অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

টাইফুনের গতিতে কাটিয়ে দেয়া সময়

কোন কোনো লোক কয় তাদের নাকি সময় কাটে না। আমি তো দেখি আমার সময় খালি শার্প ব্লেডের মতো কাটতেছেই মসৃনভাবে। এই গত ১ মাস যে কত ব্যস্ততায় গেলো টেরই পাইলাম না। ভাইয়া-ভাবি আসলো দেশে কিন্তু এতো অল্প সময়ের জন্য যে বুঝতেই পারলাম না।তবে ভাইয়া-ভাবীর আগমনে মন মেজাজ খুব ভালো ছিলো,তাদের মেয়েকে দেখতে পারা,বাড়িতে যাওয়া সব মিলিয়ে দিন গুলো ছিলো গত বছরের সেরা দিন গুলোর অন্যতম। তারপর ক্রমাগত পিছাইতে থাকা ডি ইউ এর ইএমবিএ পরীক্ষা ৬ তারিখে আনলো। কীভাবে জানি চান্স পেয়ে গেলাম। চান্স টান্স পেয়ে মন মেজাজ ভালো। বাপ মাও খুশি কিন্তু দিন গুলো যে চলে গেলো বুঝলামই না। ব্লগে নিয়মিত হবার কথা ছিলো তাও পারলাম না।তবে সামনে অফুরন্ত সময় এমবিএর উসিলায় আরও কিছু দিন বেকার থাকার মজা ভাবের সহীত নেয়া যাবে। এই কথা ভাবতেই শান্তি পাইতেছি। কিন্তু আপসুস হলো সামু ব্লগের এককালের স্টার নাদান সাহেব বিয়া করলো এই ব্যাস্ততার উসিলায় যোগাযোগ করতে পার

নরকের কীট

একদা কি করে জানি
কিছু নরকের কীট
মর্ত্যে নেমে এলো !
পৃথিবীর সবচে উর্বর
মাটিতে করলো ঘর ।

তারপর---------
দিন মাস বছর—
কেটে গেল বহুদিন !
অতঃপর একদিন
বিবর্তনের স্বাভাবিক নিয়মে
ওদের দেহে
অঙ্গ প্রত্যঙ্গ গজালো
অবিকল মানুষের !

এবং
ওরা মিশে গেল মনূষ্য সমাজে !
কিন্তু-----------
মানুষ হলোনা !
নরকের যাবতীয় দূষণ
রয়ে গেল ওদের শিরায় ।
পৃ্থিবীর কোমল আলো-জলে
পরিশুদ্ধ হলোনা একটুও !

মননে শতভাগ ওরা
থেকে গেল নরকের কীট,
যদিও ওদের দাবি
ওরা নাকি রাজনীতিবিদ !

সর্বোচ্চ সম্মান ও অধিকার নারীর পাওয়া উচিত

ভীষণ খারাপ লাগে যখন দেখি কোনো নারী গাড়িতে প্রচন্ড ভীরের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। অথচ পুরম্নষরা সিটে দিব্যি বসে থাকে। আমরা ইচ্ছে করলে তাদেরর জন্য নিজের সিট ছেড়ে দাঁড়াতে পারি। এটা করা উচিত বলে মনে করি। কারণ নারী মায়ের জাত। সব ৰেত্রে সর্বোচ্চ সম্মান ও অধিকার তার পাওয়া উচিত। কিন্তু আমরা তাদেরকে সে অধিকার থেকে বঞ্চিত করছি। শুধু সম অধিকারের দোহাই দিয়ে। আমি মনে করি কোনো গাড়িতেই নারীর জন্য নির্দিষ্ট সিট রাখা উচিত না। লিখে রাখা উচিত নারি যাত্রী আসলে পুরষরা সিট ছেড়ে দিবেন। কতকিছুর জন্য মানুষ আন্দোলন করে অথচ এ ব্যাপারে কেউ কিছু বলেনা। কতর্ৃপৰেরও সেদিকে নজর নেই।

কথোপকথন

- তুমি আমার পথ রোধ করে দাঁড়িয়ে আছো আমার চলার পথে। নদীর বুকে জেগে উঠা বালুচর কে বলে নদী ডেকে।

বালুচর নীরব থাকে ।

- আমাকে যেতে দাও মোহনায় । পদে পদে আটকে দিওনা আমায়। দেখো , সমুদ্র আমার অপেক্ষায় কেমন আছড়ে পড়ছে মোহনায় । আকুতি করে নদীর জল ।

