ইউজার লগইন

আরাফাত শান্ত'এর ব্লগ

বন্ধুরে, তোদের মন পাইলাম না!

অনেকদিন পর গতকাল রাতে চা পানের সেই ফেলে আসা সময়কে ফিরিয়ে আনলাম। এক সিটিংয়েই হাফডজন কাপ ভর্তি চা, বাপের ঘরের কথা। কতদিন খাওয়া হয় না এরকম করে। চায়ের দোকানে দুই কিংবা তিনকাপের বেশী চা এখন ভুলেও খাই না। বসেই থাকি শুধু বেঞ্চে। আজ খেলাম তার কারন আছে, কারন গতকাল সন্ধ্যায় পুলকের জন্মদিন ছিল। কিন্তু দুঃখের কথা হলো আমার কাছেও টাকা নাই, পুলকের কাছেও টাকা নাই, আবীরের কাছেও টাকা নাই। তাই বারেক সাহেবের দোকানে বাকী চাহিয়া লজ্জা দিয়ে দেদারসে নিজেকে ও সবাই মিলে চা সিগারেট খাওয়ানো হলো। আমি যেহেতু সিগারেট খাই না সেহেতু চা খেয়েই সন্ধ্যার খিদেটার একটা দফারফা করলাম। চেচামেচি করে এক আড্ডা দিলাম। তারপর আবার আমার এক পরিচিত মামা, ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ নেতা মদ খেয়ে মাতাল, তার সাথে মশকরা করলাম। আমাকে মুগ্ধ করে সব সময় মাতালরাই। মাতালরা এত অদ্ভুত এক জাতি হয়ে যায় মদ্যপানের, পর তা এক দেখার মত সিন। একটু আগেই যে হাজী সাব হয়ে

এই শহরের স্বপ্নগুলো লুকিয়ে যায় সব আঁধারে!

লিখছি না, লিখছি না করে চলে গেল এক সপ্তাহ কিংবা তারও বেশী কিছু দিন। না লিখলেও নিয়ম করে ব্লগ দেখি। নতুন লেখা আসলে পড়ি, পুরোনো লেখাও পড়া হয় মাঝে মাঝে। নিজের লেখা পড়ি কম, কি পড়বো সব একই কথা বারবার নানান শিরোনামে লেখা। বৈচিত্র্যতা নেই একদম। তাই নতুন লেখা লিখতে বসেই এখন ঝুকি নিতে হয় নিজের কাছেই। যে একই কথা আর কতবার লেখবো! তাও সময় পেলেই সে সহজ ঝুকিতেই গা ভাসিয়ে লিখতে বসি। লিখি কি আর করা যাবে। লিখতে পারিনা তেমন ভালো কিছু। আমার মতো প্রতিভাহীন মানুষ না হয় একটু ভাড়ামী করে একই কথা একই রকমের দিনলিপি লিখেই গেল একটা শীতল ব্লগে। তাতে কার আর কি আসলো গেল?

অঞ্জন বলছে - 'টিভি দেখো না!"

অঞ্জন দত্তের অতি বিখ্যাত গান, কবীর সুমনের এক সাক্ষাৎকারে পড়েছিলাম তিনি বলছেন-- এই গানটা ছাড়া বাচ্চাদের জন্য কোনো সিমপ্লিস্টিক গান আর তিনি শুনেন নাই বাংলায়। বাচ্চারাও অঞ্জনের কথা শুনে নাই, আমিও শুনি নাই। শয়তানের বোকা বাক্সটা দেখেই চলছি। আর এবার টিভির পর্দাতেই ধরা দিলো অঞ্জন দত্ত। অনুষ্ঠানটা দেশ টিভির পর্দাতে দেখতে যে কি কষ্ট হলো তাই একটু ভাবি। বাড়ীর সবাই ঘুমাচ্ছে, শিয়ালের ডাক চারিপাশ থেকে, একদম গ্রামীন নিঝুম নিস্তব্ধতা। এর ভেতরে টিভি দেখা বিশাল ঝামেলার। কানে হেডফোন রাখতে রাখতে আমি অল্প সাউন্ড শুনি না আবার। তাই আমার সাউন্ডে হয়তো সবার ঘুমে সমস্যা হয়েছিল, তবে কেউ কিছু বলে নাই, খালি আব্বু এসে বকা দিয়ে ছিল- তাও টিভি অফ করি নাই। বিজ্ঞাপন বিরতির জ্বালায় যদিও খুবই অতিষ্ঠ ছিলাম তবুও পুরো অনুষ্ঠানটাই দেখলাম মুগ্ধ হয়ে। অঞ্জন দত্তের সব পুরোনো গানই তো প্রায় মুখস্থ তাই আমার কাছে নিজেই নিজের এক্সাম নিই।

