অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১ জন সদস্য ও ২০ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

নাম বিভ্রাট

আমাদের বাসায় এক বুয়া কাজ করত, আমরা ডাকতাম বুবু, মা ডাকত জানেহারের মা বা সুলতানের মা। বিশ বছরেরও বেশি সে কাজ করেছে আমাদের বাসায় (গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ডে নাম ওঠার কথা!)। আমাদের ওপর সমানে খবরদারি করত, আমরা বলতাম মায়ের পিএস। এখন অনেক বয়স তার, তবে মাঝে মধ্যেই বাসায় আসে, আমাদের খোঁজ নেয়, সারাদিন থেকে মায়ের সাথে গল্প করে চলে যায়। এটা ২০০৪ সালের কথা। তখন আমি যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানার বল স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছি। খবর পেয়ে সে এসেছে দেখা করতে। আমি বাসায় নেই। মাকে জিজ্ঞেস করছে,
......
আম্মা, ভাই নাকি বিদেশ যাছে? কতি?

আমেরিকা

আমেরিকায় কতি? বুশের বাড়ির কাছে নাখি? বুশকে মাইরতে পাইরবে না? (তার নাতির নাম আবার সাদ্দাম)

এবার আমার ছোট বোন লুম্বিনী বলছে যে,

না, দাদা যাবে ইন্ডিয়ানা, বুশের বাড়ির থেকে অনেক দূরে।

প্রণয়প্রপাত / মুহাম্মাদ আমানুল্লাহ

শব্দের জরায়ু ছিড়ে মিশে যায় রাত,
নদীর দু’তীর ভাঙ্গে নায়েগ্রা প্রপাত।
ত্রিভুজ বিদীর্ণ করে লাঙ্গলের ফণা-
অধীর আদম বুনে আনাজের কণা।

সমুদ্র ভেলায় ভাসে লখিন্দর ; ভাঙ্গে ঢেউ উপকূল মহুয়ার বন,
ধুশর মাঘের রাত- প্রণয় শিখায় পুড়ে কামরাঙ্গা বেহুলার মন।

১৩.০৩.২০১২ইং
চট্টগ্রাম।

সেই পাহাড় আর নদীর গল্পটি

টিক টিক টিক টিক শব্দ ছাড়া ঘরে আর কোন শব্দ নেই এই মুর্হূতে। সারা বাড়িটাকে একটা মৃত্যু শীতল নীরবতা ছুঁয়ে আছে। এ বাড়িতে এখনো কিছু বেঁচে আছে, প্রাণপনে সেটা জানান দিতে চেষ্টা করে যাচ্ছে হাবা কালা এই ঘড়িটি। কোথায় কি হচ্ছে, বাড়িতে কার মনের কি অবস্থা, কিছুই বুঝতে পারে না, বোকার মতো কাটা ঘুরিয়েই যায় সারাবেলা। ভর দুপুর হলেও এঘরটাতে এখন সন্ধ্যা নেমে আছে যেনো,আলোছায়ার খেলায়। এই বসার ঘরটার সামনের জানালায় বসলে বাইরের রাস্তাটা সরাসরি দেখা যায়। আর জানালাটার ঠিক পাশেই গোলাপী বোগেনভিলার ঝাড়। ঝাড়টা বড় হয়ে গেলেই ঝুঁকে এসে জানালাটার অনেকটা ঢেকে দেয়। তখন বসার ঘরটা অনেকটা অন্ধকার দেখায়। এতে একটা সুবিধে হয় রাস্তা থেকে ঘরটাকে আর সরাসরি দেখা যায় না যদিও ঘর থেকে রাস্তাটাকে ভালোই দেখা যায়। জানালার উপর আছে গাঢ়ো মেরুন রঙের ভেলভেটের পর্দা। সকালটা যখন পেকে উঠেছিলো, তখন চোখে অনেক আলো লাগছিলো বলে পর

আবোল তাবোল - ৮

#

যে কোন লেখা, বিশেষত ব্লগরব্লগরের ক্ষেত্রে সবচাইতে বড় সমস্যা বোধহয় একটাই - তা শুরু করা!

