ইউজার লগইন

আরাফাত শান্ত'এর ব্লগ

স্মৃতিতে সৌভাগ্যের রজনী!

বাঙ্গালী মুসলিম জীবনে শবে বরাত নিয়ে লিখতে গেলে দশটা পোস্ট অবলীলাতেই দেয়া যাবে। আমি ওতো আলাপে যাবো না। আর এমনিতেই বানান ভুল আর যতিচিন্হে তালগোল পাকিয়ে লেখার অবস্থা ছেড়াবেড়া। এমন না যে আমি বানান জানি না। সমস্যা হইছে যে পুরানো ল্যাপটপ বা কম্পিউটারটাও পুরানো অভ্র তাই স্পেল চেকার নাই। আর নিজেও ওভারকনফিডেন্ট হয়ে লেখা শেষ করাটাকে বেশী ইম্পোরটেন্স দেই। আর যতিচিন্হের ভুলের কারন টা হলো কারেন্ট চলে যাবে তাই খুব তাড়াহুড়ায় লেখা আর যতি চিন্হ বিষয়ক তথ্য জানার অভাব। ব্লগে লেখার সময় আমি কোনোকালেই বানান শুদ্ধতা আর সেনটেন্স স্ট্রাকচার নিয়ে ভাবি নাই। সবসময় মনে হইছে লেখা শেষ করতে পারলেই হলো। আর কি বুঝাইছি তা বুঝলেই দায় শেষ। আর ব্লগে আমরা আমরাই তো। এখন যখন প্রায় প্রতিদিন পোস্ট লিখে চলছি কোনো কালেই তো ভাবি নাই এতো লিখবো!

জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ২০১৩।।

আমি জীবনে কোনোদিন কোনো সাহিত্য পুরষ্কারে যাই নাই তেমন। শেষ গিয়েছিলাম মনে হয় বাংলার পাঠশালা এক পাতি বাম পাঠচক্র বেইসড সংগঠনের আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের সাহিত্য পদকে। অনুষ্ঠানটা খুব সাদাসিদে ভাবে আর সি মজুমদার মিলনায়তনে হয়েছিলো। খুব বেশী কথা মনে নাই সেই অনুষ্ঠানের। তবে কাল যে আয়োজনে গেলাম তাতেও আমার যাওয়ার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা ছিলো না। কারন আমি সেরকম কেউ না যে কেউ দাওয়াত দিবে। আর চারিদিক কোনো সময় ফলো করা হয় না যে খোজ করে যাবো। তাই এই অনুষ্ঠানে যাবার প্রধান কারন আহমদ মোস্তফা কামাল ভাইয়ের পুরস্কার প্রাপ্তির অনুষ্ঠান বলেই। নয়তো কতো কিছুই তো হয় এই ভাবে কি আর জরুরী ভেবে যাওয়া হয়। আর অনেকদিন এবির লোকজনের সাথে ফেসবুক মোবাইল বাদে যোগাযোগ নাই। তাই ভাবলাম যে কয়জনই আসুক আড্ডা তো হবে!

অস্থির অস্বস্তিকর দিনকাল!

ইদানিং চায়ের দোকানের উপর থেকে আমার মন গেছে উঠে কিছুই আর ভালো লাগে না আর। এভাবে যে কখনো প্রিয় চায়ের দোকান থেকে মন উঠে যাবে তা ভাবতেই পারি নাই। মন উঠে যাবার কোনো কারন নাই। এমনি এমনি মনে হলো ঢের হয়েছে চা খাওয়া আর চাবাজ আড্ডা এখন একটু অন্য কিছু করা যাক। আরেকটা বড় কারন হলো দেখলাম সবাই নিজের জগত লইয়া চিন্তিত আর পেরেশান। আমি সব পেরেশানি ভুলে চায়ের দোকানে পড়ে থাকি তাদের সেই অবকাশ টুকুও নাই। আর পুলক কোর্টে যাওয়া শুরু করছে, আদনান যায় অফিসে তাহলে ঠেকে গেলাম নাকি আমি!

সস্তায় বিকিয়ে দেয়া সময় গুলো!

