অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ২০ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

বোকা মানব এবং মানবীদের গল্প

বাসা থেকে বের হয়ে শাহবাগ মোড়ে এসে ছেলেটা ভাবছিল কোন বাসটা ধরলে ভাল হবে। যাবে গুলশান দুই। একটা Interview আছে তাই মোটামুটি ফিটফাট হয়ে বের হইছে।মানি ব্যাগের অবস্তা তেমনি যেমন একজন সদ্য পাশকরা নব্য চাকরিরত ব্যচেলর এর মাসের শেষে হয়।তাই এই গরমে এই ভীড়ের বাসে উঠলে ভাঙ্গাচুরা চেহারারে যাও একটু মেরামত করসিল তা যে আবার আগের রুপে ফিরে যাবে জেনেও সে নিরুপায়।বাসের অপেক্ষায় সাঁই সাঁই করে ছুটে যাওয়া লাল নীল গাড়ীগুলো দেখছিল সে আর উদাসী থেকে উদাসীতর হচ্ছিল।হঠাৎ নিজের উপর নিয়ন্ত্রন হারাল সে। ধুর কি হবে Interview দিয়ে। আর কয়টা টাকা বেশী হয়ত ৫ টার জায়গায় ১০ টা সিগারেট কিনতে পারা,মাসে দুইবারের জায়গায় ৪ বার আলো আঁধারীতে বসে অমৃত গলাধঃকরন করে নিজের সমস্ত দুঃখ,যন্ত্রনা,অসহায়ত্ত ভোলার বৃথা চেষ্টা।ব্যাস এর বেশী কিছুনা।ধুর!বাদ!

(পাঠক/পাঠিকা,কি বলবেন একে?দায়িত্তজ্ঞানহীন একটা পাগলের উল্টাপাল্টা চিন্তা আর কার্যকলাপ)।

সিদ্ধান্তটা নিয়ে সে খুশী মনে এইবার সে তাকাল আকাশের দিকে।মাথার উপর অবারিত মুক্ত নীল আকাশ।আকাশটা আজ অদ্ভুত নীল।

আমার বন্ধুর প্রেম ।

w

আমার কলেজ লাইফের ছোট্ট একটি ঘটনা বলছি । প্রথম কলেজে উঠার পর খালি গার্ল ফ্রেন্ড নিয়ে চিন্তা করত আমার এক বন্ধু । আমার যদি একটি গার্ল ফ্রেন্ড থাকত ।
এভাবেই দিন যাচ্ছিল একদিন আমার বন্ধু আমাকে বললঃ দোস্ত আমার একটি মেয়ে পছন্দ হয়েছে আমি বললাম কোন সেকশনের ? সে বলল তাতো জানিনা মনে হয় নতুন ভর্তি হয়েছে ।
আয় আমার সাথে । বলেই সে আমাকে বাংলা ডিপার্টমেনট এর সামনে নিয়ে গেল । আমি সেখানে আনুমানিক ২৪ কি ২৫ বয়সী একটি সুন্দরী মেয়েকে দেখতে পেলাম । সে বলল এটিই সেই মেয়েটি । আমি দেখে বললাম বলিস কি এই মেয়ে আবার কবে ভর্তি হয়েছে ? আর বয়সেতো মনে হচ্ছে আমাদের থেকে বেশ বড় । আর বাংলা ডিপার্টমেনট এ কি করে ? মনে হয় কোন টিচারের মেয়ে হবে ।
আমার বন্ধু বলল হতে পারে , কিন্তু মেয়েটি কি সুন্দর নয় ?
আমি বললাম হ্যাঁ দেখতে তো বেশ সুন্দর । কিন্তু মেয়েটি কোন সেকশনে ?
সে বলল এটা তো জানিনা । তিনদিন ধরে কলেজে দেখছি । তুই বল এখন কি করা যায় ।
আমি বললাম দেখ আগে মেয়েটির সাথে কথা বল বন্ধুত্ত করার চেষ্টা কর । এরপর দেখা যাবে কি করা যায় ।