মাথার ভেতর রাজ্যের যত চিন্তাভাবনার দৌড়াদৌড়ি কিন্তু লিখতে নিলেই সব উধাও। সবাই যেন বাইরে যাবে বলে এক্কেবারে ফুলবাবুটি সেজে রেডি কিন্তু সময় হলে কাউকেই পাওয়া যায় না। এ ঠেলে ওকে, ও ঠেলে তাকে। এই চলতে থাকে, আর লেখা হয় না। আজ তাই আর এত চিন্তা ভাবনার দিকে না যাই, আজ ডাইরেক্ট একশন। যা যা মাথায় আছে থাকুক, টাইপিং শুরু করলাম যা লেখা হবার হোক!

#

অনেক দিন হল আবোল তাবোল কিছু লিখিনা। ভাল লাগতেছে না ব্যাপার টা।

আসলে, কাহিনী হইল কিস্যু ভাল্লাগেনা! দিনে দিনে দিনকাল এমন হইছে যে একটা কিছু মনোমত হয়না। সবার সাথে খালি ঝামেলা হয়, তাই এখন সবার কাছ থেকেই একটু দুরে দুরে থাকার চেষ্টায় আছি। এইসব প্যানপ্যানানি কথাবার্তা লিখতেও ভাল্লাগেনা। এই মন নিয়া ভাল কিছু লেখার উপায় আছে!

পাগলের দিনলিপি (তেইশ)

শুভ্র শ্বেত বরফের গা'য়ে টুপ করে পড়লো এক ফোটা টকটকে লাল রক্ত
তারপর সাদার মাঝে লাল রক্ত ছড়াতে ছড়াতে গোলাপের ঘ্রাণ পেলো
আমার হঠাৎ মনে পড়ে গেলো স্নো হোয়াইট নামের কুমারী মেয়েটার কথা।
সাত বামন দাঁড়ালো বিছানার পাশে, নীরব নিথর বৃদ্ধ বামনেরা চুপ করে
আমার ঘুমহীন রাত দেখেই পার করে দিলো ফিরে যাওয়ার সময় সীমানা
ভোর হতে দেখি একে একে তারা হাওয়ায় মিলিয়ে যেতে থাকে।
আমার তখনি মনে পড়েছে স্নো হোয়াইট জগতের সুন্দরীতমা প্রেয়সী...
আয়নার জগতে তার এভাবেই পরিচিতি,

"আয়না আমার দেয়াল ঝোলা আয়না
সবচেয়ে রূপবতী কে, শুনতে প্রাণ সয়না"

"আপনার রূপে চোখ ধাধায় তবে
সুন্দরীতমা হলো স্নো হোয়াইট এই ভবে..."

স্নো হোয়াইট একলা একলা বনের শনের ঘরে মন দুলিয়ে প্রাণ দুলিয়ে নাচে...
আমার কেবল ইচ্ছে করে ডেকে নিয়ে যাই সেই রাজকুমার, আরবী ঘোড়ার সওয়ারী
যে একহাতে শুভ্র বরফের কন্যারে ঘোড়ায় তুলে নিয়ে ছুটে যাবে নিশ্চিত শহরে।

অবিলম্বে স্বাস্থ্যনীতি চাই

চতুর্মাত্রিক ব্লগে একজনের একটা পোস্ট দেখলাম

কোথায় আছি? কেন আছি? লিখেছেনঃ নিশুতিরাতের চিঠি (তারিখঃ ১২ মার্চ ২০১২, ৩:০৬ পূর্বাহ্ন)

সে রাত

সে রাতে চন্দ্রমল্লিকায় কোন গন্ধ ছিল না
যেন লাশ কাটা ঘরে সাদা চাদরে মোড়া নিস্তব্ধতা
জোছনার কাফনে ঢাকা চাঁদ -
লোকালয়ে লোকালয়ে লোবানের মহোৎসব
মৃত ফুলেদের সাথে ছিল ফুলশয্যা।

সে রাতে বৃষ্টির উচ্ছাসে ছিল প্রিয় গান
পেখম ছড়ানো অতীত
মেথীর মাদকতায় আতরের ঘ্রাণ
করতলে মেহেদীর ঘা
হাজারো ফাটল ধরা জীবন সিড়ি।

সে রাতে অতন্দ্র প্রহরী চোখ রেখেছিল বাঁধি
জলে ভিজে স্বপ্নেরা চুড়াচুড়
আগুনে লেলিহান দেহমন
স্মৃতি পারাপার নদী ভাটার টানে
বয়ে চলে প্রতিমা বিসর্জনে ।

সে রাতে চাঁদ ছিল, ফুল ছিল
স্বপ্ন ছিল, অশ্রু ছিল
বৃষ্টি ছিল, আগুন ছিল
লাল বেনারসির কফিনে ছিল নিথর দেহ।

বছরে ২৫ হাজার টাকার সিগারেট...

