অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৯ জন অতিথি অনলাইন

“ প্রতিনিধি – স্বল্পজ্ঞান প্রজন্ম ” – পরিচিতি ও প্রারম্ভিক সাফাই

উপরোক্ত শিরোনামধারী আমি ভবঘুরে রানা । কারো কারো কাছে লেখাটি বিরক্তিকর ও অযাচিত মনে হতে পারে, মনে হতে পারে অযথাই কালক্ষেপন, কারন আমরা বাস করছি “ ব্রেকিং নিউজ ” এর যুগে ।।মনযোগ ব্রেক করতে পারে এমন সব পিলে চমকানো, ভয়াবহ, রঙ্গীন, বিচিত্র ও রসালো খবর এর প্রতীক্ষায় থাকি সারাক্ষন, এলেবেলে কিছু কথা দু-এক লাইন স্বরচিত কবিতা এসব নিতান্তই বিরক্তিকর - তথাপি আমি আমার ব্যাপারে কিছুটা ধারনা দেবার ইচ্ছা সংবরন করতে পারলাম না l আমি মুলতঃ ডায়েরীর পাতায় আত্মকথন প্রকাশ হিসাবেই লিখে যাব ।l
শুরুতেই আমি পারি না এমন কিছু কাজের কথা বলে নেয়া জরুরী – পারিনা লেখালেখি অভ্যাস নেই বলে, পারিনা কম্পিউটার ঠিকমত চালাতে (এখনো ব্লগ দিয়ে ইন্টারনেট চালানোর মত জ্ঞানে সীমাবদ্ব), পারিনা অনেক কিছু এড়িয়ে যেতে, পারিনা আবেগ সংযত করতে এবং সর্বোপরি মিথ্যাচার দেখে চুপ থাকতে। l
ব্লগ সম্বন্ধে আমার যাবতীয় জ্ঞান অর্জনের সুচনা ২০১৩ এর এপ্রিলে ।এখনো আমি এই জগত সম্বন্ধে চলনসই ধারনা অর্জন করে উঠতে পারিনি, যা হোক তবুও শুরু করলাম পথচলা ।

অবরুদ্ধ কণ্ঠ- ১

৬ বছরের বাংলা ব্লগ এখনও অপূর্ণাঙ্গ এবং পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে। কমিউনিটি ব্লগিং (মতামত, দর্শন, পর্যবেক্ষণ, সাহিত্য) বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। বিটিআরসি পরিসংখ্যান মতে জনসংখ্যার ৭.১% মানুষের ইন্টারনেট সুবিধা আছে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর খুব ছোট অংশ ব্লগিং এ অংশগ্রহণ করে। বিশেষ করে যাদের লিখার এবং পড়ার অভ্যাস আছে শুধুমাত্র তারা ই ব্লগ সাইট গুলতে ঢুকে।অনলাইন এবং অফলাইন এ যোগাযোগের একটা মডেল দাড় করিয়েছেন শরত চৌধুরী। সেই মডেলটি নিচে দেয়া হল।

জ্বরাবাহন

জ্বর আনানোর কঠিন ব্রত, রৌদ্রে বেগুন পোড়া,
কিংবা রসুন বগল চেপে চৌপর দিন ঘোরা,
কিংবা জ্বরে সটান যিনি তাঁর শিয়রের কাছে,
জ্বর বাগানো সরল এখন, অন্য উপায় আছে-

দুই বছরের জঞ্জালে বেশ ধুলোয় মাখা দিন,
"এচ্ছো!" কেবল, "এচ্ছো!" আবার, পারলে বিরামহীন,
ক্লান্ত চোয়াল ঝনঝনানী মাথায় করে পার,
একটু যদি তর্ক চলে চাইনে কিছু আর,

ঠান্ডা পানির গোসল তাতে সঙ্গ দেবে সুখে,
সাফল্যেরই লালচে আভা পড়বে চোখে মুখে,
"জ্বর ছাড়ানোর উপায় কোথা?", শুধাও যদি এসে,
"বদ্যি ডাকো, বা কবিরাজ!", কইব মলিন হেসে!!

