ইউজার লগইন

আরাফাত শান্ত'এর ব্লগ

হুমায়ুন আহমেদের উঠোন পেরিয়ে দুই পা ও সুনীলের তিন সমুদ্র সাতাশ নদী!

এইটা ঠিক বই নিয়ে পোষ্ট না। দুই বাংলার দুই বিখ্যাত লেখকের ভ্রমন কাহিনী লেখা নিয়ে দুয়েক প্রস্থ আলাপ মাত্র। শুরু করি নিজের কথা দিয়েই। সবার মত বেড়াতে আমারও ভাল লাগে। কিন্তু বাউন্ডুলের মত বেড়াতে না, নিজের মতো বন্ধু বান্ধবদের সাথে ঘুরতে মজা পাই। কিন্তু যা হয় ছেলেবেলায় আর কি, বাবা মার ধারনা বাইরে ঘুরতে গিয়ে ছেলে নষ্ট হয়ে যাবে তাই আমার দূরে কোথাও ঘুরতে মানা। কাছে কুলে কোথাও গেলে যাও, না গেলে মুড়ি খাও। তাই ছোটবেলা থেকেই আমার বেড়ানো মানেই রাস্তায় রাস্তায় ঘোরা একা একা। কারন এরকম ধুলা বালু মেখে হাটার লোক বন্ধু মহলে তখন কেউ ছিল না। মাঝে মাঝে খুলনা বা চিটাগাং থেকে জামালপু্রের বাড়ীতে যাওয়া এই ছিল এক মাত্র লম্বা সফরের বিবরন। আর চার পাঁচ বছর পর আব্বুর বদলী হতো চাকরীর নিয়মে তখন তল্পিতল্পা নিয়ে স্থান বদল করতে হতো। তবে একই পরিবেশ, চেনা জানা মানুষদের সাথেই আবার পাশাপাশি থাকা। আমার প্রথম বেড়ানো জন্য বের হওয়া ভার্সিটির এডমিশন টেস্ট উপলক্ষ্যে। শুধু রাজশাহী, সিলেট ও জগন্নাথে যাই নি। এছাড়া খুলনা, ঢাকা, জাহাংগীরনগরে এক্সামের উসিলায় লম্বা লম্বা সফর দিয়েছি!

জার্নি ফ্রম হেভেন

এই পোষ্টটা আমার একটা লাইভ ব্লগিং টাইপের পোষ্ট। অনেকদিন লেখি না। মন করে লেখার জন্য আকুপাকু! কিন্তু গোলাম হোসেনের উপায় ছিল না, তাই আমারও নাই লেখার পথ। বাসে সবাই ক্লান্ত ঘুমোচ্ছে তখন লিখছি আমি এই অন্ধকারে বসে বসে। জানি না লেখা শেষ করতে পারবো কিনা! কারন আগের চেয়ে বেশি হ্যাং ওরফে তব্ধা খায় সেট। ঢাকায় গিয়ে এর চিকিত্‍সা করা ছাড়া পথ নাই। আর এন্ড্রয়েডে কি লিখবো? এই মায়াবী টায়াবি দিয়ে? যদিও সব বন্ধুরই এখন বাসায় নেট আছে তাও সেখানে বসে লিখতে ভালো লাগে না। কারন দেখলেই বলবে আইছে ইমরান এইচ সরকার, ঢাকা থেকে চিটাগাংয়ে ব্লগিং করতে! তাই বন্ধুদের অনুনয় বিনয় সত্তেও তাদের পিসিতে বসি নাই। আমার জন্য মোবাইলই যথেষ্ট। বেহুদা অন্যের প্রাইভেসী নষ্ট করে লাভ নাই!

যেভাবে হেঁটে চলছি এই শহরে!

