ইউজার লগইন
ব্লগ
আমাকে নিয়ে লেখা
আমাকে নিয়ে লেখা শুরু করতে আমার বেশ কিছু চিন্তা জোগাড় করতে হয়েছে। আমি দেখতে পেয়েছি যে আমি বাক্য গঠন করতে পারছি। এবং আমি এই মুহূর্তে তেমন কোনো বিষয়বস্তু পাচ্ছি না যা নিয়ে লেখা যেতে পারে। তাছাড়া আমার বিষয়গুলো গত কয়েক ঘণ্টা ধরে আমাকে ভাবাচ্ছে। তাই এই মুহূর্তে আমাকে নিয়ে লেখাটাই সবচেয়ে জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাত চারটার দিকে অবশেষে চোখ বন্ধ করেছিলাম। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই সবগুলো মসজিদ থেকে একযোগে আযান দেওয়া শুরু করল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের এলাকার মসজিদগুলোর আযান শেষ হতে হতে একটা সময়ে আলো ফুটতে শুরু করল।
সেই চেনা মুখ কতদিন দেখিনি….
গতকাল একটা গান শুনতে শুনতে অফিসে যাচ্ছিলাম, “সে হারালো কোথায় কোন দূর অজানায়………সেই চেনা মুখ কতদিন দেখিনি……………”। এর পর থেকেই গানটা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। বসের সাথে ব্যস্ত মিটিং করার সময় দেখলাম গুনগুন করছি, সে হারালো কোথায় কোন দূর অজানায়………। কি অদ্ভুত!
আমি আগের ঠিকানায় আছি
“আমি আগের ঠিকানায় আছি
সময় করে এসো একদিন"
প্রখর সকাল
দিনটা শুরু হচ্ছে ইঁচড়ে পাকা সকাল দিয়ে। এলারম এর শব্দে ভোর হয়। প্রতিদিনের অভ্যাসে টুক টুক হেটে টয়লেটে। পানি ডিস্ট্রিবিউশন এ কোন সমস্যা আছে নির্ঘাত। পানির তাপমাত্রা এই সময়ের তাপমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি। হাত মুখে একটু জলুনি অনুভব হচ্ছে। মনে মনে গালি দিতে ইচ্ছে হচ্ছে। গালি দেয়াটা ঠিক কাজ না, যাকে গালি দেয়া হচ্ছে তার অনুভুতিতে আঘাত আসবে যদি শুনতে পায়। যদিও জানি সে শুনবে না। কিন্তু আমার শিক্ষা আমাকে এই গালি দেয়া থেকে বিরত রাখছে। খুব হাসি পাচ্ছে। আয়নায় এই জলুনি ধরা চেহারায় নিজের অজান্তে ই একটু হাসি ফুটে উঠলো। কাল ই এর একটা হেনস্থা করতে হবে। পানি ব্যবস্থাপনায় যিনি আছেন, তাকে ডেকে এর ব্যখ্যা চাইতে হবে। আর ব্যখ্যা যাই হউক, তার জন্য আমাদের এতো গুলো মানুষের যে সমস্যা হল তার জন্য তাকে মুল্য দিতে হবে। নিজের দিকে তাকিয়ে একটু অবাক হয়ে গেল। দিনে দিনে কেমন হিংস্র হয়ে যাচ্ছে। একটু তে ই বাধ ভেঙ্গে যাচ্ছে।
স্পর্শের বাইরে
সেদিন রাস্তার ধারে গুঁড়ের জিলাপী দেখে রোমেল ভাইয়ের কথা মনে পড়ে গেল। গুঁড়ের জিলাপী ওনার খুব প্রিয় একটা জিনিস। ঢাকা শহরের কোথায় কোথায় ভালো গুঁড়ের জিলাপী পাওয়া যায়, রোমেল ভাইয়ের তা মুখস্ত। উনি যে কতবার আমাকে নিয়ে সেসব জায়গায় নিয়ে গেছেন তার হিসেব নেই। এই জিনিস যে আমার খারাপ লাগে, তা কিন্তু না। সমস্যা হল গুঁড়ের জিলাপীর দোকানে রোমেল ভাই যান হেঁটে হেঁটে। আর তাঁর সাথে আমাকেও হাঁটতে হয়, যেটা আমার সবচেয়ে অপ্রিয় কাজ। শুধু যে ঢাকার ভেতরেই ‘গুঁড়ের জিলাপী অভিযান’ চলে, তা না। ঢাকার বাইরে বেশ কিছু জায়গায় আমরা গিয়েছি জিলাপী খেতে। সেই যাত্রাগুলো আরো ভয়ংকর। ঢাকায় অলি-গলি এমনিতেই বেশি, রোমেল ভাইয়ের জিলাপীর দোকানগুলো আবার এসব গলির শাখা-প্রশাখার ভেতর, যেখানে কোনভাবেই রিক্সা ঢোকা সম্ভব না। অবশ্য সম্ভব হলেও কোন লাভ হত না!
