অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ২৬ জন অতিথি অনলাইন

:.সময় যেন এই বাঁধন কখনো ছিড়তে না পারে.:

যখন বাসার পথে রওয়ানা দিলাম তখন ঘড়িতে প্রায় পৌনে নয়টা। ঢাকার অতি পরিচিত জ্যাম ঠেলে বাসায় পৌছালাম রাত সাড়ে দশটা। ঋহান তার সব চাচা, ফুপ্পি, খালা আর মামাদের আদরের চটে অস্থির হয়ে গাড়িতে উঠার একটু পরেই আমার কাঁধে মাথা ঠেকিয়ে ঘুমিয়ে গেছে। আমি আর কি করবো, বসে বসে ভাবছিলাম আজ কি নিয়ে লিখবো। আজ-কাল অনেক কিছুই মাথায় ঘুরে। কিন্তু যখন লিখতে যাই, কিচ্ছু আসে না হাতে। তাই তখন ভাবছিলাম, “যদি এমন কোন পদ্ধতি থাকতো যে, আমি এখন যা ভাবছি তা আটোমেটিক কোথাও লেখা হয়ে যাচ্ছে! তাহলে আজ অনেক বড় একটা লেখা দিতে পারতাম এবি’তে”।

এক.

কলিন ফার্থঃ সিনেমার রাজপুরুষ

১১ ডিসেম্বর ১৯৩৬ সালে রেডিওতে বক্তৃতা দিতে গিয়ে অষ্টম এডওয়ার্ড বলেছিলেন- "I have found it impossible to carry the heavy burden of responsibility and to discharge my duties as king as I would wish to do without the help and support of the woman I love." স্বেচ্ছায় তিনি সিংহাসনের লোভ কাটিয়ে চলে যান। পরের ভাই ষষ্ঠ জর্জ সিংহাসনে বসেন। সুদর্শন রমণীমোহন রাজা সরে গিয়ে আসেন তোতলা রাজা। স্পিচ থেরাপিস্টের সহায়তায় তিনি হয়ে ওঠেন বাগ্মী। কিংস স্পিচ ছবির জন্য রাজা ষষ্ঠ জর্জের ভূমিকায় অভিনয় করে অস্কার পেলেন কলিন ফার্থ।

ছেড়ো না ছেড়ো না হাত দেব না দেব না গো যেতে থাকো আমার সাথে :: একের ভেতর পাঁচ

১
ধরেন আপনার মহল্লার গোটা দশেক পাব্লিক মাত্র দুইজনরে চান্সে পাইয়া ধরলো। ডরে বুক ধুকপুক ধুকপুক করবো অবিশ্যই। খোদাই ষাড়ের কইলজা না হইলে এদের মাঝখান থেকে বের হওয়া প্রায় অসম্ভব। ১০ জনে চারিদিক থেকে ঘেড়াও কইরা আটকাইয়া একজন ইটা মারে... কোন চুদুরবুদুর হইলেই দুই পাশে দাড়ানো আরো দুইজন আঙ্গুল দেখাইয়া দেয় Sad ... বিষয়টা কিরম অমানবিক Sad... তয় এইখানে ইংরেজ ভদ্রলোক মাইক আর্থারটন সাহেব ভাল এক্টা বক্তিমা দিছে... "আমার পিঠ আমার নিজের সমস্যা। এটি পুরো জাতির দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে না।" নিজের পিঠ নিজেরই বাচানো উচিত Wink

সেইটা দেখলাম গত কালকে... জাম্পেস একটা ম্যাচ ... বিশ্বকাপের এখনো অনেক খেলা বাকি যদিও ... তার পরেও মনে হইল বিশ্বকাপের বেষ্ট খেলাটা হয়তো দেইখা ফেল্লাম। অনেকেই বলতেছে ক্রিকেটের জয় হইছে... কিন্তু আমি তো দেখলাম ভারত জিতল Wink .... বিশ্বাস হয় না? জহির খানের বক্তিমা পড়েন

২

বৈকালের গরম দুধ

সেই ছোট্ট বেলায় রোজ সকালে গরু দোহানোর সময় ছোট্ট একটা কাঁসার গ্লাস হাতে নিয়ে অপেক্ষা করতাম। দোহানো শেষ হতেই সেই ফেনা উঠা দুধ মা গ্লাসে ভরে দিতেন, ঢকঢক করে খেয়ে নিতাম, কখনো বা দুই গ্লাস (বড় হয়ে বুঝেছি যে তার পরিমান ছিল এখনকার আধা লিটারের মত)। না-জ্বালানো সেই উষ্ণ কাঁচা দুধের যে স্বাদ ও ঘ্রাণ, তা আর কোন খাবারে কখনও পেয়েছি বলে মনে হয়না। একটু বড় হয়ে উঠবার পরে না-জ্বালানো দুধ বাদ হয়ে গেল। ভাত খাওয়ার পরে কাঁসার থালায় হাত রেখে বসতাম, মা কুসুম গরম দুধ ঢেলে দিতেন পাতে,কব্জি না-ডুবা পর্যন্ত দুধ ঢালতেই হতো। তার কম হলেই চিৎকার, আরও দাও, আরও দাও। চাকরী করতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত এমন করে দুধ খাওয়ার অভ্যেসটা কম-বেশী বজায় ছিল।

