অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ৯ জন অতিথি অনলাইন

জেবীনের জন্মদিনে ঝুড়ি ভর্তি শুভেচ্ছা

অফিস এসে ফেসবুকে ঢুকে দেখলাম , আজ জেবীনের জন্মদিন।খুবই অবাক হলাম। জেবীনের জন্মদিন আর আমি জানি না? ফেসবুকে না ঢুকলে তো জানাই হতো না। সারারাত যেহেতু ফোন করিনি, এসএমএস পাঠাইনি, জেবীনের তো উচিত ছিলো আমাকে ফোন করে বলা যে তার আজ জন্মদিন.... আর আমি কেন উইশ করলাম না? Angry

পাহাড়ে উঠার গল্প

এই দেশে আসার আগে পাহাড় দেখছি খুব কম।তাই আসার আগে খালি মনে হতো পাহাড়ের মাঝে হারিয়ে যাবো। কিন্তু সেই হারিয়ে যাওয়ার সাধ আমার দুইদিনের মাথায় শেষ হইয়ে গিয়েছিলো।একটা ক্লাস করতে আমাকে আমাদের মেইন ক্যাম্পাসে যেতো হতো বাস থেকে নেমে দৌড়াতে হতো ক্লাস শুরু হয়ে যাওয়ার কারনে।ক্লাসে বসে মিনিট দশেক হাপাঁতাম।

কিছুদিন আগে সুপারম্যান প্রস্তাব দিলো হাইকিংয়ে যাবে।আমি অনেক চিন্তা করে পেলাম না পাহাড় বেয়ে উঠার মধ্যে কি এমন আছে??আমার ল্যাবমেট বরাবরের মতো হাইকিং নিয়ে একটা বিরাট বড় লেকচার দিয়ে দিলো আর বললো সুপারম্যান যেহেতু যেতে বলেছে সেহেতু আমাদের সবারই যাওয়া উচিত।বললাম যাবো কিন্তু আমার কিছু হয়লে ব্যাটা তোরা আমারে কাধেঁ করে নামাবি ওরা বলে নো প্রবলেম।

ম্যালাক্ষন ধানভানতে হাংগুকগীত গাইলাম।এবার আসল কথায় আসি।কিছু ছবি দিলাম সেই দিনের হাইকিংযের।

যাত্রা হবে শুরু তার আগে ফটোসেশন।

গভীর ভাবের পোষ্ট

অনেকদিন পরে ব্লগের সকলের মন ভালো তাই আমারো মন ভালো। এমনিতে ব্লগটা ঝিমায় অনেক। “আমরা বন্ধু” বাদ দিয়ে “আমরা ঝিমাই” দেয়ার অবস্থায় চলে যায় মাঝে মাঝে। শীতের আনন্দে অনেকেই ব্লগে ফেরত এসেছেন, ব্লগটা একটু চাঙ্গা হয়েছে এই খুশীতে আমিও একটা পোষ্ট দিতে চাই। পোষ্ট দেয়ার মতো কিছুই নাই তবুও দিবো তাই.........

প্রবাসে আমার দশা অনেকটা “ছাই ফেলতে ভাঙ্গা কুলা”, “নাই বনে শিয়াল রাজা” কিংবা “আলু”র মতো। “আলু” মানে সব তরকারীতেই যায় আর কি। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতে কেউ নেই, ঠিকাছে “ওনি, কাচ্চা বাচ্চাদের নাচ দেখিয়ে দেয়ার কেউ নেই, ঠিকাছে “ওনি”, সেমিনারে বিদেশী গেষ্ট আসবে, ইংরেজী - ডাচ বলতে একজন মেয়ে দরকার, তাইলে “ওনি”, প্রধানমন্ত্রী আসবে মানপত্র পাঠ করতে লাগবে, আচ্ছা আর কাওরে না পেলে “ওনি”তো আছেনই। সবার লাষ্ট চয়েস। এহেন আমি কয়দিন ধরে গভীর ভাবে আছি।

জীবিকা অথবা জীবন- ৫

রান্নাঘরে খুটখাট শব্দ শুনে মনু মিয়া এগিয়ে গিয়ে দেখলো সালমা বেগম একটি টিন হাতে নিয়ে কিছু করছেন। হয়তো খুলতেই চেষ্টা করছিলেন। তা দেখে সে বললো, নানি আমি কিছু করনের আছে?

করলে তো অনেক কিছুই করা পারছ।

কন কি করন লাগবো? বলতে বলতে এগিয়ে গিয়ে সালমা বেগমের পাশে দাঁড়ায় সে।

তিনি টিনটা এগিয়ে দিয়ে বললেন, এইটার ঢাকনাটা দেখ দেখি খোলা পারছ কি না!