আবার লিখতে বসলাম। কি লিখবো কিছুই ভাবি নাই এখনো। তাও লিখতে বসা অযথাই। শুয়ে শুয়ে বই পড়ছিলাম। আজ তেমন গরম নেই, নেই শরীরে কোনো ক্লান্তি তাই বই পড়ছিলাম। কিন্তু আমার মতো গরীব মানুষের সুখ কারোই সহ্য হয় না। তাই কারেন্ট চলে গেল। শুয়ে শুয়ে মশার কামড় খাবার চেয়ে বসে বসে মশার কামড় খাওয়া ভালো। তাই আবার যথারীতি অন্ধকারে বসে লেখা শুরু করলাম। ব্লগে লেখতে হলে ইচ্ছাই যথেষ্ট। তাই ইচ্ছে হলেই লেখতে বসি। তবে লেখার আগে ভেবে লেখতে বসা উচিত, কিন্তু আমার চিন্তা ভাবনার কোনো বালাই নাই। মনে কিছু কথা আসে তাই না সাজিয়ে গুছিয়ে লিখে দেই। আমার মামা বলে 'তোমার লেখা ওতো পড়ি না আর, খালি কমেন্ট দেখি লোকজনের।' আমি জিগেষ করলাম কেন? মামা বলে একই ধরনের কথাই ইনিয়ে বিনিয়ে বারবার বলো, তা আর পড়ার কি?' আমি মনে মনে ভাবি আহারে কত বড় অপমান। নান্নু মামা থাকলে বলতো 'সবার সামনে অপমান/ মৃত্যুর সমান'।

যেভাবে যাচ্ছে দিন, যা দেখছি।

মন মেজাজের হাল সুবিধার না বিশেষ। সারাদিন বেহুদা দোড় ঝাপ করলাম তাতে আরো বেশী টায়ার্ড লাগছে। অন্য কেউ হলে শুয়ে থাকতো। কিন্তু আমি তো অনন্ত জলিলের ফ্যান তাই অসম্ভবকে সম্ভব করাই আমার কাজ না হলেও তাঁর কাছাকাছি কিছু করা তো যায়ই। তাই প্রচন্ড ক্লান্ত শরীর নিয়ে পোষ্টটা লিখছি অন্ধকারে। আজ কারেন্ট কত শত বার গেছে তার হিসেব জানা নেই। জানি না কতদুর লিখতে পারি। বাবাখোরদের শুনছিলাম নাকি তাদের এমন দশা হয়ে যায় আসক্তিতে যে খাবারে টেবিলেই ঘুমিয়ে পড়ে ঠাস করে। আমি বাবা না খেয়েই পিসিতে ঘুমিয়ে পড়তে পারি যেকোনো সময় এই ব্লগ লিখতে লিখতে। তবে শরীর থেকে কম চে কম দুই তিন লিটার খালি ঘামলাম সারাদিনে। তাই ঘুমানোর আশা দুরাশা!

যা শুনছি!

অন্ধকারে বসে পোস্টটা লিখছি। এই অসম্ভবকে সম্ভব অনন্ত জলিল করে নাই, করেছে ল্যাপটপ। সিটিসেলের এডের ভাষাতেই বলি এমন যে হবে তা কেউ ভাবে নি আগে। অবশ্য প্রচন্ড গরম পড়ছে দরদর করে ঘামছি, তার ভেতরেই লেট নাইট ব্লগ লেখা শুরু করলাম। জানি তেমন কেউ পড়বে না চেনা জানা মানুষ ছাড়া, তাও নিজেকেই নিজে অনুপ্রেরনা দিয়ে লিখতে বসি। কেউ কেউ তো এসে পড়ে যাবে তাদের জন্য লেখা আর নিজের জন্য তো বটেই! মামা বাসায় নাই। হবিগঞ্জে অফিসের কাজে। মামা না থাকলে আমি ঘুমাই অনেক দেরীতে। কারন জানি বকা দেয়ার কেউ নাই। অবশ্য মামা থাকলেও রাত জাগা হয় যথারীতি। তিনটা পর্যন্ত বসে থেকে ফেসবুকের শ্রাদ্ধ করি, কি আর করা যাবে! কিছুদিন সকালে হাটলাম এই গরমে তা আর ইচ্ছা করে না! আর আবার লোডশেডিং ফুল ফর্মে ফিরছে। পাচ ছয় ঘন্টা থাকেনা ইলেকট্রিসিটি। বিকেলের দিকে হুট করে বৃষ্টি নামে তাতে জ্যাম বাড়ে আর গরমটাও হয় ঝাঝালো। গরম আমার খারাপ লাগে না। কিন্তু এত ঘামতে ঘামতে খালি ক্লান্ত লাগে!

ঠাসবুনটের ভীড়ে- ঠাসাঠাসি মানুষের এই শহরে!

