ইউজার লগইন

আরাফাত শান্ত'এর ব্লগ

নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময় অংশ তিন!

ভেবেছিলাম শাহবাগ নিয়ে লিখবো না আর। কারন চারিদিকে এতো বেশী এই নামের লেখালেখি, তাদের এতো শতো ভালোবাসার আবেগের লেখার ভীড়ে আমার সরল দিনলিপির ঠায় কই? তাও লিখি কারন আমার লেখাতো কীবোর্ড টেপার কষ্ট ছাড়া আর কোনো কষ্ট নাই। লেখা যদিও অনেকে ভালো বলে তাও আমি আমার লেখার কোয়ালিটি নিয়া মোটেও সন্তুষ্ট না। তারপর আছে আবার বানান ভুল আর যতি চিন্হ ব্যাবহারের ভুল ভ্রান্তি। তাও লিখি কারন লেখাতেই যাত্রা লেখাতেই শেষ, আমি ভালো আছি এই নিয়ে বেশ!

নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময় অংশ দুই!

আজকেও যে পোষ্ট লিখবো সেই ইচ্ছা ছিলো না। ইদানিং এতো ঘন ঘন পোস্ট দিচ্ছি নিজেরই বিরক্ত লাগে। তাও লিখি। যারা পড়ার তারা পড়ে নেয়। অন্যেরা হয়তো মুখ ভেংচায়। তাতে আমি ওতো ভাবি না। লেখার সময় সুযোগ থাকলে ব্লগ লেখা কঠিন কিছু না। আর ব্লগ লেখাকে আমি নিতান্তই সরল দিনলিপিতে পরিনত করছি তাতে আমার জন্য সুবিধা হলো যাই ঘটে বলতে ইচ্ছা করলে বলে দেই। অনেকেরই দিনলিপিতে অনেক কিছু বলার থাকে কিন্তু সুযোগ, সময়, ভাষা পায় না। আমার দিনলিপি গুলো ভাষা পায় এতেই আমার আনন্দ।

নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময়!

যাপিত জীবনে কিছু সময় আসে এরকম যখন প্রতিটা মুহুর্তকে দামী মনে হয়। ইচ্ছে করে সবটুকু অনুভব দিয়ে উপভোগ করি কিন্তু উপায় থাকে না। সময় চলে যাবার পরে বুঝা যায় কি চলে গেলো এই এক নিমিষে। আমরা যারা ছয় সাত বছর ধরে ব্লগে ফেসবুকে ডায়লগ বাজী করে বেড়াই, তাদের জন্যে স্বপ্নের মতো কিছু দিন যাচ্ছে। কেউ কোনোদিন ভাবতেই পারে নাই ফেসবুক ব্লগের যুদ্ধাপরাধ বিরোধী সেন্ট্রিমেন্ট এরকম গনরোষে পরিনত হবে। ফেসবুক ব্লগে বিপ্লব হয় তা আরব বসন্ত থেকে জেনেছি। কিন্তু এই শীত পালানো মাঘের দিনগুলোতে এরকম কিছু হুট করেই হবে ভাবি নি। ধারনা ছিলো কাদের মোল্লার ফাসি হবে। সবাই খুব খুশী হবে। ছবির হাটে অনেকে মিস্টি খাবে। কিন্তু হলো যাবজ্জীবন। একজন মানুষ খুনী ধর্ষক কসাইয়ের শাস্তি জেলের আটার রুটি খাওয়া তা আমার চিন্তারও বাইরে। কালকেই এক সামান্য ইভেন্ট থেকে অনেক মানুষ হয়ে জানান দিছে এ রায় মানার কোনো উপায় নাই। আজ তার পুর্নতার দিন। আন্দোলন চলছে। কাল সকালে হরতাল হীন শাহবাগে কিভাবে কি হয় পুলিশ কি আচরন করে? তা দেখার জন্য তর সইছে না।

ভালো থাকার কিছু নেই!