আমিও জানি আমি গেঁথে গেছি আলপিনে, কত কি ছুটে চলে দুপাশে!

শরীরটা কেমন জানি ভালো লাগছে না। অবশ্য ঢাকায় ফেরার আগের রাত আমার শরীর মন কোনোকালেই ভালো থাকে না। তবে এবার বেশী খারাপ। পোলাও মাংস, ভাত গোশত খেতে খেতে মুখে রুচি নাই। চা পানেও টেষ্ট নাই। বাড়ীর চিনি দেখতে ভালো না। কিন্তু কেমন জানি একটা গন্ধ। তাই সেই গন্ধওয়ালা চিনির চা খেতেও খুব একটা ভালো না। তাও খেয়ে গেছি সমানে। এখন তা বিস্বাদের চুড়ান্ত অবস্থা। পুলকের মত চিনি ছাড়া চা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে ভালো হতো। কিন্তু লিকার কড়া করে চা খেলেও, চিনি আমার সামান্য হলেও চাই। ভালো লাগে না প্রথম আলো ঈদ সংখ্যাটাও পড়তে। মোটামুটি পাঠযোগ্য লেখা আগেই পড়া শেষ। বাকী আছে উপন্যাসগুলো আর কয়েকটা গল্প। উপন্যাস পড়তে গেলে গাঁ জ্বলে, কি লিখে এইসব। সাগুফতা শারমীন তানিয়া কিংবা বদরুন নাহারদের উপন্যাসের এক পাতা গত দুই দিন চেষ্টা করে শেষ করতে পারলাম না। এর চেয়ে অভিনয় শিল্পী ফেরদৌসী মজুমদারের-- 'আমার অভিনয় জীবন' স্মৃতি কথাটা এক মুহূর্তেই

উপোষের দিন রাত্রী, সিজন টু, এপিসোড ফাইভঃ ইটস নট হ্যাপি এন্ডিং!

আরেকটা ঈদ এসে পড়লো। এত জলদি কেন ঈদ এখন এসে যায় তা বুঝি না। আমার বন্ধু এহতেশাম আজ দারুন ডায়লগ দিলো, যে বরফ গলার চেয়েও দ্রুত এখন কাটে একেকটা মাস, একেকটা বছর। আমিও রাতে বসে বসে টিভি দেখতে ভাবছিলাম সময় এত দ্রুত চলে যাচ্ছে জীবন থেকে, ভাবাই যায় না। তরতর করে খালি বয়স বাড়ছে। সেই ছোট্ট মানুষ আর থাকলাম কই?

আমি বেঁচে ছিলাম একগাদা 'চুতিয়া'দের সময়ে!