চুলোর পাশেই পেতলের একটি খুন্তি পড়েছিলো মেঝেতে। সেটি তুল নিয়ে টিনের ঢাকনার পাশে লাগিয়ে সামান্য চাড় দিতেই সেটা উঠে এলো। সালমা বেগম খুশি হয়ে বললেন, আরে করছস কি? এই বুদ্ধিটা তো আমারও জাননের কথা আছিলো!

মনু মিয়া হাসে। বলে, নানি, অহন আফনের বুদ্ধিরও বয়স অইছে। এইসব ছোডমোডো বুদ্ধি আফনের মাতাত কাম করে না!

ঠিকই কইছসরে! আমার বয়স হইছে। এই কথাটা মনে থাকে না। অনেক বছর ধইরা নিজে নিজেই সব করতাছি তো, তার লাইগ্যা বুঝা পারি না!

আজকের ডায়লগ : কত নাই?

পয়লাই একটা গফ শুনেন... ব্যাপক প্রচলিত... অনেকেই জানেন

আমরা বন্ধুর ফটোগ্রাফী দল এবং তাদের ফটো ওয়াক

ব্লগে, ফেসবুকে রায়হান ভাই এর তোলা ছবি দেখে ভাবি, এত সুন্দর ছবি তুলে কিভাবে? এক্টু আগেও নীড়দার পোষ্টে রায়হান ভাই এর তোলা এক্টা পাহাড়ের ছবি দেখে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকলাম। প্রায়ই উনাকে বলি , ছবি তুলতে কোথাও যাবেন?আমরা সঙ্গী হবো।উনি বেশীরভাগ সময়ই ভাবের উপড়ে থাকেন। অবশ্য তা না হলে কি আর মানায়?
এই ব্লগের অনেকেই দারুণ ছবি তুলে। ভাস্করদা, সাঈদ ভাই , মীর, বৃত্তবন্দীর এর ছবি দেখেও মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে থাকি। মুক্ত, বোহেমিয়ানকেও দেখি ক্যামেরা হাতে। তবে এদের ফটো ব্রগ দেখি না। বিরাট ফাঁকিবাজ পুলাপাইন।আরো হয়ত অনেকেই আছে , যাদের কথা জানি না। সব ফটোগ্রাফাদের নিয়ে যদি একটা এবি ফটোগ্রাফী দল হয়, তাহলে কেমন হয়?ফটোগ্রাফাররা দলবেঁধে কোথাও ছবি তুলতে গেলো, আমার মতো ভক্তরা সঙ্গী হলো একদিন! এটা ব্রগার হিসেবে আমার ভাবনা, প্রস্তাব। দেখি কে কি বলে! আদৌ বাস্তবায়ন হবে কি হবে না সেটা ফটোগ্রফাররাই বলুক!

খালেদা জিয়া তোমাকে বলছি - মনে কি পরে সেই নিকট অতীতদিনের কথা ???

দেখেনতো হাসপাতালের বেডে কে শুয়ে আছে ?
 photo 

photo

মনে কি পরে খালেদা জিয়া দেখেন তো চেনা যায় এই মহিলাকে ?
দেখেনতো কার শরীর রক্তাক্ত । চেনা যায় ?

photo

আচ্ছা খালেদা এই লাশের ওজোন কত হতে পারে ??
 photo

আর এইটা -

শ্বাপদ সংকুল রাতের শিহরন পেরিয়ে বৈচিত্রময় দিবসে

আগের কাহিনী জানতে
.
১.
রাত কতো জানি না। ঘড়ি নেই। সময়ের কোন হিসেব রাখবো না বলে ঘড়ি আনিনি।
ঘরটা ভেঙ্গে পড়বে মনে হলেও ছুটে বেরিয়ে যেতে সাহস হচ্ছে না ঘুটঘুটে অন্ধকারে।
.
কুঁড়ে ঘরের চালের উপর থেকে এবার গরররররররর গররররর জাতীয় অদ্ভুত কিছু বিজাতীয় শব্দ ভেসে আসছে। ভীতু মানুষ না হলেও, এই সময়ের জন্য সাহসটা দমে গেল। এডভেঞ্চারের শুরুতে বেঘোরে মারা পড়াটা কোন কাজের কাজ হবে না। তবে ভয়ের চেয়েও একটা বিচিত্র অভিজ্ঞাতর লোভ অনেক বেশী আবিষ্ট করে রেখেছে বলে ভয়টা দাঁত ফোটাতে পারছে না।
.

