ইউজার লগইন

আরাফাত শান্ত'এর ব্লগ

দুঃখ ব্যাথায় মুখটা যে নীল

যখন কেবল আমরা এসএসসি পাশ করলাম তখন আমাদের এক বন্ধু পড়াশুনা বাদ দিয়ে ফ্যামিলির কথা চিন্তা করে নেভীর সেইলরে জয়েন করলো। তিন মাস পরে পাসিং আউট শেষে যখন চিটাগাং আসলো তখন কেমন আছিস জিগেষ করলেই সে বলতো কি অবর্ননীয় দুঃখে আছি তা তোরা বুঝবি না। আমি তখন বুঝতাম না কিসের এত দুঃখ কিন্তু এখন বুঝি প্রত্যেক মানুষেরই নিজের একটা দুঃখবোধের জগৎ আছে যা একেক জনের কাছে তা একেক রকম।

ইভিনিং এমবিএ

বুয়া আসে না ঠিকঠাক। সকাল বেলা খাওয়া হয় না নাস্তা তাই দিনগুলো যাইতেছে এ্যাসিডিটিময়। যদিও এক আতেল বন্ধুর সামনে গ্যাস্ট্রিক শব্দটা বলে যে বিপদে পড়ছিলাম। সেই আতেল বলে 'গ্যাস্ট্রিকের ব্যাথা কথাটা বলবে রিকসাওয়ালারা তুই কেনো বলবি?' আমি ইন্সাল্টের ঠেলায় আর কোনো কথা বলি নাই। কিন্তু সেই আতেল বন্ধুরে পাইতেছি না পাইলে তারেও এই কিসিমের একটা ইনসাল্টিং বাশ দেয়ার প্ল্যান আছে। বুয়া নানা উসিলায় আসে না। সেইটা সমস্যা না সমস্যা হলো বুয়ার কথা বলার ধরন দেখলেই মেজাজ খারাপ হয়। যদি তাকে জিগেষ করা হয় বুয়া আসেন নাই ক্যান?

এই মোটামুটির উপর পার করা একটা দিন!

লিখতে চাচ্ছিলাম আরেক জিনিশ কিন্তু এখন আর তা লেখতে মন টানছে না। আর জানাযার নামায পড়ে এসে কারো মন মেজাজ ভালো থাকবে এইটা শাওনের জামাই এর লেখা উপন্যাসের হিরোদের পক্ষেই সম্ভব আমার জন্য না। আমি গড় পড়তা একজন মানুষের চেয়েও সাধারন মানুষ তাই জানাযার নামায পড়ে এসে আমার মন ভালো থাকেনা। কিছুদিন আগে আমি মসজিদ ভাঙ্গা নিয়ে কিছু লেখছিলাম সেই মসজিদেরই বড় ইমাম মারা গেছে। সকাল বেলাতেই এই খবর পেয়েই ৭ টায় ঘুম ভাঙ্গছে। যিনি মারা গেছেন তিনি নোয়াখালীতে। তার লাশ সন্ধ্যায় আসবে তার বানানো মসজিদ মাদ্রাসার সামনে। তিনি কেমন লোক ছিলো আমি জানি না জানতেও চাই নাই কোনদিন। খালি আমার আর পুলকের সাথে দেখা হলেই বলতো বাজান আফনে কেমন আছেন?

আমি ঘরের হইনি বাহির আমায় টানে!

এমনিতেই কচ্ছপ গতির ইন্টারনেটে দিন চলে না তার ভিতরে জিপির মডেমও কানেক্ট হয় না। কি দিনকালে আছি আজ নিতান্তই কপালগুনে জিপি মডেম কানেক্ট হলো। তাই ভাবলাম পোষ্টটা লিখে ফেলি। কিন্তু জিপির নেট তাই ২০ মিনিটে পেজ লোড হলো। কি যে ধৈর্য নিয়ে থাকি তা পাবলিকরে কেমনে বুঝাই!

