অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

ফুল, মৌমাছি, মানুষ আর মাকড়সা

ফুল সৃষ্টিকর্তার অপরূপ দান । মানুষ এর সৌ্ন্দর্য উপভোগ করে, সুবাস নেয় । মৌ্মাছি মধু আহরণ করে ফুল থেকে আর মাকড়সা তূলে নেয় বিষ । যার যেমন অভিরুচি !

ব্লগার অনিমেষ রহমানের জিন্নাহ বিষয়ক জোকস্ [ অনিমেষ রহমানের বেহস্তী বয়ান - ২ ] এর উপর আমার মন্তব্যের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ করে ব্লগার ‘বিষাক্ত মানুষ’ ল্যাঞ্জা আবিষ্কার করেছেন । এ মহা আবিষ্কারের জন্য তিনি অনেক অনেক ধন্যবাদ পাওয়ার অধিকারী । আমার পক্ষ থেকে আমি জানিয়েছিও । তবে ১৮/০৬/১২ থেকে ২৫/০৬/১২ পর্যন্ত বাইরে থাকায় যথা সময়ে জানাতে পারিনি । ইতিমধ্যে পোষ্টটি অনেক পেছনে চলে গেছে বিধায় সংলিষ্টদের নজরে না পড়ার সম্ভাবনা । তাই এ ক্ষীণ প্রয়াস ।

বকুল ফুলের মালা

পৌনে চারটে বাজে। মাত্র পৌনে দু'ঘণ্টাতেই দিব্যর ভাত-ঘুমটা ভেঙে গেল। মেজাজটা খিঁচড়ে আছে। কফির জন্য জল গরম দিয়ে ফ্রেশ হতে গেল। ফ্রেশ হয়ে ফিরে কড়া একটা ব্ল্যাক কফি নিয়ে বসলো। কফিতে আর চুমুক দেওয়া হয় না। কফির পোড়া গন্ধে নাকটা একটু ডুবিয়েই বাইরের দিকে চোখ দেয়। আকাশে অনেক মেঘ। বিষণ্ণ আকাশ দেখে দিব্যর মনটাও বিষণ্ণ হয়ে ওঠে। আকাশের দিকে তাকিয়ে আগের কথা মনে পড়ে যায়। বুকটা হু হু করে ওঠে, আর চোখের কোণাটা ভেজা কিনা তা আর আঁধার ঘরে বোঝা যায় না।

সময় নিহত অবিরত - প্রথম পর্ব

[দু'পর্বে সমাপ্ত]

ডিজিটাল পাসপোর্ট: না জানলে Amazing Race; জানলে easy case

আজকে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আবিষ্কার করলাম, পুরো পদ্ধতিটা আসলে মাত্র সর্বসাকূল্যে ৪৫ মিনিটের। কিন্তু এটা আমরা জেনেছি আজকে ঠেকে ঠেকে। আপনাদের জন্য পদ্ধতিটি তুলে ধরছি যেন আমাদের মতো ঠেকে শিখতে না হয়। ধন্যবাদ আমার বরকে। কারণ আমি লেখার আগেই সে এটাকে চমৎকারভাবে গুছিয়ে ফেলেছে সবার জন্য। আমি সরাসরি ওর গুছানো তথ্যটিকে এখানে তুলে দিলাম।

passport.jpg

সৌজন্য- হা হা চৌ

ঋকের জন্মদিন

ঘড়ি ধরে দেখবে, যদি দুইটা ব্যাথার মাঝের সময়ের ব্যবধানটা ৫ মিনিটের কম হয় আর যদি চাপটা ১ মিনিটের বেশী সময় থাকে তাহলে সোজা হাসপাতালে চলে আসবে- ডাক্তার ফোন নাম্বারও দিয়েছিলো, যেকোনো জরুরী মুহূর্তে ফোন করার জন্য, প্রথম বার যারা বাবা-মা হবেন তাদের জন্য উপদেশ হাসপাতালে যাওয়ার ব্যাগটা আগেই গুছিয়ে রাখবেন-