ভালো লাগতেছে না হুট করেই। এমনিতে আমি অবশ্য খুব খারাপ থাকি না। তবে আজ কেনো জানি না প্রচন্ড বিষন্ন লাগতেছে। ক্রিকেট খেলে মন মেজাজ হালকা ছিলো কিন্তু তা আর থাকলো না। কসাই কাদেরের ফাসী হলো না এইটা ভাবতে ভাবতেই বারবার মন খারাপ হয়। যদিও আইন আদালতের বিষয় নিয়ে আমার মাথা ব্যাথা কম থাকে। তাও খুব জানতে ইচ্ছা করে এতো মানুষ মেরে শিশু ধর্ষন করেও যদি নিস্কৃতি পায় তাহলে আদালত থাকার মানে কি! ভাবতেছিলাম এতো আশা করে আমাদের ভোট দেয়া, এতো এক্টিভিজম সব কি তবে বিফলে! জানি না ভাবতে ইচ্ছা করতেছে না। অন্য চায়ের দোকানে বসে আছি। চারিপাশে চায়ের দোকানে ছোটোবড়ো লোকজন বসা। কিন্তু কারো সাথেই কথা বলতে ইচ্ছা করতেছে না। শাহবাগ যাবার কথা ছিলো বেরও হলাম কিন্তু যাওয়া আর হলো না। বন্ধু লতা গেলো না কিন্তু আমি বাসা থেকে বের হয়ে চায়ের দোকানে আসলাম। আছি তো আছিই বসেই। কত হাসির কথাবার্তা চলছে তাও হাসছি। সাইফ বললো চলেন ভাই সাব হাটে গিয়ে ইয়া বড় বার্গার খেয়ে আসি। আমি বললাম রীচ ফুড খেতে খেতে ক্লান্ত আর কতো! এদিকে দুপুরে আম্মুর সাথে কথা হলো। আম্মু বলে বাড়ীতে আসবিনা? আমি বললাম জব টব নাই বাড়ীতে যেয়ে কি করবো, ক্লাস তো চলে কিভাবে আসি?

অনিবার্য অলসতার দিনকাল

শরীর জুড়ে ক্লান্তিময় বিষন্নতা। তাও ভাবলাম লিখে ফেলি পোস্ট। পোষ্ট লিখলেই কাজ শেষ নয়তো মনে হয় ব্লগে লিখলাম না কেনো। ব্যাসিকেলি আমি অলস লোক না। ঘুমাতে অতো বেশী ভাল্লাগে না। কেউ কোনো কাজ দিলে আর আমি তা করতে পারলে মানা করি না। নিজের পকেটের পয়সা খরচ করেও অনেকের অনেক কাজে নেমে গেছি। তাই বলা যাবে না আমি অলস। তবে আমি নিজে অনুভব করি যে আমি খুব অলস। নয়তো এই চায়ের দোকানে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকা কোনো নরমাল মানুষের জন্যে সম্ভব না। এমন না যে সব সময় অনেক লোকজন থাকে। এমন অনেক সময় গেছে যখন আমি আর চায়ের দোকানদার বাদে কাক কুত্তাও নাই। বসে আছি আছি তো আছিই একটানা একি ভাবে। এই অন্তহীণ অলস সময় গুলো আমি অন্য কিছু করলে নিশ্চই অনেক কিছু হয়ে যেতো। শুধুমাত্র বাসা থেকে পড়াশুনাটা করলেও অনেক গুলা বই শেষ করা যেতো, যা অনেক দিন আমার আলমারি হীন ঘরে ফ্লোরে পড়ে আছে।

দশ বছর!

মিশ্রিত দিন রজনী পার আমার পছন্দ না। হয় দিন ভালো কাটবে নয়তো দিন খারাপ কাটবে, হয়তো মন ভালো থাকবে নয়তো মন তুমুল খারাপ থাকবে। এই মোটামুটি ভালো খারাপের মিশ্রনের দিন আমার পছন্দ না। নানক সাহেব রাস্তার উন্নয়ন করবে খাল কাল্ভার্ট দিয়ে ঢেকে দিবে তাই নান্নুর দোকান চলে গেলো। অবশ্য দোকান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তা তিন চারদিন ধরেই জানা। নান্নু সাহেবের ইচ্ছা ছিলো দোকান চলে গেলেও খোলা আকাশের নিচে দশ পনেরো দিন রেখে ব্যাবসা পাতি করবে বাকীর টাকা উদ্ধার করবে। কিন্তু তা আর হলো না। কাল যদিও বালুর বস্তায় বসে খোলা আকাশে বসে নান্নুর অস্থায়ী বাক্সো দোকানে চা খেলাম। আজ আর কপাল নেই। সকালেই পুলক ফোন করে বলে দিছি নান্নু বন্ধ। তাও বের হলাম গা গোসল করে। সেলিমের দোকান আছে সোসাইটি পাচের মেইনরোডে সেইখানে যেয়ে নিজেরে এতীম এতীম লাগলো। তাও বসে রং চা খেলাম। চাদপুরে বাড়ী সেলিম সাহেবের তার দোকানে কম বসা হলেও পুলকের কারনে তিনি আমারে পায়া অত্যন্ত খুশী। চা খেলাম বসে থাকলাম। এমন সময় এক সমবয়সী লোক তার বন্ধুকে বলতেছে আওয়ামীলীগ বাদে আর কেউ জনস্বার্থ দেখে না। কথাটা নান্নুর দোকানে কইলে তারে আমি জিগাইতাম জনস্বার্থ জিনিসটা কি আগে বুঝায়া কন। কিন

