ইউজার লগইন
ব্লগ
এই ক্লান্ত কাঁধে একবার রাখুক বাবা ভরসার ওই হাত
প্রিয় রাজশাহী থেকে অনেক দুরে আছি - দুরে আছি কলমুখর রাজধানী থেকেও - এ এক অন্য ভুবন - পূণ্যভূমি সিলেট - এখানেই পড়ে আছি - অনেকটা যেন নির্বাসনে - আধুনিক স্থাপত্যের একটা ডুপ্লেক্স বাড়ি - আপাতত এটাই আমার আশ্রয়স্থল - এ বাসার সবকিছুই সুন্দর - খুব বেশী সুন্দর আর নিঁখুত - তবু মন বসে না - দামী ফার্নিচারের ভীড়ে মাঝে মাঝে নিজেকেও প্রাণহীন কাঠামো মনে হয় - আমি একতলা দোতলা করি - অস্থির পদচারণ - এই পুরো দালানে একমাত্র জীবিত প্রাণী আমি - বিদ্যুত এখানে নিরবিচ্ছিন্ন - কক্ষগুলো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত - আমার মত ছাপোষা মধ্যবিত্তের জন্য এই বিলাসিতা বাড়াবাড়ি রকমের - এত আরাম আমার সয় না - এই বাসার ছাদটাকে কিন্তু বড় আপন মনে হয় - বৃক্ষলতা ছাওয়া ছাদ - এখান থেকে বহুদূর চোখ যায় - এই বাসায় এটাই আমার সবচেয়ে প্রিয় স্থান - অশরীরী আঁধারের কোলে এই আমার নির্জনবাস - যদিও আমি একা - তবু যেন কেউ আছে - রাতের কাঙ্ক্ষিত অতিথিরা - যে রাতগুলোয় অনিদ্রার রাজত্ব - আমি ছুটে যাই ওই ছাদে - রাত আমাকে কত কিছুই না দেখায় - কত অদ্ভুত সব দৃশ্য - যে না দেখেছে সে বুঝবে না - একপর্যায়ে চাঁদ স্ফীত হয় - তারপর আবার শুরু হয় সংকোচনের খেলা - অবিন্যস্ত মেঘেরা
খোয়াবনামা...
খুব অসহায় বোধ করতেছি কয়েকদিন ধরে। তার উপর গতোকাল থেকে একটা দুঃস্বপ্ন আতঙ্কের মতো ঘিরে ধরেছে। নিজের ঘরের দৈর্ঘ্য না জেনে আহ্বান করেছি হাজার মানুষ তারপর দেয়াল সব ভেঙে পড়ছে, মানুষগুলো এমন অবুঝ যে তারা দেয়ালগুলো টেনে এনে আবার সীমানায় গেঁথে দেয়ার চেষ্টা করছে। সবার ধাক্কায়-নিস্পেষণে আহত আমি কোনোমতে ঠেলেঠুলে গিয়ে দেয়ালটাকে আরেকটু ঘরের দিকে পিছিয়ে আনতে বলে দেখি ঘরের কোনো অস্তিত্ব নেই। ঘরে আমার সান্তনা দেয়ার মতো কেউ নেই। কোত্থেকে একদল লোক "হা রে রে রে রে..." বল্লম হাতে, মাথায় লাল পট্টি বেঁধে উড়ে এলো। তারা এসেই এলোপাতারি বল্লম ঘুরাতে ঘুরাতে তাড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করতেই প্রথম আসা মানুষগুলি তাদের প্যান্টের পকেটে হাত দিয়ে বের করলো সব অতিকায় মেশিনগান। তন্দ্রার ভেতরেই আমি এরপর জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। এখন লিখতে গিয়ে ভীষণ হাসি পেলেও যখন আধোঘুমে এই স্বপ্নের মতো ঘটনাটা ঘটছিলো তখন আমি ভয় পাচ্ছিলাম, ভীষণ ভয়!
