অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১২ জন অতিথি অনলাইন

টিকটিকি, তেলেপোকা ও মশার ঊপদ্রপ

কিছুদিন থেকে আমার শোভার ঘরে টিকটিকির উপস্থিতি লক্ষ্য করছি। প্রথম প্রথম এটাকে প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম মনে করেই তেমন গুরুত্ব দেইনি।কিন্তু দিনকে দিন তাদের অত্যাচার যেন বেড়েই চলছে। প্রথম দিকে সৃষ্টি কর্তার সৃষ্ট এমন সুন্দর প্রানীটির প্রতি আমার ভাল লাগা ও মায়া মমতার কোন কমতি ছিল বলে মনে করতে পারি না। আস্তে আস্তে তারা তাদের বংশ বৃদ্ধি করছে এটাও আমার নজর এড়ায় নি। আমি ভাবলাম তাতে আর এমন কি? প্রথম প্রথম তারা আমার ঘরের জানালা, ভেন্টিলেটর বা বাথরুমের বিড়াল ঘরে তাদের অবস্থান সীমাবদ্ধ রাখত । কালক্রমে মশারি, ওয়ার ড্রপ, বক্স টিভি স্ট্যান্ড, আলমারি এবং তাতে রক্ষিত কাপড় চোপর সর্বত্র অবাধ বিচরণ করতে আরম্ভ করল। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে টিকটিকির সাথে কিছু তেলাপোকার ঊপস্থিতি আমাকে একটু ভাবিয়ে তুলল। এরা আমার দামি দামি কাপড় চোপড় কাটতে কাগল, এমন কি ব্রিফ কেশে রাখা আমার কিছু স্পেশাল কাপড় যা কিনা বিদেশ থেকে আনা হয়েছিল তাও বাদ দেয়নি। আমার কেন জানি মনে হতে লাগল আল্লাহ ওদের আমাদের মত করে সৃষ্টি করেনি, আমাদের যা অবশ্য প্রয়োজনীয় তাই আমাদের ভোগ বিলাশ মনে করে মেনে নিতে পারছে না।

শাহাবাজ সাহেবের ঘটকালি

শাহাবাজ সাহেব আমার নতুন সহকর্মী।মাসখানেক আগে আমাদের সাথে জয়েন্ট করেছেন।নিস্পাপ চেহারার দারুণ স্মার্ট একটাছেলে।মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এম এস করা ছাত্র।কথায় কথায় হাসেন।কর্ম জীবনে নতুন হলেও একদুপুরে জানতে পারলাম তিনি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী।এই বয়সে তিনি সাত-সাতটি বিয়ের ঘটকালি করেছেন।অথাৎ তিনি একজন সফল(?)ঘটক।শুনে টাসকি খেয়ে গেলাম।এই ছেলে বলে কী?আমি এই বুড়ো বয়সে একটা ঘটকালি করতে গিয়ে কত নাকানি-চুবানি খাচ্ছি।আর শাহাবাজ সাহেব কিনা সাত-সাতটা ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেছেন(কোন এক বিখ্যাত দার্শনিক বলেছেন যিনি ঘটনা ঘটান তিনি হলেন ঘটক !)সব বিয়েতে তিনি খেয়ে-ধেয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুললেও বিপপ্তি ঘটল ৫ম বিয়েতে।সেবার পাত্রী ছিল শাহাবাজ সাহেবের বন্ধুর ছোট বোন।বন্ধুমানে একেবারে ঘনিষ্ট বন্ধু।স্কুল থেকে ভার্সিটি এক সাথে পড়ালেখা ।এক সাথে নাওয়া খাওয়া।একেবারে হরিহর আত্মা।দু’জনের বাড়ীও একই এলাকায়।উল্লেখ্য উনার বন্ধুটি ছিলেন হিন্দু ধর্মালম্বী।ঘটক সাহেব একদিন যথারীতি প্রস্তাব নিয়ে পাত্রীর বাড়ীতে হাজির হলেন।পাত্রও বেশ ভাল।একেবারে উপযুক্ত পাত্রীর উপযুক্ত পাত্র।সবাই খুশী।এদিকে ঘটক সাহেব এবং পাত্রীর পরিবা