আমার স্বপ্নপূরণ- আমার ছোট্ট রিয়াসা !

মানুষ মাত্রই স্বপ্ন দেখে, আমি সব সময়ই চাইতাম- আমাদের একটা মেয়ে হবে। সে হাসবে, খেলবে, সারা ঘরময় ছুটে বেড়াবে! একসময় আমার সেই স্বপ্ন সত্যি হল। আমার মেয়ে এখন সারাক্ষণই ঘরকে মাতিয়ে রাখে। সারা ঘরময় ওর ছুটে বেড়ানো, পাকা পাকা কথা বলা, দুষ্টুমি, মান-অভিমান আমাদেরকে এক ভিন্ন আবেশে জড়িয়ে রাখে, ও চুপ করে থাকলেই বরং ভাল লাগে না !

Riasha Photo for amar blog_0.jpg

নিভৃত স্বপ্নচারী-২

পড়ন্ত বিকেল,
দিগন্তে প্রসারিত খোলা মাঠ
সমুখে তাকাই,রৌদ্রকর রৌদ্রহীন হয়ে
কোথায় যেন হাঁড়িয়ে যাচ্ছে।

অথবা শরতের শেষ বিকেল
মেঘহীন ঊত্তরাকাশে তাকিয়ে
ঊদ্ধত শিরে দন্ডায়মান হিমালয়ে
ধাক্কা খাওয়া শ্বেত শুভ্র মেঘ
দেখতাম,
আর হাজারও রকম ভাবনা
মস্তিষ্কে কিলবিল, কিলবিল করত
কিন্তু বর্ণের চ্ছটায় কখনও তা
স্থান পায়নি কাগজে।
কিন্তু মনটা যে হতো নিস্কুলুষ
সেই সে শ্বেত শুভ্র মেঘের মত।

যেদিন থেকে শহুরে মানুষ
সুঊচ্চ দালান কোঠার ভীরে
হাঁড়িয়ে ফেলেছি সব।
তাই এত টাকা কড়ির মাঝেও
মনটা হয়না কখনোও
শ্বেত শুভ্র নিস্কুলুষ।

হে নিভৃত স্বপ্নচারী
তোমার প্রোফাইল
আমাকে ফিরিয়ে দিল
দুরন্ত সে কৌশোরের স্মৃতি।
আমি কয়টা তোমাকে লিখি
আমার তা সাধ্যের বাহিরে।
তোমাকে কি দিব বিনিময়
তাও তো জানি না।
তাও দিলাম মুল্যহীন,
অমুল্য ভাললাগার মুল্যটুকু
উপহার।
আর চাইলাম,
বলনা কি দেখছ সুদুরে,
ঐ দিগন্তে।
০২/০৫/২০১৩ইং

মায়া কবিতা মায়া

রোজ একবার মনে হয়
জীবনটা একটা আধখানা ঢেউ
কবিতার কাগজ ভাঙ্গে … ভাসে…ঢেলে দেয়
নির্মাল্য জল ৷
সেই জলের কোলে কবিতার মানসী ঘুমায় ৷

কবিতা তোমার জন্য মরে যাই ৷
কবিতা তোমার জন্য ভেসে যাই ৷
কবিতা তোমার জন্য হেরে যাই ৷

হেরে আবার বাঁচার জন্য চেয়ে থাকি উদোম
আকাশের দিকে৷
সূর্যের দিকে চেয়ে চাঁদ খুঁজি
চাঁদের কাছে দাঁড়িয়ে তারা ছুঁয়ে আসি ৷
হাত চলে যায় হাতের উপরে
ঠোঁট ছুঁয়ে নামে প্রেম…চিরবুকে শুধু
জেগে থাকে একান্ন ঘুম
মায়া কবিতা মায়া
সেঁধে নিয়ে যাও এই উদোম শরীর
বাদবাকি সব নিঃঝুম ৷

সারারাত
টেবিলে পড়ে আছে সবুজ খাম ৷
খামের ভেতরে কবিতা মাঝরাত
খামের ত্রিকোনা বন্ধনী ধুয়ে যায়
কুয়াশায়
খুলে যায় সেই গোলাপী কাগজ…
বেরিয়ে পড়ে কবিতা আমার ৷
টুপটাপ টুপটাপ ঝরে পড়ে শব্দের
আগ্নেয়গিরি
উত্তাপ আর উত্তাপ …বিন্দু বিন্দু হাহাকার
শেষে কবিতা আমার নিজের ধরনে সাজে ..
চুমু খায় পুরুষ শব্দ সন্ভার ৷

শেষে রাতশেষে সুখনিদ্রা এসে যায় ৷
পড়ে থকে শব্দ পুরূষ…কমলিত কলম ৷

আমর কবিতা নিঃশ্চিন্ত ঘুমায় ৷

মে দিবস মেজাজ খারাপের দিবস

মে দিবস আসলেই আমার শুধু ফকির আলমগীরের গানটার কথা মনে পড়ে। গানটার শিরোনাম ছিলো সম্ভবত নাম তার ছিলো জন হেনরী। কলকাতাতেও এক শিল্পী গান টা দারুন গায়। গানটা লিরিক তো না যেনো একটা রচনা। সেই রচনা আর শব্দে ভরপুর গানটা আমি আমার বন্ধু ফখরুদ্দিনকে বলছিলাম এক দিন সময় দিলাম গানটা পুরাটা মুখস্থ করে শুনাবি ১০০ টাকা পাবি। সে একদিনে পারে নাই তিন চার দিন লাগায়ছিলো। মুখস্থ করে গাওয়ার সময় আটকে গেছিলো। তাও তাকে ১০০ টাকা দিছি। কারন এই গান মুখস্থ করে গাওয়া সহজ কাজ না। তাই এই দিনটাতে আমার এই গানটার কথাই মনে পড়ে। সেই কবে কোন রেল সুরঙ্গ খোদাই শ্রমিক হেনরীর দুর্ভাগ্যময় মেশিনকে হারিয়ে দেবার জেদের সাথে বাংলাদেশের লাখো লাখো শ্রমিকের জীবনের সাথে মিলে যায় এমনিতেই । বাংলাদেশের যেকোনো কল কারখানা বা প্রতিস্টানের শ্রমিকের জীবন কতও নির্মানবিক দিন যাপন তা বুঝার সাধ্য আমাদের নাই। কারন শ্রেনী দৃষ্টিভংগী একটা বড় ব্যাপার। আমি আপনে সারাজীবন শ্রমিকদের সাইডে থেকে আহাজারি করতে পারি কিন্তু কোনো দিন বুঝবো না গতর খাটা এই সব মানুষদের অজস্র টানাপড়েনের ইতিহাস। তাই আমি মে দিবসে একদিনের জন্য শ্রমিকদের মহান বানাই না। কারন মহান জীবনে এতো ক

হেলিকপ্টার

হেলিকপ্টার :
হেলিকপ্টার একটি রহস্যময় যান। ইহা ব্যাবহার করিয়া খুবই স্বল্প সময়ে একস্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করা যায়। ইহার ব্যাবহার বাংলাদেশে বহুবিধ।

মুল্য :
একটি ব্যাটারী চালিত হেলিকপ্টারের মূল্য ১৫০০ - ২০০০ টাকা। ইহাকে অতি সহজেই রিমোট কন্ট্রোল ব্যাবস্থার সাহায্যে শূন্যে ওড়ানো যায়। তবে একটি সত্যিকারের হেলিকপ্টারের মূল্য অনেক। ইহা ক্রয়করা সকলের পক্ষে সম্ভব নহে।

ব্যাবহার :
ইহা ব্যাবহার করিয়া সাধারনত আইন শৃঙ্খলা বাহিনী শূন্যে থেকে পরিস্থিতি অবলোকন করে। তবে মাঝে মাঝে বড় অপরাধী বহনের ক্ষেত্রেও হেলিকপ্টারের ব্যাবহার পরিলক্ষিত হয়। তবে এই সকল কাজে ইহার ব্যাবহার অনেকেরই অপছন্দ; তাহারা হেলিকপ্টারের যত্রতত্র ব্যাবহারকে জামাই আদর বলিয়া থাকে।

যাতায়াত খরচ:
যেহেতু হেলিকপ্টার খুবই আরামদায়ক বাহন তাই ইহার যাতায়াত খরচ ও অত্যাধিক। সাধারনত জামাইগন ইহাতে চাপিয়া শশুর বাড়ি যায়। যেমন আমাদের সুপারস্টার এ জে অর্থাত অনন্ত জলিল। উনি ইহাতে চড়িয়া তাহার শশুর বাড়ি বেড়াইতে গিয়েছিলেন। তিনি একজন সি আই পি তাই তিনি এই খরচ বহনে সক্ষম।

আরশোলা জন্ম

অবিন্যস্ত শরীর খুঁজে নেয় কবর অন্ধকারে ঠাঁই
নড়ে চড়ে কেঁপে উঠে
তৃষ্ণায় দগ্ধিত দেহ প্রাণ
মৃত আত্মার গোঙানী ধীরলয়ে মায়।

ওখানে প্রাণের স্পন্দন কি ছিল কখনো?
চোখে পড়ার মত কি কিঞ্চিত লাবণ্য?

ওখানে জন্মেছিল ক্ষুৎ-কর্মী বিদঘুটে বড় বিপন্ন আরশোলা কতক
কাছে এলেই মৃত্যু উড়ে আসে তারা - বিরতীহীন কর্ম-বিভা
অন্ধ অবচেতনে খায় খাবার ক্ষুদে ক্ষুদে খুটে খুটে নীরব
বড় বিচ্ছিরি তাদের দেখাতো বিচ্ছিরি তাদের ভাষ্য ও ব্যাকরণ

তারা না মেরে মরে -
আগুণ লেলিহানে
প্রকান্ড প্রস্তর খন্ডে।।

শাহীনা

মরণ শব্দটা জীবনের সাথে জুড়ে দিলো কে
শাহীনা তুমি যে নও
এ সত্য উচ্চারণে দ্বিধাগ্রস্থ কি

কান্না যদি জীবনের সুর তুলে
তবে মৃত্যুতে ব্যথিত কেন বলো
নিদারুণ সব কান্নাকে স্পর্শ করেছো শাহীনা
তুমি জেগে গেছো জেগে গেছো জেগে গেছো।।

পা বাড়িয়েছি

আমি পুরণো সেই নিশাচর নগ্ন পথে
পা বাড়িয়েছি,বন্ধু তুমি কী পারবে ফেরাতে-
পূর্বের ন্যায় আমাকে ফেরাতে
মিথ্যে ভালবেসে?
আমি আবার পা বাড়িয়েছি ভুলে,
দেবী তুমি কী পারবে ফেরাতে
অতীতের ন্যায় ছলে
মধুর কথা বলে?
পা বাড়িয়েছি নির্জণে ,মধ্যরাতে,
পাবে কী আমায় খুঁজে
পেছন থেকে রাখবে কী হাতে হাত
সেই সে প্রভাতে?
পা বাড়িয়েছি এবার,পরপারে যাবার
সঙ্গী হবে কী বন্ধু তুমি
সঙ্গী হবে কী আমার
যেমন ছিলাম তোমার?
আমি রিক্ত সিক্ত হয়ে বেড়িয়েছি ঘর হতে,
জানি পেয়ে যাব তোমায় আমি
নিশাচরের নগ্ন নির্জন পথে
ঠিক তোমারই সাথে।

পলেস্তারায় জমে থাকা নাকফুলের শোকগাথা...

