অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ৬ জন অতিথি অনলাইন

আমরা অসুস্থ সরকার চাই না

দু’সপ্তাহ আগে একদিন অবরোধের দিন জরুরি কাজে আগ্রাবাদে যেতে হয়েছিল।অনেকদিন পর একা একা বাসার বাইরে যেতে কেমন যেন লাগছিল।মনে হচ্ছিল সব কেমন অন্যরকম। বাসা থেকে অন্যরা বলে দিয়েছিল,সাবধানে যাস।ভাবখানা এমন যে আমি বোধহয় নতুন পথ চলতে শিখেছি।
বাসা থেকে বের না হলেও টিভি চ্যানেল আর পত্রিকার কল্যানে দেশের অস্থির পরিস্থিতির খবর ঠিকই জানতাম।কিন্তু সেদিন আগ্রাবাদে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বেরিয়ে দেখি রাস্তা অনেক বেশি ফাঁকা।সাধারণত অবরোধ হলে দূর পাল্লার গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকে বা চললেও খুব কম চলে।কিন্তু অবস্থা তো দেখি হরতালের চেয়েও খারাপ।
যাক অনেক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর একটা সিএনজি পেলাম।অন্যসময় সিএনজি ড্রাইভাররা যা ভাড়া তার চেয়ে অনেক বেশি চায়।দরদাম করতে হয় ।এদিনের সিএনজি ড্রাইভার দেখলাম যা ভাড়া তাই চাইল। সিএনজিতে বসে জিজ্ঞেস করলাম,আজ সিএনজি এত কম কেন? গন্ডগোল হচ্ছে নাকি।
তিনি বললেন, হ্যাঁ ,হঠাৎ হঠাৎ করে ককটেল মারে।আগুন লাগাইয়া দেয়।তাই ভয়ে কেউ বাইর হইতে চায় না।
তখন বেআক্কেলের মতো প্রশ্ন করে বসলাম, আপনি বের হলেন কেন?

নপূংসক দেশ

আমি ক্ষুব্ধ, ভীষণ ক্ষুব্ধ !
মনে হচ্ছে বাংলাদেশ নপুংশক হয়ে গেছে !
কাপুরুষ হয়ে গেছে সবাই !
স্বদেশ,স্বজাতির প্রতি কারো দায় নাই,
কর্তব্য নাই ।
বিশ্বাস ঘাতক হয়ে গেছে পুরো জাতি ?
একজন সৎ মানুষও অবশিষ্ট নাই আর ?
সবাই জাহান্নামে চলে গেছে?
দেশটাকেই নরক বানিয়ে রেখে ?

কোথায় রফিক আজাদ আজ?
'ভাত দে হারামজাদা' বলে
জনককেও চ্যালেন্জ ছুড়েছিলেন যিনি !

কিংবা নেয়ামত হোসেন ?
" রক্ত দিয়ে কিনলাম শালার এমন স্বাধীনতা "
লিখে আলোড়ণ তুলেছিল যার কলম !

দেশতো আজ সে দিনের অজাচার থেকেও
লক্ষ গুণ কদাচারের করাল গ্রাসে !
রাহু-কেতু গিলে খাচ্ছে সব ।
মানুষের রক্তে ভেসে যাচ্ছে দেশ,
ঘৃণার আগুনে পুড়েৃ যাচ্ছে জননী ।
কেউ জাগবেনা তবু ?
নপুংশক র‌য়ে যাবে ?

স্বেচ্ছায় নামবেনা কেউ ওরা
চূড়া থেকে । কেউ নামেনা ।
জনক নামেনি, ঘোষক স্বৈরাচার কেউনা ।
ওদের নামাতে হয় , প্রয়োজনে ঘাড় ধরে ।

আমি ক্ষুব্ধ, ভীষণ ক্ষুব্ধ !
ক্ষুব্ধ চিত্তে কামনা করছি..
কেউ একজন আসুক ....
দুই হন্তারককে হটিয়ে দিক !

