অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১ জন সদস্য ও ১৮ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

বিশাল এক ক্ষুদ্রতা

সুইবাসে করে ওরেব্রো যাচ্ছিলাম। মাঝপথে থামলো ভসতেরস নামের একটা শহরে। খুব সুন্দর শহর। বাস স্টেশন থেকেই দেখা যায় কাঁচে ঘেরা সুউচ্চ দালান। স্টক হোমের বাইরে জমাটি শহর গুলোর মধ্যে এই শহর একটি। বয়সে যৌবনা এই শহরটিতে ৩০ মিনিটের যাত্রাবিরতী। সবাই হাটা হাটি করছে, ফোনে কথা বলে চলেছে কেউ অবিরাম। ব্যাস্ত সবার মাঝে এক লাল টুকটকে স্বর্নকেশী ছোট্ট মেয়ে তাকিয়ে দেখছে আমাকে। আমি তাকে সুইডিশে বললাম," কি দেখছো সিন্ডারেলা?"
ভ্রু কুচকে বললো,"আমি সিন্ডারেলা না, আমি প্রিন্সেস সারা!"

"ওকে সারা, তোমার মা কোথায়?" মেয়েটি আমার প্রশ্নের ধারে কাছে না গিয়ে জিজ্ঞেস করলো,"মিস বলেছে রাস্তায় মুখ হা করে দাড়িয়ে থাকতে নেই। পেটে পীড়া হয়।" এই বলে মেয়েটি উল্টো ঘিরে ভোঁ দৌড়। আমার বুঝতে সময় লাগলেও পাশের এক বুড়ি হাসতে শুরু করলো জোরসে। তার দিকে তাকিয়ে বুঝলাম আমি কাঁচে ঘেরা ঐ তিলোত্তমা দেখে আনমনে তাকিয়ে ছিলাম বেশ কিছুক্ষন। Big smile

চলে যায় ভালো সময়গুলো!

গত তিন দিন জীবনে এক ব্যাতিক্রমী এক্সপিরিয়েন্সের ভিতর দিয়ে যাচ্ছে। না চাইতেই এত বড় সাফল্য আমার জীবনে আর আসে নি। সাফল্য পেতে উন্মুখ হয়েও ছিলাম না। তাও এসে গেল, হঠাৎ করেই। হুট করে আসা এই সাফল্যে কিছুটা লজ্জিত ও কুন্ঠিত অবস্থাতেই কাটছে দিন। তেমন হাতি ঘোড়া কিছু উদ্ধার করি নাই, সামান্য বিসিএসে রিটেন আর ভাইবা শেষে সাময়িক ভাবে সুপারিশ পাওয়া প্রশাসনের তালিকায় স্থান পেয়েছি। যদিও নিয়োগ এখনও দিল্লি বহুদুর তাতেও আমি এই সাফল্যে নিজেই আনন্দে আটখানা। আর যাদের নিয়ে আমার জগত তারা আনন্দে ৮*৮*২= ১৩২ খানা!

গুজব রিলোডেড

জব একটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। ইহার আগে পিছে কিছু লাগাইলেই ভয়াবহ আকার ধারন করে।

যেমন ধরেন জব এর আগে যদি ব্লো লাগায়া দেই তাইলে পুরাই ১৮+ ব্যাপার ঘইটা যাইবেক।

আবার যদি আগে আ লাগায় দেই তাইলে সবাই অবাক হইযাবে।

আবার যদি গু আজমের গু কে আগে লাগায়া দেই তাইলে অবস্থা তো আরো ভয়াবহ! এতই ভয়াবহ যে এই গুজব এ গজব আইসা পরতারে। ওইত্তেরি, গ লাগাইলেও দেখি ঘটনা ঘইট্যা যায়!!!! Tongue

এইবার ভিন্ন কথায় আসি। মাঠেঘাটে বিভিন্ন সময় শিয়াল, কুত্তায় হাইগা দেয়। ওই গু মাঠের মাঝে একলা পইরা থাকে। কিছু অতি উতসাহি জব লেস মানুষ বেহুদা মাঠেঘাটে ঘুরাঘুরির সময় ওই গু কে পায়ে করে লোকালয়ে নিয়ে আসে। আর লোকালয়ে গু ছড়ানোকে নিজের জব মনে করে। আর ঠিক তখনই গুজবের সৃষ্টি হয়।

যাউকগা অতশত কতা কইয়া লাভ নাই। শুনলাম গুজব শোনা যাইতাছে। ব্যাচেলর গো নাকি ঢাকায় বাড়িভাড়া নিয়ে থাকতে দিবে না? এইডা নিয়ে নাকি আবার সবাই টেনশন ও করিচ্ছে? ক্যামনে কি রে মমিনুল হক? তুই বিয়া করস নাই বইলা কি ঢাহায় থাকতি পারবি না?

