অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৮ জন অতিথি অনলাইন

ঘুমন্ত কুম্ভকর্ণ আবার জেগে উঠেছে

আমি ফটিকছড়ির ভূজপুর গ্রামের বাসিন্দা। এই গ্রামের মেঠো ধুলাই আমার কবিতার অঙ্গ। তার ঝির ঝিরে হাওয়া আমার গ্রীষ্মের প্রাণ। এখানের শীতের কুয়াশা গাঢ়, খেজুর গাছ থেকে রস পড়ে নিয়ম মেনে, ফুল ফুটে বসন্তে, ভ্রমর গায় গুঞ্জরনে। এখানের বর্ষায় হাঁটু জল হয় না, মাঝে মাঝে বান ঢাকে পুকুর-বিলে একাকার হয়। শাপলা কুড়াবার জন্য ঠিক অন্য এলাকার মতই আমাদের গ্রামেও বাচ্চারা উলঙ্গ হয়ে ডুব দেয় পুকুরে। নবান্নের হাসি ফুটে গৃহবধুর মুখে, ধানের মরা খর ছড়িয়ে পড়ে পথে পথে। এমন রূপসী গ্রাম বাংলার সবখানেই, আমাদের গ্রামটা কি একটু বেশীই?

যখন কেউ বলে জামায়াত মাত্র চার পার্সেন্ট, আমি অবাক হয়ে যাই। তারা চার পার্সেন্ট হতে পারে কিন্তু তাদের সাপোর্টার আমাদের গ্রামের প্রায় সব লোক। তারা বিএনপিতে ভোট দেয় আর ধর্মগোঁড়ামি নিয়ে জামায়াতকেই পছন্দ করে। সেই ছেলে বেলা থেকেই শিবিরের মারামারি কাটাকাটির কথা শুনে আসছি। মাঝখানে ১০-১২ বছর চুপ-চাপ ছিল এলাকাটা। কিন্তু সাম্প্রতিক হেফাজতের কল্যাণে ঘুমন্ত কুম্ভকর্ণ আবার জেগে উঠেছে।

মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কিছু কথা

মাদ্রাসা শব্দটি আরবী درس (দরস) থেকে এসেছে। درس মানে হল পাঠ। আর মাদ্রাসা মানে হল যেখানে পড়ানো হয় বা বিদ্যালয়।আমাদের দেশে কয়েক ধরনের মাদ্রাসা আছে। প্রথমে একে একে এই মাদ্রাসাগুলোর পরিচয় দেই-


নূরানী/তালিমুল কুরআন/ফোরকানীয়া মাদ্রাসা:

নাম ভিন্ন হলেও এ মাদ্রাসাগুলোর কাজ একই। কুরআন শরীফ শুদ্ধ করে পড়ানো।আধুনিক পদ্ধতিতে শুদ্ধভাবে কুরআন শেখানোর জন্য এ মাদ্রাসাগুলো কাজ করে যাচ্ছে। তাজবীদ (কুরআন শেখার জন্য সহীহ উপায় সমূহ এই বইতে লেখা থাকে) সহকারে এখানে কুরআন শেখানো হয়। প্রতিটি হরফের মাখরাজ (উচ্চারণ স্থান), মদ (কোন জায়গায় টেনে পড়তে হবে, কতটুকু টেনে পড়তে হবে), এদগাম, ক্বলব, এজহার, গুন্নাহ (উচ্চারণের ধরণ সম্পর্কিত বিভিন্ন টার্ম) প্রভৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা সহকারে এখানে কুরআন শেখানো হয়।এই মাদ্রাসাগুলো মূলত ছোটদের জন্য তবে বয়স্ক কেউ শুদ্ধ করে কুরআন পড়ার জন্য তালীমুল কুরআন বা ফোরকানীয়া মাদ্রাসায় যেতে পারে।