তারকাঁটা ওরফে হিন্দি ভাষায় চুল কাটা!
শিরোনামটা সরাসরি লিখতে পারলে আরো ভালো হতো। কিন্তু এক শীর্ষস্থানীয় ব্লগের ফ্রন্ট পেইজে একটা পোষ্ট অশ্লীল নামে ঝুলবে, ব্যাপারটা ভালো দেখায় না। তাই একি কথা একটু অন্যভাবে বললাম। আরো বেশী কিছু বলা উচিত। কারন এই সিনেমার প্রিমিয়ার থেকেই আমার মেজাজ খারাপ। আর সেই মেজাজ খারাপের কারনেই ছবিটা এত শর্ট নোটিসে দেখতে গেলাম। মেজাজ খারাপ করার কারন এর প্রিমিয়ার নিয়ে। এর প্রিমিয়ারে এক সাংবাদিক গিয়ে তাঁর পত্রিকায় সিনেমাটার এক রিভিউয়ে হালকা সমালোচনা করেছিল। এই সামান্য সমালোচনাই আমাদের মান্যবর সিনেমার পরিচালক ও তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গোরা সইতে পারেন নাই। ব্যাক্তি আক্রমনের চুড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েছে ফেসবুকে। বলা হয়েছে, প্রিমিয়ারের ফ্রি টিকেটে পেয়ে চ্যাটাং চ্যাটাং কথা ঝাড়ে সাংবাদিকেরা, নিজেরা কয়টা নাটক বানাইছে,সেই সাংবাদিকের লেখা গান নেয় নাই তাই তাঁর এত রাগ। হাবিজাবি কত কথা দেখলাম ফেসবুকে। আমি ডিমের গন্ধ শুনলেই বুঝবো যে ডিম প
ক
গত ১ বছরে জীবনযাপনের ধরণ বদলে গেছে। পরিবর্তন কাঙ্খিত ছিলো কি না তা যাচাই করার অবসর তৈরী হয় নি। একটি রাজনৈতিক গোলোযোগ থেকে অপরাপর গোলোযোগের মুখে কোনোমতে টিকে থাকা,একটু নাক উঁচিয়ে সামান্য শ্বাস নিয়ে বেঁচে থাকার গল্পের ভেতরে তেমন মহত্ব নেই। গতানুগতিক আক্ষেপ কিছু আছে। প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির মাঝে, ক্ষোভ-বিক্ষোভ-আক্ষেপের ভেতরেও বেঁচে থাকতে হয়। মানুষ বেঁচে থাকে, ক্যালেন্ডারের পাতার দিনগুলো, ঘড়ির কাঁটা ক্রমাগত ঘর বদলায়, উদ্বেগ- অনিশ্চয়তা- নিরাশা- হতাশা যখন ক্লান্ত করে ফেলে তখনও বেঁচে থাকার একটা কারণ খুঁজে পাওয়া যায়।
কয়েকদিন আগে রিকশা করে সপরিবারে বাসায় আসছি। ঋতকে বললাম মা মনি ঘুমাও, তোমার চোখে ঘুম দৌঁড়াচ্ছে।
না ঘুম দৌড়াচ্ছে না। বাবা টোনাটুনি কোথায়?
