ইউজার লগইন

আরাফাত শান্ত'এর ব্লগ

সিনেমা নিয়ে কথাবার্তা!

এবি ব্লগের লোকজন খুব ফিল্ম বোদ্ধা টাইপের। অনেকের অনেক পোষ্ট আছে সিনেমা নিয়ে। কত সিনেমার নাম যে জানছি মাসুম ভাইয়ের কাছ থেকে। সেই সামুর আমল থেকেই তিনি জানাচ্ছেন। এখনো এবির মাধ্যমেই সিনেমা নিয়া বলছেন। সামুতে আরো কিছু ব্লগার ছিলেন যারা সিনেমা নিয়ে প্রচুর পোষ্ট দিছে। তখন সেই সব সিনেমার নাম মুখস্থ রাখতাম আর ক্লাসমেট লোকজনকে বলতাম দেখিস। সবাই অবাক হতো তুই কত সিনেমা দেখিস! আমি মনে মনে হেসে বলি দেখি নাতো কিছুই, খালি নেই আতেলের পার্ট। যখন ভাবলাম সিনেমা দেখা উচিত তখন দেখি পিসিতে সিডি প্লেয়ার খালি ডিভিডি প্লেয়ার নাই। আর সিনেমা দেখতে হলে পেন ড্রাইভে করে আনতে হবে। সে এক গেঞ্জামের কাজ। কারন পেন্ড্রাইভ এমন এক জিনিস যা হারাতেই পছন্দ করি আমি। তাও নিজের না বন্ধুদের গুলা। বন্ধুরা রাগ করে কিন্তু কিছু বলে না কারন একটা ডায়লগই দেই "যে সামান্য একটা ডিভাইসের জন্য রাগ করা তোর উচিত হবেনা। আরও বড় কিছু হারাই তখন রাগিস"। আর পুলাপানের সিনেমা রুচি ভালো না। যা টিভিতে দেখাবে সামনের দিন গুলাতে তাই যদি পেন্ড্রাইভ নিয়ে দেখতে হয় দরকার কী এত ঝামেলার।

উপোষের দিন রাত্রী!

আম্মু আব্বুর সাথে যখন বাসায় ছিলাম তখন রোজার দিনগুলান ছিলো একটু বিপদ জনক। নামাজ মসজিদে গিয়ে পড়তে হবে, টিভি দেখা যাবে না বেশি, রোজা রেখে কোরান খতম দিতে হবে। কিন্তু কে শোনে কার কথা! নামাজ পড়তাম কিন্তু মসজিদে যেতাম কম। তারাবীর নাম দিয়ে বের হয়ে দিতাম বন্ধুদের সাথে আড্ডা। আরেকটু ছেলেবেলায় চিটাগাংয়ে ছিলাম তখন প্রত্যেক বিল্ডিংয়ের পিছনে ছিলো বাগান। যেখানে টমেটোই ছিল মেইন সব্জী। সেটা নিয়ে বোম্বাস্টিং খেলাই ছিলো কাজ রাতের বেলা। জামা কাপড়ে লাল লাল টমেটোর দাগে অবস্থা কাহিল। পরে ঘোষনা দিয়ে ক্ষেত বন্ধ করলো। আমরাও তারাবীতে খেলা ছেড়ে দিলাম না। এরপর আরো ডেঞ্জারাস খেলা শুরু করলাম। গোল্লাছূট। লাইট কম মাঠে সেইখানেই এই খেলা শুরু। কিন্তু বিপদ হলো মাঠ টা একটু অসমান তাই প্রতিদিন কেউ না কেউ আহত হয়। শেষে একজনের নাক ভাঙ্গলো। গলগল করে রক্ত পড়ছে। আমার গেঞ্জীতেও রাখলো রক্ত। হাসপাতালে নেয়া হলো। বাসায় ফিরলাম। আম্মু জিগেষ করে লাল কি এগুলা?

জন্মদিনের শুভেচ্ছা হে প্রিয় রন্টি ভাই!