ভাঙাচোরা টিফিন ক্যারিয়ার,
মানুষ,
চোখের জল
সবাই মিলেছে এক মোহনায়...

প্রেয়সীর বুকে মাথা রেখে
নিশ্চিত নিশ্চিন্ত মৃত্যুর ভয়াবহতা
কিংবা
নুপুর পড়া একটা পায়ের আহাজারী...

দানবের দল
পাঁচতারা হোটেলে লিখে রাখে নিহতের তালিকা
এবং ক্ষতিপূরণ।

আর
খসে পড়া বিবিধ পলেস্তারায় জমে থাকে নাকফুলের শোকগাথা।

__________________________________________________________
অক্ষমের সামান্য উৎসর্গঃ- সাভারে রানা প্লাজা ধ্বসে আহত, নিহত এবং নিখোঁজ সকল ভাইবোন।
__________________________________________________________
দুইটি পেজ সর্বান্তকরণে চেষ্টা করে যাচ্ছে সাভারের ঘটনায় নিহত, আহত, নিখোঁজ মানুষগুলো এবং তাদের পরিবারের একটি সম্পূর্ণ তালিকা তৈরী করার। আসুন আমরা তাদের সাধ্যমত সাহায্য করি...

Savar Tragedy Victims Monitoring Program

Call For Duty Bangladesh

শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা তো শুধু আস্তিক নাস্তিকের প্রধান মন্ত্রী নন। তিনি বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী। সবাই তার কাছে সমান। আর কে আস্তিক কে নাস্তিক সে তো শুধু আল্লাই জানেন। কেঊ কি কারও অন্তর ছেদন করে দেখেছেন কে আস্তিক বা কে নাস্তিক। কেঊ নাস্তিক হলে আল্লাহ তায়ালাই তাকে শাস্তি দিবেন।
আল্লাহ তো তার রহমত হতে কাঊকে বঞ্চিত করেন না।আমি আপনি বঞ্চিত করার কে? তাই যদি হত তবে চীন, জাপান ও সাড়া পৃথিবীতে যে সকল নাস্তিক আছে তাদেরকে তো আল্লাহ সহসাই শেষ করতে পারেন।
ওয়াসিয়া কুরশিয়ুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বি, ওয়ালা ইয়া ঊদুহু হিফজুহুমা অয়া হুয়াল আলিয়্যূল আযীম। (আয়াতুল কুরসীর অংশ বিশেষ)
অর্থঃ তাঁর সিংহাসন আকাশ ও জমীনকে বেষ্টন করে আছে, সাড়া পৃথিবীর সব কিছু সংরক্ষণ করা তার পক্ষে কঠিন নয়। তিনি সর্বোচ্চ ও সর্বাপেক্ষা মহান।
৩০/০৪/২০১৩ইং

নীল শিয়ালের কাহিনী

আমরা সকলেই নীল শিয়ালের কাহিনী জানি। আমার বন্ধু লতু কানাডা প্রবাসী যার সাথে গতকাল অফিসের ফাঁকেও বলতে গেলে অর্ধ দিন ফেবুতে গেজাইছি। সাথে বরাবরের মত চাটনি হিসেবে নর্থ সাঊথ বিশবিদ্যালয়ের শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় বন্ধু ইকবাল। সত্যি কথা হলও কোন মজাদার আড্ডার সূভ সুচনাটা সকল সময় ইকবালুর রহমান রোকনেই করে থাকে। কালও তাই হয়েছিল। ওর চাটনি সদৃশ পিনচিং ফেবালুচনাকে মধুময় করে তোলেছিল যা বাসায় ফিরে কম্পিঊটার খোলার পড়ও রেশ পেয়েছি। বাকি জীবনটা যেন আল্লাহ তায়ালা এভাবেই কাটিয়ে নেন তাই কামনা করি।
গতকাল ফেবুতে লতুর সঙগৃহীত পোষ্টে আমি কড়া কমেন্টস করেছিলাম আর ভাবছিলাম এই বুজি লতু তাঁর লম্বা লম্বা হাত নিয়ে আমার উপর ঝাপায় পড়ল। অনেক রাত জেগেও ছিলাম। কিন্তু না ও এলো না। মনটা বিস্বাদে ভরে গেল। কি আর করি বিষন্ন মন নিয়েই ঘুমুতে গেলাম। মনটা বিষণ্ণ হলেও অনেক খুশি হয়েছি। ইকবালই আমাকে শিখিয়ে ছিল তুই লিখে যা, অনেক সময় অনেক বাজে মন্তব্য আসবে। কখনও রাগবি না। রাগলে লিখতে পারবি না। লতুর এ গুনের গভীরতা আজও জানিনা। তবে তা অনেক ...।

