ইউজার লগইন
ব্লগ
ছোট গল্প ১
বৃষ্টির ছাট এসে গায়ে পরতে ঘুম ভেঙ্গে গেল রফিকের। মাথার কাছের জানালাটা খোলা। খুব গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিল, তাই কখন বৃষ্টি এসেছে টেরই পায়নি। উঠে জানালাটা বন্ধ করে দিল। ডাইনিং রুমের জানালা বন্ধ কিনা দেখবার জন্য ডাইনিং রুমে এল। রাস্তার ম্লান আলোতে দেখলো জানালা ধরে দাঁড়িয়ে আছে নিপা। বৃষ্টিতে ভিজছে দেখে ওকে ঘরে যেতে বললো। নিপা কিছু শুনতে পেল কিনা বোঝা গেল না। একেবারে পিছনে এসে কাঁধে হাতটা রাখলো। সাথে সাথে নিপা রফিকের গায়ে হেলান দিল। কিছুটা অবাক হয়েই রফিক মৃদু স্বরে বললো ----ঘরে যাও ঠান্ডা লাগবে। কেঁপে উঠলো নিপা, চমকে সোজা হয়ে দাঁড়ালো। কোন দিকে না তাকিয়ে চলে গেল ওর ঘরে। নিপা ওর গায়ে হেলান দিয়েছে বলেই কি রফিক তাকে ভাবী ঘরে যাও কথাটা বলতে পারলো না।
পাখির মত দিন

হে খোদা এতো রোদ দিওনা, এতো গরম হল্কা দিওনা, বৃষ্টি দিওনা, শুধু ছায়া আর ঝিরঝিরে বাতাস দাও । তোমার কাছে এই একটাই চাওয়া । আর কিছু কখনও চেয়েছি বলো?
সকালের ঘুম ভাঙ্গা প্রথম প্রার্থনা তন্ময়ের । প্রতিদিন একই চাওয়া ওর ইশ্বরের কাছে । যতই বলুক আর কিছু চাইনি, ও কিন্তু শীতে একটা গরম কম্বল দিতে বলেছিল ইশ্বরকে । তখন শুধু পাতলা একটা লেপ ছিল ওর । তারপর সত্যি একদিন মিলেছিল একটা নতুন ফুলতোলা কম্বল ।
আমরা কি আসলেই বন্ধু???
আমরা বন্ধুতে আমি নতুন না, অনেক আগেই এখানে রেজিশট্রেশন করেছিলাম। এখানে যখন
আসি তখন ভাবতাম সবাই বুঝি সবাই বুঝি সবার বন্ধু। কিছুদিন পাঠক হয়ে থাকলাম তারপর আস্তে আস্তে কমেন্ট দেয়া শুরু করলাম। তারপরেও দেখলাম ,এখানে যারা ব্লগায় তারা শুধু তাদেরকেই কমেন্টের উত্তর দেয়, নতুন কাউকে চোখে পড়ে না। একেই বলে আমরা বন্ধু।
মনে দুঃখ নিয়ে এখান থেকে চলে গেলাম। মনে মনে ঠিক করলাম এখানে আর আসব'ই না।
অনেকদিন পর হাসান ভাই আর জয়িতা কে হাতে নাতে ধরলাম আমার ব্লগ প্রোগ্রামে। আমারব্লগের প্রোগ্রামে ইনভাইটেশন পেয়েই তারা এসেছিল। হাসান ভাইকে বললাম ,
আপনারা যারা যারা যাদেরকে চিনেন শুধু তাদের সাথেই আড্ডান তাই আর আমরা( আমি আর সুবর্না ) আমরা বন্ধুতে যাই না।
শুধু এই অভিযোগ আমার না, সুবর্নার'ও আছে।
সেদিন থেকে শুরু করে আমরাবন্ধুতে লগিন করার অনেক চেষ্টা করলাম, কিছুতেই কিছু হোলো না।
মৃত্যূর পর আমার কবিতা লেখার কথা ছিলো
নিউজপ্রিন্টের ফর্মা খাতাটি মুক্তি দিচ্ছে না। প্রতিনিয়ত পৃষ্ঠাগুলো আমার কলমের কালি চুষে খেতে চায়। প্রকৃতি খুবই নিষ্ঠুর। আজ পর্যন্ত ক'জন ছেলে ওর প্রেমে আত্মাহুতি দিয়েছে? জানি না, কিন্তু আমিও সেই দলের একজন সদস্য। এখন আমাকে যদি হেলিকপকপে বেঁধে কোনো নির্জন বনের গহীনে ফেলে রেখে আসা হয়, তাহলে আমি সেখানে নিরবচ্ছিন্ন শান্তিতে মৃত্যূর প্রতীক্ষা করতে পারি। ভালবাসাটা পূর্ণতা পায়।
অসাধারণ লাগে নীল রৌদ্রকরোজ্জ্বল আকাশ। কোনো কোনো দিন বৃষ্টিস্নাত ভোর পার হয়ে অল্প কিছু সময়ের জন্য এমন আকাশের দেখা মেলে। নগরজীবন বড় যাতনাময়। অভাব, না পাওয়ার ভীড় এত বেশি যে; যেমনটি চাই তেমন নীল উজ্জ্বল আকাশ ভীষণ দুর্লভ। শাদা পেঁজাতুলা মেঘের প্রাসাদের ওপর আপন আলোয় উদ্ভাসিত একটা ঝকঝকে সূর্য দেখার আশায় চোখ দু'টো শান দিয়ে রেখেছি অনেকদিন হলো।
পুরাতন কিছু প্রকাশ না করার বিধান অস্বীকার করি
কিছু প্রকাশ যখন করতেই হবে তখন নতুন কিছুর চেয়ে
পুরাতনই ভালো, সেসব নির্মিত আখ্যান যার ভেতরে সটান ইচ্ছেবালক
দাপিয়ে বেড়িয়েছে এতকাল তার ঝাপটায়
পেছনে ফেরাই ভালো!
