ইউজার লগইন

আরাফাত শান্ত'এর ব্লগ

Naadodigal

মন মেজাজ যে খুব একটা ভালো তা বলা যায় না। তবু দিন কেটে যাচ্ছে এইটাই ভরসা। অন্য অনেকের চেয়ে ভালো আছি তাই সান্তনা। সাতক্ষীরা, ভো্লা, রামু, হাটহাজারী পটিয়া এই বছর জুড়ে যত ঘটনা ঘটলো সব কিছু নিয়েই আমি খুব চিন্তিত। তবে চিন্তা করা ছেড়ে দিলাম। অতো ভেবে কাজ নাই। ভেবে আমরা বেশি হলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিবো। আরও বেশী হলে প্রেসক্লাবে কড়া রোদে ফ্রুটো খেতে খেতে মানব বন্ধন করবো এতটুকুই আমার সাধ্য। আর লোকজন সব আমার মতই সিরিয়াস। কিন্তু এই সিরিয়াসে কিছুই করা যাবে না। যতক্ষণ ফেসবুকের সিরিয়াসনেস আমরা সমাজে প্রভাব না করতে পারবো ততদিন এই দেশে সিরিয়াস হয়ে কোনো কিছুই ছেড়া যাবে না। আর এমনিতে চিন্তা করে দেখেন এই দেশে হিন্দু মুসলমান চাকমা সাওতাল কেউই নিরাপদ না। প্রতিটা শ্বাস নেয়ার সাথে সাথেই মনে হয় বেচে তো আছি। কারন আজকে একটি ইংরেজী পত্রিকা দুটো জাতীয় বাংলা দৈনিক পড়ে হিসাব করে জানলাম মারা গেছে ১৭-১৮ জনের মতো। এর ভেতরে রোড এক্সিডেন্টে ৩-৪ জন। স্কুল টিচারকে ক্লাস রুম থেকে ডেকে নিয়ে খুন। এক জোড়া কানের দুলের জন্য বুড়ো মহিলা খুন। হাউজ ওয়াইফ খুন। আরও কত খুন যার হিসেব থাকে না। ধরি ১০০০ এর মতো খুন হন ৩০ দিনে। ১০ হাজারের

একটি ছেলের কথা

শিরোনাম দেখে চমকে উঠার কিছু নাই। এইটা কোনো রোমান্টিক ছেলের গল্প না বা কোনো ধনীর দুলালের হারিয়ে যাওয়ার গল্প না। বা এইটা ওয়ারফেইজের গানের একটি ছেলেও না আবার সুমনের ব্যান্ড অর্থহীনের অদ্ভুত সেই ছেলেটিও না কিংবা এলআরবির সেই ঘুম ভাঙ্গা শহরের কিশোর ছেলেও না। এই ছেলেটি এমন এক ছেলে যে বাক প্রতিবন্ধী বয়স ১৩-১৪। জামালপুরের ভাষায় এদের বলে থেতলা। কথা জড়িয়ে যায়। ভালো ভাবে কথা না শুনলে বুঝাই দুস্কর এমন এক ছেলের কথা বলছি। যেই ছেলেটি সুদুর রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দী থেকে বাবার এক্সিডেন্টের খবর শুনে আগত। তার মামার ফোন করছিলো তা শুনে সে নানা বাড়ী থেকে রওনা দিছে। ২৫ তারিখ তার ডাচ বাংলা ব্যাংকের কি জানি একটা স্কলারশীপের এক্সাম। সে ক্লাস ফাইভে প্রতিবন্ধী হিসেবে বৃত্তি পাইছে। ঢাকাতে নেমেই সে দেখে তার মামার ফোন অফ। কে জানি তারে বুদ্ধি দিছিলো তাকে সদর ঘাটে যাবার জন্যে। সে যায় সদর ঘাট কোথাও তার মামা নাই। এদিকে পকেটে টাকাও নাই তার। সারাদিন কিছুই খায় না। সে অবস্থাতেই সে বাড়ীর দিকে চলে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। এক ট্রাফিক পুলিশ তাকে ভুল রাস্তা দেখিয়ে দেয়। সেই সুত্র ধরেই সে আসে আমাদের চায়ের দোকানে। হাটতে হাটতে এতো ক্লান্ত