সিগারেট খাওয়া শুরু করেছিলাম ৮৪ সালের শেষের দিকে। সবেমাত্র কলেজে উঠেছি। নারায়ণগঞ্জ তোলারাম কলেজ। নাবালক থেকে বালক হয়েছি। বই- খাতা নিয়ে কলেজে যেতে হয়না। পোষাকের ব্যাপারে তেমন কোনো ধরা বাঁধা নিয়ম ছিল না। ৩২ ইঞ্চি ঢোলা প্যান্টের সাথে প্রায় ৩ ইঞ্চি উঁচু হিল। টাইট শার্ট। সে শার্টের আবার কলার বেশ বড়। এই ছিল সে আমলের ফ্যাশন। কলেজে যাবার সময় মা ৫/১০ টাকা দিতেন। আমরা তখন নারায়ণগঞ্জে। কিল্লারপুলের ড্রেজার কলোনীতে থাকি। কলেজে যেতে রিকশা ভাড়া ছিল ২ টাকা। কলোনীর আরেক বন্ধুর সাথে যেতাম শেয়ারে। যাওয়ার ভাড়া আমি দিলে আসার ভাড়া ও দিত। ওর নাম ছিল বাবু। বাবু এখন আর্মিতে। ১৫ লং কোর্চে পরীক্ষা দিয়ে আমি মারলাম ফেল। পরেরবার ১৬ তে পরীক্ষা দিয়ে বাবু পাশ করল। ও এখন কর্ণেল।

বইমেলা কড়চা – (তিন) মাঠার স্বাদ মালাইয়ে

বইমেলা শেষ হয়ে গেছে। আমাদের মাসুম ভাইয়ের ভাষায় “বইমেলা আর নেই”। বিভিন্ন বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্যে দিয়ে এই উল্লেখযোগ্য ইভেন্টটি শেষ হয়েছে। দাদাভাই মাঝপথে অভিমান করে কড়চা বন্ধ করে দিলেন, কেউ কেউ “মুরগা” হবার কথা দিয়ে কথা রাখলেন না। কিন্তু এখনের পর্ব হলো শেষ হয়েও হইলো না শেষ পর্ব। জনপ্রিয় কথাসাহ্যিতিকদের লেখার ধরন নিয়ে ছিল আমার এই নাদান কড়চা। হুমায়ূন আহমেদ, ইমদাদুল হক মিলনের পর এবার আর একজন এযুগের জনপ্রিয় লেখক আনিসুল হকের উপন্যাসের প্যটার্ন নিয়ে আজকের কড়চা। প্রথমে অনেক লেখকের লেখার মধ্যেই ভার্সেলাইটি থাকলেও, যে মাত্র তারা জনপ্রিয় হয়ে যান, যে লেখাটির কারণে জনপ্রিয় হয়ে যান, পরে সেই স্টাইলটিকেই আকড়ে ধরে বেশির ভাগ লেখা লিখেন। আনিসুল হকের এ উপন্যাসটির নাম ধরা যাক সাড়ে তিপান্ন।

টুকটুক গল্প-৯

১। গতবছর সংসদে বাজেট যখন পাশ হলো দেখলাম গরীবের সবকিছুরই দাম বাড়ছে, শুধু এলপি গ্যাসের দাম কমেছে। বাড়িতেই ছিলাম তখন। খুশী হয়ে আম্মাকে বললাম যে, আপনার গ্যাসের দাম কমবে। আম্মা তেমন গা করলো না, পরদিনই পত্রিকায় দেখলাম যে এখনই কমবে না গ্যাসের দাম, পরে কমবে। আম্মা বললো, -আর কমছে! ৭০০ টাকার গ্যাস ১৪০০ টাকা হইছে। সরকার ভালোই খাওয়াইতাছে। ভোটই দিমু না কাউরে।

