ইউজার লগইন
ব্লগ
আমন্ত্রন..
আয় আর একটি বার আয় এই বুকের বারান্দায়,
এই দৃষ্টি জুড়ে বৃষ্টিদিনের নরম রোদের ছায়।
আর একটি বার একটা বেলা নেই কথা নেই মুখে,
নিরবতার অবাক ভাষায় হারিয়ে যাওয়ার সুখে।
আয় আর একটি বার আয়,
সমস্ত দিন বৃষ্টি ছোঁব - ভালোবাসার;
বিষাদলোকের মেঘ জড়িয়ে গা'য়।
হাত বাড়ালেই বিষাদনগর,
সুরের ধারার রিনিকঝিনিক;
সুপ্রিয় ঝড় -
দুইজনাতে মিষ্টি লড়াই,
ছোট্ট কাপের চা'য়।
আয় আর একটি বার আয়..
ঝরা সময়ের গল্প
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলো খুব জোরে চলে। টিএসসি, শাহবাগ মোড় হয়ে বাসটা চলতে থাকে দুরন্ত গতিতে। ব্যাপারটা ভালো লাগে মেয়েটার। দ্রুত বদলে যেতে থাকা পথঘাট দেখতে দেখতে ভুলে থাকা যায় অনেক কিছু।
বৃষ্টি হয়েছে। তবু বিকেলটা ভালো যায়নি ওর। ছেলেটাকে ভালবাসত মেয়েটা। কিন্তু যেটুকু ভালবাসত সেটুকু ভালো ছেলেটা বাসত না। আধভেজা হয়ে বাসে চড়ে এসব কথাই ভুলে যেতে চাইছিলো ও। ক্যাম্পাসে পিছু নিয়েছিলো যে ছেলেটা তার কথাও ভুলে যেতে চাইছিলো। শুরুতে সব ছেলেরা একই কথা বলে, বন্ধু হতে চায়, তারপর প্রেমিক হতে চায়। তারপর অভিভাবক হয়ে যেতে চায়। যেন খাচায় পুরে রাখতে পারলেই ক্ষান্ত হবে। আর একটা সময়ে বুঝিয়ে দেয় যে সম্পর্ক শেষ করার ব্যাপারটা চুল দাড়ি কামাবার মত সহজ কাজ। রোজ রোজ ছেলেদের ন্যাকামি সহ্য করতে করতে বড্ড বিরক্ত জমেছে।
আমি এখন খুলনায়(দ্বিতীয় পর্ব)
আমি এখন খুলনায়(দ্বিতীয় পর্ব)
ঘুম থেকে উঠে খুজতে গিয়ে দেখি একটি মোবাইলের চার্জার ও এয়ার ফোন ছেড়ে এসেছি। নিচে গিয়ে খোজাখুজির পর এয়ার ফোন পেলাম কিন্তু চার্জার পেলাম না। কিছু হালকা স্নেক্স ও সফট ড্রিংস নিয়ে রুমে ফিরলাম। খেতে খেতে আই, পি, এল এর খেলা দেখলাম। তারপর ডিসকভারি দেখা, বাসায় কথা বলা সেরে আবার, আমার প্রিয় ও ভীষণ ভালাবাসা নিদ্রামায়ের দরজায় কড়া নাড়তে লাগলাম। মনে হয় মা জননী খুব বেশী দেরী করেননি।তার ঘরে প্রবেশ করার পর কি যে মায়ার জালে সে বাঁধে বের না হওয়া পর্যন্ত কিছু মনে করতে পারি না। কেউ কেউ নাকি তার ঘরের মায়ায় এমনি জড়িয়ে যায় আর ফিরতেই পারে না।
ছবি চুরির মুল্লুক!
