অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

পক্ষ নিলে রক্ষা নাই

গত কিছুদিন আগে ঢাকা থেকে সিলেট আসার পথে বাসে একটা নাটক দেখলাম, প্রথমে নাটকের প্রতি আমার মনযোগ ছিলোনা কিন্তু যখন দেখলাম নাটকটি মুক্তিযুদ্ব ভিত্তিক তখন আগ্রহ নিয়ে নাটকটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখলাম। নাটকের কাহিনী ছিলো এমন-

রাত যত গভীর হয়, ভোর তত এগিয়ে আসে

১.

দেশে একটা সংকটকাল উপস্থিত হয়েছে। চাপাইনবাবগঞ্জ, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সাতক্ষীরা, রংপুর, ঠাকুরগাও, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা, ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় ৪ পুলিশসহ ৪২ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ থেকে 'দেইল্যা রাজাকার'-এর ফাঁসির আদেশ দেয়ার পর এসব সংঘর্ষ শুরু হয়।

লক্ষণীয় যে, ৫ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন রায় ঘোষণার পর দেশের আপামর জনতা রাজপথে নেমে এসেছিলেন। ৫ তারিখ সন্ধ্যার পরের অংশটুকু বাদ দিলে এ আন্দোলনের বয়স ২৪ দিন। আর ওই আগুন লাগানো সন্ধ্যাটিকে ধরে হিসাব করলে ২৫। এতগুলো দিন আমরা কাদের মোল্লাসহ সব রাজাকারের ফাঁসির দাবি জানাচ্ছি, কিন্তু একজন মানুষকেও কুটোর আঁচ পেতে দিই নি। অথচ ওদের নেতার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার পর মাত্র ১ দিনে সারাদেশে মরতে হয়েছে ৪২ জন মানুষকে। অনেকে আবার ওদেরই দলের সদস্য। এই জামায়াত-শিবিররকে যে আমরা রক্তচোষা জানোয়ার বলি, সেটা কি ভুল বলি?

শ্রেষ্ঠ সময়ের ক্রান্তিকাল

খুবই মন খারাপ। এরকম মন খারাপ খুব একটা হয় না সচারচর। এতো গুলো মানুষ মারা গেলো, মরছে ভাবতে অসহ্য লাগতেছে। ভোর বেলাতেই উঠে বসে আছি আর ভাবছি কি হবে দেশটার? ৩৭-৪০ জন মানুষ গতকাল মারা গেছে। এর ভেতরে পুলিশ আছে শিবিরের কর্মী আছে হয়তো আমজনতাও আছে। মৃত্যু আমার কাছে খুব কঠিন জিনিস মনে হয়। অথচ এই দেশে মানুষ কতই না সহজ ভাবে মারা যায়! কেউ জীবন দেয়, কেউ জীবন নেয়। সার্কেল চলছে। অথচ পরিবার বা বন্ধু বান্ধবের কোনো নিকটাত্মীয়ের মৃত্যূ খবর শুনলে আমরা কত বিচলিত হই, ভাবি এর চেয়ে অস্বাভাবিক কিছু আর হতে পারে না। কিন্তু বাংলাদেশে সকাল বিকাল নাস্তা করার মতই সহজ ব্যাপার যে আজ কয়জন মরছে আর কিভবে মরলো? এই যে আমরা বেচে আছি এতো আনন্দ ফুর্তিতে দিন যাপন করতেছি তার জন্য কত মানুষ মরে প্রতিদিন মুল্য দিতেছে তা কি আমরা ভাবি? এরকম সাংঘর্ষিক পরিস্থিতিতে মনে হয় যেকোনো দিন আমি আপনে যতই সতর্ক থাকি আঘাত আসতে পারে। কারন বুলেট বোমা এইসব মানুষ দেখে হয় না!

রাজাকারের বিবির সব বাচ্চাই শিবির!

রাজাকারের বিবির
সব বাচ্চাই শিবির!

বড় রাজাকারের ফাঁসির রায় হয়েছে। তাই ছোট রাজাকারগুলো ক্ষেপেছে। দেশজুড়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে। ধর্ম ব্যবসায়ী দেইল্লা রাজাকারের ফাঁসির রায় শুনে পাগলা কুত্তার মতো ক্ষেপেছে ছাগুরা। এরা মানুষ খুন করছে, মন্দির ভাঙছে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা করছে।
এই তাহলে তোদের ধর্ম? এই বিবেক-বুদ্ধি নিয়ে আন্দোলন (!) করিস?
থু কাপুরুষের দল! ছি মীর জাফরের গোষ্ঠী!

