অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ৩১ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

দারিদ্র পীড়িত এলাকায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচী শুরু হচ্ছে :)

memorandum
কিছুক্ষণ আগে দৈনিক যায় যায় দিনে একটা খবর দেখে মনটা ব্যাপক খুশিতে ভরে উঠলো। সরকার দেশের দারিদ্র্যপীড়িত এলাকার ৮৬টি উপজেলায় ১হাজার ১৪২কোটি টাকা ব্যয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। আজ একনেক সভায় অনুমোদন পেলে ২০১৪ সালের জুন পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

দাস

১.
ওপার বাংলার সাহিত্যিক সুনীলবাবু বলেছেন, ঔপন্যাসিকদের নাকি স্মৃতিশক্তি ভাল থাকতে হয়। আমি উপন্যাস লেখিনি, লেখার কোনো দরকারও পড়ছে না। তবে স্মৃতিশক্তির দরকার পড়ছে। এই যেমন এখন। খুলে বলি।

খুব নাম শুনেছি অপরাহ নামের এক মহিলার দুর্দান্ত টিভি শো'র। একদিন রিমোট গুতানোর এক ফাঁকে হঠাৎ সামনে পড়ে গেল। দেখতে লাগলাম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কোন এক নাৎসী ক্যাম্প নিয়ে সেবারের পর্ব। খুব সম্ভবত অশ্বউইৎজ*। অপরাহ'র সাথে আছে একজন নোবেলজয়ী সাহিত্যিক যিনি এই নাৎসী ক্যাম্প থেকে বেঁচে ফেরা অল্প কয়েক হাজারদের* মধ্যে একজন। অপরাহ'র শো'তেই দেখলাম সেই নাৎসী ক্যাম্পের স্থানে এখন একটা জাদুঘর তৈরি করা হয়েছে, আজকের সভ্য মানুষদেরকে তাদের পূর্বপুরুষদের অসভ্যতার ইতিহাস মনে করিয়ে দেবার জন্য। সে জাদুঘরে স্তূপ করে রাখা ছোট ছোট বাচ্চার লাখ লাখ জুতা, কেটে রাখা চুল, কাপড়-চোপড়। লাখ-লাখ* নিরপরাধ শিশু বিনা দোষে মারা গিয়েছিল সে নাৎসী ক্যাম্পে। অশ্রুভেজা চোখে নোবেলজয়ী সাহিত্যিক এ বর্ণনা দিচ্ছিলেন, শেষে এসে বললেন, "অল্প কয়েক হাজার* মানুষ বেঁচে ফিরেছিল, তার মধ্যে আমি একজন নোবেল জিতেছি। ভেবে দেখুন, এই লাখ লাখ* শিশুর কতোজন নোবেল পেতে পারতো...কতোজন অস্কার পেতে পারতো..."

একটি কবিতার প্রসব যন্ত্রণা

আমি একটি কবিতা লিখবো বলে ঠিক করেছি…
মনে মনে কথাগুলো ঠিক করা আছে,
ছন্দ গুলোও গোছানো রযেছে,
অথচ লিখতে পারছিনা,
শাদা কাগজের বুকে অক্ষর সাজাতে পারছিনা,
একটি কবিতার প্রসব যন্ত্রণায় বড় বেশী অস্থির আমি…।
একটি সুন্দর কবিতার বড় দরকার আমার
নিজের সন্তানের মতো প্রিয় একটি কবিতা ।

বন্ধুদের জন্য

এ পর্যন্ত আসতে আমার মাথার ঘাম পায়ে না পড়লেও গায়ে পড়েছে । ঝুনো নারকেল ভাঙতে যে কষ্ট তার চেয়ে বেশী কষ্ট পাকা মাথায় কম্পিউটার ঢুকানো । পুত্র, কন্যা, পুত্রবধু সবার কাছে সহায়তা নিয়ে তবেই ব্লকে লিখবার সুযোগ হলো । ব্লগে ঢুকতে যেয়ে মাথা গেছে ব্লক হয়ে । যা কিছু মাথায় ছিল তা এখন সব হ্যাং হয়ে জট পাকিয়ে গেছে । এ জট খুলবে সহজে এমনটি ভাববার অবকাশ নেই । নিয়েছিলাম রম্যরচনার উদ্যোগ, গেল সব ভন্ডুল হয়ে । চব্বিশ ঘন্টা যাকে থাকতে হয় উদ্বেগ নিয়ে - তার গভীর আলোচনায় গেলে কি চলে ? পুত্র বুলবুলের মৃত্যুশোক ভুলতে কাজী নজরূল হাস্যরসাত্বক পুস্তক রচনা করেছিলেন । হ্যাং হওয়া মগজ থেকে সে বইএর নাম বের হচ্ছেনা কিছুতেই । আজ থাক, কেবল তো শুরু - "আমরা বন্ধু", কাজেই বন্ধুর এ ব্যার্থতা অন্তত প্রথমবারের মত উপেক্ষা করা যায় ।