একটা সকাল যেমন হয়

সাধারনত ঘুম থেকে সকাল সকাল উঠি। প্রতিদিন না পারলেও চেষ্টা করি। কিন্তু যখন শরীরটা ভালো থাকেনা তখন আর এই রুটিন মানা হয় না। যেমন গত কিছুদিন যাবত শরীরটা ভালো না জ্বর ঠান্ডা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার কারনে ১২ টায় ঘুমাই নয়টা-দশটায় উঠি দিনটায় যায় বাজে ভাবে।

প্রশ্ন গুলো সহজ আর উত্তরওতো জানা

সবাই দেখি বই মেলা নিয়া লিখে। বইমেলা আমার জন্যও একটা বিশেষ উপলক্ষ্য বই মেলা। চিটাগাং এ থাকতে ভাবতাম কবে টিভি বাদ দিয়ে কিউট চ্যানেলআই বই মেলা প্রতিদিন অনুষ্ঠানটা মেলায় গিয়ে দেখতে পারবো। ঢাকা এসে মুলত স্বপ্নভঙ্গের শুরু। যারা বই মেলার স্টার তারা দেখি আমার চেয়েও সহজলভ্য। তাদের একটা জবর জং বই কিনে পাশে দাঁড়ালেই দুনিয়ার আলাপ শুরু করে দেয়। যাই হোক বই মেলা নিয়া স্মৃতিচারন করার অনেক সময় পাবো। আজকে সময় নাই।

দিনে দিনে বয়স বাড়ে...

জানুয়ারী মাসটা আমার খুব প্রিয় মাস। স্কুলে ঠিকঠাক মতো ক্লাস হতো না চলতো স্পোর্টস। আর এই চান্সে আমরা আমাদের মতো খেলাধুলায় মত্ত থাকতাম। কিন্তু সবাই না বেশীর ভাগই ছেলে স্কুলে যেয়ে প্যারেডের জন্য কাজ করতো। ঐখানেই থাকতো। আমাদের হাউজ সিস্টেম ছিলো অনেকে ছিলো হাউজের নেতা। তখন তো আর বছরের প্রথম দিনেই বই দিতো না শেখ হাসিনার মতো তাই আমাদের দিন কাটতো খেলাধুলা আর হাসি তামাশা আড্ডা দিয়ে। কিন্তু প্রিন্সিপাল কমান্ডার মোসলেউদ্দিন সাহেব ছিলেন এক পিস তিনি তার জিপ হাকিয়ে আমাদেরকে খুজতেন। মাঝে মধ্যেই ধরা খেতাম। আর খাইলেই সেই মুহুরতেই মাইর স্টার্ট এরপর কলেজে নিয়ে গিয়েই বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে দাড় করিয়ে রাখা। এরপর কিছু দিন এই অপমানে মন খারাপ থাকতো। এমন সব অপমান করা মুহুর্তেই আসতো আমার জন্মদিন। খুব মেজাজ খারাপ থাকতো। স্কুলের জীবনে কোন কালেই আমি জন্মদিন নিয়ে খুব একটা ভাবতাম না। বাসাতেও তাই ছিলো জন্মদিন মানেই ভালো মন্

টাইফুনের গতিতে কাটিয়ে দেয়া সময়

কোন কোনো লোক কয় তাদের নাকি সময় কাটে না। আমি তো দেখি আমার সময় খালি শার্প ব্লেডের মতো কাটতেছেই মসৃনভাবে। এই গত ১ মাস যে কত ব্যস্ততায় গেলো টেরই পাইলাম না। ভাইয়া-ভাবি আসলো দেশে কিন্তু এতো অল্প সময়ের জন্য যে বুঝতেই পারলাম না।তবে ভাইয়া-ভাবীর আগমনে মন মেজাজ খুব ভালো ছিলো,তাদের মেয়েকে দেখতে পারা,বাড়িতে যাওয়া সব মিলিয়ে দিন গুলো ছিলো গত বছরের সেরা দিন গুলোর অন্যতম। তারপর ক্রমাগত পিছাইতে থাকা ডি ইউ এর ইএমবিএ পরীক্ষা ৬ তারিখে আনলো। কীভাবে জানি চান্স পেয়ে গেলাম। চান্স টান্স পেয়ে মন মেজাজ ভালো। বাপ মাও খুশি কিন্তু দিন গুলো যে চলে গেলো বুঝলামই না। ব্লগে নিয়মিত হবার কথা ছিলো তাও পারলাম না।তবে সামনে অফুরন্ত সময় এমবিএর উসিলায় আরও কিছু দিন বেকার থাকার মজা ভাবের সহীত নেয়া যাবে। এই কথা ভাবতেই শান্তি পাইতেছি। কিন্তু আপসুস হলো সামু ব্লগের এককালের স্টার নাদান সাহেব বিয়া করলো এই ব্যাস্ততার উসিলায় যোগাযোগ করতে পার

বন্ধুদের বিবাহের খায়েশ পূরন সমিতি!