আগষ্ট মাসটা খালি ইভেন্ট আর ইভেন্টে ভরপুর। বলা যায় দুর্ঘটনার মধু মাস। ১৫ই আগস্ট, ১৭ই আগস্ট, ২১ শে আগস্ট, রবি-নজরুল শামসুর তিন কবির মৃত্যু বার্ষিকী। আবার এই মাসের ভিতরেই আবার ঈদ। ১৪ দিনের মতো সরকারী ছুটি। বলা যায় চকবাজারের ইফতারীর মতোই রমরমা। তবে চকবাজার ইফতারী মোটেও ভাল জিনিস না। আস্ত খাশি ফ্রাই ইহা মাইনষের খাবার না বাঘের খাবার। দূরে থাকাই ভালো। আমার ১৩ ফ্রেন্ড গেছিলো গত বছর উৎসব করতে করতে। পরিনতি ৪০০ মিলিগ্রাম ফ্লাজিল। যাই নাই দেখে মন খারাপ ছিলো পরে তাদের এই ভোগান্তি দেখে মেলা মজা নিছি। কি সব ফাউ প্যাচাল পারতেছি মেইন কথায় আসি!

সুখে আছে যারা সুখে থাকো এ সুখ সইবেনা/ দূঃখে আছো যারা বেচে থাকো এ দুঃখ রইবে না!

হেডলাইন দেখে চমকিত হবার কিছু নাই। ইহা কবীর সুমনের গান। বলা যায় অসাধারন গান। গানের টাইটেল " আমেরিকা প্রবাসী বাঙ্গালীর গান"। গানটার প্রত্যেকটা লাইন অসাধারন। তার ভেতরে আমার ভালো লাগে এই চার লাইন। গানের কথা গুলো অনেক টা এরকম---

আজ জানলার কাচে ডেকে গেছে এক পাখির মতন সকাল
যেনো রাখালিয়া বাশী এই শহুরে গলার ফাসি
বলে সুখে আছো যারা সুখে থাকো এ সুখ সইবেনা
দূঃখে আছো যারা বেচে থাকো বন্ধু এ দুঃখ রইবে না।।

আমি ভিটে মাটি ছেড়ে এসেছি মহান টাকা পয়সার দেশে
এই দুনিয়া সর্বনেশে এরা সাগর ডিঙ্গিয়ে বোমা ফেলে আসে বীরপুরুষের বেশে
মরে কখনো বাচেনি যারা
আহা তাদের খিদের ইতিহাস এক বিশ্রী অন্ধকারা
বলে সুখে আছো যারা সুখে থাকো এ সুখ সইবেনা
দূঃখে আছো যারা বেচে থাকো বন্ধু এ দুঃখ রইবেনা .।।

আজ সকালকে ডেকে বলি গাও রবি নজরুল গীতি
তাতে আমার ভীষণ প্রীতি দেখো সুরুচির পরিমিতি
আমি দেশ ভেঙ্গে ভেঙ্গে দুখান করেছি হিন্দু মুসলমানে
মুখের ভাষায় দেয়াল উঠেছে এই জল ওই পানি
আমি সবই মানি সবই মানি
শুধু মানি না যখন রহিম পরান ভাইরা মুক্তি চায়
তারা দুবেলাই খেতে চায়
আহা পাকস্থলীতে ইসলাম নেই, নেই কো হিন্দুয়ানী

রোজায় ক্লান্ত দিন!

ঘুরে ফিরে পোষ্টের শিরোনামে 'দিন' শব্দটাকে হটানোর চেষ্টা করলাম কিন্তু তা আর হলো না। না হলেই বা কি আমি লেখি ব্লগে দিনলিপির মতো কিছু একটা। তা নিয়ে অতো চিন্তা করার কিছু নেই। যা মনে আসে তা নির্বিঘ্নে লেখাই আমার আপাতত কাজ।

