আর ভয় নাই- এখন আসুন মামা, আমি তৈরী অবস্থায় আছি!
আর ভয় নাই- এখন আসুন মামা, আমি তৈরী অবস্থায় আছি!
(থাঙ্ক ইউ মেহেদী, গেট আউট জব্বার!)
একটা বিষয়ে আপনাদের সাথে শেয়ার না করে পারছি না। কদিন আগে অভ্র ও জাব্বার নিয়ে যে বিতর্ক হয়ে গেলো তাতে আমার একটা লাভ হয়েছে! আমি অভ্র লোড করে বাংলা লিখা শিখে ফেলেছি! যে বাংলা টাইপিং দেখলে ভয়ে পালিয়ে যেতাম আজ আমি বাংলায় চেটিং(!) ও করছি। কম্পিউটার এ বাংলা লিখতে হবে বলে আমি অনেক কাজ করতাম না। আর ভয় নাই- এখন আসুন মামা, আমি তৈরী অবস্থায় আছি!
মজার বিষয় হল আমি বাংলা শিখে আমার আত্নীয় সজন দের মেইল পাঠাছিলাম - আমার মা বোন ইতালীতে থাকেন। এত কাল এংলিশ-বাংলা করে মায়ের/বোনের/ভাগিনার সাথে মেইলে কথা হত। মাকে ও বংলিশ শব্দ গুলো পড়ে শুনানো হতো - কি যন্ত্রনার কথা ছিল! আজ তিনি নিজেই মেইল পড়ছেন! কি মজা! দেখুন আমাদের মেইল গুলো-
ছবি তোলার ইচ্ছা ও তুলতে না পারা
অনেক দিন আগে থেকেই শুরু না। বেশ কিছুদিন আগে যদিও তুলতাম সেটা তোলার জন্যই তোলা। একটা ক্যামেরা ছিল, ফিল্মের। সেইটা দিয়া ফোকাস করে ছবি তুলতাম ব্যাস। তবে ফটোগ্রাফি কোর্স করার ইচ্ছে যে হয় নাই তা না। তবে আরও শ পনের ইচ্ছার মত এইটাও বাস্তবায়নের মুখ দেখে নাই। আগ্রহটা আসে যখন বছর দেড়েক আগে একটা ডিজিটাল ক্যমেরা হাতে পাই। ছবি তোলার নিয়মরীতি জানিনা কিছুই। খালি ছবি তুলি। ফুলের ছবি তুলি। নদীর ছবি তুলি। কাকের ছবি
নতুন সংসার শুরু করতে যাচ্ছি,
বিয়ের পর মনে হচ্ছিল স্বপ্ন দেখছি। তারপরের সময়টাও সেই রকমই ছিলো। ইদানিং বউ অভিযোগ করছে, আমি নাকি আগেই বেশি রোমান্টিক ছিলাম, এখন নাকি চামার স্বভাবের হয়ে যাচ্ছি। এতকাল চাকরি করতাম, আর জমিদারি হালে চলাফেরা করতাম। বাইরে খাইতে খাইতে স্বাস্থ্যও মাশাল্লাহ বেশ ভালো (!!) হয়ে গেছে। তারপর দেখলাম কালে কালে দুপুর হয়ে
তারেও তো ভুলতে পারি না
ববিতার পর যার প্রেমে পড়ছিলাম তিনি হইলেন ডিম্পল কাপাডিয়া। ববির ডিম্পল না, ফিরা আসার পর যে ডিম্পল তিনি।

যন্তণা!
ডাক্তারদের কথামতে আমি একজন অভিমানী মানুষ! অ্যালার্জিক সেন্সিটিভিটির কথা বলছি। নতুন কাপড় পরলেও হাঁচি পায় আর দেরাজ থেকে বের করা পুরোনো হলেতো কথাই নেই, হাঁচি সম্মেলন শুরু হয়! আমার বন্ধুরা আমার হাঁচিরোগ নিয়ে মহা বিরক্ত, কারণ কয়েকটা হাঁচি দেবার পরেই তাদের গুনতে ইচ্ছে করে আর অন্য যেকোন কাজ চাঙ্গে ওঠে। এখন পর্যন্ত রেকর্ড ১৩৪টা...তবে আমার চাচাতো ভাইয়ের রেকর্ড নাকি আরও বেশী!
অবশেষে ফটোসেসনে রাজী হলেন মিস ববিতা – (মাসুম ভাই নিখোঁজ)
ভাবিতেছি মাসুম ভাইয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে, সেদিন উনি ববিতা নানুর ফটোসেসনের অর্ধেক ফটু দিছেন, বড়ই আফসোসের ব্যাপার বাকি ফটুগুলান মাসুম ভাই কুক্ষিগত করছেন, এই জন্য ঝাতি আজ মাসুম ভাইকে ধিক্কার জানায়। এই খবর পাওয়ার পর মাসুম ভাইকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। 
আমরাবন্ধু ব্লগের নীতিমালা, ডুয়েলিঙ-পোস্ট এবং একজন সাধারণ ব্লগার
আমরাবন্ধু ব্লগের মডারেটর (বা মডারেটরবৃন্দ) কিছুদিন আগে জানিয়েছেন যে তারা নীতিমালার প্রয়োগ করবেন কঠোরভাবে। যদি-ও পূর্বের নীতিমালায় কিছু পরিবর্তন হয়েছে এবং অনেকে জানেন না বা নজর দেন নি, সেটা মুখ্য নয়- সেই প্রয়োগকে কেন্দ্র করে ব্লগার মানুষ, ব্লগার হিমালয় এবং ব্লগার রোবটের কিছু পোস্ট প্রথমপাতা থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে ডুয়েলিঙ পোস্ট সম্পর্কিত নীতিমালার আওতায়।
ন কবিতা (দাড়ি কমা বাদে, ১০০% কপিরাইটেড )
তোমাকে দেখি আর নিজেকে দারুন উচ্ছৃংখল লাগে
তোমাকে দেখি আর নিজেকে বড় অপাংক্তেয় লাগে
আমাকে উচ্ছৃংখল রেখে তুমি
দু'পায়ে আলতা মেখে হাঁটছো ওই সংসারে
ভরাডুবি চাঁদটাকে আজ বিষ জ্যোৎস্নায় চুবিয়ে
খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করে
নেক্সাস ওয়ানে বাংলা- ক্যামনে কি?

