ইউজার লগইন

আরাফাত শান্ত'এর ব্লগ

বিষাদের দিন রাত্রী

ব্লগ লিখতে খুব ইচ্ছা করে। কিন্তু লেখা হয়ে উঠে না কারন সময় পাই না বলে। বেকার লোকেরা অনেক ব্যাস্ত। আর ব্যাস্ততা ভেঙ্গে যখন লিখতে বসি তখন মনে হয় এরচেয়ে গান শুনি ইউটিউবে। জোয়ান বায়াজ থেকে শুরু করে ইত্যাদির গান সব শুনি। মন মেজাজ ভালো না। দিন যায় বড়ই বিষাদময় সময় নিয়ে। ভালো বন্ধুর মারাত্মক এক্সিডেন্ট খুব মনোবেদনার কারন। তার ভিতরে পাচ মাসের পেটে থাকা বাচ্চার মৃত্যু দিন গুলাকে বিষাক্ত করে দিছে। হাসছি খেলছি ফেসবুক স্ট্যাটাসে দিয়ে পার করছি। কিন্তু মনে তীব্র একটা ব্যাথা অনুভব করি। যার উপর দিয়ে এতো বিপদ গেলো তাকে সান্তনা দেয়ার সাহস পাইনা যে আসলে কী বলা যায়। তাও ফোন দেই নরমাল কথা বারতা বলে স্বাভাবিক হবার চেষ্টা করি। সেও চেষ্টা করতেছে এইটাই একমাত্র ভালো খবর।

আনন্দ বিষাদের দিন রাত্রী!

ঢাকায় যখন বাবা মার সাথে ছিলাম, টিভি ছিলো তখন রবিবার ছিল মন ভালো থাকার দিন। রিসেন্ট কলকাতার সিনেমা, হিন্দী সিনেমা, ইংলিশ সিনেমা, যাবতীয় টিভিতে যা দেখায় তাই ভালো লাগে এই দিন। এমনকি সামান্য টিভি দেখার জন্যে আমি অনেক জায়গাতে যাই নাই যে মিস হবে বলে প্রোগ্রাম। যাই হোক রবিবার মানেই আবার ছিলো প্রথম আলো পড়া। আমার প্রিয় সাপ্লিমেন্টারী স্টেডিয়ামে চোখ বুলানো। ১৯৯৯ সালে তখন ক্রিকইনফো গোল ডটকম কিছুই চিনি না। চিনি খালি জনকন্ঠ, ভোরের কাগজের খেলা নিয়ে সাপ্তাহিক আয়োজন। তখনি পরিচয় হয় প্রথমআলোর স্টেডিয়ামের সাথে। গোগ্রাসে গিলছি ২০০৭ সাল পর্যন্ত। নিজে পত্রিকা কিনি নাই অন্যের বাসা থেকে পকেটে চুরি করে আনছি পড়বো বলে। রবিবার নিয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয় বন্ধু মহিউদ্দিন। তার বাবা কোন কোর্সে গেছিলো বিদেশ, আসার সময় ক্রিকেট সম্পর্কিত বই পত্রিকা আনছিলো কিছু। বাসা থেকে মিথ্যা বলে টাকা নিয়ে সেই বই পড়ছি ভাড়া দিয়ে। ইংরেজি তখন অতো ভালো বুঝি না কিন্তু ছবিওয়ালা সেই বইটা জগতের সেরা শান্তি এনে দিয়েছিলো। যাই হোক যখন থেকে নেটে বসা শুরু করলাম তখনই মনে হলো কোথা থেকে এরা এতো খবর জানে। খোজ পেয়ে গেলাম সবকিছুর। তারপর থেকে আগ্রহ কমতে থা

দিন আসে দিন যায়!