বিষাদের দিন রাত্রী

ব্লগ লিখতে খুব ইচ্ছা করে। কিন্তু লেখা হয়ে উঠে না কারন সময় পাই না বলে। বেকার লোকেরা অনেক ব্যাস্ত। আর ব্যাস্ততা ভেঙ্গে যখন লিখতে বসি তখন মনে হয় এরচেয়ে গান শুনি ইউটিউবে। জোয়ান বায়াজ থেকে শুরু করে ইত্যাদির গান সব শুনি। মন মেজাজ ভালো না। দিন যায় বড়ই বিষাদময় সময় নিয়ে। ভালো বন্ধুর মারাত্মক এক্সিডেন্ট খুব মনোবেদনার কারন। তার ভিতরে পাচ মাসের পেটে থাকা বাচ্চার মৃত্যু দিন গুলাকে বিষাক্ত করে দিছে। হাসছি খেলছি ফেসবুক স্ট্যাটাসে দিয়ে পার করছি। কিন্তু মনে তীব্র একটা ব্যাথা অনুভব করি। যার উপর দিয়ে এতো বিপদ গেলো তাকে সান্তনা দেয়ার সাহস পাইনা যে আসলে কী বলা যায়। তাও ফোন দেই নরমাল কথা বারতা বলে স্বাভাবিক হবার চেষ্টা করি। সেও চেষ্টা করতেছে এইটাই একমাত্র ভালো খবর।

আনন্দ বিষাদের দিন রাত্রী!

ঢাকায় যখন বাবা মার সাথে ছিলাম, টিভি ছিলো তখন রবিবার ছিল মন ভালো থাকার দিন। রিসেন্ট কলকাতার সিনেমা, হিন্দী সিনেমা, ইংলিশ সিনেমা, যাবতীয় টিভিতে যা দেখায় তাই ভালো লাগে এই দিন। এমনকি সামান্য টিভি দেখার জন্যে আমি অনেক জায়গাতে যাই নাই যে মিস হবে বলে প্রোগ্রাম। যাই হোক রবিবার মানেই আবার ছিলো প্রথম আলো পড়া। আমার প্রিয় সাপ্লিমেন্টারী স্টেডিয়ামে চোখ বুলানো। ১৯৯৯ সালে তখন ক্রিকইনফো গোল ডটকম কিছুই চিনি না। চিনি খালি জনকন্ঠ, ভোরের কাগজের খেলা নিয়ে সাপ্তাহিক আয়োজন। তখনি পরিচয় হয় প্রথমআলোর স্টেডিয়ামের সাথে। গোগ্রাসে গিলছি ২০০৭ সাল পর্যন্ত। নিজে পত্রিকা কিনি নাই অন্যের বাসা থেকে পকেটে চুরি করে আনছি পড়বো বলে। রবিবার নিয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয় বন্ধু মহিউদ্দিন। তার বাবা কোন কোর্সে গেছিলো বিদেশ, আসার সময় ক্রিকেট সম্পর্কিত বই পত্রিকা আনছিলো কিছু। বাসা থেকে মিথ্যা বলে টাকা নিয়ে সেই বই পড়ছি ভাড়া দিয়ে। ইংরেজি তখন অতো ভালো বুঝি না কিন্তু ছবিওয়ালা সেই বইটা জগতের সেরা শান্তি এনে দিয়েছিলো। যাই হোক যখন থেকে নেটে বসা শুরু করলাম তখনই মনে হলো কোথা থেকে এরা এতো খবর জানে। খোজ পেয়ে গেলাম সবকিছুর। তারপর থেকে আগ্রহ কমতে থা

দিন আসে দিন যায়!