দীর্ঘসময় নীরব থেকে বালুচর বলে উঠে -
- চেয়ে দেখ তোমার কষ্টের পলিমাটি ধারন করে করে আজ আমি বালুচর হয়েছি । আর আমাকেই আজ ভুলে যেতে চাইছো তুমি !!! তোমাকে তো আমি আটকে রাখিনি । আমাকে মুক্তি দাও , তুমি যাও তোমার ঠিকানায়। দেখ , আজ আমার বুকে জমেছে কষ্টের ঘাস, শরীরের বাসা বেঁধেছে অনিশ্চিয়তার সোনালী ডানার চিল । তবু নীরবে সব সয়ে যাই আমি ভালোবেসে ।

অভিমানী নদী একদিন তার চলার পথ বদলে ফেলে। বালুচরখানি কে পাশ কাটিয়ে ছুটে চলে আবার মোহনায় মিলবে বলে ।

ভয়ংকর ভূত পিচ্চি হান্নু (বাচ্চাদের পড়া নিষেধ)

যে মেয়েটার সাথে আমার প্রেম ছিলো তার সাথে সকাল-দুপুর-বিকাল-সন্ধ্যা-রাত-গভীর রাত ফোনে গুজুরগুজুর ফুসুরফুসুর করেছি আট বছর। পরিমিত ব্যয়ে গভীর রাতে যখন আমরা দু'জন অপ্রয়োজনীয় আলাপ করতাম তখন প্রায়ই মেয়েটা কথার মাঝে বলতো - ভয় করছে। নিঝুম রাতে বাসার সবাই ঘুমিয়ে, একা অন্ধকার রুমে মেয়েটার ভয় পাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। তবে আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করতাম সে যেন আরো ভয় পায়, শেষে তার ভয় বাড়াবার জন্য তাকে ভূতের গল্প শোনাতাম। এমনই কপাল, আমার ভয়ংকর ভয়ংকর সব ভূতের শুনে সে মজা পেত। এমনকি মাঝে মাঝে ভয় না পেলেও দুষ্টুমি মাখা আদুরে গলায় বলতো - অনেক ভয় লাগছে, ভুতের গল্প শোনাও।
সে ছিলো আট বছর আগের কথা, এখন সে আমার সাথে একই রুমে থাকে তবুও প্রায়ই ভুতের গল্প শোনার বায়না করে, আমি ঠিক করেছি গল্পগুলো লিখে রাখবো এবং সে রাতদুপুরে ভুতের গল্প শোনার আব্দার করলে ব্লগ খুলে তাকে বসিয়ে দিবো।

আলসেমি'র লিরিক

এক.
আমার ঘুমেও আলসেমী, চুমুতেও;
হাটতে হাটতে মনে হয়
রাস্তাগুলো না থাকলেই ভালো ছিলো
তবে যোগাযোগ কমে যেতো আমার এবং
আমাদের।

দুই.
আসলে অলস আমি
বিছানাকে ভালোবাসি, ভালোবাসি
বিছানায় শুয়ে শুয়ে নিজেকে অলস ভাবতে।

বিছানারে ভালোবাসা সবচে সহজ
কেবল শরীরটাকে পেতে দিতে হয়...

তিন.
উপন্যাস লিখিনি কখনো;
আলসেমি। বয়সেরা আলসেমি রূপে
লুকিয়ে রয়েছে আমার কুষ্ঠি জুড়ে...

আলসেমিটাকে বাদ দিলে,
আমায় নবীন বলে ভাবতে পারো
চিরনবীন...মৃত্যুহীন!

‘আই লাভ ইউ ইনফিনিটি

শওগাত আলী সাগর
একটা অস্বস্থিকর থমথমে অবস্থা পুরো ঘরটায়। আমি সোফায় একপাশে বসে ‘ওয়ারবেবিস’ এ নিমগ্ন হবার চেষ্টা করছি। কিন্তু কিছুতেই যেন মগ্ন হতে পারছি না। বারবার মনোযোগ ছুটে যাচ্ছে। অথচ বইয়ের কাহিনীটা আজ দুপুরেও অক্টোপাসের মতো চেপে ধরেছিলো। সোফার অপরপ্রান্তে একটা পাজল বই নিয়ে পাতা উল্টাচ্ছে বর্ণমালা। আমি যতোটা সম্ভব চেহারাটাকে গম্ভীর রেখে আড়চোখে সেদিকে তাকাই। না। বর্ণরও যে খুব মনোযোগ আছে সেরকম মনে হচ্ছে না। সেও কেবল বইয়ের পাতা উল্টিয়ে যাচ্ছে। পাশের ঘরে সেরীন কম্পিউটারে মগ্ন।

কাকা, ঢাকা কতোদূর?

এক.

