অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

পলাই পলাই

মজাদার কাহিনী ঘটতেছে দুইন্যার ভিত্রে। বল্গারেরা পলাইতেছে দিন দুইন্যার্থিকা শ্লার দ্যাস্টারে কত্ত আগাইন্যা ভাবসিলাম। বাল্টা মারা খাইতেছি সকাল্বিকাল দুই বেলাই। যাউজ্ঞা এলা। বাহাদুরে ধর্চে তিন্ডি সন্ত্রাসেরে। বাইন***রা ভাবসিলো পাল্টায় দিবো সবকিছু। এইবারা মারাখা হুমুন্দির্পো। এত্তব্র সাবাস, বাহাদুর সাবের এগেন্সে লিখোস? তোগোর লাইজ্ঞা উইসাইডে রৈছে জাহান্নামের আগুন, এইসাইডে রৈছে ডিবির্ঠাপ। মারাখা গিয়া। আইজকা মানব্বন্দন চো**ছে কয়জন। অরে আবালের্দল, তোগোর বন্দনে গিয়া চাইছিল্ম কয়ডি বালদাঙ্কৈরামু। বালছাল। Sad Sad Sad

অনৈসলামিক স্ট্যাটাস - ১

ব্লগ বন্ধ এবং ব্লগার গ্রেফতারের প্রতি উত্তর

যে সব মাদ্রাসায় সহি ইসলাম চর্চা হয় না, মওদুদী ইসলাম চর্চা হয়, বিতর্কিত শরীয়া আইন ও ফতোয়া সম্পর্কে উৎসাহিত করা হয়, সেসব মাদ্রাসা বন্ধ করা উচিত। সেসব অনৈসলামিক শিক্ষক মাওলানাদের মোনাফেক বা মুরতাদ ঘোষণা করা উচিত। বাংলাদেশের প্রতিটি মাদ্রাসায়-মসজিদে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সঠিক শিক্ষা দেয়া হয় কী না, তা দেখার জন্য শাহরিয়ার কবীর, মুনতাসীর মামুন, এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ব্লগারদের নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি কমিটি করা হোক। কেননা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের করুণ ইতিহাস বলে, '৭১-এ প্রায় সব ইসলামী দলই পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সমর্থনে ছিলো। এমনকি তারা পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর গণহত্যা এবং নারী ধর্ষণ প্রকারান্তরে যায়েজ মনে করেছিলো। তাছাড়া সম্প্রতি শহীদ মিনার ভাঙ্গা এবং জাতীয় পতাকা পোড়ানোর মত ঘটনাও ঘটেছে।

চিকিৎসকের অধিক

আমার চিকিৎসক গুলজার আহমেদ পেশাগত শল্যচিকিৎসক হলেও তিনি রোগী দেখেন পেশাগতির চেয়ে অনেক নিবিড়ভাবে। একবার তাকিয়ে আর দুবার প্রশ্ন করেই দুষ্পাঠ্য অক্ষরে খসখস করে ব্যবস্থাপত্র লিখতে শুরু করেন না। রোগীকে যেন তিনি রোগী হিসেবে দেখেন না, ভাবেন একজন ‘মানুষ’ বিপদে পড়ে তাঁর কাছে এসেছে সাহায্যের জন্যে। তাই নিছক টাকার চিন্তা মাথায় থাকে না। তিনি পরম মমতা নিয়েই মানুষকে সাহায্য করেন। সেজন্যেই আমি তাঁকে বলেছি: ইউ আর অ্যা ডক্টর অ্যান্ড মোর দ্যান অ্যা ডক্টর।

গান

পিচ্ছিল আঁধারে বয়ে চলা সময়
ভাবছো বসে এভাবে হবে বুঝি
ধ্বংসের জয়
আজ গাড়ি পোড়ানো, কাল পুলিশ খুন
ভাবছো বসে এভাবেই হবে বুঝি
ক্ষমতায় আরোহণ
আমি আম জনতা বলছি তোমায়
শুনে নাও
পারেনি কেউ করতে বাঙ্গালীকে
এমন করে ভাও
বায়ান্ন বলো, বলো ঊনসত্তর, কিংবা সেই উত্তাল একাত্তর
আমরাই ছিনিয়ে এনেছি বারবার
আঁধার সরিয়ে ঝকঝকে রোদ্দূর
কেমন করে ভাবো তোমরা
ট্রেনে আগুন, বাসে আগুন দেখ
ভয় পাবে বাঙ্গালীর প্রাণ ভোমরা
ভাবছো বসে দেখিয়ে জুজু ধর্মের
ঢেকে দেবে ইতিহাস যত অপকর্মের
জেনে রেখো জেনে রেখো সে হবার নয়
হবে হবে হবেই শুনো- জয় বাংলার জয়
বলি আবার একসাথে জয় বাংলার জয়
জয় বাংলার জয়
জয় বাংলার জয়