আবারো ফিরে আসলো দিন আরেকটা পোষ্ট লেখার। তিনদিন আগ থেকে ভাবছিলাম যে লিখবো কিন্তু পিসিতে বসলেই এখন কাজ একটাই ফেসবুক আর ইউটিউবে গান শোনা। বিলি জোয়েল থেকে শুরু করে মুজিব পরদেশী কত ধরনের গান যে আছে শুনছি এই পাচ দিনে। আমি আগে দেখা যাইতো কেউ লিঙ্ক দিতো পছন্দ হলে সেটা কনভার্ট করে অডিও তে শুনতাম। বা কোনো গান শেয়ার করতে হলে গানটা আগে মেলা কষ্টে বাফারিং করে শুনতাম তারপর সবাইকে শুনাতাম। এখন সেই দিন নাই এসে পড়েছে ওলও তা দিয়ে ইউটিউবের যেকোনো ভিডিও টেনশন ছাড়াই দেখা যায় কোনো বাফারিং ছাড়া। কি যে শান্তি মনে হয় কল্পরাজ্যে আছি। যে গান শুনি আরো খালি শুনতে ইচ্ছা করে। এইভাবে ধারনা করি বাংলা হিন্দী ইংরেজী মিলায়া চারশো সাড়ে চারশো গান শুনছি। ইউরোর ফাইনালের দিন ফাইনাল খেলা দেখছি নেটে বসে। আহা কী শান্তি। ভালো নেট আসলে মনে প্রশান্তি এনে দেয়। জানি না কয়দিন এমন থাকবে তবে যতদিনই থাকুক ১৫০০ টাকা উসুল। এই জীবনে বঙ্গদেশে থেকে কোনওদিন ভাবি নাই যে নেটে টিভি চালাবো তারপর খেলা দেখবো। তখন খালি জুম আল্ট্রার এডের কথাই খালি মনে পড়ে-
"এমন যে হবে তা কেউ ভাবে নি আগে"

মানুষ চেনায় আনন্দ!

কেমন আছি?

যে কারনে ব্যাচ গেটটুগেদারে যাওয়া হলো না!

বাসায় একা বসে আছি। মামা গেছে উত্তরা, খালার বাসায়। মন মেজাজ যথারীতি খারাপ। মন মেজাজ খারাপ না থাকলে আমার আবার ব্লগ লেখার মুড আসে না। গতকাল একটা বাজে এক্সাম হলো তাতে মন মেজাজ খারাপ। এরপর বাসায় আছি একা তাতে কেমন জানি একলা একা লাগতেছে।

মেঘলা দিন যাপন

এই প্রখর রোদের দিন গুলোতে কামনা করতাম একটাই কবে আসবে সেই মেঘলা বর্ষনমুখর দিন। বর্ষনমুখর দিন না আসলেও গত দুইদিন চমৎকার মেঘলা ঠান্ডা ঠান্ডা দিন পার করে মন মেজাজ দারুন । কারেন্ট থাকতেছে ভালোই। নানক সাহেব পদোন্নতি পেয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক হইছে। আগে তিনি ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক। তাতে মুহাম্মদপুরে আওয়ামিলিগওয়ালারা খুব খুশি। মিষ্টি খাইলাম ভালোই। কিন্তু বুঝলাম না নানক মিয়ার পদোন্নতিতে পাতি নেতারা এতো খুশি ক্যান?

টিভি দেখা বা না দেখা

এই পোষ্টটা তিনবার লেখার ট্রাই করছি। এক বার এমএস ওয়ার্ডে প্রায় লিখেই ফেলছি তখন বেকুব গিরি করে লেখাটা গায়েব করে ফেললাম আর দুই বার কারেন্ট গেছে। শরীর ভালো না। ঠান্ডায় নাক টানাটানিতে গরমে কাহিল অবস্থা। তার ভিতরে এত শ্রম ভালো লাগে না। চিটাগাং থেকে বন্ধু আসলো তেমন মজাই করতে পারলাম না। কাল যখন চলে গেলো পান্থপথে বাসে তুলে দেবার সময় ভাবলাম কিছুই তো হলো না কথা বারতা, খিলখিল করে হাসা, পুরা ঢাকা শহর ঘুরা সব মাইর খেয়ে গেলো এই গরম আর ঠান্ডা লাগার কারনে। সামান্য শরীর খারাপ যে এমন ভাবে মনে পরিচালিত করতে পারে তা আমার জানা ছিলো না।

