অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১২ জন অতিথি অনলাইন

ন'টা সতেরোর বাসে

একটা ভীড় ভীড় সকাল ছড়িয়ে ছিলো সারাটা বাস জুড়ে।

দেরী হয়ে যাচ্ছে বলে হালকা খিটিমিটি,
দু' টাকার পত্রিকায় পাতা ওল্টানোর খসখস,
পায়ে পাড়া পড়ায় বিরক্তি,
সবকিছুই ছিলো ঠিকঠাক,
অন্য দিনের মতোই।

আলতোভাবে চোখে লেগে থাকা ঘুমের গন্ধটাও যাবো যাবো করছিলো।

তুমি নেমে গেলে বাস থেকে,
একটানে সবটা সকাল কেড়ে নিয়ে ভীড় থেকে
ন'টা সতেরোর বাসে
অকাল দুপুর ছুটে এলো হুড়মুড়,
হঠাৎই বড় বেশী রোবটিক সবকিছু।

এক স্টপেজ পরেই নামতে হবে প্রতিদিনের অফিস।

শুধু ন'টা সতেরোর বাস,
একটা সকালকে আলাদা করে দিলো অনেকগুলো বছর থেকে...

মনের অতল গভীরে জলের গান!

চারিদিকে অশান্তি আর অশান্তির রাজ্য। পারসোনালী অনেকের মনে হয়তো শান্তি থাকতে পারে কিন্তু আমি কারো মুখেই শান্তির ছবি দেখি না। এক ফোটা সস্তিও নাই কারো ভিতরে। অনেক আগে মানুষ মুখে শুনতাম শান্তির মা মইরা গেছে। এখন দেখি শান্তির মা বাপ তো দূরে থাক, জেনারেশন সহই এখন গায়েব। আগামী দিন গুলোতে মানুষ শান্তির নামও কেউ মনেও রাখবেনা। এমনিতেই আমি নিজেই বিষন্ন বিলাসে আক্রান্ত থাকি সব সময়। এখন চারিপাশে মানুষদের দেখি এতো বেশী অস্থির আর অশান্তির বেদনাক্লিষ্ট মুখ অবাক হই। যদিও আমরা সবাই যে যেভাবেই থাকি নিজেরে সুখী প্রমান করতে ভালোবাসি। জাতি হিসেবেই এইটা আমাদের একটা বিশাল গুন। এই গুনের বিপরীতে আমার অবস্থান। কারন নিজেরে সুখী প্রমান করার ভেতরে কোনো সস্তি নাই। এইটা এক ধরনের ফাকি। এইসব ফাকিবাজী জীবন ফিলোসোফী আমার ধাতে সয় না। আমার ভালো লাগতেছে না তা আমি জানাবো সাহস করে। এই সাহসই যদি না থাকে তাহলে বেচে লাভ কি? কারো মন রক্ষার জন্য ভালো থাকার অভিনয় করতে আমার ভালো লাগে না। প্রতিদিন আম্মু যখন ফোন দেয় জিগেষ করে কেমন আছোস?

বিরিশিরি ভ্রমন : কুমুদিনী হাজং এর সাথে সাক্ষাত

দুই একজন কে জিজ্ঞাস করলাম কিন্তু বলল চিনেনা। তবে একজন মধ্য বয়স্ক বাঙালি চিনলেন। তিনি রিক্সা চালকদের বলে দিলেন কুমুদিনী হাজং এর বাড়ির কিভাবে পৌছান যাবে। ধন্যবাদ দিয়ে চললাম ওনার নির্দেশিত পথে।

কুমুদিনী হাজং টংক আন্দোলনের নেত্রী। এটা ছিল ১৯৪৬-৫০ সাল এ নেত্রকোনা অঞ্চলের কৃষকদের পরিচালিত একটিআন্দোলন। টংক প্রথা হলো উৎপন্ন ফসল দ্বারা জমিদারদের খাজনা পরিশোধ করা। যেটা টাকায় খাজনা পরিশোধের চেয়ে বেশি ছিল। হাজং সম্প্রদায় এ ব্যাবস্থায় দিনে দিনে নিঃস্ব হয়ে পরে। এ সময় সুসং দুর্গাপুরের জমিদারদের ভাগ্নে কমিউনিস্ট নেতা কমরেড মনি সিংহ-এর নেতৃত্বে ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে টংক প্রথা উচ্ছেদ, টংক জমির খাজনা স্বত্ব, জোত স্বত্ব, নিরিখ মতো টংক জমির খাজনা ধার্য, বকেয়া টংক মওকুফ, জমিদারী প্রথা উচ্ছেদ ইত্যাদি দাবি নিয়ে টংক আন্দোলন শুরু হয়। হাজং সম্প্রদায় নিজেদের স্বার্থেই টংক আন্দোলনের সংগে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েছিল। সে সূত্রেই কুমুদিনী হাজং এর স্বামী লংকেশ্বর হাজং ও তাঁর তিন ভাই টংক আন্দোলনের সংগে জড়িয়ে পড়েন।

