অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

আমার পুলাপান বেলা ১.১

আমরা দুই ভাই, বড় ভাই আমার চেয়ে দুই বছরের বড়। যার কারনে আমার ছুটো বয়সের সব কিছুই দুই বছর আগে আগে ঘটছে। যেমন ধরেন অ আ পড়া A B C D পড়া আলিফ বা তা সা পড়া ইত্যাদি। আবার যেমন ধরেন আমাদের দুই ভাইয়ের মুসলমানি এক সাথেই হইছে। মানে ভাইয়ার তখন মুসলমানির বয়স হইছে তাই সেইটা ঠিক আছে কিন্তু ফ্রীতে আমি দুই বছর আগেই মুসলমান হইয়া গেছি Big smile

সেই ছোট বয়সে একদিন আমার দাদা আম্বরশাহ মসজিদ থিকা এক হুজুর নিয়োগ দিলেন আমাদের আরবী পড়ানির জন্য। সেই হুজুরের নাম ছিলো 'বড় চানপুইড়া হুজুর' (বলা বাহুল্য উনার পৈত্রিক বাড়ি চাঁদপুরে ছিলো) তিনি বেশ রাশভারী লোক ছিলেন, সেই হুজুরকে আমার বেশ পছন্দ হইলো। চিকন একটা বেত নিয়া প্রতিদিন ভোরে তিনি আমাদের দুই ভাইকে পড়াইতে আসতেন, তবে তিনি সেই বেত আমাদের উপর কখনো প্রয়োগ করেন নাই, শুধু ভয় দেখাইতেন। উনার মুখে সব সময় পান এবং বেশ সুন্দর গন্ধওয়ালা জর্দা খাইতেন, সেই সুঘ্রান আমার খারাপ লাগতো না। আমার দাদীও পান খাইতেন পান খাইতে খাইতে তিনি সন্ধ্যায় উঠানের কোনায় বসে শচীন দেব বর্মন গাইতেন ..... 'কে যাস রে ভাটি গাঙ বাইয়া', তবে আমার দাদীর মুখের পানের ঘ্রান ছিলো পৃথিবীর সব চাইতে বড় সুগন্ধি।

ভয়ঙ্কর এক তালিকা


‘নাস্তিক’ ব্লগারদের তওবার দাবিতে সায় কমিটির

ফেইসবুক ও ব্লগে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যকারীদের ‘তওবা’ করানোর সুপারিশ করেছে ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলেমরা, যাতে সায় জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কর্যালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি।
রোববার কমিটির সঙ্গে বৈঠকে ব্লগ ও ফেইসবুক ইসলাম ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে মামলা করে কঠোর শান্তি দেয়ার সুপারিশ করেন।
‘নাস্তিক’ ও অপপ্রচারকারীদের তালিকা দিয়ে আলেমরা বলেন, “এরা তওবা করলে ভাল, নইলে শাস্তির আওতায় আনুন।”
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলেমদের সঙ্গে বৈঠকে এ সুপারিশের প্রেক্ষিতে কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাইনউদ্দিন খন্দকার বলেন, “তওবা পড়ার সুযোগ দেয়া যেতে পারে, এর পরও তারা এ অপপ্রচার চালালে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
তিনি বলেন “অপপ্রচারকারীদের চিহ্নিত করে খুব দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে, এজন্যই নানা উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে কমিটি থেকে।”

জীবনের যত ইস !

জীবনে খুব ইচ্ছে ছিলো পত্রিকার পাতায় নিজের লেখা ছাপা হোক। সে লক্ষ্যে আবোল-তাবোল লেখা পাঠাতে শুরু করি। তখন ক্লাস এইটে পড়ি। আমার প্রথম লেখা ছাপা হয় ইত্তেফাকের চিঠিপত্র কলামে। তারপর লেখা শুরু করলাম সাপ্তাহিক চিত্রালীতে। এরপর সিনেমা এবং পূর্বানী। নিয়মিত লিখতাম। ছাপাও হত। কত পত্রিকাতেই যে লিখেছি ! ছায়াছন্দ, বিচিত্রা, বিচিন্তা, যায়যায়দিন, মৌচাকে ঢিল, আনন্দ বিচিত্রা। তারপর দৈনিক পত্রিকায় লেখা শুরু। ভোরের কাগজ আর প্রথম আলোতে অনেক লেখা ছাপা হয়েছিলো আমার। সেসময় লেখা ছাপা হলে তা কেটে রেখে দিতাম। এক সময় সে লেখার সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যায়। আমি তখন ঢাকায়। বড় ভাইয়ার সাথে থাকি। ৯৫ সালের ঘটনা। আমি অফিসে। ভাবী বাসার কাগজ বেচতে গিয়ে আমার সারা জীবনের সব লেখাগুলোও বেচে দিলেন হকারের কাছে। অফিস থেকে ফিরে শুনলাম ঘটনাটা। ভাবীর মুখেই। আমি বজ্রাহতের মত ভাবীর দিকে তাকিয়ে রইলাম...

আবারও বাড়ী থেকে ফিরে!

ফিরে এলাম এই শহরে। যে শহরে ২ কিলোমিটার রিক্সায় যেতে লাগে এক ঘন্টা সেই শহরেই। বাড়ী আমার কাছে খুব আপন কারন সেখানে বাবা মা থাকে আর এই নষ্ট শহরটাও আমার আপন কারন এখানেই আমার দিন যাপনের ভুবন। নিজের ভুবনে ফিরতে সবারই ভালো লাগে আমারও তাই। তবে এই শহরে ফেরার খুব একটা উচ্ছাস ধরা দেয় না মনে। কারন কারো কাছেই এই শহরটা আপন মনে হয় না এখন। স্রেফ প্রয়োজনেই টিস্যু পেপারের মতো ব্যাবহার করা। ইউস শেষে ফেলে দিয়ে অন্য কোথাও চলে যাওয়া। আমি এমন দুই জন লোককে চিনি যারা দেশে অত্যন্ত সুখে ব্যাপক টাকা পয়সায় দিন কাটাচ্ছিলো অযথাই তারা পরবাসী। প্রবাস থেকে ফিরে তাদের কথা বারতা শুনলে মনে হয় তারা জন্ম থেকেই ইউরোপে। এই মানসিকতা আমার ভালো লাগে না। অনিশ্চয়তা নিরাপত্তাহীনতা কবে ছিলো না বাংলাদেশে?

নর-নারী (৪র্থ অংশ)

বিখণ্ডকাহন

আমার মা একজন মেয়ে, আমার বাবা একজন ছেলে। আমার বোন হলো মেয়ে, আর আমার ভাই, যে মাঝে মাঝে আমার সামনে এসে চোখ বড় বড় করে নির্বাক তাকিয়ে থাকতো সে একজন ছেলে। কিন্তু আমি তোমার কি হই মা? আমি তোমার কে? নিশুতি রাতে সবাই ঘুমিয়ে গেলে মা কাঁদতেন জরিয়ে ধরে আমাকে। বলতেন, তুই আমার সন্তান, কেবলই সন্তান। বাবার মুখে দেখতাম ঘন অন্ধকার। যেন তীব্র কোন আঘাতে ব্যাথায় নীল হয়ে গেছেন।

ভাই বোনদের মত বাইরে খেলতে যেতাম না, এমনকি কোথাও বেড়াতেও না। একটা ঘরই হয়ে গিয়েছিলো আমার পুরো পৃথিবী। এই সব স্মৃতি এখনো মনের কোণে উজ্বল। কিন্তু যেসব স্মৃতি মনে পড়ে না, কেমন ছিলো সেসব! জানি না, জানতে চাইও না। তবু কেন জানতে চাই? আমার জন্ম, প্রথম নাড়ি কাটা, প্রথম চিৎকার, মায়ের চোখের জল, বাবার লজ্জা কেমন ছিলো সেসব?

আনন্দ-বেদনার গল্প

প্রায়ই ভাবি কত কি লিখব! কিন্তু লেখা আর হয় না। ধৈর্য্য নিয়ে লিখতে বসা হয় না, অলস সময় পার হয়ে যায় রোজ একইভাবে। একইভাবে চলা জীবনেও কত কি ঘটে! ভালোলাগার, খারাপ লাগার, কষ্টের, আনন্দের। আবার মাঝে মাঝে নানা জটিলতায় / ব্যস্ততায় পড়ে কিভাবে সকাল রাতে গড়িয়ে ভোর হয় নিজেই বুঝি না যেন। অনেকের মাঝেও একা হয়ে যাই, পর হয়ে যাই অকারণেই। কেন জানি না সবকিছুই মানতে পারি না- আর তাই কাছের বন্ধুও পর করে দেয়। বিষন্নতায় আঁকড়ে ধরে আমাকে। কোন কিছুতেই মন বসাতে পারি না।

বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ৪

বিপ্লবের ভেতর-বাহির ১

বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ২

বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ৩

হুমায়ুন কবির ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষক। তিনি কবি ছিলেন। জীবনানন্দ দাশ নিয়ে তিনি উল্লেখযোগ্য বেশ কিছু প্রবন্ধ লিখেছিলেন। প্রথম কাব্যগ্রস্থ কুসুমিত ইস্পাত ছাপা হয়েছিল ১৯৭২ সালের জুলাই মাসে।
আজকাল হুমায়ুন কবিরকে নিয়ে খুব বেশি আলোচনা হয় না। তবে সেই সময়ের অনেকের লেখার মধ্যেই পাওয়া যাবে হুমায়ুন কবিরকে। হেলাল হাফিজের কথা আমরা শুনতে পারি-

স্বর্গপতন

একটা দুইটা করে দশটা বৃষ্টির ফোঁটা
শুষে নেয় দশ বিশ করে নব্বইটা মরুর কণা।
একটা দুইটা কান্নার শব্দ মাটিতে না পড়ে
যায় হারিয়ে দৈরথের ডামাডোলে।
. . . . তারা আশ্বাসে পাশে থাকে!

টাকার থলের দামে যৌনতা বেচে
. . . . . . . . . . . . জীবন বাঁচে
মায়ের দামে একাত্তোর বেচে
. . . . . . . . . . . . বেশ্যা সাঁজে।

প্রশংসা সকল সানির দ্বারে
আমার অনুভুতি সকাল বিকাল মরে।
চেতনার মরুভূমিতে বেড়ে ওঠা বিছে
চেপে ধরেছে মুখের স্বাধীনতা।
. . . . আজ তাদের চোখে গান্ধারীর পট্টি!
sorrgo-poton.jpg

ভেসে যায় আদরের নৌকো!

শিরোনামটা এমনিতেই দেয়া। কোনো বিশেষ তাত্‍পর্য নাই। অনেক কাল আগে বিষাক্ত মানুষ ওরফে মুরাদ ভাই চন্দ্রবিন্দুর গানটা লিরিক লিখে পোষ্ট দিয়েছিলো। আমি তখন কেবল চন্দ্রবিন্দু আর নচিকেতার সার্কাসটিক গান গুলোই শুনছি। এরকম অসাধারন গান শুনতে পেরে দারুন লাগছিলো। ব্লগ জিনিসটাই দারুন। অনেক দারুন কিছু কত সহজে নিজের কাজে মানিয়ে নেয়া যায়। মুরাদ ভাইয়ের সেই গানের পোষ্টগুলা কত অসাধারন ছিলো। আমি আউলাপু তামিম ইরফান তানজিলাপু গিয়ে বায়না করতাম এই গান চাই ঐ গান চাই প্লিজ পোষ্ট দেন। কিন্তু বায়না জিনিসটাই ভোগাস। উনি উনার পছন্দের নানা গান দিতো। আমরা সব শুনতাম। আমার এতো বৈচিত্রপুর্ন গানে ভালোবাসা তখন থেকেই শুরু হলো। তখন আমাদের যারা দেশে থাকি সবারই নেটের স্পিড যাচ্ছে তাই। রাশু ভাই আর রন্টী ভাইয়ের অবদানে পেলাম ইস্নিপস থেকে ডাউনলোডের উপায়। মোটামুটি লুফে নিলাম তা। আমার মনে আছে আমার পুরানা হার্ডডিস্কে তিন জিবি গানই ছিলো শুধু ইসন্পিসের লোড করা গান। সব হারিয়ে ফেলছি তা। সেদিন ফেসবুকে রাশেদ ভাই আর তার বউ ব্যাংককে হানিমূনের ছবি দেখে আমার মনে হলো এইতো সেদিনই একসাথে আমাদের কত ব্লগ আড্ডা কত বালিকা নিয়ে মশকরার দিনগুলো কাটলো। দিনগ