নতুন কিছু বলার চাইতে তোমাকে আগের কথাই বলি
যারপরে মূলত নতুন কিছুই জমে না, জন্মের কবন্ধ নেই
তার মুখোশ থেকে কালিঝুলি মাখা সংলাপগুলি
পালকের মত উড়িয়ে দিয়ে, দেই।
যখন কিছু প্রকাশ করতেই হবে নতুন,
তখন পুরাতনকেই তৈরী করি মনের মতন।
অনুভূতি
সকালে মেইল চেক করে যখন দেখলাম, আমি “আমরা বন্ধু” তে এন্ট্রি পেয়ে গেছি, মনে হ’ল এইমাত্র একটা এওয়ার্ড পেলাম। বন্ধুরা ধন্যবাদ। চেষ্টা থাকবে আপনাদের যোগ্য সহযোদ্ধা হওয়ার।একটু সময় লাগবে বুঝে উঠতে ব্লগের কিছু নিয়ম, লেখা ফরমেট ও ইত্যাদি।আপনাদের সহযোগীতায় নিশ্চয়ই কাটিয়ে উঠবো বাধাগুলো।ভুল করতে করতেই শিখে যাবো একসময়। সবার আবেগ ছুঁয়ে যাক ঐ বেহুলা প্রণয়।
তরুণীর ডানা বিষয়ক জটিলতা
#
আমার একটা ডানা ছিল। ডানাটি ছেঁড়া ছিল। একদিন উড়তে গিয়ে ঠাস করে পড়ে গিয়ে খেয়াল হলো, ডানাটি ছিড়ে গেছে, ভেঙে গেছে, কেউ এসে ভেঙে দিয়েছে।
আমি খুব শপিং করতাম। এটা-ওটা কিনতাম, শুধু শুধু দরদাম করতাম। কখনো কিছু না কিনে চলে আসতাম। মার্কেটে ডানা পাওয়া যেত না। আমার ডানাটি ভেঙে গিয়েছিল।
প্রায় একা একা হাঁটতাম, একা একা হাঁটি। তাকিয়ে মানুষ দেখি। ফুটপাতে ক্লান্ত পথচারীর পাঁজরভাঙ্গা নিঃশ্বাস দেখি, স্কুল ছাত্রদের চোখভরা আনন্দ দেখি, বেণী দোলানো তরুণীর হেঁটে যাওয়া দেখি। আমার দেখতে ভালো লাগে। কেবল, আমার মতো এক ডানা-ওয়ালা কাউকে দেখি না। আমি একটা ডানা খুঁজছি কিছুদিন ধরে। আমার ডানাটি কেউ এসে ভেঙে গিয়েছিল।
#
ধানমন্ডি থানায় ধুলো পড়া গাড়ির সাঁড়ি। পেরিয়ে এগিয়ে যাই। ঘর্মাক্ত পুলিশের চোখ খেলা করে- আমার মাথা থেকে নিচে। ওড়না পেঁচানো আমি, লোকটি কী দেখতে পাচ্ছে আমার ডানা নেই?
আমার ডানা হারিয়ে গেছে।
বিশদ বাঙলায় রবীন্দ্র সন্ধ্যা অতঃপর রবীন্দ্র ভাবনা...
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি-২
সেদিন শুধুই হেঁটেছিলাম। গ্রামের নির্জন পথ লোকে-লোকারণ্য হয়ে উঠেছিল। সারা রাস্তায় মানুষের মেলা বসেছিল। দেখেছিলাম, হিন্দু-মুসলিমের ভেদাভেদ ভুলে সবাই এক কাতারে জড়ো হয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল ভুপেন হাজারিকার সে বিখ্যাত গানের আহ্বানে- ‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য..’। দেখেছিলাম, মায়ের কোলো ক্ষুধার্ত শিশুটির জন্য সেদিন কেউ কেউ দুধভর্তি পাত্র হাতে, আবার কেউ পানি বা শরবতের পাত্র নিয়ে সারি সারি ঠায় দাঁড়িয়েছিল। যার যেটা প্রয়োজন তা নিয়ে পান করেছে বা করিয়েছে। এ দৃশ্য কখনো ভোলার নয়। চোখকে ফাঁকি দেয়া যায়, কিন্তু স্মৃতিকে ফাঁকি দেয়া মোটেও সম্ভব নয়। যে কোনো ঘটনা-অঘটন স্মৃতিকে একদিন না একদিন জাগিয়ে তুলবেই। মুক্তিযুদ্ধকালীন মানুষের মধ্যে সহযোগিতার যে ধারা বয়ে যেতে দেখেছি, তার এক ছিটেফোঁটাও যদি এখন আমাদের মাঝে থাকতো, তাহলে এ সবুজঘেরা, শস্য-শ্যামলা দেশটা কতোই যেন সুন্দর হতো। এদেশের মানুষ সোনার
রাজনীতি নিয়ে সিনেমা-২: দুনিয়া কাঁপানো সত্য ঘটনা পর্ব
এবারের পর্বটিও সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি সিনেমা নিয়ে। তালিকার ৯টি ছবির ঘটনা পুরোপুরিই সত্য। একটিতে ভিন্ন একটি ব্যাখ্যা রয়েছে। তবে যেহেতু কেনেডি হত্যা রহস্য উদ্ধার হয়নি, তাই তালিকায় স্থান পেলো সিনেমাটি। যেসব ঘটনা বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ধরণের ধাক্কা দিয়েছিল, সে সব ঘটনার ছবি নিয়েই এই আয়োজন।
১.জেড: রাজনীতি নিয়ে ছবি করার ক্ষেত্রে গ্রীক পরিচালক কস্তা গরভাস সম্ভবত পরিচালকদের মধ্যে প্রথম সারিতেই থাকবেন। তার সবচেয়ে বিখ্যাত ছবি জেড। মূলত একটি হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে ছবিটি।

স্মৃতির নরোম রোদমাখা গলিপথে
গত পনের দিন যাবত অফিসে উদভ্রান্ত কাজের চাপ যাচ্ছে। বেশ ভালই দৌড়ের উপরে আছি। কাজের চাপ বা দৌড়ের উপর থাকাটা উপভোগই করি মোটামুটি। আবার মাঝে মাঝে মন বিদ্রোহ করে বসে, তখন মনকে সুস্থির করার জন্য কাজের ফাঁকে ফাঁকেই ঘুরে বেড়াই স্মৃতির রাজপথ থেকে গলিপথে গলিপথে।
শিশুবেলার স্মৃতির গলিটা মাখামাখি করে আছে সকালের নরোম রোদে। গলির দু'পাশে সারি সারি দাঁড়ানো ঘর গুলোর জানালা থেকে হাত বাড়িয়ে এই স্মৃতি ওই স্মৃতি আমাকে ডেকে চলে। আমি আনন্দিত হই। আমার রক্তে কাঁপন ওঠে শিশুবেলার স্মৃতিদের দেখতে পেয়ে। হাঁটতে হাঁটতে চলে যাই গলির প্রায় শেষ মাথার একটা ঘরে। যেখানে আমার অনেক পুরোনো স্মৃতিগুলোর বসবাস। এই ঘরটার অনেক বাসিন্দাই চলে গেছে সময়ের সঙ্গী হয়ে, আবার কেউ কেউ রয়ে গেছে আমারই মায়ায়।
তাদের ভেতর থেকেই খুঁজে পাওয়া কিছু স্মৃতির সাথে...
*
কেজিতে পরতাম। বাসায় আব্বু মাঝে মাঝে গুন গুন করে গাইতো
আমরা পরাজয় মানবো না
একটা খুব হালকা হলুদ রঙএর জামা পরেছিলো মেয়েটি। অনেক স্বচ্ছ। সুন্দর দেহবল্লীর কল্যাণে টানটান। সঙ্গে শাদা ওড়না। সালোয়ারটা ছিলো শাদা। আর স্যন্ডেলটা ছিলো শাদা-হলুদ। আমি মুগ্ধ হয়ে তাকিয়েছিলাম। দেখে সে অবিশ্বাস্যভাবে উঠে এসে, গোড়ালির ওপর উঁচু হয়ে আমাকে একটা হাগ দিয়ে বসলো। মানুষজনের তোয়াক্কা না করেই!