পানির উৎস রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশে সুপেয় পানির অফুরন্ত সম্ভাবনা নদীনালা, খাল-বিল, পুকুরসহ সবরকম জলাশয় দখল ও দূষণের কারণে পানির আধার ধ্বংস হয়ে পানি সঙ্কট বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া জলাশয় দখল ও দূষণের শিকার হওয়ায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। পানির উৎস দখল ও দূষণ রোধসহ পরিবেশ উন্নয়নে সবাই যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখলেই জলাধার দূষণ ও দখল রোধ করা সম্ভব।

জলাধার দখল ও দূষণরোধসহ পরিবেশ রক্ষায় জরিমানা আদায়, শাস্তি প্রদান করে কখনো পরিবেশ উন্নয়ন সম্ভব নয়। সবার মধ্যে যদি দায়বদ্ধতা, দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তোলা যায় তবেই পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কোন উন্নয়ন বা অবকাঠামোমূলক প্রকল্প যেন পরিবেশ বিধ্বংসী কোন কার্যক্রম পরিচালনা না করে সেজন্য তাদের দায়বদ্ধ করে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, পরিবেশ আইনের অধীন ৬৪টি জেলায় পরিবেশ আদালত গঠিত হয়েছে। এ আদালতগুলো সক্রিয় করতে নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমকে সহযোগিতা করতে হবে।

বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ৫

আমার কিশোর ভাই, প্রিয় ছিল স্বাধীনতা
শ্লোগানে উত্তাল হোত খুব। দর্পিত বাতাস
তাকে ডাক দিল, স্টেনগানে বাজাল সংগীত

বিরোধী বন্দুক থেকে একটি নিপুণ গুলি
বিদ্ধ তারে করে গেছে, ছিন্ন কুমুদের
শোভা দেহ তার পড়েছিল? জানি না কিসব
ঘাস জন্ম নেবে তার শয়নের চারপাশে,...

বিরোধী গুলির ক্ষতে যখন সুস্থির শুয়ে
আকাশের নীচে, চোখে তার বিস্মিত আকাশ
মানবিক সত্যরীতি, বঙ্গদেশ সুখের বাগান।

কবিতাটি লিখেছিলেন কবি হুমায়ুন কবির, তাঁর ছোট ভাই ফিরোজ কবিরকে নিয়ে। তাঁর কিশোর ভাইটি বরিশালে ১৯৭১ সালে আগস্ট মাসে পাক সেনাদের হাতে ধরা পড়েছিলেন। ১৮ আগস্ট বরিশালে ব্যাপ্টিস্ট মিশন সংলগ্ন খালপাড়ে দাঁড় করিয়ে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছিল।

মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের একটি বড় কাজ মুক্তিযুদ্ধের কথ্য ইতিহাস। স্বরূপকাঠি গণপতিকাঠি গ্রামের শোভারাণী মন্ডল সরাসরি যুদ্ধ করেছিলেন। তাঁরও একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল।

প্র: আপনি যে দু’টো মুক্তিযোদ্ধা গ্রুপে অংশগ্রহণ করেছিলেন সেই দু’টো গ্রুপের উচ্চ পর্যায়ে অর্থাৎ লিডিং পর্যায়ে কারা ছিলেন ?

পিকাসোর নায়ীকারা ও একজন সজিব মাহফুজ।

তোমার লেখা প্রথম কবিতা পড়ে
মুগ্ধ, অভিভুত হয়েছিলাম।
তাও খুঁত বের করে টক জাল মিষ্টি নয়
ভীষন তিতা মন্তব্য করেছিলাম।
প্রস্তুতি নিয়েছিলাম আসন্ন আক্রমনের
কিন্তু না তুমি এলে যা ভেবেছিলাম তার
ঊল্টোটা নিয়ে,
হয়ে গেলাম তোমার লেখার অন্ধ ভক্ত।
গোগ্রাসে পড়তাম তোমার কবিতা
তোমার লেখা পিকাসোর নায়িকারা পড়তাম আর ভাবতাম
নিজের মত করে, নিজের নায়িকাদের মত করে ভাবতাম।
কি আশ্চর্য তোমার কবিতায় তুমি যে Photo caption গুলো দিতে
ঘুমের আড়ালে তারা হুবহু আমার কাছে আসত।
আমি কত দেশ মহাদেশ, কল্পনার সকল স্থানে
তাদের নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছি।
কিন্তু তুমি কোথায়?
কোথায় হারিয়ে গেলে তুমি
আমি তোমায় অনেক খুজেছি
অমিয় রহমান,পিয়াল, অনিমেষ রহমান
আর কত জনকে পুঁছেছি।
কেউ তোমার কথা বলল না।
আমি তো তোমাকে চিনতেও পাড়ব না।
তোমার ছবিটা তো ছবি ছিল না।
ছিল একটা camouflage বা ছদ্মবেশ।
আমি তোমাকে বহুবার বলেছি
যার লেখা এত সুন্দর সে কেন ছদ্মবেশ ধারন করবে।
নাকি খ্যাতির বিড়ম্বনা, হতে বাঁচার জন্য।
তুমি শুধু চুপ থাকতে।
জান, সজীব, তুমি আমাকে ভাঈয়া বলতে,
আমার কানে আজও সে আওয়াজ ভেশে আসে।

দীর্ঘশ্বাস

আমার কবিতার
খাতা হারিয়ে গেছে কোথাও। অনেকদিন
কিছু লেখা হয় না। সাদা পাতাগুলোর
দিকে তাকালে মায়া হয় নিজেরই। তাই
গল্প খুঁজতে বসি প্রতিদিন। রাস্তার
পাতায়, শহরের খাতায়। গল্প
জমা হয়ে আছে অনেকগুলো। সকালের গল্প,
বিকেলের গল্প,অনেকগুলো গল্প রাতেরও।
সব গল্পের মাঝে দাঁড়িয়ে আমি ভাবি কোন
গল্পটাকে নিয়ে ভাববো। আর সব
গুলিয়ে যায়। বিলুর ঘুড়ি ওড়ানো থেকে শুরু
করে লতা মাসির কাজ করা- গোটা দিনটাই
তো গল্প। শুধু বাঁধুনি নেই শব্দের। তাই
শেষ অবধি পড়া হয় নাহ। পড়া না হওয়ার
দরুণ শেষটা খুঁজতে আমরা দৌড়ই অকারণ।
শেষটা পাই নাহ। আকাদেমি অফ ফাইন
আর্টসের বন্ধ গ্যালারির সামনের রাস্তায়
দাঁড়িয়ে আকণ্ঠ ভিজি। আর ঠিক বিপরীত
মুখে কোনও এক আলোর শেডের উপর
বসে থাকা কাক সঙ্গী হয় আমার। আকণ্ঠ
ভেজে সেও। আমারই মতন। অথবা আমার
চেয়ে বেশি। বৃষ্টি থামার
মুহূর্তে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় নাহ।
শুধু গল্পটা থাকে। ট্রাফিক পুলিশের
সিগন্যাল
পেয়ে ডোরাকাটা ক্রসিং পেরোনোর মত
গল্প। যে গল্পে অল্প দূর দিয়েই হাত
ধরে দুজন হেঁটে যায় আর নায়ক একা থাকে।
বোধয় নরম বিকেলের হাত ধরতে। রোদ
এসে নরম ভাবটা মুছিয়ে দেওয়ায় নায়ক

হায় ব্লগিং...

এখন টকশোতে নতুন টপিকস... ব্লগার - বলগার - বোলগার... এটা দিয়ে নাকি ইন্টারনেটে ঢোকা যায়। এরা সব নাস্তিক... এদের পেছনে এরম আক্রমণ ক্যান?

