অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১ জন সদস্য ও ২১ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

আসসালামু আলাইকুম । আমি এখানে নতুন

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই?

আশাকরি ভাল আছেন । সবাই ভাল থাকেন এই কামনাই করি ।
মৃন্ময় মিজান ভাই আজ সকালে একটা লিংক দিছিলেন তার লেখার । এটা পড়তে গিয়ে সাইটটি ভাল লাগল । তাই সাইন ইন করে ফেললাম ।

আশাকরি আপনাদের সাথে সুখ দু:খ হাসি গান কবিতা সব শেয়ার করতে পারব ।

ও নামটাই তো বলা হয়নি । আমি কাজী ফাতেমা ছবি । বাংলাদেশ ব্যাংকে জব করি ।
অফিসে অবসর সময় নেটে ঘুরাঘুরি করি । এইতো............

আশাকরি আমাকেও সঙে রাখবেন আপনার ।

ভাল থাকবেন । আল্লাহ হাফেজ.....

আমাদের ভারত ভ্রমন- ৩

সকালে হোটেল কোহিনুর থেকে বেরিয়ে সবাই মিলে নাস্তা করে নিলাম পাশের এক দোকানে। যেখানে গত রাতে আমরা খাবার খেয়েছিলাম। পরোটা, লুচি, আলুরদম, জয়পুরের মিষ্টি আর চা। ভরপেট খেয়ে বেরিয়ে পড়লাম সবাই। একজন গিয়ে একটা গাড়ি ঠিক করে আনলো। ৪ টা জায়গা ঘুরিয়ে আনবে আমাদের। ভাড়া ঠিক হলো ১২০০ রুপি। প্রথমে গেলাম যন্তর মন্তর দেখতে। যেখানকার টিকেট ভারতীয়দের জন্য ২০ রুপি আর আমাদের জন্য ৫০। কোলকাতার বন্ধুর কারনে ২০ রুপি করেই টিকেট কেটে আমরা ভেতরে গেলাম। জয়পুরের এত্ত এত্ত হেরিটেজ...। প্রতিটির গায়ে লেখা রয়েছে বিস্তারিত। আমরা মুগ্ধ হয়ে দেখলাম সেগুলো। ছবি তুললাম শয়ে শয়ে। প্রচুর বিদেশি লোকজনের দেখা পেলাম। আমাদের মত না ওরা। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে প্রতিটি জিনিস দেখছে। ঘন্টা খানেক ঘুরে বেরিয়ে পড়লাম। বাইরে এক সাপুড়ে বীণ বাজিয়ে সাপের নাচন দেখাচ্ছে। যে যত খুশি ছবি তুলছে। তবে নিরাপদ দুরত্ব থেকে। সাপুড়ে যতই বলে, ভয় নেই। আমরা সবাই ততই ভয়ে দুরে সরে যাই। এই বার আমাদের গন্তব্য হাওয়া মহল।

1_0.jpg

আমি নতুন আসলাম।

সবাই কে শুভেচ্ছা,ধন্যবাদ আমার বন্ধু ব্লগ টিম কে।আশা করি আমি আমার কর্ম ব্যাস্ততার মাঝে আমার লেখা ''আমার বন্ধু'' ব্লগে শেয়ার করতে পারব।আমার ব্লগার বন্ধুরা আমার লেখার গঠনমূলক সমালোচনা করবেন। আমি আমার বন্ধুদের সহযোগিতা কামনা করছি।এবং আমাকে ভাল লেখার জন্য উৎসাহ দিবেন।''আমার বন্ধু''ব্লগের নীতিমালা দেখে আমার খুব ভাল লাগল এবং আমি এতে একমত পোষণ করলাম।আবার ও ধন্যবাদ সবাইকে।

হলমার্ক কেলেঙ্কারী ও একটি পরিবারের আনন্দ-বেদনার গল্প

আমার আব্বা আনোয়ার উল্লাহ সিরাজী ছিলেন একজন গরিব মানুষ।
নোয়াখালীর চরে তার কয়েক একর জমি ছিল। কিন্তু জমি নিয়ে ঝামেলা ছিল প্রচুর। প্রায়ই মাইজদী ছুটতে হতো তাকে। শেষে জমিটমি রেখে চলে আসেন বাড়ি। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার দিকে নজর দেওয়া শুরু করেন। কিন্তু কোনো চাকরি নেই। ভিটেমাটিটুকু ছাড়া আর কোনো জায়গা-জমিও নেই। দশ ছেলেমেয়ে নিয়ে মহাসমুদ্রে পড়ে যান তিনি। নিজে খাবি খেয়েও ছেলেমেয়েদের আগলে তুলে রাখেন। পরে প্রাইমারি স্কুলে একটা চাকরি পান। কিন্তু তাতে কি আর চলে? দারিদ্র্যের সঙ্গে এক অসম যুদ্ধ শুরু হয় তার।...
আমি কেন আমাদের পরিবারের গল্প বলছি? আপনারা শুনবেনই বা কেন? না, আপনাদের শুনতে হবে। প্রতিদিন তো শুধু দুর্নীতি আর কেলেঙ্কারীর কাহিনি শোনেন। আজ শুনুন একটা অন্যরকম গল্প!