আবারো ফিরে আসলো দিন আরেকটা পোষ্ট লেখার। তিনদিন আগ থেকে ভাবছিলাম যে লিখবো কিন্তু পিসিতে বসলেই এখন কাজ একটাই ফেসবুক আর ইউটিউবে গান শোনা। বিলি জোয়েল থেকে শুরু করে মুজিব পরদেশী কত ধরনের গান যে আছে শুনছি এই পাচ দিনে। আমি আগে দেখা যাইতো কেউ লিঙ্ক দিতো পছন্দ হলে সেটা কনভার্ট করে অডিও তে শুনতাম। বা কোনো গান শেয়ার করতে হলে গানটা আগে মেলা কষ্টে বাফারিং করে শুনতাম তারপর সবাইকে শুনাতাম। এখন সেই দিন নাই এসে পড়েছে ওলও তা দিয়ে ইউটিউবের যেকোনো ভিডিও টেনশন ছাড়াই দেখা যায় কোনো বাফারিং ছাড়া। কি যে শান্তি মনে হয় কল্পরাজ্যে আছি। যে গান শুনি আরো খালি শুনতে ইচ্ছা করে। এইভাবে ধারনা করি বাংলা হিন্দী ইংরেজী মিলায়া চারশো সাড়ে চারশো গান শুনছি। ইউরোর ফাইনালের দিন ফাইনাল খেলা দেখছি নেটে বসে। আহা কী শান্তি। ভালো নেট আসলে মনে প্রশান্তি এনে দেয়। জানি না কয়দিন এমন থাকবে তবে যতদিনই থাকুক ১৫০০ টাকা উসুল। এই জীবনে বঙ্গদেশে থেকে কোনওদিন ভাবি নাই যে নেটে টিভি চালাবো তারপর খেলা দেখবো। তখন খালি জুম আল্ট্রার এডের কথাই খালি মনে পড়ে-
"এমন যে হবে তা কেউ ভাবে নি আগে"

মানুষ চেনায় আনন্দ!

কেমন আছি?

যে কারনে ব্যাচ গেটটুগেদারে যাওয়া হলো না!

বাসায় একা বসে আছি। মামা গেছে উত্তরা, খালার বাসায়। মন মেজাজ যথারীতি খারাপ। মন মেজাজ খারাপ না থাকলে আমার আবার ব্লগ লেখার মুড আসে না। গতকাল একটা বাজে এক্সাম হলো তাতে মন মেজাজ খারাপ। এরপর বাসায় আছি একা তাতে কেমন জানি একলা একা লাগতেছে।

মেঘলা দিন যাপন

এই প্রখর রোদের দিন গুলোতে কামনা করতাম একটাই কবে আসবে সেই মেঘলা বর্ষনমুখর দিন। বর্ষনমুখর দিন না আসলেও গত দুইদিন চমৎকার মেঘলা ঠান্ডা ঠান্ডা দিন পার করে মন মেজাজ দারুন । কারেন্ট থাকতেছে ভালোই। নানক সাহেব পদোন্নতি পেয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক হইছে। আগে তিনি ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক। তাতে মুহাম্মদপুরে আওয়ামিলিগওয়ালারা খুব খুশি। মিষ্টি খাইলাম ভালোই। কিন্তু বুঝলাম না নানক মিয়ার পদোন্নতিতে পাতি নেতারা এতো খুশি ক্যান?

টিভি দেখা বা না দেখা

এই পোষ্টটা তিনবার লেখার ট্রাই করছি। এক বার এমএস ওয়ার্ডে প্রায় লিখেই ফেলছি তখন বেকুব গিরি করে লেখাটা গায়েব করে ফেললাম আর দুই বার কারেন্ট গেছে। শরীর ভালো না। ঠান্ডায় নাক টানাটানিতে গরমে কাহিল অবস্থা। তার ভিতরে এত শ্রম ভালো লাগে না। চিটাগাং থেকে বন্ধু আসলো তেমন মজাই করতে পারলাম না। কাল যখন চলে গেলো পান্থপথে বাসে তুলে দেবার সময় ভাবলাম কিছুই তো হলো না কথা বারতা, খিলখিল করে হাসা, পুরা ঢাকা শহর ঘুরা সব মাইর খেয়ে গেলো এই গরম আর ঠান্ডা লাগার কারনে। সামান্য শরীর খারাপ যে এমন ভাবে মনে পরিচালিত করতে পারে তা আমার জানা ছিলো না।