প্রতিটা শিল্পীর অক্লান্ত পরিশ্রম আর মেধার বহিঃপ্রকাশই যেকোন শিল্পকে বিমূর্ত করে তোলে। ফটোগ্রাফিও এমনই এক শিল্প যা ফটোগ্রাফারের ধৈর্য্য, মননশীলতার প্রতিচ্ছবি। যেকোন বিষয়, মূহুর্তকে ছবির মাধ্যমে অতি সহজেই উপস্থাপিত করতে আলোকচিত্র মূখ্য ভূমিকা পালন করে। আর সব শিল্প-সাহিত্যের মতোই প্রতিটি ছবির উপর থাকে আলোচিত্রীর একক সত্ত্বা। সারাবিশ্বেই যেকোন কাজে ব্যবহারকৃত ছবির কৃতজ্ঞতা প্রদানের মাধম্যেই সংশ্লিষ্ট আলোকচিত্রীর স্বীকৃতি দেয়া হয়ে থাকে। একজন আলোকচিত্রী কি পরিমান শ্রম, মেধা, সময়ক্ষেপন করে সাধারন একটি মূহুর্তকে অসাধারন রুপে ফ্রেমবন্দি করে সকলের কাছে আকর্ষনীয় এক ছবি উপস্থাপন করেন, তার ছবি ব্যবহারের সময় সে মানুষটার অনুমতি নেয়া অথবা তার প্রতি সামান্যতম কৃতজ্ঞতা প্রকাশেও অনীহা অনেকেরই। চৌর্য্যবৃত্তি সব শিল্প ক্ষেত্রেই দেখা যায়, তবে বর্তমানে প্রযুক্তির সহজলভ্যতা যেন চৌর্য্যবৃত্তিকেই এক অনন্য শিল্পে প
গন্তব্য (শেষ পর্ব)
রতন আবার ভাইকে প্রশ্ন করে;
-ভাই, কতা কওনা ক্যান? মায় আর আমার লগে কতা কইবো না?
কলিমের খুব কান্না পায়। অনেক কষ্ট করে নিজেকে সামলায়। ভাইকে কাছে টেনে নিয়ে বলে,
-মানুষ মইরা গ্যালে আর ফিরে আহে নারে ভাই। আমগো মায় আর কতা কইবো না।
রতন কাঁদতে কাঁদতে বলে- তইলে মেডিকেলে বইয়া কইছিলি ক্যান যে মায় ভাল অইয়া যাইবো?
কলিম উত্তর দিতে পারেনা। ভাইয়ের কাছ থেকে নিজেকে লুকাতে খাদের পাশে গিয়ে দাঁড়ায়। রতনকে কি বলবে ও? নিজের বুকে পাথর চেপে ভাইকে সান্ত্বনা দিয়েছিলো। মায়ের শেষ সময়ের করুণ চোখের চাহনি বুকের ভিতর আলোড়ন তোলে। রাত্রির শেষ প্রহরে মায়ের অন্তিম মূহুর্তের যন্ত্রণাক্লিষ্ট মুখের ছবিটা ভুলতে পারে না। যাকে দু’দিন আগেও মা মুখে ভাত তুলে দিয়েছে সেই অবুঝ ছোটভাইটিকে কাল রাত্রে বলতে পারেনি- ওদের মা আর বেঁচে নেই।
রশীদ করীমের গল্পগ্রন্থ নিয়ে কয়েক প্রস্থ আলোচনা
রশীদ করীম উপন্যাসিক হিসেবে খ্যাতিমান ছিলেন। শহুরে মধ্যবিত্তরা এককালে তাঁর উপন্যাস খুব পড়তো। কিন্তু এখন কাউকে উনার নাম বলতেই শুনি না। এমন তো না যে উনি স্রেফ পাঠক প্রাপ্তির আশায় লিখেছিলেন, উনি লিখেছিলেন তাঁর সময়ের গল্প তাঁর মতো করেই। তাঁর গদ্যের সহজিয়া, ভাষার গতিশীলতা, মধ্যবিত্তের- মন- সন্দেহ- প্রেম- রাজনীতি, দেশ বিভাগের আগেই সেই মুসলমান মধ্যবিত্তের উত্থান, নিয়ে লিখেছেন বলেই, পাঠক উনার উপন্যাস এক বসায় পড়ে ফেলতো। আমার এক বন্ধু আমার মুখে রশীদ করীমের গল্প শুনে, তাঁর বাবাকে বলছিল। তাঁর বাবা অবাক যে রশীদ করীমের নাম ছেলের মুখে শুনে, রশীদ করীমের উপন্যাস নাকি কতো পড়েছেন উনি ফটোকপি করে। যাক শান্তি পাওয়া গেল কারো না কারো মনে তো আছে। তবে গল্পকার হিসেবে রশীদ করীমের তেমন সুখ্যাতি আছে বলে আমি কারোর মুখে শুনি নাই। তাঁর ভাই আবু রুশদের বরং গল্পকার হিসেবে স্বার্থকতা এখনো বাংলা সাহিত্যের পাঠকরা মনে রাখে। রশীদ