মেন্যু

আর মাত্র ৩২ দিন!!!!!!!!!! Smile Smile Smile

তারপর বাংলাদেশ।আমার বাংলাদেশ আমার রাজশাহী।ভাবতেই ভালো লাগছে। দেশে গেলে আমাকে কে কি খাওয়াবে তার একটা লিস্ট করেছি।আল্লাহর রহমতে আমার দেশী খাবারের কোনটাতেই অরুচি নাই।তাই বাকী দের মেন্যুর নাম দিয়ে দিলে ভালো হতো কারন আমার শিডিউল করতে হবে তো। Steve Steve

সাঈদ ভাইঃ নতুন ফ্ল্যাটে নতুন ভাবীর হাতের কাচ্চি বিরিয়ানী,ঝাল মুরগীর মাংস,কাবাব,বোরহানী আরো অনেক কিছু। Laughing out loud Laughing out loud Laughing out loud

মেসবাহ ভাইঃ ল্যাবেইডের খিচুড়ী। Smile Smile

জয়িতা ফুপিঃ ধানমন্ডির পাচঁ নাম্বারের ফুচকা,চটপটি। Smile Smile

উদরাজী কাকাঃ শরবত Wink Wink

মেন্যুর নাম দিন আর দোজাহানের অশেষ নেকী হাসিল করুন। Glasses Glasses

তোমার কী একটু সময় হবে সময় দেবার!

ইচ্ছে ছিল বেড়াতে যাবো অজানাকে সাথে নিয়ে। নেয়া হবে আচানক কোন পথে পা ফেলার সমূহ অনুভূতি। দিন-রাতের ভেদ ভুলে পূরো দিন ধরে আবিস্কার করবো নূতন কোন পথ। যে পথে আর কেউ হাটেনি ও পর্যন্ত। তুমি-আমি ছাড়া যে পথের দিশে পায়নি/পাবেনা কেউ কোনজন।

পৃথিবীর পথে হাটতে গিয়ে অনেকগুলো পথ আমার সাথে পরিচিত হয়েছে। তাদের অনেকের চেহারা মিশে গেছে কালের স্রোতে আবার অনেককেই মনে রেখেছি সজ্ঞানে কিংবা অজ্ঞানে। তাদের কেউ কড়া নাড়ে,কেউ হাতড়ায়। তাই মাঝে মাঝে ভাবতে বসি যদি কখনো পরিচিতের দাবি নিয়ে কেউ সামনে দাঁড়ায় আমার কী আছে করার? এখানে কেমন ভাবছো তুমি!

এই ক'দিন আমি একটা হতাশার পাখি দেখেছি যে রোজ রোজ আকাশ ছেড়ে আমাতে এসে বাসা বাঁধে। আমি ফি-বার তাকে তাড়াতে গিয়ে বৃথা মনোরথে ঘরে ফিরি। সেও আমাকে ছাড়েনা যেন আমিই তার কাংখিতজন। আমি তাকে দেখে হতাশ হই আর ব্যর্থজনের মতো অভিসম্পাত ছুঁড়ি বাতাসে; কেন তবে পেলে না আর অন্যকোনজন-অন্য কেউ!

রোগ-সুন্দর

ভূমিকা: ভাইরাল, জ্বর-গলা ব্যথা-চোখ লাল-জ্বিভ বিস্বাদ! তবে এসব যন্ত্রণা সহ্য করেও যখন দেখি সোমবার দুপুরে; অফিসের থাবড়ানি ভোগ না করে, মেডিকাল লিভের দৌলতে ঘরে বসে মন দিয়ে ভি সি ডি’তে আইস এজ দেখছি, তখন দিল সুপার খুশ হয়ে যায়। সাবাস ভাইরাল, উইকেন্ডটাকে পাস কাটিয়ে ঠিক রবিবার রাত থেকে গায়ে টেম্পরেচার। কি টাইমিং মাইরি। নাহ, শুধু সেলস টার্গেটি নয়, জীবনে ভগবানও আছেন। বিকেলে বউ সলিড ঝাল ফুচকা নিয়ে আসবে, তাতে নাকি জ্বিভের টেস্ট-বাড’রা জেগে উঠবে। এই বডি টেম্পরেচার আর দু দিন টানতে পারলেই হল, বিষ্যুদ-শুক্কুর অফিসে টুকি মেরেই ফের উইকেণ্ড, ক্লাস সিচুয়েশন!