কান্না

আজ আকটা স্বপ্ন দেখলাম । এটা আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর স্বপ্ন।দেখলাম আমার পরানি আমাকে কল করে বলছে "জানু sorry তোমাকে অনেক দুঃখ দিলাম।আমি আসলে একটা প্রোগ্রামে ইন্ডিয়া গেছিলাম।আর বাড়িতে বলে গেছিলাম আমাকে ভূলে যাওয়ার জন্য তোমাকে বলতে।আসলে তোমাকে চমক দিতে চেয়েছিলাম।দেখ তোমার পরানি তোমার কাছে ফিরে এসেছে।শুন একটা সুখবর আছে আমার মাবাবা তোমাকে মেনে নিয়েছেন।আমি খুশিতে কেঁদে ফেললাম" ঘুম ভেঙে দেখলাম আমার বালিশটা চোখের পানিতে ভিজে গেছে।আর দেখলাম আমি যে স্বপ্নটা দেখেছি তা সত্য নয়।মনটা কেঁদে উঠলো।বুঝতে পারলাম আমি একা পড়ে আছি আমার সামনে পিছে কেউ নাই।

না-না / মুহাম্মাদ আমানুল্লাহ

এখন আঁধার, নিকষ আঁধার-শুনি শুধু হুতোম পেঁচার ডাক,
আড়মোড়া ভেঙ্গে দেশলাই খুঁজে সহজে অবাক... ... ...
আমার পৃথিবী নড়েনা চড়েনা কেমন আদিম বোকা
এখন চাঁদ তারা স্বপ্ন প্রেম কিছু নেই-
জানালার পাশে উড়েনা এখন একটি জোনাক পোকা।

না-না, এটাকিছু নয়-হয়তো ভূতের বাতি,
এটা কি সোনার ডিম;
এখনো গোখরো চরে বিষাক্ত ফণায় জমে পউষের হিম।

একাকীকথণ (৩)

ধানের শীষগুলোর উপর দিয়ে বাতাস খেলে যাচ্ছে কি সুন্দর, ওরা এই কাত হয়ে যাচ্ছে বাতাসের তোড়ে আবার ঝিলিক দিয়েই মাথা সোজা করে দাড়াচ্ছে। ক্ষেতের কাছে ভরা রোদ্দুরের মাঝে এই পুরানোগাছের কাছটাতে ছায়া রইবেই জানতাম, আরো জানতাম এখানে এসে ক্ষয়ে যাওয়া গাছের গুড়িটাতে বসলেই গা ঠান্ডা করা বাতাসে জুড়াবেই মন। কিন্তু তাও কতোদিন পর আসা হলো এখানটায়, নিজেকে এখন দু’দন্ড শান্তি দিতেও মন টানে না, কেবল কষ্টগুলোকে ঠেঙ্গিয়ে দিন পার করাই যেন জীবন, কান্নাও এখন বিলাসিতা।

বেশি কইরা হাইটাবেড়ান, ত্যাল্গ্যাসের উপ্রে চাপকমান

প্যাটের ধান্দায় বেরৈতেই হয়। সেইলাইগাই সকালসকাল বেরায়া পর্লাম। বেশ আয়েশ কইরা একখান বিড়ি ধরায়া হাইটা গলির ভিত্রে থিকা বেরইলাম। গলির্ভিত্রে রিস্কাগাড়ি কম দেইখা ভালৈ লাগতেছিলো। ভাব্লাম যাউক লুগজন কম্বেরৈছে, শান্তিতে যাওঞ্জাইবো। ওম্মাগো মা......

ইভিনিং এমবিএ

বুয়া আসে না ঠিকঠাক। সকাল বেলা খাওয়া হয় না নাস্তা তাই দিনগুলো যাইতেছে এ্যাসিডিটিময়। যদিও এক আতেল বন্ধুর সামনে গ্যাস্ট্রিক শব্দটা বলে যে বিপদে পড়ছিলাম। সেই আতেল বলে 'গ্যাস্ট্রিকের ব্যাথা কথাটা বলবে রিকসাওয়ালারা তুই কেনো বলবি?' আমি ইন্সাল্টের ঠেলায় আর কোনো কথা বলি নাই। কিন্তু সেই আতেল বন্ধুরে পাইতেছি না পাইলে তারেও এই কিসিমের একটা ইনসাল্টিং বাশ দেয়ার প্ল্যান আছে। বুয়া নানা উসিলায় আসে না। সেইটা সমস্যা না সমস্যা হলো বুয়ার কথা বলার ধরন দেখলেই মেজাজ খারাপ হয়। যদি তাকে জিগেষ করা হয় বুয়া আসেন নাই ক্যান?

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