মোবাইলের ঘড়ি ধরে ব্যাথার সময়সূচি মাপছি, ব্যাগ গুছিয়ে রাখা হয় নি, যেকোনো সময় গাড়ী লাগবে, পরিচিত সবাইকেই বলে রেখেছি, দিনে-রাতে যেকোনো সময় গাড়ীর দরকার হলে ফোন করবে বন্ধুরা সবাই এমনই নিশ্চয়তা দিয়েছে।
আমাদের প্রতিবেশী নেপালের ছেলে মেঘ নিরুলাকে রাত ৪টায় ফোন দিয়ে দিনটা শুরু করেছিলাম।

বেবী ইজ রেডী টু কাম? আই এম কামিং
মেঘের গাড়ীতে চড়ে কয়েক মাইল দুরের হাসপাতালে পৌঁছানোর পর থেকেই অপেক্ষার শুরু,

বিধি-বন্দোবস্ত চমৎকার, সাথে সাথেইএকটা লেবার রুম পাওয়া গেলো, সেখানে বিছানা, মনিটর, মনিটরের সাথে অনেকগুলো তার- দুইটা মনিটরের একটাতে বাচ্চার হার্টবীট, মায়ের ব্লাড প্রেশার, মায়ের হার্ট বীট আর তামপাত্রা দেখাচ্ছে অন্য মনিটরে ব্যাথার পরিমাণ মাপছে

ঘুম সংক্রান্ত আকুলতা

ঘুম পাড়ানো মাসিপিসির চিতার ছাই
বাতাসে উড়ে ঝুড়ে ভস্ম হয়ে গেছে কবে!
রূপকথারা চলে গেছে বাজারের সুদূর ওপার ।
চশমার কাচ ভেঙ্গে যাওয়ায়
খুঁজে পাচ্ছিনা তন্দ্রার গোলাপী বড়িগুলো ।
কপাটের ফুটো দিয়ে বেশরা নারীর মতো
ভোর এসে উকিঝুঁকি দিচ্ছে-হারি আপ!
বুকের পাহাড় থেকে বৃক্ষের গান বের কর
কূপের মুখ থেকে শিগগীর পাথরসরাও ।
হে নরম ডাকিনি, আমাকে যাদু কর !
অনিবার্য বিপ্লবের আগে
আমার একটু ঘুম দরকার ।

মেঘ রঙ পঙতি

এক.
কাটা তারের ওপারে বৃষ্টি ঝরছিল
অথচ তুমি তখন কফির ধোয়ার স্মৃতিতে আচ্ছন্ন
ধোয়াতে কোন একটি নাম পুড়ে যাচ্ছিল বা বাষ্পিত হচ্ছিল
তোমার চোখ বেয়ে বৃষ্টি চুইয়ে পড়ে, তুমি তাতে চুমুক দিতেই
ঠোটিটা গেলো পুড়ে, আহারে তুমি ভুলেই বসে আছো যে-
তুমি এখনো ধোয়াটে মগ আর তার ও প্রান্তের মুখটির স্মৃতিতে বিভোর

দুই.
তুমি আর আমি এক শহরে নেই এখন
তোমার শহরে নাকি বর্ষা নেমেছে
আচ্ছা ঐ শহরে নাকি পথে ঘাটে জল জমেছে,
সেই জলে আমার মনের কি ঠাই হবে?

তিন.
মেঘ রঙ আকাশ দেখে বানিয়েছি কাগজের এরোপ্লেন
ফুলের টবে জমেছে এক পশলা জল
সেখানে ভাসাবো বলে বানালাম কাগজের নৌকো।
এরোপ্লেন বলে ভাসবো আমি কার্নিশের জলে
নৌকো বলে দেবো উড়াল মেঘদূতের পিছু
জেনে রাখো, তুমি চলে যাবার পর থেকেই
ঘটছে এমন উল্টো- পাল্টো!

