অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ২৪ জন অতিথি অনলাইন

বন্ধু- আড্ডা - গান, এরই মাঝে প্রাণ!

শেষমেশ ফিরেই এলাম আবার।
এক কুঁড়ি দুই পাতার দেশ, সিলেট থেকে।
আবারও শুরু আমার চিরাচরিত অলস হাবিজাবি দুষ্টামি দিন।

একবার ভেবেছিলাম এই লেখাটার নাম দিবো, 'সিলেট থেকে ফিরে - ট্রাভেলগ!'। পরে মনে হল, তাহলে কথাটা মিথ্যা বলা হতে পারে! এগারো দিন থেকে এলাম বটে সিলেট, কিন্তু ঘুরতে যাইনি কোন খানেই। কেবল, আদর্শও ছুটির মেজাজে বেড়িয়ে এলাম এই কয়টা দিন।

আচ্ছা, শুরু থেকেই বলি।

পরীক্ষা তো সেই কবেই শেষ, তারও আগে থেকে সিলেট যাবো যাবো করছিলাম। হবে হবে করেও হচ্ছিল না। ১০ তারিখ হঠাৎ করেই মনে হল, যাই গা!
বায়াকে বললাম, ও অফিস থেকে কমলাপুর স্টেশন গিয়ে পেয়ে গেল পরের দিনের টিকেট! এমনিতে যেখানে ৩/৪ দিন আগেও টিকেট কাটতে গিয়ে ফেরত আসতে হয়।

আমাকে আর পায় কে!

টুকটাক কেনাকাটা সেরে সন্ধ্যার পরপরই ব্যাগ গুছিয়ে রেডি।

অনন্ত-বর্ষা কাহিনী ('গানা' নয়, মোহাম্মদপুর থেকে)!

সিনেমা বানিয়ে যতটা না, তার চেয়ে অনেক বেশি আলোচিত হয়েছেন জলিল অনন্ত 'পম গানা' টাইপ সংলাপ দিয়ে!
তার ছবির নায়িকা বর্ষার সাথে তুমুল প্রেম শেষে বেশ ঢাকঢোল পিটিয়ে, সানাই বাজিয়ে, ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ বিমান উড়িয়ে বিয়ে করেছিলেন।
এখন দেখছি, সিনেমার মতোই কাহিনী ঘটছে- জলিল বর্ষাকে মারধর করেছেন, আর বর্ষা দুঃখ সইতে না পেরে মোহাম্মদপুর থানায় গিয়ে জিডি করলেন!
কোথায় হারালো এতো ভালোবাসা?
কিছুদিন আগেও আমার বাসা মোহাম্মদপুর ছিলো। বর্ষার বাসাও মোহাম্মদপুর। সেই সূত্রে তিনি আমার প্রতিবেশিনী!
মাস কয়েক আগের কোনো এক বৃহস্পতিবার প্রথম আলোর বিনোদন পাতায় 'আনন্দ'তে বর্ষাকে নিয়ে একটি ফিচার ছাপা হয়েছিলো। রিপোর্টারের সাথে কথা বলার মাঝখানেই উঠে গেলেন বর্ষা, 'অনন্ত ফোন করেছে, একসাথে লাঞ্চ করবো।'
প্রথম আলোর মতো প্রথম শ্রেণির পত্রিকাকেও তিনি তোয়াক্কা করেন না! ভদ্রতাবশত সাংবাদিককে লাঞ্চ করে যাওয়ার কথা বলবেন কী, নিজেই মাঝপথে চলে যাচ্ছেন!
পরদিন শুক্রবার। বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আলোকচিত্রী সাইদা, লেখক খানমের সাক্ষাৎকার নিতে বনানী যাবো আমি এবং আমার সহকর্মী মিজান মিজানুর রহমান।

আগামীকাল ২৪ মার্চ, শাহবাগ চত্বরে মশাল মিছিল: চলুন আবার শ্লোগান ধরি একসাথে...