বই পুস্তকের মেলা খেলায়!

অনেক দিন দুপুরে পোষ্ট লেখি না। সেই সামুর আমলে দুপুরে পোষ্ট লিখতাম সকাল জুড়ে ব্লগে বসে থাকতাম। দিনগুলো ছিলো অন্যরকম। তখন মনে হতো ব্লগে থাকার চেয়ে গুরুত্বপুর্ন কোনো কাজ থাকতে পারে না আর। যাই হোক ব্লগের জায়গায় এখন ফেসবুক। মোবাইল দিয়ে ফেসবুক দেখা সংযোগ থাকা খুব ইজি কাজ। তার জন্য কোনো বাড়তি এফোর্টের প্রয়োজন নাই। কিন্তু ব্লগিংটা আসলে পিসিতে বসেই করার জিনিস। যদিও আমি মোবাইলে লিখতে পারি পোস্ট ভালোই। তাও সেটা ঠেকায় পড়েই। কিন্তু ব্লগিং জিনিসটা কম্পিউটার ল্যাপটপেরই ব্যাপার। ফেসবুকের মতো তা এতো ইউজার ফ্রেন্ডলী আইটেম না। আর ফেসবুক দিয়ে দ্রুত সবার কাছে চলে যাওয়া যায়। ধরেন আমি কালকে একটা লেখা শেয়ার দিলাম বা ইদানিং দিতেছি তাতে চায়ের দোকানের বন্ধু বান্ধবেরা পড়ছে আর এসেমেস করে বলে শান্ত ভাই আপনি তো আমাদের নিয়া সেরকম লেখা লিখে ফেলেন। আপনার লেখার হাত দারুন। অথচ আমি যে ব্লগে লিখি কোন ব্লগে কি লিখি তা কেউ জানে না অথচ ফেসবুকের এক শেয়ারের উসিলায় সব কিছু পড়ে ফেললো। এইটাই ফেসবুকের শক্তি।

ব্ল্যাক টিশার্ট

কালকের ঘটনা এক ছোটো ভাই চায়ের দোকানের। তার সাথে রিক্সায় গিয়েছিলাম আজিজে। সাধারনত আমি আজিজে গিয়ে বিদিত বাদে আর মনির সাহেবের চায়ের দোকান এইটুকুতেই যাত্রা মাঝে মধ্যে প্রথমাতে বই দেখা সেইখানে কিছু স্টার টাইপের লোকজনের আনাগোনা হজম করা এতোটুকুই কাজ আমার। আগে লিটল ম্যাগের ওদিকে খুব যেতাম একা একাই পড়তাম কিনতাম কিন্তু লিটলম্যাগ ওয়ালারাও যেমন সাহিত্যের ভরংবাজ আমিও তেমনি তাই আর যাই না। কিন্তু সাইফের সাথে গেলাম সাইফ কিনবে ব্যাগ। ব্যাগ পছন্দ করে রাখছে গ্রাসহুপারসের কিনে ফেলবে। সাথে তার কোর্তা কেনার খায়েশ হইছে আমি তাকে বুদ্ধি দিলাম আরটিস্টিতে গেলে ভালো পাবা সে কইলো ভাই ব্রাকে পড়লেও আমার অতো হেডম নাই তাই আজিজেই খুজি। আজিজে কোর্তা পাওয়া গেলো না। ব্যাগও শেষ লাভের লাভ হলো আমি একটা লেইড জ্যাপলিন মার্কা গেঞ্জী পাইলাম আর গ্রাসহুপারস থেকে কিছু খাতা আর কলম কিনলাম। ফেরার সময় ডিভিডি কিনলাম। দোকানদার আশস্ত করলো আমারে অন্তত সতেরোটা ছবি ভালো দেখতে পারবেন। আমি হাসতে হাসতে উনারে কই বাংলাদেশের চেয়ে সস্তা সিনেমা দেখার দেশ আর হয় না ৭০-৮০ টাকাতে গড়ে আটটা নয়টা ছবি কোনওরকমে দেখা যায় এরকম কপাল কয়দেশের আছে।

No Cull Dhaka!