ছেড়ে দেয়া মানে হেরে যাওয়া নয়

ছেড়ে দেয়া মানে হেরে যাওয়া নয়
ফিরে আসা মানে পরাজয় নয়
চোখে যা দেখি
সবসময়, সত্যি কি তা হয়?

স্বপ্ন দেখা মানে ভালো ঘুম নয়
মনের যন্ত্রনা মনে ঠিকি বয়
পথ চলায় কাউকে
ভালো লাগলেই, কি প্রেম হয়?

একা থাকা মানে কিন্তু একাকীত্ব নয়
হৃদয়ের মাঝখানটি হয়তো পলিময়
নিজের সাথে থাকে
অস্তিত্ব, লোকে কেন একলা কয়?

আকাশজোড়া মেঘ মানে মন খারাপ নয়
নবধারা জলে কিসের আবার ভয়
বৃষ্টি ভেজা মন
পুড়িয়ে, উড়ে কি যায় অনুতাপের ক্ষয়?

ভুলে থাকা মানে ভুলে যাওয়া নয়
কিছু কিছু ক্ষত জীবনভর রয়
প্রতিদিনের অভ্যাসে
পরাজিত, সব গ্লানি কি হৃদয়ে সয়?

তানবীরা
১৩/১/২০১২

হায় আমাদের চৈতন্যের দীনতা

বাংলাদেশে যুদ্ধাহত নারীদের বিষয়টি কোনো আলোচনায় উত্থাপিত হলে তাদের প্রতি শাররীক আগ্রাসনের বিষয়টির পুরুষতান্ত্রিক আহাজারি শুরু হয়, আজ একটি আলোচনা সভায় নাসির উদ্দীন ইউসুফ বেশ আবেগমথিত ভাষায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছিলেন, বিষয়টির পুরুষতান্ত্রিকতা ক্ষণে ক্ষণে বিব্রত করছিলো।

তিনি যখন বিবৃত করেন সম্ভ্রমহানির যন্ত্রনাটুকু প্রতিদিন একজন যুদ্ধবিক্ষত নারীকে মৃত্যুর আস্বাদ দেয় তখন তার পেছনে একজন পুরুষের উদ্যত থাবা দৃশ্যমান থাকে যে থাবায় নারীর সতীত্বের প্রতি সম্মান ও সম্ভ্রম বিদ্যমান। তার বক্তব্যে প্রকাশিত হয় যুদ্ধবিক্ষত নারীর গ্লানিবোধ করবার প্রয়োজন আছে। এ বিষয়টি হারানোর শোক-সন্তাপ এবং হাহাকার তার পুরুষতান্ত্রিক মানসকে তৃপ্ত করে হয়তো।

টুকটুক গল্প-৮

যেইদিন থেকে একা থাকা শুরু সেইদিন থেকেই আমার এই বাসস্থানে আমার ছড়িয়ে ছিটিয়ে অগোছালোভাবে বসবাস । দিনশেষে, সবকাজ শেষে এখানেই আমি ফিরে আসি। এটা আমার ঘর নয়, বাসস্থান।কর্তব্যের খাতিরে, প্রয়োজনে, সুবিধা-অসুবিধায় বাসস্থান বদলায় মানুষ। একদিন আমিও আমাদের ছোট্র বাড়ীটা ছেড়ে এসেছিলাম ইট কাঠের এই মমতাহীন শহরে। কিন্তু আমার সেই বাড়িতে আমি আজীবন বারবার ফিরে যেতে পারব, সেটা আমারই। তাই হয়ত খুব বেশী কষ্ট হয়নি।বাবার সাথে খন কোয়ার্টারে থাকতাম , সেখানে থাকতে থাকতে সবাই পরিচিত হয়ে উঠেছিলো, সমবয়সীদের সাথে বন্ধুত্বও হলো। বাবার চাকরী শেষে যখন চলে আসলাম তখন কষ্ট হয়েছে বলে মনে পড়ে না। আমার এই একা থাকার জায়গা ছেড়ে যখন অন্য কোথাও যাব এই জায়গাটাতে আমার মন পড়ে থাকবে।এখানকার সবকিছু আমি চিনি, জানি। ঘুটঘুটে অন্ধকারেও কোথায় কি আছে প্রতিটা জিনিস খুঁজে পাব, প্রতিটা সিঁড়ি, চলার পথ সবকিছুই প্রতিটা ইন্দ্রিয় সেট করে নিয়েছে।। যখন ভ

