ইউজার লগইন

আরাফাত শান্ত'এর ব্লগ

বেকারের দিনকাল ও টিভি সমাচার

মন মেজাজ খুব ভালো।এক বন্ধু আসছে চিটাগাং থেকে তাকে নিয়ে ঘুরে ফিরে বাইরে চলতেছে গত দুইদিন।সব কিছুতেই তার খুব আগ্রহ ঢাকা শহর নিয়ে।তাই এই রোদের মধ্যেও সারাদিন ধরেই বাইরে দিন যাচ্ছে।বাড়ি থেকে ফেরার সময় মন মেজাজ ভালও ছিলো না।ট্রেনে উঠতে না উঠতেই ঢাকায় ফেরার সময় সেটটা হারালাম তাতে মেজাজ একটু খারাপ ছিলো এখন সব ঠিকঠাক।মুবাইল ও নেট ছাড়া ভালোই দিন পার করতেছি।বাসায় নেট নাই তাই সাইবার ক্যাফেতে হেডফোন একটা কানে দিয়া ইউটিউবে গান শুনতে শুনতে পোষ্টটা লিখতেছি।

বয়ে নিয়া চলা যাপিত জীবন!

ব্লগ এখন আর আমাকে টানে না।আর আগের মতো পড়ার ধৈর্য পাই না ব্লগের কোন পোষ্ট।ফেসবুকেই এখন বেকুবের মতো বসে থাকি।সেইখানেই যা পড়ার চিরকুট, সংযোগ তা দেখে নেই।তাই ব্লগের দুনিয়া আমাকে আর মুগ্ধ করে না,সকাল হলেই দেখতে বসি আগের মতো যে ব্লগে কি পোস্ট আসলো!এখনকার দিন গুলো কাটাই অন্যরকমের।সকাল হলেই নেটে বাংলা পত্রিকা পড়ি।ফেসবুকে লোকজনের ভাবনা জানি।চ্যাটে কারো সাথে বাতচিত করি।এরপর এমবিএ ভর্তি বিষয়ক বইপত্রের পাতা উল্টাই।এরপর নাস্তা করে চায়ের দোকান তাও আবার আমার বাসা থেকে ১৫ মিনিটের হাটা পথ।চায়ের দোকানে বন্ধু বান্ধব আছে কিছু যাদের সাথে পরিচয় ঐখানেই।সেইখানে নানা চাপা চুপা পিটায়া চারটার দিকে রুমে ফিরি।সেইখানে দেখি মামা আমার জন্য না খেয়ে বসে আছে।বেচারা মামা!জানলোও না তার ভাগিনা কত আকামের লুক:(

বারবার ফিরে আসা

সকাল সকালেই আসলাম চট্টগ্রাম কলেজ।বন্ধুরা বিসিএস পরীক্ষা দিবে তাই আমার তাদের সাথে ঘুরতে আসা।শত শত মানুষ বিসিএস এর জন্য আসছে এক সাথে এত মানুষ দেখে খুব মজা লাগলো।বন্ধুরা পরীক্ষার টেনশনে আছে সবাই হলে।আর আমি এক সাইবার ক্যাফেতে বসে সময় পার করতেছি।আজ প্রায় ১৭ দিন ধরে আমি চিটাগাং এ।আজ পর্যন্ত এত দিন আমি কোথাও থাকি নাই বেড়াতে এসে।বন্ধু আছে অনেক কিন্তু দুই জনের বাসাতেই থাকা হয়।এই দুই বাসাতেই আমি ঘরের ছেলের মতই।ইচ্ছে মত নিজের ঘরের মত করে থাকা।যদিও এতদিন অন্যের বাসায় থাকা ঠিক না তবুও পড়ে থাকি।কারন এই বন্ধুরা এই জায়গার চেয়ে শান্তিময় স্থান আমার কাছে আর নাই।বলে রাখি আমরা চট্রগ্রাম মেইন শহরে বড় হয় নি।অনর্গল ভাবে চিটাগাং এর ভাষাতেও কথা বলি না।বরং যেসব বন্ধু বলতো তাদেরকে ভেংগানোই ছিলো আমাদের কাজ।বাপের নেভীর চাকরীর উসিলাতেই চট্রগ্রামে থাকা।পতেংগায় নেভীর যে কলোনী সেখানেই পার হয়েছে আমার জীবনের ১১ বছর।চিটাগাং অ

ওরা বড় হবে,চড়বে গাড়ী / আর আমি কাটবো ঘাস!