ম্যানেজমেন্টে পড়ায় সময় মানেই টাকা। তাই সময় অতি মুল্যবান। কিন্তু এই মুল্যবান সময়ের যে যথেচ্ছ ব্যাবহার করতেছি তাতে কতো টাকা যে চলে গেলো তার হিসেব আর নেয়া গেলো না। সময় ভাঙ্গিয়ে টাকা গুলো নগদ নগদ পেলে অনেক উপকার হতো। ছোটোখাটো অনেক আশা ভরসা আছে নিজের বন্ধুদের তা পুরন হয়ে যেতো সহসাই। আমি আবার লোকজনরে আশায় রাখতে ওস্তাদ। একেক বন্ধুরে একেক ধরনের আশা দিয়ে বেড়াই। যে টাকা হইলে তোকে সেইটা কিনে দেবো, সেই জিনিস খাওয়াবো, আমাদের ওই প্ল্যানটার পিছনে মাঠে নামবো। কিন্তু সেরকম টাকাও আসে না আর আমার সব কিছুই ফাকা বুলি থেকে যায়। আবার নিজের সাথে নিজের কিছু আশা ভরসা প্রতিশ্রুতি পুরন হয় না মুলত ডেডিকেশনের অভাবে। আমার ডেডিকেশন সব সময়ই প্রশ্নবিদ্ধ। এইজন্যেই কিছুই হচ্ছে না আর আমাকে দিয়ে। না হলে কি আর করার। জান তো দেয়া যাবে না। আর আমি জিয়া খান না যে অবসাদগ্রস্থ হয়ে সুইসাইড খাবো। আমি আমার মতোই থাকি চিরচেনা আলসেমীতে। যা হবার হোক মরে গেলেই তো সব শেষ। যা করতেছি তাই করি, ঠুনকো নানান আশা ভরসা দিয়ে মানুষকে দিয়েই বেচে থাকি। রাজনীতিবিদেরা এতো মিথ্যার প্রতিশ্রুতিতে ভাসাতে পারে আর আমি সামান্য আশা ভরসা কাছের মানুষদের দিতে পারবো

মরুময় এই শহরে রোদে পোড়া দিন রাত্রী!

আমি সিগারেট খাই না একেবারেই। কিন্তু এই গরমে আমার খুব সিগারেট খেতে ইচ্ছা করে। মনে চায় মনের সুখে বেনসন টানি। কিন্তু তা আর হয়ে উঠে না, তার সম্ভাবনাও নাই। কারন এতোদিন খাই নি এই বুড়ো বয়সে সিগারেট টানার কোনো মানেই হয় না। সামান্য চা খাই তাতেই দাতের অবস্থা বারোটা। ভাইয়া দেশে এসেই বলে শান্ত চা খাওয়া কমা নয়তো চা খাওয়ার পর কুলি করে নে"। আমি তো বুঝাতে পারি না যে আগের চেয়ে অনেক কম চা খাই। সেই দুরন্ত ভার্সিটির দিন গুলোতে দিনে বারো তেরো কাপ চা খাইতাম। এখন চা খাই চার থেকে পাচ কাপ। তবে আমার চা খাওয়ার জন্য নান্নুর চায়ের দোকানে কাপটা একটু বড়। তাই পাবলিক ভাবে ঐ কাপে আমি সমানে শুধু চা খাই। কিন্তু এক কাপ চা খেতে যেয়ে যে আধা ঘন্টা লাগাই তা দোকানদার ছাড়া আর কেউ বুঝে না। আবার চা না খেলেও বিপদ। আমাদের ওয়ার্ডের যে আওয়ামীলীগ সভাপতি তিনি হাসতে হাসতে বলবেন শান্ত মামা আগের মতো চা খান না কেন? কোনো টেনশনে আছেন নাকি?

কতো বারও ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া!