হাফেজী মাদ্রাসা

একজন ফরহাদ মজহার এবং অনৈসলামিক রাজনীতি - এক

আমার ফেসবুকের ফ্রেন্ডলিষ্টের একজন বন্ধু গোত্রীয় Farhad Mazhar নামে অন্য একজনের স্টেটাসের লাইক দেয়ার সূত্র ধরে আমি সে স্টেটাসটা একটু পড়ে দেখি।

লোকটার স্টিটাসটা পড়লাম। পইড়া মনে একটা প্রশ্নের উদয় হইলো। তার আগে কই, উনি ঐ স্টিটাসে অনেক কতা লিখেছেন, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু তুলে ধরলাম:
"আমরা চিৎকার শুরু করি তের দফা মানা যায় না। ফলে ধর্মতাত্ত্বিক বয়ানের মোড়কের মধ্যে এই মানুষগুলোর (হেফাজতে ইসলাম) নৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক উদ্বিগ্নতা আমাদের কানে এসে পোঁছায় না। কারন এদের আমরা মানুষ বলেই গণ্য করি না। আমরা আগেই প্রচার শুরু করি বাংলাদেশ তালেবান হয়ে যাচ্ছে।"

স্টিটাসটাতে আরো অনেক কতা আছে। এর আগে লেখা আছে,

কাফন দিয়ে কেনা আমার পতাকার স্বরাজ!

শাহনাজ রহমাতুল্লাহর গান থেকে শিরোনামের লাইন টা নেয়া। এই গানের অরজিনাল ভার্সন আমি শুনি নাই। কনক চাপার একটা ভার্সন শুনছিলাম সেইটা ভালো লাগে নাই তবে মনে গেথে আছে শুধু সায়ানের গায়কীটাই। সেই সামুর আমলে ২০০৮ য়ের দিকে পোষ্টও দিছিলাম গানটা নিয়ে। এখন যখন অনেকের প্রিয় পোস্টের ভীড়ে সেই গানটার পোস্ট দেখি অবাক লাগে। তখন মনে হয় ব্লগিং করে এতোদিনের এই অযথা সময় নষ্ট পুরোটা কখনোই মাঠে মারা যায় নাই। তবে মাঠে মারা গেলো না গেলো না তা নিয়ে ভাবি না কখনো। আমি আমার সময়ে যা করার উচিত ছিলো তাই করার চেষ্টা করছি মাত্র। আমার সময়ে সব চেয়ে কম ছিলো মানুষের দেশপ্রেম, কাজের কাজ কিছু করতে না পারলেও নিজের বুকে তা ধারন করেছি। যে দেশে জন্মেছি তার জন্য অপরিসীম মায়া অনুভব করি এইটাই আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি। আর কিছুর দরকারও নাই। সকালে উঠে ফজর নামায পড়েই হাটতে বের হই সংগী হিসেবে একজন বা দুই জন ছাড়া কেউ নাই বলা যায় ইদানিং একা একাই হাটি। ভোরের নির্মল বাতাস যখন আমার গায়ে এসে বাধে তখন শুধু জাতীয় সংগীতের লাইনগুলাই মনে হয়। আল্লাহর কাছে ধন্যবাদ জানাই বারবার যে এমন একটা দেশে আমাকে জন্ম দিয়ে বাচিয়ে রেখোছো এতো দারুন ভাবে এতো ভালোবাসায়।