ঠান্ডা আবার ফিরে আসছে। কুয়াশা নেই কিন্তু রাতে ব্যাপক বাতাস। আমারো শরীরটার অবস্থা বিশেষ সুবিধার না। তাও হাসছি ঘুরছি দোড় ঝাপ করছি মন খারাপ হয়ে পড়ে থাকি সব চলছে এক সাথে। সাধারনত দিনলিপির পোষ্ট তাৎক্ষনিক যে দিন গেলো তাই নিয়ে বললেই ভালো। কালকে পোষ্ট দিতাম ভাবলাম চব্বিশ ঘন্টার ভেতরে দুইটা পোষ্ট দেয়া আবার নীতিমালার খেলাপ কিনা কে জানে দরকার কি ঝামেলার কাল তো পড়ে আছেই রাতে বসে লিখে দিবো। আর ব্লগে দেখলাম জেবীন আপু পোস্টাইছে, মীর ভাই পোস্টাইছে, হাসান আদনান,স্বপ্নচারী, শাহরিন রহমান এদেরও দারুন পোষ্ট আরো অনেকে হয়তো পোস্ট দিবে এইটা ভাবতে ভালো লাগতেছে ব্লগটাও আমার মতো। স্লথ গতিতে চলছে থেমে নাই। দেখা যাক কী হয়!

গা বাচিঁয়ে চলা সুখের দিন গুলো!

ভেবেছিলাম কয়দিন আর পোস্ট টোস্ট দিবো না । কারন ব্লগের হোমপেজে আমারই পোস্ট থাকে তিনটা এইটা কোনো কথা হইলো কাজের। তার ভেতরে আমার ঘুমন্ত পাঠক শ্রেনী যারা বাস্তব জীবনে জিগিরের লোকজন বলা শুরু করছে যে আমি নাকি দিনলিপি জোর করেই দিচ্ছি অযথাই। এতো লেখার প্রয়োজন ছিলো না এমন কি একজন বলেছে আমি নাকি বাথরুমে গেলেও তা নিয়ে ব্লগে লিখবো। কত বড় আপত্তিকর কথা যদিও তাদের কথা আমার সামনে পাত্তা পায় নাই। মাইনষের সামনে চুপচাপ থাকলেও বন্ধুদেরকে ফাপড়ের উপরে রাখি সবসময় সেই সুত্রেই বললাম ব্লগ মানেই তো অন্তর্জালিক ডায়রী। নিজের ব্লগে মানুষ নিজের দিন যাপনের ফিরিস্তি দেয় আমি তা একটা ভালো লাগার ঝিমানো ব্লগে দেই এইতো। যারা ভালো পায় তারা পড়ে যারা ভালো পায় না তারা পড়ে মনে মনে বলে আজাইরা প্যাচাল। কিন্তু এই আজাইরা প্যাচাল কত কষ্ট করে স্লো পিসিতে লেখি তাতো পাবলিক বুঝে না। তার ভেতরে রাজশাহী ভার্সিটির লেকচারার একটা এলেক্সা রেটিংয়ের ফিরিস্তি দিলো তাতে মনটা খারাপ হলো। যদিও জানা কথাই তবুও আহারে আমার প্রিয় ব্লগ তার এই হাল!

লাইক এ্যা ডায়মন্ড ইন দ্যা স্কাই!

