অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১২ জন অতিথি অনলাইন

একজন বলরাম এবং কিছু কথা

ferry in the river.jpg
আজ ছুটির দিন। ছুটির দিনটি আনন্দেই কাটে অমিয়র। বিকালে রুপা ও একমাত্র মেয়ে আদৃতা নিয়ে ফ্যামিলি এলবাম দেখছিল। অমিয়র তিন বছরের মেয়ে এটা ওটা প্রশ্ন করছে, অমিয় উত্তর দিচ্ছে। এটা আমার দাদা, এটা দাদী। আচ্ছা বাবা দাদী তোমার কি হয়? তোমার দাদী তো আমার মা হয়। আদৃতা বলে আমি তোমার মা না ? অমিয় উত্তর দেয় হ্যাঁ, তুমি তো আমার মা। আদৃতা দুহাত প্রসারিত করে বলে আমি তোমাকে এতগুলো ভালবাসি। বুক ভরে যায় আনন্দে। দুহাতে মেয়েকে জড়িয়ে ধরে অমিয় আর মনে মনে ভাবে আমার কোন দুঃখ নেই, এই তো আমার সব। এর জন্যে তো আমি যে কোন কিছু ত্যাগ করতে পারি। মনে পড়ে বাবা বলতেন আগে বাবা হ, বুঝবি সন্তান কি । তখন বুঝিনি এখন বুঝি বাবা ঠিকই বলেছিলেন।

এমনই গহীন অন্ধকার

স্বপ্ন, হয় এমনই।

রমনার বুকে
সবুজ সবুজ প্রমোদ,
নীল আকাশ ছুঁয়ে ছুঁয়ে
সাদা মেঘ এলো-মেলো,
কখনো বা এ-ওকে জড়ানো।
বাবুই বাসা,
ঝড়ের পরেই চুপসানো দরজায় বাবুই জোড়ার খুনসুটি।
ঝিরঝির মৃদু বাতাসের তাড়ায়
লালচে শেওলা নিরুপায়,
একে ওকে জড়িয়ে লালাভ ভালবাসা। আহা।

সব ছাপিয়েও কিছু অস্থির,
স্বপ্ন ভাঙার স্বপ্ন,
কালো মেঘে ছাওয়া ধবল চরাচর
এমনই গহীন অন্ধকার।
নীলে নীলে ছেঁয়ে যাওয়া সময়।আহা।

মার চিৎকার,
খোকা, জেগে উঠ।

আস্তিক বা নাস্তিক-২য় পর্ব

আস্তিক বা নাস্তিক-২য় পর্ব

ফেবুতে এক জনের পোষ্ট দেখলাম শেখ হাসিনা তো ব্লগার নাস্তিক ও বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান মন্ত্রী মুসলমানদের প্রধান মন্ত্রী নন। বাংলাদেশে ৮৫-৯০% লোক মুসলমান বাকী সব মিলে ১০-১৫% বাংলা মায়ের সন্তান অন্যান্য ধর্মাবলম্বি। নাস্তিক যে দু চারজন আছে তাদের যদি % এর হিসেবে নিতে যাই তবে দশমিকের পর এতই শুন্য আসবে যে তা জিরো পাওয়ারের ভাল্বের নামান্তর হবে। তাই তাদের আমি কখনই হিসেবে ধরি না। আবার নাস্তিকদের মাঝেও অনেক প্রকার নাস্তিক আছে যেমন প্রকৃতি বাদী নাস্তিক, আবার কোন কোন নাস্তিক উপাস্যে বিশ্বাসী নন কিন্তু সৃষ্টি কর্তা একজন আছেন তা বিশ্বাস করেন। আমার মতে সে কি করে নাস্তিক হন। কারন আমরা যারা আমাদের আল্লাহকে ঊপাস্য হিসেবে মানি তাঁর একটি নাম খালেক যার অর্থ হল সৃষ্টি কর্তা। তাহলে সে কি করে নাস্তিক হয়। তাই আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম আওয়ামীলীগ ভোট যে ৩৫-৪২% ভোট পায় ২৫-৩২% ভোট তো মুসলিমদের হওয়ার কথা, অথচ তাদের তুমি অমুসলিম বললে কি করে।
সে বলল প্রমান দেখাও
একজন মুসলমান শুধু আল্লাহতায়ালার কাছেই তার ইমানের বা মুসলমানিত্বের প্রমান দেন।(চলবে)