ফিরে দেখা ৭১ - পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ (পর্ব - ১)

পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ

[প্রথমেই বলে নিচ্ছি এই সিরিজটা প্রায় পাঁচ বছর পূর্বে অন্য একটি ব্লগে দিয়েছিলাম, তবে এবার আরো বেশী তথ্য হাতে নিয়ে শুরু করলাম, তাই বেশ কিছু পর্বে খুব বেশি মিল থাকলেও পুরো সিরিজটা হুবুহু মিলবে না। নতুন অনেক তথ্য যোগ করার আশা রাখছি।]

পাকিস্তান শাসনামল (১৯৪৭ - ১৯৭১)

পাকিস্তান মুলত এমন একটি দেশ ছিলো যার দুই খন্ডের মানুষে মানুষে শুধুমাত্র ধর্ম ছাড়া আর কোনই মিল ছিল না। হাজার মাইলের দুরত্ত ছারাও তাদের মধ্যে ছিল অনেক অমিল। সংস্কৃতি, ভাষা, আচার-আচরন এমনকি অর্থনৈতিক ব্যবধান।

পূর্ব পাকিস্তানের জনগনের সাধীনতা আন্দোলনের সুত্রপাত মুলত ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই। পাকিস্থানিরা সেদিন আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে কিতে ছেয়েছিল যা এই অঞ্চলের মানুষ মেনে নেয়নি। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী পৃথিবীতে প্রথম কোন জাতি ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছিল।

[In 2001, UNESCO declared 21 February as International mother language day]

মিডিয়ার অনিশ্চয়তা আর অস্থিরতা

আমি একবার কোনো প্রতিষ্ঠান ছেড়ে দিলে সে প্রতিষ্ঠানে আর চাকরী করি না। এটা আমার নিজস্ব সিদ্ধান্ত। আমি মনে করি কোনও কিছু বা কাউকে বা কারো সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করার আগে ভাবা দরকার। হুট করে সম্পর্ক গড়া যায়, তবে খুব সহজে সম্পর্ক শেষ করা যায় না বা যাওয়া উচিৎ না। স্কয়ার ছাড়লাম। অ্যারোমেটিক ছাড়লাম। ছাড়লাম এসিআই। এরপর ছাড়লাম প্রথম আলো, ছাড়লাম ল্যাবএইড। বেকার জীবন কাটালাম কিছুদিন। তারপরও সাবেক কোম্পানি প্রধান বলা স্বত্তেও জয়েন করিনি। ওই যে বললাম, দ্বিতীয়বার কোনও কোম্পানিতে ফিরে যাওয়া আমার ইথিক্সে নেই।

আজকাল দেখি লোকজন আজ এই কোম্পানিতে তো কাল অন্য কোম্পানিতে। পরশু আবার আগের কোম্পানিতে। মনে হয়, এক কোম্পানির ভিজিটিং কার্ড ছাপা হওয়ার আগেই আরেক কোম্পানিতে বা অফিসে। অস্থির প্রজন্ম। পেশাদারিত্বের চেয়ে টাকা আর পদের গুরুত্ব এদের কাছে বেশি। ফলে অল্প বয়সে টাকা আর পদের ভারে এরা ন্যুজ হয়ে পড়ে। সব কিছুর একটা শেষ আছে। একটা সময় এই সব নন প্রফেশনালরা টাকা আর পদের সমন্বয় করতে পারেন না। ফলে দেখা দেয় হতাশা আর অস্থিরতা।

রূপকথা

আহা রাজকুমারী, তুমি জানো না -
এইখানে পক্ষীরাজ নাই।
তেপান্তর নাই।
ব্যাঙ্গমা নাই।
ব্যাঙ্গমি নাই।
জঙ্গল নাই।
সরোবর নাই।
কারো কোন প্রাণ ভ্রমরা নাই।
আহা রাজকুমারী -
দুপুর রোদে চুল শুকিয়োনা।
সোনাকাঠি-রুপোকাঠি পাশে রেখে ঘুমিও না।
এইখানে তোমার মুক্তির আশা নাই।

