবো ভাবছিলাম, বেশীর ভাগ এক্সপেক্টেড শিরোনাম দিয়ে আগেই পোষ্ট লিখে ফেলেছি। গুগলে ক্লিক করলেই ভেসে উঠে আমার আগের লেখা। দিন তো খালি চলেই যাচ্ছে। চোখের সামনে হারিয়ে যাচ্ছে সময়গুলো। সেদিন ২০১৬ শুরু হলো। এখন চলে জুলাই, নিমিষেই আসবে সেপ্টেম্বর অক্টোবর, ব্যস বছর শেষ। অঞ্জন দত্ত তাই আগেই হুশিয়ার করে গেছেন, কিছুই তো হলো না বাজানো গেল না সময়। সেই আমাদের কিছুই হলো না, এই দেশটার অবস্থাও দিন দিন জঘন্য। জীবনে ভাবি নাই, ঈদের দিন সকাল বেলা, শোলাকিয়াতে মানুষ মরবে, জংগীদের উন্মত্ত আক্রমণে। ঈদ এমনিতেই আমার বোরিং কাটে, এবারের ঈদ গেল অবষাদ আর বিষণ্ণতায়। আমাদের জন্যেও অঞ্জন দত্তের গান আছে, কত কি করার ছিল যে। আসলেই আমরা কিছুই করি নাই, তাই তিলে তিলে এই দশা, এই পরিনতি। তবুও দিন চলে যায়, ঘটনা দুর্ঘটনায়। এসে পড়লো দিন, তানবীরা আপুর জন্মদিন। আমার প্রিয় সিস্টার কাম বন্ধুর এত খুশীর দিনে একটা ব্লগ

পেইন্ট ইট ব্ল্যাক!

সবাই জানেন শিরোনামটা রোলিং স্টোনের বিখ্যাত গান থেকে ধার করা। গানটা খুবই বিখ্যাত। মুক্তি পাওয়ার সাথে সাথেই বিলবোর্ড চার্টের প্রথমে জায়গা করে নেয়। প্রচুর কাভার, প্রচুর জায়গায় ব্যাবহার হয়েছে গানটা। আমার কাছে রোলিং স্টোনের সব চাইতে প্রিয় গান। যদিও মানে ভিন্ন, আমিও সবকিছুকে কালো করে দিতে চাই, সব রং হারিয়ে যাক বেঁচে থাক শুধু কালো। এত রঙ্গিন দেখার, রঙ্গিন ভাবার কি আছে। সব কিছুই জাহান্নাম, সব সুন্দরই জঘন্য, আমাদের কোনও কারন নেই সুন্দর সুন্দর জিনিস ভাবার। রাতে ঘুম আসে না, সকালে ঘুমাই ক্লান্তিতে। দুদিন পরে ঈদ একফোটা আনন্দ নেই। একটু পর ট্রেনে চেপে বাড়ি যাবো কতদিন পর, সামান্যতম উত্তেজনা কাজ করছে না। মনে হচ্ছে কোথাও হারিয়ে যাই, কেউ খুঁজে পাবে না। একা একা গাছের নীচে বসে থাকি সারাদিন। যে দুর্বিষহ অবস্থা এই শহরের, মনে হয় একটা ভূমিকম্প হোক সব শেষ হয়ে যাক একবারেই।

ভাবনা দিয়েছি ছেড়ে, এত ভেবে হয় কি?

খুব লিখতে ইচ্ছে করছে, তাই নিরুপায় হয়ে লিখতে বসা। মাঝে মাঝে এমন হয় খুব লিখতে ইচ্ছে করে, বিশেষ করে এমন রোজার দিনগুলোতে। আগে তো রাতে জেগে থাকা মানেই আমার ব্লগ লেখা। সামান্য দিনগুলোকে নিয়ে লিখে গেছি সামান্য সব লেখা। এখনও রাত জাগি, লেখতে ইচ্ছে করে, কিন্তু লেখা আর হয় না। বই পড়ি, টিভি দেখি, মোবাইলে হেডফোন নিয়ে কেটে যায় সময়। আজ অনেকদিন পর লিখতে বসলাম শুধু লেখার ইচ্ছা পূরণ করার জন্য। সারাদিন অফিসে ব্যস্ত সময়, ইফতারীর পর আড্ডা, রাতে কম ঘুমানো সব মিলিয়ে এ কদিনে চেহারায় কেমন জানি বয়স্ক মানুষের ছাপ পড়ে গেল। তার ভেতরে চুল গুলো ঝড়ছে সমানে। এইসব নিয়ে আর ভাবি না, মানুষ মরে যায়, বানের জলে ভেসে যায় মানুষ, আর রূপ যৌবন দিয়ে কি হবে। যে অপ্রেমের অতি সাধারণ জীবন আমার তাতে ওতো ভেবে কি হয়, তাও ভাবি ভাবতে ভাবতে দিন চলে যায়। এখনও আমার পুরোনো লেখা অচেনা কেউ কেউ পড়ে, ফেসবুকে সেই ভালো লাগা জানায়। অবাক হই, কত আগের সব লে

কালচে রক্তের শহর

ঘটনা আসলে তেমন কিছু না। নতুন করে কিছু বলার না। যা ঘটছে চারপাশে তাই বলা। যা ঘটছে কিছুই নতুন না, কিন্তু বারবার ঘটছে আর আমরা বারবার ভুলে যাচ্ছি। ভাবছি সব ঠিকঠাক, দিব্যি চলছে বেশ। কেউ কেউ শুনতেই চায় না কিছু, কেউ আছে শুনেও না শোনার ভানে। দিন সপ্তাহ মাস চলে যাচ্ছে অবিরত বিছিন্ন ঘটনায়। তেমন এক বিচ্ছিন্ন ঘটনার কথা বলি গত সপ্তাহের। যা আমার মনকে পুরো চূর্ণ বিচূর্ণ করে বিষিয়ে ফেলেছে। বাসায় যাবো বৃষ্টি হচ্ছে। হুট করে দেখি ভারী কিছু পতনের শব্দ। আমার ধারনা ছিল ট্রান্সমিটারের কিছু হয়েছে। কিন্তু দেখলাম চারপাশ থেকে মানুষ দৌড়ে আসছে। আমিও গেলাম কৌতূহল বশত। যেয়ে মস্ত বড় ভুল করে ফেলেছি। সামনে আগালাম না। একজনের দেহ পড়ে আছে। আর বৃষ্টি আর রক্তে পুরো রাস্তা ভেসে গেছে। পুলিশরা দাঁড়িয়ে ছিল তাঁরা বিল্ডিং এর ভেতরে ঢূকে পড়েছে। মারা তো গিয়েছেই তবুও একটা গাড়ী পাওয়া গেল সেটা করে উনাকে ঢাকা মেডিকেলের আনুষ্ঠানিকতা সারতে নে

ফিরে দেখা ২৬শে ফেব্রুয়ারী

লিখতে হুট করে কার না ভালো লাগে। আমার আরও বেশী ভালো লাগে। অনেকদিন কিছুই লেখি না। সময় পাই না লেখার। আর লেখার সময় টুকুতে বই পড়ি, নয়তো সিনেমা দেখি। নয়তো অলস ভাবি। লেখার ভাবনা সব সময় থাকে আবার হারিয়ে যায়। এই জন্য আমার এক প্রিয় মানুষ বলছিলো-- সেই একদিন কখনোই আসবে না। যদি তুমি প্রতিদিন না লেখতে পারো অথবা লেখার ভেতরে না থাকলে। কোনও যাদুকর এসে বর দেবে না তোমাকে'। আমি অবশ্য উনার কথা শুনি নাই। ব্লগ লেখাই ছেড়ে দিয়েছি। ফেসবুকেও কম লিখি। একাউন্ট ডিএক্টিভেট করে বসে থাকি। মাঝে মাঝে ব্লগে আসি, চুপচাপ চলে যাই। কমিউনিটি ব্লগের এই দুর্দিনে আমার কিবা করার ছিল, হয়তো সপ্তাহে চারটা পোষ্ট দিতাম। লোকজন পিঠ চাপড়াতো। কিন্তু দিনশেষে সেই একই অবস্থা। আমাদের কারো জন্যেই কিছু যায় আসে না, কারো শুন্যতায় কিছু যায় আসে না। আজ আমি লিখতে আসলাম মেইনলি কারন, অভিজিৎ রায়ের নির্মম খুনের পর ১ বছর হয়ে গেল। মাসকাবারীতে খুন হলো আরো চার প

ডিলাইটফুল ডিসেম্বর

সেই ক্লিশে কিছু কথা দিয়েই লেখা শুরু করতে হয়। প্রথমেই আসবে, ব্লগে লেখি না অনেকদিন। লেখার সময় পাই না খুব একটা। আর যা সময় পাই তখন অন্য ডজনখানেক কাজে ব্যস্ত থাকি। ব্লগ লেখাটাও আর মিস করছি না। তবুও নিজে নিজে লেখি সময় পেলে- অবশ্যই তা ডায়রীতে, সেইজন্যেই লেখা আমি ভুলি নাই, লেখা যদি ভুলে যেতাম তাহলে হয়তো ব্লগ মিস করতাম। ব্লগ লেখার জন্য মন উশখুশ করে না আর। উপলক্ষ্য ছাড়া ব্লগে লেখা আর হয়ে উঠে না। আজও লিখছি বিশেষ কারনে। দ্বিতীয় কথা হলো এখন ব্লগ পড়িও না। ফেসবুকেই থাকি। ট্যাবে অটোমেটিক ওপেন হয়। কিন্তু আগে যেমন এক পোষ্ট ছয় সাতবার পড়তাম তেমন পড়াই হয় না। আর নিজের লেখা তো পড়ি না খুব একটা। কারন প্রতিটা লেখা পড়লেই মনে হয় ট্রেন ধরার তাড়া নিয়ে লিখেছিলাম, অজস্র ভুল, আরও গুছিয়ে-ভালো করে লেখা যেত। কিন্তু হলো না। কি আর করা যাবে। সবার সব কিছু হয় না। তাই ব্লগের চার্ম হারিয়ে ফেললাম আবার। সামহ্যোয়ার ছাড়ার পর অনেকদিন লি

বন্ধু 'প্রিয়'র জন্মদিন 'রিটার্নস'

পাক্কা ৩৬ দিন পর পোষ্ট লিখছি। এই ৩৬ দিনেই আমার লেখার মতো ৩৬টা পোষ্ট ছিল, আমি যেমন লিখি তেমন ভাবে অনেক কথা বলা যেত সেই সব পোষ্টে। কিন্তু লিখি না, লিখতে ভালো লাগে না। আর ব্লগে লেখাও ভালো লাগে না আর। অনেক তো লিখলাম আর কত?

উইথ গড অন আওয়ার সাইড!

বব ডিলানের অতি বিখ্যাত একটা গান। অনেকেই শুনে থাকবেন আশাকরি। গানটায় বলা হচ্ছে বিভিন্ন সময় গডের নাম ভাঙ্গিয়ে পৃথিবীতে মানুষ ধ্বংস করছে, লুটপাট করছে- প্রান ও প্রকৃতি। নানান সময়ে উসিলা একটাই, ঈশ্বরের নাম করে। ঈশ্বর আমাদের পক্ষে থাকবে এই কারনে কতজনকে আমাদের ঘৃণা করতে হয়। কত যুদ্ধ করতে হয়। বব ডিলান গানটার শেষে বলছে হয়তো দোযখে যাবো আমি, যাবার আগে আমি বলতে চাই গড যেন এবার মুখ ফিরে তাকায়। আর কোন যুদ্ধ যেন না হয়, আর যেন কোনো মানুষ না মারা হয় গডের নাম ভাঙ্গিয়ে। এবার গড আমাদের পক্ষেই যেন থাকে। গানটা আশাবাদের গান। আমারও আশাবাদ থাকে। কিন্তু আশাবাদী হবার মতো কিছুই নাই। সংযমের মাসে সংযম করে ৭০ গুন সওয়াব পাবার বিরতির- পরে আরেকজন ব্লগার খুন। আমি নিলয়কে চিনি না। কোনোদিন দেখছি বলেও মনে পড়ে না। বেচেঁ থাকতেই আমি নিলয়ের লেখা কোনোদিন পড়ি নাই, তাই ঘাতকদের ডজনখানেক কোপে নৃশংস খুনের পরে উনার লেখা পড়ার কোনো ইচ্ছে