গণজাগরণ মঞ্চ নিয়া হাজারো প্রশ্ন-হাজারো সন্দেহ-হাজারো অভিযোগ আমাদের প্রাণে...কিন্তু এই মঞ্চ তৈরী হয়েছে সাধারণ মানুষের ক্ষমতায়-প্রেরণায় সেই কথা মনে হয় আমরা ভুলতে বসেছি। আমাদের শ্লোগানে আর প্রতিরোধে যেই মঞ্চের সৃষ্টি তাকে জবাবদিহিতা করতে হবে আমাদের কাছেই। যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে একেবারেই নিঃস্বার্থ হয়েই আমরা যুক্ত হয়েছিলাম, কোনো রাজনৈতিক দল-কোনো এজেন্সী-কোনো ভিনদেশি চক্রান্ত আমাদের মোটিভেইট করেনি। আমরা শাহবাগ চত্বরে দাঁড়িয়েছি আমাদের ঐক্যবদ্ধতা মূর্ত হয়েছিলো গণজাগরণের চেতনায়।

আমাদের - একান্ত আমাদেরই প্রেরণায় যেই গণজাগরণ মঞ্চ তার অনেক সিদ্ধান্ত আজকে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। সেইসব প্রশ্নের জবাব চেয়ে আমরা আবার একতাবদ্ধ হবো...আমাদের ঐক্যের শক্তি দিয়ে গণজাগরণ মঞ্চকে বাধ্য করতে হবে জনতার কাছে জবাবদিহি থাকতে।

বাংলার মুখ

বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটা জন্মের সময় থেকেই সংখ্যালঘু হিন্দুরা নির্যাতন, হত্যা, লুন্ঠন, জ্বালাও পোড়াও, ধর্ষণের শিকার হয়ে এসেছে। ১৯৭১এ এই দেশে হিন্দুর সংখ্যা ছিল ৩৭%, স্বাধীনতার ৪১ বছর পর তা এসে দ্বাড়িয়েছে ৯% এ। দেশ স্বাধীন হল সেক্যুলার দেশ কল্পনায়। সেটা কল্পনাই রয়ে গেল। যাঁরা স্বপ্ন দেখেছিলেন তাঁদের সরিয়ে দেয়া হল ষড়যন্ত্র করে। ৭১এর বিরুদ্ধ বিল্পবের লোকেরা ক্ষমতায় পৌছে গেল। তাদের স্বপ্নে মুসলিম রাষ্ট্রের পতাকা। কিন্তু তারা দেখেনা তাদের মুসলিম রাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থা। হিন্দু তথা সংখ্যালঘুদের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য এরা দায়ী।
Bangladesh_religions.png

সুইট বিষুদবার...

বৃহস্পতিবার এরশাদ পরবর্তী শহুরে মধ্যবিত্তদের জন্য খুব আনন্দে দিন। ডিজুস রেডিও ফুর্তি তার নাম দিছে ফুর্তি দিবস । তবে আমি বুঝি না এতো ফুর্তি কই থেকে আসে? আর শুক্রবার যাদের দিকেই তাকাই দেখি সেই ছুটির সময় কই? সবাই ব্যাস্ত। এই একদিনেই ফ্যামিলী নিয়ে বের হইছে, বন্ধুদের সাথে দেখা করতে যাইতেছে, দাওয়াত খাচ্ছে, কত কাজ। এগুলারে কি ফুর্তি বলা যায়। ফুর্তি বলা যায় তাকেই যে ফুর্তিতে থাকে। নিজের মতো খাওয়া আনন্দ ঘুরাঘুরি করে বেড়ায়, কোনও টেনশন বা ভাবনা নাই। সেরকম আনন্দ কোথায় পাওয়া যায়!

আখাম্বা আচাভূয়া ইম্বিশ

অনেকদিন পর রাহাত খানের "দিলুর গল্প" পড়তে গিয়ে আবার পেলাম এই বিশেষণটিকে। "আখাম্বা আচাভূয়া ইম্বিশ" মানে এক শব্দে "অদ্ভুদ" ধরে নেয়া যায়। নিজেকে আয়নায় দেখলে আমারও প্রায়ই এটা মনে হয়। এর অনেক গুলো কারণের মধ্যে একটি হলো কপালের কাটা দাগটি। দুই পাখার বদলে চার পাখার প্লেনের আদলে কপালে এঁটে বসা এই চিহ্নটি মোটমুটি জন্ম থেকে লালন করছি। শুনেছিলাম, বয়স বাড়ার সাথে সাথে এসব দাগ নাকি মিটে যায়। কিন্তু না। আমার বেলায় তা ঘটবে কেন!! দিব্যি হাত পা ছড়িয়ে বরং ফরিং প্লেন খানা এখন কার্গো রূপ ধারণ করেছে। তাই সই। হাজারো একই নাম (ফারজানা)-এর ভিড়ে কাটার জন্য নিজের "বিশেষ" নাম পেতে বেগ হয় নি।
কাটা নিয়ে বললাম, আর তার ইতিহাস বলবো না, তা তো হতে পারে না।তখন আমার বয়স সাত। মানে সাতমাস! ভাই এবং বোনের সাথে বয়সের যথেষ্ট পার্থক্য থাকায় আমাকে মেনে নিতে তাদের কষ্ট হয় নি বটে। কিন্তু তারা আমাকে "মানুষ" হিসেবেও মেনে নেয়নি। এই ধরা যাক খেলার পুতুল বা জীবন্ত রোবটটাইপের কিছু ভেবেছিল বলে আমার শক্ত ধারনা। তাই যখনই সময় পেতো তখনই আমাকে নিয়ে খেলা শুরু করতো। যারমাঝে অন্যতম হলো, "ক্যাচ ক্যাচ" খেলা!!

রিসিভরস অব স্টোলেন প্রোপার্টিঝ: তোমারও ছিল ভয়

তোমারও ছিল ভয়, রাজাকার, পাকসেনা
কিম্বা ভ্রষ্ট চরিত্র মানুষের।
বিড়ালের নতুন ছানার মত সোনালী যৌবন
মুহুর্তেই ফেলতে লুকিয়ে,
যদি ওরা আসে, এই ভয়ে ডেকে নিতে কাছে।
সন্ত্রস্ত তোমার মুখ হঠা্ত আমার দিকে
ফিরে গিয়েছিল ভয়ে,
তোমার দু'হাতে
চুলে
নখে
কচু রং শাড়ীর আচলে
সর্বত্র ভয়ের চিন্হ, ভীত শিহরণ, যদি ওরা আসে।

মানুষের প্রিয়তম বয়সের কাছে এসে
তোমার বয়স যেন থেমে গিয়েছিল ভয়ে,
তখন আমিই শুধু তোমার সাহস হয়ে
তোমার চতুর্দিকে কিছুদিন...

আহা স্বাধীনতা, যুদ্ব, ভ্রষ্ট মৃত্যুভয়
কী সুন্দর থোকা থোকা প্রিয় অভিগ্যান।
যতদিন যুদ্ব ছিল ততদিন তুমি ছিলে
আমার প্রেমিকা।

আজ তুমি মুক্ত, রুদ্র, অসীম সাহসী।
হাজার হাজার মাইল
অনায়াসে চলে যেতে পারো, ভয় নেই
শুধু ভয়
যুদ্ব নয়
ওরা নয়
আমি যদি আসি।

''ভয়''

ইসাবেলার ঘর সংসার

১.ইসাবেলা, আমার বসন্ত মানে না
বিপ্লব, হরতাল, আন্দোলন
এ বসন্ত চাইছে তোমার সাথে
নিরবিচ্ছিন্ন সঙ্গম।

২. আহা! তোমার মোমসম শরীর!
মানুষের নয় যেন পরীর, পরীর।

৩. লড়তে লড়তে বড্ড ক্লান্ত আছি, ইসাবেলা
প্রাচীন তালপাখা দিয়ে মায়ার বাতাস
চাইছি এ-বেলা।

৪. দীপিতাসোনা তুমি এখন আমার সব
তুমি সুস্থ থাকলে প্রতিটা দিন মুখরিত
অঘোষিত পরব, পরব।

৫. আপনি ছিলেন বটগাছের নামান্তর
বিদেশ গেলে ভালো মানুষগুলো আর ফেরে না
কি চিকিৎসা হয় জানি না
খবর আসে ঘটেছে দেহান্তর।
(জাতি আজ সত্যিকারার্থে অভিভাবকহীন হলো প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে)

বাংলাদেশের শিক্ষা সমসাময়িক ভাবনাঃ একটি জরুরী ভাবনার বই!

ছোটবেলা থেকেই শুনে আসা শিক্ষা নাকি জাতির মেরুদন্ড। তখনো আমি মেরুদন্ড মানে কি জিনিস তা জানতাম না। ভাইয়া প্রথমে চিনিয়ে ছিলো মেরুদন্ড মানে পিঠে যে হাড়ের উপর দিয়ে সোজা রাখে। আমার কাছে তখনও শিক্ষা কেনোইবা এতো গুরুত্বপুর্ন?

বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ২

প্রথম পর্ব বিপ্লবের ভেতর-বাহির ১ এখানে

এবারের পর্ব রুহুল আর রাহেলাকে নিয়ে। দুজনেই বিবাহিত। রুহুল একজন প্রকৌশলী, কিন্তু চাকরিতে মন নেই। রাজনীতিতে মগ্ন, তাও আবার প্রথাগত রাজনীতিতে নয়। সশস্ত্র বিপ্লবের জন্য তৈরি হচ্ছেন। পিকিং-এর গরম হাওয়া তার শরীর আর মন জুরে। স্ত্রী আছে, সন্তানও আছে।
রাহেলার জীবন একদমই অন্য রকম, অন্য মেরুর। রাহেলারও দুই সন্তান। রাহেলার স্বামী সামরিক বাহিনীতে কর্মরত, নাম বিগ্রেডিয়ার হাকিম। পূর্ব পাকিস্তান জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা বা এনএসআইর মহাপরিচালক।
রাহলারও এই জীবন পছন্দের নয়। রাহেলার লেখালেখিতে আগ্রহ। বেগম পত্রিকায় লেখেন। প্রগতিশীল চিন্তাভাবনার মানুষ। কিন্তু রাহেলার এসব চিন্তা বা কাজে সমর্থন নেই স্বামীর। ফলে এক প্রকার গৃহবন্দী রাহেলা। এক পর্যায়ে বাইরে যাওয়াই নিষিদ্ধ হয়ে গেল।

দ্রুতগতিতে চলছে জীবন

"ও ছোটপাখি ছোটপাখি সর্বনাশ হয়ে গেছে
পৃথিবীর পরে আর
তোমার-আমার
ভালোবাসার কেউ নেই, কিছু নেই।

ও ছোটপাখি ছোটপাখি
ভাংচুর হয়ে গেছে
শিশুদের খেলনায়, আমাদের দোলনায়, ডাকবাক্সের ঢাকনায়
রাস্তায় ল্যাম্পপোস্টে আলো নেই।

ও প্রেমপাখি প্রেমপাখি
গানটা হেরে গেছে, নদীটা ফিরে গেছে, পাহাড়টা সরে গেছে, সাগরটা মরে গেছে
আদিবাসী শামুকের কোনো ঘর নেই।

ও নেই নেই কিছু নেই
রাস্তার বাম নেই, শ্রমিকের ঘাম নেই, টাকাদের দাম নেই, চিঠিটার খাম নেই
আমাদের কারো কোনো নাম নেই।

ও ছোটপাখি ছোটপাখি সর্বনাশ হয়ে গেছে
পৃথিবীর পরে আর
তোমার-আমার
ভালোবাসার কেউ নেই, কিছু নেই।"

২০০৪-০৫ সালের কথা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছি খুব বেশি দিন হয় নি। প্রাইভেট টিউটর বা পত্রিকার ইউনিভার্সিটি রিপোর্টার জাতের কিছু হয়ে ওঠার তাগিদ তখনো মনের ভেতর ঢোকার পথ খুজেঁ পায় নি। ইন ফ্যাক্ট, স্কুল-কলেজের বন্ধু-বান্ধবদের তখনো নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে রাখতে ভালো লাগতো। ক্যম্পাসে, ডিপার্টমেন্টের ক্লাসে- কোথাও খুব বেশি মন বসতো না। কিন্তু ক্যম্পাসে গেলে একটা জিনিস ঠিকই টের পেতাম, সেখানে আমার একটা নোঙর পোঁতা আছে। কোথাও না কোথাও।

নর-নারী (২য় অংশ)

দানব পুরান

আজ হতে বহুদিন পরে.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]

বহুদিন;
হয়তো আজ হতে বহুদিন পরে,
হঠাত্‍ মনে পড়ে যাবে -
এই আমায়।

এক চিলতে রাস্তা ধরে;
আরও এক দিন হেঁটে যেতে যেতে,
এক টুকরো আদর মাখা রোদ্দুরে।
ধুসর প্রান্তর - সবুজ দিগন্ত ভুলে,
মনে পড়ে যাবে কোন মেঘলা দিনের গান।

পথ চলবেই,
চলতেই থাকবে।
হঠাত্‍ মেঘ কেটে যাবে;
দেখবে আকাশজোড়া নীল,
ভালোবেসে লীন হয়ে যাওয়া নীল।

হয়তো একটু বসতে চাইবে তুমিও,
ঠিক আমারই মত;
ছায়াসঙ্গী কোন পুরাতন স্মৃতির মত -
পথের পাশে কোন নদীর ধারে।