* কি মুশকিল! এত খাটাখাটনি করে দুই চরণ কাব্য প্রসব করলাম অথচ আমরা বন্ধুর নালায়েক সম্পাদক বলে ছাপাবেনা। Sad

১২ই নভেম্বর ১৯৭০--- একটি ছোট্ট ঘটনা

আজ ভয়াল ১২ই নভেম্বর। ১৯৭০সালের এই দিনে ঘটে যায় প্রয়লংকারী ঘূর্ণীঝড়। প্রায় ১০ লক্ষ লোক মারা যায় এই প্রাকৃতিক দূর্যোগে। কি ভয়াবহ সেই সময়। সেই ভয়াবহ সময় যাদের উপর দিয়ে বয়ে গেছে শুধু তারাই জানে কি দুঃসময় ছিল তা।

সেই সময়ের একটি ছোট্ট ঘটনা। ঢাকা মেডিকেল কলেজের কিছু তরুন ডাক্তার সেচ্ছাসেবী দল হিসাবে সাহায্যের জন্য গিয়েছিল সেই উপকূলিয় আঞ্চলে। সারাদিন নৌকায় করে এক চর থেকে অন্য চরে ঘুরাঘুরি করে তারা ক্লান্ত হয়ে রাতে সন্দ্বীপে আশ্রয় নেয়। রাতের খাওয়া শেষ করে বাইরে এসে দেখে যতদূর চোখ যায় শুধু লাশের সারি। বাতাসে পঁচা গন্ধ। চারদিক নিঝুম শুধু সাগরের গর্জন ছারা কোন শব্দ নেই। সোলায়মান ভাবলেন, লাশ গুলি একটু পরখ করে দেখা যাক। যা ভাবা তাই কাজ। সবাই নয় ৪৫জনের দলের মধ্যে অসীম সাহসী আটজন যুবক একটি মাত্র পাঁচ ব্যাটারীর টর্চলাইট হাতে নিয়ে কাজ শুরু করে দিল। অন্যান্যরা ক্লান্তি, ও অলৌকিক বস্তুর ভীতির কারনে যেতে অস্বিকার করে।

খুঁজে ফেরা

কাকে দেবো ভালোবাসা
কাকে দেবো এই উষ্ণতম চুমু?
ভেসে যায় জলের মত মায়াবি জোছনার রাত
উড়ে যায় হাওয়ায় হাওয়ায় রাত্রি প্রেমের সময়
তবু খুঁজে ফিরি এমন একজন
যাকে দেবো আমার সর্বস্ব বুভুক্ষু চুমু
পাঁজরের সবকটি হাঁড়, ভরা বর্ষা, চোখের জল।
প্রেমহীন এই শহরিক গ্রামে
আজ শ্যাওলা পড়ে দেয়ালে,
কিলবিল করে মাতাল চন্দ্র আলো
এমন এক স্বপ্ন সময়ে কাকে দেবো ভালোবাসা?
আমার নিখাদ ভরাট চুমু?
যদি মনের কাঁটায় পা না দিয়ে
জল না থাকে চোখে
যদি মন না নাচে প্রেমে!

টিভি দেখা না দেখা বাসি হয়ে যাওয়া ঈদের কথা!

এই পোষ্টটা কাল একবার লিখছিলাম। পোষ্ট যখন করবো ক্লিক দিলাম বলতেছে এক্সেস ডিনাইড। লেখাটাও উদাও। ভুলে গেছিলাম যে আমি দেড় ঘন্টা যাবত লিখতেছি ট্যাব খুলে দেখা উচিত ছিলো এখনো লগ ইন কিনা। এই সামান্য ভুলের জন্য কত বড় একটা বিপদে পড়লাম। দুই ঘন্টা যাবত লেখা একটা জিনিস এডিট করা শেষ কিন্তু পোষ্ট দিতে পারলাম না। পিসিতেই এই সব কাজ হয় মোবাইল দিয়ে লিখলে এই সব সমস্যা নাই। লেখা অটোমেটিক ড্রাফটে থাকে। যাই হোক দুঃখের কথা বলে লাভ কি? জীবনজুড়েই আমার এসব বোকামীর দন্ড গা সওয়া হয়ে গেছে। সমস্যা হলো আমি এমএস ওয়ার্ডে লিখি না ডাইরেক্ট ব্লগে লিখি তাই একটু কিছু হলেই লেখা উদাও।