সাদাসিধে কথা

আজ তেইশ দিন হল বাংলার দামাল ছেলেরা পথে নেমেছে রাজাকারদের ফাঁসির দাবিতে আর তাতে সমর্থন জানিয়ে যোগ দিয়েছে লাখো জনতা। মন ভরে যায়। সচরাচর এই দেশের প্রেক্ষাপটে মন ভালো হবার মতো কিছু তো ঘটে না। তাই ব্যাক্তিগত অনেক সুখদুঃখ ভুলে এই শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরে ডুবে আছি দিনরাত।
এরই মাঝে খেয়াল হল আজ আমার গুড়ি মেয়েটার বয়স ছয়মাস হয়ে গেলো।আমার দুই মেয়ে –রাইসা রাইমা, ওদের নিয়ে আমার এই নন্দনকানন। বড়টির আট বছর।

আবোল তাবোল - ১৫

# আমি; এবি, আমরা : বাউন্ডুলের জবানবন্দি #

আজকাল এবি তে আসলেই মন ভাল হয়ে যায়। আমি এবি'র খোঁজ পাওয়ার পর থেকেই দেখে আসছি, ভাল লেখা যত টা না চোখে পরে তার চাইতে ঢের বেশি লেখা অদেখাই রয়ে যায়। এর বড় একটা কারন হল ভাল লেখিয়েরা এখন আর লেখতেই চান না, প্রিয় লেখিয়েরা কেবলই হারিয়ে যাওয়াদের দলে নাম লেখিয়ে যান!

তাই বরাবরই আমার একটা আফসোস কাজ করত যে, এবি'র স্বর্ণযুগটা আমার দেখা হল না! ইদানিং সেই আফসোস টা আস্তে আস্তে কেটে যাচ্ছে।
প্রিয় লেখকেরা আবারও ফিরে আসছেন, লগ-ইন করছেন । চমৎকার সব লেখা পর্যন্ত দিচ্ছেন। আর এবি'র নিয়মিত প্রানের বন্ধুরা তো সাথে আছেন প্রতিদিনই।

সব মিলিয়ে প্রায় প্রত্যেকদিনই প্রথম পাতায় জায়গা করে নিচ্ছে অসাধারণ সব লেখা, প্রিয় ব্লগ কে এমন প্রাণচঞ্চল দেখতে কার না ভাল লাগে!

প্রায় মাসখানেক পার হয়ে গেছে, কিছু লিখতে বসা হয় না। বেশ কয়েকদিন ধরেই ভাবছি, হাবিজাবি একটা কিছু লিখব। লেখা হয় না। আসলে, লেখার সাহস আর উৎসাহ কোনটাই আগের মত পাই না আজকাল।

২৮শে ফেব্রুয়ারী ২০১৩

সকাল থেকে বসে ছিলাম দুরুদুরু বুকে। ৫ই ফেব্রুয়ারী কি আবার ফিরে আসছে আমাদের বাংলায়? আবার কি ফুঁসে উঠবে সবাই? নাকি হতাশা নিয়ে ফিরে যাবো ঘরে, পরাজিত কুকুরের মত মাথা নীচু করে...

সময় কাটে, বুকের ধুক ধুক শব্দ বাড়তেই থাকে। এমন অপেক্ষা করি নি কখনো। যদিও সকল লজিকাল পথ গিয়ে একটা পথেই মিলছিলো, তবুও চিরদিনের পেসিমিস্ট মন মাথা চাড়া দেয়। যদি কোনো কম্প্রোমাইজ করা হয়, যদি আমাদের আবেগ নিয়ে আবার খেলা হয়...

বাসায় টিকতে না পেরে ছুটে যাই অফিসে, একটা দু'টো ছোট কাজ সেরে নিষ্পলক তাকিয়ে থাকি ফেসবুকে। একটু পরে পরেই রিফ্রেশ দেই পেজ, অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘতর হ'তে থাকে। অস্থিরতা বেড়েই চলে...

অফিসও অসহ্য লাগতে থাকে। শাহবাগ হাতছানি দিয়ে ডাকতে থাকে। অফিস থেকে শাহবাগে চলে যাই। শাহবাগ যেতে যেত মনে পড়ে ৫ তারিখের কথা। সে সময়ের হতাশা, তার পরে সেই হতাশা থেকে আশার সঞ্চার। তবুও মনের আশঙ্কা কমে না। যদি কোন খেলা চলে...