গালি হিসেবে 'চুতিয়া' শব্দটা আমার ভীষন প্রিয়। গালিটা কাউকে দেইনা তেমন, তবে মনে মনে অনেক দেই। মনে মনে গালি দেবার খবর কেউ জানে না। তবে গালি দেয়া শেষে খুব শান্তি পাওয়া যায়। এই শান্তি একান্তই ব্যাক্তিগত। তবে 'চুতিয়া' গালিটা ভালো লাগার কারন বলি। আমরা আগে চায়ের দোকানে আড্ডা মারতাম সব বড় ভাইদের সাথে। সেখানে ব্রাক ইপিএলের এক বড় কর্মকর্তা আসতেন ও এনসিসি ব্যাংকের এক ভাই আসতেন। তাদের বন্ধু বান্ধবরা সবাই তাদের আসল নাম ভুলে গিয়ে ডাকতেন 'চুতিয়া' বলে। আমি অবাক হতাম এরকম এক বিশ্রী গালি একজন বড় ভাইয়ার নাম হয়ে যাবে জেনে। পরে দেখলাম ঠিকই আছে। উনারা এই নামের যোগ্য, কেন?

উপোষের দিন রাত্রী, সিজন টু, এপিসোড ফোরঃ সবুজ বাতাসের শহর!

কালই প্রথম বাসা ওরফে বাড়ী থেকে বেরিয়েছিলাম। বের হয়ে কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। তাও বের হই। ঘুরে ফিরে যাওয়ার জায়গা তো সেই এতটুকুই। বাড়ী থেকে বের হও, শহরের রেল স্টেশন যাও, পেপারের দোকানে বসে থাকো। গতকাল সেই মনে করে বাসা থেকে বের হলাম। হাটতে হাটতে মোড়ে যাই। রোজার দিন একযুগ ধরে রোজা রাখতেই হয় বলে চায়ের তেষ্টা পেলেও পর্দাওয়ালা দোকানে গিয়ে বসা হয় না। জানি কেউ জানবে না, তাও নিজেকে নিজে কখনো ফাকি দেই নাই। নিলাম রিকশা। জামালপুরে রিকশা এখন খুব দুর্লভ জিনিস। ইজি বাইক কিংবা ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার প্রতাপ এখন সব খানে। ভাড়া কম ও এক সাথে ছয়জন উঠা যায়। আমার আব্বাজানের খুব পছন্দ এই জিনিস। আমার মোটেও পছন্দ না। কিছু না পেলে উঠি। উঠলেই ভয় করে, কোনসময় না উল্টে যায় গাড়ী, এত পাতলা। আর ড্রাইভাররা এই হালকা চায়নিজ গাড়ী নিয়েও রেসের মত চালায় নির্জন রাস্তায়। তাই রিকশাই আমার ভালো লাগে। রিকশা এখন এই শহরে বড়লোকদের বাহন, যখ

উপোষের দিন রাত্রী, সিজন টু, এপিসোড থ্রিঃ স্বর্গে দিন যাপন

পোষ্টটা কালই লিখতাম। কিন্তু মনে ধরলো না লিখতে। তার আগে অবশ্য নোটবুকটা নিয়ে অশান্তিতে ছিলাম। চার্জ হয় না। কাল থেকে অশান্তি দুর চার্জ হলো, নেটের স্পীডও কিঞ্চিত ভালো হলো। জিপির মডেম দিয়ে চালাচ্ছি নেট। খুবই বাজে অবস্থা ছিল। মোবাইলেই এরচেয়ে ভালো সার্ভিস দেয়। গতবার থেকে নোটবুকটা আনছি, সেবার ভালোই ছিলই নেটের অবস্থা। এবার অবস্থা দিশাহীন বেগতিক। এই দুইদিন মনটা উদাস ছিল, আহা পোষ্ট লিখতে পারবো না, সেই নোকিয়া সেটও নাই যে শুয়ে শুয়ে লিখবো। এত কষ্ট করে টেনে আনলাম নোটবুকটা। নোটবুক আনতে বেশী কষ্ট না, কষ্ট হলো এক্সটারনাল কিবোর্ড মাউস, ঢাউশ হেডফোন, ইউ এসবি হাব এইসব টেনে আনতে। আমার বিছানায় এখন ক্যাবল আর বইয়ের জঞ্জালে সেই পুরোনো অবস্থা। আম্মু দেখেই বলে, যেখানেই যাক শান্তর কাজ একটাই, সব কিছু বিতিকিশ্রী বানানো। বাসায় আজ মেহমান, তাই আমার অবস্থান আজ টিভি রুমে। সেখানেও একই দশা করে রেখেছি। আসলে আমি এক সাথে অনেক কিছু

যাবো আবার যাবো, আমি বাড়ী ফিরে যাবো!