বালের দিনযাপন

মেজাজটা টু হান্ড্রেড পারসেন্ট খারাপ। রাত জেগে একটা পোষ্ট লিখলাম বিসিএস টিসিএস পরীক্ষা দেয়া সাথে এই দিন যাপন নিয়ে। লেখা প্রায় যখন শেষ তখনি তিন মিনিটের জন্য কারেন্টটা চলে গেলো। ইউপিএস নাই তাও পিসিতে রিস্টার্ট সেশনে থাকে সবসময় মনে মনে সুরা এখলাস পড়তেছি আল্লাহ লেখাটা যেনো থাকে। দেখি লেখা টেখা কিচ্ছু নাই। রাগে দুঃখে স্তব্ধ হয়ে গেলাম। এতো কষ্ট করে লিখলাম আর সামান্য তিনমিনিট কারেন্টের জন্যে গায়েব হয়ে গেলো। এইটা কোন কথা হইলো। ফেসবুক ব্লগের লোকজন বলে আমি কেনো এতো বাল বাল করি। এখন তো বুঝলেন কেনো বলি বালের লাইফ। তাই মনের দুঃখে এখন মোবাইলে এই পোষ্টটা দিলাম। ঘুম আসতেছেনা এই দুঃখে। আগের মতো ৮ কাপ চা খাই না ৪ কাপেই দিন কাটাই রিকশাতেও ঘুরি না একাএকা বইপত্রও কিনি না তেমন। তবুও নানা ধরনের বাশেই আমার বসবাস। বাজেটের এই মৌসুমে সব কিছুরই দাম বেশী খালি আমার এই প্রতিনিয়ত আবেগ চাহিদাই ঢলা খেয়ে যাচ্ছে অবিরাম। কি আর করা!

পারো যদি দেখে যেয়ো বেচে থাকো কারে বলে/ এসো আমার ঘরে একবার!

লেখার কথা ভাবছিলাম অনেক কিছুই। ঘটে চারপাশে অনেক কিছুই। কিন্তু ব্লগে লিখতে গেলেই কোনো কিছু লেখতে আর ইচ্ছা করে না। তাই কাল থেকে একটা কিছু লিখবো বলে ভাবছি কিন্তু লিখতেছি পাক্কা ২৫ ঘন্টা পর। এমন না যে আমি মহান লেখক যে অনেক ভেবে স্বার্থক অনেক কিছু লিখবো। ঘুরে ফিরে আমার কথা গুলো একিই রকমের। তাই সময় নষ্ট না করে লিখে ফেলাই ভালো। তাতে দায় থেকে মুক্ত থাকা যায়।

এই পোষ্ট যখন টাইপ করছি তখন এই ব্লগের সবার খুব কাছের ব্লগার প্রামান্যচিত্র ও টিভি নির্মাতা খুব ভালো মানুষ হেলাল ভাইয়ের একটা ফেসবুক স্ট্যাটাসে চোখ পড়ে গেলো। স্ট্যাটাসটা হলো

দোযখের ড্যামো ভার্সন থেকে বলছি!

অধ্যাপক মোজাফফর সাহেব মারা গেলো। জ্ব্লজ্বল করে থাকা ব্যানারটা যখনি দেখি তখনি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলি আহারে কি শোকের ঘটনা! মোজাফফর সাহেবকে আমি চিনি টকশো মিডিয়ার মানুষ হিসেবেই। রাতের টকশো, টি আইবি থেকে শুরু করে সুজন সেখান থেকে বাপা তারপর মইন ইউ এর অমর বই এর মোড়ক উন্মোচন এইসবই খালি চোখে ভাসে। কোনো ধরনের বিশ্লেষন বা মতামত জানাবো না। সেরকম জ্ঞান বুদ্ধি আমার নাই। খালি একটা একান্ত ব্যাক্তিগত স্মৃতির গল্প বলি। বন্ধু এহতেশাম আর আমি গেছিলাম এক বিয়েতে। বিয়েটা কোনো সচিবের ছেলের বিয়ে সম্ভবত। এহতেশামের কি রকম জানি আত্মীয়। আমি বিয়ে নিয়ে টেনশিত না আমার ধান্দা ভালো জামা কাপড় পড়ে আসছি যখন ভালো মন্দ খাবো । বসলাম আগে ভাগেই আমি খাই নিজের খাবারের দিকে চোখ দিয়ে। অন্যের মুখের দিকে চাইলে খেতে ইতস্তত লাগে। তবুও মাংস নিতে যেয়ে একজনের দিকে চোখ গেলো। আমি এহতেশামরে বললাম ভাই ভদ্রলোকরে চেনা চেনা লাগে কেন? এহতেশাম অবাক হয়ে বললো মোজাফফর স্যারকে আপনি চিনেন না?