ফ্রম চিটাগাং

সবাই যখন ব্লগে টাংগুয়ার হাওর থেকে শুরু করে বড় বড় ভারত ভ্রমনের গল্প করে তখন মনটা খারাপ হয়ে উঠে। ভাবতে থাকি আমি জীবনে ঘুরতে খুব কমই গেছি। খালি নিজের মতো করে দিনগুলোই চলে গেছে। এই ছয় বছরের ঢাকা জীবনে আমি সিলেটের ঐদিক গেছি একবার একবার লাকসাম নোয়াখালী একবার খুলনা যাবার কথা ছিলো আমার কারনেই যাওয়া হয় নাই। আর গোটা দশ বারো বার চিটাগাং গেছি এমনিতেই আর জামালপুরে বাড়ী সেখানে তো প্রয়োজনেই যেতে হয়। এটাই ভ্রমনের ইতিহাস। তাই কত জায়গা সমন্ধ্যে কত গল্প পড়ি কত লোকজন সেন্টমার্টিনের গল্প করে কত বন্ধু কতো জায়গায় যেয়ে ভাজা ভাজা করে আসছে। কিন্তু এই অভাগা আমি যার কোনো ভ্রমনেরই গল্প নাই। এই যে এতো এতো বার আমি চিটাগাংয়ে গেছি একটা কাজেও না। মন চাইছে নন এসি বাসে চড়ে এসে পড়ছি। বেশীর ভাগ জার্নি হইছে গোপনে। গোপনে মানে বাসায় জানে না। এই সব গোপনে সফর আসলে রিসকি। তার কারন বাসা থেকে ফোন আসতেছে আর আমি ক্রমাগত জানাচ্ছি যে আমি ঢাকায়। ধরা পড়ার ভয়ে থাকতে হয়। চিটাগাং খুব ঘুরি তাও না। তিন চারজন প্রিয় বন্ধু আর ছয় সাতজন ক্লাসমেট বন্ধু এদের সাথেই দিন কাটাই। অল্প দিনের জন্য আসি হইচই করে চলে যাই। গত নয়মাসে আমি চিটাগাং যাই নাই। কার

ভালো থাকবেনা মানে কি!

কবীর সুমনের এই শিরোনামের গানটা আমার ভীষন প্রিয়। নিজের অজস্র মন খারাপের দিন অঞ্জন, সায়ান, কবীর সুমনের গানই ভরসা। তবে মন খারাপকে জয় করার সহজ উপায় বাইরে বের হয়ে প্যাচাল পারা। কত লোক আপনার সামনে দিয়ে যাবে তাদের অনেককে আগেও দেখছেন সেই সুবাদে আলাপ শুরু করে দেন। দেখবেন মানুষের একস্পিরিয়েন্স দিন যাপনের গল্প কত অনন্য। এর একটা গল্প শুনলেই আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। সেই কথা থাক অন্য কোনোদিন বলবো। আজ সারাদিন কেমন গেলো তাই নিয়ে বলি।

ফিফটি!

মন মেজাজ যে খুব একটা ভালো তা বলা যাবে না। তবুও চলছে ৬ তারিখে আরেকটা পরীক্ষা তার পরেই সেমিস্টারটা শেষ। এই সব নিয়ে সাধারন পোলাপানদের মতো আমার ওতো টেনশন নাই। পাশ করার জন্য এক্সামে যাই এবং সেভাবেই ফেরত আসি। সময় থাকতে পড়াশুনাটা করি নাই মন দিয়ে এখন এই সময়ে মন দিয়ে কি করবো। আর টেক্সট বুক পড়াশুনা আমার ভালো লাগে না। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে ৪-৫ টা পত্রিকা পড়া সহজ ১ পেজ পড়ার চাইতে। যাই হোক কথা ছিলো টিভি নিয়ে লেখাটা কমপ্লিট করবো তা আর হলো না অল্লোর প্রতারনার কারনে। ভাবছিলাম টাকা লোড আর করবো না কিন্তু বন্ধু ফারজানা লতা টেকা দিলো এই বিপদের কথা শুনে সেই টাকা তেই ওল্লো রিচার্জ করলাম। বন্ধুরা কত সুইট আমার। তারপর থেকে নেটে বসায় একটু অনীহা জন্ম নিলো। লোকজন টেক্সট করে ফ্রীল্যান্স বুদ্ধিজীবি মরছে নাকি? এখন বসতাম না। ঘুম আসতেছে না আর কিছুই ভালো লাগতেছে না তাই বসে বসে এই লেখাটা লিখলাম।

ঈদের রাজ্যে টেলিভিশন নাকি টেলিভিশনের রাজ্যে ঈদ!