গন্তব্য (প্রথম পর্ব)
একটা অদ্ভুত হাহাকার আচ্ছন্ন করে রেখেছিলো পুরোটা সময়। অস্তিত্বহীনতার অমোঘ নিয়তির প্রহরগুলো দারুণভাবে রেখাপাত করেছিলো ছোট্ট দু’টি স্বত্বাজুড়ে। প্রবল মনের জোরে কিশোর বয়সের সীমা ছাড়িয়ে হঠাৎ যেন বড় হয়ে উঠেছিলো মাত্র এগারো বছরের কলিম। সময়ের প্রয়োজনে নিজের থেকে কেবল দুই বছরের ছোট ভাই রতনের অভিভাবক হয়ে উঠেছিলো। আর কোন এক অলৌকিক উপায়ে মায়ের অন্তিম সময়ের ভারী দেহটিকে বহন করার শক্তি অর্জন করেছিলো। প্রকৃতিই যেন সবকিছু নির্ধারণ করে দেয়, মানুষ কেবল প্রকৃতির সীমারেখায় সমান্তরালভাবে নিরন্তর ছুটে চলে চেনা গন্তব্যে।
খোঁজ
চৈত্রের কাকের মতো আকাশে মেঘের রেখা খুঁজি, আমাদের পশ্চিমমুখী ঘর, সারাদিন সুর্যের আলো খেয়ে তেতে থাকে, মাঝরাতে বেড়ালের মতো বাচ্চার ঘাড়ে ধরে মায়ের ঘরে রেখে আসি, অন্তত ওদের রাতের ঘুমটা ভালো হোক। ১০ হাজার মেগাওয়াটের বিদ্যুৎপ্লাবনের সময়েও ঘড়ির কাঁটা ধরে লোড শেডিং মেপে পূর্বের চিলতে বারান্দায় বসি আর জাম গাছের ডালে বসা পাখীদের শুমারি করে দুপুর কাটাই। মুনিয়া, টুনটুনি, চড়ুই, দোয়েল, শালিক,বুলবুলি, মৌটুসী দেখি,মাঝেমাঝে হলদে ল্যাজ ঝোলা কোনো একটা পাখী দেখি যার নাম জানি না, কিন্তু ঢাকা শহরের সন্ধ্যার আকাশ ঢেকে দেওয়া তোতা পাখীর ঝাঁক দেখি না, তার সম্ভবত শহর ছেড়েছে দাবাদহের আগেই।
মান সম্পন্ন শিক্ষা
কিছুদিন যাবত আমরা জাতিগত ভাবে খুব উদ্বিগ্ন সময় কাটাচ্ছি । বিশেষ করে যখন ই কোন জাতীয় পরীক্ষা সামনে আসছে তখন ই যার বাসায় পরীক্ষার্থী আছে তিনি যেমন চিন্তিত সময় কাটাচ্ছেন, তেমনি আমরা যারা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাঠ অনেক বছর হয় পার করে এসেছি তারা ও বেশ চিন্তিত। বিশাল উত্তেজনায় সময় কাটছে পরীক্ষার পূর্বের রাত গুলো। অনেকটা ক্রিকেট খেলার মতো, এক বলে ছয় রান। হয় ছক্কা নয় হেরে গেল। প্রশ্ন পত্র ফাঁস হল বলে হল বলে করতে করতে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন হাতে পৌছাল কি পৌছাম না, তা নিয়ে বিশাল উত্তেজনা। সময় মতো হাতে এসে পড়লো তো ছক্কা মানে "Five", নয়তো ফেইল অথবা কোন রকম পাশ নম্বর। যার বাসায় পরীক্ষার্থী আছে, তারা চিন্তিত আবার দুই ভাবেঃ
১। প্রশ্ন পত্র হাতে এসে পৌঁছাবে তো?