শিরোনামটার যথারীতি বিশেষ কোনো তাৎপর্য নাই। গানটা আগেই অনেকবার শুনে থাকতে পারি কিন্তু একটা অতি সাধারন রবীন্দ্রসংগীত যেমন ভালো লাগে তেমনি লেগেছে। কিন্তু সেদিন ক্লাসে যাচ্ছিলাম এমবিএ বিল্ডিংয়ের পাশে যে বিশাল মাঠ সেখানে রাস্তার এককোনায় বসে একমেয়ে তার প্রেমিকের কাধে মাথা রেখে গানটা গাইতেছে। আহা কতো অসাধারন একটা সিন। আমি কিছুক্ষণ সময় দাঁড়িয়ে রইলাম মোবাইল গুতাগুতির উসিলায় মেয়েটার গলা ভারী মিস্টি। মনে হচ্ছে শুভমিতা বা লোপামুদ্রা গেয়ে চলছে। বাসায় এসে পড়লাম সেই গানের প্রেমে। বারবার বহু শিল্পীর গাওয়া একি গানই বারবার শুনতেছি। এরকম আমার ক্ষেত্রে অনেকবার হয়। মুল গান ভালো শিল্পীর কাছে ভালো লাগে নি। মানুষের মুখে শুনে শুনে সেই গানটায় ব্যাপক আশক্তি বাড়িয়েছি। এইটার একটার বড় কারন হতে পারে রেডিও। ছোটবেলায় রেডিওতে গান শুনে মুখস্থ করতাম তো তাই আশেপাশের মানুষজন কি গান গায় শুনার চেস্টায় থাকতাম। তখন আরেকটা জিনিস প্রায় হতো আমি গায়েবী ভাবে গান শুনতাম। মনে হতো কেউ আমার প্রিয় একটা গান গাচ্ছে। যদিও বড় হয়ে জেনে গেছি ইহা ঘোর ছাড়া আর তেমন কিছু না। গায়েবী গান আসলে নিজের মনেই গেয়ে চলছে অবিরাম!

দেখো মা পুড়ছি আমি রোদ্দুরে!

শিরোনামটা বেশী ভারিক্কি হয়ে গেলো। আমি এতো ভালো ভালোয় দিন পার করে যদি এই ধরনের শিরোনাম দিয়ে পোস্ট দেই তাহলে তা খুব একটা শোভন হয় না। আসলে শিরোনামটা নটোবর নটআউট সিনেমায় রুপমের একটা গান থেকে নেয়া। সিনেমাটা দারুন। এতো দারুন স্মার্ট শতভাগ বাংলা সিনেমা অনেক দিন দেখি নাই। মিস্টি কমেডীর মিস্টি ইন্টারটেইনেমন্টের ছবি। নবাগত বাংলাদেশি নায়ক মোস্তফা প্রকাশ নামের ছেলেটার অভিনয়ে মুগ্ধ হইছি ব্যাপক। এবং প্রত্যেকেই চরিত্র অনুযায়ী অসাধারন অভিনয়ে, দেবজ্যোতি মিশ্রর দারুন মিউজিক ডিরেকশনে ছবিটা আমার দেখা কলকাতার অন্যতম সেরা ছবি। যদিও ছবিটা তেমন ব্যাবসা করতে পারে নি তাও এরকম মিস্টি ছবি অনেকদিন দেখা হয় নাই। ছবির ডায়লগের কাব্য ও সমগ্র ছবি জুড়ে কবিগুরুর উপস্থিতি দারুন লাগে। টাইটেল এনিমেশন, ঝকঝকে প্রিন্ট মন কেড়ে নেয়। এরকম আরবান বাঙ্গালীয়ানা ছবি আর চোখে পড়ে নাই! কলকাতার ছবি যা দেখছি তা নিয়ে আরেকদিন লিখবো। আজ এখানেই অফ যাই!

বেদুইন মন যেন ওয়েসিস চায়, কতো দূরে সে দুরের নগর!