শেকড়ের টানাটানি

আবারো মোবাইলে পোষ্ট লেখার সাহস করলাম। এই সাহসের জন্য বেশি কিছু করতে হয় নাই খালি অসীম ধৈর্যের সাথে ঘন্টা দেড়েক মোবাইলের কিপ্যাড টিপতে হয়। তাতে ঘাড় ব্যাথা হয় কয়েল জ্বালানোর পরও কিছু মশার কামড় খেতে হয় এই যা। ১১ দিন ধরে জামালপুরেই আছি। কাল সকালে ব্রহ্মপুত্র নামে এক আন্ত: নগর ট্রেন আছে তাতেই প্রথম শ্রেনীতে করে ঢাকা শহরের উদ্দেশে রওনা দিবো। জামালপুরে সেভেনটি পারসেন্ট রেলের টিকেট ব্ল্যাকে চলে যায়। আর যে বাকী থার্টি পারসেন্ট থাকে তা পেতে ফজরে লাইনে দাড়িয়ে থেকে সকাল নয়টায় থেকে শুরু হবে টিকেট কেনা। আমার আব্বু অনেক ভালো দ্বায়িত্বশীল লোক তিনি ফজরে উঠে চলে যান আর দশটার সময় এসে এভারেষ্ট জয়ের আনন্দ নিয়ে বলেন এই নে তোর টিকেট। আমি আব্বুর এই কর্তব্যনিষ্টা ও পরিশ্রমের ৫ ভাগও পাইতাম তাহলে অনেক কিছু করে ফেলতাম। এখন আসি জামালপুরে থেকে আমি কি করি?

বাড়ী ও বন্ধু

এর আগে কেউ মোবাইলের বাংলা কি প্যাড দিয়ে পোষ্ট লিখছে কিনা তা আমার জানা নাই। তবে এই অন্ধকারে কারেন্টহীন অবস্থায় ভাবলাম আকাশে মেঘের গর্জনে এই অল্প চার্জ দিয়ে একটা পোষ্ট লিখলে মন্দ হতো না। লেখা যায় অনেক কিছুই। অনেক ভাবনাই মাথায় আসে কিন্তূ তা আর লেখা হয় না সময় সুয়োগের অভাবে। যেমন বলা যায় জামালপুরে আছি গত চারদিন যাবত এর ভিতরে একদিন ছিলাম এক মামার বিয়ের কারনে গেলাম রাজশাহীতে। কত কিছুই ঘটে গেলো। রাজশাহীতে যেয়ে মোবাইলের কারনেই ১২ বছর পরে এক স্কুল ফ্রেন্ডের সাথে দেখা করলাম। দেখলাম সে অনেক ম্যাচিউরড আমি নিতান্তই ছোট মানুষ সেই তুলনায় । তার বাবা মারা গেছে, বোনের বিয়ে হয়েছে, তার বড় তিনভাই সবাই বিয়ে করে আলাদা, বন্ধুদের কারনে একটা দুই নম্বর মামলা খেয়ে রাজশাহীর যত বড় নেতা খেতা আছে সবাইকে সে চিনে ভালো খাতির। ইতিহাসে মাশ্টার্স করছে রাবি থেকে এখন পুলিশের সার্কুলার আর বিসিএস দেয়ার জন্য বসে আছে। লোকজন আছে চাকর

স্মৃতিকাতরতা আমার কর্ম না!