২। সবাই প্রশ্ন আগে পেয়ে যাবে, আমার বাচ্চা তো ভাল পরীক্ষা দিয়ে ও তুলনামূলক ভাবে খারাপ করবে
তোমার আশ্রয়
তুমি হয়ত তেমন কাউকে খুঁজে বেড়াচ্ছো
যে তোমার জন্য এক্ষুনি মরে যেতে রাজি
সে যাই হোক
আমিও একা নই।
যদিও কবিতা লেখার জন্য কলমটা খুঁজে বেড়াতে হয়েছে
সিগারেটের মাথায় জমে থাকা গরম ছাইটা
তার একটু আগেই খসে পড়েছে পায়ের আঙুলে
ঠিক যখন তুমি রিকশার হুড তুলে আমাকে পাশ কাটিয়ে গেলে।
এক্ষুনি মরে যেতে রাজি নই আমি;
হয়ত সে কারনেই ডাক শুনতে পাওনি।
আমি শুধু চেয়েছি তোমায়@শ্যামলী সিনেপ্লেক্স!
শ্যামলী হলটাকে কে না চিনে, আমি যখন ঢাকায় আসি তখনও শ্যামলী হলে মান্নার ছবি চলে। তার কিছুদিনের ভেতরেই পুরো বিল্ডিংয়ের সামনে রেখে ভেতরে ভাঙ্গা হয়ে গেল সব। সবার ধারনা ছিল আর কোনোদিন এখানে হল হবে না। খালি রিকশাওয়ালাকে বলার সময় সবাই বলবে, শ্যামলী হলের সামনে নামবো। এরকম তো কতই ঘটে, সিনেমা হল ভেঙ্গে শপিং মল হয়ে যায়। লোকমুখে শুধু নামটাই থেকে যায়। আর থেকে যায় সেই হল নিয়ে লোকজনের স্মৃতিরোমান্থন। শ্যামলী হল নিয়েও আমি কত গল্প শুনলাম। একবার নাকি সালমান শাহ আর শাবনূর আসছিল, হল ভেঙ্গে মানুষ নেমে আসছিল সেদিন, বিশাল সংখ্যায় পুলিশ এনে তাঁদের উদ্ধার করা হয়েছিল সেই ভীড় থেকে। মানুষ নাকি আগে এই হলে এত যেত, যে সিট না পেয়ে নিচে বসতো। সিটে বসে ছাড়পোকার কামড় খাওয়াই ছিল নিয়মিত ব্যাপার। প্রভাবশালী মানুষেরা ডিসিতে টিকেট কেটে এক ছবি অনেকবার করে দেখতো। হলের নাকি নিয়ম ছিল যদি আপনে নিয়মিত দর্শক হোন তাহলে আপনাকে অনেক সময়ই ট
খুঁজে পেতে দাও আমায় সেই ভোর আমি যার গন্ধ নিতে চাই আলোয় আলোয়!
বিশ্রী রকমের রাত জাগার অভ্যাস হয়ে যাচ্ছে। ঘুম আসেই না। ঘুম আসে চারটার দিকে। তখন আমার ঘুমোতে ভালো লাগে না। তাহাজ্জুদের নামায পড়ি, ফজর পড়ি তারপর আলো ফোটার আগে বের হয়ে যাই। পকেটে মোবাইল টাকা পয়সা কিছুই রাখি না। হয়তো ২০-৩০ টাকা থাকে, না থাকলে নাই। বের হয়েই ব্যাংকের বুথ বা দোকানপাটের সিকিউরিটি গার্ডদের দেখলে খুব মায়া লাগে। পেপার বিছিয়ে তারা তাঁদের কর্মস্থলের গেটেই ঘুমোচ্ছে। বুট খোলা কিন্তু পায়ে মোজা ইউনিফর্ম অটুট। চেয়ে থাকলে কষ্ট লাগে। এরচেয়ে খারাপ অবস্থা তরমুজ বিক্রেতা বারো তেরো বছরের ছেলেটার। তরমুজ সরালে হয়তো পজিশন চলে যাবে, তাই মুড়ায় বসে তরমুজে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছে। জগিং আঙ্কেল রা পেরোনোর সময় বলছে, দেখছেন নি পোলার কারবারডা!