আবার লিখতে বসলাম। যদিও লেখার জন্য খুব একটা উপযোগী মন বা পরিবেশ নাই। গরমের দিন গুলোতেই আমার বেশী ভালো লাগে। এই কথা যখনই কাউকে বলে সবাই অট্টহাসি দেয়। গরমের দিন কারো প্রিয় হতে পারে তা কেউ কখনো ভেবে পায় না। কিন্তু মানুষের ভাবাভাবিতে আমার কিচ্ছু আসে যায় না। এই তীব্র গরম দাবদাহ বা কালবৈশাখীর দিন গুলোই আমার কাছে অসাধারন লাগে। ঝকঝকে দিনে রোদ উঠবে আকাশ কাপিয়ে, এমন দিনে আমি হেটে বেড়াবো নগর বন্দর একা একা এমন সব স্বপ্ন দেখতে আমার অনেক ভালো লাগে। কখনো সখনো যদি এরকম দিন পার করি মনে হয় জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় গুলো পার করে আসলাম। তবে গরমের দিন আমার ভালো লাগার আরেকটা বড় কারন হতে পারে ছোটবেলা থেকেই এই লম্বা দিন গুলোতে খুব বাইরে বাইরে থাকতাম। সারাদিন খেলা আর খেলা। আমার বয়সী আমার বন্ধুরা যখন বাসায় যেতো তখনও আমি চলে যেতাম কলোনীর বাইরে। তখন কেউ বাইরে বাস্তোহারা কলোনীর ছেলেদের সাথে খেলতো না একি স্কুলে পড়লেও। কিন্তু দেখা গেলো সারাদিন বাইরে বাইরে থাকার কারনে আমার প্রচুর বন্ধু চারিদিকে। রোদে পুড়ে চেহারা তামাটে কালো, শুকিয়ে কাঠ তার ভেতরেই আমার বাহির অভিযান অব্যাহত। আমার আম্মু আব্বু ভাইয়া মেরেও আমাকে সাইজে আনতে পারে ন

ফ্রীডম ফাইটার

মন মেজাজ আজকে খুব ভালো। আবহাওয়ার মতোই মিস্টি। তবে আজ অকারনেই মন ভালো। আমার দুটোই হয়। অকারনে মন ভালো হয়, অকারনেই মন খারাপ হয়। তবে সব কিছু ছাপিয়ে কিছু কাজগুলোতে আমার মন মেজাজ খারাপ ভালো থাকা কোনো প্রভাব পড়ে না। তার মধ্যে প্রথম হলো চা খাওয়া। চা সবাই পান করে আমি খাই। দিন যতো বিষণ্ণই হোক আর যতো হইহুল্লোরের মধ্যেই থাকি না কেনো চা খাওয়া মিস নাই। চা খাওয়া মানে সবাই ভাবে ১-২ কাপ। এখানে কয় কাপ খাওয়া হলো তা ব্যাপার না। চা টা পারফেক্ট হলো কিনা তাই ব্যাপার, আমার চা পারফেক্ট হবার প্রধান শর্ত হলো চা অবশ্যই শেষ দিকের লিকারের চা হতে হবে। আমি ফাস্ট লিকারের চা খেতে পারি না কেমন জানি গরম পানি গরম পানি লাগে। তারপর দুধ চিনি অত্যন্ত কম। আমার জন্য একটা কাপ আছে সেই কাপ ভর্তি করে চা টা আসবে। আমি প্রথমে গন্ধ নিবো তারপর আস্তে আস্তে সময় নিয়ে তা খাবো। ওতো তাড়াহুরার কিছু নাই। রিল্যাক্স। আমি তাড়াহুড়ায় চা খাইনা। তবে ইদানিং নান্নু বিয়ের পর থেকে পারফেক্ট কম্বিনেশনের চা বানাতে পারে না। তাও চেষ্টা করে খেয়ে জানিয়ে দেই জোর করে খাইলাম। তিনি বলেন মামা এতো কষ্ট করে চা বানিয়ে দেই যখন বলেন হয় নাই তখন আমার চিত্তে কষ্ট লাগে। এই চি

চাঁদের আলোয় হারিয়ে যাওয়া দিন!