যে মুখোশটা বানানো হয়নি, তাই পরে থাকি সবসময়!

শাহরুখ শহীদ

লালমাটিয়ায় একটা চরম অগোছালো ঘরে গিয়া হাজির হইলাম, দাড়িমুখো এক লোক এসে জড়ায়ে ধরলো।
আমি ছেলেদের সঙ্গে কোলাকুলি করতে পছন্দ করি না, তায় আবার এরম দাড়িওয়ালা! বিরক্ত হইলাম।
কিন্তু সেদিন যে বন্ধুত্বটা তৈরি হইলো, এক যুগেরও বেশি তার বয়েস। আজীবন এরকমই অকৃত্রিম থাকতো, কিন্তু থাকলো না সে।
গতবছর, ঠিক এই দিনে, ঠিক প্রায় এই সময়ে একটা ফোনকল আসে, শাহরুখ শহীদ আর নাই পৃথিবীতে!

কাবজাব - ৫

আমার মাঝে মাঝেই খুব অর্থহীন লাগে জীবন। জীবন জীবনের মানে সবই অর্থহীন লাগে। শূন্যতা ঘিরে ধরে নিজেকে। দার্শনিক একটা ধাচ চলে আসে নিজের মাঝে। অর্থহীনতার মাঝেই হাতড়ে বেড়াই, অর্থ খুজি। প্রিয় কোন মানুষের মুখের দিকে তাকিয়ে, কথা বলে যখন নিজেকে অপরাধী লাগে বা নিজের কোন কৃতকর্মের কথা চিন্তা করে থই খুজে পাই না। কেমন যেন সব খালি হয়ে যায়। মনে হয় হয়ত বুদ্ধই ঠিক করেছিলেন, সংসার ধর্ম ছেড়ে মানব ধর্ম আকড়ে ধরেছিলেন। শূন্যতার মাঝেই খুজে পাওয়ার চেষ্টাই হয়ত তাকে ঘর থেকে বের করে নিয়ে গেছে। হয়ত লালনই ঠিক, এ জীবনের মানে শুধুই তিন পাগলের মেলা। বাউল সন্নাসীরা কেন ঘর ছাড়ে হয়ত একটু একটু বুঝতে পারছি আজকাল।

গল্প: আমি তো দিয়েছিলাম তোমায় কৃষ্ণচূড়া ফুল

পথচলা মঙ্গলময় হোক।
-আচ্ছা হবে। তোমাদের স্থবিরতাও ফলপ্রসূ হোক। একেকজন সোলার প্যানেলের মতো আরাম সংগ্রহ করে করে নিজের ভেতর জমিয়ে রাখো।
শুধুই নিজের সুখের চিন্তা। আমার ভেতরে যে বেড-বাগ বাসা বুনেছে, সে খবর আছে?
-তাই নাকি? কই এখনো টের পাই নি তো। বলো নি কেন?
বলি নি, দেখতে চেয়েছি তুমি নিজে নিজে বোঝো কি না। তোমার সিংহাসনের কতটুকু যত্ন তুমি আসলে নাও, সেটা কি জানো?
-বেড বাগরাও আলাপ করতে আসে নি। ওদের তো যুদ্ধ'র প্রস্তুতি নিয়ে চলে আসার কথা।
তুমি ভালো বন্ধু নও বলে কি অন্যরাও তাই? আমরা সবসময় তবু যেন তোমার কোনো কষ্ট না হয় সে চেষ্টা করি। তাই বিবি'দের দেখা পাও নি।
-আচ্ছা তোমাদের তাহলে রোদে রেখে যাই। রাতে ওষুধ এনে লাগিয়ে দেবো, কি বলো?
না টানাটানির দরকার নেই। শুধু ওষুধটা মনে করে নিয়ে এসো। আর ভালো থেকো। যাও তোমার দেরী হচ্ছে।