সাভার ট্রাজেডি

কষ্টের নীল ঢেউ

উড়ে যায় শ্বেত কবুতর
ভেসে যায় সাদা মেঘের ভেলা
সোনালী রোদ্দুরে, স্বপ্নীল দু’চোখ
নীলাকাশে সুখের পাখনা মেলা।

বাজপাখির তীক্ষ্ণ নখের থাবায়
কেঁপে ওঠে ধরণি,
স্বপ্নের হয় অবসান
অশ্রুসজল জননী চেয়ে রয়-
নির্বাক,
ঈশাণ কোণে কালবৈশাখী
থমকে যাওয়া জীবন।

মরে যাওয়া পদ্ম পুকুরে
কষ্টের চাষবাস,
তপ্ত মাটির বুকে
ধূসর বৃক্ষের অবিরাম ক্রন্দন,
নিস্পলক চেয়ে থাকা
ছল ছল চোখ-
আতিপাতি করে খোঁজে
জীবনের স্পন্দন

ভেঙ্গে যাওয়া স্বপ্নের আর্তনাদ-
লাল রঙের ভেঁজা মাটি
তুলোর মত সাদা পালক,
ছড়ানো-
পোড়া মাটির প’রে,
ধুলোয় লুটোপুটি।

হাজার মনের মেঘ কাটাতে
অঝোর ধারায় বৃষ্টি নামেনা
পাঁজর ভাঙার শব্দ
দিকে দিকে শুধু বাজে
শূন্য বুকের কান্না থামেনা!

লাল সাগরের বুকে
কষ্টের নীল ঢেউ
আছড়ে পড়ে তীরে বার বার,
পাথর চোখের শূন্য দৃষ্টি মেলে
চেয়ে চেয়ে শুধু দেখা-
শবের পাহাড়।

অসহায় মানুষের মুখে মুখে
শুধুই হাহাকার,
বাতাসে লাশের গন্ধ শুকে শুকে
ধেয়ে আসে অপেক্ষার শকুণ
এবার সময় হল তার!

বন্ধ হবে কি অসহায় মানুষের মৃত্যুর এ মিছিল।

বন্ধ হবে কি অসহায় মানুষের মৃত্যুর এ মিছিল।

হায় প্রভু তুমি আমাদের কত অসহায় করে সৃষ্টি করেছ। কত মায়ের আহাজারি, বাবাগো একটু বাচাও, কিশোরী বোন সাড়া পৃথিবীর ভাইদের ডেকে ডেকে বলছে আমাকে বাচাও ভাইয়া, আমি বাঁচতে চাই। পাঁচ ছয় ইঞ্চি দূরে বোনটিকে সাড়া পৃথিবীর ভাইয়েরা আপ্রাণ চেষ্টা করছে বাঁচাতে। আজ যে সে অবহেলিত বলতে গেলে ঘৃনিত ১৫০০ টাকা মাসিক বেতনের গার্মেন্টস শ্রমিক নন। আজ সে মানুষ, সাড়া পৃথিবীর সকল ভাইদের বোন। একজন ভাই হাত নেড়ে নেড়ে বলছে ভাই আর কত সময় লাগবে আমাকে বের করতে। ভাইদের মুখে জবাব নেই। কি জবাব দিবে তারা নিজেরাই যে জানেনা কখন পারবে তাকে তার পরিচিত আলো ঝলমলে নির্মল বাতাসে ফিরিয় আনতে নাকি আর ফিরে আসা হবে না তার পরিচিত ভালবাসার পৃথিবীতে অথবা তার প্রানপ্রিয় আপনজনের কাছে।

পায়ের ধুলো নেই-১২

ওটা কি বল? নাতো ওটা দেখি শক্ত। বা রে, গায়ে আবার প্যাঁচানো আছে ট্যাপ। লাল রঙের। এই ট্যাপ দিয়েই টেনিস বলকে ট্যাপ-টেনিস বানানো যাবে। দারুণ আনন্দ হয় ছেলেটির। সে আনন্দ বিজয়ের। টেনিস বল একটা থাকলেও তাকে ট্যাপ -টেনিস বানানোর শখ পূরণ করা যাচ্ছিল না কোনভাবেই। হাসিতে উজ্জল হয় দিন।
অবশ্য দিনটা একটু অন্যরকম। গাড়ির প্যা পো খুব একটা নেই। মাঠেও জমছে না খেলা। অনেক মানুষ নেই বলে মাঠটিকে লাগছে বেশ বড়। এটা ছেলেটির কাছে এক বিস্ময়। মানুষ কম থাকলে মাঠ কেন বড় হয়ে যায়! আবার কেউতো মাঠের কোন অংশ বাড়ি নিয়ে যায় না।তাহলে বেশি মানুষ হলে মাঠ কেন ছোট লাগে! যাহোক, শক্ত কৌটাটা আপাতত বাড়ি নিয়ে যাওয়া যাক।
লাল রঙ দেখে ছোট বোনটা ঘুর ঘুর করে ভাইয়ের পাশে।সে পড়ে টু-তে।তোমার হাতে ওইটা কী ভাই?
কী জানি। এইটা থেকে ট্যাপ এনে টেনিস বলে লাগাবো। ট্যাপ টেনিস হবে।
আমারে খেলতে দিবা।
দিমুনে। বাবা কাজে গেলে আসিস।
বাবা কাজে যায়।মা রান্নায় ব্যস্ত হয়। ঘরের দরজা বন্ধ করে ভাইয়ের কাছে আসে মেয়েটি।সে টু-তে পড়ে। জানালা দিয়ে আসা রোদ ঘরকে যথেষ্ট আলোকিত রাখে।
কই ভাই, ট্যাপ-টেনিস বল বানানো শেষ?

দ্বিধা

confusion.jpg

আমার কিছু কথা ছিল
তোমাকে বলার, শুধু তোমাকেই,
শুনবে?

আমার মনের মধ্যে এক নদীর বাস,
সে নদীর দুদিকে দু'টি ধারা
দুদিকেই টানে,
কোনদিকে যে যাই! বুঝতে পারিনা।

নিজেকে বড় অচেনা লাগে
এই বদলে যাওয়া নিষ্ঠুর সময়ের ভিড়ে
নিজেকে ঠিক মেলাতে পারিনা,
হয়ত এই সময়ে বড়ই অচল!

অস্পষ্ট হয়ে যাওয়া ধূসর এ্যালবামে
হাতড়ে বেড়াই ক্ষয়ে যাওয়া অতীত,
ধ্বংশস্তুপের মাঝখানে দাঁড়িয়ে
দুমড়ে ফেলা মানচিত্র হাতে নিয়ে
ক্ষত বিক্ষত আমি মিলাতে চাই
জীবনের ভগ্নাংশের হিসাব নিকাষ,
মেলেনা, অপেক্ষার বৃষ্টিও নামেনা
কেন, বলতে পারো?

কখনো মনে হয় মনটাকে
ভাসিয়ে দেই সময়ের স্রোতে
যাক না ভেসে জোয়ারের টানে, যেদিকে খুশি!
হয়না, দ্বিধায় পড়ে যাই
কেন যে এত দ্বিধা !
তাও বুঝি না।

অনেক কিছুই করা হয়নি-
পারিনি মেঘলা দুপুরে ঝরা পাতার মর্মর
ধ্বনি মাড়িয়ে মেঘ বালিকার পিছু নিতে,
উদাসী পথে হেঁটে হেঁটে রঙধনুর
সাতরঙে নিজেকে রাঙিয়ে নিতে,
কিংবা পিচঢালা পথে হেঁটে যেতে
অচেনা রোদ্দুরে!

আমরা সবুজ

আজকে বরং আমরা চল টিভির খবর বন্ধ রাখি,
আজকে চল ন্যাট জিওতে দেখব যত গাছ আর পাখি,

রক্ত দেখে হৃদয় টানে, কোমল প্রাণে আঘাত লাগে,
মন ভিজে যায় ভাপ আর জলে,
ব্যথায় ব্যাকুল দুঃখ কাতর রাগে,

কয়টা হল, লাশ গুণে যাই চল,
স্ক্রল করে যাই এপি'র কোমল পাতায়,
বাংলাদেশের নাম ফেটেছে আবার
কয়টা ঢ্যাঁড়া কেবল নামের খাতায়!

মন খারাপের সময় কোথায় অত
চুকবে তো দাম টিপসইয়ে আর চেকে,
আমরা সবুজ অবুজ কচিই থাকি
ঘাসের চাদর গন্ধ ফেলুক ঢেকে!!

আস্তিক বা নাস্তিক

আমার অফিসের এক কলিগ সেদিন আমার চেম্বারে ঢুকে অনেকটা ফিস ফিসিয়ে বলল আপনি তো ব্লগ টগে লেখেন একটু সাবধানে থাকবেন যেমন চারদিকে ধর পাকড় আরম্ভ হইছে বলা তো যায় না। আমি তাকে আদর করে আমার সামনের চেয়ারে বসতে বললাম। কারন এ সময় তাদের কোন অবস্থায় চেতানো যাবে না। তার বিদ্যার দৌড় মাদ্রাসায় কয়েক বছর যাওয়া আসা। তাছাড়া আমি কার্য উদ্ধারের জন্য অনেকটা আলু স্বভাবের। যাকে যা মালিশ করলে কাজটা হবে তাকে তাই মালিশ করি। তবে তা কখনই নীতির বাইরে গিয়ে নয়। আমি তাকে বললাম আমি যদি ব্লগে লেখতে পারতাম তবে নিজেকে ধন্য মনে করতাম। তবে আমি বিভিন্ন বিষয়ে লিখি তা তো আপনারা জানেন, বিশেষ করে আপনি।
আমি যে কবিতা লিখি তা আপনি পড়েছেন, জি হাঁ
আমি যে গল্প লিখি তা আপনি পড়েছেন, জি, হাঁ,
আমি যে কয়েকটা গান লিখেছি পড়েছেন, জী,হাঁ

তাহলে বলুন তো এ লেখা গুলোই যদি আমি কোন ব্লগে লিখতাম তা হলে আপনার দৃষ্টিতে কি আমি নাস্তিক হয়ে যেতাম। না তা কেন?

রানা প্লাজা ধ্বসে জরুরী ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন

প্রচুর রক্তের প্রয়োজন... ব্যাগ ব্যাগ রক্ত লাগবে... শয়ে শয়ে আহত আমাদের বোন এবং ভাইয়েরা... দয়া করে যে যেখান থেকে পারেন ... সহায়তা করুন।

৮টি অপারেশন থিয়েটারে প্রায় ১৩০ জন চিকিৎসক আহতদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন। আহতদের জন্যে বিভিন্ন গ্রুপের রক্তের প্রয়োজন। যারা রক্ত দিতে আগ্রহি দয়া করে এনাম মেডিকেল হসপিটালে যোগাযোগ করুন। ...স্থান- এনাম মেডিকেল কলেজ হসপিটাল, সাভার, ঢাকা।

Victims from the Savar incident are being take to Enam Medical College. They need bags and bags of blood.
PLEASE!!!
Those who can donate......here is the address of Enam Medical College:
9/3, Parboti Nagar, Thana Road, Savar Dhaka, Bangladesh.
Phone: 7743778-82
Mobile: 01718846107
============================
Give Blood Save a Life.
Contact:
Taslima Akhter 01711544544
Enam Medical 01681212777
Tuhin 01923337010

তেতো হয়ে গেছে সব হঠাৎ অসময়!

পোষ্ট লিখতে বসলাম আরেকটা। করার মতোন তেমন কিছু নাই আসলে। তাই লেখতে বসা। কারেন্ট থাকলে ফ্যানের বাতাসে এখন আমার আর কিছুই করতে ভালো লাগে না। দুপুরে থেকে সন্ধ্যা অবধি টানা বই পড়তে পড়তে ভালো লাগছে না। এখন আবার বই নিয়ে বসতে ইচ্ছা নাই। আমার পিসির টেবিল ছাড়া আর টেবিল নাই রুমে। শুয়ে শুয়ে বই পড়লে আমার কেনো জানি বইয়ের প্রতি সিরিয়াসনেস কমে যায়। তাও উপায় নাই গোলাম হোসেন। শুয়ে বসেই পড়ছি। শুয়ে বসে পড়ার আরেক সমস্যা হলো বারবার মোবাইলে ফেসবুক দেখা। ফেসবুক ব্যাপারটা অসহ্য। যদি অনেকের মতো ফেসবুক ছাড়া কাটাতে পারতাম তাহলে দারুন হতো। কিন্তু ফেসবুকে এক মোহে থাকি। আর মানুষের আপডেট জানার অদম্য ইচ্ছা পোষ মানে না। ফেসবুক থেকে সুমনাকে ডিলেট মারছে পুলক। কারন সুমনা ওরে চড়কীর মতো ঘুরাচ্ছে। ডিলেট মারার পর পুলকের মনে হলো আর তো আপডেট জানা যাবে না। এখন বলতেছে শান্ত ভাই ডিলেট ফেরানোর কোনো ওয়ে আছে? আমি বললাম একটা ওয়ে আছে। নতুন একটা চকলেট আসছে নাম এটম। তার ট্যাগ লাইন হলো এটম খাও চাপা পিটাও। আপনি এটম চাবাতে চাবাতে বলবেন সুমনা আমার একাউন্টে কি জানি এক সমস্যা হইছে? অনেকেই ডিলেট কিভাবে জানি?

হাওরের রাজা যে বাংলাদেশের রাজা

কালহ্যা রাইত থাইক্যাই আমার একটাই চিন্তা মাতাডার মইধ্যে ঘুরাঘুরি করতাছে, আমরার হাওরের রাজা যে বাংলাদেশের রাজা অইয়া গেছুন অহন আমগোর কি অইব। মাইনে আমাগোর সংসদের কিতা অইব। আমারে মিঠামাইনের মাইনষে পাইলে এমন পিডান ডাই না পিডাইব আড্ডি গোড্ডি খুইজ্যা পাওন মুশকিল অইব। এই ব্যডা তর বাড়ি অইছে গ্যা দিনাজপুর আর তুই বেডা এমন কইরা কইলি মনে অয় হের বাড়ি তোর দেশে। আর হারা দেশের পাবলিকে তো পাইলে হাটের মাইরের মতন আন্ধা গোন্ধা মাইর লাগাইব আর কঈব যে, অত গুলা মাইনষের রক্ত আর কত মা বইনের ইজ্জতের দাম দ্যায়া যে সংসদ আমরা আনছি হেইডারে লইয়া তুমি মশকরা কর। কি অইব মানে?
আমি তো রাজনীতি করি না আর এর জন্য যে মেধার দরকার তাও আমার নাই। তবু সময় পেলেই মাঝে মাঝে সংসদ অধিবেশনের চলতি বিবরণী দেখতাম। ঊনার মত মানুষের গুনের বিষয়ে একটি বর্ণ লেখা বা ঊচ্চারন করা আমার পক্ষে শুধু অসম্ভবেই না রিতিমত অন্যায়। শুধু বলব সংসদ অধিবেশন দেখেই ঊনার প্রতি আমার আশক্তি বা দুর্বলতা বলেন এমন পর্যায়ে পৌছে গিয়েছে যে বিরুধী দলের কেঊ যখন ঊনাকে বাজে কথা বলত তখন অন্তরে খুব ব্যথা পেতাম।

অপেক্ষার বৃষ্টি

ঠিক পাঁচটায় ঘুম ভেঙ্গে গেল শান্তনার। প্রতিদিন এই সময়ই ঘুম ভাঙ্গে তার। শীত, গ্রীষ্ম কিংবা ভারী বরষায়ও। কাকভোরে উঠে তড়িঘড়ি করে ছুটতে হয় কাজে। সংসারে তার আপন বলতে একমাত্র ছোট ভাই অপু। কিশোরী সান্তনা যখন মাত্র প্রাইমারীর গণ্ডি পেরিয়ে হাই স্কুলে প্রবেশ করল তখনই বাবা ওকে ফাঁকি দিয়ে চলে যায়। আর মা, কয়েক বছর ওদের দু ভাই বোনকে আগলে রেখে সেই যে বিছানায় পড়ল, আর উঠলো না। দুই বছর ভোগে, শুধু ভোগে না বলে বলা যায় সবাইকে ভোগায়। তারপর সব শেষ! সেই থেকেই সান্তনার মাথার উপর আর কেউ থাকে না। পাশে থাকে শুধু অপু। ওর জন্য অপু আর অপুর জন্য ও।