দুঃস্বপ্নটাকে বিশ্লেষণ করতে সময় লাগলো মিনিট দুয়েক। না, আরো কম সময়। খোয়াবনামা বুঝে উঠতে শুরু করতেই
ল্যাঞ্জা ইজ অলয়েজ ভেরী ডিফিকাল্ট টু হাইড

ল্যাঞ্জা লুকানো ছাগুদের প্রিয় কিছু উক্তি এইরকম -
- আমরাও যুদ্ধাপরাধীদের ঘৃনা করি!
- আমরাও জামাত-শিবির ঘৃনা করি!
- আমরাও মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মান করি!
- আমার বাবাও মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন!
- আমিও মুক্তিযোদ্ধা ছিলাম!
- আমার প্রিয় বন্ধুও মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হইছে !
- আমরাও ২১শে ফেব্রুয়ারীতে শহীদমিনার যাই!
- আমাদের বাসায়ও পাকিস্তানী বাহিনী আগুন জ্বালায়েছে!
ল্যাঞ্জা লুকানো ছাগু এবিতেও আছে দুই একটা, মাঝে মাঝে এদের ল্যাঞ্জা বাইর হইয়া যায়।
একখানে চুটকি করা হইছে জিন্নারে নিয়া। তো স্বাভাবিক ভাবেই ল্যাঞ্জালুকানো ছাগুর গায়ে একটু লাগছে কিন্তু সে এখন কি করবে !!! তার তো ল্যাঞ্জা ভাঁজ কইরা লুকায়া রাখা আছে। সে তো নারায়ে তাকবির বইলা ঝাপায়া পড়তে পারে না!
এখন ছাগু প্রথমে ইনায়া বিনায়া শুরু করলো আমার বন্ধু মুক্তিযোদ্ধা আছিলো। তারপর সে জানাইলো - আমি কিন্তু জিন্নার ভক্ত না!!
কেমন আছ মা?
মনটা আমার আজ সত্যি ভালো নেই। না শুধু আজ নয় । কিছুদিন ধরেই ভালো নেই। কতদিন মাকে দেখনিা। কেমন আছে আমার মা। ৯ এপ্রিল থেকে মায়ের মুখটি কমেন হয়েছে তাও জানিনা। এ বাড়িতে আসার কালই শরীরটা আমার খুব খারাপ হয়েছে। মনে হয় প্রেসারটা লো হয়ে গেছে। খুব মনে পড়ছিল গতকাল রাতে। যদিও আকাশ। মানে আমার ১২ বছর আগের ভালোবাসার মানুষ যে আমার এখন পতিদেবতা তার সমস্তটুকু ওজার করে সেবা করেছেন। তারপরও কেন মনে হয়েছে যদি মায়ের হাতখানি আমার কপালে রাখত। তবে মনে হয় আরো বেশি তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে উঠতে পারতাম।
বলতে কোন লজ্জা নেই। আমার জনম দু:খী মা চিরকালই কষ্টই পেয়েছে। আমরা সকলে মিলে দিয়েছি। কিন্ত কেনজানি তারপরও আমার বড় অভিমান হয়। পাহাড় সমান অভিমান হয়। কেন মা শেষ পর্যন্ত ১২ বছর পরেও মেনে নিতে পারেনি। নাকি আমার কোন বোঝার ভুল। মা ও মা আমিতো তোমারই জন্যে এই মানুষটিকে ১২ বছর আগে না করেছি। শুধু তোমাকে অপমান করেছিল। কিন্তু আকাশ তো করেনি।
আজ বৃষ্টি। মা তুমি কি করছো? মা তোমায় খুব দেখতে ইচ্ছে করে। কেমন আছ মা? আমায় তুমি কি ভুলেই গেছ মা। তুমি আমায় ভুল বুঝোনা। মাগো তোমার হাতের রান্না খাইনা কতদিন। মা তোমার হাতের মজার মজার রান্না।
মেঘলা দিন যাপন
এই প্রখর রোদের দিন গুলোতে কামনা করতাম একটাই কবে আসবে সেই মেঘলা বর্ষনমুখর দিন। বর্ষনমুখর দিন না আসলেও গত দুইদিন চমৎকার মেঘলা ঠান্ডা ঠান্ডা দিন পার করে মন মেজাজ দারুন । কারেন্ট থাকতেছে ভালোই। নানক সাহেব পদোন্নতি পেয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক হইছে। আগে তিনি ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক। তাতে মুহাম্মদপুরে আওয়ামিলিগওয়ালারা খুব খুশি। মিষ্টি খাইলাম ভালোই। কিন্তু বুঝলাম না নানক মিয়ার পদোন্নতিতে পাতি নেতারা এতো খুশি ক্যান?