মানুষ আমার খারাপ লাগে না। বরং অপরিচিত এক দংগল মানুষ দেখলে আনন্দিত হই যে ঢাকা শহরে আছি আর ভয় নাই। তবে এখন মানুষ দেখলেও ভয় লাগে। এত মানুষ এই দেশে সব পিলপিল করে ঢাকায় এসে পড়তেছে তা ভাবলেই দমবন্ধ লাগে। ঢাকা অবশ্য আমার বাপ দাদার সম্পত্তি না যে ঢাকায় মানুষ আসবে না। উল্টা বলা যায় আমি হইলাম মফিজ শ্রেনীর লোক যারা ঈদে বাড়ীতে চলে যায়। মফিজরা যখন বাড়ীতে, ঢাকায় থাকা মানুষের সুখের দিন। ফাকা ফাকা শহরে আয়েশ করে ঘুরে ফেরায়। টিভি চ্যানেল গুলাতে বারবার করে বলে এমন ঢাকাইতো আমরা চাই। কিন্তু সেই চাওয়াতো সোনার হরিন। আমাদের মতো মফিজরা ফিরে আসে ঢাকা আবার ফিরে পায় আগের হট্টগোল আর জনারণ্য। যারা সারা বছর ঢাকার বাইরে থাকেন তারা নিজেদেরকে দুনিয়ার অন্যতম লাকী লোক ভাবতে পারেন। কারন এই শহরে সবাই আসে বা থাকেই স্বার্থসিদ্ধির আশায়। যাদের সেই স্বার্থ নাই তারাই ভবিষ্যতে জলিলের মত নিঃস্বার্থ ভালোবাসাময় জীবন পাবেন। আমরা যারা এই শহরে থাকি তারা আছি বাটে পড়েই। এই বাটে থাকতেই থাকতেই বাটখারা হয়ে গেলাম, যেখান থেকে মুক্তি নাই!

রাজনীতি, পেটনীতি , পেশীনীতি ও বড়লোকের নীতি!

শিরোনাম দেখে টেনশন নিয়েন না কেউ, এইটা অতি সাধারণ দিনলিপি ঘরনারই পোষ্ট। রাজনীতি নিয়ে তথ্যভিত্তিক জ্ঞানগর্ভ পোষ্ট লেখার বিদ্যে আমার ছিল না কোন কালেই। রাজনীতি ও ইতিহাস নিয়ে পড়তে ভালো লাগে তা নিয়ে সর্বোচ্চ চায়ের দোকানেই আলাপ করি এর বাইরে আমার রাজনীতি করার কোনো চেষ্টা নাই। মাঝে মধ্যে প্রেস ক্লাবে বা শাহবাগে মানববন্ধনে দাঁড়িয়েছি, মিছিলের আগে বাম নেতাদের বক্তব্য শুনেছি এতটুকুই আমার রাজনৈতিক অংশগ্রহন বলা চলে। এর বাইরে মোহাম্মদপুরের এক চিপায় দিনের পর দিন বসে বসে আড্ডা পিটানোর কারনে সেখানকার রাজনীতির হাওয়া বাতাস সমন্ধে জানি। আর পত্রিকার পাতায় দেশ নিয়ে দুঃসংবাদ পড়ে টেনশন নেই নিজে নিজে তারপর ভুলে যাই এই করেই চলছে। তাও আমি আজ লিখতে বসলাম ইদানিংকালের নিজের চোখে দেখা পাড়া মহল্লা থেকে শুরু করে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে!

কোলাহলের দিনরাত্রী!

জানি না লিখতে পারবো কিনা তাও চেষ্টা যদি লিখে ফেলতে পারি।।। মনিটর নষ্ট একদম তাই নতুন ল্যাপটপে লিখছি নানাবিধ টুকটাক সমস্যা তো লেগেই আছে, তার ভিতরে লেখার জন্য এই চেষ্টাটা করছি। লিখতে আসলে আমার খুব ভালো লাগে, ভালো লিখতে না জানলেও।। অল্প বিদ্যে যেমন ভয়ংকরী তেমনি আমার এই টুকটাক ব্লগ লেখার জন্য চেষ্টা আরো ভয়ংকরী। সেই কবে শেষ লিখেছিলাম তারপর আর লেখাই হলো ্না। কতদিন মোবাইল দিয়ে লেখার চেষ্টা করছি কিন্তু এক প্যারা লিখে আর ইচ্ছা করে নি কারন মোবাইলটার বয়স হয়ে গেছে সন্দিহান ছিলাম লেখা শেষ করতে পারবো কিনা! আর এখন আর সেই আগের মতো বেগার খাটতে ইচ্ছা করে না। যা লিখতে চাই তাই লিখতে না পারলে লেখার কোনও মানে হয় না। সাইবার ক্যাফেতেও একদিন বসছিলাম কিন্তু শ্যালকদের অভ্র নাই তাই আমারও লেখার মন উঠে গেল। অবশ্য বাড়ী থেকে এসে সেমিস্টার ফাইনাল নিয়ে ছিলাম তারপর বন্ধু নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম কিন্তু প্রতিটা দিনের শেষে মনে পড়তো লেখার কথা।। গরীবের ঘোড়া রোগ আর কি! আজ পাওয়া গেল যোগার যন্ত্র রাতে বসে গেলাম লিখতে এ যেন ঈদের খুশী!