ব্লগাররা কারো নুন খায়না... সেই কারণে কারো গুণ গাওয়ারও দরকার পরে না... কারো ধারও ধারে না তারা। ভাবনায় শুধু দেশ এবং দেশের মানুষ... আর এই কারণেই ব্লগাররা অনেকের চক্ষুশূল... সে হোক না কোন রাজনৈতিক দলের নেতা অথবা ধর্মীয় নেতা অথবা ফেসবুক সেলিব্রেটি।

ব্লগাররা চোখে আঙ্গুল দিয়ে সব দেখাইয়া দেয় কেনু? কেনু? কেনু?
আর এই জ্বলুনির কারণে সকল তিড় এখন ব্লগারদের দিকে Smile ... দেখা যাক কতদূর যায়...

যেই কীবোর্ড আমরা সমাজের অন্ধকার গলি ঘুপচি জনসম্মুখে তুলে ধরার জন্য হাতে নিয়েছিলাম... সেই কীবোর্ডের কারণে জেল খাটতে হয় আমাদের। জনসম্মুখে আমাদের অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। আবার আমাদের বলা হয়, তোমাগো লাইগ্যা এই সরকার ছাড়া কোন উপায় নাই... এই সরকারকে ক্ষমতায় না আনলে ব্লগারগো কেউ আস্তা রাখবে না। মানুষের কি মিনিমাম ভব্যতা বোধও নেই... এত অসভ্য হয় কীভাবে? কথা শ্রী দেখলে গা জ্বলে রাগে।

বিলাসী (২০১৩) - শেষ পর্ব

বিলাসী (২০১৩) - ৪

অবশেষে একদিন আন্দোলনের সহিত মিশিয়া গেলাম। সবাই বলাবলি করিতে লাগিল, হ্যাঁ, ন্যাড়া একজন গুণী লোক বটে। এত দ্রুত আন্দোলনে মিশিয়া যাইতে দেখিয়া সকলে বাহবা দিতে লাগিলো।

শ্লোগানের মাঝে মাঝে চোখাচোখি হইলে বিলাসী একখানা স্মিত হাসি দিতো। আসল কথা হইতেছে আমরা যুদ্ধাপরাধীর বিচারের জন্য একাত্ম হইয়াছি। খাইয়া না খাইয়া দিন-রাত প্রজন্ম চত্বরে পড়িয়া রহিয়াছি।

আমাদের এরূপ অবস্থা যখন চলিতেছে ঐদিকে মৃত্যুঞ্জয়ের খুড়ো গেল গেল সব গেল বলিয়া কলরব করিতেছে। তিনি সমাবেশ ডাকিয়া সকলকে বুঝাইতে লাগিলেন ইহা নাস্তিক দের মিলনমেলা, শাহবাগে সকল প্রকার খারাপ কাজ হইয়া থাকে। ছেলে-মেয়ে একত্রে মিলামিশা করিতেছে, উহারা গাঞ্জা মদ খাইতেছে । এখানে কেহ ধার্মিক নহে। খুড়োর কথায় কেহ কেহ সায় দিয়া কহিলো - তাহা হইলে শাহবাগ বন্ধ করিতে হইবে বৈকি ! । এরূপ তো চলিতে দেয়া যায়না। দেশ জাতি ধর্ম সব উচ্ছন্নে যাইবে। ৪২ বছর আগের বিষয় নিয়া রাস্তা বন্ধ করিয়া এরূপ তো চলিতে পারে না ।

পায়ের ধুলো নেই-১১

স্যার ফুল নিবেন? তাজা গোলাপ ফুল। মাত্র বিশ টাকা।
দুই তোড়া ফুলসহ নিজের মাথা গাড়ির ভেতরে ঢুকিয়ে জানতে চায় মেয়েটি। বয়স কত হবে ? বিশ বা বাইশ। কোলে শিশু। শিশুটি মাথায় ছোট ছোট চুল তেল দিয়ে ল্যাপ্টানো। মেয়েটির চুল বেণী করা। সেই বেণী ঝুলিয়ে দেয়া আছে মাথার দুদিকে। একদিকের বেণী আঁকড়ে আছে শিশুটি।
গাড়ি মানে বাংলাভিশনের গাড়ি। আট ঘণ্টা ডিউটির ক্লান্তি দূর করতে মিশে আছি সিটের সঙ্গে। মেয়েটির বয়স বেশি বলে কৌতুহল একটু কম। আট দশ বছরের কেউ বা কোন কিশোর বা কিশোরী ফুল বেচতে এলে তার কৌতুহলের কমতি থাকে না। প্রথমে তারা জানতে চায় ফুল কিনবো কি না? তারপর উঁকিঝুঁকি দেয় নায়ক-নায়িকা দেখার আগ্রহ থেকে। তাদের কাউকে দেখতে না পেয়ে হতাশ হয়। তারপর দুয়েকটা মন্তব্য করে কেটে পড়ে। তাদের খাতায় বাকী দেয়া বলে কিছু থাকে না। পনের টাকা দাম চাইলে দশ টাকায় কেনা যায়। সে অভিজ্ঞতা এখন আর মিলছে না। মেয়েটার কৌতূহল কম কিংবা সন্ধ্যার অন্ধকারে বুঝতে পারে না এটা টিভির গাড়ি।
নিবেন? তাজা আছে।