ব্লু-মুনে অরণ্যবাস

সকালটা বরাবরের মতই রোগাটে, বিবর্ণ, পাংশুটে। যথারীতি ৭ টায় বাসা থেকে বের হয়ে অফিস। অফিসের এক ফাঁকে বসের রুমে প্রবেশ। বিকেল তিনটায় অফিস ত্যাগের অনুমতির সাথে রোববার ছুটির পারমিশন। ব্যস আর ঠেকায় কে ?

সবার আগে সদরঘাট পৌঁছে গেলাম। অবশ্য ১২ টা থেকে হাসান ভাই উপস্থিত ছিলেন কেবিন বুকিং সংক্রান্ত জটিলতায়। ওনারে না ধরলে আমিই হলাম আমাদের এই অভিযাত্রার প্রথম অভিযাত্রী। কথা ছিল ঘাটে উপস্থিত থাকবে সৈতক-৮ নামের আমতলীগামী লঞ্চটি। কিন্তু আমাদের আল্লার মর্জি (বরগুনার লঞ্চ) হয়ে উঠতে হল সৈকত এ।

৫টায় লঞ্চ ছেড়ে দেয় । শেষমুহূর্তে সাইফুল আর খোরশেদ ভাই গিয়ে পৌছেন লঞ্চ এ। আমরা আনন্দ উল্লাসে ভাসতে ভাসতে রওয়ানা হলাম। সন্ধ্যার আগেই চাঁদের দেখা পেলাম। সাইদ ভাইকে বললাম পূর্ণিমার আগেই এত বড় চাঁদ ! পূর্ণিমায় না যেন কী অপেক্ষা করছে!

ফিফটি!

মন মেজাজ যে খুব একটা ভালো তা বলা যাবে না। তবুও চলছে ৬ তারিখে আরেকটা পরীক্ষা তার পরেই সেমিস্টারটা শেষ। এই সব নিয়ে সাধারন পোলাপানদের মতো আমার ওতো টেনশন নাই। পাশ করার জন্য এক্সামে যাই এবং সেভাবেই ফেরত আসি। সময় থাকতে পড়াশুনাটা করি নাই মন দিয়ে এখন এই সময়ে মন দিয়ে কি করবো। আর টেক্সট বুক পড়াশুনা আমার ভালো লাগে না। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে ৪-৫ টা পত্রিকা পড়া সহজ ১ পেজ পড়ার চাইতে। যাই হোক কথা ছিলো টিভি নিয়ে লেখাটা কমপ্লিট করবো তা আর হলো না অল্লোর প্রতারনার কারনে। ভাবছিলাম টাকা লোড আর করবো না কিন্তু বন্ধু ফারজানা লতা টেকা দিলো এই বিপদের কথা শুনে সেই টাকা তেই ওল্লো রিচার্জ করলাম। বন্ধুরা কত সুইট আমার। তারপর থেকে নেটে বসায় একটু অনীহা জন্ম নিলো। লোকজন টেক্সট করে ফ্রীল্যান্স বুদ্ধিজীবি মরছে নাকি? এখন বসতাম না। ঘুম আসতেছে না আর কিছুই ভালো লাগতেছে না তাই বসে বসে এই লেখাটা লিখলাম।