একজন ইন্তারনেত ইউজার ও অক্ষর জ্ঞান :)

abc

আমার ৪ বছরের ভাগনীর জালাতনে অতিষ্ট প্রায়।ওয়ালেট,কলম,কাগজ,ইলেক্ট্রনিক্সের জিনিস পত্র,পারফিউম...সব তার একটু না একটু পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখা চাই Sad
তেমন কিছু বলতেও পারি না, উল্টা আমাকে ঝাড়ির উপর রাখে Sad
ভাত খেতে গেলে বলে "এই শোন, সব ভাত খেয়ে ফেলবে, না খেলে কিন্তু মার খাবে।আমার হাতে এটা কি দেখছ? খাও তাড়াতাড়ি :("

সেইদিন উনি আমাকে এসে বললেন, আমি ইন্তারনেত ইউজ করব Sad
আমি বললাম "কি ইউজ করবি?"
"ইন্তারনেত" Smile
আর কি বলব...আচ্ছা ঠিক আছে।
ভাবলাম এই সুযোগে, এবিসির একটা জ্ঞান দিয়ে দি।

আরীব ও প্রকৃতি

তাঁর সঙ্গে আমার পরিচয় ফেসবুকে। আমার স্ট্যাটাসে কমেন্ট করেন, লাইক করেন। একদিন কৌতূহলবশত তাঁর প্রোফাইলে ঢুঁ মারলাম। সরকারের অবসরপ্রাপ্ত পদস্থ কর্মকর্তা তিনি। শখ তাঁর শিশু পালন। প্রিয় উদ্ধৃতি-'প্রকৃতি প্রার্থনার বশ নয়। প্রকৃতি প্রার্থনার বশ হলে পৃথিবীর চেহারা বদলে যেত। পৃথিবীর জন্য প্রার্থনা তো কম করা হয়নি'।
কিন্তু তাঁর ওয়ালে কিছু মন খারাপ করা কথাবার্তা দেখে কষ্ট লাগল।
ফেসবুক ছাড়াও বিভিন্ন ব্লগ এবং প্রথম আলোতে আমার লেখা পড়ে তিনি প্রতিক্রিয়া জানান।
একদিন আমার ইনবক্সে তাঁর একটি মেসেজ পেলাম এরকম-'''আপনি তো অনেক লিখেন । ১ বছর ৯ মাস বয়সের একটি জীবন্ত জড়মানবকে নিয়ে লিখতে পারেন ? যার শ্রবণযন্ত্র ছাড়া আর কিছুই স্বাভাবিক নয়, যাকে সুস্থ করে তুলবার কোনো ব্যবস্থা এখনও কেউ করতে পারলো না ! মৃত্যুই যাকে তার সকল কষ্ট থেকে মুক্তি দিতে পারে, তেমন কাউকে নিয়ে কিছু লিখতে পারেন আপনি?'

গল্প: সাদা বকপাখিদের ঝাঁকে যদি আপনি আর আমি থাকতাম

আপু কি করেন, আপনি কালকে থেকে আমার ফোন ধরছেন না কেন?

-কেন ফোন করলেই ধরতে হবে না কি? এমন কোনো বাধ্যবাধকতা আছে?

না তা নেই। আপনাকে আমি যে মেইলটা করেছি দেখেছেন?

-নাহ্। কাল থেকে নেটে বসি নি।

একটা মেইল করে সেটার আবার রিমাইন্ডার দিতে হয়। আফসুস এমনই দিন-কাল পড়েছে। কপাল সবই কপাল।

-আরে না না। আসলে কাল থেকে মনটা একটু উদাস। তাই কিছু চেক করা হয় নি।

আচ্ছা কালকে কইরেন। এখন কি করতেসেন?

-বসে বসে একটা কথা ভাবতেসি।

সেটা অবশ্য ভালো। এখন মানুষ অনেক কম ভাবে। ভাবা ভালো। ভাবনায় অনেক সমস্যা দূর হয়।

-আরে সমস্যা হবে কেন, আমি ভাবছি একটা সুখের কথা।

তারমানে বিয়ের কথা?

