অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

মাটির ঘরে বন্দী হইয়া

আহসান হাবিব
শীতল ছায়া সোসাইটির, মানিকদী,
১৬/০৮/২০২১

মাটির ঘরে বন্দী হইয়া কয়দিন থাকবা আর
মাস না যাইতেই মাটির দেহ মাটিতেই সাবাড়।

গাছ পালা বৃক্ষলতা খাইবে তোমার দেহে জুস
যত হাগ রুম বাগ রুম বাহাদুরী হইয়া যাবে ফুস।
মনটা যদি সতেজ বানাও, হইবো না কিছুই আর দরকার।
মাস না যাইতেই মাটির দেহ মাটিতেই সাবাড়।

কত রকমের খাবার খেয়েছ কত রকম নরম গরম পানীয়
মিষ্টি দধি ছানার জিলাপী পান টান যে কত উপাদেয়
ঘুমের তরে নরম বিছানা,বালিশ মাথায়, আবার কোল বালিশও দরকার
মাস না যাইতেই মাটির দেহ মাটিতেই সাবাড়।

রঙের দুনিয়ায় রঙ ছিটানো হরেক রকম রঙ
ঢঙে ঢঙে কাটল জীবন ভাবিনিতো হবে এমন
টিভি ভিসিআর, গুগল ইউটিউব আরো কত রকম
আকাশ চেনেল হলো আবিস্কার।
সাধের কবরে মাটির ঘরে কিছুই তো নাই কেমনে সময় করবে তুমি পার।
মাস না যাইতেই মাটির দেহ মাটিতেই সাবাড়।

রশীদ করীমের জন্মদিনে!

আজ রশীদ করীমের ৯৬ তম জন্মদিবস। অকালে তিনি প্রয়াত হননি। দীর্ঘ দিন তিনি অসুস্থ ছিলেন, দীর্ঘ জীবন পেয়েছেন। কথাবার্তা বলতেন না। চুপচাপ শুয়ে বসে লং প্লেয়ারে গান শুনতেন, সহধর্মিণী বই ও পেপার পড়ে শোনাতেন। উপন্যাসিক হিসেবে তিনি সফল কিনা জানি না, তবে তাঁর উপন্যাস সব বহুলপঠিত। যাদের বাসায় ব্যক্তিগত সংগ্রহে বই আছে, রশীদ করিমের 'উত্তম পুরুষ', 'প্রষন্ন পাষান' অথবা 'আমার যত গ্লানি' পাওয়া যাবেই। তার উপন্যাসের মতই তিনি আধুনিক ও স্মার্ট কালচার্ড এক মানুষ। মধ্যবিত্ত উর্দুভাষী এক মুসলিম পরিবারে জন্ম নিয়েও তিনি ক্রিকেট সমানে দেখতেন, কলকাতার ফুটবল দেখতেন, সারাদিন ইংরেজী সিনেমা হলে গিয়ে দেখতেন, প্রেম করতেন, ভালো রেস্টুরেন্টে খেতেন, বড়দের কাছ থেকে চেয়ে চেয়ে টাকা নিতেন। অনেক বন্ধুর মা তাকে স্নেহ করতেন, শহীদ আসাদের মা তার এইসবের অন্যতম স্পন্সর। দেশভাগের আগে যে নতুন মুসলিম মধ্যবিত্ত গড়ে উঠছে, উর্দুর আভিজাত্যকে বাসা

প্রেমের নামে জীবন দিবো পাগল হবো সেদিন আলে গেছে

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
১২/০৮/২০২১

গান/প্রেমের নামে জীবন দিবো, পাগল হবো সেদিন চলে গেছে।

আমি(তুমি) কেন কাঁদবো বলো আমি(তুমিই) বা কম কিসে
প্রেমের নামে জীবন দিবো, পাগল হবো সেদিন চলে গেছে।

নিজের জীবন নিজে গড়, মন দিয়ে পড়াশুনা কর
হবে যখন তুমি যোগ্য, আপনি গড়ে আপনা ভাগ্য
বিধাতা যা লিখেছেন তাতেও বিশ্বাস রাখ ঠকবে নাকো পিছে।
প্রেমের নামে জীবন দিবো, পাগল হবো সেদিন চলে গেছে।

প্রেমের নামের মরিচীকা, এ তোরে ভাই মরণের টিকা
একবার যদি গায়ে লাগে সুখ শান্তি সব দুরে ভাগে
তাইতো বলি শুন সকলি, প্রেম করো না জীবন্ত মরো না,
গুনীজনের কথা শুন ঠকবে না কভু পিছে।

গল্প: বার্লিনে প্রথমবার খুব মন খারাপ হয়েছিল

১.

বার্লিন মেইন স্টেশন থেকে বের হয়ে আনমনে হাঁটছিলাম স্প্রি নদীর পাড় ধরে ধরে। মনটি ভীষণ খারাপ হয়ে ছিল বিশেষ একটা কারণে। বেশি একটা পাত্তা দিতে চাচ্ছিলামও না, কিন্তু ঘুরে ঘুরে মনে পড়ছিল।

আহা, একজন বিদেশে আসার স্বপ্ন কত যত্নে বুকে লালন করে রেখেছিল! আর আমার কোনো ইচ্ছাই ছিল না দেশ থেকে কখনও বাইরে আসার। অথচ আমার জীবনটাই আজ মিশে গিয়েছে বিদেশের অচেনা আকাশ, অজানা বাতাসে। আজীবন পরিবারের সাথে থাকতে চাওয়া সেই আমি আজ বাবা, মা সবাইকে হারিয়ে একা। যার জন্য সবাইকে হারাতে বাধ্য হয়েছিলাম, সেও ছেড়ে চলে গেছে বহু আগে। তাই আজকাল সবকিছুর ভেতরেও ঘাপটি মেরে বসে থাকে এক অব্যক্ত শুন্যতা। কথাটি সাধারণত সবসময় মনে পড়ে না, কিন্তু যখনই মনে পড়ে তখনই আমার অনেক খারাপ লাগে। তাই ভাবলাম বিষয়টিকে একটি গল্পের রূপ দেয়া যায় কিনা।

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ আহমাদ মোস্তফা কামালের, 'যে পথে হেঁটে এসেছি'!

আমরা যারা বই পড়ি, সব বই কি আর আমাদের ভালো লাগে। কিছু নন-ফিকশন তো মানুষের মুখে শোনার পর পড়তে হয়, কিছু বই ভালো হতে পারে ভেবে পড়া হয়, কিছু বই আমরা চ্যালেঞ্জ নিয়ে পড়ি যে এটা আমি শেষ করবোই। আর অল্প কিছু বই মন ছুঁয়ে যায়। মনে হয় বইটার আরো দু তিন ফর্মা বেশি থাকলেও চলতো। আহমাদ মোস্তফা কামালের, 'যে পথে হেঁটে এসেছি' সে ধরনের একটা বই। প্রথমেই বলে রাখি আমার মতামত সাব্জেক্টিভ। আহমাদ মোস্তফা কামালের লেখা আমি নিয়মিত পড়ি দেড় দশক ধরে। তিনি সবসময়ই আমাকে মুগ্ধ করেন। এবারেও ভিন্নতা নেই।

হ্যাপি বার্থডে, ফাহাদ ফাসিল!

আমার এই লেখা দেখার সম্ভাবনা শুন্য। আপনি বাংলা জানেন না, আমিও মালায়লাম জানি না। তবে বাংলাদেশে আপনার বিষ্ময়কর লেভেলের অনেক ফ্যান এ কথাটা আপনি একদিন জানবেন। তবে এসব ফ্যানদের বহু আগে যখন মালায়লাম সিনেমাই মানুষ দেখতো না তখন থেকে আমি আপনার ছবি দেখি। এখন ব্যাপারটা হাস্যকর, ২০১২-১৩ সালে মালায়লাম সিনেমার সাবটাইটেল ব্যবস্থা করা কত কষ্টের ছিল। আমি মোহন লাল, দিলীপ, মামোট্টির অনেক মুভি দেখে শেষ করেছি সাবটাইটেল ছাড়া। চলচ্চিত্রই তো একটা বিশ্বজনীন ভাষা আর অনুমান করে করে চলতো আমার দিন। আমার মামা বিরক্ত হতো, 'কি দেখো, বুঝোনা সুজো না।' চাইলে সৃষ্টি রহস্য বোঝা যায় আর এটাতো শুধু সিনেমা।

সারাটি রাত্রি শুধু তারাদের সাথে তারাদেরই কথা হবে

"আমি কি কথা স্মরিয়া
এ তনু ভরিয়া
পুলক রাখিতে নারি
ওগো কি ভাবিয়া মনে
এ দুটি নয়নে
উথলি নয়ন বারি..."

