শুভ জন্মদিন ভাষ্করদা
ছয় বছর হয়ে যাইতেসে এই ভাষ্করদা কে চিনি, যার লেখা ও কথা বলার স্টাইল তারে আমি অনেক পছন্দ করি! আপনার আজকে জন্মদিন, শুধু এই কারনেই পোষ্ট তা লিখতেসি!
শুভ জন্মদিন ভাষ্করদা
ওহ! আপ্নিতো বিজ্ঞাপন বানান, এক কালে আমিও আপনাকে নিয়া এক্তা বানাইসিলাম, যদিও অইটা ষড়জন্ত্র করে প্রচার করতে দেয়া হয়নাই! আজকে আমি ওইটা জনগনের সামনে তুলে দিলাম!
স্বীকারোক্তি...
বয়স অনেক হইলো। যতোই চল্লিশের দুয়ারে গিয়া পৌছাইতেছি, ততোই মনে হইতেছে কি জানি হারাইতেছি। সেই শৈশব থেইকাই এই হারানোর ভয় আমার পিছে লাইগা আছে। বাপের বাড়িতে একটা সুন্দর উঠান ছিলো। কিছুদিনের মধ্যেই সেই উঠানের উপর বাপে একটা বিশাল বাড়ি তুইলা ফেললো। যেই অসমাপ্ত বাড়ির তিনতলার কনস্ট্রাকশনের ফাঁকে ফাকে আমার সমব্রানিয়ার শত্রু-মিত্ররা স্থির দাঁড়াইয়া থাকতো। আমার সেই সমব্রানিয়া হঠাৎ একদিন লোপাট হইলো বাপের দেউলিয়া
টুটুল -নাজ পরিবারে নতুন অতিথী
অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, আজ ধানমন্ডির মাদার কেয়ার ক্লিনিকে দুপুর ১২:১০ মিনিটে আমাদের প্রিয় টুটুল ভাইকে নাজ ভাবী এক রাজপুত্র উপহার দিয়েছেন
। মা ও সন্তান উভয়ে ভাল আছে । টুটুল ভাই সকলের দোয়া চেয়েছেন ।
অভিনন্দন টুটুল ভাই !
চাকরাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কম্পিউটার স্বাক্ষরতা কেন্দ্র উদ্বোধন
গত ২৩ জুলাই ২০১০ নওগা জেলার বদলগাছি উপজেলার চাকরাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্টান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, ডি.নেট ও মাসিক কম্পিউটার জগতের সৌজন্যে একটি কম্পিউটার স্বাক্ষরতা কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়।
অপূর্ব এক তিতকুনে রাঙানো আকাশ
গরম পানির মগে ধূসর সাদা ছোট্ট টি ব্যাগটা চুবিয়ে দিলাম। মগের তলানিতে গিয়ে বসে গেল টি-ব্যাগটা চুপচাপ। কয়েক মুহূর্ত পরেই টিব্যাগের তলা থেকে সোনালি রঙের ঢেউ খেলানো লিকার মগের তলদেশ আলোকিত করতে শুরু করে। অপূর্ব এক দৃশ্য। আমি মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে থাকি। জলের ভেতর ভেজা ধোঁয়া যেন, কুন্ডলী পাকিয়ে ওঠা রঙিন লিকারগুলো ছড়িয়ে পড়তে থাকে সারা মগে।
মুভি ব্লগ: আনথিংকেবল ও আরো দুই ছবি
সন্ত্রাসবাদি হামলা নিয়ে হলিউডি মুভিগুলো আজকাল আর দেখি না, বলা যায় দেখতে চাই না। এসব মুভির বক্তব্য কি হবে সেটি না দেখেই বলা যায়। হার্ট লকার অস্কার পাওয়ার পর এখন শুরু হয়েছে ইরাকে মার্কিন সেনাদের বীরত্ব আর পায়ে পায়ে বিপদে থাকা নিয়ে ছবি। আর তাই কিনেও বর্ণ সিরিজের নির্মাতাদের তৈরি মুভি গ্রীনজোন এখনও দেখা হয়নি।
আমার প্রয়োজনের আবিস্কার নও তুমি, তুমি আমার অস্তিত্বের আরেকটি নাম ।
কোন এক অশুচি বাক্য
তোমাকে ঘিরে ধরে
তুমি ছুটে গিয়ে জানালার গ্রিল ধরে
ঝরে পড়া শীতল জল রাশির মত হিম হয়ে যাও.....
তুমি ধীরে ধীরে অনেক উত্তরে ছুটে যাও
বাঁক হারা পাগলা হাওয়ার মত।
যার কাছে বার বার ছুটে যাচ্ছিলে নিজের সব কিছু ভুলে
ভাবছিলে সে তোমায় খুব করে ধরে রাখবে তাই না ?