-ঠিক। আমার হবু-জামাইটা এখন ব্যাংককে। ও যে কবে আমাকে বিয়ে করে নিয়ে যাওয়ার জন্য আসার সময় পাবে সেটাই ভাবছি।

সে আসলেই বিয়ে করে ব্যাংকক চলে যাবেন। পাতায়া বীচে বিকিনি পড়ে দৌড়াদৌড়ি শুরু?

ছেঁড়া মেঘে ছেঁড়া রূপকথা... (২)

batighar
''রাজকন্যা পড়ায় ফাঁকি দিতোনা বাবা?''
''তা দেবে কি করে? ও তো ফাঁকি দেয়া শেখেই নাই, আর তারপরেও যদি ওর কখনো পড়তে ইচ্ছা না করতো ও চুপ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতো। আর ও একটু বেশি সময় ধরে পড়াশুনা না করলেই ডাইনীটা ওর জন্যে অনেক কঠিন সব শাস্তির ব্যবস্থা করতো। যেমন সারারাত ধরে ভয়ানক চেহারার রোবট ওকে ভয় দেখাতো, নাইলে ওকে চিরতার রস গেলানো হতো কিংবা ইলিশ মাছের কাঁটা বাছতে দেয়া হতো। ওর তাই না পড়ে উপায়ই ছিলোনা যে।

আবহমান

ABOHOMAN.jpg
পত্রিকায় পড়লাম পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষ বলেছেন, তিনি না পুরুষ, না নারী। তিনি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ। এ কথা বলার পর ঋতুপর্ণ ঘোষ নিয়ে ফিসফাস অনেক কমে গেছে। আমি ঋতুপর্ণ ঘোষের এই অবস্থানটাকে সমর্থন করি।
বলতে দ্বিধা নেই, এই লোকটি সম্বন্ধে আমার ব্যাপক আগ্রহ। ব্যক্তি ঋতুপর্ণ ঘোষ নয়, তাঁর সিনেমা নিয়েই আমার ব্যাপক আগ্রহ। পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের বড় ধরণের ভক্ত আমি। সব চরিত্র কাল্পনিক ছবিটা দেখে আমি কিছুতেই বুঝতে পারছিলাম না, এই ছবিটা নিয়ে কিভাবে লেখা যায়। খেলা, দোসর বা তিতলী খানিকটা সহজ সিনেমা। সব চরিত্র কাল্পনিক ছবিটাকে সিনেমাকাব্য বলা যায়। কালপুরুষ ছবিটা দেখে যেরকম বিভ্রান্ত লাগে, সেরকম মনে হয়েছিল সব চরিত্র কাল্পনিক দেখে।
আজকের এই লেখার বিষয় অবশ্য তার নতুন ছবিটা, আবহমান। আবারও বলি আমি মুগ্ধ।

ভালাবাসার বাংলাদেশ

গিয়াস ভাইয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাসটা পছন্দ হইলো...

বুক ফাটাইয়া একটা চিক্কুর দেই... এমন হয়
এই জয় এই বিজয়
ও আমার বাংলার হৃদয় বলো, এত্ত আনন্দ রাখি কোথায়...!

আর কিছু বলার অবস্থা নেই.... আসুন কিছু ছবি দেখি।

Bangladesh

 

Bangladesh

Bangladesh 

Bangladesh

শারদীয় শুভেচ্ছা সবাইকে

বাবা পুজো দেখতে যাবো- রাজকণ্যা প্রতিবছরের মতো এবারো বায়না ধরলো। কি আর করা, গতকাল সন্ধায় বেরিয়ে পড়লাম। উদ্দেশ্য দেবীদর্শন। বাসার কাছেই সিদ্ধেশরী কালি মন্দির। প্রথম ঢু টা সেখানেই। আলো ঝলমল পুজা প্রাঙ্গন দেথে – সে কি উচ্ছাস তার। রানী – রাজকন্যা ব্যস্ত দেবী দর্শনে, আর আমি- বালিকা দর্শনে। রংগিন সাজের নানা কিসিমের মানুষ। ভালই। তবে মফস্বলর পুজোর আমেজটা এখানে নেই।
সবাই কে শারদীয় শুভেচ্ছা।
-মমিনুল ইসলাম লিটন, Cell- 01675-171733

ফাইন ফাইন!