আমাকে নিয়ে কোন সময়ই আমি উচ্চ ধারনা করি না।নিজেকে কোন সময়ই বড় কিছু এই জীবনে কখনোই মনে হয় নাই।এইটা কোন বিনয় বা লোক দেখানো ভদ্রতা না এইটা নিজের একান্ত বোধের জায়গা!সুতরাং লোকজন আমার অক্ষমতা নিয়ে কিছু ভৎসনা করবে এইটা মেনে নেওয়া ছাড়া আমার আর কোন গতি নাই।অন্যের জন্য কিছু করতে পারলে নিজের অনেক ভাল লাগে তাই করে দেই সাধ্যের ভেতরে থাকলে।এই যেমন কথা ছিলো আমার এক বন্ধুর ছোট ভাই চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসবে তার জন্য ফিরতি টিকেট কাটতে হবে ট্রেনের। আমিও অনুপ্রানিত হয়ে ছুটির শনিবারে কমলাপুরে যেয়ে টিকেট কাটলাম। এরপর কয় সে আসবে না মেজাজটা প্রচন্ড গরম হইলো সেই বন্ধু মাফটাফ চেয়ে তো অস্থির কি আর করা যাব.. গেলাম আবার টিকেট ফেরত দিতে ভাবলাম একটু ব্যাবসা করা যাক ফেরত না দিয়ে বেচে দিলাম এক চাচার কাছে ১৬৫ টাকার টিকেট বেচলাম ২০০ টাকায়।ভালৈ লাগলো ব্যাবসাটা করতে সেই আনন্দে কেটে আনলাম জামালপুর যাবার টিকেট।

ব্যাক্তিগত আলাপ কিংবা প্যাচাল

হাতে অনেক সময় ছুটির দিন।কাল অফিস নাই।তাই ভাবলাম পোস্ট টোস্ট পত্রিকায় লেইখা ফাটায় ফেলাই কিন্তু লেখতে গেলেই মনে হয় কি দরকার লেখা এরচেয়ে ফেসবুকেই থাক বইসা বইসা লোকজনের কান্ডকীর্তি দেখ!আগে কোন কালেই ফেসবুকরে ভালো পাইতাম না।এখন ফেসবুকই ভালো লাগে আর সব কিছুরেই মনে হয় পানসে পানসে।আর চটপট ফেসবুক দেখে ঝটপট কিছু লাইক কমেন্ট মেরে আর কিছু ভাবের স্ট্যাটাস মারলেই দেখি লোকজন অনেক ভালো পায়।এতো সামান্যতেই যখন ভালো পায় তখন সমস্যা কি আমার ভালো লোক হয়ে না থাকার!~

বাড়ী থেকে ফিরে

সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।পোস্ট লিখবো লিখবো করছিলাম কিন্তু লেখা হয়ে উঠলো না কিবোর্ড নষ্ট থাকার কারনে।গরীবের সংসারে আর কি একসময় পিসি নস্ট আবার হার্ড ডিস্ক নস্ট সব ঠিক যখন তখন আবার কিবোর্ড নস্ট।এইভাবেই চলতেছে মেস জীবন।কি আর করার তাই আবারো সাইবার ক্যাফেতে বসেই পোস্টটা লিখছি।গত দুই মাসে যা সাইবার ক্যাফেতে টাকা দিছি তা দিয়ে মনে হয় একটা মডেম কেনা যেতো/#)

স্ট্যাটাস পোস্ট!

একটা পোস্ট লেখার কথা ছিলো এবিতে।লেইখাও ফেলছিলাম পুরাটা কিন্তু সাইবার ক্যাফেতে একটা গ্যান্জাম হলো পোস্টটা আর রক্ষা করা গেলো না।মনে ব্যাপক কস্ট পাইছি।তার কারন সময়ই পাই না তার ভেতর এতো মনের মাধুরী মিশায়া লেখলাম আর লুকজনরে পড়াইতে পারলাম না।এইটা একটা ব্যাপক আপসোসের ব্যাপার।তাই সকালে বাসে উঠে জামালপুরে যাবার আগে এই লেখাটা লিখতেছি।

জীবনের প্রথম বাসে করে জামালপুর যাচ্ছি।ট্রেনে করে আরামে যাবার কথা সবসময়।কিন্তু এবারই ধরাটা খাইলাম আগে ভাগে না যায়া।তাই বড় বিপদে আছি।সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।বিশেষ করে মওলানা নরাধম।তার দোয়া কবুল হবার সম্ভাবনা বেশি।জেবীন আপুকে পোস্টটা উৎসর্গ করা হলো।যার ঝাড়ি খায়া পোষ্টটা লিখছি!সবার ইদ দারুন কাটুক।সবার জন্য শুভকামনা।

পোস্ট শেষ করতেছি কলকাতার একটা গরম আইটেম গান শুনায়া।
http://www.youtube.com/watch?v=r-6wx7hELEc
আরেকটা পছনদের হিন্দী গান এই সময়ের।এখন শুনিও না কি চলে বাজারে!
http://www.youtube.com/watch?v=Dk5D_O_EaNI&feature=related