শিরোনামটা একটা ইংরেজী ফিকশনের নামে। লেখক সাজিয়া ওমর বাংলাদেশী। যখন নিউএইজে চিঠিপত্র লিখতাম নিয়মিত আর তারা ছাপাতো তখন এই বই ও লেখিকার নাম খুব শুনা। ইন্ডিয়ান প্যাংগুইন থেকে বই প্রকাশ করছে। এতো দিন পরে আমি বইটা পড়া শুরু করছি কারন নীলখেতে ১০০ টাকা কিনে ফেলেই রাখা ছিলো পড়া আর হয় নি। শিরোনামটা পছন্দ হইছে তাই লাগিয়ে দিলাম বইয়ের নামে। বইটা পড়া শেষ হলে একটা পাঠ প্রতিক্রিয়া হয়তো লেখা যেতো কিন্তু এখন তা আর লিখছি না। তবে অনেকের কাছেই বইটা খুব ভাল লাগছে আমার কাছে লাগবে কিনা জানি কারন ইংরেজী বই আমি টেক্সট আর নিউজপেপার ছাড়া পড়ি না আর চেতন ভগত অরুনদ্যোতি রায় ছাড়া কারো বই মন জয় করতে পারে নাই যদিও বন্ধু অঞ্জন অনেক চেষ্টা করছিলো অমিতাভ ঘোষ গেলানোর পারে নাই। বাংলা বই এখনো হাজারে হাজারে পড়া বাকী তা বাদ দিয়ে পুজিবাদী ভাষা চিন্তা মাথায় নিয়ে আমার সিডনী সেল্ডন বা মারিও পুজো পড়ার আহলাদ জাগে না। প্রতিদিন নিউএইজ কিনে পড়ি, ইংরেজীতে লিখে এক্সাম পাস করি তাই ভালো এরচেয়ে বেশী আর দরকার নাই দেশে থাকলে!

পিকনিক আপডেট

চারিদিক থেকে দাবী শান্ত পিকনিক নিয়া পোষ্ট দেও। তানাবীরা আপু মেসেজ পাঠাইছে, হেলাল ভাই আস্থা রাখছে, গৌতম দা সবার নাম রাখতে বলছে আরো চারিপাশের মানুষজন বলতেছে শান্ত পিকনিক নিয়া একটা ফাটায়া পোষ্ট দেও। আসলে ফাটানোর মালিক আল্লাহ আমি তো শুধু উসিলা মাত্র। যেহেতু সবার মুখে শুনি আমি নাকি দিনলিপি ভালো লিখি আমার নিজের অবশ্য দিনলিপি ছাড়া কিছু লিখতে পারিনা বলেই লিখি তাই দিনলিপির মতো করেই পোষ্ট শুরু করি!

অনলাইন-অফলাইন

সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই মেজাজ খারাপ। বেলা দশটা অবধি যেদিন ঘুমাই সেদিন আমার অত্যন্ত বাজে কাটে কিছুই মন দিয়ে করা হয় না। সকালে উঠে বিবিসি বাংলা শুনবো ব্লগে ফেসবুকে ঘোরাফেরা করবো তারপর দু তিনটা পত্রিকা পড়বো নিজে রং চা বানাবো ড্রাইকেক বিস্কিট খাবো তারপর আস্তে ধীরে বাইরে বের হবো তাহলে না হয় একটা পারফেক্ট সকাল উদযাপন হয়। এরকম না হলেই সব কিছু বিগড়ায়। উঠেই মুখ ধুয়ে বাইরে চলে যাই দিনটা কাটে জঘন্য। আজকেও তেমন ভাবেই বের হ্লাম। নিউএজ কিনে হাটতে হাটতে গেলাম হোটেলে। কোনো এক অদ্ভুত কারনে সেই হোটেলের এক খাবার পরিবেশকের চেহারা আমার বন্ধু হাসিনের মতো। তাকে অপ্রস্তুত হয়ে দেখলেই আমার কাছে হাসিন বলে মনে হয়। আর আমাকে দেখলেই তার শুধু নেহারী খাওয়াতে মন চায় কিন্তু আমি খাই মাসে ১ বার তা। এইটা খুব জটিল একটা সমস্যা। সমস্যাটা নিয়ে ভাবতে হবে। যাই হোক নাস্তা করলাম সামান্যই। মুগডাল আর রুটি আর বিস্কুটের গুড়া দেয়া বাজে চা। এরপর চায়ের দোকানে গিয়ে দেখি চায়ের দোকান বন্ধ। মেজাজটা হলো আরও খারাপ। নান্নু সাহেবের পিন্ডী চটকালাম মনে মনে। আরেক দোকানে চা খেলাম শান্তি পেলাম না কারন তারা বানাতে পারে না দুধ চিনি কম দেয়া কড়া লিকারের চ