টেলিভিশনের ঈদ কিংবা ঈদে টেলিভিশন!

এই পোষ্টটা সবার জন্য না। প্রধানত তাদের জন্যই যারা কাচা হাতের সমালোচনা সহ্য করার মানসিক ক্ষমতা রাখেন, যারা তাদের পছন্দের তারকাকে বকা সহ্য করতে পারবেন, যাদের দেখতে পারেন না তাঁদের যদি আমার পছন্দ থাকে তবে তাঁদের নিয়ে ভালো কথাবার্তা শুনেও মন ঠিক রাখতে পারবেন আর শেষমেষ যারা টিভি দেখাকে পছন্দ করেন কিংবা এখন না দেখলেও খোজ খবর জানতে ভালোবাসেন তাদের জন্যই এই বিলম্বিত প্রয়াস। জর্নাল আকারে লিখলে তিন চার পর্ব করে লেখা যেত,সেরকমই ইচ্ছা ছিলো। কিন্তু এখন প্ল্যান চেঞ্জ। এক পোষ্টেই সব কিছু তুলে দেয়ার চেষ্টাতে আছি। তাই যা দেখছি তার অনেক কিছু নিয়েই লেখা হবে না। লেখার এক বিন্ধু ইচ্ছা নাই তাও মনে হলো আজ যদি না লিখি তাহলে আর লেখাই হবে না। বাড়ীতে দুই ব্যাটারীর রিমোটে কত হাজার বার টিপলাম সমানে তার ফিরিস্থি জানানোই গেল না। আমাদের বাড়ীতে সব চ্যানেল আসে না। বাংলা চ্যানেল গুলার ভেতরে এশিয়ান, ইন্ডিপেন্ডেন্ট, এস এ টিভি, এটিএন নিউজ এই সব আসে না। হিন্দী চ্যানেল তো রাশি রাশি আসে না, একটা হিন্দী গানের চ্যানেল পর্যন্ত নাই। তাও এই সীমিত সামর্থ্য দিয়েই দেখতে দেখতে হয়রান। তবে রাত সাড়ে দশটা এগারোটার পরে আর টিভি দেখি নি। কার

নির্বাসিত লেখক এবং এক আশ্চর্য আবেগময় বন্ধুর জন্মদিনে!

জন্মদিনকে খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু ভাবার লোক আমি না। অন্যের জন্মদিন সমন্ধে ভাবলেও নিজের জন্মদিন সমন্ধে মোটেও তা ভাবি নাই। ঘটা করে নিজের জন্মদিন পালন কখনো করা হয়ে উঠে নি। নিতান্তই পারিবারিক ভাবে ভালো মন্দ খেয়ে দেয়েই আমার জন্মদিন পালন করেছি বাল্যকালে। তবে মানুষ তো আমাদের মত ছিল না। বেশীর ভাগই জন্মদিন পালন করতো আর দাওয়াত পেতাম। দাওয়াত পেয়ে নিজের বাসায় না জানিয়েই দাওয়াত খেয়ে আসতাম। বিকেলে যে জামা পড়ছি, গোলকিপিং করে তার অবস্থা বারোটা তাও গিফট বিহীন সেই ভাবেই হাজির হয়ে যেতাম। জানতাম বাসায় জানালে যেতে দিবে না এরকম আবুলের ন্যায়। রাতে বাসায় ফিরে বলতাম আমাকে জোর করে নিয়ে গেছে। আমি কি করবো!