শরীরটা ভালো না।কেমন জানি বমি বমি লাগতেছে তাই আড্ডা ফেলে বাসায় এসে পড়লাম।এসে দেখি শরীর কোনো খারাপই না।বাসায় বসে কী করবো ভাবছিলাম এমন সময় ভাবলাম এবিতে একখান পোষ্ট মাইরা দেই।কিন্তু কি নিয়ে লিখবো তা ভেবে পাইতেছিলাম না তখনি হঠাত ২০০৯ সালের কথা মনে পড়লো।ভাবলাম লিখেই ফেলি আজাইরা এক কাজ কর্মের ফিরিস্তি।

সামু ব্লগে এখন যাই না একেবারেই।লোকজন পড়ে মাঝে সাঝে আমি তাও যাই না।সামু ব্লগে সব সময় বিবাহ নিয়া যে কোন আলোচনাই হিট।বিশিষ্ট বড় ভাইজান-আপুদের দেখতাম বিবাহের সিরিয়াল নিয়ে খুব আলোচনা হয়তো।কার আগে কে থাকবে?সেইখানে আমাদের বলা হইতো 'পোলাপাইন রাস্তা মাপো।এই খানে কি?'আমি ভাবতাম বিবাহ করতে ব্লগের সিরিয়াল কেন নিতে হবে?মন চাইলে বিবাহের পরিবেশ পাইলেই বিয়া করবা!ব্লগের আলোচনার খেতা পুরো!

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

খেলা দেইখা প্রচন্ড মেজাজ খারাপ।কোথাও গেলাম না বন্ধুরা সবাই মিলে পুরান ঢাকা ট্যুর দিলো মনিরের গাড়ীতে বিকালে আমি বললাম বাংলাদেশ জিতবে আজ,আজ আমি কোথাও যাবো না।এই ভাবেই যে ধরাটা খাবো ভাবি নাই আগে।কি আর করা, ভেবে কি আর হবে!

জীবনের অপর নাম জেনেছি বাশ
লাভ হবে কি ছেড়ে দীর্ঘ শ্বাস!(স্বরচিত)

নেট নিয়া আছি ফ্যাসাদে।জিপির ১ জিবি শেষ হয় ৭ দিনে।কি সোলেমানী বান মারছে আল্লাহই জানে।স্পীড তো অনন্তর সিনেমা খোজ দ্যা সার্চের মতো।সেই ব্যাটার আরো দুইটা সিনেমা আসতেছে।রিদয় ভাঙ্গা ঢেউ আর মোস্ট ওয়েলকাম।সার্চ ২ এরো কাজ শ্যাষ প্রায়।ঐ হালার একখান পি এর জব ভেকেন্সী দেখছিলাম।সেইখানে তার এসিট্যান্টকে অবশ্যই আইবিএর এমবি করা আকর্ষনীয় চেহারার ছেলে/মেয়ে হতে হবে।আমি কই হালার পো আইবি এ তো দূরে থাক আমার মতো বলদ ও তোর চাকরী করবে না যদি না তোর মতোই ছাগল না হয়।

সিয়োন ফ্রী ব্যাপিষ্ট চার্চ

লেখতে ইচ্ছা করে অনেক কিছু কিন্তু জিপির নেট যে জাহান্নাম তাতে আগ্রহ পাই না।আর টিভি দেখে পড়াশুনা করে চায়ের দোকানে দেদারসে সময় চলে যায় আর বাকি সময় যায় ফেসবুকে।এই বুইড়া বয়সে যে এমন ফেসবুকের ভিমরতি পাবে তা আগে ভাবি নাই।আগে ব্লগে বসলেই নিজেরে দেশের সব চেয়ে সচেতন নাগরিক মনে হতো!তখন কেউ ফেসবুকের আলাপ করলেই বলতাম ভাই আমাদের আজাইরা সময় নাই যে ফেসবুকে বসবো!এখন কালের বিবর্তনে ফেসবুক ছাড়া জীবনটারে চা-হীন জীবন মনে হয়।যাই হোক তাই কাজ কাম না থাকলে ফেসবুকেই বসে বসে সামাজিক যোগাযোগ মেইন্টেন করি!