এ কথাটা তুমি আজ অবধি কাউকে বলোনি
নিজের মত থেকেও দূর দূর করে তাড়াতে
চেয়েও পারোনি,
পাগলা হাওয়ারা যেমন বাঁক খেয়ে ফিরে আসে
নির্বিঘ্নে তুমি তোমার দখিনা জানালার ফিরেছ বার বার.....
একটি কটু বাক্য তোমায় খুব করে আহত করে
সমাজে সভ্যতাধারী কিছু কিছু মানুষ এমনই
ওদের জ্ঞান অতটুকুতেই সীমাবদ্ধ।
সমাজ সভ্যতার নিরিখে বাস্তবতা কে আবিষ্কার
করতে থাকি ঠিক তখনই,
যখন তুমি কিংবা আমি বাস্তবে পরাবাস্তবের মুখোমুখি।
যত আঁধার কে তুমি সাথী করে নিয়ে ছুটে যাচ্ছিলে
আমিও ঠিক এগিয়ে গেলাম তোমার কাছাকাছি
সমাজ সভ্যতার সামনে দিয়ে।
পুরোনো স্কুল
পুরোনো স্কুলে গেলেই পুরোনো রকম বিহ্বলতা ভর করে, সেই পুরোনো স্যারের সামনে কাঁচুমাচু দাঁড়িয়ে থাকা, স্যারের চেনা ধমক, সেই পুরোনো শ্রদ্ধা আর ভীতি- নিজেকে পুনরায় স্কুল-পালানো একজন মনে হয়। এখন যারা স্কুলের মাঠার চারপাশে দাঁড়িয়ে আছে, তাদের কেউই আমি স্কুল ছাড়বার সময়ও জন্ম হয় নি। আমাদের স্কুলত্যাগের বয়েস এতটাই বেড়েছে, মাঝে একটা প্রজন্মের ব্যবধান। স্কুলের সামনের মাঠ বদলে গিয়েছে, আমরা যে মাঠে ফুটবল খেলতাম সে
হ্যাডম ইন্সপেক্টর!
বাংলাদেশে পিডিএ নিষিদ্ধ না নাকি পিয়াল ভাই! বছর খানেক আগে প্রশ্নটা করেছিলো অরূপ। কথাটার অর্থ বুঝিনি, ধরে নিয়েছিলাম ওর মতো মানুষ যখন বলছে তখন বিষয়টা কোনো হাইটেক গ্যাজেট হবে। এরপর সে ব্যাখ্যা দিলো পিডিএর- পাবলিক ডেমোনেস্ট্রন অব অ্যাফেকশন। অন্যভাবে বললে দিনদুনিয়া ভুলে যাওয়া। আরেকটু কঠোর ভাষায় -প্রকাশ্য বেলেল্লাপনা। ধানমন্ডী লেকে কয়েকটা ঘটনা দেখে জানতে চেয়েছিলো অরূপ। উত্তরটা দেওয়া হয়নি।
আকাশের নানা রং





আসলে এইছবিগুলো দিলাম রায়হান ভাই আর সাঈদভাইয়ের জন্য উনারা যদি দয়া পরবশ হইয়ে ভালো ছবি কেমনে তুলে এই নিয়ে শিক্ষামুলক পোস্ট দিতো তাহলে দেশ জাতি তাদের কাছ থেকে কিছু পেতো।
আমার সারা জীবনের জন্য রাখা একটি ফেসবুক নোট(স্মৃতি ব্লগ)
ফেসবুকের নোট টা
সরকারী কাজে কম্পিউটারে অভ্র কীবোর্ড দিয়ে বাংলা ব্যবহারের নির্দেশ। খুশি লাগছে!
(অভ্র প্রেমিক বন্ধু আনোয়ারুল আজিম থেকে নিউজটা দেখে মনটা খুশি হয়ে গেল। আপনাদের শেয়ার করলাম। কাগু তো মনে হয় হার্ট ফেল মারবে! সত্য সব সময়ই সত্য।)
তারিখঃ মে ১৯, ২০১০ইং
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়।
বিষয়ঃ বাংলা ইউনিকোডের ব্যবহার শুরু করা প্রসঙ্গে।
হাসপাতালে
আমরা জাতিগত ভাবেই নোংরা এটা বুঝা যায় সরকারী হাসপাতালগুলোতে গেলে,আমাদের সৈন্দর্য্যসচেতনতা, বিবেচনা ও পরিচ্ছন্নতা বোধের পরিমাণ শূণ্যের চেয়ে নীচে। সরকারী হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মান হয়তো অন্যান্য সস্তা প্রাইভেট ক্লিনিকের তুলনায় ভালো, সেরা সেরা ডাক্তারেরা সেখানে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন তবে যদি রোগী এবং তাদের স্বজনদের ভেতরে পরিচ্ছন্নতাবোধটুকু না থাকে তাহলে সেখানে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখা কঠিন।