অবিশ্লেষ্য জীবনধারা

হৃদয়ের একলা প্রান্তরে স্বপ্নের চিবুক ধরে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছি মহাকালের পথে । হয়তো পৌছুতে পৌছুতে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসবে । নি:স্তব্ধ আকাশের একমাত্র ধ্রুবতারাটি হয়তো আক্ষেপের দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকবে করুনা করবে ।
কথাগুলো ভাবতে ভাবতে অন্যমনস্ক হয়ে পথ চলছিলো শ্রাবণ । হঠাত একটি দামি গাড়ি প্রচন্ড শব্দে থামলো, ঠিক শ্রাবণের পায়ের কাছে। ঘটনার আকস্মিকতায় হুশ ফিরলো শ্রাবণের । তাকিয়ে দেখলো গাড়ীর জানালা দিয়ে ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে আছে দুটি চোখ। আর ঠিক তখনই চোখের ঠিক নীচ থেকে কর্কশ শব্দের আস্ফালন ওই মিয়া দেইখা চলতে পারেন না ? চোখের মাথা খাইছেন নাকি ?
সেদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে শ্রাবণ রাস্তা পারহয়ে মেট্রোতে ঢুকলো , এক্সেলেটর বেয়ে সোজা চারতলায়। গন্তব্য একদম কোনার টেবিল , যেখানে অপেক্ষা করছে ওর প্রানের প্রিয়তমা ।

ভুতুড়ে হাতের ছায়া

জাস্ট একটা হাত, শরীর নেই, মাথা নেই...
হঠাৎ নেমে এলো ব্যস্ত রাস্তার ব্যস্ততা এড়িয়ে...
যেখানে ধাতব প্রজাপতি স্থির হয়ে...
যেখানে ধাতব প্রজাপতি স্থির হয়ে,
স্থির চোখে গিলে ফেলে
কালো ধোঁয়া, শব্দ দুষণ আর মানুষের শরীর;
ঠিক সেখানেই...
আধো অন্ধকার ভেদ করে নেমে এলো
শুধু একটা হাত
শরীর নেই, মাথা নেই, পা নেই
শুধু একটা হাত
প্রজাপতির ডানা ঝাপটানোর মত নেমে এলো,
আর নিমেষের জাদুতে
অদৃশ্য হয়ে গেলো হাতে থাকা মুঠোফোনের শব্দময়তা
বিস্মিত, দুঃখিত এবং ভীত চোখে তাকিয়ে থাকা সঙ্গিনীর
বিবিধ দুঃস্বপ্নের অনুষঙ্গে যোগ হলো
ভুতুড়ে হাতের ছায়া...

ভালো বাসার আকাল পড়েছে

একটা ভালো বাসা খূঁজে হয়রান হয়ে যাচ্ছি গত দু’সপ্তাহ ধরে।এদিক হলে ওদিক হয় না।বাসার লোকেশন পছন্দ হলে বাসা পছন্দ হয় না।বাসা পছন্দ হলে গ্যাস সংযোগ থাকে না।গ্যাস সংযোগ থাকলে ভাড়া আকাশ ছোঁয়া।পানির সমস্যার কথা বিবেচনায় আনাই যায় না।কারণ কোনো বাসাতেই ২৪ ঘন্টা পানি দেয়ার ব্যবস্থা নেই।বেশির ভাগ বাসাতেই দু’বেলা পানি।আর যারা আরও আধুনিক তাদের একবেলা পানি।গত দু’সপ্তাহে ১২ টা বাসা দেখলাম।দুইটা মোটামুটি নেয়ার মতো পছন্দ হয়েছে।কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হলো একটা বাসাও নিতে পারিনি।দখিণের বারান্দা চাইনি।ঘরের দেয়ালে আকাশ রং চাইনি।চাইনি তেমন কোনো চাকচিক্য।তারপরও পাইনি।