শাহবাগে গিয়ে একে একে দেখা হয় অনেকের সাথেই। সবাই শংকিত, সবার মনেই কি হয় কি হয় ভাব...

রায় হয়ে গেল। কী রায় ? কী আবার, ফাসি। জয় বাংলা !!!

অবেশেষে রাজাকার, খুনী, ধর্ষক, মানবতার শত্রু সাঈদীর বিরুদ্ধে রায় দেয়া হলো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। দুপুর ১ টা ৪২ মিনিটে এই রায় ঘোষনা করা হলো। কী রায় ? কী আবার, ফাসি। জয় বাংলা !!এটি হলো এই আদালতের দেয়া ৩য় রায়। সর্বস্তরের জনতার বিজয় এটি। জয় হলো সত্যের। জয় মানবতার। জয় জনতার। প্রজন্ম চত্তরের একজন হিসাবে এ আনন্দের ভাগীদার আমিও। আজকের দিনটি আমার জীবনের অন্যতম আনন্দের দিন।

ফেসবুক ঢোকা যাচ্ছে না... unexpected parser state

ফেসবুক খুলে বসে আছি কখন দেখবো কাঙ্খিত সেই রায়... মুর্হুমুহু স্টেটাস আপডেটে চোখ রেখে বসে আছি.. আমার মত অনেকেই আছেন অফিসে বসে উৎকণ্ঠিত... কিন্তু সমস্যা দেখা দিছে অন্য জায়গায়... বার বার রিফ্রেশ করতে করতে... হঠাৎ একটা ম্যাসেজ দেখালো "unexpected parser state"। আমরা সব্বাইকি ফেসবুকরে চাপের মুখে ফেলে দিলাম? বৈদেশীরা কি পারতেছেন?

এদিকে যুদ্ধাপরাধী দেলু রাজাকারের রায় পড়া শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল ১ এ। তার বিরুদ্ধে মোট ৩১টি অপরাধের অভিযোগ আসে... ট্রাইবুনাল ১১টি বাদ দিয়ে ২০ অভিযোগ গ্রহন করেন।

সাঈদীর নয়, দেলুর রায় দিচ্ছি: বিচারপতি ফজলে কবীর
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ট্রাইব্যুনাল থেকে: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিচারের রায় ঘোষণা শুরু হয়েছে। রায় ঘোষণা শুরুর আগেই ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান ফজলে কবীর বলেন- রায় ঘোষণার আগে আমরা কিছু কথা বলতে চাই।

দায়শোধ [৪র্থ পর্ব]

রায়গুলো সে হয়েই আছে কবে,
কালকে বুঝি সেই ঘোষনাই হবে,
লক্ষ মানুষ যাচ্ছে দিয়ে রায়,
প্রাপ্য যা যার, পায়-ই যেন পায়!
চুপটি যারা, কোটির ভিড়ে থেকে,
নিজের মত, যাচ্ছে কেবল দেখে,
ওদের চাওয়াও মিশছে একই রেখায়,
আসবে বুঝি বিচারপতির লেখায়!

অন্যায় যে করল জেনে বুঝে
মাস ঘুরে যাক বছর পেরোক শত,
তার অপরাধ হয় না ক্ষমা কোন,
শুকোয় না আর দগদগে সেই ক্ষত!
ইতিহাসের মলাটবাঁধা পাতায়
অন্যায়েরা শব্দ হয়ে বাঁচে,
অপরাধীর ফাঁস পরাবে বলে
আঁচ হয়ে যায় আইনে গড়া ছাঁচে!!

চিরকুট

কত কি ঘটে যায় আশেপাশে, জীবনের হাজারো সেসব টুকিটাকির হিসেব রাখার জো নাই কারুর। তারপরও কিছু কিছু মূহুর্ত, কিছু উপলব্ধি জানাতে ইচ্ছে হয় সবারই, অনুভূতি ভাগাভাগিতে তার মাত্রাটা বাড়েই, আগে যেটা হরহামেশাই করে ফেলতাম আমরা। এই সব লেখার কারনে নানান বিষয়ে জানতে পারছি (ভাল-মন্দ সব রকমেরই), সচেতন হচ্ছি, সর্বোপরি আন্তর্জালের মাধ্যমে পাওয়া বন্ধুগুলোকে কিন্তু কাছে এনে দিয়েছে এই লেখাগুলোই, সেগুলো সবটাতেই যে আমাদের ঐক্যমত থাকে তা নয়। ইদানিংকালের ব্যস্ততা, বিষয়ভিত্তিক লেখাতেই মনোনিবেশ, আলসেমি, লিখে কি হবে, ইচ্ছে না হওয়া – ইত্যাকার কত কি কারন এসে বাধাঁ দেয়া সেই “মন যাহা চায় তাই লিখে ফেলি” ভাবটার সতস্ফুর্ততায়। হরেক কারন থাকুক না হয়, তারপরও দিনভর আমরা কত কি দেখছি, জানছি, ভাবছি, সেসব টুকে রাখার মতোন কিবা একেবারেই গোনায় না ধরা বিষয়গুলো লাগে যে লিপিবদ্ধই না হয় থাকুক। সামান্য সেসব থেকেই না হয় কেউ না কেউ জানবো আমরা সামান্যতমই কিছু। অন্যকে এই জানানোতেও কিন্তু রয়ে যায় ভালবাসা, সে নিজের জন্যে হোক কিবা বন্ধুদের জন্যেই। তাই কবির ভাষায় বলি সকলকে,