স্মৃতিতে অম্লান ময়ূরপঙ্ক্ষী নৌকা

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালীন আমার বয়স তেমন বেশি নয়। তবে অনেক কিছুই স্মৃতির আয়নায় মাঝে মধ্যে উঁকি দেয়, এই যা। দিনক্ষণ মনে না পড়লেও স্পষ্টই মনে পড়ে, যুদ্ধ-উত্তর বাংলাদেশে রমনা রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আগমনে বিশাল একটি আয়োজন হয়েছিল। আর এ উপলক্ষে তৈরি করা হয়েছিল বিশাল একটি মঞ্চ, যা ছিল ময়ূর আকৃতির। তাই ময়ূরপঙ্ক্ষী নৌকা হিসেবেই এটি পরিচিতি পেয়েছিল। নদীমাতৃক বাংলাদেশে ময়ূরপঙ্ক্ষী নৌকা নিয়ে আছে নানা কল্পকাহিনী, আছে বাস্তব ঘটনাও। ময়ূরপঙ্ক্ষী নৌকা আমাদের সংস্কৃতিতে মিশে আছে। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে বাঙালি জাতির জনককে বাংলার ঐতিহ্যে বরণ করা হয়েছিল খুব সম্ভব এ কারণেই। সে সময়ে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন অনেকের মধ্যে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। কারণ স্বাধীনতাযুদ্ধকালীন ভারত বাংলাদেশের মিত্র হিসেবে কাজ করেছে।

শহীদ বুদ্ধিজীবিদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি - পর্ব এক

জহির রায়হান

জহির রায়হান

বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং লেখক জহির রায়হান ১৯শে আগষ্ট ১৯৩৫ সালে ফেনী জেলার একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫০ সালে আমিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিকুলেশন পাশ করে ঢাকা কলেজে ভর্তি হন যেখান থেকে তিনি পরবর্তীতে আই এস সি পাস করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রী অর্জন করেন।

প্রথম জীবনে তিনি কমিউনিস্টদের আন্দোলনের প্রতি ঝুঁকে পড়েন। পরবর্তীতে যখন কমিউনিস্টদের রাজনীতি নিষিদ্ধ হয় তিনি তখন আত্মগোপনে চলে যাওয়া নেতাদের বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করতেন। মজার তথ্য হলো তার নামের শেষাংশ "রায়হান" আত্মগোপনে যাওয়া নেতাদের দেয়া। জহির রায়হানের প্রকৃত নাম জহিরুল্লাহ।

মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা শেষ পর্ব

তাদের ১০ জনের ৮ জন বিশ্বাস করে নাগরিকের মৌলিক চাহিদা পুরণের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। তারা বিশ্বাস করে সকল নাগরিকের অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা, শিক্ষার দায়িত্ব গ্রহন করার রাষ্ট্রের কর্তব্য। তারা মনে করে রাষ্ট্রের খাস জমি দরিদ্রদের সমবন্টন করতে হবে। তাদের ১০ জনের ৯জন বিশ্বাস করেন ভোট দেওয়া নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার। তাদের ১০ জনের ৫ জন বিশ্বাস করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে নারীদের তুলনায় পুরুষেরা বেশী যোগ্য, দক্ষ।

টু হানড্রেড!

শাহবাগের উত্তাল দিনগুলোতেও ব্লগে সিরিজ ধরে পোষ্ট লিখে ছিলাম, গাল ভরা নাম ছিল 'নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময়'। সেই সিরিজের সম্ভবত দুই হালির উপর পর্ব ছিল। অনেকে প্রশ্ন করতো শ্রেষ্ঠ সময় কিভাবে ফলবিহীন হবে?

ধূসর গোধূলিঃ খেলা...

dhusor godhuli-19_0.jpg

বটতলার হাটের ইজারা নিয়ে হাঙ্গামা আজ নতুন নয়। গত কয়েক মাস ধরেই ঘাটের মাঝি কিংবা হাটের দোকানদারদের সাথে বাদলের বাক-বিতণ্ডা যেন নিত্য নৈমত্তিক ব্যাপার। বিনা নোটিশে ঘাটের টোল বাড়ানোর প্রতিবাদে খেয়া নৌকার মাঝি, মাছ ধরার নৌকার মাঝিরা কয়েক দফায় নৌকা বাওয়া বন্ধ রেখেছিল। এই নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে ইজারাদার বাদল আর হারু মেম্বরের ভাই মজনুর রেষারেষি লেগেই আছে। ঘাটের মাঝিরা তাদের দাবীতে অনড়, তারা বাড়তি টোল দিবে না। দরকার হলে তারা নৌকা বাওয়া ছেড়ে দিবে। বাদলের অভিযোগ মজনু নেপথ্যে থেকে কলকাঠি নাড়ছে।