আজ দুপুরেই এসএসসির রেজাল্ট দিবে। টিভি চ্যানেলগুলা পত্রিকা গুলা সব ঝাপিয়ে পড়বে মেধাবীদের ছবি তুলতে তাদের সফলতার গভীরতা নির্নয়ে। আমি এসএসসি দিলাম ২০০৩ মানে ৯ বছর আগে তাহলে কতগুলো সময় ভেতর দিয়ে চলে গেলো। কিন্তু পাবলিকের মতো স্মৃতির ডানা ঝাপটানো আমার ভাল লাগে না কোনো কালেই। কারন এতো খারাপ ছাত্র ছিলাম বাবা মা কোনোদিন ভাবে নাই যে ম্যাট্রিক পরীক্ষা কোনও বাধা ছাড়া এগিয়ে যাবো। তাই যখন এসএসসি দিলাম তখন সবার চোখে মুখে বিস্ময়। পরীক্ষার সিট ছিলো আগ্রাবাদ বয়েজে। নেভীর বাসে করে চলে যেতাম চিল্লাপাল্লা গান গাইতে গাইতে তখন কিসের পড়া কিসের টেনশন। কিন্তু আমি গেঞ্জামটা করতাম গোল্লা পুরন করে যে ফর্মটা পুরন করতে হয় সেখানে যেয়ে। হয় রোল নাম্বারের জায়গায় রেজিস্ট্রেশন নাম্বার লিখছি কিংবা প্রশ্নের সেটে ভুল করছি গোটা চারেক বার। আমাদের সাথে বাসে যাইতো দিদার স্যার উনি আমারে বলতো সারাদিন তো দেখি ব্যাপক ফড়ফড় করো বন্ধুদে

নাঈম মামার জন্মদিনের সকাল

আমরা বন্ধুর ব্যানার গুলান বড়ই মনোহর সাথে আকর্ষনীয়। যেমন এখন যে ব্যানারটা ঝুলতেছে তাতে বলতেছে মে দিবস অমর হোক। মে দিবস অমর হয়েই থাকে আমার মতো বেকারের কাছে। মে দিবসের বন্ধের মতোই সব দিন ছুটিতে যায় আমার। আমার আম্মুও এক কাঠি সরেস তিনি বলেন তোর তো সব দিনই মে দিবসের মতোই আনন্দে কাটে। চারিদিকে এতো ঠেসমারা কথা বারতা শুনতে শুনতে কিছুটা ক্লান্ত আমি। কিন্তু তাতেও আমার খুব একটা ভ্রুক্ষেপ নাই। কারন নতুন একটা মাসের শুরু নতুন করে মাসের শুরুতেই পাওয়া যাবে হাত খরচ পকেট খরচের টাকা। দিনগুলো যাবে আশা করতেছি আনন্দেই। কারন মে দিবসের মেহনতী মানুষেরা মাত্র ১ প্যাকেট বিরানীর জন্য মিটিং মিছিলে যায় আর সারা বছর গাধার খাটুনি আমি সেই মানুষদের চেয়ে অনেক আনন্দে আছি। দিন যায় আড্ডা মেরেই সাথে নাম মাত্রের এমবিএতে।

শুক্রবার

শুক্রবারেই মানেই সবার আনন্দের দিন। লম্বা ঘুম দিয়ে নামায পড়ার জন্য ইস্তেরী করা ধোয়া উঠা পাঞ্জাবী পড়ে ভাব নেয়ার দিন। আমার কাছেও শুক্রবার গুলান আগে অনেক আয়েশের ছিলো। আয়েশী চালে সকালে উঠেই টিভি দেখার তাড়া ছিলো। ভার্সিটির পড়াশুনার টেনসন উড়িয়ে দিয়ে নিপাট একটা সকালের দিন ছিলো শুক্রবার। কিন্তু এক দেড় বছরে সেমি বেকার থাকা অবস্থায় শুক্রবার মানেই বোরিং। শুক্রবার মানেই সকাল বেলা গোসল করো কারন দুপুরে জুম্মার নামাযের আগে বাসায় ফিরবা কিনা তার কোনো ঠিক নাই। শুক্রবার মানেই এখন চাকরীওয়ালা বন্ধুদের আবদার মিটাতে সকাল বেলা তাদের ফোন দেওয়া যে ফ্রি থাকলে চায়ের দোকানে আয়। তারা দৌড়াতে দৌড়াতে তাদের চাকরী জীবনের নিদারুন বাশ খাওয়ার গল্প আমার হজম করতে হবে। শেষে তাদেরকে উপদেশের সুরে বলতে হবে দোস্ত চাকরী ছাড়িস না ইহা মুল্যবান জিনিস। এখন আবার আমার নতুন বাতিক নিজেদের একটা ক্রিকেট টীম আছে সেই টীম হারতে হারতে পর্যবসিত তাদের