ধূসর গোধূলিঃ মৌমাছি

dhusor godhuli-13.jpg

বাড়ি এসে অয়ন দেখে বাবা ফেরেনি তখনো। মা উঠান ঝাড়ু দিয়ে এসে বলে,
-তোদের কি নাওয়া-খাওয়া লাগব না?
-একটু পর যাই মা, দুই একদিন দেরীতে খাইলে কিছু অয়না, শিউলি বলে।
-আপা দেখ, ঐ ডালটায় কত্তবড় দুইডা সপরি! ঘরের সামনের পেয়ারা গাছটার মাথার দিকে আঙ্গুল তুলে শিউলিকে দেখায় বকুল। অয়ন গলা বাড়িয়ে বকুলের দেখানো হাতের দিকে তাকিয়ে দেখে বড় দু’টো ডাঁসা পেয়ারা যেন ওর দিকে তাকিয়ে আছে। একলাফে সিঁড়ি থেকে উঠানে নেমে পেয়ারা গাছটার কাছে গিয়ে বলে,
-এইডা আমার গাছ, ছোটদি তুই আমার গাছের পেয়ারা ধরবি না কইলাম। এই দুইডার একটা আমার আরেকটা বড়দির।
-ক্যান, তুই আমার গাছ থেইক্যা বড়ই খাস না?
-হ খাই, তোরটা তো আমি খামুই কিন্তু আমার গাছের পেয়ারা তুই ধরতে পারবি না, বাবা কইছে এইডা আমার গাছ।
-দ্যাখ আপা, কেমন হিংসুইটে অইছে!
-থাউক, অরে খ্যাপাইস না। যা পাইড়া নিয়া আয়, একটা অরে দে আরেকটা তুই আর আমি ভাগ কইরা খামুনে।

কোন এক হরতালের ফল......

Sad গত হব়তালে মতিঝিলে সিএনজির পিছনে পেট্রল বোমা মারলো৷:-P ভাগ্য ভালো পিছনে মারছিল,তা না হলে চালকের মৃত্যু হতে পারতো৷গাড়িতে আগুন ধরে গেলে আশেপাশের মানুষের সহায়তায় চালককে হাসপাতালে ও আগুন নেভানো হল!!!গাড়ির কাজেও লাগলো অনেক টাকা!!কদিন আগে ভর্তি হলাম আর এই বিপদ,টাকা চাইলে বাবার উত্তর"টাকা নাই"৷:O
ভাই গল্পটা আমার৷মধ্যবিত্ত পরিবারতো,তাই মধ্যম মানের গল্প৷
আমার আব্বায় বলে টাকা নাই,শুনতে খারাপ লাগে না!!Tongue যুক্তিও আছে পেছনে৷কিন্তু গত কয়েকটা হরতালে যে কজন মারা তাদের স্বজনরা জিঞ্জেস করলে মানুষ বলে,"তোর বাবা নাই"কিংবা তোর মা বা বোন নাই "আহতরা থাকুক তারা তো বাইচ্চা আছেই=-O !!!!
আজ আবার বোরকা ফকরুল কইলো,ছাত্রদলের কর্মীদের দু-একটা গাড়ি ভাঙ্গলে হবে না,Tongue দলে দলে ব়াস্তায়নেমে পড়তে হবে!!!
এর চাইতে বইল্লা দিলেই তো পারে,"সবাই দেশ ছাইব়া চইলা যাও ৷"
শুনলাম সামনের সপ্তাহে পুরোটাই হরতাল হইতে পারে৷:O
ভাবতাছি আব্বারে কমু "চলেন,গাট্টি-বোস্ত বাইন্দা বাড়ি চইল্লা যাই,হরতাল শেষে হইলে আমানে!!!!"
এছাড়া তো কোন গতি নাই ৷কবে লাশের মিছিলে আমার নাম থাকবে জানি না৷ — feeling বেগতিক৷.

শারামারা

নরসুন্দরে হস্তে ধরিয়া একখানি দিয়া কাঁচি,
কহিয়াছে কেহ, "কাটিয়া দেহ, এইবেলা তবে বাঁচি!"

কুন্তলে তার দৃষ্টি পড়িতে হা হা করি শত মানা-
"ঐখানি নহে, কাটিতে হইবে মগজের ফোঁড়াখানা!"

নরসুন্দর হাসিয়া কহে, "উহা কি পারিব আমি?
মুন্ডু ভেদিয়া উঠিয়াছে যাহা তাঁদেরে ছাটিয়া থামি,
কী ফোঁড়া রহিছে মগজেরি তলে, উহারে আনিব কাটিয়া?
জানিনেকো, খুলি নারকোল বুঝি? ধরিলে যাইবে ফাটিয়া!"

"তাহা কেন বাপু? অত কেন কথা? বড্ড বকিছো দেখি?
পারিবে না কেন? হইয়াছ ভারি আমড়া কাঠের ঢেঁকি!
ডাক্তারে কাটে ছুরি কাঁচি দিয়া, বিদ্যা তোমারো তাতে,
কতজনে কত দূর হতে আসি নতশির তব হাতে,
সেই ডাক্তারে পারিতেছে যদি হইবে তোমারে দিয়া,
আজ হতে তুমি ইহাও করিবে,আস তব কাঁচি নিয়া!"

যাহারা জগতে ভাবিছে বসিয়া কাঁচি দিয়া দিলে কর-এ,
নরসুন্দর দন্ত বিকাশি উহারে যদি বা ধরে,
লাগিবে না আর ডাক্তার আর বাঁচিবে কাজের ধারা-
উহাদেরি কহে 'বুদ্ধিজীবী', আরো কহে 'শারামারা'!!!

আমি গুছিয়ে ঠিক কথা বলতে পারি না, শুধু সময় নিজের গল্প বলে যায়!

শিরোনামটা বেশী আদিখ্যেতার হয়ে গেল। কি আর করা, একটা গানের লাইন পছন্দ হলো তাই দিয়ে ফেললাম নামটা। পোস্ট লিখতে গিয়ে একটু ভাবছি। কারন ঠিক করে রেখেছিলাম পরের কিছু পোষ্ট গুলো শুধু বই নিয়ে লিখবো। প্রচুর বই পড়া হচ্ছে ইদানিং, জমছে চোখের সামনে কিন্তু তা নিয়ে লিখতে পারলাম আর কই?

ধান্ধাবাজির অারেক নাম রিচ অ্যান্ড ফেমাস

রিচ অ্যান্ড ফেমাস নামের আড়ালে দেশের রিচ অ্যান্ড ফেমাস ব্যক্তিদের নিয়ে বাণিজ্য চালাচ্ছে পত্রিকাটির প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক মনজুর সাদেক খোশনবিশ। যিনি শেয়ার বিজ্ করচা নামে একটি পত্রিকারও প্রতিষ্ঠাতা প্রধান সম্পাদক।

সরকারি কোনো অনুমোদন (ডিক্লিয়ারেশন নম্বর) ছাড়াই গত ৩-৪ বছর ধরে প্রকাশিত হয়ে আসছে রিচ অ্যান্ড ফেমাস। এর নেই কোনো সরকারি নিবন্ধন বা ডিএ নম্বর, নেই কোনো ডেটলাইন বা প্রকাশনার দিন-তারিখ। অথচ বাহারি প্রিন্টার্স লাইনে রয়েছে অসাংবাদিকদের প্রাধান্য। প্রতিষ্ঠাতা প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশকের নামের পাশাপাশি বেশকিছু নামের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া গেলেও বাস্তবে এ পত্রিকায় কোনো লোকবল নেই। উপ-সম্পাদক হিসেবে যে নামটি (হাসিনা সাদেক) উল্লেখ আছে, তিনি প্রধান সম্পাদকের স্ত্রী। এস এম জাহিদ-নির্বাহী সম্পাদক পদধারী ব্যক্তি শেয়ার বিজ করচার কম্পিউটার সেকশনে গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত। সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে উল্লিখিত তানিয়া আফরোজ প্রধান সম্পাদকের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ)।