https://soundcloud.com/afsana-kishwar/020413-1

আমি বাকরুদ্ধ

রাসেল ভাইকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি, ঢাকায় থাকাকালীন কয়েকবার তার সাথে আড্ডার সুযোগ হয়েছিল। রাসেল ভাই সহ বাকি যে দু'জন ব্লগারকে বিনা কারণে ধরা হল, তারপর থেকে বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ হয়ে আছি। প্রতিবাদে ফেটে পড়ার মত অগণিত কারণ থাকলেও কিছুই লিখতে ইচ্ছে করছেনা। শুধু একটা কথাই মনে হচ্ছে সহযোদ্ধাদের এমন অপমান একজন ব্লগার হিসেবে দেখতে হবে,এইজন্যই কি সাড়ে পাঁচ বছর ধরে ব্লগিং করছি ?

আর কিছু লিখতে পারলামনা, মনটা চরমভাবে বিক্ষিপ্ত।

আমাকে সৃষ্টি করা না হলে কিছুই সৃষ্টি করা হতো না

লেখাটি নিজেকে দিয়ে একটু চিন্তা সহকারে বিচার করবেন
.................................................
যখন আমি পৃথিবীতে ছিলামনা তখন পৃথিবীও আমার কাছে ছিলনা
যখন আমি পৃথিবীতে থাকবোনা তখন পৃথিবীও আমার কাছে থাকবেনা
এখন আমি আছি পৃথিবীও আমার কাছে আছে।
অতএব, আমি আছি পৃথিবী আছে
আমি নাই পৃথিবী নাই
তাহলে আমার জন্যই পৃথিবী সৃষ্টি করা হয়েছে
আমাকে সৃষ্টি করা হয়েছে বলেই পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে
আমাকে সৃষ্টি করা হয়েছে বলেই আকাশ বাতাশ সৃষ্টি করা হয়েছে
আমাকে সৃষ্টি করা হয়েছে বলেই গ্রহ তারা চাঁদ সূর্য সৃষ্টি করা হয়েছে
আমাকে সৃষ্টি করা হয়েছে বলেই নদীনালা সাগর ঝরনা পাহাড় পর্বত সৃষ্টি করা হয়েছে
আমিও বলতে পারি আমাকে সৃষ্টি করা না হলে কিছুই সৃষ্টি করা হতো না !!!!!!

মশিউর রহমান (বাংলার বাউল)

২ রা এপ্রিলঃ জিঞ্জিরা জেনোসাইড

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নরঘাতক পাকসেনাদের দ্বারা বিভিন্ন পরিকল্পিত গনহত্যা পরিচালিত হয়েছে। একাত্তরের এইসব গণহত্যাগুলো বিংশ্ব শতাব্দির কুখ্যাত ইহুদীদের বিরুদ্ধে গণহত্যা, ভিয়েতনামে মার্কিনের দ্বারা গণহত্যা কিংবা রুয়ান্ডায় সংঘটিত গণহত্যার সমান। জানোয়ার পাকসেনারা যে কত হিংস্র হয়ে বাংলার স্বাধীনতাকামী নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে তা একজন পাকসেনার স্বীকার উক্তি থেকে পাওয়া যায়।

“...we were told to kill hindus and kafirs (non-believers in God). One day in June, we cordoned a village and were ordered to kill the kafirs in that area. We found all the women reciting from the Holy Quran and the men holding special congregational prayers seeking God’s mercy. But they were unlucky. Our commanding officer ordered us not to waste any time”.( comfession of a Pakistani Soilder)।

এতো সবই তোমার সকাল বেলার খিদে, সন্ধ্যে বেলায় যাবে হারিয়ে...