দূরত্ব

বাসার দরজায় আমাকে দেখেই লিজা প্রান খোলা হাসি দিয়ে আমাকে স্বাগত জানালো। আমাকে বসতে
বলে নিজে সামনের সোফায় বসতে বসতে ভ্রু নাচিয়ে জিজ্ঞাসা করলো --কি ব্যাপার? এতদিন পর মনে পড়লো। আমিও রহস্যময় হাসি হাসতে হাসতে বললাম -- মনে পড়ে আজ থেকে ঠিক দুই বছর আগে আমরা আজকের দিনে কোথায় ছিলাম?
--হ্যাঁ, কলকল করে হাসতে হাসতে বললো ---একটা সবুজ পাহাড়, তার নীচে কুলকুল বেগে বয়ে যাওয়া নদী।।
---মনে পড়ে সেই নদীর তীরে ঘাসের উপর বসে আমার হাত দুটি ধরে কি বলেছিলে তুমি? আমি মৃদু হাসতে থাকি। এরপর একদিন খুব কাছে আসতে চেয়েছিলাম।

ভালোবাসার অনুগল্প

মাঝে মাঝে শিশিরের ফোঁটার মত কিছু ঘটনা জমে থাকে আমাদের চারিপাশে । টুপটাপ যখন ঝরে তখন কেবল শব্দ পাওয়া যায়, সকালেই আবার উবে যাওয়ার মতই সে ঘটনাগুলো মিলিয়ে যায় । আর কখনো শোনা যায়না । সে রকমই একটা ঘটনা ঘটল এই শান্তিপুরে । মানুষের কান অব্দি পৌছানোর আগেই যদিও তা আবার গায়েব হয়ে গিয়েছে ।
নামটা প্রশান্তিময় হলেও এই ক্ষুদে শহরের মানুষদের শান্তশিষ্ট ঠিক বলা যাবেনা । আবার তারা যে খুব খারাপ তাও না । এরা অল্পতেই উত্তেজিত হয়, অল্পতেই অবাক হয় আর হঠাত রেগে গিয়ে তুমুল ঝগড়া বাধিয়ে দেয় ।

সকালের কাতরতায় পতনোন্মুখ একটি পাতা

দুজনে মিলে কেবল একটাই ক্রিয়েটিভ কাজ করা সম্ভব আর তা হলো সন্তান উৎপাদন। 

আগের বাক্যটি পরে আমার প্রবচন রূপে পৃথিবীর কোথাও না কোথাও প্রকাশিত হবে। এইটা এখানে বিচ্ছিন্নভাবে এসে লেখাটা শুরু করলেও পরমরূপে পৃথিবীতে বিদ্যমান। আর এই বিদ্যমানতা হংসমান লোভ এবং নিরাসক্তিকে প্রকাশ করে না। 

সকালের কাতরতায় পতনোন্মুখ একটি পাতা। হ্যাঁ, বলো। তোমার শরীরের দাগের জন্যে আমাকে কিংবা তোমার মাকে দায়ী করতে পারো না।

এদিনে বহুমাত্রিক লেখক হুমায়ুন আজাদকে চাপাতি দিয়ে রক্তাক্ত করা হয়

azad1বইমেলায় আমার নিয়মিত যাতায়াত থাকলেও ২০০৪ সালে যাওয়া হয়নি । তখন আমি ছিলাম খুলনায় (একটি বহুজাতিক কোম্পানীর কর্মকর্তা হিসেবে সেখানে পোষ্টিং )। বইমেলা ও আজাদ স্যারকে মিস করতাম । ইতিমধ্যে দৈনিক ইত্তেফাকের ঈদ সংখ্যায় তার 'পাক সার জমিন' উপন্যাসটি ছাপা হয় । প্রতিক্রিয়ায় মোল্লাদের আস্ফালন দেখা যায় ।
paper
নিরাপত্তা নিয়ে আজাদ স্যারও শঙ্কিত হন । মুক্তমনা থেকে সরকারের কাছে আবেদন করা হয় কিন্তু তৎকালিন সরকারের তরফ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি ।