বুর্জোয়া জেনারেলের তথাকথিত সৈনিক জীবনে ফিরে দেখা!

বই নিয়ে আমার গত পোষ্ট ছিল কর্নেল হুদা ও তার সময়কে নিয়ে তার স্ত্রীর লেখা বই, সন্দেহ নাই বইটা অসাধারণ। তিন চার দিন আগে আমি পড়া শেষ করলাম মেজর জেনারেল মনজুর রশীদ খান (অব,) লিখিত 'আমার সৈনিক জীবনঃ পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ'। বইটা বীর মুক্তিযোদ্ধা সেক্টর কমান্ডার হুদা কে নিয়ে লিখিত বইটার প্রায় বিপরীত মুখী আরেক সেনা কর্মকর্তার বুর্জোয়া দৃষ্টিভঙ্গীতে তার যাপিত সেনা জীবনের বিবরন। এইটাও প্রথমা থেকে বের হওয়া, বইটার দাম অনেক, ৫০০ টাকা। দারুন বাধাই ও ঝকঝকে মুদ্রন, প্রচ্ছদে দেখতে আকর্ষনীয় একটা বই। ভারতে রুপীর দাম নাকি শেয়ার বাজারের কারনে হু হু করে নামতেছে। কার মুখে জানি শুনলাম ১০০ টাকায় এখন ৮২ রুপি। সমান সমান হয়ে গেলে বড়ই সুখের দিন। কলকাতার বইয়ের দাম আরেকটু সুলভ মুল্যে পাওয়া যাবে। কিন্তু বাংলাদেশী একেকটা বইয়ের যে অগ্নিমুল্য তা খুব বেশী প্যাশান না থাকলে কিনতে পারাটাও খুব কষ্ট। লোকজনের মুখে শুনি বিদেশে বইয়ের দাম কত সস্তা তা নিয়ে আলাপ। কিন্তু বাংলাদেশে আগামী দিনে ৪- ৫ ফর্মার তরুন তরুনীদের জন্য লেখা হালকা উপন্যাস চারশো পাচশো টাকাতে বেচতে দেখলেও খুব বেশী অবাক হবো না!

যখন সব ভেঙ্গে যায়, আমি দাঁড়িয়ে কিনারায়!

শিরোনামটা যথারীতি অযথাই দেয়া। এক বড় ভাইয়ের মুখে আর্বো ভাইরাস ব্যান্ডের খবর শুনলাম যে তাদের নতুন এ্যালবাম আসছে এবং তা তাদের সাইটেই ফ্রীতে পাওয়া যাচ্ছে। অডিও বাজারের ব্যাবসা যেহেতু খুব খারাপ। তাই ফ্রীতেই তারা তাদের গান গুলো দিয়ে দিলো। শ্রোতারা শুনুক। আর্বো ভাইরাস ব্যান্ডটা পারফর্ম করে খুব জোস। সেইটা আরসিসিতেই হোক বা আর্মি স্টেডিয়ামেই হোক। কিন্তু তাদের উচ্চারনরীতি একটু গেঞ্জাম প্রবন। এখনো ভোকাল সুফী বা আগে সুহার্ত ভাইয়ের র আর ড় য়ে সমস্যা রয়েই গেল কিংবা আছে। কিন্তু তাদের লিরিক অত্যন্ত পাওয়ারফুল। যেমন এই গানটার কোরাস লাইন গুলার কথাই বলি।
যখন সব ভেঙ্গে যায়, আমি দাঁড়িয়ে কিনারায়
তাকিয়ে দেখি মেঘের পরে রোদের সীমানায়
কেন সব ভেসে যায়, নবজাতক প্রেরনায়
আজ তবে শেষ হোক সব অন্ধকার!

what is love?

আজ সকালে ঘুম থেকে দশটায় উঠে ভাবতেই পারি নাই- যে আজ দিনটা এতো দুর্দান্ত কাটবে। আমার মনে হয় গত একমাসে যত হাসছি তার চেয়েও বেশী হাসছি আজ সারাদিন। উঠতে বসতে এক্সামে বাসে হেসেই চলছি শুধু। এত হাসির কোন মানে নাই তাও হাসতে হাসতে অবস্থা কাহিল। ভার্সিটিতে এক্সাম শেষে- চায়ের দোকানে আড্ডা শেষে, বাসায় ঢূকতেই মামাও জিগ্যেস করে ফেললো শান্ত আজ এত খুশী কেন? ভাগ্যিস এক্সামটা ঠিক মতোই দিলাম সেখানে হাসাহাসি টা মনে মনেই করেছি। শাহবাগ থেকে বাসে উঠে মেগাসিটিতে ব্যাপক ভীড়। আমি কিভাবে জানি সিট পেয়ে গেছি দরজার পাশে, নারী পুরুষ বুড়ো সবাই আমাকে পারা দিয়ে যাচ্ছে তাও আমার বিরক্ত লাগছে না। অন্য সময় হলে কিছু না করলেও বিরক্ত নিয়ে গরম চোখে তাকাই তাও করি নি আজ। এতো আনন্দ আহলাদের উপলক্ষ্য একটাই তা হলো হুট করেই ঝোকের মাথায় আমার আর পুলকের- একশন হিরো মেগাস্টার জলিলের বলাকায় নিঃস্বার্থ ভালোবাসা বা ওয়াট ইস লাভ নাম বস্তুটা দেখে আসা!

বাড়ী থেকে ফিরে!

পিসিতে বসে পনেরো ষোলো দিন পরে আজ লেখার সুযোগ পাচ্ছি। আমি সবসময়েই চিরাচরিত ডিলেমার মধ্যে থাকি। যখন মোবাইলে লিখি অজস্র লিমিটেসনের মধ্যে, তখন মনে হয় একটা পিসি পেলে ফাটিয়ে লেখা যেত এখন। আর এখন পিসিতে বসে মনে হচ্ছে মোবাইলে লিখতেই কত আরাম, কত কিছু সহজে এসে যায় আর চাইলে চোখ বুজেও লেখা যায়। কিন্তু পিসিতে তার সুযোগ কই? তবে বাড়ী থেকে এসে পিসি নিয়ে বসতে ভালোই লাগে। মনে হয় অনেকদিন পর পিসিতে বসার সুযোগ পেয়েছি, অনেকটা নতুন বই পড়ার আনন্দের মতো। সেই ২০০৬ সালে যখন প্রথম ইন্টারনেট চালিয়েছিলাম , কিছুটা সেই সময়ের মুগ্ধতাও এসে যায় অকপটে!

লাইভ ব্লগিং!

এই পোষ্টটা লিখছি সাহস করেই। জানি না পোষ্ট দিতে পারবো কিনা এতো জটিলতায়, তাও লিখছি। কালকেও একটা পোষ্ট দুই ঘন্টা ধরে লিখেও দিতে পারি নাই কারন লেখা শেষেই ঠিকমত মোবাইলটা করলো হ্যাং। রাগে দুঃখে সেটটা বেডরুমের দেয়ালের দিকে ছুড়ে মারলাম। খুব বেশী ক্ষতি হয় নি মোবাইলটা। দিব্যি সুস্থ আছে। যাই হোক পোষ্টটা লিখছি সিক্সটি পারসেন্ট চাদঁ জানালায় দেখতে দেখতে। খুব দ্রুত চলছে ট্রেন, সাড়ে তিন ঘন্টা লেট করে। শিডিউলের অবস্থা বারো টা। যতক্ষন ট্রেন জামালপুর থেকে ছাড়লো সেই অপেক্ষার সময় টুকুতে প্রাইভেট কারে ঢাকায় পৌছে যাওয়া যাবে জ্যাম না থাকলে। কিন্তু কি আর করার ব্যাক্তিগত গাড়ী নাই, বাসে যাওয়ার রুচি নাই তাই ট্রেন ছাড়া গতি নাই। আমাদের বেগতির যাত্রীরাই বাংলাদেশ রেলের সম্পদ। শত অব্যাবস্থাপনাতেও এই কু ঝিক ঝিক গাড়ীতে করেই ঢাকায় আসা যাওয়ার কাজটা করছি ফি বছর। এখন খুব চা খেতে ইচ্ছা করতেছে তাও আজ ট্রেনে চায়ের কোন ব্যাবস্থা নাই। উল্টা যাত্রায় ট্রেন সফরে যখন তাড়াকান্দিতে ইন্জিন বদল করে ঢাকা মুখী রওনা দিলো তখনই আটটায় দুই কাপ চা একত্রে মেরে দিলাম। মামাকেও খাওয়ালাম। অনেক দিন পর দুধ চা খেয়ে মন আহলাদিত। মা