এ সব কি জানে চাঁদ

চাঁদ ডুবে গেলে আকাশে..
দুয়ারে ধ্রুবতারা কাঁদে দীর্ঘশাস
চাঁদের সঙ্গে ধ্রুবতারার অভ্র স্বভাব ৷
চাঁদ তার মুখের বুনন পরশে উজ্জ্বল
ধরে রাখে ধ্রুবতারা অনন্ত সুখ
মুখের আদলে যেন চাঁদ
হাসি লেগে থাকে ধ্রুবতারা একরাশ ৷

চাঁদ ডুবে গেলে..
চাঁদ ভালবাসা ঘিরে আকাশ
বেয়ে নাবে আসে দগ্ধ সুখ
চাঁদ ডুবে গেলে কি বিষন্ন ঝড়
ওঠে ধ্রুবতারা মনে
এ সব কি জানে চাঁদ !

শোলার মুকুট পরে সকালে সূর্য্য
জেগে উঠে আসে
রোমশ শুভ্র শরীর নিয়ে তার রোদ আসে
ধ্রুবতারাকে জড়ায়........
উড়ন্ত রোমন্থনে সুগন্ধ লোমশ শরীর
অন্ধকারে
দৃষ্টি আরো অন্ধ হয়ে নিকশে কালো হয়
ধ্রুবতারা
সে হারিয়ে যায়..অসহ্য যন্ত্রনায় সমস্ত
দিনভর ...
এ সব কি জানে চাঁদ !

আকাশ পাড়ায় নাবে শুন্যতা
ধ্রুবতারা কোথায় .......!!
শোনো....অদেখা ধ্রুবর ম্রিয়মান খুশিতে
সুখভঙ্গের ডায়েরী নিয়ে ঘুরে বেড়ায়
রঙিন পাখি.. সবুজ মাছি.. গন্ধ ফলেরা
এ সব কি জানে চাঁদ !

.খবরে প্রকাশ....ধ্রুবতারা আজ চাঁদ
ভালবাসা ছেড়ে নেবেছে পৃথিবীর পথে
মেঘ থেকে মহিলা আঁচল
উড়ে আসে ..ঘিরে নেয় ধ্রুবতারাকে
বজ্র থেকে পুষ্প বৃষ্টি হয়
মহিলা সংগঠনের দরজাতে সমস্ত সুখ

হুদাহুদাই (৭)

বন্ধুদের সাথের যেকোন ট্যুর নিদেন পক্ষে আড্ডাও প্রান ভরে উপভোগ করি! যত সামান্যই কিছু হোক না কেন, একসাথে কাটানো সময়টা কাজ করে ক্লান্তি দূরকারী ঔষধের মতোন, প্রানের উচ্ছ্বাস, কাজের আগ্রহ অকারনেই ফিরে পাই। আমার বন্ধুভাগ্য দারুন! খুব খুবই বিরল ক্ষেত্র ছাড়া আমার কাছেধারে যারাই আসেন প্রত্যেকেই এককথায় চমৎকার মানুষ, তা দেশে কিবা বিদেশেই হোক না কেন। সিডনীতে থাকাকালীন স্বল্পসময়েও আমার ভালো সংখ্যকই বন্ধু জুটেছে, এর মাঝে গ্রেসিটা, মাইকেল, তারান, শাহেদ এদের সাথে তো দিনমান চলতে হতো।

স্ট্যাটিস্টিকস ক্লাশে পাগলা এক টিচার ছিলো, প্রবাবিলিটি বুঝাতে গিয়ে রীতিমত গেম্বলিং এর রোলেট নিয়ে আসতো! এই সময়ে নানান কথায় যখন জানতে পারলো যে কখন যাইনি আগে, মাইকেল কথা দিলো যে ও নিয়ে যাবে সিডনীর সবচেয়ে বড় ক্যাসিনোতে!

স্টার ক্যাসিনো, ডার্লিং হারবার ঘেষে অবস্থান নেয়া অনেক অনেক বিনোদন মূলক সেন্টারের কাছেই আছে সুবিশাল এই বিখ্যাত ক্যাসিনো। প্ল্যান করার সময় যতজন আসার কথা, ইউনুভার্সাল থার্ডহ্যান্ড দেখায়ে অনেকেই এলো না শেষমেষ। ৪/৫জনের দল নিয়েই শুরু হলো আমাদের “সিডনী ডে আউট”।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