অনেক ভালোবাসি তোমায়, একটু ভালোবাসো

ধর্মের নামে ভন্ডামি এবং মিথ্যা অপপ্রচার বন্ধ করুন !!!

’৭১ এর পরাজিত শক্তি জামায়াত শিবির এবং তাদের দোসর বিএনপি-বিশেষ করে বিএনপি জামাত ঘরোয়ানা গণমাধ্যম এই আন্দোলনের গায়ে নাস্তিকতার তকমা লাগিয়ে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য মিথ্যা অপবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন মহল থেকে সন্দেহ করা হচ্ছে যে ’৭১ এর এই ঘাতকরা আন্দোলনকারীদের অন্যতম সহযোদ্ধা আহমেদ রাজীব হায়দারকে নৃশংসভাবে হত্যা করার পর মৃতব্যক্তিকে নিয়ে অপরাজনীতি শুরু করেছে। বিএনপি-জামাতের অভিযোগ প্রয়াত রাজীব হায়দার নাকি ইসলাম ধর্ম, ধর্মীয় অনুশাসন, এবাদত, নামাজ রোজা, হজ্জ যাকাত ইত্যাদি বিষয় এবং মহানবী(সা.) সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ লেখালেখি করেছে। অপরদিকে বাংলাদেশের ইন্টারনেট বিশেষজ্ঞদের অভিমত শাহবাগের আন্দোলনকে ভিন্নখাতে নিয়ে যাওয়ার জন্য ’৭১ এর পরাজিত শক্তি প্রয়াত রাজীবের নামে ভূয়া একাউন্ট খুলে তার নামে ইসলাম বিরোধী রচনাবলী পোষ্ট করেছে। তর্কের খাতিয়ে যদি ধরেও নেওয়া হয় যে, প্রয়াত রাজীব হায়দার একজন ইসলাম বিরোধী ব্লগার। তারপরও কোন সাক্ষ্য প্রমাণ ছাড়াই আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে একজন মৃতব্যক্তিকে মুরদাত ঘোষণা করা ইসলাম অনুমোদন করে কিনা- কোরআন-হা

পাহাড় আর নদীর গল্পঃ চেনা অচেনা যাপিত জীবনের আখ্যান

আজ পোষ্টটা দেয়া নিয়ে একটু সন্দিহান ছিলাম। তবে লেখাটা জরুরী ছিলো কারন বই মেলা প্রায় শেষ দিকে। কিন্তু এদিকে এবিতে প্রথম পেজে আমার পোস্ট চারটা। তাই একটু চিন্তা করে ডিসিশন দিলাম দিয়া ফালাই। জীবনে কি আর আছে খেতা আর বালিশ! একজন একটা লিঙ্ক দিলো তাই অন্য একটা ব্লগ সাইটে ঢুকলাম। সেখানে যে এবির চেয়ে খুব মান সম্মত পোস্ট আছে তা না কিন্তু আছে শুধু একটিভ ব্লগার আর যুতসই ইউসার ফ্রেন্ডলী সাইট। আমাদের এবিতে যে ধরনের পোষ্ট লেখা হয় তা কোনো অংশেই খারাপ না। কিন্তু আমাদের সার্কেলটা আমরা এতোই অলস যে আমাদের অতিথি থেকেই ব্লগ পড়তে ভালো লাগে আর ফেসবুকে তা না জানাতেই আনন্দ পাই। আমি আগে ফেসবুকে জানাতাম না যে কি লিখলাম,এখন জানাই কারন শেয়ারের কারনে অনেকেই লেখা পড়ে যাদের কখনোই পড়ার সম্ভাবনা ছিলো না। আর এবির নিয়মকানুন একটু কড়া তবে তাতে লাভ আমাদেরই। কিন্তু নিজেরাই যদি লগ ইন না করি তবে পোস্ট পড়বে কে? আর লিখবেই বা কে? তাই কাল যখন অনেক লগ ইন দেখলাম, তখন শান্তি পাইলাম না এবিতেও লোক হয়। আর আমার পোস্ট বাদে অন্য পোষ্ট গুলান যা দারুন ছিলো তাতো বলার কিছু নাই। যা শালা! আমি এই সব কইতেছি কেন?

অস্কার! অস্কার!

অস্কার নিয়ে লেখার হুকুম দিছে শান্ত। অস্কার নিয়ে আসলে লেখার তেমন কিছু নেই। যেমনটি ভাবা হয়েছিল, প্রায় তেমনটিই হয়েছে। বড় পার্থক্য একটি। আর সেটি হচ্ছে, আং লি সেরা পরিচালক হওয়া, লাইফ অফ পাই থেকে। জেনিফার লরেন্স নিয়েও অনেকের দ্বিধা ছিল। সম্ভবত জুরিরা জেনিফার লরেন্সের মুখের নীচেও অনেকটা সময় ব্যয় করেছিল। Tongue
তবে এবারের অস্কার মনে থাকবে ব্রিটিশ বর্ন অভিনেতা ডেনিয়েল ডে লুইসের জন্য। এখন পর্যন্ত তিনবার সেরা অভিনেতার অস্কার আর কেউ জেতেনি। তবে লিঙ্কন এখনো দেখা হয়নি। তবুও সবাই ধরেই নিয়েছিলেন পুরস্কারটি এখানেই থাকবে।
আরগো পাবে এটাও ধরে রাখা ছিল। ছবিটি দেখে আমার ভাল লাগে নি। সম্ভবত এটি পলিটিকালি কারেক্ট চয়েজ। আরগো না হলে নাম থাকতো বিন লাদের হান্টিং মুভি জিরো ডার্ক থার্টির। আরগো সাধারণ মানের এক মুভি। ইরানে সিআইএর বীরত্ব দেখানোর এই ছবি অবশ্য ভালই ব্যবসা করেছে। আর বেন এফ্লেককের প্রথম ছবি গুড উইল হান্টিং দেখে যতটা চমৎকৃত হয়েছিলাম এর পর আর কখনো হইনি।

কামাল ভাই, শ্রদ্ধাভাজনেষু!

গত পরশুদিন রাতে বাসায় ফিরে আমার মনটা কোনো একটা অদ্ভুত কারনে খুবই খারাপ ছিলো। হুট করেই আম্মুর কথা খুব মনে হলো। তবে দেশ গ্রামে থাকে ১১ টাতে ফোন দিয়ে বিরক্ত করার মানে নাই সেইরাতে। কি আর করা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলাম ওয়ারফেইজের একটা গানের একটা লাইন আছে এমন 'এ সবই তো সুন্দর, এ জীবনের আনন্দ/ তার থেকেও সুন্দর আমার মা।' আর তখনি দেখলাম টেবিল পড়ে আছে কামাল ভাইয়ের দেয়া উপহার লিটলম্যাগ 'ধাবমান ৯' যার ট্যাগ লাইনে বলা আছে সাহিত্য আন্দোলনের কাগজ। এবারের বিষয় যার যার মা। মেলার ভীড়ে তা ভালো করে দেখা হয় নাই। খালি একটা জিনিসই দেখছিলাম সলিমুল্লাহ খানের লেখা আছে। ছফা ভক্ত হবার কারনে বাই ডিফল্ট আমার সলিমুল্লাহ খান পছন্দ। যদিও তার বিভিন্ন শব্দের আরবী ফারসী সাধু বাংলা করন আমার পছন্দ না। তাও তার লেখা চিন্তা ভাবনা, রেফারেন্স আমাকে মুগ্ধ করে। আমি এখনো বই মেলার থেকে কেনা বই গুলা পড়া শুরু করি নাই সেভাবে। শুধু মাসুম ভাইয়ের বই, তাতা আপুর বই, আর মোস্তাক শরীফের একটা বই পড়ে শেষ করছি। আর পড়ছিলাম মাহবুব মোর্শেদের গুরু ও চন্ডাল আর নাসির আলী মামুনের আহমদ ছফার সময়। আমি সাধারনত যেগুলা বই পড়ছি তার বাইরে কোনো বই নিয়ে বসি না। ক

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