অতএব কনক্লুশান?, রোগ-ভোগ মানে যে হামেশাই টেনশন-দুশ্চিন্তা-কষ্ট তা নয়। প্রাসঙ্গিক দুটি কেস:

1। জনডিস

জীবিকা অথবা জীবন- ৪

বেশ নিশ্চিন্ত মনে কাজে লেগে যায় মনু মিয়া। গরুছাগল আর হাঁস-মুরগির যত্ন-আত্তি সে ভালোই পারবে। কিন্তু রাতের বেলা যখন রান্নাঘরে বসে হাঁড়ি-পাতিল, এঁটো বাসন-পেয়ালা ধুতে বসলো তখনই তার মনটা খারাপ হয়ে গিয়েছিলো কিছুক্ষণের জন্য।

জ্বরাক্রান্ত, জরাক্রান্ত

গত কয়েক দিনে থেমে থেমে আমার জ্বর হয়েছে কয়েকবার। সর্দি-জ্বর। একটু ঠান্ডা পানি ধরেছিতো, ব্যাস শুরু হয়ে গেল হাপিশ-শো...
জ্বরের সময় সবচেয়ে কষ্ট লাগে রাতে। জ্বর বাড়ে। ১০১, ১০২...
ঘুম হয় না। একটা ঘোর। তন্দ্রা। ছটফটানি। ঘুম, ঘোর, তন্দ্রা মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। এক অন্যরকম জগতে হাবুডুবু খাওয়ার মতো। যেন অনেকগুলো অন্ধকার দলা পাকিয়ে ধেয়ে আসছে আমার দিকে। বাঁচাও, বাঁচাও। কখনো যেন বা পড়ে যাচ্ছি- খাট ভেদ করে ফ্লোরে; ফ্লোর থেকে তিন তলায়, দোতলায়, নিচ তলায়; মাটি ফেটে গিয়ে পাতালে। পতন, পতন...।
আবার কখনো যেন উড়ছি আকাশে। উড়তে উড়তে একেবারে সূর্যের কাছাকাছি। উফ, কত উষ্ণতা, কত আলো! চোখ ধাঁধিয়ে যায়, শরীর পুড়ে যায়। সমুদ্র চাই, সমুদ্র। পড়ে যাই সমুদ্রে। ভেসে উঠি, ডুবে যাই। দম আটকে যায়। চিৎকার দিয়ে জেগে উঠি।
সকালের দিকে আবার ভালো লাগে। পত্রিকা পড়ি। টিভি দেখি।

এখনো আলোর অপেক্ষায়....

আত্মাটা ভেবে ভেবে ক্ষত-বিক্ষত......
কেন এত রক্তক্ষয়,অনিয়ম আর ধ্বংসযজ্ঞ !!
লক্ষ্যটা হলো কতটুকু অর্জিত??
'অর্জন"----কথাটি যাবে কি রয়ে ;
কেবলই একটি শব্দ হয়ে..!
তাকিয়ে দেখি....
উড়ন্ত ক্রমশ বিবর্ণ পতাকাখানি
বাড়ন্ত এক ক্ষত হয় দৃষ্টিগোচর...
এ যেন হৃদয়ে ক্ষরণ রক্তের...
আর সবুজের গায়ে হলুদ ব্যাধি...।
একি তবে প্রতিবাদের নতুন এক হাতছানি !!
দৃষ্টি সমূখে অদ্ভুত আঁধার এক ;
আসছে কেবলই ধেয়ে....
কালো ধূসর মেঘ ।।
অপেক্ষায় থাকি,কবে দেবে দেখা...
মেঘের আড়ালে লুকিয়ে থাকা
রূপোলী সেই রেখা ।
মনে মনে শুধু জানি
হতে থাকে যার প্রতিধ্বনি......
----------------------
আঁধারেই আলোর কোলাহল ;
অন্ধকারই আলোর কারণ
নিকষ আঁধার চিরেই হবে আলোর বিস্ফোরণ।।

বাড়ী থেকে ফিরে

সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।পোস্ট লিখবো লিখবো করছিলাম কিন্তু লেখা হয়ে উঠলো না কিবোর্ড নষ্ট থাকার কারনে।গরীবের সংসারে আর কি একসময় পিসি নস্ট আবার হার্ড ডিস্ক নস্ট সব ঠিক যখন তখন আবার কিবোর্ড নস্ট।এইভাবেই চলতেছে মেস জীবন।কি আর করার তাই আবারো সাইবার ক্যাফেতে বসেই পোস্টটা লিখছি।গত দুই মাসে যা সাইবার ক্যাফেতে টাকা দিছি তা দিয়ে মনে হয় একটা মডেম কেনা যেতো/#)

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