কষ্ট কিম্বা হতাশা

কিছু করার নাই । মনটা খারাপ ।
ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আগাম ধারনা করার একটা শখ আমার মজ্জাগত। কাজেই আমি জানতাম আমি একটা বিপদে পরতে পারি। তাই, সত্যিই যখন বিপদ হতে চলল তখন আমি কিছুটা শুন্যতা টের পাই ।
নিরবে সময় কাটানো, আত্বকেন্দ্রিকতা ...কিছুই করার নেই । শুধু ভেবে যাওয়া এর পর কি করব।
(কিছুটা ভাবনা শেয়ার করার জন্যেই)

মানুষ অন্যের জন্য তখন এ এগিয়ে আশে যখন তার মন থাকে চিন্তামুক্ত । অর্থনৈতিক, পরপকার ব্যাপার টা পুরোটাই মানসিকতার ব্যাপার।

সিলেট কিম ব্রিজ এর নিচে যে লোক রিকশা ঠেলে তাকেও মাঝে মাঝে আমার একজন ডাক্তার থেকে বেশি সুখি মনে হয় (এইটা ব্যক্তিগত মত)। তাদের মন মানসিকতা অনেক সময়ই দেখি আমাদের থেকে অনেক এ মানবিক। ক্রমশ উন্নত জীবন যাপনের চেষ্টা আমাদের অনেকই যান্ত্রিক করে দেয়। আমরা তখন দেখতে পাই না চার দিকে কি হচ্ছে । হইত আমি ও তাদের কাতার এর ই একজন। তবে এক্ষেত্রে কিছু মানুষ এখন ও টিকে আছেন যারা নিজের অপারগতা স্বীকার করেন , অন্যের উপকার করা কে শ্রদ্ধা করেন , বিনা কারনে তেনা পেচান না , অন্যের খুত ধরে নিজের সংকীর্ণতা ঢাকতে চান না ।

একজন ডাক্তার এর হতাশা দিয়েই শেষ করি ...

ভীড় ঠেলে আয়, সামনে দাঁড়া!

সাভার বিপর্যয়ের পরে কত মানুষ কত ভাবে মাঠে নামলো, কত কাজে কতো ভাবে ঝাপিয়ে আত্মনিয়োগ করলো অথচ আমি কিছুই করতে পারলাম না। একে তো পকেটে টাকা নাই। তারপর আবার যাওয়ার ইচ্ছাও পেলাম না। এতো লাশ এতো মৃত্যু যে দেখতেই ভালো লাগে না। তাও মানুষ যাচ্ছে। দেলোয়ার সাহেবের মতো বাস ড্রাইভাররা বাস চালানো বাদ দিয়ে সারা দিন রাত সাভারে ছিলেন। কী একটা অবস্থা!

নিভৃত স্বপ্নচারী।

আমারও ছিল মনে
কেমনে ব্যাটা পেরেছে সেটা জানতে।
না নিভৃতস্বপ্নচারী আমি তোমাকে নয় আমার নিজকেই নিজে গালি দিচ্ছি। কেন আমি তোমার আগে এ প্রিয় নামটি আমার করে নিতে পারিনি। স্বপ্ন দেখতে যে আমিও ভালবাসি। তাই তো কবি গুরু যে বাণীতে জুতা আবিস্কার শেষ করেছিলেন। একি বানীর শুভ সুচনায় আমি আমার প্রিয় নামটি আবিস্কার করলাম।
কিন্তু এর অধিকার যে এখন শুধু তোমার। “আমরা বন্ধুর” রেজেষ্ট্রি অফিসে ডিজিটাল যুগে ডিজিটহীন মূল্যে তুমি যে তা নিজের করে নিয়েছ। কিন্তু তোমার সাথে আমার একটু পার্থক্য আছে, তা হল তুমি নিভৃতে স্বপ্ন দেখ, আমি নিভৃতে ও জেগে জেগেও স্বপ্ন দেখি। জেগে জেগে যা দেখি,বাস্তবে তা সফল হওয়া সম্ভব নয় তাই নিভৃতে ঘুমের ঘোরে তা পূরন করতে চাই।
কত রকমের স্বপ্ন, ছোট স্বপ্ন, বড় স্বপ্ন, লাল নীল,বা সাত রংগা স্বপ্ন। মুঠো মুঠো বা দুই হাত ১৮০ ডিগ্রী প্রসারিত অর্থাৎ দিগন্ত বিস্তৃত স্বপ্ন। একি তুমি হাসছ যে, আমার কথা শুনে, হাসবেই তো এভাবে কেঊ স্নপ্ন দেখে নাকি। কেঊ দেখে কি না জানিনা, তবে আমি দেখি না। আমি দেখি একটার পর একটা স্বপ্ন।

একজন সুইপারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা।

২০০২ সালের দিকে আমি কাজ করতাম কালুরঘাটস্হ রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলে।সেখানে ৩০/৩৫ বছরের বোকা-সোকা ধরনের একজন লোক কাজ করতো।তার নাম রাজু।রাজ বিহারী জলদাস(রাজু)।তত
তার সাথে আমার দারুণ ভাব ছিল।আমাদের ভাবের মূল কারণ আমরা দুজনেই একটু বেকুব(বোকা)টাইপের মানুষ।আমি কাজ করতাম যন্ত্রিক বিভাগে আর সে ছিল সুইপার মানে টয়লেট পরিস্কার
করতো।সেজন্য অনেকে আমাদের ভাবটাকে একটু বাঁকা চোখে দেখতো।সময়ে অসময়ে রাজু আমার কানের কাছে এসে ঘ্যান ঘ্যান করতো তাকে যেন আমি উপর থেকে নিচে নামিয়ে আনি অথাৎ
অফিসের টয়লেটগুলো ছিল দোতালায়।তার এই কাজ করতে ভাল লাগেনা।নাকে সব সময় গন্ধ লেগে থাকে।ঠিকমত খেতে পারেনা।তাছাড়া তার পূর্বপুরুষরা কেউ এই পেশায় ছিলনা।রাজুরা
বংশ পরিক্রমায় সবাই মৎস্যজীবি।আমি তাকে উল্টো প্রশ্ন করতাম তহলে এই লাইনে এলি কেন ? তার সোজা সাপ্টা জবাব পেটের দায়ে।আমি চুপ করে থাকতাম। রাজুকে আমি বোঝাতে
পারতামনা ছাপোষা একজন জুনিয়র অফিসারের পক্ষে একজন সুইপারকে প্রমোশন দিয়ে জেনারেল লেবার করার ক্ষমতা আমার নেই।

তুমিত্বের মাঝে আমিত্ব

বড় বেশী পাগলামী করি আমি....
অনেক ব্যাস্ততার মাঝেও তোমার কথা ভাবতে ভুলি না...
তোমাকে মেসেজ দিতে ভুলি না...
তোমার ছবি দেখতে ভুলি না...
তোমার খোজ নিতে ভুলি না...
আর তুমি একটু ব্যাস্ত হলেই এসব কিছুই করো না...
কারণ এখন তোমার অনেক ব্যাস্ততা...
তবে কি আমাক নিয়ে ভাবার সময়টুকুও নেই আজ তোমার..thumb_lonely-lost-sad-teddy-bear-woods-Favim.com-44395.jpg

সারা দিনের কথা গুলো জমিয়ে রাখি রাতে তোমাকে বলব বলে আর আমি রাতে যা বলি পরের দিন সকালে তোমার তা মনে থাকে না। সারা দিনের অবসাধ, ভালো লাগা, খারাপ লাগা সব তোমায় বলি আর তুমি সে গুলা ভুলে যাও। আমার কত কষ্ট লাগে বল তো।
এভাবে বার বার আমাকে কষ্ট না দিয়ে এক বারে তোমার জীবন থেকে ছুরে ফেলে দাও। সহ্যের সিমা তা আবার কবে ভেঙ্গে যায় আমার, তাহলে তোমাকে একা করে দিয়ে এক বারে চলে যাব।
পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো সম্পর্ক
হল সেটা -
যখন তুমি অপরজনের হাত ধর
এবং সে তোমার সাথে চলা শুরু
করে ,,
কিন্তু সে প্রশ্ন করেনা