দুই বেড রূমের একটা বাসার ভাড়া যখন ১৮ হাজার টাকা বলল,গ্যাস বিল,কারেন্ট বিল ছাড়া-আমার মনে হয়েছে আমার মাথার ভেতরে একটা চক্কর দিয়েছে।কেন যে বাসাটা পছন্দ হলো তা নিয়েই হা হুতাশ করছিলাম কিছুক্ষণ।
আর একটা বাসা-এক বেড,গ্যাস সংযোগ নাই,বারান্দা নাই,পানি একবেলা, ভাড়া ১২হাজার টাকা।এডভ্যান্স ৫০ হাজার টাকা।

দশ এগার বার

আজ অনেক দিন পর ব্লগে বসা। একদমই সময় করতে পারি না। এবি আমাকে ডাকে, আমি আসতে পারি না। বন্ধুরা আড্ডা দেয়, আমার থাকা হয় না। হঠাৎ হঠাৎ উঁকি মারি ব্লগে। একটু স্থির হতে পারি না। নতুন অফিস। কাজ-কর্ম গুছিয়ে উঠতে উঠতে দিন শেষ। প্রতিদিন ভাবি, আজ ব্লগে বসব, বসা কিন্তু হয়ে উঠে না। আমার অফিস টাইমটা বিচিত্র। যদিও সেটা মেনে চলতে পারি না। সকাল ঠিক দশটার মধ্যে আঙ্গুলের ছাপ মেরে অফিসে ঢুকতে হয়। দুপুর বারোটা নাগাদ ফ্রি হয়ে যাই। তারপর বাসায় যেয়ে দুপুরের খাবার টাবার খেয়ে আবার চারটার দিকে অফিসে আসি। রাত আটটা-নয়টা নাগাদ থাকি। যাবার সময় অফিসকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাই মানে আবারও থাম্ব ইম্প্রেশন দিতে হয়। জয়েন করার দিন দশেকের মাথায় একটা বড় ইভেন্ট করতে হল। এক দুদিনের হলে কথা ছিল। পুরো সপ্তাহ জুড়ে। বই মেলা, ছবি আঁকা, লিখন-পঠন কর্মশালা, ছড়া পাঠ, কবিতা পাঠ, পাঠ উন্মোচন... এইসব করতে করতে জান শেষ।

তুমি আমার.. [কবিতা / গানের কথা!]

তুমি আমার দিন প্রতিদিন,
আপনমনের পথ টি চলা..
ক্লান্ত দুপুর;
অলস বিকেল,
হাওয়ার সাথে কথকতা..

তুমি আমার;
রাত্রি জাগা আড্ডা প্রহর,
রাত বিরেতে আনমনা মন..
ভোরের ঘুমে স্বপ্নছোঁয়ায়,
আলতো হাসি..
চোখের কোণে,
না দেখা কোন ফুলের রাশি..

তুমি আমার শীতের সকাল;
ভাপার ঘ্রাণে ঘুম ভাঙা,
আর একফালি রোদ..

তুমি আমার,
বর্ষাকালের অঝোর শ্রাবণ..
জল ভেজা পথ;
বৃষ্টি গায়ে,
শিরশির বুক..
ঠাণ্ডা হাতে;
চায়ের কাপের উষ্ণতাতে,
অপূর্ব সুখ..

তুমি আমার বসন্ত দিন,
সজীব প্রানে নতুন কুঁড়ি..
বিকেল হাওয়ায়;
হরেক ফুলের পাপড়ি মাঝে,
ভালোবাসার গান..

তুমি আমার;
কালবোশেখি ঝড়ের রাতে,
মুগ্ধ প্রহর -
হারিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে হঠাৎ..

তুমি আমার;
হঠাৎ সুখে,
আনন্দ ক্ষণ..
একটু কথায়;
খুব অভিমান,
জল ধরা চোখ..