রাত হয়ে গেছে, সবাই ঘুমাতে গেছে, তুমিও ঘুমাও
না ঘুমাবো না। বাবা প্লেন কোথায়?
প্লেনও ঘুমাতে গেছে।
প্যাঁচকলে গণতন্ত্র
বঙ্গবন্ধুর সরকার প্রথম জাতীয় পে-স্কেল দিয়েছিলেন । আমার শিক্ষক চৌধুরি সাহেব ওটার নাম দিয়েছিলেন জাতীয় প্যাঁচকল ! ওই প্যাঁচকলে পড়ে অনেকের অর্থনৈতিক ডিমোশন হয়েছিল । একজন কেরানী আর ড্রাইভারের বেতন ছিল সমান । উপ-সহকারী প্রকৌশলী আর তার ড্রাইভারের বেতনের ফারাক ছিল মাত্র একশ টাকা । তৎকালীন সরকারি চাকুরেরা এগুলো অনিচ্ছার সাথে হজম করতে বাধ্য ছিল । তো এর সাথে গণতন্ত্রের সম্পর্কটা কি ! চৌধুরি সাহেব বলতেন সবকিছুই গন্তন্ত্রের সাথে সম্পর্কিত, যারা পে-স্কেল করেছেন তারা গণতান্ত্রিক হলে এমন গুরুতর ব্যবধান হওয়ার কথা ছিলনা ।
পঁচন ধরেছিল মাথায়
"কথাই হয় না"
'কথাই হয় না' আমাদের আড্ডার খুব জনপ্রিয় একটা লাইন। যার কথাই পছন্দ হয় না, তাঁর ব্যাপারে সোজাসুজি মন্তব্য, 'আপনার তো কথাই হয় না'। এর আবার যুতসই একটা উত্তরও আমি দেই। ঠিক বলছেন, কথা খালি আপনাদেরই হয়,আপনারাই বরের বাপ আবার আপনারাই কনের বাপ। তবে মেইন লাইনটা যুতের না। কারন কথা কি হওয়ার জিনিস, কথা তো বলার জিনিস। আড্ডায় যার যা মনে আসে তাই তো বলে দেয়। এখানে হওয়া না হওয়া কি? সবই তো দিন শেষে অর্থহীন কথকতা। তাও এত পপুলার লাইন এইসব যুক্তির ধার ধারে না, কাউকে ব্যর্থ প্রমান করতে একটা লাইনই যথেষ্ট, 'ধুর মিয়া তোমার তো কথাই হয় না'। এই লাইনের পারফেক্ট এস্তেমাল করেছিল আমার এক বন্ধু। তাঁর সাথে ঢাকা ভার্সিটির টিচারের কি নিয়ে ঝগড়া হচ্ছিলো নীলক্ষেতে, সে ঠাস করে বলে বসলো আপনি কিসের শিক্ষক, ছেলেমেয়েদের কি পড়াবেন, আপনার তো কথাই হয় না। শিক্ষক মহোদয় নির্বাক হয়ে বিদায় নিলো।
ওয়ার ক্রাইমস ফাইল- এর পরিচালক নন বার্গম্যান!
বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধাপরাধ নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্রের মধ্যে অন্যতম “ওয়ার ক্রাইমস ফাইল”। এমনকী বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে এটাই প্রথম আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত তথ্যচিত্র। ১৯৯৫ সালে তথ্যচিত্রটি নির্মাণ করে অালোচনায় অাসেন বাংলাদেশে বসবাসকারী ব্রিটিশ নাগরিক ডেভিড বার্গম্যান। বেশ কয়েকটি অনলাইন সূত্রে উল্লেখ অাছে ডেভিড বার্গম্যান ওই তথ্যচিত্রের পরিচালক। বাংলা ট্রিবিউনের অনুসন্ধানে দেখা গেছে “ওয়ার ক্রাইমস ফাইল” তথ্যচিত্রের পরিচালক ছিলেন হাওয়ার্ড ব্র্যাডবার্ন। তথ্যচিত্রটিতে একজন প্রতিবেদক হিসেবেই কাজ করেছেন বার্গম্যান।
বাজেট
বিবাহিতদের মধ্যে কৌতুকটির প্রচলন ব্যপক। সুখি দাম্পত্যের অন্যতম উপায়ও সেটি। বলি,
জগতের সব ছোটখাট বিষয়, এই যেমন কোথায় কত খরচ হবে, কাকে কত টাকা দিতে হবে এসব দেখবে ঘরের বউরা। মানে মেয়েরা।
জাগতের সব জটিল বিষয়, এই যেমন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হবে কী না, তা পানির জন্য হবে না তেলের জন্য হবে, তা ভাববে ঘরের কর্তা মানে ছেলেরা।
এভাবে দায়িত্ব বন্টন হলে আশা করার যায় সবার মুখে হাসি থাকবে। কৌতুক হোক, আর যা-ই হোক, টাকা-পয়সা ব্যবস্থাপনা, মানে কোথায় কত খরচ, কাকে কত দিতে হবে এসব বিষয়ে বাঙালি মেয়েদের জ্ঞান বেশ ভালো। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত মেয়েদের। তাদেরকে বাজেট করে সংসার চালাতে হয়। তারা বাজেট বুঝে সবচেয়ে বেশী।
এখনো মধ্যবিত্তের যে বউকে মাসের শেষে ধারকর্জের টাকায় চলতে হয়, তার চেয়ে বেশী ঘাটতি বাজেট কে মোকাবেলা করে?
ফর্মালিন
তোমার আমার ভালোবাসা থাকবে অনেক তাজা
ফুল দিয়েছি ভালোবাসায় ফর্মালিনে ভেজা
জি আজকের বিষয় ফর্মালিন।
সেদিন আজিমপুর গুরস্তানের জনৈক গোরখোদকের বরাত দিয়ে একজন সুশীল জানিয়েছেন, বছরের পর বছর এখন নাকি মরদেহ পচে না। ফর্মালিনের ভয় জীবন থাকতেও আছে,মরে গেলেও থাকছে।
ঢাকার কিছু বাজার ফর্মালিনমুক্ত ঘোষণা করেছিলো এফবিসিসিআই। দুয়েকটা বাজারে সোয়ালাখ টাকা দামের ফর্মালিন সনাক্তকরণ মেশিন এখন আর ব্যবহার করা হয় না। বাজার সমিতির কার্যালয়ে বন্দি সেসব মেশিন। কালের কণ্ঠ জানাচ্ছে দুটো বাজারে চিঠি দেয়া হয়ছে মেশিন ফেরত চেয়ে।
যাক, খাবার না পচলেও বিএনপি জানাচ্ছে পচে গেছে আওয়ামী লীগ। ফর্মালিন দিয়ে তাদের তাজা রাখার কোন পরিকল্পনা বিএনপির নাই। তারা অপেক্ষায় আছে, আওয়ামী লীগ আরেকটু পচুক।
আওয়ামী লীগের আবার মায়ার শরীর। তারা বিএনপিকে ভালোবাসে। তাই ফরমালিন দিয়ে বিএনপিকে তাজা রাখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
অনন্য অপুর পাঁচালী!