ফুটপাতে চাকাওয়ালা চায়ের দোকান
পাউরুটি বিস্কুট আর খিলিপান
ফাউ মেলে রসালো খিস্তিখেউড়
হাই তোলে ছালতোলা ল্যাংড়া কুকুর।
এক কোণে তারে বাঁধা ক্যাসেট প্লেয়ার
বেজে চলে একমনে করে না কেয়ার
কখনো বাজছে আশা কখনো আলীম
মমতাজ পরদেশী নকুল সেলিম।

এভাবেই কেটে যায় রাত আর দিন
জীবনের সবটাই ফাইন ফাইন।

একদিন শনিবার ঠিক বারোটায়
লাঠির বাড়ি পড়ে গাড়ির চাকায়
থতমত দোকানীর পাছায় লাথি
চোখের সামনে দেখে নিভছে বাতি।
হতবাক হয়ে ভাবে দোষ কি আমার
পাওনা দিয়েছি মেপে যতটুকু যার:
এলাকার বড় ভাই বিশটাকা রোজ
আরও বিশ সরকারী রুলের খরচ।
এছাড়া রয়েছে কিছু খুচরো কামাল
মাঝে মাঝে দিতে হয় তাদেরো সামাল।
ফাউ যায় আরো বিশ রোজ গড়প্রতি
এরচেয়ে বেশি গেলে হয়ে যায় ক্ষতি।
সালাম আর সালামীতে নেই কোনো খুঁত
তবু এই ব্যবহার ভারী অদ্ভুত!

উপরে সূর্য জ্বলে মাটিতে আইন
জীবনের সবটাই ফাইন ফাইন।

এরপর দুইদিন ফুটপাত ফাঁকা

ছেঁড়া মেঘে ছেঁড়া রূপকথা... (১)

batighar

এইবার সংশয় অথবা প্রশ্ন বিষয়ক আরো তিন পয়সার আলোচনা...

যে কোনো ধইরা নেয়া সত্যরে প্রশ্নের মুখামুখি করনের প্রবণতাটা শুরু হইছিলো রেনে দেকার্তের পথ ধইরা। কিন্তু তার এই পথ আসলে মানুষরে সমস্যায়ও ফেললো। পরম সত্য খুঁইজা নেওনের যেই উদগ্র বাসনা দেকার্ত সাহেবের ছিলো, সেইটা মানুষরে অনিশ্চয়তার হাঁসফাঁস অবস্থার মধ্যে ফেইলা দ্যায়। দেকার্ত সাহেব অনেক কিছুরেই প্রশ্ন করতে শিখাইলেন, মধ্যযূগীয় মানুষের স্টিগমাটিক প্রবণতারে প্রশ্নবিদ্ধ কইরা অনুসন্ধিৎসু আধুনিক মানুষ হইয়া উঠনের প্রেরণা জোগাইলেন; কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজে গিয়া পড়লেন ধর্মানুভূতির খপ্পরে। এই ধর্মানুভূতি পরম সত্যের আশ্রয়স্থল আর একমাত্র বিশ্বাস্য পথ হইলো তার প্রক্রিয়াতে।

নারী -" ডান হাতে খড়গ জ্বলে, বাঁ হাত করে শংকাহরণ"

যুগ যুগ ধরে কোমলতার প্রতীক রুপে মানা হয় নারীকে। নমনীয়তার কোন কথা উঠলেই উপমা হয়ে আসে নারী। আজন্ম লালিত ধ্যান ধারনার মমতাময়ী বাহক। এই সুনির্দিষ্ট গন্ডির বাইরে কেউ কেউ যে বেরিয়ে আসতে চায় না তা নয়, তবে প্রবল ইচ্ছাশক্তি, প্রতিকূলতার সামঞ্জস্যকর সুব্যবস্থাপনাতে মুষ্টিমেয়রাই উদ্ভাসিত হতে পারে পাদ-প্রদীপের আলোয়। অনেকক্ষেত্রে এরাই সুপরিচিত হন ইস্পাত কঠিন রমনীতে। কাজের পরিব্যপ্তি, সিদ্ধান্ত নেয়ার দৃঢ়তা, পরিস্থিতির সাথে চলার ক্ষমতাই সমাজে নারীকে প্রতিস্থাপিত করে কঠিন মানবী রুপে। ঠিক যেন “ ডান হাতে খড়গ জ্বলে, বাঁ হাত করে শংকাহরণ ”।

ইতিহাসের পাতায় ঠাইঁ করে নেয়া অনেকের মাঝে তেমনই অনমণীয় নারী হিসেবে পাওয়া যায় হাতশেপসুৎ, এলিজাবেথ I, মাতাহারি আর মার্গারিট থ্যাচারের নাম।

হাতশেপসুৎ - রানী নয় ছিলেন যিনি রাজা!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