অনেকদিন ধরে জমাটবাধা বরফ গলাতে আজ দুই পক্ষকে একসাথে বসানো হয়েছে। চেয়ারম্যান বশিরুল্লাহ পাটোয়ারীকে আনা হয়েছে একটা শান্তিপূর্ণ ফয়সালা করতে। নৌকার মাঝিদের অভিযোগ জানতে চাইলে কাজেম মাঝি বলে ওঠে,

অমুসলিমরা কোথায় যাব?

এই দেশ স্বাধীন করতে কে কী করেছে তা সবারই জানা। একটি স্বাধীন দেশ পাওয়ার জন্য সবাই মুক্তি সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়েছিল। বাঙালি কী আর অবাঙালি কী। সবাই পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। সেই ইতিহাসে না যাই। কারণ সেসব ইতিহাস সবার জানা আর না জানা থাকলেও কোন ক্ষতি নেই। কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তাহীনতায় আছে অমুসলিমরা। সুতরাং তাদের অতীতের ইতিহাস জেনে কী লাভ। সময় নিয়ে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে অনেক ঘোরা যাবে কিন্তু বর্তমানে বাস্তবতায় ফিরে আসা সবচেয়ে জরুরী।

কাহি তুমি কার?

কাহি তুমি কার?
(আঞ্চলিক)

কাহি মোদের রওশেন
একবার ভেবে কওছেন
দোষটা কী কাহার
তার এতো কষ্টে
লাভ কি তোঁয়ার।

সুখের একি সংসার
ভেঙে ক্যান ছারখার
কাহারে করলা তুমি
বড়ই অপমান
যায় বুঝি তার জান।

কাহা মোদের এরশাদ
বুঝবে তুমি এর স্বাদ
মান করে তাই খর্ব
ভাবছো বুঝি গর্ব
ভাঙবে অহঙ্কার।

সত্য করে বল কাহি
তুমি কি কাহার?
সর্বদলে কাহা নেই
তোঁয়ারই বাহার!
তয় জাপা কার?

নোট: কাহি-কাকি, মোদের-আমাদের, রওশেন-রওশন, কাহার-কাকার, তোঁয়ার-তোমার, ক্যান-কেন,
জান-জীবন বা প্রাণ, তয়-তবে, জাপা-জাতীয় পার্টি।

১২.১২.১৩

ষোল কোটি টিয়া পাখির আত্মকাহীনি

পূবাকাশে সামান্য রক্তিম রেখা ফুটে উঠেছে। সূর্যটা উঠি উঠি করছে। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙ্গে অসংখ্য কাক কা কা করেই চলেছে। বারান্দায় রাখা খাঁচার ভিতরে বন্দী টিয়া পাখিটা আড়মোড়া ভেঙ্গে নিল। তার সঙ্গীর ঘুম এখনো ভাঙ্গেনি।

“আরে ওঠো ওঠো। ভোর যে হয়ে এল।”

“তোমার আমার কি এমন কাজ আছে যে আমরা সকাল সকাল না উঠলে মহাভারত অশুদ্ধ হবে?”

“তবুও কেমন জানি অপরাধ বোধ হয়।”

“যাদের অপরাধ বোধ হওয়া দরকার তাদের তো হয়না। তোমার হয়ে লাভটা কি?”

“দেশের যা অবস্থা তাতে কি আর শান্তিতে বসে থাকা যায়?”

“যারা দেশের স্টিয়ারিং হুইল ধরে আছে তারা তো দিব্যি নরম গদির বিছানায় লেপ গায়ে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। তোমার কেন দেশ নিয়ে এতো মাথা ব্যথা বুঝিনা বাপু।”

“আহা দেশের প্রতি একটা দায়িত্ব আছে তো। এই মাটিতে আমাদের জন্ম, তার ঋণ কি মরেও শোধ করা যাবে!”

মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা ৩য় পর্ব

বাংলাদেশে মাদ্রাসা সম্প্রসারণের হার বাড়ছে। এমপিওভুক্তির তুলনা করলে দেখা যাবে প্রতিবছর যে পরিমাণ মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত হচ্ছে অন্যান্য পাবলিক স্কুলের এমপিওভুক্তির পরিমাণ তার তুলনায় নগন্য। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর বেশ অনেকদিন পর অনেকগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে কিন্তু প্রতিবছরই কোনো না কোনো মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত হয়। এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন এবং ক্ষমতাসীন ব্যক্তিদের সুপারিশ গুরুত্বপূর্ণ এবং একটি পাবলিক স্কুল নির্মানের বদলে স্থানীয় ধনাঢ্য ব্যক্তিরা মাদ্রাসা নির্মাণ এবং মাদ্রাসা অর্থায়নে আগ্রহী। এই নবগঠিত আলীয়া মাদ্রাসাগুলো দ্রুতই এমপিওভুক্ত হয়। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের মাদ্রাসা সম্প্রসারণের ঘটনাকে "রাষ্ট্রের অর্থায়নে জঙ্গীবাদ সম্প্রসারণ উদ্যোগ" না কি রাষ্ট্রের অনীহায় বর্ধিত শিক্ষার্থীদের বিকল্প হিসেবে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা বেছে নেওয়ার বাধ্যবাধকতা হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।

হু ইজ দ্য বাস্টার্ড

"উকিল সাব,স্লামালিকুম"
আশরাফ সাহেব দ্রুত হেঁটে যাচ্ছিলেন।রাত দুপুরে অচেনা কন্ঠের সালাম তাঁর জন্য নতুন কিছুনা।হয়ত নতুন কোন নাইট গার্ড।তিনি হাঁটতে হাঁটতেই সালামের উত্তর দিলেন।অচেনা কন্ঠ বলে উঠল,"উকিল সাব কি ব্যস্ত?এই রাইত দুপুরে আবার কিসের ব্যস্ততা?"
আশরাফ সাহেব লক্ষ্য করলেন কেউ তাঁর পিছে পিছে আসছে।এত রাতে এই রাস্তায় আর কারো থাকার কথা না।তাছাড়া কোন নাইট গার্ড ডিউটি ছেড়ে তাঁর পিছে আসবেনা।তিনি ভয়ে ভয়ে দাঁড়ালেন।পিছু নেয়া লোকটি তাঁর সামনে এসে দাঁড়ালো।আশরাফ সাহেব অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলেন।লোকটি এবার বলল,
"উকিল সাব মনেহয় আমারে চিনতে পারেন নাই"
"না,কে তুমি?" আশরাফ সাহেব ভয়ে ভয়ে উত্তর দিলেন।
"আমি কসাই কাদের।দাড়ি-গোঁফ বড় হয়ে গেছে,তাই হয়তো চিনতে পারেন নাই"
আশরাফ সাহেব অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলেন।তিন বছর আগে জোড়া খুনের মামলায় কসাই কাদেরের ফাঁসির আদেশ হয়েছে,তিনি নিজে বাদী পক্ষের উকিল ছিলেন।তাঁর মুখ থেকে কোন শব্দ বের হল না।কসাই কাদের তার কোন অপেক্ষা না করে বলতে লাগল,
"উকিল সাব,ভয় পাইবেন না।আমি আপনারে মারতে আসি নাই।আমি দোষ করছি,শাস্তি হয়েছে।আপনি আমার শাস্তি দেয়ার ওসিলা মাত্র"

নাম তার মোস্তাক

নামটি তার মোস্তাক
নেই কোনো রাখঢাক
আসে যখন অফিসে
পা মোছে পাপোসে।

বসে যখন চেয়ারে
কেউ নেই কেয়ারে
হাসে বসে মুচকি
প্রিয় মাছ কাচকি।

সারা দিন আপলোড
মনে রাখে নিউজ কোড
ডেস্কটপ নয় ল্যাপটপ
তার আছে জানা সব।

যায় কখনো চ্যাটিংয়ে
স্বপ্ন আঁকে ব্যাটিংয়ে
যায় না তবু মিটিংয়ে
মাঝে মধ্যে ডেটিংয়ে।