তোমার জন্যে লাল গোলাপ

এক.
মাসুদ তাঁর বাবার ছবিটির ফ্রেম পাল্টান―প্রতি বছর; মার্চ এলেই। এটি তাঁদের দিকে তাকিয়ে থাকে সারা বছর।
আজ আব্বু সকালেই টিভি দেখছেন; সকালের নাশতা সেরেই প্রতিদিন তাড়াহুড়ো করে তিনি বেরিয়ে পড়েন―অফিসে যান।
বাসার টিভি সেটটি ডাইনিং রুমেই। আব্বু ওখানে বসেই খবর শোনেন; রাত জেগে টক শো দেখেন। মাঝে মাঝে আম্মুও বসেন―খবর শোনেন।
―আব্বু , তুমি কী দেখছো? তোমার কী আজ অফিস নেই? এতো কোন খবর নয়―লাইভ অনুষ্ঠান। দীপা বাবার গা ঘেঁষে এসে দাঁড়ায়।
―না, মা । আজ আমার ছুটি। স্বাধীনতা দিবসের ছুটি।
―আম্মু, আজ তোমারও কি ছুটি ? আজ তো ভাইয়ারও ছুটি, আমারও ছুটি, আব্বুরও ছুটি।
দীপা দৌড়ে গিয়ে ওর ভাইয়ের হাত ধরে গাইতে থাকে―দীপনও গলা মেলায় দীপার সাথে:
মেঘের কোলে রোদ হেসেছে বাদল গেছে টুটি/ আজ আমাদের ছুটি ও ভাই আজ আমাদের ছুটি,/ কী করি আজ ভেবে না পাই, পথ হারিয়ে কোন বনে যাই / কোন মাঠে যে ছুটে বেড়াই সকল ছেলে জুটি/ আজ আমাদের ছুটি ও ভাই আজ আমাদের ছুটি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি, ৮ এপ্রিল ২০১৩

সাম্প্রতিক ঘটনাবলির আলোকে আইসিএসএফ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছে যে, কিছু মৌলবাদী প্রতিক্রিয়াশীল অপশক্তি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারপ্রক্রিয়ায় বিঘ্ন সাধনের উদ্দেশ্যে, এবং সামাজিক সম্প্রীতিপূর্ণ বাংলাদেশকে একটি সাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে সোচ্চার ও তৎপর। ‘হেফাজতে ইসলাম’ নামের আড়ালে জামায়াত ইসলামী সহ এই দুষ্টচক্র সুপরিকল্পিতভাবে আমাদের মহান স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি ও নারী জাগরণের উন্মেষ রোধে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা আরো লক্ষ করছি যে, সরকার এসব ধর্মীয় চরমপন্থী গোষ্ঠীকে সঠিকভাবে মোকাবিলায় ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে।

নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময় অংশ দশ!

শরীরটা ভালো না মোটেও। ঠাণ্ডা জ্বরে সকাল থেকেই পুরো শরীর জুড়ে অসহ্য ব্যাথা। পাচটায় ঘুম থেকে উঠে নামায পড়লাম, দেখি ব্যাথায় নড়াচরায় দায়। কিভাবে হাটতে যাবো?

বাংলা কমিউনিটি ব্লগ এলায়েন্সের যাত্রা শুরু হলো

সুদীর্ঘ সময় ধরে অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের ভেতর দিয়ে বাংলা ব্লগমণ্ডল শত ফুল ফুটিয়েছে। বহু মত, বহু ভাবনা আমাদের অনলাইন জগতকে মুখর করে রেখেছে। কিন্তু সম্প্রতি বাংলাব্লগ যে আন্দোলনের সূতিকাগার সেই, শাহবাগ আন্দোলনের সূত্র ধরেই বাংলা ব্লগ আক্রান্ত হয়েছে তার নেমেসিস, রুদ্ধচিন্তা ও মৌলবাদের নখরের নিচে। রাজনৈতিক প্রজ্ঞাহীন শক্তি, নির্লিপ্ত সামাজিক গোষ্ঠী, চিন্তারহিত বুদ্ধিজীবী, স্বার্থসন্ধানী মিডিয়া, সকলেরই চক্ষুশূল হয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের ভাবনার খেরোখাতা।

এই আক্রমণকে একা রুখবার দিন ফুরিয়েছে। এখন সময় কাঁধে কাঁধ মেলাবার। তাই আসুন, লেখার খাতাকে রক্ষা করি। রক্ষা করি হাতের কলমকে। আমাদের কণ্ঠ, আমাদের চিন্তা আমরা অন্ধকারের শক্তির পায়ে সমর্পণ করবো না।

ব্ল্যাক আউট কর্মসূচী প্রত্যাহার

সিদ্ধান্ত মোতাবেক, ব্লগ ব্ল্যাক আউটের কর্মসূচী প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে আজ ৮ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে।

আমরা বেশ কয়েকটি ব্লগ এক হয়ে ব্লগ ও ব্লগারদের কন্ঠরোধ ও ব্লগার গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়েছি! এইরকম ঐক্য ব্লগ বা ব্লগার গুলোর মধ্যে এর আগে দেখা যায়নি! আমরা বন্ধু ব্লগ আশা করে ব্লগ ও ব্লগারদের এমন ঐক্য আমরা ধরে রাখবো এবং সামনের সময় গুলোতে প্রয়োজনে কাজে লাগাতে পারবো, রুখে দাঁড়াবো প্রয়োজনে!

আমাদের প্রতিবাদের কথা গুলো ছড়িয়ে গেছে অনেক দূর! ছড়িয়ে দেবার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানায় আমরা বন্ধু ব্লগ! আমরা আমাদের ব্লগারদের কাছ থেকেও পেয়েছি অভূতপূর্ব সহযোগীতা যা আমাদের সাহসী করেছে ব্ল্যাক আউট ধরনের কর্মসূচী পালন করতে! ব্লগ গুলোর প্রতি ব্লগারদের এমন আস্থা ভবিষ্যতে আরোও বেশি সচেতন ভাবে পরিচালিত করতে শক্তি যোগাবে!

ব্ল্যাক আউট কর্মসূচী নিয়ে বিস্তারিত তথ্য ব্লগ মডারেটর জানিয়ে দিবেন কিছু সময় পরেই!

লিখুন, লিখতে থাকুন!

হাতে হাত রেখে চলো নিঃশঙ্ক হই!

হেফাজতে ইসলাম

১.
হেফাজতে ইসলাম কি ফরহাদ মজহার/শফিক রেহমানদের ব্রেইনচাইল্ড? হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।।
তারা এদের খানা-পিনা, ওজুর পানির বন্দোবস্ত করার জন্য সরকারকে উপদেশ দিয়েছেন।।

দেশের "তৌহিদি জনতা" ফ্রন্ট এতদিন দুইটা বিষয়ের অভাবে ভুগছিলো:
(১) অরাজনৈতিক চেহারার প্লাটফর্ম (জামাত বা ঐক্যজোট তাদের মূল অবলম্বন ছিলো)
(২)পশ বা সুশীল ইমেজ
(এরা শ'খানেক লোক এক হয়ে মিছিল করলেও সেটা কেন জানি জঙ্গি হয়ে পড়ে। জ্বালাও-পোড়াও, ধরো-মারো ছাড়া এরা আন্দোলন করতে পারেনা। অপনেন্ট ফ্রন্টের মিডিয়া তো আর ছাড় দেবেনা, তাইনা?)

হেফাজতে ইসলাম আপাতদৃষ্টিতে এই দুটো সংকট কাটিয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। যদিও শুরুতে তারা ৩১৩ জনের বদর স্কোয়াডের নামে খুব লম্ফঝম্ফ করেছিলো, এখন ওটা নিয়ে টুঁ শব্দও করছেনা। তারা জঙ্গি ইমেজকে ওভাররাইড করে "শান্তিপ্রিয়" হিসাবে আবির্ভুত হতে প্রাণপণ।

যা ভেবে অবাক হই, এই আইডিয়া এতদিন তৌহিদি জনতার মাথায় আসেনাই কেন?

সম্ভবত বার্ডস-আই-ভিউ থেকে না দেখলে অনেক সময় আসল দূর্বলতাগুলো চোখে পড়েনা।। নাস্তিক মজহার/রেহমানকে সেজন্য হলেও তাদের দরকার ছিলো।

২.