রাজনীতিবিদ বিশুদ্ধকরণ প্রকল্প

অবশেষে নোমান মামা দিব্যজ্ঞান লাভ করলেন। জ্ঞানলাভের জন্য বনে-বাদাড়ে ঘুরতে হয়নি, বিশেষ গাছের নিচেও বসতে হয়নি_ দেশপ্রেমের দীক্ষাটুকুই যথেষ্ট। দিব্যজ্ঞানালোকের সঠিক প্রয়োগে সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন_দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় রাজনীতি নয়, রাজনীতিবিদদেরই সংস্কার আবশ্যক! রাজনীতিবিদ পরিশুদ্ধ হলে আপনাআপনি রাজনীতিও মূলধারায় ফিরবে!
রাজনীতিবিদ বিশুদ্ধকরণ প্রকল্প হাতে নিয়ে কোমরে গামছা বেঁধে নামলেন মামা। প্রথমে দড়িই বাঁধতে চেয়েছেন। গামছায় রাজনীতির গন্ধ আছে।
দড়ি না পাওয়ায় আক্ষরিক অর্থেই গামছা বাঁধলেন! জনসেবামূলক কাজে মেরুদণ্ড সোজা রাখা জরুরি। মেরুদণ্ডের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক কোমরের!
নিজ এলাকায় পরিপূর্ণ সংস্কারের পরই বাংলাদেশের সব অঞ্চলে নজর দিতে হবে। প্রথমে তিনি সাক্ষাতের চেষ্টা করলেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় এমপির সঙ্গে। এমপি দুরস্ত, তার পিয়নের নাগাল পেতে গলদঘর্ম হতে হয়েছে টানা ৪ মাস! অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে ১১ মাস পর পাওয়া গেল এমপি সাহেবকে। যারপরনাই বিরক্ত তিনি_'কী ব্যাপার, অসময়ে ডিসটার্ব করছেন কেন?'
মামা হাসিমুখে বললেন, 'স্যার, সময়মতোই এসেছিলাম। আপনার দেখা না পাওয়ায় ...!'

নষ্ট ভালবাসা

এ কি বাস্তবতা
নাকি
দুঃস্বপ্নের পাশাখেলা।
কতদিন তোমাকে দেখি না
কতদিন দেখতে পাব না
জানিনা।
আজ ভিন্ন ছাদের নিচে তুমি
পেতেছ তোমার কল্পিত স্বপ্নের
বাস্তব চাদর,
আমিও তথৈবচ।
এমনটি কি হবার কথা ছিল।

মনে পড়ে
সেদিন গুলোর কথা।
অশোক পাপড়ি ভেবে ,
তব
লিপিষ্টক বিহীন রক্তাব অধরের
সুগন্ধে।
ভ্রমরকে হার মানিয়ে তোমাকে
নিষ্পেষণ করার কথা।
ফুলের গন্ধের বিলীনতা
বা সৌন্দর্যের সমাপ্তি
আমি দেখেছি
কিন্তু তোমার ভেজা ঠোটের
রূপ রস গন্ধের কমতি
কি যে বলব,
বেড়েছে বই
কল্পনাতেও ফুরোয় নি।
তাই তো আমার পাগলামো বল
বা তোমার রগে রগে
মম বিচরণের স্মৃতিকাতরতা বল
আজও বেড়েছে বই
কমেনি,
কখনো বাইসাইকেল,
কখনো মটর সাইকেল,
কখনও মার্সিডিসের গতিতে
আবার কখনও হাওয়াই জাহাজ
বা কখনও মহাশুন্য যানের গতিকেও
হাড় মানিয়ে
পাহাড়, নদী, জল
এমনকি কত শত
তারা, নীহারিকাকে ভ্রুকুটি করে
উর্ধশ্বাসে হয়েছে মম বিচরণ।
কতদিন,
বিধাতার দেয়া পা দুটোতে না চলে
চলেছি,
তোমার রক্তে আমি,
আমার রক্তে তুমি,
তোমার কি রক্ত চলাচলের
শিরা উপশিরা গুলোর
কথা মনে পড়ে
নাকি ঢাকা শহরের