ছুটির দিনে গুলশানে
কাটে সময় জলপানে
পছন্দ তার মাছ-ভাত
ভয়টি শুধু বজ্রপাত।

***পুনশ্চ : মোস্তাকের অনুরোধে ঢেঁকি গেলা

@হাতিরপুল, ঢাকা-১১.১২.১৩

পাহাড় আর নদীর গল্প

ছোট্ট একটি গল্প শোনাবো আজ, নদী আর সবুজ পাহাড়ের গল্প।
এই পাহাড়ের বুক চিঁড়ে , কতকাল ধরে ধেয়ে চলেছে
খরস্রোতা দুরন্ত এক নদী।
নদী আর পাহাড়ে কতো দিনের সখ্য
দুটিতে কত ভাব, কী গভীর বন্ধুত্ব।
তবুও জানো পাহাড়টা পারলো না, পারলো না নদীকে ধরে রাখতে।
আর পারবেই বা কিভাবে বলো?
নদীর যে ধর্মই ছুটে চলা।
গ্রাম থেকে শহরে, দেশ দেশান্তরে;
কালের স্রোতে সে গিয়ে পড়ল সাগরে।
শত তপস্যার বৃষ্টি যখন ঝরে, তপ্ত ধু ধু মরুপ্রান্তরে,
সে সুখ, সে তৃপ্তি শুধু মরুভুমিই জানে।
বাঁধ ভাঙ্গা নদীকে তাই আজ আর কে পায়!
সে কি আর বারণ মানে?
যারে পাবার আশায় এতকাল বয়ে চলেছে,
পাহাড়কেও ফেলে আসেছে দূর বহু দূরে।

পাহাড়ের আজ বড্ড মন খারাপ।
আজ নাকি নদীর বিয়ে, সাগরের সাথে।
পাহাড়ের চোখের জল যে নদী হয়েই বয়ে চলে, নদীতেই মিশে একাকার হয়।
তাই পাহাড়ের কান্না প্রকৃতি দেখতে পায় না।
মনের গভীরে, স্মৃতির কোন গহীন কুঠরিতে আজও যে নদী বেঁচে আছে,
বেঁচে আছে সেই আদিম ভালবাসা, তার হদিশ কে রাখে?
পাহাড়ের কী বা ক্ষমতা যে মহাকালের লেখা রীতি সে বদলাবে?
নদীকে যে সাগর পানেই ছুটে যেতে হবে,
নদী কখনো উল্টো দিকে বহমান নয়,

সেই পরিণতির অপেক্ষায়

সিগারেটের প্যাকেটে লিখে রেখেছে- ধূমপান হৃদরোগের কারণ। সাদা জমিনে কালো কালিতে বড় বড় হরফে কথাটা লিখে রাখা হয়েছে। আমি বুঝি না, যারা হৃদরোগ নিয়ে এত চিন্তিত; তারা ধূম্রশলাকা উৎপাদন করে কেন? পৃথিবীতে তামাশা ছাড়া আর কিছু হয় না নাকি?

সবসময় যানজটপূর্ণ রাস্তায় চলাচল করে অভ্যস্ত বলেই হয়তো যানবাহনমুক্ত রাস্তায় আজকাল আতঙ্ক অনুভব করি। মনে হয় রাস্তাটা নিরিবিলিতে আমাকে পেলেই গিলে ফেলবে। আগে একবার আশপাশে সতর্ক দৃষ্টিতে তাকাবে। যদি দেখে ধারেকাছে কেউ নেই, তাহলেই সাথে সাথে কোনো একটা অদৃশ্য মুখগহ্বর দৃশ্যমান হয়ে আমাকে উদরস্থ করে ফেলবে। পৃথিবীর কেউ জানবে না সেই ঘটনাটা।

বিলীন হয়ে যাওয়ার আতঙ্কে কখনোই আক্রান্ত হই নি। জানি খুব দ্রুত বিলীন হয়ে যাওয়ার নিমিত্তেই আবির্ভূত হতে হয়েছিলো আমাকে। তারপরও মাঝে মাঝে হিম নামের মেয়েটির কথা ভেবে খারাপ লাগে। আমি যখন থাকবো না তখনও হিম বার বার ফিরে আসবে। মানুষ ঝরাপাতা আর শুকনো কাঠ কুড়িয়ে আগুন জ্বালবে। সেই আগুনের চারপাশে গোল হয়ে বসবে এবং হাসাহাসি করবে। আমি আশপাশেই থাকবো কিন্তু প্রচ্ছন্নতার আবরণ ভেদ করে দৃশ্যমান হতে পারবো না।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