এই পোষ্ট যদি আপনারা কেউ না পড়েন তাইলে কোন কথা নাই। আর যদি পড়েন তাইলে দুইটা কথা আছে। প্রথম এবং সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ কথা হইতেছে, আমি টেকি কেউ না। সুতরাং আমার উপদেশ অমৃতবচন মনে করিয়া কেউ যদি বিপদে পড়েন তাইলে আমি দায়ি থাকিব না। এবং দ্বিতীয় কথাটা হইতেছে এইসব আকাম কুকাম করলে আপনার নেক্সাস ওয়ানের ওয়ারেন্টি ভয়েড হইয়া যাইবে; অতএব সাধু সাবধান। তাইলে আসেন বিসমিল্লাহ বইলা শুরু করি। চাইলে দুই রাকাত নফল নামাজও পড়তে পারেন। সাবধানের মার নাই।
আজাইরা ৩
তার চোখে অবিরাম মুক্তো ঝরছিলো
কষ্টগুলো নুনের দানার মতো গলছিলো গালে
উথলে উঠেছিল তার নীল সাগর
সহসা আকাশ থেকে নেমে এলো দেবদূত এক
শুধালো হে প্রেমিকা তোমাকে আজ মুক্তোশূন্য করা হবে...
ঈশ্বরের নির্দেশে, চাও?
বললো, আমি আকাশে উড়তে চাই না
মিশতে চাই না নরম বাতাশে
আমি রয়ে যেতে চাই এই পৃথিবীর পথে
জলে ডুবে থাকা পাথরের টুকরোর মতো-
যেথা মোর প্রিয়তম গেছে হাঁটি'
বললো দেবদূত, সে তো গেছে দূরে
দুইটি মৃত্যু
দুলে দুলে পুঁথি পড়ছে যেনো ছটোন, বিকেল টা বুঝি শেষই হয়ে গেলো।
..a cow is the domestic animal........a cow is the domestic animal.....a cow, a cow, a cow is the domestic animal.......
আজকে আর দুটো শপাট শপাট বারি মারা হলোনা টেপ টেনিস বলে। মনটা খারাপ হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু মায়ের আজকে মেজাজ ভিসুভিয়াসের মত, লুকিয়ে বের হবারও সাহস করে উঠতে পারলো না...
যৌন হয়রানি প্রতিরোধ আইনের খসড়া ও একটি প্রস্তাব
'শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ আইন'-এর প্রাথমিক খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সহায়তায় বাংলাদেশ আইন কমিশন এই খসড়া তৈরি করেছে। আইন কমিশনের পক্ষ থেকে খসড়া চূড়ান্ত করে সরকারকে দেওয়া হবে। এরপর আইন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ
শীতঘুম
শুনেছি তুমি নাকি এখনো অপেক্ষায় থাক?
পৌষ-ফাগুনের পালা আসে ঘুরে ফিরে।
কার্তিকের নবান্ন ফুরিয়ে গেলেও,
ঘাস-ফড়িঙের রঙিন ডানায়, এইসব বখাটে রাতে
শুনেছি এখনো নাকি স্বপ্ন সেলাই করো।
এখানে সকলে শীতঘুমে।
মধ্যবয়েসী মনে জমেছে মেদ।
না জেগে বাঁচার আচ্ছন্নতায়
এক জীবন পেরুবে তারা।
শুনেছি তুমি ঘুমুতে পারোনি।
এইসব পালাগান ফুরিয়েছে,
কবিয়াল নিয়েছে বিদায়,
ডানা ভাঙা ঘাসফড়িং চিত হয়ে মরে আছে ঘাসে,
একজন কবিকে খুঁজছি !!!!
একজন কবিকে খুঁজছি। কবি ভাইয়েরা আওয়াজ দিয়েন প্লিজ। সেই কবিকে জব্বার পুরষ্কার দেয়া হবে।
তবে তার আগে বলতে হবে নিচের কবিতা টি তার লেখা কিনা।
কর্ণ - এক দূর্ভাগা যোদ্ধা অনাকাঙ্খিত সূর্য সন্তানের জন্মোপাখ্যান
যাদব বংশের রাজা সূরার রাজপুরী আলোকিত করেছিল এক অপূর্ব সুন্দর রাজকন্যা পৃথা, কালক্রমে যার রূপ গুণের ক্ষ্যাতি ছড়িয়ে পরে নিজ রাজ্য ছেড়েও আরো অনেক দূরে। রাজা সূরার নিঃসন্তান ভাই কুন্তীভূজার অনুরোধে সূরা তার কন্যা পৃথা কে কুন্তিভূজার কাছে দত্ত্বক দেন। সূরার ঘর আলোকরা পৃথা কুন্তীরূপে কুন্তীভূজার রাজ্য আলোকিত করতে থাকে। সেই সময়ে ধ্যান করতে করতে বিরক্ত হয়েগেলে মুনি-ঋষী রা বিভিন্ন রাজার আতিথ্য গ্রহণ করতেন।