গভীর নীল সাগরের জলে একবার ভরা চাঁদের নৃত্য দেখেছিলাম। চাঁদের আলো জলের ঢেউয়ে ঠিকরে পড়েই প্রতিফলিত হয়ে দিক বদল করে ফেলে। অন্য কোন দিকে চলে যায়। আমি বসে হারিয়ে যাই সেই প্রতিফলনে সৃষ্ট আলোকচ্ছটা দেখতে দেখতে। দূর অতীতের কোনো এক চন্দ্রালোকিত রাতের স্মৃতিতে।

স্মৃতি যেন ঈশ্বরের এক আশ্চর্য অনুদান। সময় নামক অনাসৃষ্টিটির বিরুদ্ধে সামান্য কৃপা। চলে যাওয়া সময়কে কখনো ফিরে না পাওয়া গেলেও তাই স্মৃতিকে আকড়ে সময়ের ফিকে হয়ে যাওয়া স্বাদ পাওয়া যায়।

যদি স্মৃতি না থাকতো, তাহলে হয়তো সময়ের মূল্যও অন্যরকম হতো। কষ্ট ছাড়া অনাবিল সুখের যেমন কোনো বিশেষ মূল্য থাকে না। স্মৃতি না থাকলে সময়ের ফিরে না আসার বাধ্যবাধকতা মেনে নেয়া হয়তো সম্ভব হতো না।

আমার সব সাধনা শেষ হয়ে যায় নারী প্রেমের সাধনায়

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
৫/৮/২০২১
গান/আমার সব সাধনা শেষ হয়ে যায় নারী প্রেমের সাধনায়

আমার সব সাধনা শেষ হয়ে যায় নারী প্রেমের সাধনায়
আকাশ পাতাল সাধন করি,হরি খোদার সন্ধান করি ফিরে আসি ঘরের কোণায়।
আমার সব সাধনা শেষ হয়ে যায় নারী প্রেমের সাধনায়।।

শৈশব কালে স্কুলে যাই, নিত্য শামলা কালো এক জনের দেখা যে পাই।
হেটে হেটে চলেন যখন, শ্যমলা কালার কি করব কথন
চিনতাম না তাকে জানতাম না তাকে, আমার মনটা ঘুরতো তার প্রেম যমুনায়
আমার সব সাধনা শেষ হয়ে যায় নারীর অংগের সাধনায়

দিনে দিনে দিন আসে যায়, পাহাড় নদী আকাশের সীমানায়, কত বিদ্যা হাসিল করি
ধর্ম বিজ্ঞান, প্রকৌশল বিজ্ঞান, চিকিৎসা বিজ্ঞান
আরো কত জ্ঞান হাসিল করি
কোন জ্ঞান এর পরিসীমা নাই, বাড়তে থাকে যতই সন্ধান চালাই
কি বলব আমি কি করব আমি সদাই ফিরি ঘরের কোণায়
আমার সব সাধনা শেষ হয়ে যায় নারীর অংগের সাধনায়।।

তোমায় পাবার আশায় তোমায় ভুলে থাকি

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
২/৮/২০২১
গান/ তোমায় পাবার আশায় তোমায় ভুলে থাকি।

তোমায় পাবার আশায় তোমায় ভুলে থাকি
বিরহে তুমি বুঝবে সখা ভালোবাসা খাঁটি নয়কি ফাঁকি।
তোমায় পাবার ছলে তোমায় ভুলে থাকি

স্রোতের নদী বাঁধতে গেলে ফুলে ফেঁপে উঠে
কঠিনতম বাধ দিতে পারলেই স্রোতের গতি ঠেকে
যতই আমি বাঁধ দিতে যাই ততই আমি হারিয়ে যাই
ততই ভালোবাসা কি যে মধুর দেখতে পেয়ে আতকে উঠি একি।
বিরহে তুমি বুঝবে সখা ভালোবাসা খাটি নয়কি ফাঁকি।