শরীরটা সব সময়ের মতো ভালো না। রাত জাগা ভ্রমনের ক্লান্তি সাথে তীব্র ঘামানো তারপর আবার বিশ্রামে অনীহা সব মিলিয়ে মাথা শরীর সব ব্যাথায় পরিপুর্ন। তার ভেতরে একজন আমাকে কাজ দিছিলো নিজের অবহেলায় করতে পারলাম না সব মিলিয়ে ঢাকায় ফেরায় বেশি আনন্দে নেই। তার ভিতরে প্রতিশ্রুত পোষ্ট লেখার চাপ তাই ঝেকে বসা মাথা ব্যাথা পোষ্টটা লিখছি।

ঈদ উদযাপন, ঢাকায় ফেরার বিড়ম্বনা ও মৃত্যু সংবাদ!

ভেবেছিলাম ঢাকাতে ফিরেই পোষ্ট দিবো। তা আর হলো না। কারন পরীক্ষা পেছালো আর জামালপুরে ট্রেনের টিকেটের খুব গেন্জাম। ছাত্রলীগের পোলাপাইন তারা আমার মতোই বেকার। টিকেট কালোবাজারী করেই তাদের দিন চলে। তাই তাদের এই কর্মসংস্থানে কেউ বাধা দেয় না। জামালপুরে একটা লোকাল পত্রিকা অফিসে গতবার গেছিলাম। আমার বাড়ী থেকে বেশি দুরে না। অফিসটায় সাইজ ঢাকার একটা মাঝারী ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের সমান। ভদ্রলোক তিনজন বাংলা সিনেমা দেখছিলো ভিডিও চ্যানেলে। আমি তাদের তিনটাকা দিয়ে পত্রিকা কিনলাম। জিগেষ করলাম ট্রেনের টিকেট সব ব্ল্যাকে চলে যায় এইটা নিয়ে আপনারা সোচ্চার না কেনো। উল্টা আপনাদের পত্রিকা জুড়ে দেখি খালি সব জাতীয় খবরে ঠাসা। তিনি হেসে বললেন বাবাজী দেশের টাকা তো দেশেই থাকলে ভালো। যেভাবে কামাচ্ছে কামাক।রেব পুলিশ তো ঐখানেই থাকে। তারাই কিছু বলে না আর আমরা বলে কি হবে!

উপোষের দিন রাত্রী এই বছরের শেষ কিস্তি!

রোজা ৩০ টাই হলো কপাল ভালো একত্রিশটা হবার কোনো চান্স নাই এইটাই একমাত্র শুকরিয়া। ৩০ বা ২৯ যাই হোক রাখা কোনো ঘটনা না। তবে ২৯টা হলে একটা মনে শান্তি লাগে। একটা রোজা থেকে তো বেচে গেলাম। প্রকৃত মুমিন রা অবশ্য তা নিয়ে ভাবে না কিন্তু আমি সেরকম না। সকালে চা না খেতে পারার আমি প্রতিটা দিন হাড়ে হাড়ে বুঝি। এই কষ্টটা এড়ানোর জন্যই সকালে ঘুমাই একটায় উঠি। তাতে আমার আব্বু নাখোশ। বলে এই জীবনে খালি যারা ওয়াচকিপারের ডিউটি করে তাদেরকেই এরকম দিনে ঘুমাতে দেখছি তুই তো তাও না তাইলে এতো ঘুমাস কেন? উত্তর দেই না মনে মনে বলি আমি হইলাম ফ্রিল্যান্স বুদ্ধিজীবি মানুষ রাতে ঘুমালে চলে?

উপোষের দিনরাত্রী কিস্তি তিন

এই পোষ্টটা একবার লিখে ফেলছিলাম। অনেক সময় মোবাইল হাতে নিয়ে অনেক বড় করে পোষ্ট লিখলাম নিজের ও সেটের কারনে গায়েব হয়ে গেলো কি যে সাংঘাতিক মেজাজ খারাপ হলো বলে বুঝাতে পারবো না. একরকম জেদ করেই এই পোষ্টটা আবার লিখতেছি মোবাইলে। তবে যা লিখতেছিলাম তা দারুন ভাবে আগাচ্ছিলো এখন বুড়ো আংগুলে প্রচন্ড ব্যাথা তাও লিখতেছি জানি না কি হবে। আর আমার অপেরা মিনিতে একটা ঝামেলা হইছে ভাগ্য শব্দ পেচায়া যায়। তাতে একটু সমস্যা হতে পারে লিখতে গিয়ে। বানান একটু ভুল হতে পারে মাফ করে দিবেন। আসলে লিখছিলাম বাড়ীতে থাকা নিয়ে। ১০ ঘন্টা ক্লান্তিকর বাস জার্নি শেষে বাড়ীতে এসে শান্তি পেলাম না। কারেন্ট থাকে না কারেন্ট থাকলে ডিস থাকেনা। টিভি নিয়ে ভাবলাম লিখবো ইদে তা আর হবেনা কারন যদি নাই দেখি তাহলে লিখি কিভাবে। বাড়ীতে এসে সেই আগের রুটিন বহাল আছে। তবে বাসায় থাকতে বকা দেয়ার কেউ ছিলোনা যতক্ষনই ঘুমাই না কেন। কিন্তু বারোটা একটা বাজলেই আম্মুয় কথা বলা শুরু 'তুই আগে কতো ভোরে উঠতি? একি অবস্থা হলো তোর! এতো বিকাল পর্যন্ত কেউ ঘুমায়? আমিও জবাব দেই কারেন্ট নাই খাবার নাই উঠে কি করবো?