পোষ্ট লেখার কোনো ইচ্ছে নাই। প্রচন্ড গরমে কারেন্ট থাকে না তার ভেতরে বাসায় সিলিংর উপরে টিন দেয়া বলা যায় গরমে অতিষ্ট অবস্থা। লেখা সেইভ করে লেখা হয় না আর ইউপিএস নাই তাই পোস্ট লেখাটাকেও অযথা সময় নষ্ট মনে হয়। আর কি লাভ এইসব বোকা বোকা দিনলিপির পোষ্ট লিখে? যখন রাসেল ভাইরা জেলে ডাকাতের মামলা আসামীর মতো পুলিশের সাথে ফটোসেশন করা হয় তখন এইসব ব্লগ টগের কি মুল্য থাকতে পারে? তাও লিখছি কারন কিছুই তো করার নেই। কে ধর্ম বিশ্বাসী আর কে অবিশ্বাসী তা নিরুপন করে দিলো কিছু সারমেয় প্রানী আর তার ভিত্তিতে ডিবি ধরে আনলো তিন ব্লগারকে। কি এক দুর্বিষহ এক দেশে আছি? আমরা আজকে থেকে ব্লগার না সেই পাচ ছয় বছর ধরে ব্লগে দিন পার করতেছি। কিছু ধর্ম বিদ্বেষী পোষ্ট হয়তো দেখতাম তাতে খারাপ লাগতো। ফেসবুকে শত শত স্ট্যাটাস আছে তা নিয়ে কিন্তু সেই ব্লগারদের শত্রু ভাবি নাই কখনও। ভাবছি তার মতামত সে জানাচ্ছে। সে আমার ধর্মের সম্মান দিতে পারছে না সেইটা তার ব্যার্থতা। আমি কেনো তাকে শত্রু ভাববো?

আমি ক্ষুদ্ধ... হতাশ সরকারের আচরনে...

কি যে লিখি.. কি যে লিখবো... বুঝতেছি না ... পুরাই তব্দা মাইরা আছি... কষ্টটা গলার কাছে আটকাইয়া আছে... গিলতেও পারছি না ... কীভাবে রাসেল'এর সামনে গিয়ে দাঁড়াব? ওর বাচ্চাটার দিকে তাকালে হুহু করে কান্না আসে... নিজের ছেলের কথা মনে হয় ... রাসেলের ছেলে ঋক জানে না ওর বাবার কি দোষ... লেখালিখিই যদি দোষ হয় তাইলে কি ঋক লেখাপড়া শেখা ছেড়ে দিবে? লেখাপড়া শিখে যদি বাবার মত লেখালিখি করতে আগ্রহ হয় তাহলে আবার জেলে যেতে হবে... শুধু কি জেল? আমাদের বাইঞ্চোৎ মিডিয়া গুলো ডিবির প্রেসক্রাইব করা ছবি তাদের মিডিয়াতে প্রচার করছে সমানে। সামনে তাদের প্রিয় কম্পিউটার গুলো। ভাবটা এরম যে, তারা এই কম্পিউটার গুলো চুরি করেছে এবং ডিবি সেইগুলো উদ্ধার করেছে। কি এক অসভ্য দেশে বাস করছি। পুরাই তব্দা মাইরা গেলাম Sad

কয়েকদিন আগে একজন বিচারককে এভাবে দাঁড় করিয়ে ছবি তোলার অপরাধে আদালত খেইপা গেলো... তাও মাদকদ্রব্য সহ হাতেনাতে ধরাপরার পরও বিচারে অপরাধী প্রমানের আগে অপরাধী হিসেবে ছবি ছাপানোর জন্য আদালত পুলিশকে জবাবদিহি করতে বলে।

ইজ্জতের মুল্য ও দাম

কোন এক দেশের সর্বোচ্চ পাহাড়ের নিচে একটা ছিমছাম গ্রাম আছে- নাম দার্জিলিং পাড়া। আট-দশটা পরিবার নিয়ে পাহাড়টাকে মাথায় করে গ্রামটা দাঁড়িয়ে আছে। ভ্রমনকালে, এখানে আমরা একবার বিশ্রাম নেয়ার জন্য দাঁড়াই, এবং একটুপর একটা বাড়ির পাশের পেয়ারা গাছে হামলা চালাই। যত পারি খেয়ে এবং যত পারি নিয়ে যখন দাম চুকাতে যাব, তখন খুব বিপদে পড়লাম। গাছের মালিক টাকা নেবেনা। কারন, তারা পেয়ারা বিক্রী করে না। তো তারা কি বিক্রী করে? খোঁজ নিয়ে জানলাম তারা খুব টক কি জানি একটা ফল বিক্রী করে। একটা ফল মুখে দিয়ে দেখলাম: জন্মের টক।