দু-চার ঘন্টা যদি থাক দুরে কি যে ব্যাথা হয় বুঝাবো কি করে
মোবাইল স্ক্রিনে বারবার দেখি তোমার SMS এলো নাকি
কল বা SMS না পাই যখন, মর্ম যাতনা বাড়ে তখন
আমিই তখন লাজ লজ্জা ভুলে আবেগ গুলো লিখতে থাকি।
বিরহে তুমি বুঝবে সখা ভালোবাসা খাঁটি নয়কি ফাঁকি।

আমার না হইতেই ঘর ভেংগে গেলো

গান/ আমার না হইতেই ঘর ভেংগে গেলো
আহসান হাবিব
হাসনাবাদ কোরানটাইন বিল্ডিং
৩১/৭/২০২১

গান/ আমার না হইতেই ঘর ভেংগে গেলো

আমার না হইতেই ঘর ভেংগে গেলো ভুল বুঝারই ফলে
কোথায় যাব কোথায় রবো বাসা বাধবো কোনবা ডালে।

ছোট্ট ছোট্ট ভুলের মাশুল আজ পাহাড় সমান ভারি
আমিও কভু ছাড় না দিছি সেও করেছে আড়ি
এখন অন্তর জ্বালায় জ্বলছি আমি সে বা আছে কোন হালে
জানি সেও তো জ্বলছে মর্ম জ্বালায় এই ছিল মোদের কপালে
কোথায় যাব কোথায় রবো বাসা বাধবো কোনবা ডালে।

সকাল বেলা নীড় ছেড়ে যায় সকল প্রাণী খাবার অন্বেষণে
সন্ধায় আবার নীড়ে ফেড়ে আপন জনের টাণে
আমার আপন জন হাড়িয়ে গেলো,ফিরতে নারে
এ জনম কালে।
এ তো আমরা চাইনি কভু তবু কেন এমন হলো মোদের কপালে।
কোথায় যাব কোথায় রবো বাসা বাধবো কোনবা ডালে।

হেলায় ফেলায় যায় যে বেলা

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ কোরানটাইন বিল্ডিং
৩১/৭/২০২১

হেলায় ফেলায় যায় যে বেলা সাঙ্গ হবে ভবের খেলা
আজ না হয় কাল বাজবে বাঁশি এই তো ধরনীর খেলা।
হেলায় ফেলায় যায় যে বেলা।

এতসাধের বাগান খানি রয়ে যাবে আছে যেমনি
তুমি শুধু থাকবে নাকো যতই আশা করে থাকো
আদরের ছেলে আদরের মেয়ে, স্বরণ করবে মাঝে
মাঝে দুএক বেলা।
হেলায় ফেলায় যায় যে বেলা।

তোমার যাবার পথের বাহন, যার যার বেলায় আছে যেমন
হয়েছে কি জোগার বাহনের খরচ, যার জন্য যেমন ফরজ
না হইলে পথের ধারে রবে পড়ে অনন্ত বেলা।
হেলায় ফেলায় যায় যে বেলা।

সকাল দুপুর গেল চলে গোধুলী চলছে এখন

গান/ সকাল দুপুর গেল চলে গুধুলি চলছে এখন
আহসান হাবিব
২৬৬/৩ শীতল ছায়া সোসাইটি
মানিকদী, ঢাকা সেনানিবাস

সকাল দুপুর গেল চলে গুধুলি চলছে এখন
হারকিন বাতি কুপি জ্বালাও রাতে হবে হবেই প্রয়োজন।
হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান হলো হারকিন বাতি কুপির উদাহরন
যার যা নিয়ে চলিবে পথ যখন আসিবে সখের মরন।
সকাল দুপুর গেল চলে গুধুলি চলছে এখন।।

গোধুলিতে এসেও মনে হয় আমার ধর্ম সত্য অপরের সব মিছা
বানিয়েছেন যিনি পারেন নিশ্চয়ই তিনি দিতে একই পথের দিশা।
আরো আছে নাস্তিক যত, চলে আপনা আপনা মত
হবে কি তাদের মরন আসিবে যখন।
সকাল দুপুর গেল চলে গুধুলি চলছে এখন

কত রকম খেলা তোমার বুঝার সাধ্য কি বল আমার
সাজাও সযতনে বাগান, আবার ইছামত দেও টান
ভাংগ তুমি গড়ও তুমি, ইচছা মত, চাও যাহা যখন যেমন।
সকাল দুপুর গেল চলে গুধুলি চলছে এখন।

হয় যদি সে পথ

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
২২/৭/২০২১
আমি হইতে পারি মেঠো পথ বা পায়ে চলার পথ
হয় যদি সে পথ ওগো বন্ধু তোমার চলার পথ।
আমি যুগের পর যুগ বসে থাকবো চলার পথের ধারে
চেয়ে থাকবো পথের দিকে তোমার আসার তরে
আজ না হয় কাল আসবে তুমি আশায় রবো হইবো না কভু ব্যর্থ মনোরথ।
হয় যদি সে পথ ওগো বন্ধু তোমার চলার পথ।

ফুল ফুটিলে ভ্রমর আসে মধু খাবার তরে
তুমি ফুল হয়ে ফুটবে কখন, আমি চেয়ে রবো তোমার ফুটার তরে।
কত ফুল ফুটে নিত্য চিনবো কেমন করে
তোমার চুলের বেনীর গন্ধে চলেছি কত দিগংগনার পথ।
হয় যদি সে পথ ওগো বন্ধু তোমার চলার পথ।
খেয়ার নেয়ে হয়ে আমি করবো পারাপার
কোন বা নায়ে আসবে তুমি জানবো কেমনে উপায় কি চেনার
আলতা রাঙা পা তোমার শতদল হেন কত হেরেছি হইয়া ভীষণ মনোরথ।
হয় যদি সে পথ ওগো বন্ধু তোমার চলার পথ।

ঐ রেলস্টেশনে শুয়ে আছে যে মানুষগুলা

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
১৭/৭/২০২১
গান/ঐ রেলস্টেশনে শুয়ে আছে যে মানুষগুলা
ঔই রাস্তার ধারে পথের পারে
ঔই রাস্তার ধারে পথের পারে, ঐ রেলস্টেশনে
শুয়ে আছে যে মানুষগুলা
আমার তোমার না হইলেও ওরা, এই দেশের সন্তান,
এই দেশের মাইয়া, দেশের পোলা।
ঐ রেলস্টেশনে শুয়ে আছে যে মানুষগুলা

ওরা ভিক্ষা করে,না খেয়ে থাকে, দ্বারে দ্বারে ঘুরতে থাকে
ঠেলা টানে মজদুরি করে, ওরা কাউকে না বকে কাউকে না মারে
কিন্তু এই দেশটাকে ভালোবাসার বেলায় ওরা সমান সমান বিন্দু মাত্র করে না হেলা।
ঐ রেলষ্টশনে শুয়ে আছে যে মানুষগুলা।

আমি তুমি জন্মেছি সোনার চামুচ মুখে দিয়ে
ওরা জন্মের পরে পায়নি খেতে, শুধু কেঁদেছে চিৎকার দিয়ে
ওরা অবহেলিত অনাকাঙ্ক্ষিত আনন্দের ফসল
তাই তো ওরা না খেয়ে থাকার দল,
সবাই ওদের ফেলে গেলেও ফেলেনি বাংলাদেশ করেনি হেলা।
ঐ রেলস্টেশনে শুয়ে আছে যে মানুষগুলা

ফেসবুক পেইজ চালান

১.

আপনারা প্রায় সবাই ফেসবুক পেইজ চালান। ফেসবুক বর্তমানে ব্যাবসার অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে। বিশেষত শপিং সেন্টার কিংবা তথাকথিত 'ফিজিক্যাল' বিক্রয়কেন্দ্রবিহীন ব্যাবসাগুলোর কাছে, খরিদ্দারের কাছে খবর পৌঁছানোর অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বর্তমানে জনপ্রিয়তার তালিকায় প্রথম দিকেই অবস্থান করছে ফেসবুক।

এর অন্যতম কারণ হচ্ছে ফেসবুকের সুবিশাল তথ্য-ব্যাংক। বর্তমান বিশ্বের মোট জনসংখ্যার সাথে তুলনা করে বলতে গেলে-
পৃথিবীতে যতো মানুষ রয়েছে তার এক-তৃতীয়াংশ সমপরিমাণ ফেসবুক প্রোফাইল রয়েছে। যার অন্তত ৫০ শতাংশ নন-ফেক তথা প্রকৃত মানুষের প্রোফাইল। অর্থাৎ পৃথিবীর প্রতি ছয় থেকে সাত জন মানুষের জন্য রয়েছে একটি করে অরিজিনাল ফেসবুক প্রোফাইল!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