আমার পুলাপান বেলা ২.২

আমরা যখন নিচের দিকের ক্লাসে পড়তাম সাইফুদ্দিন স্যারকে দেখতাম শুধু বড়দের ক্লাস নিতো। সেই ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি স্যারকে। ছোটখাট রুগ্ন শরীর, ফর্সা চামড়া তার নিচে নীল নীল রগ দেখা যেত। স্যার পাঞ্জাবী, পায়জামা, নেহেরু টুপি পড়তেন সাথে কালো চামড়ার স্যান্ডেল। টুপি পড়া অবস্থায় কেউ বুঝতেও পারবে না সেই টুপির নিচে যে মস্ত টাক। স্যার যখন অজু করতেন তখন মাথা মাসেহ করার সময় সেই টাক দেখা যেত। বড় ভাইদের দেখতাম সেই ছোটখাট মানুষটাকে বেশ সমিহ করে চলতো, যদিও সাইফুদ্দিন স্যারকে কখনো বেত হাতে দেখি নাই।

এক সময় আমরা উপরের ক্লাসে উঠলাম এবং সাইফুদ্দিন স্যারকে পেলাম। সেই রুগ্ন শরীর সেই চামড়ার ভাঁজ সেই নীল রগ সব আগের মতই। স্যারের ক্লাসগুলো ছিলো বেশ মজার, মাঝে মাঝেই স্যার পড়া থামিয়ে গল্প জুড়ে দিতেন। এত মজার করে গল্প বলতেন যে ক্লাসের সবচাইতে দুষ্টু ছেলেরাও চুপ করে শুনতো। স্যারের একটা গল্প এই মুহূর্তে মনে পড়ছে -

ধূসর গোধূলিঃ চেনা পথের গল্প...

dhusor godhuli-12.jpg

ব্রিজ থেকে নেমে তিন ভাইবোনে হরিপদর বাড়ির দিকে এগোতে থাকে। মূল ফটক দিয়ে বাড়িতে ঢুকতেই শিউলি দেখতে পায় বিজয়া কাকী বাড়ির উঠানে নানান ধরনের আচার শুকাতে ব্যস্ত। ওকে দেখে কাকী অবাক হয়ে অনেকক্ষণ ধরে ওর দিকে তাকিয়ে থাকে, মুখে চিরচেনা সেই স্বভাবসুলভ হাসি। কাছাকাছি যেতেই ওকে উদ্দেশ্য করে বলে,
-আরে, এ কারে দ্যখতাছি! নতুন মানুষ আমগো বাড়ি?
-আমি নতুন মানুষ কাকী? আমারে এতো তাড়াতাড়ি পর কইরা দিলা?
-আমরা পর করুম ক্যান? বিয়ার পর মাইয়ারা আর নিজেগো থাহে না রে মা! শ্বশুরবাড়িই তার আপন হইয়া ওডে। এই দ্যাখ, আমি তো বাপের বাড়ির কতা ভুইলাই গ্যাছি। একটা সত্যি কতা কমু?
-কও! শিউলি হাসতে হাসতে বলে
-তুই আগের চাইতে অনেক সুন্দর অইয়া গ্যাছোস
শিউলি যেন কিছুটা লজ্জা পেল। বিজয়া এগিয়ে এসে কানে কানে কিছু একটা বলতেই শিউলীর গাল দু’টো ক্রমশ লাল হয়ে উঠলো। কিছুটা কপট রাগের ছলে হাসতে হাসতে বলে, যাও কাকী, তুমি যে কি না! তারপর চারদিকে তাকিয়ে বলল, আইচ্ছা মালতি কই?

আলোক উৎসব

সরকারের ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদুৎ উৎপাদনের সাফল্য উপলক্ষ্যে হাতির ঝিলে আলোক উৎসব

লেজার শো : ০১
Pic_01

লেজার শো : ০২
Pic_02

লেজার শো : ০৩
Pic_03

লেজার শো : ০৪
Pic_04

আতশবাজী : ০৫
Pic_05

আতশবাজী : ০৬
Pic_06

লেজার শো এবং আতশবাজী দেখার পর মানুষের ফিরে যাওয়া: ০৭
Pic_07

আমার রাজকন্যার গল্প

আজ ১৪ নভেম্বর।আমার রাজকন্যার বয়স তিন মাস পূর্ণ হলো।সময় কত দ্রুত যায়! এই তো সেদিন ১৪ আগষ্ট,২০১৩ বুধবার দুপুর ২টা ৪০মিনিটে গগনবিদারী চিৎকার করে আমার রাজকন্যা এলো এই কঠিন পৃথিবীতে।এরপর থেকে এই তিন মাস সময় যেন চোখের অলক্ষ্যেই কেটে গেছে।রাতের ঠিক নেই,দিনের ঠিক নেই।রাত-দিন যেন মিলেমিশে একাকার।
রাতে ঘুমানোর আয়োজন করছে সবাই,অথচ আমার রাজকন্যা কেঁদে অস্থির।সারাটা রাত থেমে থেমে কান্না দিয়েই শেষ করেছে প্রথম এক মাস।
দ্বিতীয় মাসে রাজকন্যা একটু বড় হলো।তাই দ্বিতীয় মাসের রাতগুলো সে কাটিয়েছে বিরামহীন কান্নায়।তার কান্নায় পাড়া প্রতিবেশীর ঘুমের বারটা বেজে যেত।আর তাই সকালবেলা রাজকন্যার নানুমনিকে মুখোমুখি হতে হতো একগাদা প্রশ্নের,নাতনী এত কাঁদে কেন?ডাক্তার দেখান।হুজুরের কাছ থেকে তাবিজ আনুন। মনে হয় কারো নজর লেগেছে।এরকম হাবিজাবি আরও অনেক কথা।
তৃতীয় মাসে রাজকন্যা তার দাদাভাইয়ার বাসা থেকে বেড়িয়ে এসে বেশ লক্ষীটি হয়ে গেছে।এখন সে মাঝে মাঝে রাতে জেগে থাকে।তবে আমার রাজকন্যা একা রাত জাগতে পছন্দ করে না বলে ইদানীং তার মার পাশাপাশি তার বাবাকেও রাতটা জেগেই পার করতে হয়।

থ্যালাসেমিয়াঃ ভয় নয়, প্রয়োজন সচেতনতা, পর্যাপ্ত প্রচারণা। (শেষ পর্ব)

হিমোগ্লোবিন-ই ডিসঅর্ডারঃ
বিটা থ্যালাসেমিয়ার মত হিমোগ্লোবিন-ই ও আমাদের দেশে বেশ দেখা যায়। এটাও এক ধরনের হিমোগ্লোবিন ডিসঅর্ডার এবং বংশগত রোগ। এই হিমোগ্লোবিন-ই ডিসঅর্ডার দুই ধরনের হয়ে থাকে। ১. হিমোগ্লোবিন-ই ট্রেইট ২. হিমোগ্লোবিন-ই ডিজিজ। যে সন্তানের পিতা-মাতার যে কোন একজন থেকে হিমোগ্লোবিন-ই এর জিন পায়, তাদেরকে হিমোগ্লোবিন-ই এর বাহক (Hemoglobin E-Trait) বলা হয় আর যারা বাবা-মা দু’জনের কাছ থেকেই উত্তরাধিকারসূত্রে এই জিন পায় তারা হিমোগ্লোবিন-ই ডিজিজে আক্রান্ত হয়।

হিমোগ্লোবিন-ই ট্রেইট কিংবা হিমোগ্লোবিন-ই ডিজিজে আক্রান্ত ব্যক্তি যদিও হিমোগ্লোবিন-ই জিন সারাজীবনের জন্য বহন করে, তবুও এদের ক্ষেত্রে তেমন কোন উপসর্গ দেখা দেয় না। এরা অনেকটা বিটা থ্যালাসেমিয়ার বাহকের মতই, সামান্য রক্তশূন্যতায় ভুগতে পারে। তবে দুর্ভাগ্যক্রমে যদি এদের কারো সাথে বিটা থ্যালাসেমিয়ার বাহকের সাথে বিবাহ হয়, তবে তাদের শিশুর হিমোগ্লোবিন-ই বিটা থ্যালাসেমিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

a1_0.jpg

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