তুমি আমার;
রাগ ভোলা দিন,
অবিশ্বাসের দুঃখ স্মৃতি..
বিষণ্ণতার সময় শেষে;
একটু হাসি,
উচ্ছ্বসিত প্রান..

তুমি আমার
স্বপ্ন আঁকা;
তোমার চোখে
আমায় দেখা,
আমার আমি..

দিনযাপনের দুঃখ সুখেতে;
পথ হারা পথ,
স্বপ্ন চোখে আকাশ মাখা -
ভালোবাসার গান..।।

আমার কিছুই মনে নাই, মনে থাকে না

মফস্বলের নিস্তব্ধ দুপুরে যখন মহল্লার মাঠে গাছের ছায়াগুলোও অলস ভাতঘুমে আচ্ছন্ন সে সময়ে দুপুরের নিস্তব্ধতা ছিন্ন করে শোনা যেতো মাইকের শব্দ

"ভাইসব ভাইসব"

আমরা জানতাম এই শব্দ দু:সংবাদ বয়ে নিয়ে আসে।
এভাবেই মফ:স্বলের নিস্তরঙ্গ একটানা জীবনে কারো না কারো মৃত্যু সংবাদ ঘোষিত হয়, বড়রা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলতো বড় ভালো মানুষ ছিলেন, পরিবারের মহিলারা শাড়ী ঢাকা রিকশা চেপে মাইয়াত বাড়ী যেতেন সান্তনা দিতে, অনেক দিন পর একটা উপলক্ষ্য পেয়ে পুরোনো দিনের গল্পে মেতে উঠতে পারতেন তারা।

সে শহরে নতুন মানুষেরা আসতো না এমন না, প্রয়শ:ই নতুন কোনো সরকারী কর্মকর্তা আসতেন, তবে শহরের জীবনে তাদের উপস্থিতি ততটা দৃশ্যমান ছিলো না, সরকারী স্কুলের ছাত্ররা জানতো নতুন সহপাঠী এসেছে ,তাদের সাথে সামান্য বন্ধুতাও হয়ে যেতো কারো কারো, পুরোনো ছাত্রদের র‌্যাগিং এবং ক্ষমতার দাপট সামলে তারা কাটিয়ে দিতো আরও কয়েক বছর, তাদের বাবারা বদলি হয়ে গেলে তারাও হারিয়ে যেতো, কিন্তু মোটের উপরে শহরের গোটাকয় সরকারী যন্ত্রের সাথে সংযুক্ত মানুষের বাইরে এদের উপস্থিতি ছিলোই না কোথাও

হন্তারক

একটা গল্প শুনবে?
এটাই আপনার বিশেষ কথা? এর জন্য আমাকে এতদূর আনলেন? যুথি নির্বিকার ভঙ্গিতে কথাগুলো তারেককে বলে।
কেন নৌকায় ঘুরতে তোমার ভালো লাগে না?
তা লাগবে না কেন? খুবই ভালো লাগে। কিন্তু আপনি যে কারণে আমাকে এখানে ডেকেছেন, তা একটা পুরোন কৌশল।
তারেক একটু বিষ্মিত হয়ে যুথির দিকে তাকায়; তোমাকে নিয়ে নৌকায় ঘুরব এটার মধ্যে কৌশলের কি দেখলে তুমি?
যুথি বিজ্ঞের হাসি হাসে। “প্রেমে পড়লে ছেলেগুলো কেন যে এত বোকা হয়ে যায়, বুঝিনা। ‘ভালোবাসি’ এই কথাটা বলতে আমাকে আশুলিয়ায় আনতে হল, এটা কৌশল না?
তারেক তথমত খায়।
আপনি কিন্তু আমার ভালো প্রেমে পড়েছেন?
এভাবে বলছ কেন? তুমি পড়নি?
পড়েছি কিন্তু আপনাকে ঠিক বিশ্বাস করতে পারছি না।
তারেক যুথির দিকে আহত চোখে তাকায়। তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে পারছ না!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা