ইউজার লগইন
ব্লগ
আমার ৬০ টাকা
আমরা বন্ধুর কয়জন ব্লগার বন্ধু বেড়াইতে যাইব, আমারে আগের রাতে ফুন দিছিল এক মাইয়া, দেখতে একদম সরল সিদা, গাল ভরা মমতাজের হাসি (Innocent)। আমারে কইল আপা আপ্নের বাসার কাছে আমরা বেড়াতে যামু আপ্নিও জয়েন করেন আমাগো লগে। আমি সাদাসিদা মানুষ, কিচ্ছু বুজিনা......কইলাম কই যাবা ?ওই মাইয়া কয় যামু এয়ারপর্টের কাছে...আমি ভাব্লাম ঠিক আছে যাই, ছুটির দিন বাড়িত থাইক্যা কি লাভ, তার চাইয়া বেড়াইতে গেলে যদি অন্য কুন Love হয়!!!! কইলাম ঠিক আছে তুমরা উত্তরার কাছাকাছি আইলে জানাইও।
কবিতা: শুধু তোমার নামটুকু পার হতে পারি নি আজো
বয়সের সঙ্গে সবকিছুতে স্থিরতা চলে আসে। পৃথিবীর বয়সও বেড়ে চলেছে প্রতিদিন। সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু এগিয়ে যাচ্ছে স্থিতাবস্থার দিকে। আজ-কাল মানুষের মধ্যে একটা প্রাইম পার্ফেকশনের ব্যপার কাজ করে। চেহারায়, আকারে, ভঙ্গিতে, সবকিছুতেই। আমার মনে হয় অনন্য সাধারণ একটি প্রজাতি বিবর্তনের প্রায় শেষ ধাপে এসে পৌঁছেছে।
তবে বিবর্তন মানুষের জন্য সমূহ বিপদও ডেকে আনতে পারে। কারণ মানুষ তার অবস্থানগত কারণে অন্যান্য প্রজাতির ওপর ছড়ি ঘুরাতে সক্ষম। কিন্তু নিজেরা প্রকৃতির অসীম ক্ষমতার কাছে ভীষণ অসহায়। যেকোন সময় ভোজবাজির মতো মিলিয়ে যেতে পারে সবাই, সবকিছুসহ। এই অন্তর্জাল, কম্পিউটার, পারমাণবিক শক্তি বা টেকসই পরিকল্পনা, কোনোকিছুই কাজে আসবে না তখন।
আমি বলি কি, ভরপুর সম্ভাবনা আর ভয়ংকর আশঙ্কার সম্মিলনই জীবন। এর মাঝেই একটু ফাঁক বের করে নিতে হয় বেঁচে থাকার জন্য। নিজেকে ও অন্যকে ভালবাসার জন্য।
তেজস্ক্রিয়তা কি... এবং... আমাদের করণীয় কি...
[[
গত কয়েকদিন যাবৎ জাপানের পারমানবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে দূর্ঘটনার পেক্ষিতে আমাদের সামনে তেজস্ক্রিয় পদার্থ এবং এর দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন সমস্যা বিষয়ক কিছু বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশিত হচ্ছে...
তাই...
সকলকে প্রকৃত তথ্য জানিয়ে বলছি...
নিজে বিভ্রান্ত হবেন-না...
এবং...
অযথা বিভ্রান্তি ছড়াবেন-না...
]]
তেজস্ক্রিয়তার সংজ্ঞা...
প্রতিটি মৌলিক পদার্থের পরমাণুর ওজন এর নিউক্লিয়াস-এর মধ্যস্থ নিউট্রন ও প্রোটন-এর সমষ্টির সমান। যে-সব মৌলের পরমাণুর ওজন বেশী (সাধারণতঃ ২০০-এর উপর বা এর কাছা-কাছি) তাদের বলা হয় ভারী মৌল। এ-সব ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্ত-ভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়, এই প্রক্রিয়াকে-ই তেজষ্ক্রিয়তা (Radio-activity) বলে।...
তেজস্ক্রিয়তার আবিস্কার...
ডাইরী ১২০
--------------------------------------------------------------------------------------------------------
এক.
পাহাড়টারে খুঁজে পাওয়া যায়নি গতোকাল। ভীত পাহাড় লুকিয়েছিলো এমন কোথাও যার পথ জানা ছিলো না তোমার...লুকোন পাহাড় হাতের মুঠোয় পাওনি বলে কাল রাতে তুমি অনেক কেঁদেছো...অনেক কেঁদেছো?
দুই.
ক্লোক গায়ে দিয়ে পাহাড়টা আসলেই লুকিয়ে ছিলো, ঘুমিয়ে ছিলো। তুমি তারে খুঁজে পেলে ছুঁয়ে দিতেই জেগে উঠতো সে। তারপর তোমাকে ছাপিয়ে ছড়িয়ে যেতো, মিলিয়ে যেতো। পাহাড়টারে মুঠোর ভেতর আটকে রাখার মন্ত্র জানো?
তিন.
এমন প্রতারক পাহাড় এককালে আমার ভীষণ বশ ছিল, বলতেই মাথা উচিয়ে দাঁড়াতো মেঘের পাঁজর ভেদ করে, বলতেই আবার নমিত সমতল, ঠিক যেনো নিরাশার পদাবলী। মেঘদলের সাধ্য কি তারে ধরতে পারে!
চার.
আমার যাদুমনি (৬)
তানবীরা আপু'র কথা অনুযায়ী এবার বাছাবাছি না করে সব ছবি দিয়ে দিলাম, জনগন কার কোনটা পছন্দ, বেছে নিন
ঋহানঃ কানে ধচ্চি মা, মাফ করে দাও। আর দুষ্টুমি কব্বো না
আমার বাবামনি'টা, মাশাল্লাহ!
কবিতা: শুধু তোমার নামটুকু পার হতে পারি নি আজো
বয়সের সঙ্গে সবকিছুতে স্থিরতা চলে আসে। পৃথিবীর বয়সও বেড়ে চলেছে প্রতিদিন। সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু এগিয়ে যাচ্ছে স্থিতাবস্থার দিকে। আজ-কাল মানুষের মধ্যে একটা প্রাইম পার্ফেকশনের ব্যপার কাজ করে। চেহারায়, আকারে, ভঙ্গিতে, সবকিছুতেই। আমার মনে হয় অনন্য সাধারণ একটি প্রজাতি বিবর্তনের প্রায় শেষ ধাপে এসে পৌঁছেছে।
তবে বিবর্তন মানুষের জন্য সমূহ বিপদ ডেকে আনতে পারে। কারণ মানুষ নিজস্ব অবস্থানের সুযোগে অন্য প্রাণীদের ওপর ছড়ি ঘুরাতে সক্ষম। কিন্তু নিজেরা প্রকৃতির অসীম ক্ষমতার কাছে ভীষণ অসহায়। যেকোন সময় ভোজবাজির মতো মিলিয়ে যেতে পারে সবাই, সবকিছুসহ। এই অন্তর্জাল, কম্পিউটার, পারমাণবিক শক্তি বা টেকসই পরিকল্পনা, কোনোকিছুই কাজে আসবে না তখন।
আমি বলি কি, ভরপুর সম্ভাবনা আর ভয়ংকর আশঙ্কার সম্মিলনই জীবন। এর মাঝেই একটু ফাঁক বের করে নিতে হয় বেঁচে থাকার জন্য। নিজেকে ও অন্যকে ভালবাসার জন্য।
---
এ জার্নি বাই মাইক্রোবাস, সিডান, হিরু হুন্ডা ফ্রম ঢাকা টু জিন্দাপার্ক টু চিকেন বিরিয়ানী
দুই-তিনদিন আগেই প্লান হইছিলো বৃহষ্পতিবার ১৮ মার্চ এবির ফটু মন্ত্রনালয় টঙ্গী রেল স্টেশন এর আশপাশে গিয়া ফটু তুলতে চায়। সকাল নয়টার ফটুগ্রাফার তিনজন (হাসান রায়হান, রায়হান সাঈদ আর বৃত্ত শুভ) রওনা দিলো ফটু তুলতে। আর দুধভাত আমজনতা সাড়ে ছয়জন (আমি, শওকত মাসুম, লীনা দিলরুবা, জয়ীতা, টুটুল, লীনা ফেরদৌস এবং তার মেয়ে মাধূর্য) আমরা রওনা দিলাম একটু বেলা করে সকাল এগারটায়।
পূর্ণিমা রাত ও লুসিফার
একটি অন্যরকম রাতের সূচনালগ্নে দাঁড়িয়ে আছি।
বাইরের প্রকৃতি অন্যান্য সব রাতের মতো। ভেতরের চেতনা একটু অস্থির। অস্থির না হলে সেটা হতো অস্বাভাবিক। এই রাতের জন্য অপেক্ষায় আছি দেখে বিয়ে করলাম না- অথচ আমি চিরকাল নারী ভক্ত ছিলাম।চাইলে ব্যবসা করতে পারতাম- ফুলে থাকা পৈত্রিক সম্পত্তি বাড়াতে পারতাম চক্রবৃদ্ধি হারে। খুলতে পারতাম একটি পাঁচতারা হোটেল- যে হোটেলের বারে বসে মাতাল হতে পারতাম ফ্রি’তে।
শুধু ধ্যান করেছি আমি। শয়তান হিসেবে যাদের আমরা চিনি,জানি কিংবা অনুভব করি তাদের দেবতা লুসিফারের সাথে দেখা করার জন্য প্রতি পূর্ণিমা রাতে রক্তস্নান করেছি।
আজ আবার পূর্ণিমা। আমি একশ’তম হত্যাকান্ডটি সম্পন্ন করে চুপচাপ বসে আছি। মিনিটে মিনিটে অস্থিরতা বেড়ে যাচ্ছে। লুসিফারের দেখা পাওয়া সহজ কথা নয়। স্বপ্নপ্রাপ্ত এক গোপন সূত্রের পথ ধরে এতদূর আগাতে পেরেছি।
দাম্পত্যঃ আহা, উত্তাপ কতো সুন্দর তুই থার্মোমিটারে মাপলে!!
দিল্লী’র লাড্ডু আসলেই খেতে কেমন তা কেউ পরিষ্কার করে জানায় না। সবাই কেবল দাম্পত্যের সাথে তুলনা দিতে গিয়ে টেনে আনে দিল্লী কা লাড্ডুর কথা যেটা নাকি খেয়েও পস্তাতে হয় আবার জেনে শুনে না খেয়েও গতি নাই কারুরই। লাড্ডুটা খাওয়া মেয়েটা যে পুরুষটি তাকে বিয়ে করতে চায় তাকে সারাজীবন মনে রাখে। আর ভাবে একআধটু উল্টোপাল্টা থাকলেও বিয়ের পর হাজব্যান্ড বদলে যাবে, কিন্তু তা হয় না। আবার উলটো ক্ষেত্রে বরটা সেসব নারীকে আজীবন মনে রাখে যাদের সে বিয়ে করেনি। আবার মনে করে প্রেমিকা স্ত্রী হওয়ার পরও একই রকম থেকে যাবে, কিন্তু, হায়! স্ত্রী বদলে যায়।
গল্প: সহজলভ্য অসুস্থতা এবং বিবর্তনবাদের হারানো সুর
হোটেল নাজ গার্ডেন তৈরী হবার আগে বগুড়ার ছিলিমপুর জায়গাটা পুরো অজ পাড়াগাঁই ছিলো বলা যায়। গ্রামে পল্লীবিদ্যূতে লাইন। এবং সেটা একটা ফিলিপস্ বাতি জ্বালানো আর ফ্যান চালানোর জন্য। পল্লীবিদ্যূতে কাজ করতেন রোমেলের মা। তিনি মহিয়সী নারী ছিলেন। রোমেল আর অ্যঞ্জেলের মতো দু'টো ছেলেকে বড় করার পর তিনি আরো দু'টো ছেলে নিয়েছিলেন। চার ছেলে ধারণ করার কাবিলিয়ত মহিলার মধ্যে ছিলো। রোমেলকে দেখলে সেটা বোঝা যেত।
আজকাল নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে হয়, এমন অকৃত্রিম দোয়া পৃথিবীর কয়জন মানুষ পায়…?
মেডিকেল কলেজে ভর্তি হবার পর পড়াশুনার চাপে মাঝে মাঝে মনে হত এত পড়াশুনা করার চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্টসে সহজ কোন বিষয়ে ভর্তি হলে হয়ত জীবনটাকে আরো বেশি উপভোগ করতে পারতাম। তবুও “ডাক্তারি একটি মহান পেশা” এই ব্রতকে স্মরণ করে সকাল সাতটায় উঠে ক্লাশে দৌড়ান থেকে শুরু করে সপ্তাহের একমাত্র ছুটির দিন শুক্রবারে ব্যবহারিক লিখে কাটানো সহ সব কষ্টকে মেনে নিতাম আর ভাবতাম কবে সেই মহান পেশায় সত্যিকারার্থে প্রবেশ করব...
হুজুগে বাঙাল...
জাপানের পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রে বিস্ফোরণের পর বাংলাদেশের মোবাইল ফোনগুলোতে আতঙ্ক-ছড়ানো মেসেজের ঢল বয়ে গেছে। কোনো গণমাধ্যমে কোনো খবর নেই, কিন্তু মোবাইল ফোনে এই মেসেজের উৎস কী?
অনেকের এবং আমারও ধারণা যে, রক্তচোষা মোবাইল অপারেটরদের কেউ অথবা সকলেই এই আতঙ্ক-ছড়ানো মেসেজের উৎস। কতো কিছু নিয়ে যে এরা ব্যবসা করবে।
বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়ে গেলাম।
চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি-১
অফট পিকঃ তার বা তাদের মতো লিখতে পারি না বলে সেদিন একজন এমন ঝাড়ি দিলো।দেখে চোখে পানি চলে এসেছিলো।তাই আজ থেকে আবজাব শুরু করলাম।যখন যা মনে আসবে তাই লিখবো পারলে আমারে যেন কেও ঠেকায়।
রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দিবো...............জয় বাংলা:
১.
হাতি নিয়ে মাতামাতি
বাংলাদেশ/নেদারল্যান্ড। নিশ্চিত বাংলাদেশ জিতবে। তবুও মনে ভয় কখন কি হয়। উইকেট পরা শুরু করলেতো তা মহামারী আকার ধারন করে। খেলা চলছে। এমন সময় আমার কাজের বুয়া এসে আমার মেজ মেয়েকে বললো '' হাতি দেখবে? মাঠে দাঁড়িয়ে আছে।" একথা শুনে আমার বাচ্চা তিনটা উঠে দৌড় ওদের পিছন পিছন আমি। বারান্দায় এসে দেখি হাতি চলে যাচ্ছে। বাচ্চারা ঘ্যান ঘ্যান শুরু কবলো --মা হাতিকে ডাকো, বাসায় আনো , আমি হাতির পিঠে চড়ব। বিরক্ত হয়ে বললাম ডাকতে।
মন খারাপের দিস্তা
একটু আগে ঋহান’কে বকা দিচ্ছিলম “তোমার সাথে আর কথা নেই। তুমি গত ৩দিন যাবৎ দুধ ছাড়া কিচ্ছু খাও না”। বলে রাগ মাখা মুখ নিয়ে ওর জন্য দুধ বানাচ্ছি, দেখি সে আমাকে ফলো করছে। যেই আমি ওর দিকে তাকালাম সে হেসে দিলো। আমি বললাম, “কোন লাভ নেই। তুমি ভেবেছো হাসলেই মা’র রাগ কমে যাবে? জ্বী না!” বলে আবার অন্য দিকে তাকালাম। এবারও সে আমাকে ফলো করছে। দুধ বানানো শেষ। ফিডার দেয়ার জন্য যখন আবার তাকালাম, এবার সশব্দে হেসে দিলো। পরাজিত হলাম ওর কাছে। আমিও হেসে ওকে কোলে তুলে জড়িয়ে ধরলাম।