অনিমেষ রহমানের ই-বুক অনিমেষ রহমানের ব্যাবস্থাপনার ক্লাস সমগ্র।
অনিমেষ রহমান আমার প্রিয় লেখকদের মাঝে একজন। তিনি অসম্ভব প্রতিভাবান একজন.....
কি বলব তাকে ঠিক শব্দ খুঁজে পাচ্ছি না। তিনি যেমন সুন্দর কবিতা লেখেন তেমনি ভাবে গল্প লেখেন। আর আড্ডা জমাতে উনার বিকল্প পাওয়া দূরহ। আমার অনেক দিনের ইচ্ছে ছিলো দাদার লেখাগুলো নিয়ে কিছু একটা করবো। তাই অনিমেষদার এখন পর্যন্ত প্রকাশিত ব্যাবস্থাপনার ক্লাস সিরিজের পর্ব গুলো দিয়ে তৈরী করে ফেললাম অনিমেষ রহমানের ব্যাবস্থাপনার ক্লাস সমগ্র।
আশাকরি আপনাদের ভালো লাগবে।
ডাউনলোড লিংক এখানে।
অন্য বুঝ।
কিছু কিছু গান আছে না, যে গানের প্রথম কয়েকটা লাইন শুনলে অন্য বুঝ হয়!
এই যেমন ধরেন, “ তুমি এসেছিলে পরশু, কাল কেন আসনি?
-----মনে হয় না, অফিসের কর্তা কর্মচারীরে কইতাসে, “পরশু অফিস কইরা গেলা, কাইল তো আর আইলা না। কামাই দিলা কেন?”
আবার ধরেন, “তোমার বাস কোথা যে পথিক,
ওগো দেশে কি বিদেশে?”
মনে হয় না , প্রশ্নকর্তা যাইচা নিমন্ত্রণ চাইতাসেন! পরের বাক্যেই হয়তো জানতে চাইবেন, “ওই এলাকায় বাসা ভাড়া কি রকম।“
পরের লাইন গুলা দেখেন, উত্তরদাতা বেশ টেকনিক কইরা কাটায় দিলেন। “আমার বাস কোথা যে জানো নাকি! শুধাতে হয় সে কথাটি।“
ভাবটা এমন, “কন কি, আমার বাসার ঠিকানা জানেন না! এইটা আবার জিগাইতে হয়!”
“সব সখীরে পার করিতে নেবো আনা, আনা।
আর তোমার বেলায় নেবো সখি, তোমার কানের সোনা।“ গানটা সবাই শুনছেন।
মনে হইতে পারে কি, মাঝি কইতে চাইতাসে ”তোমারে নাওয়ে নিতে গেলে ডুইবা যাইবার সম্ভাবনা আছে। তাই, নাও-য়ের দামটা আগেই নিয়া রাখি।"
আবার ধরেন এই গানটা, “আজকে নাহয় ভালোবাসো, আর কোন দিন নয়।“
কন দেহি, এই লাইন দুইটা কাউরে কইলে জুতা খাওন লাগবো না! গণপিটুনিও খাইতে হইতে পারে।“
ভোরের শিশির কণা
রঞ্জুর বাসা থেকে বাস স্ট্যান্ডের দূরত্ব খুব বেশী নয়, এটুকু পথ পায়ে হেঁটেই যাওয়া যায়। ঘড়ির কাঁটা ধরে রোজ সকালে একই পথ ধরে ওর যাওয়া আসা। বাসা থেকে বের হয়ে রাস্তাটি বেশ কয়েকটি বাঁক নিয়ে বড় রাস্তায় পড়েছে, তারপর পাঁচ মিনিট হাটলেই বাসস্ট্যান্ড!
আজ একটু দেরী হয়ে যাওয়ায় খুব তাড়া ছিল রঞ্জুর। বাসা থেকে বেড়িয়ে গলির দ্বিতীয় বাঁকটির শেষ মাথায় নুরুল ডাক্তারের বাড়ি পার হয়ে দ্রুত হেঁটে যাচ্ছে, হঠাৎ লম্বা বেণী দুলিয়ে উজ্জ্বল শ্যাম বর্ণা এক উচ্ছলা ষোড়শী ডাক্তার বাড়ির ডান দিকের গলি থেকে দমকা হাওয়ার মত এসে রঞ্জুর সামনে উদয় হল। মেয়েটি ভাঁজ করা একটি কাগজ রঞ্জুর হাতের মুঠোয় ধরিয়ে দিয়ে ঝড়ের বেগে দৌড়ে পালাল যেদিক দিয়ে এসেছিল ঠিক সেভাবে উল্টা দিকে। ঘটনার আকস্বিকতায় রঞ্জু তো অবাক! কি করবে ঠিক বুঝে উঠতে না পেরে বেশ কিছুক্ষণ হতবিহ্ববল হয়ে ওখানেই দাঁড়িয়ে থাকার পর চারিদিকে তাকিয়ে আশেপাশে কেউ নেই দেখে স্বস্তি বোধ করলো। পরে পড়বে ভেবে কাগজটি প্যান্টের পকেটে ভরে হাঁটতে লাগলো বাসস্ট্যান্ডের দিকে।
শিরোনামহীন
মাঝে মাঝে মনে হয় কেন জন্ম নিলাম এই পৃথিবীতে, জীবনে তো কিছুই অর্জন করতে পারলামনা। খুব হতাশ হয়ে যাই মাঝে মাঝে, জীবন চলার পথে প্রতি বাঁকে বাঁকে এত ঝড়-ঝঞ্চা পার হয়ে আর সামনে এগুবার পথ খুঁজে না পেয়ে যখন খুব অসহায় মনে হয় নিজেকে, তখন ভাবি আমার মত অকর্মণ্য, ব্যর্থ একজন মানুষের দুনিয়াতে জন্মগ্রহণ না করলে কি এমন মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যেত?জন্ম,মৃত্যু সব সৃষ্টিকর্তার হাতে – কথাটি সত্যি হলেও মাঝে মাঝে ভাবি ব্যর্থ এই জীবনে যত দিন যাচ্ছে, ততই একটা মাকাল ফলে পরিণত হচ্ছি।
৫ ব্যাগ A+ রক্ত প্রয়োজন (অন্তত একদিন বাঁচিয়ে রাখি তাকে)
আমার বন্ধু, কাছের দূরের, পরিচিত, অপরিচিত সবাইকে বলছি, রাজশাহী কলেজের ২১ বছর বয়েসী ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী ইসমত আরা সরকার (ডাকনাম রিংকী)-এর ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ায় তাকে রোজ ৫ ব্যাগ A+রক্ত দিতে হচ্ছে। ঢাকার গ্রীণ ভিউ ক্লিনিকে ৩০৭ নম্বর কেবিনে তাকে ভর্তি করা হয়েছে। (হাসপাতালের ঠিকানাঃ ২৫/৩ গ্রীণরোড, ঢাকা)।
আজকের (১৫ই জুন,২০১২) ৫ ব্যাগ রক্ত যোগাড় করা গেছে। আগামীকাল কি হবে জানি না। আপনাদের পরিচিত কারো বা আপনার রক্তের গ্রুপ A+ হলে রক্ত দিয়ে আসুন উপরে লেখা ঠিকানায়। অর্থ দিয়ে এগিয়ে আসতে চাইলে, উপরে লেখা ঠিকানায় সরাসরি গিয়ে মেয়ের ভাই বা মায়ের হাতে টাকা দিয়ে আসতে পারেন। (সংগত কারণে বাবার হাতে টাকা দিতে নিষেধ করা হচ্ছে) অথবা ডাচ বাংলা ব্যাংকের যে কোন শাখায় টাকা পাঠাতে পারেন। Account name: Md. Helauzzaman Sarkar , Account number 135.101.15313
অথবা ০১৮৩৯৪৯১৪৫৩ নম্বরে অন্তত ১০ টাকা ফেক্সিলোড করে দিতে পারেন।
এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরী কাজ হচ্ছে রক্ত দেওয়ার মানুষ খুজে বের করা।
ব্লগর ব্লগর।
সকাল প্রায় সাড়ে ছটা বেজে গেল। এখনও মোটামোটি বিনা কারনেই কম্পিউটার স্ক্রীন সামনে নিয়ে জেগে বসে আছি। আজকে শনিবার। সকাল সকাল উঠার তাড়া নেই। তাই বেশী দেরী হয়ে গেল ঘুমাতে ঘুমাতে। এমনিতেও গত কসপ্তাহ ধরে সকাল ৫টার আগে ঘুমাতে পারছি না। এমন না যে আমি খুব তাড়াতাড়ি ঘুমাই। বরং রাত বারোটা আমার সন্ধা রাত একেবারে পিচ্চিকাল থেকে। কিন্তু ইদানিং জেগে থাকার সময়টা বাড়তে বাড়তে তিনটা থেকে পাচটায় চলে গেছে। গত বছরের শেষে বাড়তি কিছু টাকার লোভে প্রায় ছমাস সপ্তাহে দুরাত করে একটা রিটেইল ষ্টোরে কামলা দিতে গিয়ে এই অবস্থা। এখন সেটি আর করছি না, তবুও সকাল পাচটা বাজানোর অভ্যাসটা যাচ্ছে না আর। ভাবছি টোপাজ (যে স্টোরে কামলা দিয়েছিলাম) এর বিরুদ্ধে দুইতিন মিলিয়ন ডলার এর ক্ষতিপুরন মামলা করে দেব আমার ঘুমের বারোটা বাজানোর জন্যে।
আষাঢ়ে গপ্পোঃ অর্থ বিভ্রাট
এবার রাজশাহীতে যেয়ে দেখি আমার তিন বছর বয়সি ভাগ্নি আলোকিতা তেমন বাংলাই বলছে না… বলছে অনর্গল হিন্দি… মাত কর… মাঝে মাঝে এসে আমাকে ধমক দিচ্ছে খামোশ! টিভিতে ননস্টপ হিন্দি কার্টুন দেখার সুফল(?)। কী সাংঘাতিক অবস্থা!
আষাঢ় মাসে আষাঢ়ে গপ্পো করি আসেন সবাই মিলে
[ আষাঢ় মাসে আসেন আষাঢ়ে গপ্পো করি। গল্প টা শুরু করলাম আমি , এরপর মনের মাধুরী মিশায়ে বাকীটুকু যোগ করে ফেলেন ঝটপট]
আমরাবন্ধু থেকে পিকনিকে যাওয়া হবে। এবারের পিকনিক স্পট ঠিক করা হয়েছে এভারেস্টের চূড়া। একটা বড় প্লেনে করে সব্বাইকে নিয়ে যাওয়া হবে এমনটাই ঠিক করা হয়েছে। প্লেন ভাড়া করার দায়িত্ব পড়েছে মীর এর উপর। মীর তো প্লেন ভাড়া করতে গিয়ে বিশাল নাজেহাল অবস্থা।
একদিকে এমিরেটস ডাকে অন্যদিকে গালফ টেনে ধরে। সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স মীরের হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে তাদের প্লেন দেখায়া বলে - ''এইডা ভাড়া লন ছার। নতুন প্লেন, একদম ফ্রেশ। ধোলাইখাল থেকে নাট বল্টু টাইট করায়া আনছি''
এসব টানাটানি , ধাক্কাধাক্কি থেকে কোনমতে গালফ এয়ারলাইন্সের একটা বোয়িং ভাড়া করে মীর বাসায় পৌঁছে।
প্রকাশিত হলো বর্ষার ই-বুক বৃষ্টির দিনে

প্রকাশিত হলো প্রতীতি প্রকাশনীর তৃতীয় ই-বুক ‘বৃষ্টির দিনে।
প্রতীতি প্রথম দু’টি ই-বুক ছিল চলচ্চিত্র বিষয়ক। এবারে ই-বুকটি করা হলো বর্ষা নিয়ে। খুব বেশি কিছু বলে পাঠকদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটাবো না। সংক্ষেপে যা বলার তাই বলে সম্পাদকীয়টা সংক্ষেপেই শেষ করবো।
ই-বুকের পাতার অঙ্গসজ্জায় গতানুগতিক ডিজাইনের বাইরে এসে কিছুটা ভিন্নতা আনার চেষ্টা করেছি আমরা। সাধারণ নিয়ম-কাঠামোর বাইরে এ ধরণের এক্সিপেরেন্ট করার ইচ্ছেটা অনেকদিন ধরেই মনের মধ্য ছিল। কিন্তু চেনা পথের বাইরে পা বাড়ানোর ঝুঁকি নিতে কিছুটা সঙ্কোচবোধ কাজ করছিল। বর্ষার সাথে ভাসিয়ে দেওয়ার কেমন জানি একটা সম্বন্ধ আছে। বর্ষার ই-বুক করতে গিয়ে মনে হলো সঙ্কোচবোধটাকে ভাসিয়ে দেওয়ার মতো এরকম উপযুক্ত উপলক্ষ আর হয় না।
আবোল তাবোল - ১২
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা,
ব্যাস- তারপরেই বর্ষা!
ভাবতেই, মন ভাল হয়ে যাইতাছে।
বাংলা দিনপঞ্জি অনুসারে কাল সকালে, ভোরের সুয্যিমামার রাতের ঘুম ভাঙতেই আষাঢ়, পুরো এক মাস। তারপরেই আবার শ্রাবণ। কি মজা! দুই দুইটা মাস আমাদের বর্ষাকাল।
সারাবছরই তো একটু আধটু বৃষ্টি হয়। কিন্তু পুরো দুই দুইটা মাস জুড়ে কথা নাই বার্তা নাই ঝুম বৃষ্টি, এর কোন তুলনা আছে নাকি?!
দুর্জনে অনেক কথা বলে, এত কথা শুনতে গেলে রাত শেষ হইয়া যাইবো!
তা, বর্ষাকালের বহুত দুষ আছে মানি!
আমাদের রোবটিক জীবনযাপনে অনেক ঝামেলায় ফেলে দেয় হুট করেই!
তাই বইলা বৃষ্টিরে দুষ দেওয়াটা কি ঠিক হইব?!
আমাদের কি দোষ গুন কম আছে?! বৃষ্টি বইলা কি সে মানুষ না?! হুহু!!
কথা হইলো কথা সেইটা না।
বর্ষা আইলেই বৃষ্টি আইব এইটা তো সবাই জানে!
তা, নাম শুনলেই তো আন্দাজ করা যায় তার মধ্যে মেয়ে মেয়ে ভাব বেশ ভালই থাকব!
তা একটা মেয়ে টাইপ কেউ সারা বছর অপেক্ষার পর আমাদের সাথে দেখা করতে আসতেছে, তারে নিশ্চয়ই কিছু ভাল ভাল কথা বইলা একটু আদর যত্ন করা উচিৎ! নাকি?!
একবার যদি গোস্বা কইরা বসে, কি একটা অবস্থা হইব ভাবা যায়?!