উপোষের দিন রাত্রী পার্ট টু

গতকাল ইফতার সংক্রান্ত পোষ্ট গুলা দেখে খুব মন খারাপ হয়ে গেলো। গ্রেট মিস কোনো সন্দেহ নাই। আসলে কাকে জানি বলছিলাম জীবন মানেই যা করছি তার জন্য মেজাজ খারাপ হওয়া আর যা করি নাই তা মিস করা। আর এমন অনেক বার হইছে যে ইচ্ছা করেই যাই নাই পড়ে ভাবছি কেনো যে গেলাম না। এই জন্যই শুভমিতার একখান গান আছে
কেঊ চায় কেউ পায়
কেউ বারবার হেরে যায়!

সিনেমা নিয়ে কথাবার্তা!

এবি ব্লগের লোকজন খুব ফিল্ম বোদ্ধা টাইপের। অনেকের অনেক পোষ্ট আছে সিনেমা নিয়ে। কত সিনেমার নাম যে জানছি মাসুম ভাইয়ের কাছ থেকে। সেই সামুর আমল থেকেই তিনি জানাচ্ছেন। এখনো এবির মাধ্যমেই সিনেমা নিয়া বলছেন। সামুতে আরো কিছু ব্লগার ছিলেন যারা সিনেমা নিয়ে প্রচুর পোষ্ট দিছে। তখন সেই সব সিনেমার নাম মুখস্থ রাখতাম আর ক্লাসমেট লোকজনকে বলতাম দেখিস। সবাই অবাক হতো তুই কত সিনেমা দেখিস! আমি মনে মনে হেসে বলি দেখি নাতো কিছুই, খালি নেই আতেলের পার্ট। যখন ভাবলাম সিনেমা দেখা উচিত তখন দেখি পিসিতে সিডি প্লেয়ার খালি ডিভিডি প্লেয়ার নাই। আর সিনেমা দেখতে হলে পেন ড্রাইভে করে আনতে হবে। সে এক গেঞ্জামের কাজ। কারন পেন্ড্রাইভ এমন এক জিনিস যা হারাতেই পছন্দ করি আমি। তাও নিজের না বন্ধুদের গুলা। বন্ধুরা রাগ করে কিন্তু কিছু বলে না কারন একটা ডায়লগই দেই "যে সামান্য একটা ডিভাইসের জন্য রাগ করা তোর উচিত হবেনা। আরও বড় কিছু হারাই তখন রাগিস"। আর পুলাপানের সিনেমা রুচি ভালো না। যা টিভিতে দেখাবে সামনের দিন গুলাতে তাই যদি পেন্ড্রাইভ নিয়ে দেখতে হয় দরকার কী এত ঝামেলার।

উপোষের দিন রাত্রী!

আম্মু আব্বুর সাথে যখন বাসায় ছিলাম তখন রোজার দিনগুলান ছিলো একটু বিপদ জনক। নামাজ মসজিদে গিয়ে পড়তে হবে, টিভি দেখা যাবে না বেশি, রোজা রেখে কোরান খতম দিতে হবে। কিন্তু কে শোনে কার কথা! নামাজ পড়তাম কিন্তু মসজিদে যেতাম কম। তারাবীর নাম দিয়ে বের হয়ে দিতাম বন্ধুদের সাথে আড্ডা। আরেকটু ছেলেবেলায় চিটাগাংয়ে ছিলাম তখন প্রত্যেক বিল্ডিংয়ের পিছনে ছিলো বাগান। যেখানে টমেটোই ছিল মেইন সব্জী। সেটা নিয়ে বোম্বাস্টিং খেলাই ছিলো কাজ রাতের বেলা। জামা কাপড়ে লাল লাল টমেটোর দাগে অবস্থা কাহিল। পরে ঘোষনা দিয়ে ক্ষেত বন্ধ করলো। আমরাও তারাবীতে খেলা ছেড়ে দিলাম না। এরপর আরো ডেঞ্জারাস খেলা শুরু করলাম। গোল্লাছূট। লাইট কম মাঠে সেইখানেই এই খেলা শুরু। কিন্তু বিপদ হলো মাঠ টা একটু অসমান তাই প্রতিদিন কেউ না কেউ আহত হয়। শেষে একজনের নাক ভাঙ্গলো। গলগল করে রক্ত পড়ছে। আমার গেঞ্জীতেও রাখলো রক্ত। হাসপাতালে নেয়া হলো। বাসায় ফিরলাম। আম্মু জিগেষ করে লাল কি এগুলা?