মুক্তি দাও

শেষ যদি হয় সকল আশার রেখা,
বিদায় থাকে ধুলোর বুকে লেখা,
অপেক্ষা আর কূল খোঁজে না কোন-
হে সর্বময়, আকুল চাওয়া শোন-

পাষাণভারে হার মেনেছে যারা,
শক্তি-শোক আর শেষ-সম্বল-হারা,
ধুঁকছে যারা সেকেন্ড সেকেন্ড গুণে,
ক্লান্ত বড়, আশার বাণী শুনে,
বাতাস যাঁদের সহায় হয়ে আছে
নিজের ছাড়া আর কেউ নেই কাছে,

এই যদি হয়, অভেদ্য এই খাঁচা,
বন্দী কারো আর হবে না বাঁচা,
ওদের তবে মুক্ত কর, মুক্ত কর বায়ু,
কষ্ট থামুক, পর্দা পড়ুক, এইটুকু হোক আয়ু!

আর যদি হয় ভাগ্যে লেখা ওদের ফিরে আসা,
দাও ফিরিয়ে, আপনজনের আর ভেঙ্গো না আশা!
অপেক্ষাতে মা-ভাই-বোন, আর অসহায় জায়া,
জলহারা ঐ শুকনো চোখে পড়ুক চেনা ছায়া!
আবার ফিরুক জলের ধারা হাতদুটো যাক কেঁপে,
জীবন ফিরুক আপনজনের জলপ্রপাতে চেপে।

বাতাসে শুধুই লাশের গন্ধ

আজ কিছুতে যায় না
যায় না মনেরও ভার
আজ কিছুতে যায় না।
কবি গুরু তোমারও কি আমার মত
কখনও কখনও বিনা কারনে মন খারাপ হতো।
হয়ত বা হতও।
নইলে তুমি এ গান লিখবে কেন?
জান গুরু
আমার বিনা কারনে মন খারাপ হলে
আমি চাঁদের রাতে এক দৃষ্টিতে চাঁদের দিকে তাকিয়ে থাকি
খুজে ফিরি আমার কষ্টের কারন গুলো,
দু হাত দিগন্তে প্রসারিত করে
বা পড়নের লুংগি ভরে যতটউকু পারা যায় আলো ভরে নিতাম
কিন্তু তাতেও আমার মন কখনও ভাল হয়েছে মনে করতে পারি না।
আর যদি অন্ধকার রাত হতো
আমার খোজার পরিধি অনেক বেড়ে যেত।
কখনও তারা, কখন নিহারিকা
কখনও বা নাম না জানা যত নক্ষত্র আছে
তাদের কাছে আমি আমার ভাল না লাগার
কারন গুলো খুজে বেড়াতাম।
অন্ধকার রাতে ঝি ঝি পোকারা,
তাও কত রকমের ঝি ঝি পোকা,
বাঁশ ঝাড়ের আড়ালে আলো আধারিতে
কি যেন সব ছায়া ছায়া লাগত
আমার তা ভীষণ, ভীষন প্রিয়
আজও প্রিয়।
তাদের কাছেও
আমার ভাল না লাগার কারন গুলো খুজতাম।
কত ভুত প্রেতের গ্লপ শুনেছি,
অনেক সময় বেশী মন খারাপ হলে
ভাবতাম আহ ওসব যহি কিছু থেকেও থাকে,
অথবা পরী, বা আলাদীনের চেরাগের দৈত্য,
আমি তাদের কাছে কিছুই চাইব না।
বলব

সময় মত টান

কতই খেলা জানরে মওলা
কতই খেলা জান
বিনি সুতায় ছাইড়া দিয়া
সময় মত টান রে মওলা
সময় মত টান।

কত সুন্দর বাড়ী আমার
কত সুন্দর গাড়ি
টাকা কামাই কাড়ি কাড়ি
ঘরে সুন্দর নারী
ভোগ বিলাসে আছি মজে-২
তোমায় স্বরি কি কখনও।
বিনি সুতায় ছাইড়া দিয়া
সময় মত টান রে মওলা
সময় মত টান।