কনফেশনের এই দুনিয়ায় কেউ কারো নয়!

কনফেশন ও সিক্রেট পেইজ গুলা নিয়ে এখন ফেসবুকে যে গজব চালু হয়েছে তা সমন্ধে আমি প্রথম জানি ১০-১১ দিন আগে সকাল বেলা হাটতে গিয়ে ছোট ভাই সাইফের মুখে শুনে। সে বলতেছে যে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের নানান পোলাপান কি সব কনফেশন পেইজ লিখতেছে তার বয়ান। সাত সকালে এই সব ফাউল প্যাচাল শুনতে আমার ইচ্ছা করে নাই। তাও যা বুঝলাম ওখানে ছেলে মেয়েরা কনফেশনের নামে একে অন্যের ক্রাশ ও প্রপোস করার ধান্দা করতেছে। আমি সাইফরে কইলাম তুমিও একটা পোস্ট দাও যে ' হে প্রিয় লম্বু তুমি আমার খুব ভালো বন্ধু। তুমি এয়ার কমোডরের ওই পাকিস্তান ক্যাডেট কলেজ ফেরত নসু হাওলাদারের চকলেট বয়কে ছাড়ো আমি তুমার প্রেমে হাবুডুবু'। সাইফ আমার কথায় হেসে বলে উঠলো শান্ত ভাই আপনার একটা প্রিয় গান আছে আমাকে আমার মতো থাকতে দাও তার একটা লাইন আছে যেটা ছিলো না ছিলো না সেটা না পাওয়াই থাক/ সব পেলে নষ্ট জীবন। আমার আর লম্বুরে দরকার নাই। একা একাই প্যারা খাই। আমি বললাম খাও একাই। কি আর করবা!

ব্লগ এবং ব্লগর ব্লগর

লিখতে তো বসলাম। মনে যে কত কথা, কত ক্ষোভ, রাগ, হতাশা, অস্থিরতা! কিন্তু সব কথা বলার মতো অবস্থা বোধ হয় এখন আর আমাদের নেই। অস্থিরতা, অনিশ্চয়তায় কাটছে আমার মতো অনেকেরই দিনকাল। দিন দিন বদলে যাওয়া মানুষ, পরিস্থিতি, সময় সবকিছু দেখে হতাশা বাড়ছে দিন দিন, খুবই ব্যর্থ মানুষ মনে হয় নিজেকে। টিভিতে তাকিয়ে দেখি, পত্রিকায় দেখি মানুষ মরছে, গুরুতর আহত হচ্ছে। এসব দেখে চোখে পানি আসে। আহারে আমার প্রিয় দেশ! এই দেশে এমন অস্থিরতা! কিছুই করতে পারি না বলে কি ভীষণ কষ্ট হয়! জানি সেটা আমাদের সবারই হয়।

কিছুদিন আগে সকালে ফেসবুকে ঢুকে দেখলাম ৩ জন ব্লগার আটক। তাদের একজন রাসেল ভাই। বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। যখন নিশ্চিত হলাম সত্যিই রাসেল ভাইকে আটক করা হয়েছে... স্তব্ধ হয়ে গেলাম। ব্লগে যারা আছে তারা সবাই জানে কি অসাধারণ এক মানুষ রাসেল ভাই! দুর্দান্ত এক লেখক। অসাধারণ এক মানুষ। তাকে কেন আটক থাকতে হবে? জানিনা কেন এমন হচ্ছে, আরো কি হবে! আমাদের কি স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকারটুকুও চলে যাচ্ছে!!!!