ভাবলাম লোকটাকে একটু মার্কেট ইকোনমি বুঝাই। বললাম, "বুঝলেন দাদা, যার চাহিদা আছে, তা বিক্রী করুন। যেটার চাহিদা নাই, তা বিক্রী করা টাফ।"
-কে শোনে কার কথা, ঐ লোক টাকা নিলোই না।

-তার ধারনা সব কিছু বিক্রী করা যায় না।

গ্রামের পাব্লিকতো! এখনো লাভ-লসের হিসাব বোঝে নাই, মানলাম। কিন্তু আমাদের শহুরে প্রতুলকুমারও যদি একই কথা বলে, কেমনডা লাগে! ওনি গান ধরেন: "আলু বেচ, ছোলা বেচ, বেচ বাকেরখানি, বেচোনা বেচোনা বন্ধু তোমার চোখের পানি।" ইত্যাদি, ইত্যাদি।

বাদলা হাওয়ার রাত, হাওয়া বদল গান..

ইদানিং বেশ কিছু গান জমে আছে। শুনেছি তবুও যেন শোনা হয় নি।

কাল মধ্যরাতের কথা হবে। নাহ, আরো বেশ কিছু সময় পরে। বলা যায় প্রায় ভোর, ঘুমাবো বলে শুয়ে আছি।

তখনই শুনেও না শোনা এমনই কিছু গান শুনছিলাম। শুনতে শুনতেই হঠাত্‍ ঝড়ো হাওয়া আর শিলাবৃষ্টির ঝাপটা যেন আমার ছোট্ট ঘরটাকে মুগ্ধতায় ভরে দিল কোন কথা না বলেই।
খেয়াল করা হয় নি কখন যেন দুইটা গানে ঘুরেফিরে বারেবার হারিয়ে যাচ্ছি। আরো একটু মন দিয়ে শুনবো বলে ভাবতেই হাওয়াবদল নামের একটা মুভির দুটা গান মন পুরো আওলে দিল নিমিষেই।

প্রথমেই অরিজিত্‍ সিং এর গাওয়া 'মনে পড়লে'। শুনে নিতে পারেন এখানে ।

গানের কথাগুলো এরকম -

মনে পড়লে
অকারন
কাউকে বলা বারণ।

রিম ঝিমঝিম
বরষায়
তুই আজ ভেঁজার কারন।

মেঘেদের ডাকবাক্সে
তোর চিঠি পৌছে দিলাম।

হাওয়ায়
রাতপাখি গান গায়
চোঁখ মুঁছে যায়
রুমালে শুকায়
জ্বরের আরামে
ঘুম এসে যায়।

লাস্ট ট্রেন
হলে মিস
তোর কাছে করি আবদার।

ঈশ্বরবাবু আসছেন...

নাটকটা শুরু হয় একস্তুপ জঞ্জালের পাশে বসা দু’জন ভবঘুরের আলাপে-- ভ্লাদিমির ও এস্ট্রাগন। তারা প্রতিদিন এসে বসেন এক মরা গাছের নিচে, বসে অপেক্ষা করেন ঈশ্বরবাবু (Godot) নামক এক ভদ্রলোকের জন্য। তিনি আসবেন তা নিশ্চিত; কিন্তু আসলে কি হবে, কি বলবেন তিনি, কি পাবে দুই ভবঘুরে-- জানা নাই কারও। তারা দিনের পর দিন কাটিয়ে দেন জঞ্জালের পাশে অপেক্ষায় দিনগুনে। তারা নিজেদের মাঝে ঝগড়াঝাটি করে, একে অন্যকে গালাগালি দিয়ে যায়, ছেড়ে যায় একে অন্যকে, কিন্তু পরক্ষনেই আবার মিটমাট। সেখানেই তারা হাসে, কাঁদে, গান গায়, প্রাতঃকৃত্য সারে। খালি মাঝে মাঝে একজন বলে উঠে, “ধুর বাল, চল গলায় দড়ি দেই এরচেয়ে।” অন্যজন তৎক্ষণাৎ মনে করিয়ে দেয়, “তবে ঈশ্বরবাবু যে আসছেন...।” "ও হ্যাঁ হ্যাঁ। অপেক্ষা করতে তো হবে”- বলে আবার শুরু হয় তাদের কালক্ষেপন।