চার.
পাহাড়ে মরণ উৎসব
রথ যাত্রা শব যাত্রা
কোন পথে যাই
বেসামাল মন
যদি হারায় তোমায় ,
ভুলটুকু ভুল ভাবেই
তুলে রেখো ।

স্বপ্ন মৃত্যু

গত কয়দিন ধরে ঝুম বৃষ্টি পড়ছে । খাওয়ার টেবিলে একফালি সরষে ইলিশ দেখতে মন চাইছিল আবিদ সাহেবের। হায় আফসোস মাসের শেষ প্রান্ত । আধমরা মাছি মারা কেরানির চাকুরী তাও আবার বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে । এখানে শুধু কাজের চাপ, ফাইলপত্র কাগজ কলম লক্ষ কিংবা কোটি টাকা এক মিছেমিছি হিসেব রাখা । এত টাকা প্রতি দিন সর্তকতার সাথে গুনতে হয়, জমা করতে হয় মালিক পক্ষের ব্যাংকে । একটা আহ ! একটা নোট যদি হত তাহলেই হয়ত খাওয়ার টেবিলে একফালি সরর্ষে ইলিশ এর দেখা মিলত। কি আর করা । আবিদ সাহেব ইদানিং প্রেমে পড়েছেন, তাই মাঝে মধ্যে দু'একটান চরুট খেতে ইচ্ছে করে, সেখানেও এক মহা ফ্যাসাদ ৩ টাকার সিগেরেট খেতে হলে সরকারকে দিতে হয় সাথে আরও ৫ টাকা । এ যেন বিষম খাওয়ার মতই । তাই একটা চুরুট কিনে তা নিভেয়ে রেখে আবার জ্বালিয়ে খান উনি, যদিও স্বাদ আর প্রথমবারের মত থাকে না, তবুও তরুর কথা মনে এলেই চুরুটা ফতুয়ার পকেট থেকে বের করে টানেন ।

প্রেমের জ্বালা

শুধু স্পেস থাকে না। তাই স্পেসের পরিবর্তে '_' দিলাম। এটাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো। আশাকরি কবিতাটা খারাপ লাগবে না। Smile

আজ__________ঝর-ঝর করে___বাদর ঝরে
__________________________টিনের পরে -
_____________আমি শুনে যাই,___মনে লাগে ঘোর।
_____________আনমনে গাই___শুধুই ট্যাগোর।
_____________জানা ছিল সব___ঐ বুড়োটার।

পাগলা হাওয়ার বাদল দিনে

বিকেল পাঁচটায় অফিস থেকে বের হয়ে এলাম। ফার্মগেট এসে মনে হল আজ রিকশা করে বাসায় ফিরলে কেমন হয় ! তেজগাঁও কলেজের সামনে এসে কয়েকটা রিকশাওয়ালাকে জিজ্ঞেস করতে অল্প বয়সী একটি ছেলে মিরপুর যেতে রাজি হওয়ায় উঠে পড়লাম।
আকাশে বেশ মেঘ জমেছে। মানিক মিয়া এভিনিউয়ের মাথায় এসে মনে হল যে কোন মুহূর্তে বৃষ্টি নামবে। রিকশাওয়ালা ছেলেটাকে জিজ্ঞেস করলাম- এই পর্দা আছে ?
ছেলেটা হেসে জবাব দিল- পর্দা নিতে ভুইলা গেছি। হুডটা তুলে দিল। ইতিমধ্যে বড় বড় বৃষ্টির ফোঁটা পড়তে শুরু করল। সংসদ ভবনের মোড়ে আসতেই প্রায় ভিজে গেলাম।
হঠাত মনে হল অর্ধেক ভিজে লাভ নেই আজ পুরা পথটাই বৃষ্টিতে ভিজি ! অনেক দিন তো বৃষ্টিতে ভেজা হয় না ! ছেলেটিকে বললাম- এই, হুডটা নামিয়ে দে, আজ বৃষ্টিতে ভিজবো।
-ছেলেটি হেসে বলল- অসুখ করবে না !
-তুই যে ভিজছিস !
-আমগো তো ভেজার অভ্যাস আছে।

গল্প: নোঙরের সঙ্গে উঠে গিয়েছিলো একটি পাঁজরের হাড়

ক্রিং ক্রিং...
-হ্যালো।

একবার রিং বাজতেই যে মিভ ফোনটা রিসিভ করবে, আমি স্বপ্নেও ভাবি নি। একটু হকচকিয়ে গিয়েছিলাম। একটু না, বলা ভালো বেশ খানিকটাই হকচকিয়ে গিয়েছিলাম। আসলে ও যে ফোন ধরবে, সেটাই তো আমি আশা করি নি। কত দিন-মাস-সপ্তাহ ধরে ও আমার কল রিসিভ করে না! তবুও কেন যে সেদিন রাত ৪টা ৫০মিনিটে আনমনে মোবাইল টিপতে টিপতে ওর নাম্বারটাই আমি লিখেছিলাম, জানি না।

লিখে আবার সেটাকে ডায়ালেও পাঠিয়ে দিলাম। আর চটজলদি কলটা চলে গেলো ওর কাছে। অথচ তার আগে বহুদিন একইভাবে ওর নাম্বার লিখেছি আর কেটে দিয়েছি। একবার, দুইবার, একটানা একঘন্টা, দুইঘন্টা; সেসব অর্থহীন কীর্তিকলাপের কোনো হিসেব নেই।

...ডাক...

ইট-পাথরের রঙিন খাঁচায়
মন লাগেনা আর,
ডাকছে আমায় শেওলা ধরা
ছোট্ট পুকুর পাড়।

পুকুর জলে গজিয়ে ওঠা
কলমি গাছের শাখ,
সবুজ বাহু নাড়িয়ে যেন
যাচ্ছে দিয়ে ডাক।
শেওলাগুলো আঁকড়ে ঢেউয়ের
দোদুল দোলায় দুলে,
চিংড়িগুলো ডাকছে হেসে
ছোট্ট দু'হাত তুলে।
মাঝ পুকুরে বুদবুদেতে
ভরিয়ে পোনার ঝাঁক,
নিজের স্বরেই যাচ্ছে দিয়ে
শব্দবিহীন ডাক।
রুই-কাতলের দম্ভভরা
হঠাৎ কিছু লাফ,
বলছে, ছুটে আয়রে আবার
বাঁচবি ছেড়ে হাঁফ।

ডাকছে তীরের হলদে-সাদা
প্রজাপতির ডানা,
পুকুর পাড়ের গর্তে বাঁচা
ছোট্ট ডাহুক ছানা,
আকাশ জুড়ে চক্রে ওড়া-
বকের পাখার দোল;
বলছে ডেকে, আয়রে ছুটে,
ডাকছে মায়ের কোল।

বলছে সবাই, আয়না ফিরে
ছোট্ট পুকুর তীরে,
যান্ত্রিকতার নগর-জীবন
যা ফেলে আয় ছিড়েঁ।
বলছে ডেকে, সবুজ জলে
ডুবিয়ে পায়ের পাতা,

আমার ছেলেবেলার "ফল"

জানালার কপাটগুলো খুটখুট করে নড়ছে..ঘরের ভিতরে দেয়ালে কাঁপাকাঁপা ছায়া..পিনপতন নীরবতার চাইতেও বেশি কিছু। ভয়ে কুঁকড়ে পারলে বালিশের তলায় আশ্রয় নেয়ার যোগাড়... কোনমতে চোখ বন্ধ করে রাত পোহাবার অপেক্ষা। কলোনীর ঐ জামগাছ নিয়ে সে কি নানা রকমের গদ্য। সেই জাম গাছে নাকী ভূত আছে! রোজ রাতে ভূতটা আঁচল মেলে বসে আর মায়াতে সবাইকে ডাকে...শুনে ভয় পেতাম, রাতে গুটিশুটি মেরে পড়ে থাকতাম..মনের অজান্তে ঘুম। আর ঘুম শেষে ঝলমলে সকাল। জানালার কপাট খুলতেই ধ্যাড়ধ্যাড়ে হয়ে ওঠা জাম গাছটার সবুজ ডালপালা। যে গাছের ছায়া দেখে রােত ভয়েই অস্থির, সেই জাম গাছটাই আমার দিনের আলোর সবচেয়ে পছন্দের গাছ। হাত বাড়ালেই ধরা যেতো ছোট ছোট জামের গোছা। কখনো কখনো নীচে গিয়ে জাম গাছটায় উঠার অদম্য ইচ্ছা। সেই তখন থেকেই জামের প্রতি অদ্ভুদ একটা টান আমার এখন পযর্ন্ত। দাঁত কিড়কিড় না করা পর্যন্ত জামা চিবাতে হবেই।

ঢাকা-টু-পাবনা, জর্নি বাই বাস

............................................................................................................................................................................................................................
নতুন বউ সবসময়ই বিভ্রান্তিকর। চেহারা কেমন বুঝা যায় না। সব নতুন বউই দেখতে ভাল। আমার পাশের সিটে নতুন বউ। তাকেও দেখতে ভাল লাগছে। পাশে মেয়েটির নতুন বর।
যাচ্ছিলাম পাবনায়। ৬ ঘন্টার লম্বা রাস্তা। আমার ঠিক পাশের সিটে নতুন এই দম্পতি। মেয়েটি একটা লাল টুকটুকে শাড়ি পড়া। গলায়, কানে, হাতে বড় বড় গহনা। আর বরটির হাতে রেমন্ডের স্যুটের এক কাভার, অতি যত্নে ধরা। আরেক হাতে খাবারের প্যাকেট।
দেখে মনে হচ্ছিল সদ্য হানিমুন ফেরত। এখন বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। মনে হল বাস ভ্রমন খারাপ হবে না। আর আমার ঠিক পাশেই বলে না চাইলেও দেখতে হবে তাদের। যদি না বাসের দুলুনিতে ঘুমিয়ে পড়ি। দুলুনিতে ঘুমানোর একটা গল্প বলি।

ডাক্তারের কাছে গেছে রোগি।
-ডাক্তার সাহেব, আমার নতুন বউ পাঠিয়েছে আপনার কাছে
-কি হয়েছে আপনার?
-ডাক্তার সাহেব, আমি প্রতিদিন দুই ঘন্টা ট্রেনে করে কাজে যাই, ফিরিও দুই ঘন্টা ট্রেনে করে।

বরষার খিচুড়ি

[এটা আমারবন্ধুতে আমার প্রথম পোষ্ট। আপনাদের সাথে পরিচিত হতে চাই। আমারবন্ধুতে আমার কয়েকজন পরিচিত ব্লগার রয়েছে। অনিমেষ রহমান, ডাইনোসর, শনিবারের চিঠি এদেরকে আমারব্লগে দীর্ঘদিন ধরে দেখে আসছি। আমার কাছে এই ব্লগের রুলগুলো একটু কঠিন মনে হয়েছে। বিশেষ করে একটা পোষ্ট একাধীক ব্লগে ২৪ ঘন্টার আগে প্রকাশ না করাটা। তবে এই ব্লগের এডিটরটা বেশ ভাল লাগল। যাই হোক, বর্ষা জেঁকে বসেছে তাই ঝুম বর্ষায় বন্ধুদের জন্য একটা বর্ষার খিচুড়ি দিলাম Smile আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে।]
image_204_66898 s.jpg 

প্রকৃতি এক রাজকন্যা
গ্রাম তার প্রাসাদ,
দৌঁড় এক যমদুত
শহর তার আবাস।

আম এক মধুফল
জ্যৈষ্ঠে যার যৈবন,
গরম শুনলেই চরম
ঘর্ম যার ধর্ম।

বরষা এক রূপবতী
ঝিরি ঝিরি ধারা
মনটা এক অনাহারী
উদাস তিয়াসপারা।

ফুল এক মনোহারী
কদম্ব রানী বরষার,
কূল এক নাম ভারি
শুন্য অন্তঃসার।

পুকুর এক কালো
শীতল স্নিগ্ধ জলা,
একটু দিলে হাওয়া
টল মল চঞ্চলা।

রুই এক মাছ
স্বাদু পুকুরের আহার,
পুঁই যত শাক

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