ড. আসিফ নজরুল : আলো অন্ধকারে যাই পথ হারাই

ড. আসিফ নজরুল এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক। এর আগে ছিলেন সাপ্তাহিক বিচিত্রার প্রধান প্রতিবেদক। বিচিত্রায় তার কিছু সংবাদ এবং সৃজনশীল লেখা কৈশোরে আমি গ্রোগ্রাসে গিলেছি। তারপর অনেকদিন বিরতি। সাংবাদিকতার পাঠ চুকিয়ে শিক্ষকতায় ঢুকেছেন, বুদ্ধিজীবী হিসেবে নামডাক হচ্ছে তার। প্রথম আলোয় তুমুল কলাম লেখেন। বোধহয় বছর পাঁচেক আগে প্রথম আলোয় তার নিয়মিত কলামে লিখেছিলেন, নেতা তৈরি হতে অনেক সময় লাগে। নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এরকম আরো অনেক কথা। একটু অবাকই হলাম। আলমগীর সাহেব এতো বড় নেতা! কিন্তু কখনোই তো তাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা মনে হয়নি! প্রথম আলোর মতো পত্রিকায় তো উল্টাপাল্টা কিছু ছাপা হতে পারে না...। তবে?
পরিচিতদের সাথে কথা বললাম। তারাও বাড়তি কিছু আবিষ্কার করতে পারেনি।
দিনে দিনে অনেক কিছুই পরিষ্কার হলো। আসিফ নজরুল বর্তমানে আমার কৈশোরে দেখা সেই ব্যক্তি নেই, তিনি এখন 'আলো-আঁধারে যান, পথ হারান'।
বর্তমানে মির্জা ফখরুল সম্বন্ধে তাঁর মূল্যায়ন কী, জানতে মন চায়...।

আধুনিক ঈশপের গল্প

সেই গল্পটা মনে আছে? সেই যে ঈশপের মিথ্যাবাদী রাখালের গল্পটা। এক রাখাল বালক প্রতিদিন বাঘ এসেছে, বাঘ এসেছে বলে চিৎকার করত আর গ্রামের সব মানুষ ছুটে আসত তাকে বাঁচানোর জন্য। রাখাল বালক মানুষের নির্বুদ্ধিতা দেখে হাসত, আর নিজেকে খুব চালাক মনে করত। কিন্তু যেদিন সত্যি সত্যি বাঘ আসল আর সে শত চিৎকার করার পরও সবাই এটাকে দুষ্টুমি ভেবে কেউ তাকে বাচাঁতে আসল না সেদিন সে তার জীবন দিয়ে বুঝতে পেরেছিল সে মোটেও বুদ্ধিমান ছিল না। এই গল্প জানে না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব এক কাজ। তাহলে আপনারা ভাবছেন সবার জানা গল্প নতুন করে আবার বলে আপনাদের কেন বিরক্ত করছি? কারণটা বলছি, তবে তার আগে বলে নেই আমরা কিন্তু জানা কথাটাই বারবার ভুলে যাই, আর বিপদে পড়ি। এবার আসল ঘটনাটি বলি।

আত্মকথন-১

...............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
তুমি এখন উড়ছো
যান্ত্রিক ডানায় ভর করে,
আমিও উড়ছি,
কল্পলোকের ডানায়।

বেশ কিছুক্ষণ চোখ দুটি বন্ধ করে,
অবিরাম একেঁছি
তোমার ওই মায়াবী মুখখানি ।

আচ্ছা, তুমি এখন কি করছো?

তুমি কি এখন তোমার আসনে হেলান দিয়ে,
সুখ ঘুম ঘুমাচ্ছ?
তোমার স্বপন জুড়ে কি কোনো মানব ঘুরে বেড়াচ্ছে?
নাকি চুমুক দিচ্ছ হুইস্কি কিংবা স্কচ এর গ্লাসে?
নাকি তোমার নাকের বিন্দু বিন্দু ঘামের মতো,
গ্লাসের গা বেয়ে নামা শীতল জলের মাঝে,
কারো ছবি আঁকছো?

খুব জানতে ইছে করছে,
তুমি এখন কাকে ভাবছো?