ফ্লেক্সিবিলিটি শব্দটা কি শিশুদের জন্য প্রযোজ্য? অফিসে কাজ ছিলো না বলে বসে বসে রিমোট টিপছিলাম। ডান্স বাংলা ডান্স নামে একটা অনুষ্ঠান চোখে পড়লো। বস্'কে প্রায়ই এটা দেখতে দেখি। এ্যংকর হচ্ছে মিঠুন চক্রবর্তী। আছে অর্পিতা আন্টি আর বোধহয় যীশু আংকেল। অতিথি হয়ে এসেছে একজন। একটা ভুত আছে। ভুতটা খুবই ফানি। পুরো প্যকেজটা টিভি অনুষ্ঠান হিসেবে বেশ।
নিল জলের দুর্দশা......
সাগড় পাড় মােনই একটা শান্ত পরিবেশ যেখানে সমুদ্রের গর্জন ছাড়া আর কোন কোলাহল থাকবেনা। দীর্ঘ ৮ বছর বাদে পতেঙ্গা সিভিল বীচ এ গিয়েছিলাম গত ২ দিন আগে। সেখানে সাগড় পাড় দেখে মুগ্ধ হবার পরিবর্তে বিরক্তিতে আমার কপাল জুড়ে ভাঁজ ফুটে উঠল। সমুদ্রের গর্জন ছািপয়ে মানুষের গর্জন শুধু শুনতে পাচ্ছিলাম।
মানুষের ভীরে সাগড় এর মাতাল করা হাওয়া আমা অবধি পৌছাচ্ছিলনা। মনটা ভার হল আবর্জনা ফেলতে দেখে। খানিক পরেই অতিষ্ট প্রাণ নিয়ে সেখান থেকে এসে একটু সাগড় এর হাওয়া প্রাণ ভরে লাগাব বলে নেভাল বীচ এর পথে রওনা করলাম।
রবিবার ছিল বিধায় মানুষের আনাগোনা ছিল কম। আপন মনে কিছুটা সময় নিজের সাথে কাটিয়ে বাড়ি ফিরে আসার পথে মনটা ভার হয়ে উঠছিল দারূচিনি দ্বীপ (সেইন্ট মার্টিন) এর নিলাভ সৌন্দর্যের কথা ভেবে।
আমরা যদি আজ সচেতন না হই তবে হয়ত সাগড়ের ওই নিলাভ সৌন্দর্য টিকবেনা বেশিদিন।।
মৃত্যুর গল্প
মৃত্যু একদম সহ্য করতে পারি না। কেউ মারা গেছে শুনলেই আমি দূরে ভাগি। কারণ মৃত্যুকে বড্ড ভয় হয়। একটা অন্ধকার জগতে থাকাটাকে ভয় পাই না। ভয় পাই একা হয়ে যেতে হবে এই ভেবে।
তারপরও মৃত্যু দেখতে হয়েছে। দাদুকে যেদিন শুয়ে থাকতে দেখেছি সেদিন ভয়ে সারা শরীরটা ঝিম ধরে ছিল।
দাদুকে যখন কবরে নামানো হচ্ছিল তখন ভয়ে আমার শরীর কাপছিল। সেই দিনই একটা মানুষকে কবর দেয়া দেখি। মাটির ঘর। বাশের ছাউনি। তার ভেতর দাদুকে শুইয়ে দেয়া হলো। মাটি চাপা দিল। আব্বুর চোখের পানি সেই প্রথম দেখি। নিজ মা'কে এভাবে মাটিতে শুইয়ে দেয়া পৃথিবীর সবচাইতে কঠিন কাজ।
তারপর নানুকেও দেখি।
সম্পর্কের ব্যবচ্ছেদ
পরিচিত গন্ডী বারবার আঙ্গুল তুলে জানতে চেয়েছে
আমাদের সম্পর্কের কথা, আমি নিরুত্তর
সাথে ফিকে হাসি- তোমাকে কেউ এমন প্রশ্ন করতেই পারেনি;
কারণ ভীষণ সাধারণ আমার সাথে "তুমি" ভাবা যায় না,
আমার আঞ্চলিক টানের পাশে তোমার পূর্ণেন্দু পত্রী'র নন্দিনীর বিভাস,
যে কোন তৈলচিত্রের ক্যানভাসও মুহূর্তে করে দেবে উদাস।
আমার অগোছালো বেশভূষা-জিনস, কেডস...
সবকিছু যেনতেন তার সমান্তরালে তুমি তো
"অপর্ণা সেন"।
তাই সবাই জানে আমি প্রেমী কিন্তু ব্যক্তিকে চিহ্নিত করতে অপারগ।
সেই সুযোগে তুমিও একটু দূরে,
আমিও ফিকে হাসি নিয়ে আছি সরে -
এ বয়সে ভালোবাসা আর চৌকান করতে সাধ জাগে না,
আমাদের উল্লাসটুকু আমরা নীরবে করি পান।