রানী যায় রাজা আসে

আজকে ৩০শে এপ্রিল ২০১৩তে সরকারীভাবে নেদারল্যান্ডসের রানীর রাজত্ব শেষ হয়ে আবার রাজার রাজত্ব শুরু হলো। ৩০শে এপ্রিল “কুইন্সডে” হলেও এটা রানী বিয়াট্রিক্সের জন্মদিন ছিল না। তাঁর জন্মদিন ছিল ৩১শে জানুয়ারী। ৩০শে এপ্রিল ছিল তার মা রানী জুলিয়ানার জন্মদিন। কিন্তু ৩১শে জানুয়ারী যেহেতু আবহাওয়া খারাপ থাকে, জনগন আনন্দ উৎসব করতে পারে না আর ৩০শে এপ্রিল সাধারণত একটু আবহাওয়া ভাল থাকে, চারদিকে ফুল আর পাখির গান তাই সর্বসম্মতিক্রমে বিয়াট্রিক্সের মায়ের জন্মদিনই এতোদিন কুইন্সডে হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। তবে নতুন রাজা উইলাম আলেকজান্ডার এর জন্মদিন ২৭শে এপ্রিল, তাই আশাকরি কিংসডে পালন করতে বেশি অসুবিধা হবে না। রানী বিয়াট্রিক্স অনেক জনপ্রিয় ছিলেন কারণ তিনি বেশি রয়ালিটি মানতেন না। তাকে প্রায় এদিকে ওদিকে জীন্স পরা অবস্থায় সাইকেল চালাতে দেখতে পাওয়া যেতো। খুব বেশি বডিগার্ড সিকিওরিটি এগুলোর ধার ধারতেন না।

এপিটাফ.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]

নিস্তব্ধতার নিঃস্ব দিনলিপি,
যখন নৈঃশব্দের গান গায়।
চেনা সুসময়ও,
তখন অচেনা অসময় মনে হয়;
নিমেষেই।

নেহাতই অসতর্কতায়,
তখন দেখেছি -

পাজরের অন্ধকার কারাগারে,
নেই বিন্দুমাত্র সূর্যের দিন।
খুঁজে না খুঁজে;
পেয়েছি কেবলই,
গাঢ় মহা অকালের লাল।

অনিচ্ছার ফাঁকা আওয়াজ,
যখন কুড়ে কুড়ে খায় -
ফাঁপা বুলির আস্তাকুড়ে;
ধ্বসে পড়ে আশার ইমারত।

তখন শুনেছি,
অমরত্বের আত্মপ্রলয়ে;
নিহত ভালোবাসার স্পন্দন।

তেপান্তরের মাঠ জুড়ে,
বৃষ্টিবিদায়।
অন্ধ আলোয়,
নিরব স্নানে হারায়;
নিয়ন ঝিকিমিকি রাত।

মর্মরের আদর আচ্ছাদনে;
ঢাকা থাক,
অন্তঃদৃষ্টির পরশপাথর -
মেঘলা মনের ডাক।

সুপ্রিয় শব্দপুঞ্জগুলো;
নিরর্থক
নিহত হবার পর,
নিরবতা বুক চেপে ধরে যখন -

তখন জেনেছি,
কিছুই বলার থাকে না আর।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