মানুষ ও অন্যান্য

এদেশে বসবাস করে
মানুষ, পশুপাখি, গাছপালা, সংখ্যালঘু আর উপজাতি।
মানুষের সংখ্যা বাড়ছে
বাকিদের সংখ্যা দ্রুত হারে কমছে, মূল্য হ্রাস প্রোডাক্টের মত।
জনশক্তি বাড়ার কারণে
বড় বড় লেকচারার ও সচেতন লোকের পরিমাণ বাড়ছে।
শক্তি পরিমাপের বিষয়
শক্তির প্রমাণ দেখাতে মল্লযুদ্ধের ব্যবস্থা করা হয় ঘোষণা দিয়ে।
শরীরে রক্ত টগবগ
হাত নিশপিশ, কসরত হয় ছুড়িকাচির ব্যবহারে।
গাছপালা কমে গেছে
ইদানিং তাই গাড়িঘোড়া পোড়ানো হয়, এমনকি মানুষও।
লাঠির জোর পরীক্ষায়
মাটির তৈরি সংখ্যালঘু এক ঘায়ে ভাংতে হবে, নইলে ফেল।
মূর্তি ভাঙার কারণ আছে-
এমনিতেই সংখ্যালঘু কমে গেছে, শরীরের তাগোদ কম
যদি এক ঘায়ে অক্কা যায়,
বাকিদের তাদের চিড়িয়াখানায় পুষতে হবে, খরচ বাড়বে।
সার্কাস খুব মজার
গুটি কয়েক মানুষ জ্বালাও পোড়াও করে বাকিরা সার্কাস দেখে।
ছাগল একটি জনপ্রিয় ক্যরেক্টার
না না পশু হতে যাবে কেন? এরা মানুষ দুই পায়ে খাড়ায়
ম্যা ম্যা করে ল্যাদায়;
কাগজের ডকুমেন্টে প্রমাণ নেই, মোবাইলের ভিডিও লাগবে।
এক প্রকার অনুভুতি আছে
যা কেবল মানুষের থাকবে অন্য করো থাকা কবিরা গুণা।
ধর্মগ্যালভানাইজড চশমা আছে

ফালতু, পুরাই ফালতু!

সাহাইয্য চাইঃ সুপ্রিয় ব্লগারস, আপনারা কেউ কি টেলিটক ফ্ল্যাশ মডেমের মডেল জানেন? কেউ জানলে আমাকে একটু কষ্ট করে জানান, ইহা জানা আমার জন্য অতীব জরুরী। আপনারা যদি দয়া করিয়া আমাকে জানান তাহলে আমার অতিশয় উপকার হয় এবং আপনাদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ ও ঋণী থাকিব। আশা করি পোস্টের শুরুতে আপনারা অধমের এই অবাঞ্ছিত প্রসঙ্গকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখিবেন। আসলে শুধু এইটুকু সাহায্যের জন্য ছোট্ট করে পোস্ট দিয়ে ব্লগের মুল্যবান পাতা নষ্ট করতে ইচ্ছা করল না, তাই মূল পোস্টের আগে ছোট্ট করে সাহায্যটুকু চেয়ে নিলাম। আশা করি আপনারা অত্যাচারটুকু সহ্য করে নেবেন।(অবশ্য আমার পোস্ট মানেই অত্যাচার, খালি আজাইরা প্যাঁচাল পাইরা আপনাদের দামী সময় নষ্ট, হে, হে...)।

গণজাগরণ মঞ্চের নতুন কর্মসূচী ও আমার ভাবনা

গণজাগরণ মঞ্চ থেকে নতুন কর্মসূচী ঘোষনা করা হয়েছে! বিচার ও জামাত শিবির নিষিদ্ধের দাবী নিয়ে আগামী ৩১ মার্চ যাচ্ছি জাতীয় সংসদে এবং ৪ এপ্রিল যাচ্ছি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে! মিছিল করে, স্লোগান দিয়ে যাবো আমরা! এই কর্মসূচীর প্রতি আমার সমর্থন আছে!

আমি কখনই জাগরণ মঞ্চের কোন কর্মসূচীকে ছোট করে দেখার সাহস করি নাই! বরং মনে হইসে, মঞ্চের কর্মসূচী গুলোর সাথে থাকতে হবে আমাকে এবং সবাইকে! কর্মসূচী গুলোর মূল শক্তিটা আসলে এইখানেই, মানে জনগনই মূল শক্তি! এই শক্তিই পারে আমাদের দাবী গুলো পূরণ করাতে!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