দাম্পত্য

নারী এবং পুরুষের পারস্পরিক যৌনাকর্ষণের বিষয়ে অনেক বেশী সচেতন ধর্ম। ধর্ম যেহেতু সামাজিক স্থিরতার লক্ষ্যে বিভিন্ন সামাজিক অনুশাসন তৈরি করে সুতরাং ধর্ম যৌনাচার বিধি তৈরি করে দিয়েছে, একই সাথে কিছুটা খোলা জানালাও তৈরি করেছে। ধর্ম নিয়মতান্ত্রিক ভাবে বহুগামীতার ক্ষেত্র তৈরি করেছিলো একটা সময়, উপমহাদেশের পৌরাণিক ইতিহাসের ভিত্তি হিসেবে রামায়ন মহাভারতের কথা বিবেচনা করলে দেখা যাবে সেখানেও এক একজন নৃপতি সাহসী পুরুষের একাধিক প্রনয়ী, স্ত্রী বিদ্যমান, তাদের ভেতরে মেয়েলী ক্ষমতার সংঘাত বিদ্যমান। প্রয়োজনে তারা মিত্রের বাসায় গিয়ে সুন্দরী দাসীর সাথেও শাররীক চাহিদা পুরণ করছে। তেমন যৌনতা বিষয়ক বাধ্যবাধকতা সেখানে নেই।

শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়াতে অতি উৎসাহ নয়, প্রয়োজন সঠিক অভিভাবকত্ব

মেরুদণ্ডহীন মানুষ নাকি কীটের সমান। তাই মেরুদণ্ডটা সোজা থাকা সবার জন্য জরুরি। এখন প্রশ্ন হল, মেরুদণ্ড কখন সোজা থাকে? যখন নাকি মানুষের ভেতর থাকে, আত্ম-বিশ্বাস এবং আত্মমর্যাদা বোধ। এটা আক্ষরিক অর্থেই সত্যি যে, আত্ম-বিশ্বাস বা আত্মমর্যাদা
(একজন মানুষকে সমাজে মানুষ হিসেবে, সুস্থ ও সুন্দরভাবে বাঁচতে শেখায় এবং আত্ম-বিশ্বাস বা আত্মমর্যাদা(একজন মানুষের সাফল্যের মূল চাবি-কাঠি।

আত্ম-বিশ্বাস / আত্মমর্যাদাকে, মনোবিজ্ঞানীরা শিশুর সারা জীবনের মানসিক স্বাস্থ্য বা সুখী থাকার পাসপোর্ট হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

পুরুষ ভাবনা এবং নারী

আমার একজন বন্ধু তার কিছু ভাবনা ফে বু তে শেয়ার করে। তার ভাবনা গুলো নিন্ম রূপ যার শিরোনাম ছিল “Thoughts from Man's heart ( পুরুষের মন প্রসূত ভাবনা)”।
When we are born, our mothers get the compliments and the flowers.
(সন্তান জন্ম গ্রহণ করার পর মায়েরাই সব শুভেচ্ছা আর ফুল পায়)
When we are married, our brides get the presents and the publicity.
(বিয়ের সময় বধূরাই সব উপহার আর প্রচারণা লাভ করে)
When we die, our widows get the life insurance.
( আমাদের মৃত্যুর পর জীবন বীমার মালিক হোম স্বামী প্রয়াত নারীরা)
সর্বশেষে তার প্রশ্ন-
What do women want to be liberated from?
(নারীরা এর কোনটি থেকে মুক্তি চায়?)

দাঁড়াই জলের অতলে

আকাশের নৃত্য; নৃত্যময় আকাশে নিত্য নতুন খবর আসে
জলদকণা সিঞ্চিত ও সঞ্চিত।
বারতা পাঠিয়েছে মেঘ জীবন থাকুক আমার সোল্লাসে

ঘ্রাণে মত্ত মাতাল মৌতাতে
পূর্ণিমা রাত সশব্দে থমকে
হাইহিল স্কার্টে নগ্ন উঠে উথলে সজীব কৈশোর কোলাহল

ওদিকে দাঁড়ায় এক মসলিন চাতক পাতক ইশারায়
বুকের কিনারায় সরু সরু মাস্তুল শাবল খর চালায়
রৌদ্র আকাশে ঝিরিঝিরি হাওয়া মৃদু বহে দু'কূল
ছন্দহারা বণিক কি নেবে বাকিতে তার ভুল?

আদিগন্ত আমি ছুটি মাঠে জোনাকি জ্বলানো পথে
অন্ধ আর্তনাদ ভাসাই প্লাবনে আঁধার মধ্যাহ্নের দেহে
প্রাণান্ত বাঁচতে দিই লম্ফ আরো গভীরে খাই খাবি
ডুবে মরা জলে দেখা মেলে আলোর অতলে দাঁড়াই আসি।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