বালের দিনযাপন

মেজাজটা টু হান্ড্রেড পারসেন্ট খারাপ। রাত জেগে একটা পোষ্ট লিখলাম বিসিএস টিসিএস পরীক্ষা দেয়া সাথে এই দিন যাপন নিয়ে। লেখা প্রায় যখন শেষ তখনি তিন মিনিটের জন্য কারেন্টটা চলে গেলো। ইউপিএস নাই তাও পিসিতে রিস্টার্ট সেশনে থাকে সবসময় মনে মনে সুরা এখলাস পড়তেছি আল্লাহ লেখাটা যেনো থাকে। দেখি লেখা টেখা কিচ্ছু নাই। রাগে দুঃখে স্তব্ধ হয়ে গেলাম। এতো কষ্ট করে লিখলাম আর সামান্য তিনমিনিট কারেন্টের জন্যে গায়েব হয়ে গেলো। এইটা কোন কথা হইলো। ফেসবুক ব্লগের লোকজন বলে আমি কেনো এতো বাল বাল করি। এখন তো বুঝলেন কেনো বলি বালের লাইফ। তাই মনের দুঃখে এখন মোবাইলে এই পোষ্টটা দিলাম। ঘুম আসতেছেনা এই দুঃখে। আগের মতো ৮ কাপ চা খাই না ৪ কাপেই দিন কাটাই রিকশাতেও ঘুরি না একাএকা বইপত্রও কিনি না তেমন। তবুও নানা ধরনের বাশেই আমার বসবাস। বাজেটের এই মৌসুমে সব কিছুরই দাম বেশী খালি আমার এই প্রতিনিয়ত আবেগ চাহিদাই ঢলা খেয়ে যাচ্ছে অবিরাম। কি আর করা!

পারো যদি দেখে যেয়ো বেচে থাকো কারে বলে/ এসো আমার ঘরে একবার!

লেখার কথা ভাবছিলাম অনেক কিছুই। ঘটে চারপাশে অনেক কিছুই। কিন্তু ব্লগে লিখতে গেলেই কোনো কিছু লেখতে আর ইচ্ছা করে না। তাই কাল থেকে একটা কিছু লিখবো বলে ভাবছি কিন্তু লিখতেছি পাক্কা ২৫ ঘন্টা পর। এমন না যে আমি মহান লেখক যে অনেক ভেবে স্বার্থক অনেক কিছু লিখবো। ঘুরে ফিরে আমার কথা গুলো একিই রকমের। তাই সময় নষ্ট না করে লিখে ফেলাই ভালো। তাতে দায় থেকে মুক্ত থাকা যায়।

এই পোষ্ট যখন টাইপ করছি তখন এই ব্লগের সবার খুব কাছের ব্লগার প্রামান্যচিত্র ও টিভি নির্মাতা খুব ভালো মানুষ হেলাল ভাইয়ের একটা ফেসবুক স্ট্যাটাসে চোখ পড়ে গেলো। স্ট্যাটাসটা হলো

দোযখের ড্যামো ভার্সন থেকে বলছি!

অধ্যাপক মোজাফফর সাহেব মারা গেলো। জ্ব্লজ্বল করে থাকা ব্যানারটা যখনি দেখি তখনি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলি আহারে কি শোকের ঘটনা! মোজাফফর সাহেবকে আমি চিনি টকশো মিডিয়ার মানুষ হিসেবেই। রাতের টকশো, টি আইবি থেকে শুরু করে সুজন সেখান থেকে বাপা তারপর মইন ইউ এর অমর বই এর মোড়ক উন্মোচন এইসবই খালি চোখে ভাসে। কোনো ধরনের বিশ্লেষন বা মতামত জানাবো না। সেরকম জ্ঞান বুদ্ধি আমার নাই। খালি একটা একান্ত ব্যাক্তিগত স্মৃতির গল্প বলি। বন্ধু এহতেশাম আর আমি গেছিলাম এক বিয়েতে। বিয়েটা কোনো সচিবের ছেলের বিয়ে সম্ভবত। এহতেশামের কি রকম জানি আত্মীয়। আমি বিয়ে নিয়ে টেনশিত না আমার ধান্দা ভালো জামা কাপড় পড়ে আসছি যখন ভালো মন্দ খাবো । বসলাম আগে ভাগেই আমি খাই নিজের খাবারের দিকে চোখ দিয়ে। অন্যের মুখের দিকে চাইলে খেতে ইতস্তত লাগে। তবুও মাংস নিতে যেয়ে একজনের দিকে চোখ গেলো। আমি এহতেশামরে বললাম ভাই ভদ্রলোকরে চেনা চেনা লাগে কেন? এহতেশাম অবাক হয়ে বললো মোজাফফর স্যারকে আপনি চিনেন না?