আবারো টিভি দেখা আবারো ঈদ!

গত তিন দিন ধরে ঢাকায় আসছি।কিন্তু দিনগুলো যে এত ব্যাস্ততায় গেলো টেরই পেলাম না।যাই হোক এসেই পোষ্টটা দেয়া উচিত ছিলো কিন্তু সময় পাই নাই।তাই টপিকটা বাসি হয়ে গেলো।কাহিনী সেই আগের মতই।ভাবছিলাম এবার ঈদে বাড়ীতে যাবো না।চিটাগাং যাবো।কিন্তু আম্মুর ঝাড়ি খেয়ে সব প্ল্যান গেলো জাহান্নামে।যেতে হবেই বাড়ীতে।টিকেট নিয়ে ঝামেলা হয় নাই।মামাই কাটছে।ভয় ছিলো যমুনা/এগারোসিন্ধুর ১০-১২ টা বগী আগুনে পোড়ার পরে সত্যিই ট্রেন আসবে কিনা?আসলেও কবে?দেখলাম তিন ঘন্টা লেটে ট্রেন হাজির।মনে ঈদের খুশি।কিন্তু ট্রেনে উঠে দেখি আমাদের যে সীট তা থেকে শুরু করে৩০ টা সিট নাই।আগেই বলছিলাম নিকোলাস কেইজের মতো মামা আছে আমার।তাই টিটি কে এনে কথা বারতা কিছু শুনানো হলো।সাথেই সাথেই ট্রেনের যে পাউয়ার সিষ্টেম আছে সেখানে জায়গা হলো ঠিক মতো।কিন্তু জেনারেটরের আওয়াজে টেকা দায়।কিন্তু আস্তে আস্তে ট্রেন চলার সাথে সাথে আওয়াজো সহ্য হয়ে গেলো।মাঝরাতে বাড়িতে আসল

যতটুকু মুখ ততটুকু কথা!

গত দুই পোষ্ট যাবত পোষ্টে আসা মন্তব্যের কোনো জবাব দিতেছি না।এইটা এমন না যে আমার হাতে সময় নাই বা সুশীল হবার কোনো চেষ্টায় আছি।আসলে জবাব দেবার কোন দরকার আছে কিনা?কিংবা দিলে কি বলবো তাই ভেবে পাই না।তবে এত কিছু ভাবি না।এইখানে যারা আমারে ভালও পায় তারাই ভালোবেসে কমেন্ট করে তাই বলার কিছু নাই।তাদের জন্যই মশার কামড় খেয়ে কারেন্ট যাবার চিন্তা মাথায় নিয়ে আমার এইসব ছাইপাস লেখার চেষ্টা!

বুলডোজার

কাহিনী তেমন জটিল কিছু না।বিশাল বড় এক বুলডোজার সাথে দেড়শ পুলিশ একজন স্মার্ট ম্যাজিষ্ট্রেট এসে খাল উদ্ধারের নামে গুড়িয়ে দিয়ে গেলো খালের উপরে দখল করা কিছু স্থাপনা।আপাতত আগামী ৭-৮ দিন অভিযান বন্ধ তাই ভাবলাম এই নিয়ে কিছু লেখি।এই আর কি!

বেকারের দিনকাল ও টিভি সমাচার

মন মেজাজ খুব ভালো।এক বন্ধু আসছে চিটাগাং থেকে তাকে নিয়ে ঘুরে ফিরে বাইরে চলতেছে গত দুইদিন।সব কিছুতেই তার খুব আগ্রহ ঢাকা শহর নিয়ে।তাই এই রোদের মধ্যেও সারাদিন ধরেই বাইরে দিন যাচ্ছে।বাড়ি থেকে ফেরার সময় মন মেজাজ ভালও ছিলো না।ট্রেনে উঠতে না উঠতেই ঢাকায় ফেরার সময় সেটটা হারালাম তাতে মেজাজ একটু খারাপ ছিলো এখন সব ঠিকঠাক।মুবাইল ও নেট ছাড়া ভালোই দিন পার করতেছি।বাসায় নেট নাই তাই সাইবার ক্যাফেতে হেডফোন একটা কানে দিয়া ইউটিউবে গান শুনতে শুনতে পোষ্টটা লিখতেছি।