কে শিকার আর কে শিকারী

সন্ধ্যার কিছুটা আগে অফিস থেকে ফিরছিলাম।আকাশটা কেমন মেঘলা হয়ে আছে।অথচ চারদিকে ভ্যাপসা গরম।হাসঁফাঁস অবস্থা।হঠাৎ দেখি চোখের সামনে মানুষের জটলা।সাথে থাকা অফিসের সহকারী কামাল বলল,আপা একটু দেখে আসি।নিউমার্কেটের দুপাশের রাস্তাগুলোতে কোনো ভদ্র মানুষের দাঁড়ানোর জো নেই।আর সে জায়গায় একটা মেয়ের অবস্থা কেমন হতে পারে সেটা নিশ্চয়ই সহজেই অনুমেয়।সিটি সার্ভিসের ৪নম্বর গাড়ির জন্যই মূলত দাঁড়িয়ে থাকা।কামাল ফিরে আসার আগে কানে এলো তীব্র চিৎকার।দূর থেকেই দেখছি তরুণ বয়সি একটা ছেলেকে মারছে অনেকগুলো মানুষ।কামাল এসে বলল,চোর ধরছে আপা।সবাই মিলে ইচ্ছা মতো পিটাচ্ছে।
কি চুরি করছে?
জুতা।ঐ যে ভ্যানের উপর রেখে জুতা বিক্রি করতেছে ঐ লোকের এক জোড়া জুতা নেয়ার সময় ধরা পড়ছে।প্রতিদিনই নাকি এরকম চুরি হয়।
এ ছেলেই প্রতিদিন চুরি করে?
জানি না।
তাই তো।কামাল জানবে কিভাবে?ও তো আর ঐ জুতা চোরের পার্টনার না।
৪ নম্বরের গাড়ি চলে আসে ততক্ষণে।গাড়িতে গাদাগাদি ভিড়। ভালো লাগে না।
ভাবনায় কেমন করে যেন জুতাচোর ছেলেটা চলে আসে।ভ্যানের উপর বিক্রি করা জুতাগুলোর দাম কত হবে? দু’শ,চার’শ কিংবা বড়জোড় পাঁচ’শ থেকে হাজার।হাজার আবশ্য হবে বলে মনে হয়না।

আমাদের ভারত ভ্রমন-২

রাতে ঘুমাতে যাবার আগে ধুম আড্ডা আর মাস্তি। তিন রুমের সবাই আমাদের রুমে। যতই বলি, ভোরে ট্রেন, এবার সবাই ঘুমাতে যাও- কে শোনে কার কথা ! আরে বাপু, এক রুমেই যদি রাত কাটাবি, তাহলে তিনটে রুম ভাড়া নেবার কী দরকার ছিলো ? আমাদের সফরসঙ্গী ২/১ জন আবার অতিরিক্ত পরিমানে ভাল্লুক সেবনের কারনে উলোট পালোট কথা বলা শুরু করলো। যা হজম করতে পারেনা, তা কেনো যে মানুষ খায় ! তবে অতিরিক্ত ভাল্লুক সেবনের কারনে আমাদের মিনারেল ওয়াটার কেনার টাকা বেঁচে গেছে। মধ্যরাতে এক বন্ধুর শখ হলো- তাস খেলবে। এর মধ্যে আরো দুজন রাজী হলো। বাধ্য হয়ে আমাকেও বসতে হলো ওদের সাথে। অল্প কার্ডের খেলা। মানে তিন তাসের খেলা। যথারীতি খেলা শেষে আমার ৭০০ বিদেশি টাকা লস...। মনের দুঃখে ঘুমাতে গেলাম। ঘড়িতে ভোর তিনটা। হাতে সময় আছে দুই ঘন্টার সামান্য বেশি। সাড়ে পাঁচটা নাগাদ স্টেশনে যেতে হবে। ৬ টায় আমাদের ট্রেন। শতাব্দী এক্সপ্রেস। গন্তব্য দিল্লী টু আজমীর।

7.jpg
8.jpg

বৃষ্টি

বৃষ্টি
এম আর মামুন

মেঘ যখনই রবীদ্রনাথ
কাশের মত চুল,
টাপুর টুপুর বৃষ্টি নামে
ভাসলো নদীর কূল।

মেঘের রাশি দুখু মিয়ার
যেই নিয়েছে রূপ,
আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি নামে
প্রকৃতি নয় চুপ।

নীল আকাশের মেঘ কখনও
শরৎ বাবুও হয়,
বৃষ্টিতে ভিজে গফুরের মহেশ
মাঠে পরে রয়।

বিষন্ন মেঘ থমকে গিয়ে
যখন ফিরে আসে,
ও জীবনান্দ তোমার
মুখের ছবি ভাসে।

মলিন মেঘে রূপ নিল যেই
পারুল নামের বোনে,
যুদ্ধে শহীদ ভাইয়ের জন্য
বৃষ্টি চোখের কোণে।

বেটার লেট দ্যান নেভার- EID MUBARAK

বিশ্বাস করেন, জন্ম থেকেই আমি সবকিছুতে লেট। জন্মেছি লেট নাইটে.. সব ভর্তি ফিস দিয়েছি লেট ফি দিয়েছি.. অনেক খারাপ মানুষের সাথে মিশে নিজের পায়ে কুড়াল মেরে "লেটে" বুঝেছি কি আকাম করে ফেলেছি..তারপরও আমি বিশ্বাস করি "বেটার লেট দ্যান নেভার"..অতএব এতোদিন পর ঈদের গুটি কয়েক অনুষ্ঠান নিয়ে খুনসুটি করার লোভ সামলাতে পারছিনা। আগেই বলে নিচ্ছি, সব প্রোগ্রাম দেখিনি, যথাসম্ভব দেখেছি.. অতএব আমার বিশ্লেষণকে চুলচেঁড়া নয় বরং চুল ছেড়া বলতে পারেন। তাহলে শুরু করি..কি বলেন?

আরেকটি বিষয় না বললেই নয়। আমি জীবনে কখনো লটারিতে একটি প্লাস্টিকের শপিং ব্যাগও পাইনি কখনো। তাই ভাগ্য বিষয়ক বিষয়ে কখনো আশা রাখিনা। এবার কি মনে করে যেন মনে প্রাণে চাচ্ছিলাম, রমজান মাসটা ত্রিশ দিনের হোক। ঈদের আগে লম্বা ছুটি নিয়ে আমি আর আমার বর বেরিয়ে পড়লাম। মনে মনে ইচ্ছি ত্রিশ রোজা হলে ঐদিন রওনা করে ঢাকায় ফিরে সবার সাথে ঈদ করবো। শেষ পর্যন্ত আমাদের মনের সাধ পূর্ণ হলো ঢাকায় ঈদ করার মাধ্যমে। কিন্তু ঈদ করার চক্কড়ে যেটা হলো, পরবর্তী ৬ দিন খাওয়া আর টিভি দেখা ছাড়া কোন কাজ নেই।

আসবে বলে

আসবে বলে
আবু সাঈদ

সন্ধায় সূর্য ওঠে
আমার ছোট্ট আকাশে
তুমি আসবে বলে।
জোনাকি আলো দিবে
আধার আলো হবে
ভোর বিকেল হবে
রাত সকাল হবে
তুমি আসবে বলে।

আকাশে মেঘ হবে
তোমায় ছায়া দিবে
বৃষ্টি বরফ হবে
তোমার তৃষ্ণা মিঠাবে
তুমি আসবে বলে।

ভালবাসার চাদর বিছাবো
রাস্তার মাঝখানে
ধুলাগুলো ফুল হবে
ভালবাসার পরশ মেখে
তুমি আসবে বলে।

বসন্তে ফুল দিব
তোমার চরন তলে
কৃষ্ণচূড়ার মালা দিব
ভালবাসার শেষ প্রস্তাবে
তুমি আসবে বলে।

অন্য ভুবন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প-১২-ডি’র বাসার কোনার দিকের ঘর যাকে গেস্ট রুম বা সার্ভেন্টস রুম যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন, সেটাই ছিল আমার আসল আস্তানা। ১৯৭০ থেকে ২০০৮ জীবনের প্রায় পুরোটাই তো কাটিয়েছি ঐ বাসাতে… তার আবার সিংহ ভাগ সেই ‘বিখ্যাত’ ঘরে। বিখ্যাত বলছি এই কারণে যে মুক্তিযুদ্ধের সময় আমদের বাসায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন গার্ডকে গুলি করে হত্যা করা হয়। নাজিম মাহমুদ তাঁর 'যখন ক্রীতদাস ৭১' গ্রন্থে এই ঘটনার উল্লেখ করেছেন। দীর্ঘদিন তাঁদের সৎকারের ব্যবস্থা না করে শুধু মৃতদেহের ওপর কিছু ওষুধ ছিটিয়ে রাখা হয়েছিল পচন রোধ করার জন্য। স্বাধীনতার পর আমরা যখন আবার সেই বাসায় ফিরে আসি তখন সারা ঘর জুড়ে বীভৎসতার চিহ্ন ছড়ানো। মৃতদেহগুলো সরিয়ে নিলেও মেঝেতে তাঁদের দেহের ছাপ স্পষ্ট। দেয়ালে মেঝেতে গুলিতে ছিদ্র হয়ে যাওয়া পলেস্তরা, রক্ত, মাংশ, দুর্গন্ধ। সেই স্মৃতিগুলো আমরা সযত্নে ধরে রাখতে সচেষ্ট ছিলাম বরাবর। ২০০৮ এ যখন এই বাড়ি ছেড়ে আসি তখনো সেই দাগ আর গুলির চিহ্নগুলো সেভাবেই রক্ষিত ছিল। যা হোক ’৭২ থেকেই আবার নতুন করে আমাদের জীবন সংগ্রামের শুরু। আমার নানীই প্রথম সাহস করে বাস করতে থাকেন সেই ঘরে… সারা রাত নামজ আর

কিউপিডিয়ান কল্পনাপরি

১.

আমি কখনোই জানতাম না, মানুষের জীবন কতটা সুন্দর হতে পারে। আজকাল মনে হয় সেটা জানা থাকলে ভালো হতো। এই যে শুধুমাত্র তোমার জন্যই আমার বেঁচে থাকা, মানুষের জীবনে এরচে' সুন্দর কোনো সময় কখনো আসতে পারে- তা আমার একদমই বিশ্বাস হয় না।

আপনজনদের সান্নিধ্যেই নাকি সর্বোচ্চ সুখ নিহিত। আমি নিশ্চিত, তারচেয়েও বেশি সুখ দূরে বসে তোমার জন্য অপেক্ষা করার মধ্যে লুকিয়ে আছে। রাতের একাকীত্বে তোমার কথা ভাবার মধ্যে লুকিয়ে আছে। তোমার সঙ্গে করা প্রতিটি খুনসুটির মধ্যে লুকিয়ে আছে। আচ্ছা ঠিক করে বলো তো, সর্বোচ্চ সুখের আসলেই কি কোনো সীমা আছে?

জীবনের জে.এস.সি পরীক্ষা

জীবন ক্লাস এইটে পড়ে।সামনে তার জে.এস.সি পরীক্ষা।তার জীবনের সবচেয়ে অপছন্দের বিষয় হচ্ছে পড়া লেখা।পড়া লেখাটা যে কে আবিষ্কার করেছিল!জীবনের প্রায় ইচ্ছে হয় তাকে খূঁজে বের করে গুলি করে করে মেরে ফেলতে।শুধুমাত্র পড়ালেখার জন্য তার জীবনের সব হাসি আনন্দ মাটি।বলা যায় জীবনটা যন্ত্রণায় একেবারে ভাজা ভাজা হয়ে গেছে।
টিভি দেখতে তার কতো ভালো লাগে।বিশেষ করে ঋত্মিক রোশন আর সালমান খানের হিন্দি ছবিগুলো।সে সালমানের মতো নাচতেও পারে।মাঝে মাঝে এইচবিও চ্যানেলের ইংলিশ ছবিও দেখে।কম্পিউটারে গেম খেলতেও ভালো লাগে।তার বন্ধু প্রান্ত থেকে মাঝে মাঝে সে গেমসের সিডি আনে গোপনে।আবার গোপনেই তা কম্পিউটারে ইনস্টল করে বন্ধুকে ফেরত দিয়ে দেয়।কিছুই গোপনে করতে হতো না,যদি তার আপু বাসায় না থাকতো। তার স্বাধীন জীবন যাপনের একমাত্র বাধা হচ্ছে তার আপু।

ব্লু-মুন = নীল চাঁদোয়া....

নীল চাঁদোয়া...
আকাশটাকে আজ লাগছে যেন,
মাঝে মাঝে কিছু কিছু তারা বোনা...
বৃষ্টি ধোয়া

এই গানটা দূর্দান্ত লাগতো এক সময়... শম্পা রেজা হয়তো সেই আমলেই জানতেন ব্লু মুনের বিষয়ে। আমরা জানলাম হপায় Sad

অধুনা ব্লু-মুনের একটা ক্রেজ দেখলাম। আমাদের বন্ধুদেরই দুইটা গ্রুপ দেশরে দুই প্রান্ত থেকে ব্লু-মুন দেখতেছে সদলবলে। এক দল সুনামগঞ্জে আর এক দল বরগুনা গেছে চাঁদ দেখতে। আজ পত্রিকায় দেখলাম ঢাকার আশে পাশেই নাকি দর্শনার্থীরা ভীর করেছে ব্লু মুন দেখার জন্য। অগত্য আমাদের তো আর দুরে কোথাও যাওয়ার নেই.. তাই মহল্লার চিপা অথবা বাড়ির ছাদই ভরসা। তাই মহল্লার কতিপয় উৎসাহী লোকজন শ্যামলীর কোন এক ছাদে বসছিলো চাঁদ খুজতে...

Blue Moon
ফটো ক্রেডিট: ফারহানা জেবীন

ফটো: ঋহান চাঁদ খুজতেছে

শুধু কি ঋহান একাই চাঁদ খোজে?
Blue Moon

নতুন টার্ম আইফনুগ্রাফার

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