হয়তো কোন একাকী কালভার্টে -
পা দুলিয়ে চুপচাপ;
একা বসে থাকবে তুমিও,
চোখের পাতা পর্যন্ত স্হির -
হঠাত্‍ থেমে যাওয়া সময়ের হাত ধরে।

কচি সবুজ পাতার ডাকে;
হয়তো শুয়ে থাকবে ঘাসজমিনে,
ঠিক আমারই মত।
তোমার চোখেও খেলা করে যাবে,
আলো আঁধারির কথকতা।

আনমনা মন হারিয়ে যাবে,
হাওয়ায় হাওয়ায়;
চেনা অচেনা গানে।

এভাবেই;
কিছু থেমে থাকা সময়ের পরে,
আবারও ফিরবে পথে।
তোমাকে যে ফিরতেই হবে,
এমনটাই যে কথা ছিল -
তোমার না বলা কথায়।

পথ চলবে - তুমিও।
অপেক্ষায়,
গোধূলির সুপ্রিয় বিষণ্ণ ক্ষণ।

হঠাত্‍ দিনের শেষে এসে,
অথবা ভোরের মুগ্ধতা ছোঁয়া;
আলো অন্ধকারে -

আলোর যাত্রীরা থামবে না

619486_2055608_lz.jpgহতাশাবাদীর জিকির
হবে না হবে না ফল
আমরা বলি দেখ গ্লাসে
আরো অর্ধেক আছে জল।

নিরাশকারীর ফিকির
অনবরত উস্কে দেয়া ভয়
বলি তোমাতে নেই প্রয়োজন
আমরা করব জয়।

স্বাপদের গরম শ্বাস ঘারে
বর্ণচোরা গিরগিটি দৌঁড়ে
পথে যখন এঁকেছি পায়ের চিহ্ন
ভেবোনা মোরা যাব সরে।

বিভীষণ নামে একজন ছিল
ঘরের কথা পরকে বলে দিল
যে করে মিথ্যাচার সত্য গোপন
সে আদম বিভীষণের অধম।

ঈর্ষা এসিডসম করে জ্বালাতন
গলায় সম্ভাবনার দেহ ,
লড়ে যায় ঠোঁটে নিয়ে প্রাণ
আলোর দিশা পাবে বলে কেহ।
184365_10200568285997771_1010421689_n.jpg

অমঙ্গলের মঙ্গলবার সাথে মামা কে নিয়ে কিছু কথা

আমার জন্মবার মঙ্গল বারে। সেই থেকে মঙ্গলবারটা আমার প্রিয়। যদিও মুরুব্বীরা বলে গেছে যে বার হিসেবে মঙ্গল ওতো শুভ নয়। ছোটবেলা থেকে সেই অশুভ ভাব আর কাজ কারবার করতে করতে যখন বড় হচ্ছি তখন থেকেই আম্মুর মনে ছিলো খুব শক্ত ধারনা ছিলো অশুভ কিছু আছে আমার সাথে তাই নেয়ামুল কোরান দেখে অনেক দোয়াই আমার জন্য করতেন। আমার এইসব নিয়ে কোনো ভাবনা ছিলো না। বার তো বারই। সব দিনই আল্লাহর। তবে এই ব্যাপারে আবীরের ছিলো দারুন এক্সপিরিয়েন্স। কোন এক বড় হুজুর তার মাকে বলছে আপনার ছেলের জ্বীনের সমস্যা আছে। তাই সেই আমলেই ১০-১৫ হাজার টাকা খরচা করে তাবিজ পানি পড়ার আয়োজন চলে। কোমড়ে গলায় বিশাল বিশাল তাবিজ কবজ বাধা এখনো। আমার এই সব তাবিজ কবজে মোটেও বিশ্বাস নাই, করিও না কোনোদিন। কামরুলের এক বন্ধু ছিলো সোহেল নাম তার। সেই ছেলেটাকে নাকি কে তাবিজ করছে অনেক রোগে শোকে ভুগবে তারপর মরবে। তাই নাকি সে ছোটোকাল থেকেই রোগে শোকে ভুগে এসএসসি এক্সামের আগেই মারা গেলো। আমার এই সবে তেমন কিছু যায় আসে না কারন তাবিজে যদি কাজই হতো তবে ইরাক আফগানিস্তান ফিলিস্তিনে এতো লোক মরতো না। এমেরিকাকে তাবিজ করে তাদের মেরিন সেনাদেরকে প্রতিবন্ধী বানিয়ে রাখতো পীর আউল

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