৪ এপ্রিল, জাগরণ মঞ্চের ডাক এসেছে

গত কিছুদিন ধরেই হতাশা ঘিরে ধরেছে আমাকে! বেশ কিছু কারনে ক্ষোভ জমেছে মনে! না পাওয়ার ভয় গুলোকে এতোদিন ইগ্নোর করছিলাম তবে গত কয়েকদিন সেই ভয় গুলোই সামনে এসে দাড়াচ্ছে বার বার! হ্যা, এই সব কিছুই শাহবাগ, প্রজন্ম চত্তর কে ঘিরে! ভাবছিলাম কি হবে শাহবাগ গিয়ে? এই আন্দোলনের সাথে থেকে? কেনো নিজের সময় নষ্ট করে যাচ্ছি ওখানে? যারা বিরোধীতা করছে কেনো তাদের সাথে লড়াই করে যাচ্ছি অনলাইনে? কেনো আজ আমার সব কিছুতেই শাহবাগ?

সব কয়টি প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে স্পষ্ট! এই বাংলাদেশ যারা গড়ে দিয়ে গেছেন তারা একটি চেতনা বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিলেন এবং আমি সেই চেতনা গুলোকেই বাস্তবায়ন করতে চাই! তাদের বিসর্জন গুলো বৃথা যেতে দিবোনা আমি! আমি তাদের অসমাপ্ত কাজ গুলো করার জন্য একটু ভাগিদারী হইতে চাই! হ্যা, পাওয়ার যায়গাটুকু হয়তো খুব সামান্য, তাই বলে কি আমি পিছু হাটবো? নাহ, আমি পিছু হটছিনা! আমি লড়াই করে যাবো! আমি আছি শাহবাগে!

সাফারি

না না না না বলব না আর কিছু,
লিখব না আর কেমন লাগার গাঁথা,
এরচে ভাল বিস্ফারিত চোখ আর
পাথর হৃদয় ভাব গিজগিজ মাথা!

লাগছে কেমন বলার কী আর মানে,
বইয়ের পাতা কিংবা কোন গানে,
কোন অচেনার একটু মৃদু হাসি,
চোখ চিকচিক, কিংবা কোনখানে,
এক ঝটকায় এত্তটুকু হয়ে
আরেক চোখে আমার আমি দেখা,
উতল হয়ে মনের জলে ভেসে
হঠাৎ এসে কয়টা কথা লেখা,
কোন্ অচেনা মায়ের আকুল চোখে
হালকা সময় এক লহমায় ভারী,
কোন্ এক ছেলের বিষণ্ণ কী কথায়
খুশির সাথে হঠাৎ ছাড়াছাড়ি,
বিক্ষোভে মন আগল ছাড়া হতেই
কয়টা কথায় মনের ধুলো ওড়ে,
উথাল পাতাল উদ্ভুটি দিন পুরো
ডিগ্রী ধরে তিনশো ষাটে ঘুরে

দিব্যি আবার চাঙ্গা, সে ঐ
শব্দে ভেসেই হোক-
কী এসে যায়, আনন্দে বা
অচিন কোন শোক,

না না না না আর হবে না অত,
বলায় এখন লাল কালিতে মানা,
অত্ত লেখার হিড়িক, এখন বাতিল,
এখন কেবল তীক্ষ্ণ এবং তীব্র কঠিন না না,

খাঁচায় ফেরার সময় হলো বুঝি,
আমার সাথে সাধ্যমত যুঝি,

ছোট্ট খাঁচা হাতছানি দেয়, ডাকে,

ইচ্ছে না হোক, খাঁচায় ফেরাই ভালো,
লালচে আভার ওই পারেতেই কালো,

এই সাফারি, এই এখানে রাতে,
অন্ধকারের প্রবল কৃপান হাতে,

সব কিছুই আগের মতো

দালালদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করলেন বঙ্গবন্ধু। এর আগে আইন সংশোধন করে দালালদের মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তি পায় অনেক অনেক দালাল। ১৯৭৩ সালে ডিসেম্বরে তিনি বললেন,

এসব লোক দীর্ঘদিন ধরে আটক রয়েছেন, এতদিন তারা নিশ্চয়ই গভীরভাবে অনুতপ্ত। তারা নিশ্চই তাদের অতীত কার্যকলাপের জন্য অনুশোচনায় রয়েছেন।.......মুক্ত হয়ে দেশগঠনের পবিত্র ও মহান দায়িত্ব গ্রহনের পূর্ণ সুযোগ তারা গ্রহণ করবেন এবং তাদের অতীতের সকল তৎপরতা ও কার্যকলাপ ভুলে গিয়ে দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।