আমাকে কেউ পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন করলে বিশেষ করে তা যদি হয় বন্ধু আড্ডামেটদের কেউ তবে সিরিয়াসলি মেজাজ খারাপ হয়। নিতান্তই লোকজন শেয়ার দিতে বলে তাই ফেসবুকে শেয়ার দেয়া। নয়তো নিজের পোস্ট শেয়ার দিতে আমার সিরিয়াস বিরক্ত লাগে। যারা ব্লগার যারা আমার লেখা চিনে জানে তাদেরকেই শুধু লেখা পড়াতে ইচ্ছা জাগে। আর কাউকে নয়। রিয়েল লাইফ ফ্রেন্ডদেরকে তো আরো নয়। কারন আমি যদি কোনো জাতীয় ইম্পর্টেন্ট কিছু লিখতাম তাহলে অবশ্যই বন্ধুদের শেয়ার দিয়ে জানাতাম। তাদের পাশে চাইতাম। কিন্তু আমি লেখি সাদামাটা দিনলিপি যার বেশীর ভাগের বুক জুড়ে থাকে নিজের কথা, নিজের দিনযাপনের কথা আর বন্ধুদের কথা। তাদের সমন্ধে কি কি ভাবছি তা যদি ব্লগ পড়েই জেনে এসে আমাকে প্রশ্ন করে তখন খুবই ইরিটেটিং লাগে। আর প্ল্যান করি কিভাবে ফেসবুক থেকে তাকে বাদ দেয়া যায়। আমার ফেসবুকে রিয়েল লাইফ ফ্রেন্ড এই জন্যই এড নাই। কারন বন্ধুরা বাস্তবেই ভালো আর ফেসবুকের বন্ধুরা ফেসবুকে। কিন্তু সবাই কে তো আর ডিলেট মারা যায় না তাই শেয়ার ঝটকায় লাইক না পেলেও পোস্ট পড়ে তাদের নানান কিছুর উত্তর দিতে হয়। কোনোটা বাড়িয়ে লেখেছি, কোনটা কমিয়ে লিখছি, কোনটা বাদ পড়েছে, কোনটা লিখেছি তা তাদের পছন

বাজাইরা হিন্দী সিনেমা লইয়া আজাইরা আলাপ~

কালকে থেকে আমার মন ভালো। কেনো ভালো জানি না। অকারনেই মন ভালো। সবাই আমার এতো বিষণ্ণতার গল্প শুনতে শুনতে নিশ্চই টায়ার্ড। কিন্তু সত্যি গত দেড় দিন ধরে আমার মন ভালো। সেই খুশিতে চার দিন ধরে হাটি না। এতো হেটে ঘেটে ওজন কমলো মাত্র তিন কেজি। সাইফ বললো ভাইয়া জিমে চলেন আজ থেকে। এডমিশন ফি ১৫০০ মাস প্রতি ১০০০। যদিও ওতো ভালো কোনো জিম না তাও টাকাটা আমার কাছে বেশি লাগলো। মাসে সাড়ে তিন হাজারটাকা হাত খরচ পাওয়া ছেলের জন্য জিম আসলেই একটু বেশী খরচা। তাও যদি বাবা মার সাথে থাকতাম তাহলে একটা ব্যাবস্থা হতো। এই মেসে বুয়ার আসাআসির ঠিক নাই, রান্নার অবস্থাও খুব ভালো না সেখানে জিম করে ফায়দা কি?

থেমে থাকবেনা কিছুই!

মন মেজাজ অত্যন্ত খারাপ। গত দুইদিন ধরে আমার মেজাজ এতো খারাপ যে প্রিয় মানুষজন ছাড়া কারো সাথে কথা বলতেই ইচ্ছা করে না। বারবার মনে হয় এতো বাজে সময় আগে কখনো পার করি নি। তবে এটা নতুন কিছু না, প্রতিবারই একি কথা মনে হয় এবং তার চেয়েও ভয়াবহ খারাপ সময় আসে। খারাপ সময় সবার জীবনেই কম বেশী আসে। কিন্তু আমার বেশী আসে আর না আসলে আমি জোর করে আনাই। আর তাতেও কাজ না হলে অযথাই বিষণ্ণ থাকে। আমার এক বন্ধু এই সব দেখে টেখে আমার নাম দিছিলো স্যাডিস্ট শান্ত। আর যা বাংলাতেই ডাকতো লোকজন দুখু মিয়া শান্ত। আমি নিজেরে কাজী নজরুল বানাতে চাই না। যে অবিস্মরনীয় প্রতিভা কাজী নজরুলের ইসলামের ছিলো তার ধারে কাছের নখের সমানের মেধাও আমার নাই। তাই নামটা ভালো লাগে না। সেই বন্ধুও আর আমাকে এখন আর কোনো নামেই ডাকে না। এতোই ব্যাস্ত সবাই- সময় কই তাদের আমার নাম মনে রাখার! গত কাল সকালে ফেসবুকে বসে দেখি এক পরিচিত ক্লাস মেট বান্ধবী নক করলো। সবার খোজ খবর জিগেষ করলো?

আমি ঝড় আঁকতে পারি না তবুও ঝড় বয়ে যায়/ আমার উঠোনে আমার আঙ্গিনায়!