বিলাসী (২০১৩) - ১

পাকা ২ ঘন্টা বসিয়া ব্লগ লিখিতে যাই । আমি নই, কয়েকশত জন। যাহাদেরই বাটী কিংবা অফিস এরুপ আইটি পল্লী তে তাহাদের সকলকেই এরুপ করিয়া ব্লগ লিখিতে হয়। ইহাতে লাভের অঙ্কে শেষ পর্যন্ত একেবারে শূন্য না পড়িলেও, যাহা পড়ে, তাহার হিসাব করিবার পক্ষে এই কয়টা কথা চিন্তা করিয়া দেখিলেই যথেষ্ট হইবে যে , সকাল বিকাল ৪ ঘন্টা বসিয়া থাকিয়া ব্লগ লিখিতে হয় তাহাই নহে, ঢেড় বেশী - বারে বারে কানেকশন কাটিয়া যায়, আন্তর্জালের গোলাকার চাকতি ক্রমাগত ঘুরিতে দেখিয়া , মশক দংশন সহিয়া, একনাগাড়ে বসিয়া ব্লগে যাইতে হয় সে দুর্ভাগা বালকদের মা-সরস্বতী খুশি হইয়া বর দিবেন কি, তাহাদের যন্ত্রণা দেখিয়া কোথায় যে তিনি মুখ লুকাইবেন, ভাবিয়া পান না।

তাহার পরে এই কৃতবিদ্য ব্লগারের দল বড় হইয়া একদিন ব্লগেই বসুন, আর ফেসবুকেই যান —তাঁদের চার-ঘন্টা ব্লগিং এর তেজ আত্মপ্রকাশ করিবেই করিবে। কেহ কেহ বলেন শুনিয়াছি, আচ্ছা, যাহাদের লেখার জ্বালা, তাহাদের কথা না হয় নাই ধরিলাম, কিন্তু যাঁদের সে জ্বালা নাই, তেমন সব ভদ্রলোকেই বা কি সুখে ব্লগ ছাড়িয়া পলায়ন করেন? তাঁরা বাস করিতে থাকিলে ত ব্লগিঙের এত দুর্দশা হয় না!

লাল সবুজের মাঝের হলুদ মানচিত্র

মানচিত্র

খুব সাধারণ একজন ব্লগার, হয়তো ব্লগার হিসেবে খুব কম মানুষের কাছেই পরিচিত, তবুও আজ মনের কিছু অব্যক্ত কথা আর চেপে রাখতে না পেরে কি-বোর্ড নিয়ে বসে পড়ি।

গত চারদিন, খুব বেশি অনিচ্ছা স্বত্তে অনলাইন থেকে দূরে ছিলাম। না, আমি দূরে ছিলাম না। কৌশলে চোখ রাখছিলাম কিছু পুরোন বন্ধুর উপর। হ্যাঁ। কারণ, তারা বার বার আমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার পূর্বে বলছিলো তারা নাকি চায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কিন্তু তা হতে হবে স্বচ্ছ নিরপেক্ষ। আমি তাদের কথায় দ্বিধান্বিত ছিলাম না মোটেই, কিন্তু তাদের জন্য করুণা হচ্ছিলো আমার খুব। কেন? কারণ তারা তাই করছিলো যা তাদের দ্বারা করাতে চাচ্ছে তাদের পরিচালকবৃন্দ তথা জামায়াত-শিবির।

খুব ছোট বেলার এক বন্ধুর সাথে আমার সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে যা এর আগের পোস্টে উল্লেখ করার কারণে কিংবা ব্যক্তিগত পরিচয় থাকার কারণে জানেন অনেকেই। আজ কি তার কথা বলবো? হ্যাঁ কিছুটা তবে আজ শুধু তার কথায় বলবো না।

ম্যাঙ্গো পিপল এবং আমের "আঁটিখেলা "

বাড়িতে শেষ দিনটা কাটালাম আজ। আক্ষরিক অর্থেই শেষ দিন কাটালাম, ভাবতেও অবাক লাগে সারা দিন বাড়িতে কাটানোর পর এখন রাত বারটায় শুয়ে আছি বাড়ি থেকে আশি কিলোমিটার দূরে!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