অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

কচ ও দেবযানী উপাখ্যান

সে অনেক অনেক কাল আগের কথা, সেই সময়ের কথা যখন স্বর্গের দেবতারা কারণে অকারণে ধুলোর ধরণীতে নেমে আসতো, যখন নশ্বর মানুষেরা তপস্যার বলে বলীয়ান হয়ে কখনো কখনো দেবতাদের চেয়েও বেশি ক্ষমতাধর ও জ্ঞানি হতে পারতেন। এই গল্প সেই সময়ের গল্প যখন ত্রী-ভূবন এর কর্তৃত্ব নিয়ে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল দেবতা আর অসুরেরা। দেবতা ও অসুরদের সেই যুদ্ধে অসামান্য ভূমিকা রেখেছিলো কিছু নশ্বর মানুষ।

ডাইরী ৯৫

এক.
কদিন ধরেই টানা চোখ খুলে বসে আছি।

একদা মাকোন্ডো শহরবাসীরা জেনেছিলো ঘুমের অভাবে স্মৃতিভ্রষ্ট হতে হয় মানুষেরে। তাই তারা কাগজে লিখছিলো অভিজ্ঞতা সমূহের নাম। আর আমার বারবার মনে হতে থাকে, অচীরেই আমি লিখতে ভুলে যাবো।

দুই.
সেই শৈশবের কাল থেকে ঝড়ের নৈকট্যে বেড়ে ওঠা। আর আজ ঝড়টাকে অচেনা মনে হলো। অচেনা ঝড়ের তান্ডব মিলিয়ে গেলো নিমেষেই...এই শহরটারে তার অচেনা লেগেছে?

তিন.

এক বৈশাখে


 আমরাবন্ধুতে যখন বৈশাখের স্মৃতি নিয়ে লেখা আহবান করা হলো, আমি আঁটঘাঁট বেঁধে বসলাম - কিছু একটা লিখেই ফেলবো এইবার! কিন্তু একটা অক্ষরও লেখতে পারলাম না। আমার জন্য লেখালেখিটা কোনোকালে সহজ ছিল না, এমনকি স্মৃতিকথাও না। স্মৃতি বলতেই সবার মনসচক্ষুতে ভেসে আসে হাসি-কান্না-অভিমান-ভালোবাসার মিশেলে টুকরো টুকরো অনেক ঘটনা। আমি এইদিক দিয়ে বড়ই অভাগা। আমার স্মৃতির সাথে দল বেঁধে ছুটে আসে স্মৃতিবিভ্রম, স্মৃতিবিভ্রাট সহ নানা গুন্ডা-পান্ডারা; আমাকে স্মৃতিভ্রষ্ট করে দিয়ে তারপর দাঁত কেলিয়ে হাসে।
 

আমার নববর্ষ উদযাপন

পৃথিবীর তাবত বাঙালীর মতো আমিও বাংলা দিনপঞ্জিকার ধার ধারি না। তবে কিনা পহেলা বৈশাখ আসলে আর সবার মতো আমার মনেও বসন্তের মৃদু সমীরন বইতে শুরু করে। এইখানে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে, ভরা বৈশাখে কেন বাসন্তী সমীরন?

আমার আমি

মানুষকে বিশ্বাস করে ঠকার সম্ভাবনা আছে জেনেও
আমি মানুষকে বিশ্বাস করি এবং ঠকি। গড় অনুপাতে
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি।
কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা। আমার
ভুমিষ্ঠ দিন হচ্ছে ১৬ সেপ্টেম্বর, কোনো এক বছর।
সে সুবাদে কন্যা রাশির জাতক। নারীদের সাথে
আমার সখ্যতা বেশি। এতে অনেকেই হিংসায়
জ্বলে পুড়ে মরে। মরুকগে। আমার কিসস্যু
যায় আসে না। দেশটাকে ভালবাসি আমি।

খাইতে দেওয়ায় বইতে চাই.. [আমরা বন্ধুতে আরও চাহিদামূলক পোস্ট!!]

লেখাটা কি শুদ্ধ ভাষায় দিব? নাকি ভুগিচুগি টাইপস কইরা দিব?? ভাবতেছি... ভাবতেছিই.... যাই হোক... ভাবাভাবিতে ক্ষান্ত দেই, এখন বরং নববর্ষের উৎসব পালন করি। তাই, বাংলার প্রতি একটু সম্মানপ্রদর্শনপূর্বক মোটামুটি শুদ্ধ ভাষায় লেখার চেষ্টা করি..

ভেতর বাহির (দশম পর্ব)

চৌদ্দশ সতের এর এই পড়ন্ত প্রভাতে রোদের বাড়ন্ত বেলায় বন্ধু যারা এইখানে আমরা বন্ধু আর তা ছাড়িয়েও যারা আরও ছড়িয়ে সকলকে সদ্যকালীন মহা প্রত্যাশিত বৃষ্টির ঝিরিঝিরি নব বছরের প্রীতি ও অন্তরের অন্তস্থল থেকে অভিনন্দন।

স্মৃতির পহেলা বৈশাখ

cover_0.gif
ঠিক যখন নতুন বছরের নতুন সূর্য । উঁকি দিচ্ছে আকাশে, পাখিরা জেগে উঠছে, রমনার বটমূলে শুরু হচ্ছে বৈশাখবরণ। ঠিক তখন প্রকাশ হলো পহেলা বৈশাখের ই-পুস্তক "স্মৃতির পহেলা বৈশাখ"। আমরা বন্ধুর ব্লগারদের বৈশাখের স্মৃতিচারণ সংকলন।
যারা লেখা দিয়েছেন, তাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