এরপর আসল ১৯৭৪। বঙ্গবন্ধু লাহোরে ইসলামী সম্মেলনে যোগদান শেষে ফিরলেন। কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই কেউ মনে রাখলো না বঙ্গবন্ধুর আশাবাদের কথা। বরং দালালরা পেয়ে যায় সুযোগ। কাজেও লাগালো সেই সুযোগ।

বেআইনী ঘোষিত জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলামী, মুসলিম লীগ, পি.ডি.পি. প্রভৃতি দলের একশ্রেণীর সদস্য এবং অন্যান্য পাকিস্তানপন্থীরা বেনামীতে রাজনীতির আসরে নামার জন্য 'চাঁদ তারা মার্কা' পতাকা নিয়ে জাতীয় গণতন্ত্রী দল নামে একটি নতুন দল গঠন করেন।

বিলাসী (২০১৩) - ২

বিলাসী (২০১৩) - ১

মৃত্যুঞ্জয় আমাকে চিনিতে পারিয়া বলিল, কে, ন্যাড়া?

বলিলাম, হুঁ।

মৃত্যুঞ্জয় কহিল, ব’সো।

মেয়েটা ঘাড় হেঁট করিয়া দাঁড়াইয়া রহিল। মৃত্যুঞ্জয় দুই-চারিটা কথায় যাহা কহিল, তাহার মর্ম এই যে, প্রায় দেড়মাস হইতে চলিল সে শয্যাগত। মধ্যে দশ-পনরো দিন সে অজ্ঞান অচৈতন্য অবস্থায় পড়িয়া ছিল, এই কয়েকদিন হইল সে লোক চিনিতে পারিতেছে এবং যদিচ এখনো সে বিছানা ছাড়িয়া উঠিতে পারে না, কিন্তু আর ভয় নাই।

মৃত্যুঞ্জয় কহিলো - ব্লগে যাহারা সকাল সন্ধ্যা মানবতার কথা বলে, ধর্মের কথা বলে, সুশীল ব্লগার - তাহার কেহই তাহাকে দেখিতে আসে নাই। সেই রোগীকে এই বনের মধ্যে একাকী যে নাস্তিকের মেয়েটি বাঁচাইয়া তুলিবার ভার লইয়াছিল, সে কতবড় গুরুভার! দিনের পর দিন, রাত্রির পর রাত্রি তাহার কত সেবা, কত শুশ্রূষা, কত ধৈর্য, কত রাত-জাগা! সে কত বড় সাহসের কাজ! কিন্তু যে বস্তুটি এই অসাধ্য-সাধন করিয়া তুলিয়াছিল তাহার পরিচয় যদিচ সেদিন পাই-নাই, কিন্তু আর একদিন পাইয়াছিলাম।

মাহমদুর রহমান এবং সরকার : একই সমতলে!

শেষ পর্যন্ত আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান আর সরকারের বক্তব্য মিলেই গেলো!
মাহমুদুর রহমান সাহেবের যেমন হঠাৎ করে 'ধর্ম'প্রীতি বেড়ে গেছে, তেমনি সরকারেরও। তারা ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন ব্লগ সাইট বন্ধ আর 'নাস্তিক' ব্লগারদের গ্রেপ্তার করতে।
মাহমুদুর রহমান অনেকদিন ধরে চাইছিলেন গণজাগরণ মঞ্চ বন্ধ করে দিতে। এখন সরকার চাইছে। সরকারের কর্তাব্যক্তিদের মাথায় কী পোরা তা নতুন করে প্রমাণিত হলো।
গণজাগরণ মঞ্চ কি সরকারের কথায় গঠিত হয়েছিলো যে এখন আবার তাদের কথায় বন্ধ করে দিতে হবে?
ভোটের রাজনীতি! জোটের রাজনীতি! রাজনীতির প্রথম কথা নির্লজ্জ হও, বিবেকহীন হও

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