বন্ধু বান্ধব ছেলে মেয়ে
সময় কাটাই নেচে গেয়ে
ভোগ বিলাসে মত্ত থাকি-২
নতুন নতুন স্বপ্ন আঁকি।
যেতে হবে সকল ছেড়ে
মন মানে কি কখনও
বিনি সুতায় ছাইড়া দিয়া
সময় মত টান রে মওলা
সময় মত টান।
২৬/০৪/২০১৩ইং

গ্লানি আমায় ক্ষমা করো প্রভু

গ্লানি আমায় ক্ষমা করো প্রভু
কর্মক্ষেত্রে মারা পড়ি কভু।
. . . এই যে মাতার কত আশা
. . . রুজি করে খাওয়াবে ছোড়া
. . . এই মেয়েটা চালাতে সংসার গেল মারা
. . . সেই দীনতা ক্ষমা করো
. . . . . . ক্ষমা করো প্রভু।
এই বেদনা ক্ষমা করো প্রভু
ভাতের দিকে তাকাই যদি কভু।
. . . ক্ষুধার জ্বালায় রুজির তাড়ায়
. . . যায় যদি গার্মেন্টস পাড়ায়
. . . সেই দীনতা ক্ষমা করো
. . . . . . ক্ষমা করো প্রভু।

glani amay kxoma koro.jpg
পরষ্পর বিপরীত দুই তথ্য
[২য় ছবিটি তুলেছেনঃ তসলিমা আকতার]

কাকে বলি ওগো মৃত্যু থামাও ? মরে যাওয়া বুকে এনে দাও প্রান!

অন্য সবার মতোই মন মেজাজ অত্যন্ত ভারাক্রান্ত। অবশ্য নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না সবাই ভারাক্রান্ত কিনা? কারন রাস্তা ঘাটে পাড়া মহল্লায় লোকজন টিভিতে যে মর্মান্তিক সাভার পরিনতি খেতে খেতে কিংবা হাসতে হাসতে উপভোগ করছে তা দেখে অবাক হই। হোস্টেল মুভির যেরকম নারকীয় সব সিন মানুষ ইন্টারটেইনমেন্ট হিসেবে মজা নেয় লোকজন হয়তো সেভাবেই ব্যাপারটাকে ইঞ্জয় করছে। তবে কোনো বিবরনেই সাভারের এই জঘন্য গনহত্যার লাইভ দেখা আমার জন্যে টলারেট করা সম্ভব না। লাকিলি বাসায় টিভি নাই ছয় সাত মাস ধরে।

দ্বিতীয় ট্র্যাজেডি কি হব তাহলে আমরা রানা প্লাজার অনুরুপ ???

936967_536823989702960_973641915_n.jpg

সিলেটের লিডিং ইউনিভার্সিটিতে আমি অনেক দিন ধরে অধ্যয়নরত । এই ভার্সিটি সিলেটের প্রথম প্রাইভেট ইউনিভারসিটি হিসেবে পরিচিত । নিজেদের যোগ্যতা তা দ্বারা আমাদের এই ভার্সিটি এখন সিলেটের অন্যতম নামকরা একটি প্রাইভেট বিশ্ব বিদ্যালয় । প্রতি বছরই এখানে প্রায় হাজার খানেক স্টুডেন্ট ভর্তি হয় । বিশেষত বিবিএ ডিপার্টমেন্টে । কিন্তু অনেক দুঃখের সাথে লিখতে হচ্ছে যে । সাভারের রানা প্লাজার মত আমাদের এই ভার্সিটির বিল্ডিঙের মধ্যেয় রয়েছে অনেক ফাটল । এখানে উল্লেক্ষ আমাদের এই ভার্সিটি মধুবন নামে একটি মার্কেটের উপর অবস্থিত । সেই মার্কেটের বিভিন্ন অংশেই রয়েছে ফাটল । সম্প্রতি সিলেটে ঘটে যাওয়া ভুমিকম্পে এই ফাটল বেড়েছে । এখানে বলে চলে প্রতিনিয়ত এই মার্কেটের ভিতরে প্রায় ২৫০০ থেকে ৩৫০০ মানুষ চলাচল করে ।

অধর চন্দ্র সাহা

অধর চন্দ্র সাহা,
জানিনা স্কুলটি
আপনি নিজে না আপনার স্বজনেরা
আপনার নামে প্রতিষ্ঠা করেছিল।
আমি এও জানিনা আপনি জীবিত না মৃত।
কোনদিন জানতাম না এটাই স্বাভাবিক
আমি কেন আপনার এলাকার ক্ষুদ্র গণ্ডি
পেরিয়ে কেঊ আপনার নাম জানতো কি?
অথচ আজ সাড়া দেশ কেন? সাড়া পৃথিবী
আপনাকে এক নামে চেনে
আপনার নামে প্রতিষ্ঠা পাওয়া স্কুলটিকে চেনে।
আপনি জিবিত বা মৃত যাই হউন না কেন
আপনার কাঁধে যে এ পর্যন্ত ৩১০ সন্তানের লাশ।
লাশ, না না, লাশও তো নয়,
ছিন্ন ভিন্ন, রক্তাক্ত মাংস পিণ্ড।

রক্তাক্ত মাংস পিণ্ড গুলো নিয়ে
ঊচ্চ শব্দে সাইরেন বাজিয়ে এক একটি
এম্বোলেন্স যখন আসছিল আর ঘাড়ে তুলে দিচ্ছিল
আপনার শত ছিন্ন, মাংস পিন্ড স্ম লাশ
আপনার কি বলার সামর্থ আছে,
আপনার অনুভুতি।

হাঁ হাঁ আমি পাগল, একজন পিতাকে
এ উদ্ভুট প্রশ্ন তো একজন পাগলেই
করতে পারে।
আপনি পিতা আপনার কষ্ট হয় আমার হয়না।
যখন আমার চোখের সামনে
আমার ভাই মরে
আমি কিছু করতে পারি না।
আমার বোনে চিৎকার করে বলে
ভাইয়া আমার হাতটা কেটে ফেল
তবুও আমাকে বাচাও।
নিজ হাতে ভাইয়ের পা কেটেচ্ছি,
হাঁ হাঁ একটুও আমার হাত কাঁপেনি।

আসুন না দেখি আমরা সচেতন হতে পারি কি না? দেশটা যে আমাদের

আসুন না দেখি আমরা সচেতন হতে পারি কি না?
দেশটা যে আমাদের
আমাদের ঊপজেলায় একজন ছাত্রনেতা যার নাম চলন। আমায়িক ভদ্র ও সজ্জন একটি ছেলে। তার বাবা মা দুজনই শিক্ষকতার মত মহান পেশায় জীবিকা অর্জন করেছেন।
তার নাম চলন হবার পিছনে যতটুকু জানি তার নানা বাড়ি আক্কেলপুর। তখনকার দিনে বাস যোগাযোগ তেমন ছিল না। ট্রেন যোগাযোগই ছিল একমাত্র মাধ্যম। তার মা ট্রেনে তার নানা বাড়ি যাচ্ছিল। আর চলতি পথে ট্রেনেই তার জন্ম হয়। সেই স্মৃতিকে মা বাবা স্বরর্ণীয় করে রাখার জন্যই তার নাম রাখেন চলন। অনেকে আদর করে ডাকে চলন্ত।
গতকাল বীভৎস ঊদ্ধার অভিযানের দৃশ্য দেখতে দেখতে হঠাৎ একটি খবর এত বেশী কষ্ট দেয় তা ভাষায় প্রকাশ করার ক্ষমতা আমার নেই। একজন মা এ ধ্বংস স্তূপের মাঝেও একটি সন্তান প্রসব করেছেন। হয়তবা সেই মা দুর্ঘটনার ভয়াবহতায় অসময়ে সন্তান প্রসব করেছেন। অথবা সে তার অনাগত সন্তানের সম্ভাব্য ডেলিভারির খবর জানার পরও সেই সন্তানের মুখের আহার সংগ্রহের উপাত্তে বাধ্য হয়ে কাজে যোগ দিতে এসেছিলেন। এখন পর্যন্ত আমি জানি না সেই মা ও নব জাতককে জীবিত বা মৃত ঊদ্ধার করা গেছে কি না।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