ডাইরী ৯৪

এক.
চোখে বিষাদের রেখাগুলি বৈশাখের তেজ উপেক্ষা করেছে আজ।

কালবৈশাখী কালের আকাশে যেমন মেঘ, উপেক্ষায় চলে জমিনের আব্দার। মমতা মাখানো আলো ছড়িয়ে দিয়েই তারা ফাঁদ পেতে রাখে চুপিসারে। তখন সাদাটে আলোর আড়ালে তারা তান্ডবের রেখা আঁকে ইচ্ছেমতো...

চোখে বিষাদের রেখাগুলি ক্রমে বিষাদ পরিধী ধরে বৃত্তবন্দি হয়...

দুই.

এক বৈশাখে দেখা হয়েছিল

এক বৈশাখে দেখা হলো দুজনার
জোষ্টিতে হলো পরিচয়
আসছে আষাঢ় মাস, মন তাই ভাবছে
কী হয় কী হয়
কী জানি কী হয়
এক বৈশাখে দেখা হলো দুজনার

তখনি তো হলো দেখা
যেই না নয়ন কিছু পেয়েছে
জানাজানি হয়ে গেছে
অধর যখনি কথা পেয়েছে
জানি না তো কী যে হবে
এর পরে কিছু পেলে এ হৃদয়
আসছে আষাঢ় মাস, মন তাই ভাবছে
কী হয় কী হয়
কী জানি কী হয়
এক বৈশাখে দেখা হলো দুজনার
জোষ্টিতে হলো পরিচয়
আসছে আষাঢ় মাস, মন তাই ভাবছে

নববর্ষ স্পেশাল: রিয়াল লাইফ কৌতুকস্ ইন জাপান

... (+১২ --> +১৮ --> +৩০) ...
[*প্রত্যেকটি "জুক্স"ই রিয়াল লাইফে ঘটা, পাত্রপাত্রীর নাম সঙ্গতঃ কারণেই উহ্য রাখলাম।
**আগেই সাবধান কইরে দিই,পোস্টে দেয়া লিংকে গিয়ে ইংলিশ টু জাপানীজ অনুবাদ করে কল্পনাতীত খাচ্চর খাচ্চর শব্দের মুখোমুখি হইলে সেইটা আপনের দায়, আমি কিন্তু সাঁকো নাড়াইতে, মানে ক্লিক ওই লিংকে যাইতে কইনাই ;)]
==============================================

১.

নববর্ষের শুভেচ্ছা এবং কিছু সুখবর

শুভ নববর্ষ

আমরা বন্ধুর সকল বন্ধুদের জানাই পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা

বউরে ডরায় না কেডা?

করিম সিদ্ধান্ত নিছে জীবনেও সে বিয়ে করবে না। একদিন সবাই গিয়া ধরলো, কেন বিয়া করবা না। করিমের জবাব, ভয়ে। বিবাহে তার ভয় নাই, ভয় বৌকে। যে জীবনেও বিবাহ করে নাই তার আবার বৌকে ভয়? কেমনে কী?
করিম বললো, অনেক আগে একবার বন্ধুর বিয়ে খাইতে গেছিলাম। ভীড়ের মধ্যে হঠাৎ এক মহিলার শাড়ীর আঁচলে পা পইরা গেলো। সেই মহিলা ঘুইরাই কইলো, চোখের মাথা খাইছো? দেইখ্যা হাঁটতে পারো না? এক চরে দাঁত ফালাইয়া দিবো। কোনো কান্ডজ্ঞান নাই। আন্ধা কোনখানকার।
এইটুক বলার পরই সেই মহিলার চোখ পড়লো আমার উপর। জিহবায় কামড় দিয়া কয়, ও সরি, আপনি। আমি ভাবছিলাম আমার হাজব্যান্ড।

সেই কথা করিম ভাবলে এখনও আইতকা ওঠে। তারপর থেকেই তার প্রতিজ্ঞা, জীবনেও বিবাহ করবে না।

তাইলে পুরান আরেকটা গল্প কই। আগেও সামুতে বলছিলাম।
চোর ধরা পড়েছে। ধরলো আবার দবিরের বউ সখিনা। খালি ধরাই পড়েনি, সখিনা তাকে এমন মার দিয়েছে যে বেচারা চোর হাসপাতালে।

আবজাব-৬

আমি বারবারই ভাবি মৃত্যু কি? আত্মার প্রস্থান নাকি, শরীরের অনুপস্থিতি। বারবারই দ্বিধান্বিত হই।

টহল পুলিশ - আপনার কোন কাজে লেগেছে?

'টহল পুলিশ' শব্দটা শুনলেই চোখে ভাসে কাঁধে ৩০৩ রাইফেল ঝুলিয়ে ২/৩ জনের একটা পুলিশদল রাস্তার পাশ দিয়ে অলস পায়ে হেঁটে যাচ্ছে কিংবা মোড়ের পানবিড়ির দোকানের টুলে বসে আড্ডা দিচ্ছে অথবা ফুটপাতের পিলার হেলান দিয়ে বসে বসে ঝিমোচ্ছে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