ওই দেখো, মানিকজোড় যায়

‘Long, long afterward, in an oak
I found the arrow, still unbroke;
And the song, from beginning to end,
I found again in the heart of a friend.’
―Henry Wadsworth Longfellow

১.
ভুলু বাঁশি বাজায় এবং টুলু পশুপাখি শিকার করে; শিকারী ও বংশীবাদক―দুই বন্ধু।
গাঁয়ের এক কোণায় দুই বন্ধুর দু’টো কুঁড়েঘর; মাটির দেয়াল, শনপাতায় ছাওয়া। দুর থেকে খুব সহজে চোখে পড়ে না―ঘন গাছপালার সবুজ আড়ালে ঘেরা। দু’জনের বয়স কাছাকাছি।

জরির স্বামী টুলু শিকারে যায় আর পরির স্বামী ভুলু বাঁশি নিয়ে বেরিয়ে পড়ে।
জরি ও পরি―হরি হর আত্মা; এক অপরকে পছন্দ করে ও ভালোবাসে। তারাও সই পাতায়; বিপদে আপদে পরস্পর কাছে এসে দাঁড়ায়।

সবাই কেনো সবাই হয়ে যায়!

কি নিয়ে লিখবো ভেবে পাচ্ছি না। লেখা দরকার ছিলো অনেক কিছু কিন্তু ইচ্ছা করেনা এই সব দিনলিপির কচলাকচলির একই জিনিস লেখার মুড থাকেনা সব সময় তাও লিখে বেড়াচ্ছি। কতো কিছু ঘটে চোখের সামনে কত নিদারুন এক্সপিরিয়েন্সের ভেতর দিয়ে দিন যাপন,তা নিয়ে যদি গল্প লিখতে পারতাম তাহলে হতো একটা কিছু। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে আমি মোটেও গল্প লিখতে পারি না। চেষ্টাও করি নি কখনো। আসলে গল্প লেখার একটা ভঙ্গি আছে সেইটাই আমার আসে না। আমার যেটা আছে সেটা হলো উপন্যাস লেখার চেষ্টা করার ক্ষমতা তা নিয়ে বিশেষ ভাবি নাই। কারন সাহিত্য টাহিত্য আসলে এতো সহজে আসার জিনিস না। দীর্ঘজীবনের পড়াশুনা, জীবনকে নিয়ে ভাবার দৃষ্টি ও পর্যবেক্ষন করা ক্ষমতা থাকতে হয় এবং তা প্রকাশের স্বকীয় ভঙ্গি থাকতে হয় সব কিছু ছাপিয়ে আসলে একটা জন্মগত প্রতিভা থাকতে হয় আমার তা কিছুই নেই। নিজেরে খুব নালায়েক মনে হয় যে প্রতিভাও নাই পরিশ্রমও করতে পারিনা। খালি পড়তে পারি তাও আলসেমী লাগে আর আড্ডাবাজিতে অলস দিন কাটাতে পারি। এর ভেতরে বর্ণ আবার বলছে জলের গান ব্যান্ডের গান গুলা নিয়ে পোস্ট দিতে। এ্যালবামটাই এখনো কিনতে পারলাম না। টাকা পয়সার টানাটানি। লিখবো কি করে?

অন্য কোথাও; অন্য কোনদিন, এইসব দিনরাত্রি.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]

একটা সকাল..
বৃষ্টিস্নাত;
স্নিগ্ধ হাওয়ায়,
নীল..।

একটা দুপুর..
তীব্র রোদে;
হাজার মুখোশ,
মন পুড়ে যায়..
তেপান্তরের,
পথ পানে ধায়..
ছিন্ন কায়া
ভিন্ন ছায়ায়;
মনের মানুষ
আপন মায়ায়,
পথ খুঁজে পথ
পথেই হারায়..।

একটা বিকাল..
ছন্নছাড়া;
গানের তালে,
এক পা দু পা -
হঠাত্ বুঝি;
আনমনা মন,
একলাটি গাঙচিল..।

এক দুটা রাত,
একলা ভীষন..
চোঁখ ধোয়া সব;
আলোর ভিড়েও,
আঁধার কথন..
ক্ষুদ্র প্রাণের;
আহ্বাণে সায়,
এক ফোঁটা জল..
বিসর্জনের মুক্তবায়ে,
আলোর মিছিল..
হারার পরেও;
জয়ের ছলে,
নতুন ভোরের ডাক..।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