বাড়িতে যাবো আরেকটু পরেই। সকালের ট্রেন। ট্রেনের নাম তিস্তা। উঠবো কমলাপুর থেকে। টিকেট মামা অনলাইনে কেটে দিয়েছে। অনলাইনে পাওয়াই যায় না টিকেট। পাওয়া গেলে আরো দু চারদিন পরেই হয়তো বাড়ীতে যেতাম। কিন্তু বারবার এত গেঞ্জামে বাড়ীতে যেতে ইচ্ছে করে না। তাই আগেভাগেই এবার ট্রেন ধরলাম। বিশাল লম্বা সময় এবার বাড়ীতে থাকতে হবে হয়তো। বাড়ীতে যাবার আগের তিন চার ঘন্টা আমার ভীষন মন খারাপ থাকে। মনে হয়, ভালোইতো ছিলাম এখানে। দিব্যি ভালোয় ভালোয় যায় দিন। সেখান থেকে জামালপুর যাওয়া, অল্প কিছুদিনের জন্য এক অন্য ধরনের চেনাজানা জীবনে অভ্যস্ত হওয়া। ঢাকা কিংবা চিটাগাংয়ে থাকতেই আমার শান্তি। শহরে শান শওকত- আড্ডা- ঘুরে বেড়ানো জীবন যাপনই আমার আনন্দের। বাড়ীতে কত দিন ধরে যাচ্ছি তাও কোনো বন্ধু নেই, সেই ঘর- মসজিদ- পত্রিকার দোকান- জঘন্য টিভি, মফস্বলের নির্জন রাস্তায় হাঁটা, এই তো!

অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা, তানবীরা আপুর জন্য!

মন মেজাজ খুবই খারাপ। আর্জেন্টিনার হারে শরীর মন সব কেমন জানি কামড়াকামড়ির উপরে আছে। এতদিন পর ফাইনাল, কত আশা ভরসা, সব জাহান্নামে গেল। তার ভেতরে একটু আগে ফেসবুকে দেখলাম মিলন চৌধুরী নামের এক কলকাতার ছেলে আত্মহত্যা করেছে, ফেসবুকে ঘোষনা দিয়ে। বেচারার জন্য মনটা খারাপ। আমরা বাঙ্গালীদের আবেগ এত বেশী তাই এইসব হতেই পারে। এমনিতেই না চাইতে কত ভাবেই মরতে হয়, তারপর আবার খেলায় হারজিত লইয়া এত চিন্তা, যে মরিতে হবে নিজে নিজে। সবাই বলবে বেকুব মানুষ তাই মরেছে। আমি তেমন বলবো না। মানুষের মাঝে মাঝে এত আবেগ আসে নানান ঘটনায় তাতে এরকম ঘটনা অস্বাভাবিক কিছু না। যখন শিশুকালে সালমান শাহ মারা গেল, জনকন্ঠ তখন পড়তাম, বাসায় রাখতো না, গন পেপার রুমে পড়তাম। পেপারে তখন দেখেছিলাম- বাংলাদেশের নানান স্থানের যুবক যুবতীরা আত্মহত্যা করছিলো এক উসিলায়। তখন ভাবছিলাম সামান্য মুভি স্টারের জন্য কেউ মরে নাকি!

বই বসন্ত!

ফেসবুকে আপনি যখন বইয়ের ছবি আপলোড দিবেন। দেখবেন কত পাঠক, কত বন্ধু বলছে-- ইশ, আমার যদি থাকতো। অনেক বুক রিডার গ্রুপে দেখি, লাইব্রেরীর ছবি দিলেই লোকজন আহ-উহ করে বলে উঠে, আহা আমি যদি যেতে পারতাম এই খানে। কিন্তু যায় কই মানুষ? আর পড়েই বা কই? চায়ের দোকান হাটে মাঠে ঘাটে অনেকের সাথেই তো আমাদের সামাজিকতা, হাতে বই দেখলেই প্রশ্ন। 'এখনো এই সব পড়োস? আর পড়ে কি হবে? এত জেনে জেনে জানোয়ার হবার মানে কি?' আর সত্যজিৎ রায় কি এক সিনেমা বানিয়েছিল- হীরক রাজার দেশে, তার ডায়লগ সবাই দেয়ঃ জানার কোনো শেষ নাই, জানার চেষ্টা বৃথা তাই। সিনেমাতে তো পলাতক মাষ্টারও ছিল তার কথা কেউ মনে রাখে নাই। মনে রাখছে নরপিশাচ রাজার কথা। তাহলে ফেসবুকে এত ঢংয়ের মানে কি? সেই ঢংওয়ালা মানুষদের আবাস কোথায়?

উপোষের দিন রাত্রী, সিজন টু- এপিসোড টু!

শরীরটা ভালো লাগছে না। ইফতারের পর থেকেই কেমন জানি করছে। তাও ঘুম আসে না। ভোর না হলে ঘুম আসার কোনো সম্ভাবনাই নাই। খুবই খারাপ অভ্যাস এই দিনে ঘুমানোর। কিন্তু কি আর করা, করেই যাচ্ছি। ঘুম ছাড়াই শরীর কেমন জানি টানছে। এর কারন সম্ভবত গত দুই দিনের কম ঘুম আর ইফতারে অহেতুক বেশী খাবার। ইফতার যখন খাই তখন তো হুশ থাকে না। খালি গিলি আর পান করি। কিন্তু খাবারের পর বুঝি অযথাই এত জিনিস কিনে এনে খাওয়া। লোকজন বলে রাতে খাও না, ইফতার বেশী খাওয়া দোষের কিছু না। কিন্তু খাওয়ার পরে বোঝা যায় ঠেলা, হাঁটা যায় না মোটেও, শরীর ঝিমিয়ে আসে। শরীর খারাপ হবার আরো কারন থাকতে পারে গত দুই দিনই খুব হাইপারের ভেতরে ছিলাম ওয়ার্ল্ডকাপ নিয়ে। প্রথমটায় ব্রাজিলের ডিজাস্টার হারে প্রথমে উৎফুল্ল হলেও পরে খুবই মন খারাপ ফ্যানদের কথা ভেবে, আর সেকেন্ডদিন আর্জেন্টিনার প্যানাল্টিতে জয়। ভাগ্য ভালো রোমেরো সেভ করেছিল নয়তো তখন মনে হচ্ছিলো টেনশনে মরেই যাই

'কথা সামান্যই' নিয়ে সামান্য কথা!

ইচ্ছা ছিল এই মাসে নেট আরো কয়েকদিন পরে নেবো। কিন্তু সিনেমার নায়িকাদের মতোই 'আমার মন মানে না'। তাই অল্প টাকার মান্থলি প্যাকেজ নিলাম। ৫০০ টাকায় সাড়ে তিন জিবি। এক কালে ১ জিবি দিয়েও ১ মাস চালিয়েছি। সেইসব গল্প ব্লগে এখনো ঝুলছে দিনলিপির মোড়কে। এখন ৩০ জিবি না হলে ভালোই লাগে না। ত্রিশ জিবি কিনতে টাকা লাগে ১২০০। সিনেমা দেখা যায় ১৫-২০ টা। সিরিয়াল নামানো যায় পাঁচ ছয় সিজন, সেখানে সাড়ে তিন জিবি তো সাগরের বুকে না হলেও পুকুরে মাঝে ১ গ্লাস পানি, সেটাও বেশি দামে। তবুও মাঝে মাঝে ১ গ্লাস পানিতেই গলা শুকিয়ে যাওয়া ঠেকাতে হয়। এই যেমন আজ নিয়ে ১ মাস তো দূরে থাক অন্তত ১ সপ্তাহের জন্য ঠেকালাম। তার আগেই হয়তো শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু কয়েকটা দিন তো হাহুতাশ কাটবে। ভালো জায়গায় একা একা ইফতারী করতেই এখন লেগে যায় ৫০০ টাকা! তা দিয়ে পাওয়া সাড়ে তিন জিবি ডাটা সামান্যই।