চোরাবালি আসিতেছে

ধানমন্ডী গুলশান শাহবাগের অনেক জায়গাতেই এই চিকা মারা ছিলো অনেক দিন। খবরটা নতুন কিছু না ফারুকী গ্রুপের লোক রেদোয়ান রনি একটা ছবি বানাচ্ছে নাম তার চোরাবালি। ইন্দ্রনীলকে যেদিন আনছে ঢাকায় সেদিন থেকেই শুটিং শুরু সেদিন থেকেই প্রচারনা শুরু পুরোদমে। ইন্দ্রনীলের ঢাকায় কি ভালো লাগে, জয়া আহসান এই ছবি নিয়ে কি বলতেছে, হুমায়ুন ফরিদী মরার আগে কি বলেছে কবে সব পত্রিকার বিনোদন সাংবাদিকেরা ব্যাপক কাভারেজ দিছে বলা যায় অল্প পয়সার মার্কেটিং এজেন্টের জব নিয়ে। এমনকি টিভি চ্যানেল গুলাতেও একটা হাইপ তুলছে, আইটেম সং এর শুটিং খবর দিয়ে মনোযোগ কারছে তাই ব্যাপক প্রচারনার ছবি বলা যায়। রেদোয়ান রনিও চেষ্টার ত্রুটি করে না কলকাতার ইন্দ্রনীলকে এনে চমক দিছে, ইন্দ্রদীপ দাস গুপ্ত বিখ্যাত কলকাতার ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ডিরেক্টর তাকে দিয়ে কাজ করাইছে, মাদ্রাজ-বোম্বে থেকে পোস্ট প্রোডাকশন করাইছে নাটক সিনেমার শখানেক অভিনেতাদের কাজ করাইছে। বলা যায় সব দিক থেকেই অনেক আয়োজনের বিগ বাজেটের ছবি। কিন্তু এতো আয়োজনের ছবিতেও নায়ক নায়িকার অভিনয়ের কোনো জায়গা রাখে নাই ডিরেক্টর। সিনেমাটা যদি বলা হয় কার ছবি তবে আমি বলবো শহীদুজ্জামান সেলিমের অসাধারন অ

কত কি করার আছে বাকী...

সেই অনিবার্য অলসতাতেই দিন কাটছে। সেই কাপে কাপে চা খাওয়া, বিষন্ন মুখের আড্ডা, নানান কথা বারতা শুনেই আর কিছু বলতে বলতেই দিন যাচ্ছে সময় কাটছে। তার ভেতরে ফেসবুকে নাই সাথে এমবিএ ক্লাস নাই অন্তহীন অবসরে ক্লান্ত হই বারবার। সকালে ঘুম থেকে উঠে আর সেই আগের মতো পিসিতে বসার ব্যাস্ততা নাই তবুও উঠে যাই ভোরেই। রেডিওতে গান শুনি সাড়ে ছটায় বিবিসি বাংলার প্রত্যুষা শুনা হয় নিয়মিত হাত মুখ ধুয়ে আবার শুয়ে থাকি এবার শুনি প্রভাতী। প্রভাতী শুনা শেষ হলে এফ এম রেডিও গুলা সকাল সকাল কি গান শুনায় তা নিয়ে আগ্রহ চাপে খানিক সময় শুনেই বিরক্ত লাগে। তখন যে জামা পড়ে শুয়ে ছিলাম তা পড়েই চায়ের দোকান বরাবর রওনা দেই পথে নিউএজ কিনে নেই। চায়ের দোকানে বসেই দুধ চিনি কম চা খেতে খেতে বড় খবর সব গিলে ফেলি। পত্রিকা পকেটে ভাজ করে রাখি আস্তে আস্তে লোকজন আসে আড্ডা জমে কথা বাড়ে। কিন্তু নাস্তা করা হয় না। সকালে নাস্তা না করলে নাকি মেমোরী মাইর খেয়ে যায়। আমার গত ১ বছর ধরেই সকালে তেমন কিছু খাওয়া হয় না। এই চা কিংবা বেকারীর পচা কেক এই খেয়েই কাটাই। এই জন্যেই মনে হয় মেধাশক্তি এভাবে মাইর খাচ্ছে দিনকে দিন। আসলে সকালে নাস্তা করতে এখন একরাশ বিরক্ত লাগে