কিছু লেখার জন্য মন উশখুশ করছে। যুতসই একটা স্ট্যাটাস ফেসবুক দিতে পারলেও শান্তি লাগতো। তাও মাথায় আসছে না। বসে বসে মুনতাসীর মামুনের ঢাকা স্মৃতি-১ পড়ছিলাম। ভালো লাগছিল না। তাই নোটবুক নিয়ে বসলাম। সেই ঘুরে ফিরে ফেসবুক। ফেসবুক যে বোরিং লাগে আজকাল। কি করবো বুঝে উঠি না। অবিরাম লাইক দেই মানুষের নানান পোষ্টে তাতেই মানুষ খুশী। যখন যারে মন চায় ব্লক মারি আর আনফ্রেন্ড করি, তাতেও থ্রিল পাই না। মজা পাই এখন এক বন্ধুর সাথে আলাপ করতে দিনের বেলা তো তাঁর অফিস। রাতে সেও ব্যাস্ত আমিও, তাই কথা হয় কম। আর কিছু খোজ খবর নিতে হয় নানান বন্ধুদের, তা রুটিন বেসিসে করে যাই। নেটে ডাটা নাই, গ্রামীনের সিমকে ওয়াইফাই বানিয়ে চালাই নাই তাতে সিনেমা দেখা তো দূরে থাক, প্রিয় ইউটিউবে গান দেখি না কতদিন! ভাত খেলাম জোর করে, মুখে রুচি নাই। মামা বাসায় নাই, গিয়েছি মামীদের বাসায়। বিশ্রী রকমের একা লাগে আজকাল।
আমার কর্পোরেট কয়েদী জীবন: এগারো বছর
অন্যের জন্যে আমরা প্রতিদিন বাঁচি-সে বাঁচা ঘরে বাইরে সর্বত্র। নিজেকে খুঁজবার দেবার মতো সময় আমাদের নেই। অদ্ভূত রুটিনে আমাদের প্রত্যহ কেটে যায়। সবার কাটছে, এ জাল যারা ছিন্ন করতে পারে তারা গুটিকয়েক সৌভাগ্যবানদের মাঝে পড়েন; যারা সাহস করে ভুল জীবন যাপনে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। গড়পড়তা মানুষের সাথে যুদ্ধে যেমন আনন্দ নেই, তাদের সাথে যূথবদ্ধতায় ও তেমন কোন ভিন্নতা নেই। এরকম উত্তেজনাহীন সময় কাটাতে কাটাতে আমরা ভোঁতা হয়ে যাই। যে যত বেশী ভোঁতা তাকে আমরা ততো বেশী পরিপক্ব, প্রফেশনাল, প্রকৃত কর্পোরেট কর্মী বলে থাকি। আমাদের জগতে নিজেরা নিজেরা কিছু নিয়ম কানুন বানাই-কেউ তা ভাঙ্গতে চাইলে আমরা তার মেরুদন্ড সুনিপুণভাবে ভেঙ্গে দেই। আমরা কোন ব্যতিক্রম সহ্য করি না। আমাদের রুটিন ঠিক করে দেয় আমরা কি খাবো, কতটুকু খাবো, কেমন পোশাক পরব, ঠিক কতটা আরেকজনের সাথে মিশব, কেমন করে পরিমিত হাসব, কি করলে ভালো বলব আর কি করলে খারাপ।
জীবন আসলে বাঁধা পাকস্থলীতে!
আমার এক বন্ধু জন্মসুত্রে হিন্দু, বাস্তবে নাস্তিক সে চান্স পেলেই এক ডায়লগ দেয়-- খাওয়ার কোনো ধর্ম নেই। আমি কথাটা শুনে হাসি। খাওয়ার ধর্ম নাই কিন্তু আমরা পালন করি না করি, কিছুটা হলেও ধর্ম আচারের প্রতি বিশস্ততা আছে সবার। তাই আমার পক্ষে সব কিছুতে ধর্মের বিপক্ষে যাওয়া সম্ভব না। আর সামান্য ইন্দ্রিয়সুখের জন্য হারাম খাবার গ্রহণের কোনো মানে নাই। যা ভালো লাগে তাই খাই, না পেলে আফসোস নাই। মদ গাজা বন্ধুরা খায় তাকিয়ে শুধু দেখি। এক্সপেরিমেন্টেও টেস্ট করা হয় নাই। এডভেঞ্চার প্রিয় বন্ধুদের কাছে আমার সমন্ধে মুল্যায়ন, জীবনে তো কিছুই করলি না, পুরাই নিরামিষ। জীবন নিরামিশ হলেও নিরামিশ আমার ভালো লাগে। বাবা মা যখন ছিল তখন আমি এইসব সব্জী কব্জি কিছুই খেতাম না। এখন অবশ্য সব খাই, তিতা করল্লা উচ্ছে থেকে শুরু করে লাউ চালকুমড়া সবই গিলি। খেতে হয় এখন প্রয়োজনেই মুলত, বুয়ার যে রান্নার প্রতিভা তাতে যুতের খাওয়া এখন সব বাইরে কিং