জন্মদিনের শুভেচ্ছা হে প্রিয় রন্টি ভাই!

আগষ্ট মাসটা খালি ইভেন্ট আর ইভেন্টে ভরপুর। বলা যায় দুর্ঘটনার মধু মাস। ১৫ই আগস্ট, ১৭ই আগস্ট, ২১ শে আগস্ট, রবি-নজরুল শামসুর তিন কবির মৃত্যু বার্ষিকী। আবার এই মাসের ভিতরেই আবার ঈদ। ১৪ দিনের মতো সরকারী ছুটি। বলা যায় চকবাজারের ইফতারীর মতোই রমরমা। তবে চকবাজার ইফতারী মোটেও ভাল জিনিস না। আস্ত খাশি ফ্রাই ইহা মাইনষের খাবার না বাঘের খাবার। দূরে থাকাই ভালো। আমার ১৩ ফ্রেন্ড গেছিলো গত বছর উৎসব করতে করতে। পরিনতি ৪০০ মিলিগ্রাম ফ্লাজিল। যাই নাই দেখে মন খারাপ ছিলো পরে তাদের এই ভোগান্তি দেখে মেলা মজা নিছি। কি সব ফাউ প্যাচাল পারতেছি মেইন কথায় আসি!

সুখে আছে যারা সুখে থাকো এ সুখ সইবেনা/ দূঃখে আছো যারা বেচে থাকো এ দুঃখ রইবে না!

হেডলাইন দেখে চমকিত হবার কিছু নাই। ইহা কবীর সুমনের গান। বলা যায় অসাধারন গান। গানের টাইটেল " আমেরিকা প্রবাসী বাঙ্গালীর গান"। গানটার প্রত্যেকটা লাইন অসাধারন। তার ভেতরে আমার ভালো লাগে এই চার লাইন। গানের কথা গুলো অনেক টা এরকম---

আজ জানলার কাচে ডেকে গেছে এক পাখির মতন সকাল
যেনো রাখালিয়া বাশী এই শহুরে গলার ফাসি
বলে সুখে আছো যারা সুখে থাকো এ সুখ সইবেনা
দূঃখে আছো যারা বেচে থাকো বন্ধু এ দুঃখ রইবে না।।

আমি ভিটে মাটি ছেড়ে এসেছি মহান টাকা পয়সার দেশে
এই দুনিয়া সর্বনেশে এরা সাগর ডিঙ্গিয়ে বোমা ফেলে আসে বীরপুরুষের বেশে
মরে কখনো বাচেনি যারা
আহা তাদের খিদের ইতিহাস এক বিশ্রী অন্ধকারা
বলে সুখে আছো যারা সুখে থাকো এ সুখ সইবেনা
দূঃখে আছো যারা বেচে থাকো বন্ধু এ দুঃখ রইবেনা .।।

আজ সকালকে ডেকে বলি গাও রবি নজরুল গীতি
তাতে আমার ভীষণ প্রীতি দেখো সুরুচির পরিমিতি
আমি দেশ ভেঙ্গে ভেঙ্গে দুখান করেছি হিন্দু মুসলমানে
মুখের ভাষায় দেয়াল উঠেছে এই জল ওই পানি
আমি সবই মানি সবই মানি
শুধু মানি না যখন রহিম পরান ভাইরা মুক্তি চায়
তারা দুবেলাই খেতে চায়
আহা পাকস্থলীতে ইসলাম নেই, নেই কো হিন্দুয়ানী

রোজায় ক্লান্ত দিন!

ঘুরে ফিরে পোষ্টের শিরোনামে 'দিন' শব্দটাকে হটানোর চেষ্টা করলাম কিন্তু তা আর হলো না। না হলেই বা কি আমি লেখি ব্লগে দিনলিপির মতো কিছু একটা। তা নিয়ে অতো চিন্তা করার কিছু নেই। যা মনে আসে তা নির্বিঘ্নে লেখাই আমার আপাতত কাজ।