পোস্ট দেই না কয়েকদিন যাবত। লেখতে পারি অনেক কিছু নিয়েই কিন্তু লেখি না। ভালো লাগে না আর এই অযথা দিনলিপি লিখে বেড়াতে। আবার লিখতেও মন চায় খুব। এক নাগাড়ে বানান ভুল আর যতি চিন্হে গড়বড় লেখাগুলো লিখে ফেলার পর এক ধরনের মানসিক শান্তি খুজে পাওয়া যায়। কেউ কেউ পড়ে তা যখন ভালো মন্দ বলে তা শুনে অনুপ্রেরনা পাই লেখার। কিন্তু ইদানিং আর লেখতে ইচ্ছা করে না। আবার অমুক বই পড়ে তমুক সিনেমা শেষে কিংবা অযথাই গতানুগতিক আলস্যের একটা দিন কাটিয়ে মনে হয় লিখে ফালাই কিছু। কিন্তু লেখা আর হয়ে উঠে না। ব্লগে এখন অনেক নতুন নতুন ব্লগার তাদের নানান লেখা পড়তে ভালোই লাগে। তখনো মনে হয় লিখে ফালাই কিন্তু আর পারি না। লিখছি না এইটা তেমন কোনো সমস্যাও না। তবে তার সাথে সাথে পড়ছিও না। বাসায় এতো বই অপঠিত হয়ে এখনো পড়ে আছে ভাবলেই মেজাজ খারাপ লাগে। তবে পড়ে ফেলবো সামনেই হয়তো এই আশাতেই দিন কাটাই। বই পড়ার চেয়ে উত্তম কিছু নাই। লেখার ইচ্ছা ছিলো সিনেমা নিয়ে। তাও ইচ্ছা করতেছেনা এখন। অনেক সিনেমা দেখে ফেললাম এরই মাঝে। তবে আমার খুব ইচ্ছা হিন্দী ছবি নিয়ে লেখার। তাই অসাধারন মামাকে বলে মামার অফিসের ব্রডব্যান্ড থেকে হিন্দী ছবি নামাচ্ছি নতুন নতুন। হলিউড

এই জীবনের মানে তবুও এক আনন্দময় যাত্রা

আজকে এই মুহূর্তে আমার কোনো পোস্ট লেখার ইচ্ছা ছিলো না। কারন গত রাতেই একটা আস্ত পোস্ট লিখে ছেড়ে দিয়েছি তাই অনেকেই হয়তো পড়ে নাই এখনো। একদিনের ব্যাবধানে দুইটা পোস্ট দেয়া খুব একটা শোভন ব্যাপার না। আর এই ব্লগে পোস্ট দিতে দিতে আর আমার পোস্ট পড়তে পড়তে পাবলিকও টায়ার্ড। দুই তিন দিন আগে বিষণ্ণ ফোন করে বলছিলো এবিতে তো আপনার মতো পোস্ট দেয়ার লোক এসে গেছে। সে বুঝাতে চাইছে যে সেই আগের দিন নাই, নতুন নতুন ব্লগাররা এসে নিয়মিত পোস্ট লেখা শুরু করছে, ব্লগে খালি আমি ঘন ঘন পোষ্ট দেই না!

হাজারবার মরলে পরেও আসবো ফিরে ফিরে, আমি আসবো ফিরে এখানে - এ শহরেই!

আজ সকাল বেলা আমি হাটতে বের হই নি। অনেকটা ইচ্ছা করেই হয়তো আজ আমার বের হওয়া হই নি। মামা অফিসের কাজে গেছে হবিগঞ্জ ভোরে। সেই ভোর পাচটাতেই আমিও উঠে বসে আছি। কিন্তু কেনো জানি যাওয়ার মুড পেলাম না আজ। যাওয়ার মুড না পেলেই মনে অজস্র যুক্তি দাঁড়িয়ে যায় যে আমার তো ডায়বেটিক বা উচ্চ রক্তচাপ না যে প্রতিদিন নিয়ম করে হাটতে হবে? তাই আজ শুয়েই থাকলাম। শুয়ে শুয়ে এই কাক ডাকা ভোরে নামায পড়া বাদ দিয়ে লোকজনের স্ট্যাটাস পড়া শুরু। যাই হোক এপাশ ওপাশ করেই কাটাচ্ছি তখন মনে হলো যাই বের হই, বসে থেকে লাভ কি?