ফেরদৌসী মজুমদারের 'মনে পড়ে'

সাহিত্য প্রকাশ থেকে বইটা কিনেছিলাম এই মেলায়। জমানো ছিল, অন্য বইয়ের ভীড়ে পড়া হয় নাই। উল্টিয়ে পাতা রেখে দিতাম। কি মনে হলো একদিন নিয়ে পড়তে বসলাম। চিকন বই, পড়তে সময় লাগলো মাত্র দুই ঘন্টা পনেরো মিনিট। তাঁর ভেতরে ফ্যামেলি ছবি দিয়ে ঠাসা অনেক পাতা। এই বই লেখার প্রথম প্ল্যান আসে লেখকের মাথায় ২০০৩ সালের প্রথম আলোয় ঈদসংখ্যায় কিশোর বেলার স্মৃতিকথা লেখার মাধ্যমে। সেই এক লেখা পড়েই তারা জীবিত যত ভাইবোন আছে ঈদ পূর্ণমিলনীর আড্ডায় হেসে কুটিকুটি। তাঁর ভাইবোনরা আরো নতুন নতুন গল্প করছিলো যা উনার লেখার সময় মনে ছিল না। তারপর ত্রপা মজুমদারের অনুপ্রেরনায় তিনি লিখতে বসেন। এবং লিখে ফেলেন এই বইটা। এইটা কোনো আত্মজীবনী না, সিরিয়াস কোনো লেখালেখিও না, এটা একজন সরকারী কর্মকর্তার বিখ্যাত মেয়ের ও তাঁর স্বনামে বিখ্যাত সব ভাইবোনের ফেলে আসা জীবনের হাসি আনন্দের স্মৃতিকথা। ডক্টর ইউনুস বইটার ফ্ল্যাপ লিখেছেন যত্ন করে। দামও খুব কম,

উপোষের দিন রাত্রী, সিজন টু- এপিসোড ওয়ান!

মেজাজ খারাপ। কি এক হিন্দি চুলের খেলা হলো। ধারনা ছিল ফরাসী জার্মানদের এক অতুলনীয় ম্যাচ দেখবো। তা আর হলো কই? ম্যাড়মেড়ে এক খেলা। রাগ উঠে গেল নিজের উপরে। আশা ছিল ফরাসীরা গোলটা অন্তত শোধ করবে। তাও হলো না। প্ল্যান ছিল আয়োজন করে শান্ত ভাইয়ের বাসায় খেলা দেখবো। জার্মান ফরাসীদের খেলা দেখে আর থাকতেই ইচ্ছা করছে না, এসে পড়লাম বাসায়। দেখি ব্রাজিলের খেলাটা কেমন হয়? রাত তো এমনিতেও জাগি, ওমনিতেও জাগি। কি খেলে কলম্বিয়ার সাথে! আমি চাই ব্রাজিল আজকেও জিতুক। কারন এত এত ব্রাজিল ফ্যান বাংলাদেশে, তাঁদের মাটিতেই আবার হচ্ছে ওয়ার্ল্ডকাপ সুতরাং আমি আশাবাদী ব্রাজিলের কাপ জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে। মনে প্রানে চাই লাতিন আমেরিকান এক ফাইনাল হোক। দেখা যাক কি হয়!