আইপিএল এবং কিছু রাজনৈতিক ভাবনা
সাকিব আল হাসানের জন্যই আইপিএল নিয়ে একটু আগ্রহী হয়ে উঠছি। যেভাবে তারকা হয়ে গেলেন এবারে তাতে সত্যি আনন্দিতই হয়ে উঠছি। আগামীবার হয়তো অনেক বেশি দামে তিনি বিক্রি হবেন। সত্যি সে বাংলাদেশের গর্ব।
কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র জয়ের পর, দুইদিন আগে যে দলগুলো নরেন্দ্র মোদীকে ছিঁইড়া ফেলাইছিলো বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংশ নেয়ার কথা বলায়, তাগো নেতা-নেত্রীরা যেভাবে মোদী-কে রাঁধার কৃষ্ণ মনে কইরা জপ শুরু করলো, তাতে ভাবলাম ভারতীয় প্রিমিয়ার লীগে "ঢাকা বেঙ্গল টাইগার" নামে আরেকখান দল যোগ হইলে তা নিয়া আমরা বেঙ্গলিরাও একটু নর্দন-কুর্দন করতে পারতাম।
লাভ ইউ এত্তগুলা
প্রতিদিন সকালে ঘুম ভাঙ্গে খুব আদরের একটা স্পর্শে। প্রথমে কিছুক্ষন হাত দিয়ে ডেকে তোলার চেষ্টা এবং তারপরও ঘুম না ভাঙ্গলে গালের মধ্যে চেটে চেটে ঘুম ভাঙ্গানো। চোখ মেলে দেখি আমার মুখের উপর খুব আগ্রহ নিয়ে একজন তাকিয়ে আছে আমি ঘুম থেকে উঠেছি কিনে দেখার জন্য। আমি এক মিনিটও সময় নষ্ট না করে ওকে জড়িয়ে ধরি। আমি জানি, এই আলিঙ্গনটা পাবার জন্যই তার এতক্ষণের এই ঘুম ভাঙ্গানোর আপ্রাণ চেষ্টা।
এমন এক দুর্দিনের সাথে পরিচয়
এমনও সময় আসবে তা কে জানতো?
আমাদের যায়গায় বসবে মাছের বাজার আর না খেয়ে মরতে থাকবো আমরা
পরিপক্ব হবার আগেই ফলহীন হয়ে যাবে গাছগুলো
আর আমারও দেরি হয়ে যাবে হিসাব করাটা শিখতে।
উপমাগুলো নিরর্থক হয়ে যাবে আর চাঁদটাও রোজরাতে ক্ষয়ে যেতে থাকবে
একদল তরুন পাতা বৃথা শুকিয়ে যাবে
অথচ ওদেরইতো দেবার কথা ছিল অনেকখানি অক্সিজেন
এমনও সময়ে আমাদের অকেজো হয়ে থাকতে হবে আর একদিন
কৌতুকে পরিণত হবো আমরা
আর আমারও দেরি হয়ে যাবে সঠিক পরিমাপ করতে।
এমনও রাতে অসহায় কাঁদবে শুক্রাণুর স্রোত
গলির অন্ধকারে কাঁদতে থাকবে একটি মেয়ে
যে খানিক আগে বারোটি যুবকের হিংস্রতায় পিষ্ট হয়েছে
আর নিরুপায় পতিতাবৃত্তি করতে থাকবে একজন স্নেহময়ী
অথচ এমন সময়ে তার ভাত বেড়ে দেবার কথা ছিল আমাদেরকে
কিন্তু আমার কারনেই ওদের এই দুর্দিন
ঠিক যেমন নদীগুলোকে মেরে ফেলেছি আমি ই
আর দ্বাদশ যুবক হয়ে ধর্ষণ করেছি সেই মেয়েটিকে