মাসব্যাপী কার্ণিভাল ১৩

বিশ্বকাপে নিজের দেশ প্রতিনিধিত্ব করলে কিছুটা বিড়ম্বনা হয়, তখন অন্য সকল অগুরুত্বপূর্ণ খেলার বিষয়ে পরিপূর্ণ মনোযোগ থাকে না, এবার ক্রিকেট বিশ্বকাপে তাই হচ্ছে, আমার খেলা দেখবার আগ্রহে কমতি পড়েছে, ফুটবল বিশ্বকাপ যতটা আগ্রহ নিয়ে দেখেছি, ক্রিকেট বিশ্বকাপের অন্যদলগুলোর খেলা নিয়ে আমার তেমন আগ্রহ নেই। বন্ধুদের সাথে খেলা বাদ দিলে এমনি কোনো দলের হয়ে কিংবা নিজের ডিপার্টমেন্টের হয়ে যতদিন ক্রিকেট খেলতাম তখন এইসব ম্যাচগুলো ছিলো গুরুত্বপূর্ণ, আমি নিজে বোলার হওয়ার কারণে বোলারদের প্রতি নির্মম হয়ে উঠা টিটুয়েন্টি আর ওয়ান ডে ভালো লাগে না, কিন্তু এখন এইসব দেখে শিখবার কিছু নেই, স্লোয়ার দেওয়া, রিভার্স সুইং কিংবা ব্যাটসম্যানকে বুঝবার প্রয়োজন এখন আমার নেই, আমি সে পর্যায়ে খেলছি না, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবার আশায় পানি ঢেলে আমি অনেক আগেই প্রথম বিভাগে খেলার সুযোগ হাতছাড়া করেছি, এখন সেটা তেমন গুরুত্ব বহন করে না।

পরবর্তী সময়ের জন্য

মাঝে মাঝে মনে হয় সংবাদপত্রের ফরমায়েশী লেখার ধাচে লিখতে শুরু করার আগে যা লিখতাম তেমন কিছু আর কখনও লেখা হবে না, সে ক্ষমতা কিংবা যোগ্যতা নেই এখন আমার। প্রতিদিন মনে হয় যদি এখন হঠাৎ করে কেউ বলে একটা বই প্রকাশ করতে চাই, তাহলে আদৌ কি প্রকাশযোগ্য কিছু লেখা দিতে পারবো।

মুকুল একদিন বললো কবিতার কোথা, সেদিন মনে পড়লো গত এক বছরে আমি একটাও কবিতা লিখি নি, লেখা হয়ে উঠে নি এমন না, বরং বিভিন্ন কারণেই ভেতরে কবিতার পোকা জন্মাতে পারে নি। মুকুলের জন্য গত দুই বছরে লেখা অকবিতাগুলোর লিংক দিবো ভাবছিলাম, নিজেই খুজে পেলাম না, এত আবর্জনা লিখেছি গত দুই বছরে, কাজের লেখা খুজতে হলে হয়রান হতে হয়।

পুলিশের ‘ভালোবাসা’ এবং একজন গিয়াস আহমেদ

safe_image.php_.jpgবলা হয়ে থাকে পুলিশ ‘জনগণের বন্ধু’। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কথাটি আষাঢ়ে গল্পের মতো শুনায়। এদেশে পুলিশ যার বন্ধু তার আর শত্রুর প্রয়োজন হয় না। পুলিশ এমন এক কথিত ‘বন্ধু’, যে বন্ধুকে কেউ বাসায় নিমন্ত্রণ করে না। কখনো অযাচিত ভাবে পুলিশ যদি কারো বাসায় ঢুকে পড়ে ; অমঙ্গল আশঙ্কায় শঙ্কিত হয়ে পড়ে গোটা পরিবার। প্রবাদ আছে, বাঘে ছুঁলে এক ঘা, আর পুলিশ ছুঁলে আঠারো ঘা। বন্ধুর চেয়ে পুলিশকে মানুষ মূর্ত মান আতঙ্ক বলেই মনে করে। কোন অপরাধে কিংবা বিনা অপরাধেও এদেশে পুলিশ যে কোন সময় যে কাউকে ধরে নিয়ে যেতে পারে। আর একবার পুলিশের ‘হেফাজতে’ গেলে কেউ যে সুস্থ শরীরে ফিরে আসবে কিংবা আদৌ ফিরবে কিনা, এ নিশ্চয়তা অন্তত এদেশে নেই।

সুসন্তান একটিই যথেষ্ট(?)

বাংলা একাডেমীর বইমেলা, বিশ্বকাপ ক্রিকেট ছাড়াও নানান ধরণের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিডিয়া তো বটেই ব্লগের আসরও এখন সরগরম। এর মধ্যে আমার মাথায় ঘুরছে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব। সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা এ দেশের মাটি বড়ই উর্বর। এ দেশের মাটি উর্বর, এ দেশের মানুষও উর্বর। কোন রকমে বীজ বপন হলেই শস্য অবধারিত। এর মধ্যে ‘ছেলে হোক মেয়ে হোক, দু’টি সন্তানই যথেষ্ট’, ‘দু’টি থাকলে আর নয়’, অতঃপর ‘একটি সন্তানই যথেষ্ট’ অনেকের কাছেই গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠলো। বন্ধুদের মধ্যে অনেককেই আবার বলতে শুনি (আসলে লিখতে দেখি)‘সুসন্তান একটিই যথেষ্ট’ Smile ।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