নানু বাড়ীর গল্প

ঘুম আসছে না। দুপুরে বৃষ্টি ছিল। ভালো ঘুমিয়েছি। বাড়ীতে বৃষ্টি হলে কোনো টেনশন লাগে না। ভাবা লাগে না যে রাস্তা ঘাট ভেসে গেল নাকি। মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে ভাবনাও আসে না মাথায়। মনে হয় নামছে নামুক না। টিনের চালে ঝপঝপ শব্দ মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনি।দুটো শব্দ আমার খুব প্রিয়, এক আম্মু যখন সেলাই করে সেই মেশিনের শব্দ আর বৃষ্টির শব্দ ঢাকায় আগে যখন এক রুমের বাসায় থাকতাম, মাথার উপরে দীর্ঘ চার বছর ছিল টিনের চাল আর ফল সিলিং। গরমে কষ্ট হতো, কিন্তু বৃষ্টিতে যখন শব্দ শুনতাম কি যে ভালো লাগতো। আর বাড়ীতে ছাদ দেয়ার অবস্থা আমাদের ছিল কিন্তু আমার কারনেই দেয়া হয় নি এক যুগ আগে নতুন করে বাড়ী বানানোর সময়। কারন টিন আমার ভালো লাগে, মাথার উপরে টিন না থাকলে কি আর গ্রামের বাড়ীর ফিলিংটা আসে। আরতি মুখোপাধ্যায়, আমার এককালে কত ভালো লাগার শিল্পী। দেশটিভিতে লাইভ গাইছেন, সেই ভালো আর লাগে না। কারণ উনার বয়স হয়ে গিয়েছে, গলার সেই শার্পনেস

নীরব রাতের ভাবনা

জামালপুরে একটা জিনিসই আমার ভালো লাগে খুব। তা হলো এমন নিশুতি রাত। পিনপতন নিঃস্তব্ধ একা একা একেকটা মুহূর্ত। খুব আনন্দ লাগে এমন রাত গুলোতে জানলার দিকে তাকিয়ে থাকতে। হালকা বাতাস আসে, জানলার পর্দা সরে যায়, ঘুটঘুটে অন্ধকার, শেয়ালের ডাক, খারাপ লাগে না, মনে হয় এই বেশ ভালো আছি। যদিও রোজার দিনে একটু অসুবিধা, রাত দুটা থেকেই হুজুররা মসজিদে চিল্লাচিল্লি শুরু করে দেয়। এখানে অনেকে রাতে রান্না করে খায়, সেই সুবিধার্থে।আমার বিরক্ত লাগে, কিন্তু কিছু করার নাই। হুজুররা বারবার অনুরোধ করে ঘুম থেকে জাগুন, সেহরী খান। এমন একটা ভাব যেন মসজিদ সবাইকে খাওয়াচ্ছে। সময়ের শেষের দিকে শুরু হয় নতুন জিনিস, আহবান জানায়, জলদি খান, এখনি খান, আর মাত্র ১০ মিনিটে না খেলে রোজা রাখতে পারবেন না। হুজুরেরা জানে না যে সেহরী না খেলেও রোজা হয়। সেহরীতে দু বেলার খাবার এক সাথে খাওয়া কোনো ইসলামিক কালচারের অংশ নয়। তবে দেখতে দেখতে রোজাই শেষ।

হ্যাপি বার্থ ডে, মাই ডিয়ার তাতাপু!

অনেকদিন ব্লগ লেখি না। অনেকদিন মানে দু মাস। দুমাসে আমি পোষ্ট সংখ্যা ৩৩০ থেকে হয়তো ৩৫০-৩৬০ লিখে ফেলতে পারতাম। কিন্তু লিখতে ভালো লাগে না আর, লেখার সময় থাকলেও অন্য কাজ করে ভুলে যাই লেখার কথা। আজও যে খুব লিখতে ইচ্ছে করছে বলে লিখছি এমন নয়। লিখছি, পোষ্ট দিবো কারন আজ তানবীরা আপুর জন্মদিন। এই খবর খুব বেশী মানুষ জানার কথা না, আমিও জানতাম না- যদি দু বছর আগে বাসায় হুট করে গিয়ে দেখি কেক কাটা চলছে, তার চাক্ষুষ সাক্ষী না হতাম। এরপর এই দিনটার কথা মনেই রাখা যায়। আমার স্মৃতি শক্তি ভালোই, কোনো কিছু মনে রাখতে চাইলেই তা পারি। আগে আরো পারতাম এখন তা বয়সের কারনে কমেছে। আমি বই মার্ক করে পড়তাম না কখনো, কারন যা মনে রাখতে চাই তা সব না পারলেও বেশীর ভাগই মনে রাখতে পারি। তাই তানবীরা আপার জন্মদিন ২ বছর আগের সেই উপস্থিতির উসিলায় স্মৃতি থেকে মুছে যাই নি। তাই লেখার উপরে চরম অনীহা থাকার পরেও লিখছি কারন জন্মদিনটা তানবীরা আপুর

দাহকাল বলে যায় কালের খবর, বিষমাখা তীর থাকে বিষের ভেতর!

কাল প্রায় মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলাম, মৃত্যু না হলেও দু চারটা হাড্ডি পাউডার হওয়াটা অস্বাভাবিক ছিল না। কিন্তু আল্লাহর বিশেষ রহমতে, বিস্তৃত বন্ধু বান্ধবদের ভালোবাসায় ও মায়ের দোয়ায় কিছুই হয় নাই। শুধু মাথায় আর হাতে ব্যথা পেয়েছি যা প্যারাসিটামলেই নিরাময়ের পথে। এখন মনে হচ্ছে ব্যাপারটা তেমন কিছু না, তবে যখন হলো সেইসময় কিছুটা হতভম্ব হয়ে বসে ছিলাম। কাল দুপুরে বাসায় ফিরছি এমন সময় নামলো বৃষ্টি রিমঝিম করে। বৃষ্টিতে ভিজতে তো হবেই। যত কম ভিজে বাসায় চলে যাওয়া যায়। এমন সময় পিসিকালচার হাউজিংয়ের চার নাম্বার রোডের ওখানে আছে, সরাইখানা সুইটস, তাঁদের দোকানের ট্রে রাখা ফুটপাথে, তার সাথে বারি খেয়ে পিছলে আমি রাস্তায় পড়ে যাই চিটপটাং হয়ে। আশেপাশে মানুষের ধারনা ছিল আমার মাথা ফেটেছে ও এবং হাত ভাঙছে। আমি মাথায় হাত দিয়ে দেখলাম রক্ত নেই, গা ঝাঁরা দিয়ে উঠে গেলাম, দেখি পুরো শরীর টনটন করছে ব্যথায়। সিনক্রিয়েট হবে অযথা তাই আল

নিতান্তই ব্যাক্তিগত!

রাতে আজকাল ঘুম আসে না। আগে তিনটার দিকেও ঘুম আসতো, এখন তাও আসে না। শরীরের ক্লান্তির সব ঘুম আসে দুপুর কিংবা বিকেলে। বিকেলে ঘুমিয়ে সন্ধ্যা সাতটা বাজিয়ে দেই অনায়াসে। আমার বন্ধু কামরুল ইসলাম সুখী মানুষ। সে বারোটায় ঘুমায়, বিছানায় গা এলানোর সাথে সাথেই নাকি তাঁর ঘুম চলে আসে। আমার এ জীবনে তা কখনোই হলো না, অসুস্থ না থাকলে যত ক্লান্তই হই বিছানার সাথে রীতিমত যুদ্ধ করে ঘুমাতে হয়। এই সমস্যা অনেকেরই। আমার তাঁদের চেয়েও বেশী। তাই বিছানার সাথে যুদ্ধের সময়টুকু আমি বই পড়ে কাটাই, পড়তে ইচ্ছে না করলে মোবাইল নিয়ে গুতাই। ফেসবুক কিংবা ব্লগ দেখি। কথাই তো আছে, যারা মোবাইলে ফেসবুক চালায় তারা শুয়ে পরার আরো ২ ঘন্টা পড়ে ঘুমায়। মাঝে মধ্যেই আমার মাথায় ভাবনা আসে, বেঁচে থেকে লাভ কি?

ইংরেজী সাবটাইটেল।।

আজ যথেষ্ট গরম কম। বৃষ্টি হবে হবে করছে, বাইরে ব্যাপক বাতাস। আমি বাসাতেই বসে আছি। বাসাতেই আজকাল আমাকে থাকতে হয়। ভালো লাগে না কিছুই। বাইরেও ভালো লাগে না। বসে থাকি তো থাকি। আগে বাসায় অসময়ের বিছানায় শুয়ে থাকতে মেজাজ খারাপ লাগতো। এখন লাগে না। বিছানায় আছি তো আছি, না ঘুমিয়েই শুয়ে আছি। বসলেই প্যারা শুরু, ফেসবুকের নিউজফিড দেখার প্যারা, দিনের পর দিন নতুন ইস্যু নিয়ে মেজাজ খারাপ- খবর টবর জানার প্যারা, বিনোদনের জন্য ইউটিউবে গান দেখার প্যারা, সিনেমা দেখার প্যারা। নতুন পোলার আইস ক্রিমের বিজ্ঞাপনের মতো বলি, পিসির সামনে বসলেই প্যারা অন!